২৪ এপ্রিল দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে শপথ নেবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ
দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে আগামী ২৪ এপ্রিল শপথ নেবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। ওইদিন সন্ধ্যায় বঙ্গভবনের দরবার হলে স্পিকার শিরীর শারমিন চৌধুরী দেশের একবিংশতম রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে আবদুল হামিদকে শপথ পড়াবেন। শনিবার রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, শপথের তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। আগামী ২৪ এপ্রিল শপথ নেবেন রাষ্ট্রপতি। এর আগে শপথের জন্য ১৫ এপ্রিল দিন রাখা হলেও তার এক দিন আগে অনুষ্ঠান পিছিয়ে যাওয়ার কথা জানানো হল। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে ১৯ মেয়াদে এ পর্যন্ত ১৬ জন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালন করেছেন। সেই হিসাবে আবদুল হামিদ এই পদে সপ্তদশ ব্যক্তি। তবে টানা দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতি হতে যাচ্ছেন কেবল আবদুল হামিদই। সংবিধানে সর্বোচ্চ দুই বার রাষ্ট্রপতি পদে থাকার সুযোগ থাকায় এটাই হবে তার শেষ মেয়াদ। গত ৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের একবিংশতম রাষ্ট্রপতি পদে বর্তমান রাষ্ট্রপ্রধান মো. আবদুল হামিদকে নির্বাচিত ঘোষণা করে ইসি। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে আবদুল হামিদকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা। এর আগে ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন আবদুল হামিদ।
অশুভ, সাম্প্রদায়িক শক্তিকে প্রতিহত করার আহ্বান :সেতুমন্ত্রী
নববর্ষের প্রেরণা ও শক্তি নিয়ে অশুভ, সাম্প্রদায়িক শক্তিকে প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ত পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। শনিবার রাজধানীর বাহাদুরশাহ পার্কে নববর্ষ উপলক্ষে আওয়ামী লীগের শোভাযাত্রা উদ্বোধনের সময় তিনি এমন আহ্বান জানান। ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলা নববর্ষ অশুভ, সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে বাঙালির শক্তি ও প্রেরণার উৎস। নববর্ষের প্রেরণা ও শক্তি নিয়ে অশুভ, সাম্প্রদায়িক শক্তিকে প্রতিহত করতে হবে। তিনি বলেন, বাঙালির বীরত্বের ঐতিয্য আছে, ইতিহাস আছে। একটি বিশ্বাস ঘাতক চক্র বাঙালির সেই ইতিহাস ঐতিহ্যকে আঘাত করতে এখনও সক্রিয়। এখনও বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে। ষড়যন্ত্র যেন আমাদের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে না পারে সে দিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। পহেলা বৈশাখ বাঙালির নতুন উদ্যোমে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণার যোগানোর দিন। নতুন বছরে নতুন কোনো ষড়যন্ত্র যেন বাঙালির অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে না পারে সে জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। নববর্ষের শোভাযাত্রায় অংশ নিয়ে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা সকালে বাহাদুর শাহ পার্কে এসে সমবেত হন। ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তর ও দক্ষিণ যৌথভাবে এ শোভাযাত্রার আয়োজন করে। সকাল সাড়ে ৮টায় শোভাযাত্রা শুরু হয়। ঢাক, ঢোল, বাঁশি বাজিয়ে নেতা-কর্মীরা শোভাযাত্রায় অংশ নেন। শোভাযাত্রায় নানা রঙের সাজসজ্জার মধ্য দিয়ে বাঙালি ঐতিয্যকে তুলে ধরা হয়। এতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি শোভা পায়। ঘোড়ার গাড়ি, পিকাপ ভ্যানে চড়েও নেতা-কর্মীরা শোভাযাত্রায় অংশ নেন। শোভাযাত্রায় দুটি হাতিও নিয়ে আসা হয়। শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ দক্ষিণের সভাপতি আবুল হাসনাত, সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ প্রমুখ।
যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহার
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বরাবরের মতো এবারও তিনি তাদের জন্য উপহার হিসেবে ফল-ফুল এবং মিষ্টি পাঠান তিনি। শনিবার সকালে পয়লা বৈশাখের উৎসবে দেশে যখন চলছে নানা আনুষ্ঠানিকতা, তখন মোহাম্মদপুর কলেজ গেইটে অবস্থিত মুক্তিযোদ্ধা টাওয়ারে একাত্তরের সংগ্রামীদের কাছে উপহার পৌঁছে যায়। প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব সাইফুজ্জামান শিখর, উপ প্রেস-সচিব আশরাফুল আলম খোকন, সহকারী প্রেস সচিব ইমরুল কায়েস এবং কম্প্রট্রোলার খাইরুল বাশার জুয়েল এই উপহার নিয়ে যান। মুক্তিযোদ্ধারা স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, ঈদের মতো প্রত্যেক জাতীয় দিবস ও উৎসবে তাদের স্মরণ করার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সাথে তারা শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘ জীবন কামনা করেন। মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলেই কেবল মুক্তিযোদ্ধা দেশে যথাযত সম্মান পায়।
পবিত্র লাইলাতুল মিরাজ আজ
পবিত্র লাইলাতুল মিরাজ আজ। যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য পরিবেশে আজ ২৬শে রজব, শনিবার দিবাগত রাতে সারা দেশে পবিত্র লাইলাতুল মিরাজ পালিত হবে। এ উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাদ মাগরিব জাতীয় মসজিদে এক ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেছে। পবিত্র এই রাতে মহানবী হযরত মুহম্মদ (সা:) মিরাজ গমন করে আল্লাহ্ রাব্বুল আলামিনের সান্নিধ্য লাভ করেন এবং পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের বিধান নিয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসেন। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা হিজরি সনের রজব মাসের ২৬ তারিখ দিবাগত রাতে লাইলাতুল মিরাজ পালন করেন। ইসলামে এই রাতকে বিশেষ মর্যাদা দেয়া হয়েছে। মিরাজের রাত ইবাদত-বন্দেগি ও দোয়া কবুলের রাত হিসেবে গণ্য করা হয়। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত ও জিকির-আজকারের মধ্য দিয়ে রাতটি পার করে থাকেন। অনেকে পবিত্র মিরাজে নফল রোজা রাখেন। দান-সদকাও করেন। ইসলামী শরীয়তের পরিভাষায় মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আকসা পর্যন্ত সফরকে ইসরা এবং মসজিদুল আকসা থেকে সাত আসমান পেরিয়ে আরশে আজিম সফরকে মিরাজ বলা হয়। ইতিহাসের নিরিখে নবুওয়াতের দশম বছর ৬২০ খ্রিস্টাব্দের ২৬ রজব দিবাগত রাতে মহানবী (সা:) আল্লাহর সান্নিধ্যে মিরাজ গমন করেন। পবিত্র কোরআনের সূরা বনি ঈসরাইল ও সূরা নজমের আয়াতে, তাফসিরে এবং সব হাদিস গ্রন্থে মিরাজের ঘটনার বর্ণনা রয়েছে। পবিত্র এই রাতে হযরত জিবরাঈল (আ:)-এর সঙ্গে নবীজী প্রথমে বায়তুল্লাহ শরীফ থেকে বোরাকে চড়ে বায়তুল মুকাদ্দাস গমন করেন। সেখানে হযরত আদম (আ:) সহ অন্যান্য নবীদের নিয়ে মহানবী (সা:) দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করেন। তারপর সেখান থেকে তিনি এই রাতেই সপ্তম আকাশ পেরিয়ে সিদরাতুল মুনতাহায় উপনীত হন। এরপর রফরফ নামক বাহনে চড়ে আল্লাহর প্রিয় হাবিব মহান প্রভুর অনুগ্রহে আরশে আজিমে পৌঁছেন। আল্লাহ তায়ালার দিদার লাভ ও সরাসরি কথোপকথন শেষে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের হুকুম নিয়ে পৃথিবীতে প্রত্যাবর্তন করেন প্রিয়নবী হযরত মুহম্মদ (সা:)।
যত বাধাই আসুক, বাঙালি কোনো বাধা মানে না: প্রধানমন্ত্রী
দেশে-বিদেশের সকল বাঙালিকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, বাংলাদেশে নববর্ষ উদযাপন একটি সার্বজনীন উৎসব। এ উৎসব উদযাপনে যত বাধাই আসুক, বাঙালি কোনো বাধা মানে না। এ জাতি বাধা ভাঙতে জানে। প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমরা নববর্ষ উদযাপন করি। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বৈশাখী ভাতা চালু করা হয়েছে। প্রবাসীরাও নানা অনুষ্ঠানে নতুন বছরকে বরণ করে নেন। আজ শনিবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানানোর সময় তিনি এসব কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, পৃথিবীতে অনেক দেশ আছে। সব দেশেই নববর্ষের অনুষ্ঠান হয়। কিন্তু ভাষাভিত্তিক রাষ্ট্র এই উপমহাদেশে শুধু বাংলাদেশ। আমরা বাংলা ভাষায় কথা বলি, বাংলায় হাসি, বাংলায় কাঁদি, বাংলায় জীবন চর্চা করি। তিনি আরো বলেন, ১৯৯২ সালে আমরা ১৪০০ বঙ্গাব্দকে বরণ করতে অনুষ্ঠানের আয়োজন করিছিলাম। কিন্তু সেখানে তৎকালীন খালেদা জিয়া সরকার বাধা দেয়। আমরা কবি সুফিয়া কামালকে নিয়ে সেসব বাধা উপেক্ষা করে রমনা পার্কে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নতুন শতাব্দিকে স্মরণ করি। এ ছাড়াও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের কথা উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে। উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলব। সকল বাঙালি ঐক্যবদ্ধভাবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করবে।
নাচে গানে বিভিন্ন আয়োজনে মঙ্গল শোভাযাত্রায় মানুষের ঢল
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে মঙ্গলশোভাযাত্রা শুরু। নাচে গানে বিভিন্ন আয়োজনে সকাল ৯ টা থেকে শুরু হয়েছে মঙ্গলশোভাযাত্রা। ঢাক-ঢোল আর বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রে এগিয়ে চলেছে শোভাযাত্রা। শনিবার সকাল সোয়া নয়টার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে এই শোভাযাত্রা বের করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আখতারুজ্জামানের নেতৃত্বে চারুকলা অনুষদ থেকে বের হওয়া এই শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছে লাখো মানুষ। বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন পহেলা বৈশাখে নতুন একটি বার্তা নিয়ে হাজির হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা। দেশ ও জাতির জন্য অকল্যাণকর অশুভকে প্রতিহত ও সুন্দর-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের প্রত্যয় থাকে প্রতিপাদ্যে। তাই এবারের পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রতিপাদ্য ধরা হয়েছে লালনের অমর বাণী মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি। এই বার্তা নিয়েই বাঙালির প্রাণের উৎসব বাংলা নববর্ষের মঙ্গল শোভাযাত্রা শনিবার সকাল ৯টায় শুরু করন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থীরা। আজকের দিনটির প্রধান আকর্ষণ মঙ্গল শোভাযাত্রা। এছাড়াও রমনা বটমূল, রবীন্দ্র সরোবর, কলাবাগানসহ ও রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে রয়েছে পহেলা বৈশাখ উদযাপনে নানা আয়োজন। ইতোমধ্যে মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন শেষ হয়েছে। সকাল ৯টায় শুরু হবে এই শোভা যাত্রা। ১৯৮৫ সালে চারুপীঠ নামের একটি সংগঠন যশোরে প্রথমবারের মতো নববর্ষ উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা আয়োজন করে। পাপেট, বাঘের প্রতিকৃতি ও পুরনো বাদ্যযন্ত্র এবং অনেক শিল্পকর্ম নিয়ে এই শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ১৯৮৯ সাল থেকে ঢাকা চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থীরা প্রতিবছর পহেলা বৈশাখে মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন করে। ২০১৬ সালে ৩০ নভেম্বর জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (ইউনেস্ক) মঙ্গল শোভাযাত্রাকে অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসাবে স্বীকৃতি দেয়। বাঙালির প্রাণের এ উৎসব উদযাপনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ, ইনস্টিটিউট এবং ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সংগঠনও পৃথকভাবে বর্ণাঢ্য কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
সাড়ে চার বছর ধরে পড়ে থকা লিপা রাণীর লাশ মুসলিম রীতিতে দাফনের নির্দেশ হাইকোর্টের
সাড়ে চার বছর ধরে হাসপাতালের মর্গে পড়ে থাকা নীলফামারীর ডোমারের লিপা রাণীর লাশ মুসলিম রীতি অনুযায়ী দাফনের নির্দেশ দিয়েছেন, হাইকোর্ট। জেলা প্রশাসনের তত্বাবধানে এ লাশ দাফন করতে বলা হয়েছে। তবে লিপার পরিবার দাফনের আগে মরদেহ দেখতে চাইলে তারও ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে বিচারপতি মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরীর হাইকোর্টের একক বেঞ্চ এ রায় দেন। ২০১৩ সালে ধর্মান্তরিত হয়ে লাইজু নামে এক মুসলিম ছেলেকে বিয়ে করেন লিপা রাণী। বিয়ের পর থেকেই পারিবারিক দ্বন্দ্ব চলছিলো। বিয়ের কিছুদিন পর স্বামী লাইজু মারা গেলে লিপাও আত্মহত্যা করেন। এরপর লিপার লাশ দাবি করে আদালতে মামলা করে দুপক্ষ। দীর্ঘ সাড়ে চারবছর এ মামলা নিষ্পত্তি না হওয়ায় লাশ পড়ে আছে রংপুর মেডিকেলের মর্গে। বিষয়টি সময় সংবাদে প্রচারিত হলে হাইকোর্টে মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির আবেদন জানায় মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র।এরপর গত দুই কার্যদিবস শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার এ রায় দিলেন উচ্চ আদালত।
কল সেন্টার ৩৩৩ এর শুভ উদ্বোধন
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা জনাব সজীব আহমেদ ওয়াজেদ জয় আজ ১২ এপ্রিল ২০১৮ ইং বৃহস্পতিবার বিকেলে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে চট্টগ্রামসহ দেশের ৮ জেলার সাথে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে কল সেন্টার ৩৩৩ এর শুভ উদ্বোধন করেন। দেশব্যাপী ২৪ ঘন্টা সরকারি তথ্য ও সেবা প্রদানে এ কল সেন্টারের উদ্বোধন করা হল। অন্যান্য জেলার ন্যায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনও এ ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে যুক্ত থেকে অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। এ অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) শংকর রঞ্জন সাহা, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন, সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মাসুদ উল হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, জেলা পুলিশ সুপার নুরেআলম মিনা, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আজিজুর রহমান সিদ্দিকীসহ জেলার সকল উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সরকারের বিভিন্নস্তরের কর্মরত কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ। কল সেন্টার ৩৩৩ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা জনাব সজীব আহমেদ ওয়াজেদ জয় বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিক ও নিরলস প্রচেষ্টায় ডিজিটাল বাংলাদেশের যাত্রা এগিয়ে যাচ্ছে। সরকারি সেবা জনগণের দৌরগোড়ায় পৌঁছে দিতে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা কাজ করে যাচ্ছে। ফলে দেশের জনগণ ঘরে বসেই সকল ধরনের তথ্য ও সেবা পেয়ে যাচ্ছে। দেশের প্রায় সাড়ে ১২ কোটি মানুষ মোবাইল ফোন ব্যবহার করছে। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তথ্য প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে সকল ধরনের সেবা ভোগ করছে। মোবাইল ফোন থেকে কল সেন্টার ৩৩৩ এ ফোন করে যাবতীয় নাগরিক সেবা, সামাজিক সমস্যা, ভেজাল দ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়, ইভটিজিং, বাল্য বিবাহ, পরিবেশ দূষণ, সরকারি গাছ কর্তন, দুর্যোগ, অভিযোগ ও মাদকদ্রব্যের ব্যবহারসহ বিভিন্ন বিষয়ে জানানোর পর জনগণ এর সুফল পাচ্ছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে আমরা অনেক দূর এগিয়ে যাব এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব হবে। এ জন্য সকলের আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
যুক্তরাজ্য-অস্ট্রেলিয়া-সৌদি আরব সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজের আমন্ত্রণে দুই দিনের সফরে রোববার সৌদি আরব সফর যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে ‘গালফ শিল্ড-১’ শীর্ষক যৌথ সামরিক মহড়ার সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। সৌদি আরব থেকেই যুক্তরাজ্যে যাবেন; এরপর অস্ট্রেলিয়া সফর করবেন। কূটনৈতিক সূত্রে জানা যায়, কমনওয়েলথ সরকারপ্রধান পর্যায়ের সম্মেলনে অংশ নিতে প্রধানমন্ত্রী সোমবারই সৌদি আরব থেকে যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে যাবেন। সেখানে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত সরকারি সফর। এরপর ‘গ্লোবাল সামিট অব উইমেনে’ যোগ দিতে এবং ‘গ্লোবাল উইমেনস লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড’ গ্রহণ করতে ২৬-২৯ এপ্রিল অস্ট্রেলিয়ার সিডনি সফর করবেন তিনি। গত ৫ এপ্রিল ঢাকায় সৌদি রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ এইচ এম আল মুতাইরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে ‘গালফ শিল্ড-১’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সৌদি বাদশাহর আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর