শুক্রবার, আগস্ট ১৪, ২০২০
রোহিঙ্গাদের জন্য অর্থ সহায়তার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের
০৪মার্চ,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর হাতে গণহত্যার শিকার হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় দেশটির রোহিঙ্গা মুসলিম জনগোষ্ঠিকে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য আরও ৫ কোটি ৯০ লাখ ডলার অর্থ সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আজ বুধবার বিকালে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থার সদর দফতরে রোহিঙ্গা মানবিক সংকট মোকাবিলায় ২০২০ সালের যৌথ কর্মপরিকল্পনা (জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যান বা জেআরপি) ঘোষণা করে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা এবং সহযোগী এনজিওগুলো। জেআরপিতে ৮৭৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৮৭ কোটি ৭০ লাখ কোটি ডলার) তহবিল গঠনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এর পরদিনই যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এ সহায়তার ঘোষণা এলো। সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার বলেন, জাতিসংঘ ও সহযোগী সংস্থাগুলো গতকাল রোহিঙ্গা মানবিক সংকট মোকাবিলায় ২০২০ সালের জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যান' প্রকাশ করে। এতে রোহিঙ্গা শরণার্থী, তাদের আশ্রয় দেওয়া বাংলাদেশের স্থানীয় জনগোষ্ঠী এবং মিয়ানমারে অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা ও ক্ষতিগ্রস্ত অন্যান্য জনগোষ্ঠীর জন্য অতিরিক্ত মানবিক সহায়তা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ৫ কোটি ৯০ লাখ ডলারের বেশি সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে। মিলার বলেন, ‘মিয়ানমার ও বাংলাদেশের এই সংকটে মানবিক সহায়তায় সাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র এখনও শীর্ষ অবস্থানে আছে। ২০১৭ সালের আগস্টে মিয়ানমারে জাতিগত সহিংসতার সূত্রপাত ও দেশটির সেনাবাহিনীর হামলার পর থেকে প্রতিবছরই আমরা এ অবস্থানে রয়েছি। এই নতুন তহবিল ঘোষণার মাধ্যমে রোহিঙ্গা সংকটে যুক্তরাষ্ট্রের মোট মানবিক সহায়তা প্রায় ৮২ কোটি ডলারে উপনীত হলো। এর মধ্যে প্রায় ৬৯ কোটি ৩০ লাখ ডলারই দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন কর্মসূচির জন্য।
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
০৪মার্চ,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তরুণ প্রজন্মকে উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা সৃষ্টি করার কথা বলেন। আজ বুধবার রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত জাতীয় এসএমই পণ্য মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। এসময় তিনি বলেন, পাস করে চাকরির পিছে না ছুটে, ঋণ নিয়ে ব্যবসা শুরু করতে পারেন। অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে এটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এজন্য ঋণের সুদের হার কমিয়ে আনতে যাচ্ছি, সিঙ্গেল ডিজিট করা হয়েছে। যাতে করে আমাদের উদ্যোক্তারা ঋণ নিয়ে সুন্দর করে ব্যবসা শুরু করতে পারেন সেই ব্যবস্থা নিয়েছি। আমাদের ছেলেমেয়েরা অত্যন্ত মেধাবী। একটু সুযোগ পেলেই তারা অনেক ভালো কিছু করতে পারে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এসএমই খাতে উৎপাদিত অনেক পণ্য বিশ্বমানের। এগুলোর সঙ্গে আমাদের ঐতিহ্য জড়িত। তবে ঋতু-বৈচিত্র্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কীভাবে পণ্য উৎপাদন করা যায়, তা দেখতে হবে। ক্রেতার চাহিদা কী, সেটাও দেখতে হবে; সেভাবেই পণ্য উৎপাদন করতে হবে। সার্বিক বিষয়ে গবেষণা করে পণ্যের চাহিদা, পণ্যের উৎপাদন ও পণ্য সরবরাহ করতে হবে। জনশক্তির উন্নয়নের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশকে এতোদিন সবাই সস্তা শ্রমের দেশ হিসেবে গণ্য করতো। আপনারা জানেন, ইতোমধ্যে উন্নত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নিয়েছি। দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে ব্যবস্থা নিচ্ছি। আমাদের দেশের প্রায় ৮ হাজারের মতো পোস্ট অফিস আছে। সেগুলো ডিজিটাল করেছি। নিজের ইউনিয়নে, নিজের ঘরে বসে পণ্য যাতে বিক্রি করা যায়, সে ব্যবস্থা করা হয়েছে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।
পাপিয়ার পাপ রাজ্যে যেতেন যারা
০৩মার্চ,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অপরাধ সম্রাজের রানী যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত নেত্রী শামিমা নূর পাপিয়ার আস্তানায় যাতায়াত করতো দেশের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সচিব ও সংসদ সদস্য থেকে শুরু করে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা। সম্প্রতি তাদের তালিকাও তৈরি করেছে সরকারের একটি গোয়েন্দা সংস্থা। ওয়েস্টিনের ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার (সিসি ক্যামেরা) ফুটেজ ও পাপিয়ার মোবাইল ফোনের ভিডিও পর্যালোচনা করে এসব তালিকা তৈরি করা হয়েছে। ওই তালিকাসহ একটি প্রতিবেদন সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে দাখিল করা হয়েছে। পাপিয়ার মোবাইল ফোনের কললিস্ট থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে গোয়েন্দারা। এছাড়া পাপিয়া যেদিন দেশ ছাড়ার জন্য বিমানবন্দরে যান ওইদিনই সরকারের এক শীর্ষ কর্মকর্তা পাপিয়াকে দেশ ছাড়ার জন্য ১৭ বার কল করেছিলেন। এ বিষয়টিও ওই গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। সূত্রটি জানায়, ওই কর্মকর্তা ভয়াবহ বিপদের কথা জানিয়ে পাপিয়া দম্পতিকে দ্রুত দেশ ছাড়ার পরামর্শ দেন। এর পরই পাপিয়া দম্পতি দুই সহযোগীকে নিয়ে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যান। গত কয়েকদিন ধরেই আলোচনায় পাপিয়া। তার চেয়েও বেশি আলোচনায় কারা যেতেন পাপিয়ার ওই পাপের আস্তানায়? এসব জানতে উদগ্রীব অনেকেই। গোয়েন্দা সংস্থার ওই তালিকা অনুযায়ী, পাপিয়ার আস্তানায় নিয়মিত যাতায়াত ছিল অন্তত ২১ জনের। সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের এই ব্যক্তিত্বদের বাইরে গত এক মাসের ভিডিও ফুটেজে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের আরও ৫ জনকে কয়েক দফা ঐ আস্তানায় যেতে দেখা গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ওয়েস্টিন হোটেলের যে প্রেসিডেনশিয়াল স্যুট ভাড়া নিয়ে পাপিয়া তার পাপের আস্তানা গড়ে তুলেছিলেন। গোয়েন্দা সংস্থাটি তার আশপাশে থাকা সিসি ক্যামেরার গত এক মাসের ফুটেজ সংগ্রহ করে। এসব ফুটেজ পর্যালোচনায় বহিষ্কৃত যুব মহিলা লীগ নেত্রী পাপিয়ার আস্তানায় যাতায়াত ছিল এমন ৫ জন সচিব, ১০ জন সংসদ সদস্য, ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক দুই নেতা, দুই জন মন্ত্রী, একজন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন। এছাড়া তালিকায় আছেন ছাত্রলীগ সাবেক এক সভাপতি এবং স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক এক শীর্ষ নেতা। নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ায় সম্প্রতি স্বেচ্ছাসেবক লীগের ওই নেতা পদ হারিয়েছেন। এসব বিষয়ে Rab-1 এর অধিনায়ক লে. কর্নেল শাফী উল্লাহ বুলবুল বলেন, আটকের পর পাপিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদে যেসব ভয়ঙ্কর তথ্য পাওয়া গেছে এখনও সেসব তথ্যের যাচাই-বাছাই চলছে। যাচাই-বাছাই শেষে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। অভিজাত হোটেলে সুন্দরী সরবরাহ, তরুণীদের দিয়ে প্রভাবশালীদের ব্লাকমেইল করে উত্থান পাপিয়ার। পাপিয়ার অপরাধের সাক্ষী তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, যা এখন আইনশৃংখলা বাহিনীর হাতে। এরআগে Rabর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পাপিয়া পিউয়ের মোবাইল ফোন অশ্লীল ভিডিওতে ঠাসা। এতে রয়েছে রাতের আড্ডায় ঘটা নানা অপকর্মের ভিডিও। বিভিন্ন হোটেলে নাচাগানার আসরে ভিআইপিদের উপস্থিতি ভিডিও করে রেখেছেন পাপিয়া। প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সুন্দরী তরুণীদের নিয়ে হোটেলে মনোরঞ্জনের বিশেষ মুহূর্ত তাদের অজান্তেই ভিডিও করে রাখতেন পাপিয়া। তার মোবাইল ফোন ঘেটে এগুলো পাওয়া গেছে। সূত্রমতে, রাজনীতির নারীদের নিয়ে বাণিজ্য করতেন পাপিয়া। রাজধানীর অভিজাত হোটেলগুলোয় মাঝেমধ্যেই ককটেল পার্টির আয়োজন করতেন। এসব পার্টিতে উপস্থিত হতেন সমাজের উচ্চস্তরের লোকজন। মদের পাশাপাশি পার্টিতে উপস্থিত থাকত উঠতি বয়সী সুন্দরী তরুণীরা। মদের নেশায় টালমাটাল আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে কৌশলে ধারণ করা হতো ওই তরুণীদের অশ্লীল ভিডিও। পরে ওইসব ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে মোটা অঙ্কের অর্থ দাবি করতেন পাপিয়া। বনিবনা না হলেই ফেসবুকে ছড়িয়েও দেয়া হতো। প্রসঙ্গত, গত ২২ ফেব্রুয়ারি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে পাপিয়াসহ চার জনকে গ্রেফতার করে Rab-1 এর একটি দল। গ্রেফতারকৃত অন্যরা হলেন, পাপিয়ার স্বামী মফিজুর রহমান ওরফে সুমন চৌধুরী ওরফে মতি সুমন (৩৮), তাদের সহযোগী সাব্বির খন্দকার (২৯) ও শেখ তায়্যিবা (২২)। গ্রেফতারের পর পাপিয়া ও তার স্বামী সুমন চৌধুরীর দেয়ার তথ্য অনুযায়ী হোটেল ওয়েস্টিনে পাপিয়ার নামে বুকিং করা বিলাসবহুল প্রেসিডেন্সিয়াল স্যুট এবং ফার্মগেট এলাকার দুটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় Rab। এসব স্যুট ও ফ্ল্যাট থেকে ১টি বিদেশি পিস্তল, ২টি ম্যাগাজিন, ২০ রাউন্ড গুলি, ৫ বোতল বিদেশি মদ ও নগদ ৫৮ লাখ ৪১ হাজার টাকা, ৫টি পাসপোর্ট, ৩টি ব্যাংক চেকবই, কিছু বিদেশি মুদ্রা, বিভিন্ন ব্যাংকের ১০টি এটিএম কার্ড উদ্ধার করে Rab।- একুশে টেলিভিশন
জয় বাংলা কনসার্টের টি-শার্ট, মগ ও পোস্টার প্রধানমন্ত্রীর হাতে
০৩মার্চ,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেওয়া হলো জয় বাংলা কনসার্ট ২০২০র লগোসমৃদ্ধ নান্দনিক টি-শার্ট, মগ ও পোস্টার। আগামী ৭ মার্চ রাজধানীর বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামে এই কনসার্ট অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজক প্রতিষ্ঠান ইয়াং বাংলা জানিয়েছে, মুজিববর্ষ উপলক্ষে এবারের আয়োজনে থাকছে ভিন্নমাত্রা। আরও জমকালো আয়োজন। এবারও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে প্রচারিত স্বাধীনতার গান গেয়ে মঞ্চ মাতাবেন দেশের জনপ্রিয় বেশ কয়েকটি ব্যান্ড দল। ইয়াং বাংলা আরও জানায়, এবারের কনসার্টে থাকছে ফুয়াদ অ্যান্ড ফ্রেন্ডস, আরবোভাইরাস, ক্রিপটিক ফেইট, শূন্য, নেমেসিস, ভাইকিংস, অ্যাভয়েড রাফা, চিরকুট, মিনার, লালন এবং এফ মাইনরের পরিবেশনা। এছাড়াও কনসার্টে থাকছে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রাফিক্যাল রিপ্রেজেন্টেশন। জয় বাংলা কনসার্টের নিবন্ধন শিগগির শুরু হবে। জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট অথবা জন্মনিবন্ধন সনদ, মোবাইল নম্বর এবং ই-মেইল অ্যাড্রেসের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা থাকছে এ বছরও। নিবন্ধনের মাধ্যমে কনসার্টটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকছে। উল্লেখ্য, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক উত্তাল ভাষণ স্মরণ করে দিনটি ঠিক করা হয়েছে।
তিস্তা বাদে ৭টি অভিন্ন নদীর চুক্তি চূড়ান্ত করতে চায় ভারত
০৩মার্চ,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলতি বছরের শেষ নাগাদ তিস্তা বাদে সাতটি অভিন্ন নদী নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে প্রস্তাবিত চুক্তি চূড়ান্ত হবে বলে আশা করছে নয়াদিল্লি। ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা বলেছেন, আমাদের এই সাতটি নদীর পানি প্রবাহের তথ্য সমন্বয় করা দরকার, যাতে যত দ্রুত সম্ভব পানি বণ্টন চূড়ান্ত করা যায় সম্ভব হলে এ বছরের মধ্যেই। ঢাকার একটি হোটেলে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক বিষয়ক এক সেমিনারে প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি এ কথা বলেন। তিস্তা নদীর পানি বণ্টনের চুক্তি বিষয়ে হর্ষ বর্ধন বলেন, এই বিশেষ নদীর পানি বণ্টনে একটি চুক্তি কেবল সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতৈক্যের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত করা যেতে পারে। ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করা শ্রিংলা অবশ্য বলেন, চুক্তির প্রক্রিয়াটি যত দ্রুত সম্ভব শেষ করতে কাজ করছে ভারত। তিনি বলেন, আমরা জানি সীমান্তের উভয় পাশেই এটি একটি আবেগময় বিষয় তবে আমাদের সরকারের প্রতিশ্রুতির কোনও কমতি নেই। তিনি সোমবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. গওহর রিজভীর সভাপতিত্বে এ সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। গত আগস্টে বাংলাদেশ ও ভারত সাতটি অভিন্ন নদী- মনু, মুহুরী, খোয়াই, গুমতি, ধরলা, ফেনী ও দুধকুমার নিয়ে একটি কাঠামো বা অন্তঃবর্তী পানি বণ্টন চুক্তি তৈরির ব্যাপারে ঐকমত্য হয়। ভারতের পররাষ্ট্র সচিব সোমবার দুই দিনের সফরে ঢাকায় পৌঁছেন। তিনি বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এন্ড স্ট্রেটিজিক স্টাডিজ (বিআইএসএস) এবং ভারতীয় হাইকমিশনের যৌথভাবে আয়োজিত বাংলাদেশ এন্ড ইন্ডিয়া : এ প্রমিজিং ফিউচার শীর্ষক এক সেমিনারে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন। এতে আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলী দাস এবং বিআইএসএস চেয়ারম্যান ফজলুল করিম। অভিন্ন নদীগুলোর প্রতিটির ব্যাপারে আলোচনার মাধ্যমে অগ্রগতির যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে বলে ভারত ও বাংলাদেশ উভয়েই স্বীকার করে উল্লেখ করে ভারতীয় পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ২০১৯ সালের আগস্ট থেকে পানি বণ্টনের ব্যাপারে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে পুনঃরায় আলোচনা শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, আমি আমাদের বন্ধুদের এখানে আশ্বস্ত করছি যে আমরা শুষ্ক মৌসুমে ন্যায্যভাবে পানি বণ্টনে সর্বোত্তম সম্ভাব্য সমাধান খুঁজে বের করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শ্রিংলা বলেন, ৫৪ টি আন্তঃসীমান্ত নদীর পানিকে সুষ্ঠু ও পরিবেশগতভাবে টেকসই উপায়ে বণ্টন ব্যবস্থা দুটি দেশের বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থ। শ্রিংলা পুনরায় আশ্বস্ত করে বলেন, এনআরসি এবং সিএএ ইস্যু বাংলাদেশের ওপর কোনও প্রভাব ফেলবে না। তিনি বলেন, এনআরসি ভারতের সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ বিষয়। আমরা আপনাদেরকে আশ্বস্ত করছি, এর প্রভাব অন্য দেশের ওপর পড়বে না। দু দেশের সীমান্তরক্ষীরা প্রাণঘাতী নয় এমন অস্ত্র ব্যবহার করতে সম্মত হওয়ার পরও সীমান্ত হত্যা বন্ধ না হওয়া সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব শ্রিংলা এই হত্যাকাণ্ডকে ক্রস-বর্ডার অপরাধ বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সীমান্ত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা দুদেশরই সমান সংখ্যক। তবে তিনি সীমান্ত হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সম্পর্কের ক্ষেত্রে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সীমান্ত নিরাপদ রাখা এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধ করা দু দেশের সীমান্ত রক্ষীদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। তিনি আরো বলেন, সীমান্তে প্রতিটি হত্যাকাণ্ডই এক-একটি সমস্যা । শ্রিংলা সীমান্তে নিরাপত্তা বৃদ্ধি, জিরো অপরাধ কর্মকাণ্ড পরিবেশ, আরো সহযোগিতা, যৌথ টহল জোরদার এবং অভিন্ন সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা ও সীমান্ত হত্যাকাণ্ড জিরো পযার্য়ে নিয়ে আসার পরামর্শ দেন। রোহিঙ্গা ইস্যু সম্পর্কে শ্রিংলা বলেন, এটি একটি বড় ধরনের মানবিক সমস্যা এবং এ বিষয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে কোনও ভিন্নমত নেই। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও মিয়ানমার উভয় দেশই ভারতের প্রকৃত প্রতিবেশী রাষ্ট্র। ফলে রোহিঙ্গা সংকটের যে কোনও পরাস্পরিক গ্রহণযোগ্য সমাধানের ক্ষেত্রে পূর্ণ সমথর্ন প্রদানে ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শ্রিংলা বলেন, যতশিগগির সম্ভব, রোহিঙ্গাদের রাখাইন রাজ্যে তাদের নিজ বাসভূমিতে নিরাপদে ফিরে যাওয়া নিশ্চিত করতে হবে এবং তাদের এই ফিরে যাওয়া নিরাপদ ও টেকসই হতে হবে। শ্রীংলা বলেন, মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা প্রায় দশ লাখ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ যে মানবতার পরিচয় দিয়েছে, ভারত তার প্রশংসা করে। তিনি বলেন, আমরা আইডিপি শিবির বন্ধের গুরুত্ব, আর্থসামাজিক উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ প্রশ্নে সকল পযার্য়ে মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রেখেছি। এ ছাড়া বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে তাদের নিজ বাসভূমিতে ফিরে যাবার পরিবেশ সৃষ্টির কথাও বলেছি। তিনি বলেন, এ মাসে নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফর বাংলাদেশের জন্য ভারতের দৃঢ় সদিচ্ছা, আস্থা ও সম্মান দেখানোরই পরিচয় বহন করে। তিনি বলেন, আমরা এই সফরের জন্য দীর্ঘ প্রতীক্ষায় অপেক্ষা করছি, কারণ বঙ্গবন্ধু বিশ্বব্যাপী যেমন একজন লৌহমানব হিসেবে স্বীকৃত, ঠিক তেমনি একজন আইকন এবং তিনি বাংলাদেশের ও এই উপমহাদেশের জন্য স্বাধীনতার আইকনিক প্রতীক। তিনি বলেন, ভারতে তার নামের একটি বিশেষ মাহাত্ম রয়েছে। বঙ্গবন্ধু ভারতে একজন অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় ও বরণীয় ব্যক্তি হিসেবে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য।
বাংলাদেশের ওপর এনআরসির প্রভাব পড়বে না: শ্রিংলা
০২মার্চ,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী ভারতে এনআরসি হচ্ছে, এর সাথে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের জনগণের কোন ধরণের সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা। তিনি দাবি করেছেন, বাংলাদেশের জনগণের ওপর ওই প্রক্রিয়ার কোনো প্রভাব থাকবে না। আজ সোমবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-ভারত: একটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ভবিষ্যৎ শীর্ষক এক সেমিনারে শ্রিংলা এ মন্তব্য করেন। মুজিববর্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফর চূড়ান্ত করতে ঢাকায় এসেছেন শ্রিংলা। সোমবার সকালে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন তাকে স্বাগত জানান। সেমিনারে শ্রিংলা বলেন,নিকটতম প্রতিবেশী হিসেবে এবং অনেকগুলো অভিন্ন সাংস্কৃতিক ধারা থাকায় এটাও অস্বীকার করা যায় না যে, আমাদের দুই দেশেরই কিছু ঘটনা কারণে বা অকারণে সীমান্তে উত্তেজনা সৃষ্টি করে। যার সাম্প্রতিক উদাহরণ হলো আসামে নাগরিকপঞ্জি হালনাগাদকরণ, যে প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণভাবে ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হয়েছে। তিনি বলেন, এখানে আমি স্পষ্ট করেই বলতে চাই, আমাদের প্রধানমন্ত্রী (নরেন্দ্র মোদি) বারবার বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে আশ্বস্ত করেছেন যে, এই প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণভাবে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। সুতরাং বাংলাদেশের জনগণের উপর এর কোনো প্রভাব থাকবে না। আমরা এই ব্যাপারে আপনাদের আশ্বস্ত করছি। তিনি বলেন, কূটনৈতিক গুরুত্বে ভারতের কাছে প্রতিবেশী হিসেবে বাংলাদেশ সবার আগে, বাংলাদেশের সঙ্গে ৫৪ নদীর পানি বন্টন ও ব্যবস্থাপনায় সবচেয়ে ভালো সমাধানই খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়ে তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার মেনে নেবে এমন যে কোন ধরনের সমঝোতার উদ্যোগে পাশে থাকবে ভারত। তবে ভারত চায় সেই উদ্যোগ যেন নিরাপদ এবং ভলান্টারি হয়।- একুশে টেলিভিশন
মুজিববর্ষে এক কোটি গাছের চারা বিতরণ করা হবে
০২মার্চ,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মুজিববর্ষে উপলক্ষে সারাদেশে এক কোটি গাছের চারা বিতরণের উদ্যোগ নিয়েছে বন অধিদফতর। আগামী ৫ জুন ৪৯২টি উপজেলায় এ চারা বিতরণ করা হবে। প্রতিটি উপজেলায় ২০ হাজার ৩৩৫টি করে চারা বিতরণ করা হবে। বন অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রত্যেকটি উপজেলায় এক কোটি গাছের চারা রোপণের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। এরই মধ্যে চারা উৎপাদনের জন্য বন বিভাগের সারাদেশের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে এক কোটি চারার মধ্যে কিছু চারা নষ্ট হতে পারে, সেজন্য অতিরিক্ত আরও ২০ লাখ গাছের চারা উৎপাদন করা হবে। সারাদেশের বন বিভাগ চারা উৎপাদনের কাজও শুরু করেছে। দেশীয় প্রজাতির বিশেষ করে বনজ, ফলজ,ওষধি ও শোভা বর্ধনকারী গাছকে প্রধান্য দেওয়া হচ্ছে। তবে ইউকেলিপটাস, আকাশমনি আর রেইনট্রি বাদ দেওয়া হয়েছে। এসব চারার মধ্যে ৫০ শতাংশই হবে ফলজ প্রজাতির। ফলজ গাছের মধ্যে আম, জাম, কাঠাল, তেঁতুল, লিচু, পেয়ারা, জামরুল, করমচাসহ বড় গাছের চারাই বেশি প্রাধান্য পাবে। অন্যদিকে শোভা বর্ধনকারী গাছের মধ্যে ফুলের গাছ থাকবে, তাতে রাখা হতে পারে গোলাপ, জবা, ঝুমকো লতা, অপরাজিতা, মাধবীলতা, বেলি, রঙ্গন ও কাঠগোলাপ। এর পাশাপাশি রাখা হয়েছে পাতাবাহার জাতীয় গাছও। এর মধ্যে থাকতে পারে বাগান বিলাসসহ বেশ কিছু গাছ। ওষধি গাছের মধ্যে শতমূলী, নিশিন্দা, নাগমনি, ফণিমনসা, চন্দন, অর্জুন, ঘৃতকুমারি, রক্তচন্দন, নাগেশ্বরসহ বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতির গাছ থাকছে। সহকারী বন সংরক্ষক অজিত কুমার জানান, ফলের চারা হবে ৫০ থেকে ৬০ ভাগের মতো। এসব চারা বসতবাড়ির আশেপাশে রোপণ করা হবে। বাকিগুলো হবে বনজ, ওষধি ও শোভাবর্ধনকারী গাছ। কোনও বিদেশি গাছ রোপণ করা হবে না। তিনি বলেন, আমরা শুধু বিতরণ করবো চারাগুলো। চারাগুলো কাদের মধ্যে বিতরণ করা হবে, কোথায় রোপণ করা হবে, এসব নির্ধারণ করবেন উপজেলা পরিবেশ ও বনোন্নয়ন কমিটি। জানা যায়, আগামী বিশ্ব পরিবেশ দিবসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গাছের চারা রোপণ করার মধ্য দিয়ে এই এক কোটি চারা বিতরণের উদ্বোধন করবেন। এরপরই সব উপজেলায় চারা বিতরণ এবং রোপণের কাজ শুরু করা হবে।
প্রধানমন্ত্রীর হাতে জয় বাংলা কনসার্টের মগ, টি-শার্ট ও পোস্টার
০২মার্চ,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেওয়া হলো জয় বাংলা কনসার্ট ২০২০-এর টি-শার্ট, মগ ও পোস্টার। সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বিগত বছরগুলোর মতো এবারও ৭ মার্চ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে- জয় বাংলা কনসার্ট। মুজিববর্ষ উপলক্ষে এবারের কনসার্ট পাবে ভিন্নমাত্রা। মুজিববর্ষে বিশেষ আয়োজনে রাজধানীর বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামে এ কনসার্ট অনুষ্ঠিত হবে। জয় বাংলা কনসার্টের নিবন্ধন শিগগির শুরু হবে। জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট অথবা জন্মনিবন্ধন সনদ, মোবাইল নম্বর এবং ই-মেইল অ্যাড্রেসের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা থাকছে এ বছরও। নিবন্ধনের মাধ্যমে কনসার্টটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকছে। ৭ মার্চ দুপুর ১টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত কনসার্ট চলবে। তাতে অংশ নেবে দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড দল এফ মাইনর, ভাইকিং, এভোয়েড রাফা, ক্রিপটিক ফেইট, লালন, শূন্য, আরবোভাইরাস, চিরকুট, নেমেসিস, ফুয়াদ অ্যান্ড ফ্রেন্ডস এবং মিনার রহমান। মুজিববর্ষ উপলক্ষে এবারের কনসার্টে থাকছে আরও জমকালো আয়োজন। এ ছাড়াও কনসার্টে থাকছে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রাফিক্যাল প্রেজেন্টেশন।
পুলিশ-সাধারণ মানুষ সকলেই আইনের কাছে সমান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
০১মার্চ,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন বলেছেন, পুলিশ হোক আর সাধারণ মানুষ হোক সকলেই আইনের কাছে সমান। তাই পুলিশের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ পেলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। আজ রোববার বিকেলে ড. শহীদ সামসুজ্জোহা পার্কে মেহেরপুর জেলা পুলিশ আয়োজিত মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গি বিরোধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আসাদুজ্জামান খাঁন বলেন, বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার জামিন আদালতের বিষয়। এ ব্যাপারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কিছুই করার নেই। আদালত যদি মনে করেন, তাহলে তাকে জামিন দিবেন, এটা আদালতের এখতিয়ার। এখানে সরকারের করার কিছুই নেই। মন্ত্রী আরও বলেন, খালেদা জিয়াকে জেলখানায় জেলকোড অনুযায়ী সকল সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসা দেশের সর্বোচ্চ হাসপাতাল থেকে দেওয়া হচ্ছে। সেখানে চিকিৎসকেরা বলেছেন, দেশেই তার চিকিৎসা সম্ভব। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাদকের কুফল সম্পর্কে গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। মাদককে না বলুন। মাদক শুধু ব্যক্তিকে ধ্বংস করে না, পরিবারকেও ধ্বংস করে দেয়। মাদক সেবনকারি তার পিতা-মাতাকেও হত্যা করে। আর কোন মাদকাসক্ত ঐশি যেন তার পিতা-মাতাকে খুন করতে না পারে, সেলক্ষ্যে মাদকের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, একটা সময় মাদকদ্রব্য অধিদপ্তর ঠুঁটো জগন্নাথ ছিল। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দপ্তরটিকে ঢেলে সাজিয়েছেন। দক্ষ কর্মকর্তাসহ লোকবল দেয়া হয়েছে। এখন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকান্ড প্রসংশিত হচ্ছে। আসাদুজ্জামান খাঁন বলেন, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠিকে মায়ের আঁচল দিয়ে অতি যত্নে রেখেছেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী। একারণেই প্রধানমন্ত্রী মাদার্স অব হিউম্যানিটি উপাধি পেয়ে সারা বিশ্বে প্রসংশিত হয়েছেন। তিনি বলেন, ১১ বছর আগের পুলিশ আর বর্তমান পুলিশের মধ্যে ব্যবধান অনেক। বর্তমান পুলিশ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন করছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশ হোক আর সাধারণ মানুষ হোক সকলেই আইনের কাছে সমান। তাই পুলিশের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ পেলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। মেহেরপুর পুলিশ সুপার এস এম মুরাদ আলির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে জন প্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, মেহেরপুর-২ গাংনী আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ সাহিদুজ্জামান খোকন, খুলনা বিভাগীয় ডিআইজি খন্দকার মহিদ উদ্দিন, মেহেরপুর জেলা প্রশাসক মো. আতাউল গনি ও মেহেরপুর জেলা আওয়াী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেক অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর