দোষীদের বিচার হয়নি:তাজরীন ট্র্যাজেডি
অনলাইন ডেস্ক :সাড়ে তিন বছর আগে চার্জ (অভিযোগ) গঠন করা হলেও অদ্যাবধি শেষ হয়নি তাজরীন ফ্যাশনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১১২ শ্রমিকের প্রাণহানির মামলার বিচার। আদালতে সাক্ষী হাজির না হওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। আসামিপক্ষের লোকজনের হুমকি ও আর্থিক প্রলোভনের কারণে সাক্ষীরা আদালতে হাজির হচ্ছেন না বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের। চার্জ গঠনের পর থেকে এ দীর্ঘ সময়ে ১০৪ সাক্ষীর মধ্যে মাত্র ৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। আর ৭ জনের মধ্যে ২ জনই মালিকের অনুকূলে সাক্ষ্য দিয়েছেন। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে দায়ীদের বিচার হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছে, মালিকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে অনেক শ্রমিকই অনীহা প্রকাশ করেছে। পুলিশ আদালতে সাক্ষী হাজির করতে পারছে না। তবে সাক্ষ্য গ্রহণ ত্বরান্বিত করতে রাষ্ট্রপক্ষের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
তরুণদের স্বপ্নের কথা শুনলেন প্রধানমন্ত্রী, শোনালেনও
অনলাইন ডেস্ক :ভবিষ্যৎ স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে তরুণদের বিভিন্ন উদ্যোগ, পরামর্শ ও চাওয়া-পাওয়ার কথা শুনলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুক্রবার রাজধানীর একটি মিলনায়তনে সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) আয়োজিত ‘লেটস টক উইথ শেখ হাসিনা’ অনুষ্ঠানে তরুণদের মুখোমুখি হন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে বর্তমান প্রজন্মের সঙ্গে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়ে তোলার স্বপ্ন ও পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন শেখ হাসিনা। সেই সঙ্গে দেশ গঠনে তরুণদের পরিকল্পনা ও পরামর্শের কথা শোনেন। ‘ভবিষ্যতে কেমন বাংলাদেশ দেখতে চায় তরুণরা অথবা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হলে কোন কোন সমস্যার সমাধান করবে তারা’- এমন অনেক বিষয়ে আলোচনা হয় এ লেটস টক-এ। সারাদেশ থেকে আসা ১৫০ অংশগ্রহণকারী তরুণের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন নীতি নির্ধারণী বিষয়ে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। বিভিন্ন পেশাজীবী, চাকরিজীবী, উদ্যোক্তা, শিক্ষার্থী, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত এবং দেশ গঠনে উদ্যমী তরুণ প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন এ আয়োজনে। সেখানে বাংলাদেশের ইতিহাসে ‘প্রথমবারের মতো’ প্রধানমন্ত্রী তরুণদের মুখোমুখি হয়ে তাদের বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর দেন। তরুণদেরও বেশ কিছু প্রশ্ন করেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সঙ্গে বর্তমান প্রজন্মের অনুপ্রেরণা প্রধানমন্ত্রী তার কৈশোর ও তারুণ্যের সময়ে ঘটে যাওয়া অজানা অনেক তথ্য তুলে ধরেন অংশগ্রহণকারীদের কাছে। এ ছাড়াও ব্যস্ততার মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত জীবন, নিজস্ব চিন্তা-ভাবনা নিয়েও তরুণদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। একটি রাজনৈতিক পরিবারে বড় হওয়া শেখ হাসিনার কৈশোর এবং তারুণ্য কি অন্যদের চেয়ে আলাদা ছিল? কি রকম দুরন্ত সময় পার করেছেন তিনি? এমন অনেক প্রশ্নেরই উত্তর মেলে এখানে। এ ছাড়াও কৈশোর ও তারুণ্যে রাজনীতিতে যোগদান, স্কুলের ক্লাস ফাঁকি দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনে যোগদান, মুক্তিযুদ্ধকালে তার অবরুদ্ধ জীবন, ৭৫ সালে দেশের বাহিরে তার পরিবারের কঠিন জীবনযাপন, ১৯৮০ সালে লন্ডনে যাওয়া, রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তনের অনুপ্রেরণা, দেশের মানুষের কাছে ফিরে আসা এমন আরও অনেক বিষয়ে অজানা তথ্য তরুণদের জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তরুণদের কাছ থেকে আসা এমন আরও সব আকর্ষণীয় প্রশ্ন ও তার উত্তর নিয়ে অপেক্ষা করছে ‘লেটস টক উইথ শেখ হাসিনা’। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় তা প্রচার হবে বিভিন্ন গণমাধ্যমে। তরুণরা যাতে দেশের নীতি নির্ধারকদের সঙ্গে খোলামেলা ভাবে আলোচনা করতে পারেন এবং নিজেদের ভাবনা ও সমস্যাগুলোর কথা নীতি নির্ধারকদের কাছে পৌঁছাতে পারেন সে জন্য সিআরআই নিয়মিত আয়োজন করে আসছে লেটস টক। প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদকে নিয়ে এর আগে বেশ কয়েকবার লেটস টক আয়োজন করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার বাংলাদেশের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে থাকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে আয়োজন করা হল ‘লেটস টক উইথ শেখ হাসিনা।
পুনরায় নির্বাচিত হলে চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে আধুনিক ট্যানারি শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলা হবে
অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তাঁর সরকার পুনরায় নির্বাচিত হলে চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে আধুনিক ট্যানারি ও স্বতন্ত্র চামড়া শিল্প অঞ্চল গড়ে তোলা হবে। সরকার ইতোমধ্যে শিল্পাঞ্চলের উপযোগী স্থান নির্ধারণে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাঁর দল পুনঃনির্বাচিত হলে চামড়া শিল্পাঞ্চল ও ট্যানারি নির্মিত হবে। প্রধানমন্ত্রী আজ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ লেদার ফুটওয়্যার অ্যান্ড লেদার গুডস ইন্টারন্যাশনাল সোর্সিং শো উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন। শেখ হাসিনা চামড়া শিল্প নেতৃবৃন্দকে বলেন, আমি নির্বাচিত হলে শিল্পাঞ্চল ও ট্যানারি নির্মাণ করব। অন্যথায় আপনারা নিশ্চিত করবেন যে নতুন সরকার এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে। প্রধানমন্ত্রী নবনির্মিত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রত্যেকটিতে বিশেষ করে চামড়া শিল্পের জন্য একটি করে স্থান রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন। বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব শুভাশিষ বসু, এফবিসিসিআই প্রেসিডেন্ট শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন। এতে লেদার গুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারাস অ্যান্ড এক্সপোটার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ সভাপতি সফিউল ইসলাম স্বাগত বক্তৃতা করেন। দেশে বিভিন্ন চামড়া শিল্প গড়ে তোলায় ব্যবসায়ীদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন বিভিন্ন ব্রান্ডের চামড়াজাত পণ্য বাংলাদেশেই তৈরি হচ্ছে, যেগুলো তাঁরা তাদের দেশে নিয়ে গিয়ে ফিনিশিং দিয়ে মার্কেটে দিচ্ছে। তিনি চামড়া ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে বলেন, এই কাজগুলো যেন আরো ভালভাবে করা যায় আপনারা তা খেয়াল রাখবেন। এজন্য যা কিছু সহযোগিতা দরকার, আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে, আমরা তা করবো। সরকার প্রধান বলেন, এই সেক্টরটিকে আমি মনে করি বাংলাদেশের জন্য একটি বিরাট সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র। সেই সম্ভাবনাটা আমাদের কাজে লাগাতে হবে। সেইদিকে দৃষ্টি দিয়েই আমাদের সবরকম ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি রপ্তানী বাস্কেট বাড়ানোর জন্য ব্যবসায়ীদের তাগিদ দিয়ে বলেন,সবসময় আপনাদের মাথায় রাখতে হবে আরো কোন কোন দেশে আমরা রপ্তানি করতে পারি। কোন দেশের চাহিদা কি, কোথায় আমরা আমাদের রপ্তানিটা বাড়াতে পারি। তাহলে আমাদের উৎপাদনও যেমন বাড়বে, দেশের মানুষের কর্মসংস্থান বাড়বে, ব্যবসায়ীদের ব্যবসা এবং রপ্তানী উভয়ই বৃদ্ধি পাবে। এজন্য আমাদের বাজেটও বাড়াতে হবে এবং প্রণোদণাও দিতে হবে,যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা বলেন,আওয়ামী লীগ সরকার নিজেরা ব্যবসা কওে না বরং ব্যবসায়ীদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়। তিনি জানান, এই বিষয়ে ইতোমধ্যেই তাঁর সরকার সকল দেশের রাষ্ট্রদূত এবং হাইকমিশনারগণকে বাংলাদেশে ডেকে তাঁদের করণীয় বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, একসময় কূটনীতিটা ছিল পলিটিক্যাল আর এখন হয়ে গেছে ইকোনমিক্যাল। কি ধরনের বিনিয়োগ আমাদের দেশে আসতে পারে সেটাকেই খুঁজে নিয়ে আসা এবং সেভাবেই কাজ করতে হবে। তাঁর সরকার রপ্তানীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সে লক্ষ্য অর্জনের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে অগ্রাধিকার প্রাপ্ত যে চারটি খাতের উন্নয়নে এক্সপোর্ট কম্পিটিটিভনেস ফর জবস নামে একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, তার মধ্যে চামড়া, চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা শিল্প অন্যতম। রাজধানীর হাজারীবাগসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষিপ্তভাবে ছিটিয়ে থাকা ট্যানারি শিল্পসমূহকে একটি পরিবেশবান্ধব জায়গায় স্থানান্তরের জন্য ঢাকার সাভারে ধলেশ্বরীর নদীর তীরে ২০০ একর জমিতে চামড়া শিল্পনগরী স্থাপনের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেখানে ১১৫টি ট্যানারি শিল্প প্রতিষ্ঠান উৎপাদন শুরু করেছে। তবে, এটাকে আরো আধুনিকায়ন করা দরকার। এসময় চামড়া সংগ্রহে কসাইদের প্রশিক্ষণের বিষয়ে ব্যবসায়ীদের উদ্যোগী হবার পরামর্শ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাহলে সংগ্রহকালে একটি বড় অংশ যে নষ্ট হয়ে যায়, তা আর নষ্ট হতে পারবে না। প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে আনা জার্মান ব্রান্ড পিকার্ডের তৈরি চামড়ার ভ্যানিটি ব্যাগ দেখিয়ে বলেন, এটি বাংলাদেশে তৈরি এবং জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মারকেলকেও তিনি এটা দেখিয়েছেন যে, এসব পণ্যও বাংলাদেশে তৈরি হচ্ছে। তিনি বিদেশে যেখানেই যান এসব বাংলাদেশী পণ্য সাথে করে নিয়ে যান বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আমাদের দেশের জনগণ অনেক মেধাবী একটু প্রশিক্ষণ দিলেই তাঁরা সুন্দর কাজ করতে পারে, বিশেষকরে মহিলারা চমৎকার হাতের কাজ করতে পারে। কাজেই এভাবে ব্যান্ডগুলোকে আমরা আরো সুন্দর রূপ দিতে পারি। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দেশে আরো বেশি বেশি পাদুকা শিল্প গড়ে উঠুক, দেশি-বিদেশি ব্রান্ড এখানে আসুক, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আসুক এরফলে একদিকে আমাদের যেমন কর্মসংস্থান হবে অন্যদিকে যারা কাজ করাবেন তারা অত্যন্ত সস্তা শ্রমে এবং সুন্দর পরিবেশে কাজটা করিয়ে নিতে পারবেন। বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থানের কথা উল্লেখ করে এখানকার ব্যবসায়ীরা বিশ্বে একটি বিরাট বাজার সুবিধা পেতে পারেন বলেও প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন। দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ীরা যাতে বেশি করে এদেশে আসে, ব্যবসা-বাণিজ্য করে এবং বিমানগুলোতে রিফুয়েলিং করে এবং পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সমুদ্র সৈকত পরিদর্শন কওে সেজন্য তাঁর সরকার কক্সবাজার বিমানবন্দরটিকে সম্প্রসারিত এবং আন্তর্জাতিক মানের করছে, বলেন প্রধানমন্ত্রী। দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের খন্ডচিত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ৮৬ ভাগে উন্নীত করেছি। দেশে আভ্যন্তরীণ বাজার যেমন সৃষ্টি হচ্ছে তেমনি প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে আমরা ইতোমধ্যে কানেকটিভিটি সৃষ্টি করতে সমর্থ হয়েছি। যার ফলে প্রতিবেশী দেশগুলোর বিশাল বাজারেও আমাদের প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি এ সময় ইইরোপীয় ইউনিয়ন থেকে জিএসপি সুবিধা এবং বিভিন্ন দেশের ডিউটি ফ্রি এবং কোট ফ্রি বাংলাদেশী পণ্যের প্রবেশাধিকার সুবিধা থাকারও উল্লেখ করে বলেন, এইভাবে দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আমাদের প্রচেষ্টা শুভফল দেশের মানুষ যেমন পাচ্ছে তেমনি আপনারা ব্যবসায়ীরাও পাচ্ছেন। তাঁর সরকার দেশে বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে সর্বাধিক গুরুত্ব আরোপ করেছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের কর্মক্ষম যুবসমাজই আমাদের সবথেকে বড় শক্তি। যে কারণে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বহুমুখিকরণ করে যুবকদের প্রশিক্ষিত করে কর্মক্ষম করে গড়ে তোলার জন্য সরকার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তাঁর সরকারের সময় দেশে একের পর এক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়, ফ্যাশন ডিজাইন বিশ্ববিদ্যালয়, মেরিটাইম ও ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এবং টেনিক্যাল ও ভোকেশনাল ইনষ্টিটিউট প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন,যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে সময়ের প্রয়োজনটা জেনে নিয়ে সেভাবে আমাদের হালনাগাদ হওয়ার দরকার। তিনি বলেন, আমি এক্ষেত্রে আহ্বান জানাব, আমাদের ব্যক্তি খাতগুলোও যেন আরো বেশি করে এগিয়ে আসে। তারা ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য দক্ষ জনশক্তি তৈরীর উদ্যোগটা সরকারের পাশাপাশি তাঁরাও যেন গ্রহণ করে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের যুব সমাজকে একটি দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত করে তাঁদেরকে কাজে লাগাতে হবে। কারণ, আমাদের তরুণ মেধাবী যুবশক্তিকে একটু সুযোগ করে দিলে তারা নিজেদেরকে দক্ষ করে গড়ে তুলে তাঁদের দক্ষতাকে কাজে লাগাতে পারে।
সশস্ত্র বাহিনীর ছোট টিম থাকবে প্রতি জেলায়: সিইসি
অনলাইন ডেস্ক: পুলিশ প্রশাসনকে উদ্দেশ্য করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, নির্বাচনে প্রতি জেলায় সশস্ত্র বাহিনীর ছোট টিম থাকবে। তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার (২২ নভেম্বর) নির্বাচন ভবনে পুলিশের সঙ্গে বিশেষ সভায় বসে এসব কথা বলেন সিইসি। ১২ দফা নির্দেশনা দিয়ে সিইসি বলেন, বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের তথ্য সংগ্রহ করার কথা আমরা বলিনি। এটা আপনারা করবেন না। কারণ এটা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠে। যারা ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা তারা বিব্রত হন। আমরা এটা চাই না। যদি তথ্য সংগ্রহ করার প্রয়োজন হয়, তাহলে কোনো ব্যক্তির তথ্য গোপন সূত্র ব্যবহার করে সংগ্রহ করতে পারেন। বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে তাদের জিজ্ঞেস করার দরকার নেই। এটা আমরা চাই না। কাউকে বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতার করবেন না। মামলা করবেন না। কাউকে হয়রানিমূলক মামলা বা গ্রেফতার করা যাবে না। আশাকরি, আপনারা এটা করছেনও না। সিইসি আরও বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনে পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ। আপনাদের কারণে যেনো নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ না হয় সে বিষয়টি লক্ষ্য রাখবেন। তিনি বলেন, এ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেননা সবদল অংশ নেবে। নির্বাচনের সব প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। নির্বাচনের সব প্রস্তুতি একা করা সম্ভব নয়। প্রজাতন্ত্রের সবাই মিলেই নির্বাচন সুষ্ঠু করতে কাজ করবো। নির্বাচনের সিংহভাগ দায়িত্ব পুলিশের থাকে। ভোটারের নিরাপত্তা থেকে শুরু করে সব ধরণের নিরাপত্তার দায়িত্ব আপনাদের ওপরই বেশি থাকবে। কেএম নূরুল হুদা আরও বলেন, নির্বাচন যেন কোনোভাবে প্রশ্নবিদ্ধ না হয়। আইন-শৃঙ্খলার দায়িত্ব পালনে আমরা পূর্ণ স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি। তবে, কমিশন আপনাদের কর্মকাণ্ড নজরদারি করবে। অলরেডি অভিযোগ আসা শুরু করেছে। তবে, নির্বিঘ্নে দায়িত্ব পালন করবেন। ভালোভাবে যাচাই না করে আপনাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। এতে আপনাদের আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। আইন-শৃঙ্খলার বিভিন্ন পর্যায়ের তথ্য একমাত্র পুলিশেরই আছে। তাই বিভিন্ন বাহিনী পুলিশের কাছ থেকেই পরামর্শ নেবে। পুলিশকে এখনই কৌশলগত পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে বলেও জানান সিইসি। আগামী ১৫ ডিসেম্বরের পর সশস্ত্র বাহিনীর ছোট টিম পুলিশের সঙ্গে দেখা করবে। প্রতি জেলায় থাকবে সশস্ত্র বাহিনীর ছোট টিম। এদের নিয়ে সমন্বয় করে কাজ করবেন। তাদের যাতায়াতের ব্যবস্থা করে রাখতে হবে। অন্যান্য বাহিনী ও ম্যাজিস্ট্রেটকে তথ্যদিয়ে সহায়তা করবেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন- চার নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিব, অতিরিক্ত সচিব, জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব, আইজিপি, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন তিন বাহিনী প্রধান
অনলাইন ডেস্ক :রাষ্ট্রপতি ও সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধান। বুধবার দুপুরে সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ ও বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত বঙ্গভবনে যান। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সাক্ষাতের সময় রাষ্ট্রপতি সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে বাহিনীর সব সদস্যকে অভিনন্দন জানান। রাষ্ট্রপতি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মধ্যে দিয়ে গড়ে ওঠা আমাদের সশস্ত্র বাহিনী বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও ইতিবাচক অবদান রাখছে। আবদুল হামিদ তিন বাহিনীর কৌশলগত উন্নয়নসহ সার্বিক উন্নয়ন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন। তিন বাহিনী প্রধানরা এ সময় নিজ নিজ বাহিনীর সার্বিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
আগে নেওয়া প্রকল্পগুলো চালিয়ে নিতে আইনে বাধা নেই: ইসি সচিব
অনলাইন ডেস্ক :একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত নতুন কোনও উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তি স্থাপন করতে পারবেন না প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে আগে নেওয়া প্রকল্পগুলো চালিয়ে নিতে আইনে কোনো বাধা নেই। বুধবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। তিনি বলেন, আমরা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছি যাতে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনও প্রকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে নতুন প্রকল্প গ্রহণ না করা হয়। যে প্রকল্প আছে সেগুলো চলমান থাকবে। এই প্রকল্পগুলো চালিয়ে নিতে আইনে কোনো বাধা নেই। ইসি সচিব বলেন, পুরনো প্রকল্পে অর্থ ছাড় করায় বাধা না থাকলেও নতুন কোনো প্রকল্প গ্রহণ, অনুমোদন ও অর্থ বরাদ্দ করা যাবে না। কেউ কোনো ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে পারবেন না। এমনকি প্রধানমন্ত্রীও এ ধরনের কাজ করতে পারবেন না। চাঁদা দেওয়া, মসজিদ, মন্দিরে চাঁদা দেওয়া কিছুই করা যাবে না। যদি কেউ করেন তাহলে আচরণ বিধির লঙ্ঘন হবে। নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী, তফসিল ঘোষণার পর থেকে সরকারি সুবিধাভোগী, অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, উপনেতাসহ অন্যান্যরাও নির্বাচনকালীন সময়ে কোনও উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, অনুদান ও কোনো ধরনের সহায়তা করতে পারেন না। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে ৩০ ডিসেম্বর।
ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রসমূহে অতিরিক্ত রুট অনুমোদন সেবা চালু
অনলাইন ডেস্ক :বৈধ ভিসায় অতিরিক্ত রুট অনুমোদনের সকল আবেদন বৃহস্পতিবার (২২ নভেম্বর) থেকে বাংলাদেশের সকল ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রে (আইভিএসি) গ্রহণ করা হবে। এই সেবার জন্য প্রক্রিয়াকরণ ফি হিসেবে আইভিএসিকে ৩০০ টাকা পরিশোধ করতে হবে। সকল আইভিএসিতে রুট অনুমোদনের আবেদন জমা দেয়ার জন্য আলাদা কাউন্টার থাকবে। একজন আবেদনকারী বিদ্যমান ২৪টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং গেদে/হরিদাসপুর রেল ও সড়কপথ ছাড়াও অতিরিক্ত দুটি রুটের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এখন থেকে ভারতীয় হাই কমিশন, ঢাকা কিংবা চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট ও খুলনার সহকারী হাই কমিশনসমূহে অতিরিক্ত রুট অনুমোদনের কোন আবেদন গ্রহণ করা হবে না। ভারতীয় হাই কমিশন ও ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রের ওয়েবসাইটসমূহে (https://www.hcidhaka.gov.in/pdf/endorsementofportapplicationform.pdf ও http://www.ivacbd.com/Other-Forms) আবেদন ফর্ম পাওয়া যাবে।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে পারবেন না প্রধানমন্ত্রী ও : ইসি সচিব
অনলাইন ডেস্ক: নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও কোনো উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে পারবেন না। বুধবার (২১ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। ইসি সচিব বলেন, যদি প্রধানমন্ত্রী কোনো উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তবে তা হবে আচরণবিধি লঙ্ঘন। এছাড়া কোনো প্রকার চাঁদা, মসজিদ, মন্দিরে চাঁদা দেয়া যাবে না। তিনি বলেন, আমরা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছি-নির্বাচনকালীন এই সময়ে কোনো প্রকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে যাতে নতুন কোনো প্রকল্প গ্রহণ না করা হয়। যে প্রকল্প আছে সেগুলো চলমান থাকবে। হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, ভোটকে কেন্দ্র করে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড, ভিজিডি প্রদান বা টিন (ঢেউ টিন) দেয়া, ভিজিএফ কার্ড দেয়া, মানুষকে সহযোগিতা করা, এগুলো যাতে না করা হয়। আমরা মনে করি, এবারের নির্বাচন অনেক প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার (২২ নভেম্বর) বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভা হবে। নির্বাচনের আগে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পুলিশ সুপারদের (এসপি) একত্রে একটি সভা করে থাকি। কিন্তু এবার রিটার্নিং কর্মকর্তাদের আলাদাভাবে ব্রিফ করেছি। ইতোমধ্যে আমরা রিটার্নিং কর্মকর্তাদের ব্রিফ করেছি। কালকে পুলিশ সুপারদের (এসপি) ব্রিফ করা হবে। ২৪, ২৫, ২৬ নভেম্বর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের আমরা ব্রিফ করবো। এরপর আশা করি, প্রত্যেকটি নির্বাচনী এলাকায় একটা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড প্রস্তুত করতে পারব। ইসি সচিব আরা বলেন, সভায় আমরা আলোচনা করব, যাতে একটি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড প্রস্তুত হয়। নির্বাচনের প্রতীক পেলেই সব দল প্রচার শুরু করবে। তার আগেই যাতে মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীরা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড পান, সে জন্য তাদেরকে নির্দেশনা প্রদান করা হবে।
জনগণের সেবা করার সুযোগ হিসেবে দেখি প্রধানমন্ত্রিত্বকে
অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়নের ধারা বজায় রাখার দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর পদকে জনগণের সেবা করার সুযোগ হিসেবেই তিনি বিবেচনা করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনা এবং প্রধানমন্ত্রীর পদ আমার কাছে যতটা না মূল্যবান তার চাইতে এইটা একটা বড় সুযোগ জনকল্যাণের এবং জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্রবাহিনী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে একথা বলেন। খবর বাসসর তিনি বলেন,আমি মানুষের সেবায় এবং দেশকে এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি । বাংলাদেশ অবশ্যই এগিয়ে যাবে, ইনশাল্লাহ। প্রধানমন্ত্রী বীরশ্রেষ্ঠদের পরিবার-পরিজন এবং মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্রবাহিনীর খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সন্মানে সেনানিবাসের মাল্টি পারপাস কমপ্লেক্সে এই সংবর্ধনার আয়োজন করেন। সশস্ত্রবাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো.মাহফুজুর রহমান অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আকম মোজাম্মেল হক, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল নিজাম উদ্দিন আহমদ এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত এবং পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত সশস্ত্রবাহিনীর ১০১ জন মুক্তিযোদ্ধা এবং ৭জন বীরশ্রেষ্ঠের ঘনিষ্ট পরিবার-পরিজন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বে এখন উন্নয়নের রোল মডেল এবং এটি একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে জাতিসংঘের স্বীকৃতি অর্জন করেছে। তিনি বলেন,বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল বলেই আজকে আমরা এই সম্মান অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি এবং বিশ্বের বহু দেশ এখন বাংলাদেশ অনুকরণ করতে চাইছে। শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে এবং তাঁর সরকারের লক্ষ্যই হচ্ছে উন্নয়নের এই গতিকে অব্যাহত রাখা। তিনি বলেন,আমরা অবশ্যই লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হব এবং অনেক ঘাত প্রতিঘাত পেরিয়ে আমরা আজকের অবস্থানে এসেছি এবং কেউই এই গতিকে রুখতে পারবে না, ইনশাল্লাহ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আজ একটি স্বাধীন দেশ এবং লক্ষ্য প্রাণের বিনিময়ে আমরা এই স্বাধীনতা অর্জন করেছি। তিনি বলেন,বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ, এই স্বাধীনতা কখনই ব্যর্থ হতে পারে না। আমরা দেশের প্রত্যেকটি ঘরে স্বাধীনতার এই সুফলকে পৌঁছে দিতে চাই এবং এই দেশের আর কোন মানুষ দরিদ্র থাকবে না, অনাহারে কষ্ট পাবে না। বঙ্গবন্ধুর ৭মার্চের ভাষণের অংশ আমাদের কেউ দাবায়ে রাখতে পারবা নার উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশকে আর কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না, বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে।

জাতীয় পাতার আরো খবর