মঙ্গলবার, জুন ২২, ২০২১
বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের ফেরানোর সবশেষ তথ্য জানালেন আইনমন্ত্রী
১৪আগস্ট,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক পাঁচ খুনির মধ্যে নূর চৌধুরী কানাডায় কীভাবে আছেন তার কাগজপত্র বাংলাদেশকে দিতে সম্মতি দিয়েছে দেশটির আদালত। আর যুক্তরাষ্ট্রের থাকা খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফিরিয়ে আনতে অগ্রগতির ব্যাপারে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। পঁচাত্তরের বিভীষিকাময় ১৫ আগস্টের ৪৫তম শাহাদৎ বার্ষিকীর আগে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) এক ভিডিও বার্তায় সরকারের কাছে থাকা সবশেষ তথ্য জানান আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন, বাকি তিন খুনি কর্নেল শরীফুল হক ডালিম, কর্নেল রশীদ এবং মোসলেউদ্দিন রিসালদারের অবস্থান না জানলেও সরকার অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে। ১৫ আগস্টের আগে আইনমন্ত্রীর কাছে সর্বশেষ জানতে চেয়েছিলেন সাংবাদিকেরা। সন্ধ্যায় ভিডিও বার্তায় আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, আমাদের সাংবাদিক ভাইয়ের জিজ্ঞাসা করেছেন, বঙ্গবন্ধুর যে খুনিদের রায় এখনও কার্যকর করা যায়নি এবং যারা পলাতক আছেন তাদের ব্যাপারে আমরা কী কী পদক্ষেপ নিয়েছি? সেই ক্ষেত্রে আমি বলতে পারি, কানাডায় নূর চৌধুরী পলাতক আছেন। তিনি কানাডীয় সরকারকে বলেছেন বাংলাদেশে তাকে একটি মামলায় ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়েছে। কানাডীয় সরকারের একটি আইন আছে যেটা হচ্ছে, যে দেশে মৃত্যুদণ্ড আছে সেখানে মৃত্যুদণ্ড হতে পারে এ রকম কোনো আসামিকে ফেরত পাঠায় না। সেই আবেদনের কারণে তিনি সেখানে বসবাসরত আছেন। অইনমন্ত্রী বলেন, তিনি (নূর চৌধুরী) কানাডীয় সরকারের কাছে কী লিখেছেন এবং কী পরিপ্রেক্ষিতে তাকে সেখানে থাকার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে সেগুলো জানার জন্য আমরা কানাডীয় সরকারের কাছে সেই কাগজপত্রগুলো চেয়েছিলাম। কানাডীয় সরকার জবাব দিয়েছেন যে, তাদের প্রাইভেসি অ্যাক্টে এসব কাগজগুলো দেওয়া যায় না। তখন আমরা সেখানে আইনজীবী নিয়োগ করে আদালতে আবেদন করেছিলাম। আদালত বলেছেন এই কাগজগুলো দেওয়া যাবে। তার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা এখন অগ্রসর হচ্ছি। আইনমন্ত্রী বলেন, আরেক খুনি রাশেদ চৌধুরী যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়েছিলেন। সেই ব্যাপারে আমরা এখন যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে সেটা অবজার্ভ করছি এবং এর অগ্রগতির ব্যাপারে আমরা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। বাকি তিন জনের বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে জানিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, আর বাকি তিন জনের ব্যাপারে তাদের অবস্থান সন্ধন্ধে জানি না, কিন্তু আমাদের অনুসন্ধান চলছে। আমরা মনে করি যে, আমাদের এই প্রচেষ্টায় সাফল্য লাভ করবো। আইনমন্ত্রী বলেন, আমি একটাই কথা বলে রাখতে চাই, সেটা হচ্ছে যতক্ষণ পর্যন্ত না আমরা এই পাঁচ জন পলাতক খুনিকে দেশে ফিরিয়ে এনে এই রায় সম্পূর্ণভাবে কার্যকর না করতে পারবো, ততক্ষণ পর্যন্ত তাদেরকে খুঁজে বের করা ও আনার প্রচেষ্টা চলবে। যখন তাদেরকে আনা হবে তখনই এই প্রচেষ্টার পরিসমাপ্তি ঘটবে।
করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৪৪, শনাক্ত ২৬১৭
১৩আগস্ট,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে তিন হাজার ৫৫৭ জনের। নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন দুই হাজার ৬১৭ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ৬৯ হাজার ১১৫ জনে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞতিতে এ তথ্য জানানো হয়। তিনি জানান, ঢাকা সিটিসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ও বাড়িতে উপসর্গ বিহীন রোগীসহ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৭৮২ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন এক লাখ ৫৪ হাজার ৮৭১ জন। তিনি আরো জানান, সারাদেশে সরকারি ও বেসকারি ব্যবস্থাপনায় ৮৭ টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৩ হাজার ১৬২ টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১৩ লাখ ১৫ হাজার ৯০১ টি। নাসিমা সুলতানা জানান, ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৪৪ জনের মধ্যে ৩১ জন পুরুষ ও নারী ১৩ জন। এদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা বিভাগে ১৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ছয় জন এবং রাজশাহী ও বরিশাল বিভাগে তিন জন করে ছয় জন, খুলনা বিভাগে সাত জন, সিলেট বিভাগে চার জন, রংপুর বিভাগে দুই জন রয়েছেন। এদের মধ্যে হাসপাতালে মারা গেছেন ৪১ জন, বাড়িতে তিন জন। মৃতদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৬০ বছরের উর্ধ্বে ২৫ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১১ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে সাত জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে এক জন রয়েছেন। তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ৮১৩ জন ও আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮৩৫ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে এসেছেন ৬০ হাজার ২০ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র নিয়েছেন ৪০ হাজার ৩১২ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১৯ হাজার ৭০৮ জন।
এসকে সিনহাসহ ১১ জনের বিচার শুরু
১৩আগস্ট,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চার কোটি টাকা স্থানান্তর ও আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাসহ (এসকে সিনহা) ১১ আসামির বিচার শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ আদলেতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। আদালত এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৮ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন। দুদকের সহকারী পরিদর্শক আক্কাস আলী নিউজ একাত্তরকে এ তথ্য জানান। এ মামলায় অভিযোগ গঠনের জন্য ২৩ এপ্রিল দিন ধার্য ছিল। তবে করোনা পরিস্থিতিতে আদালত বন্ধ থাকায় তা পিছিয়ে ১৩ আগস্ট ধার্য হয়। সে অনুযায়ী বৃহস্পতিবার আদালত বিচার শুরুর আদেশ দিলেন। গত ২০ ফেব্রুয়ারি মামলাটি বিচারের জন্য এ আদালতে বদলির আদেশ দেন ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েশ। এ মামলায় ১১ আসামির মধ্যে ফারমার্স ব্যাংকের (বর্তমান পদ্মা ব্যাংক লিমিটেড) সাবেক এমডি একেএম শামীম ও এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সাবেক ক্রেডিট প্রধান গাজী সালাহউদ্দিন গত ২০ ফেব্রুয়ারি আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিন নিয়েছেন। অন্য মামলায় গ্রেফতার থাকা মো. মাহবুবুল হক চিশতীকেও (বাবুল চিশতী) এ মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তাই এসকে সিনহাসহ মোট ৮ আসামি এখন পলাতক। তারা হলেন- ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বপন কুমার রায়, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট সফিউদ্দিন আসকারী আহমেদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. লুৎফুল হক, টাঙ্গাইলের মো. শাহজাহান, নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা, সাভারের শ্রীমতি সান্ত্রী রায় (সিমি) ও শ্রী রনজিৎ চন্দ্র সাহা। গত ৯ ডিসেম্বর ১১ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করা হয়। অভিযোগত্রে ফারমার্স ব্যাংকের নিরীক্ষা কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক চিশতীর (বাবুল চিশতী) নাম নতুনভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আর তদন্তকালে এজাহারনামীয় আসামি ফারমার্স ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক (গুলশান) মো. জিয়া উদ্দিন আহমেদ মারা যাওয়ায় তাকে এ মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। সেই অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে গত ৫ জানুয়ারি এসকে সিনহাসহ অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করে নিজেরা লাভবান হয়ে এবং অন্যদের লাভবান করে অবৈধভাবে ভুয়া ঋণ সৃষ্টির মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করে নগদে উত্তোলন ও বিভিন্ন পে-অর্ডারের মাধ্যমে স্থানান্তর করে অর্জিত অপরাধলব্ধ আয় উত্তোলন, স্থানান্তর ও নিজেদের ভোগদখলে রেখে অবৈধ প্রকৃতি উৎস অবস্থান গোপন করে পাচার করেছেন বা পাচারের ষড়যন্ত্রে সংঘবদ্ধভাবে সম্পৃক্ত থেকে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/১০৯ ও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২)(৩) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। এর আগে ২০১৯ সালের ১০ জুলাই ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভুয়া ঋণের মাধ্যমে চার কোটি টাকা স্থানান্তর ও আত্মসাতের অভিযোগ মামলাটি করে দুদক। গত ৪ ডিসেম্বর এ মামলায় অভিযোগপত্র অনুমোদন দেয় সংস্থাটি।
বাংলাদেশকে ৩২০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ সহায়তা দিচ্ছে জাপান
১৩আগস্ট,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে ৩২০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ১৯৭৪ সালের পর ৪৬ বছরের মধ্যে এটাই সর্ববৃহৎ উন্নয়ন সহায়তা। বুধবার (১২ আগস্ট) ঢাকায় নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন জাপানের সাথে বাংলাদেশের ৪১তম অফিশিয়াল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসিসটেন্স (ওডিএ) চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। বাংলাদেশের ৭টি মেগা প্রকল্পে ঋণ সহায়তা হিসেবে ৩২০ কোটি মার্কিন ডলার দিচ্ছে জাপান। এই ৭ মেগা প্রকল্পগুলো হলো- যমুনা রেলওয়ে সেতু নির্মাণ প্রকল্প-২ (ঋণের পরিমাণ ৮৯.০১৬ বিলিয়ন ইয়েন), হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বর্ধিতকরণ প্রকল্প-২ (ঋণের পরিমাণ ৮০ বিলিয়ন ইয়েন), ঢাকা ম্যাস Rapid ট্রানজিট উন্নয়ন প্রকল্প-৪ (ঋণের পরিমাণ ৭২.১৯৪ বিলিয়ন ইয়েন), ঢাকা ম্যাস Rapid ট্রানজিট উন্নয়ন প্রকল্প (লাইন ৫) (ঋণের পরিমাণ ৫৫.৬৯৬ বিলিয়ন ইয়েন), চট্টগ্রাম-কক্সবাজার হাইওয়ে প্রকল্প (ঋণের পরিমাণ ১.৯০৬ বিলিয়ন ইয়েন), ফুড ভ্যালু চেইন উন্নয়ন প্রকল্প (ঋণের পরিমাণ ১১.২১৮ বিলিয়ন ইয়েন) এবং নগর উন্নয়ন ও শহর সুশাসন প্রকল্প (ঋণের পরিমান ২৮.২১৭ বিলিয়ন ইয়েন)। বাংলাদেশেকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করা ও করোনাভাইরাস মহামারি মোকবেলায় বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে এই ঋণ সহায়তা দিচ্ছে জাপান। এই ঋণ সহায়তায় সুদ হবে ০.৬৫%। ঋণ পরিশোধের সময়সীমা ২০ বছর ও রেয়াতকাল (গ্রেস পিরিয়ড) থাকছে ১০ বছর। ঢাকার জাপান দূতাবাস জানিয়েছে, বাংলাদেশের একক বৃহত্তম দ্বিপাক্ষিক দাতা হিসেবে ২০১২ সাল থেকে পাশে রয়েছে জাপান। তাদের দেওয়া মোট ২২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ (প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে) বাংলাদেশে এসেছে। এশিয়ার সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জনের পথে এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশের উন্নয়ন ধারাবাহিক রাখতে তাদের সমর্থন অব্যাহত থাকবে।- বিডি প্রতিদিন
মাটির নিচে তার নিতে আসছে ২০ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প
১৩আগস্ট,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানী ও নারায়ণগঞ্জের সব বৈদ্যুতিক সঞ্চালন লাইন মাটির নিচে স্থাপন করতে ২০ হাজার ৫০১ কোটি ৫২ লাখ টাকার প্রকল্প গ্রহণ করতে যাচ্ছে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি)। তবে এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের আগে পাইলট প্রকল্প হাতে নিতে যাচ্ছে সরকার। পাইলট প্রকল্পের আওতায় নতুন করে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে ১ লাখ ১৫ হাজার গ্রাহককে বিদ্যুৎ সংযোগ দেবে ডিপিডিসি। এছাড়া হাতিরঝিল ও ধানমন্ডি এলাকার সব বিদ্যুৎ বিতরণ লাইন মাটির নিচে স্থাপন করা হবে। ডিপিডিসির আওতাধীন এলাকায় উপকেন্দ্র নির্মাণ ও পুর্নবাসন, বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় ক্যাপাসিটি ব্যাংক স্থাপন এবং স্মার্ট গ্রিড ব্যবস্থার প্রবর্তন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের কিছু এলাকায় মাটির নিচে চলে যাবে বিদ্যুতের তার। এতে সুফল পাওয়া গেলে ব্যাপক আকারে বড় প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। প্রকল্পের প্রস্তাবিত ব্যয় ১ হাজার ৪৫৪ কোটি ৪ লাখ টাকা। প্রকল্পের আওতায় নতুন সাবস্টেশন স্থাপন ও পুরনো সাবস্টেশনের সংস্কারসহ স্মার্ট গ্রিড স্থাপন করা হবে। পরবর্তী জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে প্রকল্পটি উপস্থাপন করা হতে পারে। অনুমোদন পেলে চলতি আগস্ট থেকেই ২০২৩ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে ডিপিডিসি। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে ছয়টি নতুন সাবস্টেশন নির্মাণসহ তিনটির সংস্কার ও ক্ষমতা বাড়ানো হবে। স্মার্ট গ্রিড বসানোর ফলে বিদ্যুতের টেকনিক্যাল লসও কমবে। প্রকল্প প্রসঙ্গে পরিকল্পনা কমিশেনর শিল্প ও শক্তি বিভাগের সদস্য (সচিব) প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, প্রকল্পটি পরবর্তী একনেক সভায় উপস্থাপন করা হবে। প্রকল্পের কিছু কাজ সংযোজন করা হবে। এর আওতায় ঢাকার কিছু এলাকায় পরিক্ষামূলক বা পাইলট হিসেবে তার বিদ্যুতের তার মাটির নিচে নেওয়া হবে। এতে সুফল পাওয়া গেলে বড় প্রকল্প গ্রহণ করবে সরকার। কিছু এলাকায় স্মার্ট গ্রিড ব্যবস্থার চালু করা হবে। এর ফলে গ্রাহক ঘরে বসেই মিটারের সব তথ্য পাবেন। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ডিপিডিসি এলাকায় বিদ্যুদের চাহিদা বাড়ছে। ফলে সিস্টেমের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালে বিদ্যুতের সম্ভাব্যতা চাহিদার পরিমাণ দাঁড়াবে ৩ হাজার ২৮৫ মেগাওয়াট। এ প্রেক্ষাপটে ডিপিডিসি এলাকায় নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন উপায়ে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য নতুন ১৩২/৩৩ কেভি ও ৩৩/১১ কেভি সাবস্টেশন নির্মাণসহ বিদ্যমান ৩৩/১১ কেভি সাবস্টেশনগুলোর সংস্কার প্রয়োজন। প্রকল্পটির আওতায় ডিপিডিসির অধীন রাজধানীর ঝিগাতলা, লালমাটিয়া, আসাদগেট, সাত মসজিদ রোড ও গ্রিন রোডের মোট পাঁচটি ৩৩/১১ কেভি সাবস্টেশনে পাইলটিং বেসিসে স্মার্ট গ্রিড সিস্টেম চালু করা হবে। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে সাবস্টেশন ও ফিডার লেভেলের ত্রুটি চিহ্নিত করা, আইসোলেশন অ্যান্ড সার্ভিস রেস্টোরেশন এবং অপটিক্যাল নেটওয়ার্ক রিকনফিগাশেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে জানার সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি গ্রিড ব্যবস্থায় অটোমেটিক সার্কিট রিক্লোজার, রিং মেইন ইউনিট, অপটিক্যাল ফাইবার, লোড সুইচ, ডিজিটাল ইত্যাদি স্থাপনের মাধ্যমে ফিডার অটোমেশনের ব্যবস্থা করা হবে। ফলে মিটার রিডিংসহ অনলাাইনে ট্রান্সফরমারের কার্যক্রম মনিটর করা সম্ভব হবে। এ সংক্রান্ত রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় ও টেকনিক্যাল লস উল্লেখযোগ্য হারে কমবে। প্রকল্পর আওতায় প্রধান কার্যক্রমগুলোর মধ্যে শিমরাইলের মোহাম্মদী স্টিল ও শ্যামপুরে দু’টি ১৩২/৩৩ কোভি গ্রিড সাবস্টেশন নির্মাণ করা হবে। এছাড়া কামরাঙ্গীরচর, কল্যাণপুর, লালবাগ ও মাদারটেকে চারটি ৩৩/১১ কেভি সাবস্টেশন স্থাপন করা হবে। বিদ্যমান উপকেন্দ্রগুলোতে ক্যাপাসিটি ব্যাংক স্থাপনের মাধ্যমে ১৩২ কেভি, ৩৩ কেভি ও ১১ কেভি ভোল্টেজ লেভেলে পাওয়ার ফ্যাক্টরের উন্নয়ন করা হবে। ডেমরা, তালতলা ও কুমারটুলিতে তিনটি ৩৩/১১ কেভি সাবস্টেশনের সংস্কার করা হবে। কামরাঙ্গীরচর, লালমাটিয়া, গ্রিন রোড, খানপুর ও খিলগাঁও— এই পাঁচটি সাবস্টেশনে এআইএস ব্রেকারের পরিবর্তে জিআইএস (জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সিস্টেম) ব্রেকার স্থাপন করা হবে। এছাড়া ঝিগাতলা, লালমাটিয়া, আসাদ গেট, সাত মসজিদ রোড ও গ্রিন রোডে পাইলটিং ভিত্তিতে পাঁচটি ৩৩/১১ কেভি সাবস্টেশনে স্মার্ট গ্রিড সিস্টেম চালু করা হবে। ছয়টি সাবস্টেশনে ভবনও নির্মাণ করা হবে।
বড় ধরনের জঙ্গি হামলা চালানোর সক্ষমতা নব্য জেএমবির নেই: মনিরুল
১৩আগস্ট,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম বিভাগের (সিটিটিসি) টিমের প্রধান মো. মনিরুল ইসলাম বলেছেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন নব্য জেএমবির (জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ) বড় ধরনের জঙ্গি হামলা চালানোর মতো সক্ষমতা নেই। তাদের নেটওয়ার্ক ভেঙ্গে গেছে। তিনি বলেন, তাদের সক্ষমতা আগের চেয়ে অনেক কমে গেছে। বর্তমানে নব্য জেএমপির সদস্যরা অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে। তিনি আরও বলেন, গ্রেফতারকৃতরা নব্য জেএমবির সামরিক শাখার সদস্য। তারা হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার শরীফে আরেকটি হামলার পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু পুলিশের কড়া নজরদাদির কারণে তাদের মিশন ব্যর্থ হয়। বুধবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মো. মনিরুল ইসলাম। সিটিটিসি টিমের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন। মনিরুল ইসলাম বলেন, পল্টনে বোমা বিস্ফোরনের ঘটনায় মঙ্গলবার অপারেশন এলিগ্যান্ট বাইট চালিয়ে সিলেটের মিরাবাজার, টুকের বাজার, দক্ষিণ সুরমাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে নব্য জেএমবির ৫ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- শেখ সুলতান মোহাম্মদ নাইমুজ্জামান (২৬), সানাউল ইসলাম সাদি (২৮), রুবেল আহমেদ (২৮), আব্দুর রহিম জুয়েল (৩০) ও সায়েম মির্জা (২৪)। তাদের কাছ থেকে বোমা তৈরির সরঞ্জাম, ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। মনিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, গ্রেফতারকৃতরা নব্য জেএমবির সামরিক শাখার সদস্য। তারা কথিত আইএস এর দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য গত ঈদুল আযহার পূর্বে দেশের বিভিন্ন স্থানে হামলার পরিকল্পনা গ্রহণ করে। এর অংশ হিসেবে তারা গত ২৪ জুলাই রাজধানীর পল্টনে পুলিশ চেকপোস্টের পাশে এবং গত ৩১ জুলাই নওগাঁ জেলার সাপাহার এলাকায় হিন্দু ধর্মালম্বিদের মন্দিরে বোমা হামলা করে। এছাড়া তারা গত ২৩ জুলাই হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার শরীফে আরেকটি হামলার পরিকল্পনা গ্রহণ করে। এর মধ্যে তারা পল্টন ও সাপাহারে বোমা বিস্ফোরণ ঘটাতে সক্ষম হয়। কিন্তু সিলেটে পুলিশের কড়া নজরদারির কারণে তারা ব্যর্থ হয়। প্রাথমিক জিঞ্জাসাবাদে তারা জানান, নব্য জেএমবির শুরা সদস্য শেখ সুলতান মোহাম্মদ নাইমুজ্জামানের নেতৃত্বে তারা সিলেটের শাপলাবাগের একটি বাসায় কম্পিউটার প্রশিক্ষণের আড়ালে সামরিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলো। তাদের মধ্যে শেখ সুলতান মোহাম্মদ নাইমুজ্জামান কফি শপে (বারিস্তা) কপি মেকার হিসেবে কাজ করে। তিনি ২০১৯ সালে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্র বিজ্ঞানে অনার্স সম্পন্ন করে। তিনি ছাত্রজীবনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। সামরিক শাখার প্রধান প্রশিক্ষক এবং সামরিক প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে তিনি সিলেটের শাপলাবাগের বাসাটি ভাড়া নেয়। সানাউল ইসলাম শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিসংখ্যান বিভাগের ছাত্র। জঙ্গিরা আরো জানান, রুবেল আহমেদ ২০১৬ সালে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ব্লু-বার্ড সিলেট শাখা থেকে এইচএসসি পরীক্ষা দেয়। তিনি সিলেটে টুকেরবাজারে সার, বীজ ও কিটনাশকের ব্যবসা করতেন। আব্দুর রহিম জুয়েল রেন্ট এ কারের ড্রাইভার হিসেবে কাজ করত। তার গাড়ি ব্যবহার করে তারা সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা করেছিলো। সায়েম মির্জা সিলেটের মদন মোহন কলেজের অনার্স শেষ বর্ষের ছাত্র। উল্লেখ্য, তারা গত ২৪ জুলাই দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর পল্টন মডেল থানার পুরানা পল্টন এলাকায় বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। ঘটনাস্থল থেকে আইইডিতে ব্যবহৃত ইলেকট্রিক টেপ, জিআই পাইপের কনটেইনার, সার্কিটের অংশ, তারের অংশ বিশেষ, লোহার তৈরি বিয়ারিং ও বল, নাইন ভোল্ট ব্যাটারির অংশ বিশেষ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ডিএমপির পল্টন মডেল থানায় একটি মামলা হয়েছে। সূত্র : দেশ বিদেশ
পদ্মা সেতু রক্ষণাবেক্ষণ ও টোল আদায়ে কোরিয়ান কম্পানি কেইসি
১৩আগস্ট,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পদ্মা বহুমুখী সেতুর র্নিমাণ কাজ শেষে সেতুর রক্ষণাবেক্ষণ ও টোল আদায় কার্যক্রম পরিচালনার জন্য রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে এবং জনর্স্বাথে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি অনুসরণ করে কোরিয়া এক্সপ্রেসওয়ে কর্পোরেশনকে (কেইসি) নিয়োগ দিচ্ছে সরকার। কেইসিকে নিয়োগের জন্য পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা, ২০০৮ এর ৭৬(২) বিধিতে উল্লিখিত মূল্যসীমার ঊর্ধ্বের ক্রয়ের প্রস্তাব অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে অনুমোদন দেওয়া হয়। বুধবার কমিটির আহ্বায়ক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল সভায় এ সংক্রান্ত প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে কমিটির সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিব, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী জুম প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, পৃথিবীর সব দেশে ঘর থেকে বের হলে কোনো না কোনোভাবে সরকারকে টোল দিতে হয়। ব্রিজ, রাস্তাসহ অন্যান্য ক্ষেত্রেও টোল দিতে হয়, যাতে এগুলো মেনটেইন করা যায়। আমাদের দেশে এ ব্যবস্থাটি এখনো চালু করতে পারিনি। যেসব ক্ষেত্রে চালু রয়েছে সেগুলো ম্যানুয়ালি। মানুষজন অনেক কষ্ট পায়। সেগুলো এখনো আমরা অটোমেশন করতে পারিনি। অর্থমন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতু রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য কোরিয়া এক্সপ্রেসওয়ে কর্পোরেশনকে (কেইসি) কন্ট্রাক দেওয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কেইসি কোরিয়ার অলমোস্ট সমস্ত টোল ম্যানেজ করে। আমরা টোল ব্যবস্থাপনায় পিছিয়ে রয়েছি, যদি এদের আমরা পাই তাহলে টোল ব্যবস্থাপনায় একটা মাইলফলক সৃষ্টি হবে। সেজন্য জাতীয় স্বার্থে আমরা এ প্রস্তাবটি অনুমোদন দিয়েছি। বৈঠকে অপর একটি প্রস্তাবে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন র্বোড র্কতৃক বাস্তবায়নাধীন মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলায় আড়িয়াল খাঁ নদীতীর সংরক্ষণ ও ড্রেজিং র্শীষক প্রকল্পের কাজসমূহ রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে পিপিএ-২০০৬ এর ধারা ৬৮(১) ও পিপিআর-২০০৮ এর বিধি ৭৬(২) অনুসারে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি (ডিপিএম) অনুসরণে বাস্তবায়নের প্রস্তাব শর্তাসাপেক্ষে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সূত্র : কালের কণ্ঠ
মেজর সিনহা হত্যা: গণশুনানি করবে তদন্ত কমিটি
১৩আগস্ট,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া পুলিশ চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহা মো: রাশেদ খানের নিহত হওয়ার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে গণশুনানি করতে যাচ্ছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি। এ বিষয়ে বুধবার (১২ আগস্ট) সন্ধ্যায় একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ি, আগামী ১৬ আগস্ট (রোববার) সকাল ১০টায় এই গণশুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। টেকনাফ শামলাপুর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ক্যাম্প ইনচার্জের (সিআইসি) কার্যালয়ে এই শুনানিতে প্রত্যক্ষদর্শীদের নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে। বুধবার (১২ আগস্ট) কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও মেজর (অব.) সিনহা রাশেদ খানের মৃত্যুজনিত ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটির সদস্য মোহাম্মদ শাজাহান আলি স্বাক্ষরিত গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। গত ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর এলাকায় চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর অব. সিনহা রাশেদ খান। এ ঘটনায় মেজর সিনহার বোনের করা মামলায় বাহারছড়া তদন্তকেন্দ্রের পরিদর্শক লিয়াকত আলীকে প্রধান আসামি এবং ২ নম্বর আসামি করা হয় টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশকে। এছাড়া আরও সাতজনকে এজহারভুক্ত আসামি করা হয়েছে। আলোচিত এই মামলায় অন্য আসামিরা হলেন- এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, এএসআই লিটন মিয়া, এএসআই টুটুল ও কনস্টেবল মোহাম্মদ মোস্তফা। এ ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ গত ২ আগস্ট চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মোহাম্মদ মিজানুর রহমানকে আহ্বায়ক করে ৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। এই কমিটি সরেজমিনে তদন্ত করে ঘটনার কারন ও উৎস অনুসন্ধ্যান করবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে মতামত দেবে। মন্ত্রণালয় প্রথমে সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়ার কথা থাকলেও অতিরিক্ত আরো সাত কর্ম দিবস সময় বৃদ্ধি করেছে।
সপ্তাহে দুই দিন করোনা বুলেটিন প্রচারের আহ্বান ওবায়দুল কাদেরের
১২আগস্ট,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বাস্থ্য বিভাগের নিয়মিত করোনা বুলেটিন একেবারে বন্ধ না করে সপ্তাহে দুদিন প্রচারের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আজ বুধবার সকালে নিজের সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এক মতবিনিময় সভায় যুক্ত হয়ে তিনি এ আহ্বান জানান কাদের বলেন, করোনায় সংক্রমণ-মৃত্যুসহ প্রতিদিন স্বাস্থ্য বিভাগের আপডেট বন্ধ হলে এ ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে জনমানুষের মাঝে স্বাস্থ্যবিধি মানতে অনীহা দেখা দিতে পারে। পাশাপাশি গুজবের ডাল-পালা বিস্তারের আশঙ্কাও থেকে যাবে। তাই বিষয়টি বাস্তবতার নিরিখে বিবেচনায় নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।

জাতীয় পাতার আরো খবর