রবিবার, ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০২১
সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত
১১জুন,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট একটি লঘুচাপের কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।পাশাপাশি তাদের গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে সামুদ্রিক সতর্কবার্তায় এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি লঘুচাপ অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা তৈরি হচ্ছে ও বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্রবন্দরের ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এদিকে আজ সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থেকে মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। হালকা থেকে মাঝারি বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণ-দক্ষিণপূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইতে পারে, যা ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে। দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে।
মোহাম্মদ নাসিমকে সিঙ্গাপুর নিতে চায় পরিবার
১০জুন,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নিতে চায় তার পরিবার। এ লক্ষ্যে তার পরিবার ইতিমধ্যে প্রক্রিয়াও শুরু করেছে। আজ বুধবার গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া। তিনি জানান, মোহাম্মদ নাসিমের ছেলে ও সাবেক এমপি তানভীর শাকিল জয় তাকে সকালে জানিয়েছেন, সকালে তাকে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজেবেথ হাসপাতালে নেয়ার জন্য সেখানে কাগজপত্র পাঠানো হয়েছে। সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশের হাইকমিশন ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এ নিয়ে কথা হচ্ছে। মোহাম্মদ নাসিমের চিকিৎসায় গঠিত সাত সদস্যের মেডিকেল বোর্ডের সদস্য ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া জানিয়েছেন, তার অবস্থা এখনও সংকটাপন্ন, অবস্থার তেমন উন্নতি হয়নি। আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম গত ৮দিন ধরে রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। হাসপাতালে থাকা অবস্থায় গত শুক্রবার সকালে ব্রেইন স্ট্রোক হলে সেখানেই তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। এর মধ্যে মঙ্গলবার সকালে করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় পরীক্ষার রেজাল্ট নেগেটিভ আসে। এরপর পরিবার তাকে বিদেশে পাঠানোর পরিকল্পনা করে।
আল্লাহ জীবন দিয়েছে, আল্লাহ নিয়ে যাবে, মৃত্যুর ভয়ে আমি ভীত নই: প্রধানমন্ত্রী
১০জুন,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা বা কোনো কিছুতে মৃত্যুর ভয় করেন না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মত্যুকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন। বুধবার (১০ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে শোক প্রস্তাবের উপর আলোচনার সময় প্রসঙ্গক্রমে তিনি এ কথা বলেন। বিকেলে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য প্রয়াত হাবিবুর রহমান মোল্লার স্মরণে এ শোক প্রস্তাব আনা হয়। শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনার সময় বিরোধীদলের চিপ হুইপ জাতীয় পার্টির মশিউর রহমান রাঙ্গা করোনার কারণে প্রধানমন্ত্রীকে সংসদ অধিবেশনে না এসে ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে অংশ নিতে পারেন বলে মত দেন। রাঙ্গা বলেন, বাংলাদেশের জন্য শেখ হাসিনাকে দরকার। তাই এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর অধিবেশনে না আসাই ভালো। স্পিকার বলেন, আপনি শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনা করেন। এরপর আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক পর্যায়ে বলেন, বিরোধীদলের চিফ হুইপ আমার সংসদে আসার বিষয়ে কথা বলেছেন। করোনায় মৃত্যুর ভয়ে আমি ভীত নই। মানুষ মরণশীল, জন্মালে মরতে হবে। সে করোনায় মরি আর গুলি-বোমায় মরি। মুত্যু অবধারিত, ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমি ভয় পাবো না। আমার বাবা, মাসহ পরিবারের সবাইকে মারা হয়েছিল। যারা মেরেছিল তারাই ক্ষমতায় ছিল। আমি যদি ভয় পেতাম তাহলে দেশে ফিরে আসতাম না। আল্লাহ জীবন দিয়েছে, আল্লাহ নিয়ে যাবে। এটাই আমি বিশ্বাস করি। যতক্ষণ বেঁচে আছি কাজ করে যাবো। করোনার মধ্যে আমরা বাজেট দিচ্ছি। অনেকে বাজেট দিতে পারছে না। কিন্তু আমি বলেছি, বাজেট দিতে হবে। তিনি আরো বলেন, আমি তো বেঁচে থাকতে আসিনি। বাংলার মানুষের জন্য জীবন বিলিয়ে দিতে এসেছি। ভয় পাওয়ার তো কিছু নেই।
করোনায় আরও এক পুলিশ সদস্যের মৃত্যু
১০জুন,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মো. আব্দুল জলিল (৫৫) নামে আরও এক পুলিশ সদস্য মারা গেছেন। এ নিয়ে পুলিশের ২০ জন সদস্য প্রাণ হারালেন। মঙ্গলবার বেলা দেড়টায় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি। তিনি কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের ইন্সপেক্টর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। আব্দুল জলিল নওগাঁ জেলার আত্রাই থানার দীপ চাঁদপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই পুত্রসহ অনেক আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন। পুলিশের ব্যবস্থাপনায় মরহুমের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হয়। পরে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে জানাজা শেষে মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
স্বাস্থ্যবিধি মেনেই বাজেট অধিবেশন চলবে
১০জুন,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শারীরিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনেই একাদশ জাতীয় সংসদের অষ্টম অধিবেশন বা বাজেট অধিবেশন চলবে বলে জানিয়েছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। বুধবার (১০ জুন) অধিবেশনের শুরুতে তিনি একথা জানান। স্পিকারের সভাপতিত্বে এ অধিবেশন শুরু হয়। স্পিকার বলেন, এই অধিবেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সারা বিশ্বে করেনা সংক্রমণ পরিস্থিতিতে এই অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। স্বাস্থ্যবিধি, শারীরিক দূরত্ব, মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস- এসব অনুসরণ করেই অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। এই অধিবেশনে উত্থাপিত হবে বাজেট। সরকারি ও বিরোধীদলের সদস্যরা অংশ নেবেন। আগামী ২৯ জুন অর্থবিল ও ৩০ জুন জাতীয় বাজেট পাস হবে। এবারের অধিবেশন সীমিত সময়ের জন্য অনুষ্ঠিত হচ্ছে। অধিবেশনের জন্য নির্বাচিত সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যরা হলেন- কর্নেল (অব.) ফারুক খান, এবিএম তাজুল ইসলাম, মুহিবুর রহমান মানিক, কাজী ফিরোজ রশিদ ও মেহের আফরোজ চুমকী। স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে তারা সংসদ অধিবেশন পরিচালনা করবেন।
করোনা আক্রান্ত কর্মকর্তাদের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের টিম
১০জুন,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাস জনিত রোগে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সহায়তার জন্য কুইক রেসপন্স টিম গঠন করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। বুধবার (১০ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব (সাধারণ সেবা অধিশাখা) মোহাম্মদ মিজানুর রহমানকে প্রধান করে এ টিম গঠনের আদেশ জারি করা হয়েছে। পাঁচ সদস্যের এ টিমে আরও রয়েছেন- সিনিয়র সহকারী সচিব (সরকার গঠন ও রাষ্ট্রাচার শাখা) তানবীর মোহাম্মদ আজিম, প্রটোকল অফিসার (সাধারণ সেবা অধিশাখা) মো. ইমদাদুল ইসলাম, প্রশাসনিক কর্মকর্তা (প্রশাসন ও শৃঙ্খলা শাখা) শাহেনা খানম ও ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দফতর) মো. নেছারুল হাসান। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে এ টিম তার বা তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। প্রয়োজনে তাদের চাহিদার ভিত্তিতে খাদ্য, ওষুধ, চিকিৎসাসহ অন্য বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতা দেবেন। আক্রান্তদের তথ্য সংগ্রহ করে তা প্রতিবেদন আকারে যুগ্মসচিবের (প্রশাসন) কাছে দাখিল করতে বলা হয়েছে আদেশে। করোনা আক্রান্তদের জন্য এর আগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহায়তার জন্য একটি কুইক রেসপন্স টিম গঠন করেছে। ফুলবাড়িয়ায় অবস্থিত সরকারি কর্মচারী হাসপাতালে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের করোনা ভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
করোনায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত Rab- 11 এর সদস্যরা, তবুও থামেনি অভিযান
১০জুন,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নারায়ণগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে মানুষের সঙ্গে সরাসরি কাজ করতে গিয়ে করোনায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত Rab-11র সদস্যরা। এখন পর্যন্ত তাদের ১১৭ সদস্যের মধ্যে করোনা শনাক্ত করা হয়েছে। কিন্তু এ অবস্থাতেও একটুও দমে না গিয়ে ২৪টি গুরুত্বপূর্ণ অভিযান পরিচালনা করেছে এ ব্যাটালিয়ন। করোনা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুরো জেলায় রয়েছে তাদের সতর্ক অবস্থান। বুধবার (১০ জুন) নিউজ একাত্তর কে এসব তথ্য জানান Rab-11র অধিনায়ক (সিও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইমরান উল্লাহ সরকার। ইতোমধ্যেই নিজেদের আইসোলেশনে চিকিৎসা সেবা নিয়ে Rab-11-এর প্রায় সব সদস্যই সুস্থ হয়ে উঠেছেন বলে জানান তিনি। ১০৮ জন এরই মাঝে পুনরায় কাজে যোগ দিয়েছেন। বাদবাকিরাও সুস্থতার পথে। তিনি বলেন, সবসময় আমরা নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়াসহ পুরো জেলার সব গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পোশাকধারী ও অপোশাকধারী সদস্যদের মাধ্যমে বিশেষ নজরদারি করছি। করোনা পরিস্থিতি, আর্থিক অবস্থা সব মিলিয়ে এখন মানুষ ডেসপারেট হয়ে উঠবে, অনেকেই অনেক ধরনের অপকর্ম করতে পারে। তবে আমাদের তৎপরতায় বড় ধরনের কোনো সমস্যা হবে না বলে আশা করছি। জেলার সব ব্যবসাকেন্দ্রগুলোও আমাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নজরদারিতে আছে। আগামীতেও থাকবে। আমরা অনেক আগেই আশঙ্কা করেছিলাম যেহেতু আমরা সরাসরি মানুষের কাছে গিয়েছি, লকডাউন নিশ্চিত করেছি, বাজারে গিয়েছি, জনসমাগম বন্ধ করেছি, পরিবহন সেক্টরে কাজ গিয়েছি, চেকপোস্ট স্থাপন করেছি, ফলে আমাদের বিপুল পরিমাণ সদস্য করোনায় আক্রান্ত হতে পারেন। কিন্তু এ অবস্থাতেও আমরা দায়িত্ব পালন থেকে বিন্দুমাত্র নড়িনি, বরং পূর্ণ শক্তি নিয়ে মাদক, সন্ত্রাসী ডাকাতদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রেখেছি। ইমরান উল্লাহ সরকার আরও জানান, ব্যাটালিয়নের অনেকেই আক্রান্ত হলেও প্রতি রাতে Rab-11 সদর দপ্তরের বাইরে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রেখেছিলাম, দুস্থ ও মধ্যবিত্ত অনেক পরিবারে আমরা খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিয়েছি। নিয়মিত টহল কার্যক্রমসহ বিভিন্ন কাজ করেছি। মার্চ থেকে ব্যাটালিয়নের সদস্যরা আক্রান্ত হতে শুরু করেন, কিন্তু আমাদের অভিযান থামেনি। মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত আমরা গুরুত্বপূর্ণ ২৪টি অভিযান পরিচালনা করেছি। এর বাইরে নিয়মিত অভিযান, বিভিন্ন মামলার আসামি গ্রেফতার, অপরাধ দমন, নাগরিকদের নিরাপত্তা প্রদানসহ নানা কাজ অব্যাহত ছিল আমাদের। এ সময়ের মধ্যে বিভিন্ন মামলার অর্ধশতকেরও বেশি আসামিকে গ্রেফতার করেছে Rab-11। এ সময়ের মধ্যে Rab বড় কয়েকটি মাদকের চালানও আটক করেছে। কয়েকজন বড় মাদক ডিলার ও ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে। ব্যাংক ডাকাতির প্রস্তুতির সময় ডাকাতদের পরিকল্পনা ভেস্তে দেওয়া থেকে শুরু করে পুরো জেলায় গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধির মাধ্যমে যেন কোনো অপরাধ সংঘটিত না হয় সে জন্য সতর্ক থেকেছে Rab-11। আগামী দিনগুলোতেও এ ধারা বজায় থাকবে।
করোনা মহামারির কারণে শ্রমিকদের ফেরত না পাঠাতে আরব আমিরাতকে অনুরোধ
১০জুন,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা মহামারির কারণে বাংলাদেশি শ্রমিকরা যেন চাকুরিচ্যূত হয়ে দেশে ফেরত না আসে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতকে অনুরোধ করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন। বুধবার (১০ জুন) সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আহমেদ আল সায়েঘের সঙ্গে ফোনে আলাপকালে এ অনুরোধ করেন তিনি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ফোনালাপকালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের উন্নয়নে প্রবাসী বাংলাদেশিরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে উল্লেখ করে ড. মোমেন বলেন, কেউ চাকুরিচ্যুত হলেও যেন কমপক্ষে ৬ মাসের সমপরিমাণ ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পায়। তিনি সেদেশে অবস্থানরত প্রবাসী শ্রমিকদের খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন। এসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করা হয়। ড. মোমেন উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে কোয়ারেন্টিনের সুবিধা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশি শ্রমিকরা সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে যদি ফেরত আসতে চায় তবে তারা যেন করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেটসহ ধাপে ধাপে আসতে পারে। ড. মোমেন বাংলাদেশ থেকে সবজি এবং হালাল চিকেন ও গরুর মাংস আমদানি করতে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে অনুরোধ করেন। তাছাড়া সেদেশে কৃষির উন্নয়নে বাংলাদেশের কৃষি শ্রমিকদের কাজে লাগাতে পারবে বলেও পররাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতকে বাংলাদেশের বন্ধুরাষ্ট্র উল্লেখ করে ড. মোমেন সেদেশের উন্নয়নে আহমেদ আল সায়েঘের বাবার দুরদর্শী নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। করোনা পরিস্থিতিতে বিভিন্ন দেশে শ্রমিকদের সহায়তার জন্য কোভিড-১৯ রিকভারি অ্যান্ড রেসপন্স ফান্ড গঠনে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সহযোগিতা কামনা করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পারস্পরিক অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন। ওআইসির সভাপতি হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাত এ সংস্থার ব্যবস্থাপনা, জনবল, আর্থিক কাঠামোসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কারের বিষয়ে বাংলাদেশের সমর্থন কামনা করেন। এসময় করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশে মাস্ক, স্যানিটাইজারসহ বিভিন্ন চিকিৎসা সামগ্রী প্রেরণের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ধন্যবাদ জানান ড. মোমেন।
চট্টগ্রামে মরছে মানুষ, দেখার কেউ নেই
১০জুন,বুধবার,মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামে দিন দিন বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছে মানুষ। নেই সুচিকিৎসা ব্যবস্থা ও পর্যাপ্ত ওষুধ। ডাক্তার আর ওষুধ বিক্রেতারা সকলে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে চট্টগ্রামে এই করোনা মহামারীতে চিকিৎসা সেবাকে পুরোপুরি অকার্যকর করে দিয়েছেন। তবে চিকিৎসা ও ওষুধ খাতে ও রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলেই যেন সকলে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। মন্ত্রীর নির্দেশনা ও প্রতিদিন জেলা প্রশাসনের পরিচালিত ভ্রম্যমান আদালতের অভিযানেও সুফল মিলছে না। ৯জুন মঙ্গলবার চট্টগ্রামের বায়েজিদ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাগির আহমেদকে কয়েকটি হাসপাতাল ঘুরে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যবরণ করতে হয়েছে। জানা যায়, বুকে হঠাৎ ব্যথা উঠার পরপরই তাকে প্রথমে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলেও সেখানে তাকে ভর্তি না করে ফেরত দেয়া হয়। এরপর তাকে নিয়ে যাওয়া হয় জিইসি এলাকার বেসরকারি মেডিকেল সেন্টারে। সেখানেও তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। পরে পার্কভিউ হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানেও একই অবস্থা পরে বিভিন্ন তদবির করে ভর্তি করা হলেও সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন তিনি। এই ঘঠনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র আজ ম নাছির উদ্দিন। এর আগেও বেশ কয়েকজন ব্যক্তি বিনা চিকিৎসায় কয়েকটি হাসপাতাল ঘুরে মৃত্যবরণ করেছেন। এদিকে চট্টগ্রামে ক্রমান্বয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। বরোনা এবং করোনা উপসর্গ নিয়ে প্রতিদিন মারা যাচ্ছে মানুষ। করোনা টেস্ট, বেড, আইসিইউ ও অক্সিজেনের জন্য এবং ওষুধের জন্য চট্টগ্রাম জুড়ে হাহাকার। লাশ দাপন কারী বিভিন্ন সংস্থার সূত্র মতে, চট্টগ্রামে এই পর্যন্ত আল মানাহিল ফাউন্ডেশন ১৬৫ জন, গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ ১০১ জন, ইসলামিয়া ফাউন্ডেশন ৪২ জন, কোয়াণ্টাম ফাউন্ডেশন ৬৭ জন , এস আই পি এফ মূর্দা সেফা ৬৮ জনের নারী পুরুষের লাশ দাফন করেছেন। অপর দিকে কাট্টলী ফাউন্ডেশনে ৩৫ জন, বৌদ্দ মহাশ্বসান কমিটি চান্দগাওয়ে ২০ জনের সৎকার করেছেন। করোনা এবং করোনা উপসর্গ নিয়ে বিনা চিকিৎসায় সাধারণ মানুষের মৃত্য নিয়ে চট্টগ্রামে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। চট্টগ্রামের চিকিৎসাসেবা কি বিএনপি জামায়াতিদের দখলে? যদি তাই হয় তাহলে রাজনৈতিক অসৎ উদ্যোগে চিকিৎসা সেবা বন্ধ করে দেওয়াটায় স্বাভাবিক। বর্তমান স্বাধীনতার স্বপক্ষের ও জনগনের সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় এই ধরনের পরিস্থিতি চলতে পারে না। যত দ্রুত সম্ভব সরকারের উক্ত পর্যায়ের মন্ত্রীদের সমান্বয়ে কমিটি গঠনের মাধ্যমে চট্টগ্রামের সকল বেসরকারী হাসপাতাল গুলো কারা তদারকি করছেন , কেন চিকিৎসা সেবা বন্ধ তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহন করা প্রয়োজন। নয়ত চট্টগ্রামই হবে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে চিকিৎসা সেবা নিয়ে ষড়যন্ত্রের কেন্দ্রবিন্দু।

জাতীয় পাতার আরো খবর