নিষিদ্ধ হলো জঙ্গি সংগঠন-আল্লার দল
০৬নভেম্বর,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জঙ্গি সংগঠন আল্লাহর দল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করে দলটির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। মঙ্গলবার জননিরাপত্তা বিভাগের উপসচিব (রাজনৈতিক শাখা-২) মল্লিকা খাতুন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনটি গেজেট আকারেও প্রকাশ করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারের কাছে এ মর্মে প্রতীয়মান হয় যে,আল্লাহর দল নামক জঙ্গি দল বা সংগঠনটির ঘোষিত কার্যক্রম দেশের শান্তি শৃঙ্খলার পরিপন্থী। ইতোমধ্যে সংগঠনটির কার্যক্রম জননিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে বিবেচিত হওয়ায় বাংলাদেশে এর কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো। এ আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়। এর আগে গত ৩ নভেম্বর সচিবালয় বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের (বিএসআরএফ) বিএসআরএফ সংলাপ অনুষ্ঠানে জঙ্গি সংগঠন,আল্লাহর দল নিষিদ্ধ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
বেসরকারি চাকরিজীবীরাও পাবেন পেনশন
০৬নভেম্বর,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, সরকার অবশ্যই সবার জন্য পেনশন চালু করতে চায়। এ জন্য ইতোমধ্যে প্রাথমিক কাজ শুরু করেছে সরকার। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর বারিধারায় গার্ডিয়ানা হোটেলে ইন্ট্রোডিউসিং অ্যা ইউনিভার্সাল পেনশন স্কিম ইন বাংলাদেশ : ইন সার্চ অব অ্যা ফ্রেমওয়ার্ক শীর্ষক এক আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন তিনি। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, আমরা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছি। আমার জানা মতে, আমাদের অর্থ মন্ত্রণালয়ের ভেতরে ছোট একটি সেল বা প্রতিষ্ঠান আছে, যারা এ বিষয়টা নজরে রেখে প্রাথমিক কাজ শুরু করেছে। এম এ মান্নান বলেন, যে বিষয়টা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, জেনে বা না-জেনেই হোক, এর মধ্যে আমরা চলে এসেছি। প্রায় ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ মানুষকে আমরা নানাভাবে ছুঁয়ে যাচ্ছি। তার মানে বেশি এলাকা আমরা কাভার করে ফেলেছি। আর সামান্য বাকি। আমার মনে হয়, আমরা পারব। সভার আয়োজন করে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) ও অক্সফাম ইন বাংলাদেশ। সর্বজনীন পেনশন কীভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, বাংলাদেশের মানের অন্য দেশগুলো কীভাবে এটা চালাচ্ছে, অর্থের সংস্থান কীভাবে করা যায় আয়োজকদের কাছে এ ধরনের বুদ্ধিবৃত্তিক পরামর্শগুলো প্রত্যাশা করেন পরিকল্পনামন্ত্রী। মন্ত্রী বলেন, সবাই এখানে অংশ নিতে পারবে না। আমাদের এখনও ১১-১২ শতাংশ মানুষ আছে, যাদের আমরা হতদরিদ্র বলি। যাদের কোনো নিট আয় নাই। আমাদের রাজনৈতিক শক্তির প্রথম টার্গেট ওই নিচের ১১-১২ ভাগ মানুষকে টেনে উপরে আনা। তারা কন্ট্রিবিউট করতে পারবে না, তাই আসতে পারবে না, সেই ধরনের চিন্তায় আমরা যাব না। সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ, বিশ্ব ব্যাংকের সাবেক লিড ইকোনমিস্ট জাহিদ হোসেন, সিপিডির বিশেষ ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য ও অধ্যাপক মুস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।
আবরারের মৃত্যু : ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে আইনি নোটিশ
০৩নভেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রথম আলোর শিশু কিশোর বিষয়ক ম্যাগাজিন কিশোর আলোর বর্ষপূর্তিতে এসে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্র নাইমুল আবরারের মৃত্যুর ঘটনায় ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। দৈনিক প্রথম আলোর প্রকাশক, সম্পাদক এবং সাময়িকী কিশোর আলোর সম্পাদককে এ ক্ষতিপূরণ দিতে বলা হয়েছে। কলেজটির সাবেক শিক্ষার্থী ওবায়েদ আহমেদের পক্ষে আজ রোববার (৩ অক্টোবর) রেজিস্ট্রি ডাকযোগে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফাইজুল্লাহ ফয়েজ এ নোটিশ পাঠিয়েছেন। দৈনিক প্রথম আলোর প্রকাশক ও সম্পাদক, সাময়িকী কিশোর আলোর সম্পাদক, তথ্য মন্ত্রণালয় সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয় সচিব ও বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সচিব বরাবর এ নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশে ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোন ধরনের অনুষ্ঠান পরিচালনার ক্ষেত্রে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তথ্য মন্ত্রণালয় সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয় সচিব এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সচিবকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। এছাড়াও নোটিশ পাওয়ার তিনদিনের মধ্যে দৈনিক প্রথম আলোর প্রকাশক, সম্পাদক এবং সাময়িকী কিশোর আলোর সম্পাদকের কাছে ঘটনার ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। এছাড়াও এ ঘটনায় ক্ষতিপূরণের ১০ কোটি টাকা নিহত নাইমুল আবরার রাহাতের পরিবারকে হস্তান্তর করতে বলা হয়েছে। ক্ষতিপূরণ না দিলে প্রয়োজনীয় আইন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ১ নভেম্বর বিকেলে ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের ক্যাম্পাসে দৈনিক প্রথম আলোর সাময়িকী কিশোর আলোর একটি অনুষ্ঠান চলাকালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যায় নাইমুল আবরার।-আরটিভি অনলাইন
বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
০৩নভেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জাতীয় চার নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার (৩ নভেম্বর) সকালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী। সকাল ৭টায় প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এবং পরে আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে দলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন শেখ হাসিনা। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে (ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু ভবন) যান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে বেশ কিছুক্ষণ অবস্থান করেন তিনি। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার ধারাবাহিকতায় ৩ নভেম্বর বঙ্গবন্ধুর আজীবন রাজনৈতিক সহকর্মী, তার অবর্তমানে যারা মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়ে দেশকে স্বাধীন করেন সেই জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ও এএইচএম কামারুজ্জামানকে জেলখানার ভেতরে গুলি করে ও বেয়োনেট দিয়ে খুঁচিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে ঘাতকচক্র। এদিন জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে কালো ব্যাজ ধারণ করেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। দিনের শুরুতে ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সকাল ৮টায় বনানী কবরস্থানে সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ ও এম মনসুর আলী এবং একই সময়ে রাজশাহীতে এএইচএম কামারুজ্জামানের কবরে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। বিকেল ৩টায় রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে আওয়ামী লীগ। এতে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
ঢাকা দক্ষিণ সিটির ওয়ার্ড কাউন্সিলর মঞ্জু অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার
৩১অক্টোবর,বৃহষ্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর টিকাটুলি এলাকার ওয়ার্ড (৩৯) কাউন্সিলর ময়নুল হক মঞ্জুর কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করেছে Rapid Action Battalion (Rab)। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। Rabর লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইং এর সহকারী পরিচালক এএসপি মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, কাউন্সিলর ময়নুল হক মঞ্জুর বিরুদ্ধে অবৈধ দখলদারি, চাঁদাবাজি, মাদক কারবার ও জুয়ার আসর পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। গ্রেপ্তারের সময় তার কার্যালয় থেকে একটি অবৈধ অস্ত্র ও মাদক জব্দ করা হয়েছে। এর আগে বেলা ১২টার দিকে রাজধানীর টিকাটুলি এলাকায় ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ময়নুল হক মঞ্জুর কার্যালয়ে অভিযান শুরু করে Rab।
ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালালে ৬ মাসের কারাদণ্ড
৩১অক্টোবর,বৃহষ্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামীকাল শুক্রবার থেকে সারাদেশে কার্যকর হতে যাচ্ছে আলোচিত সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮। নতুন আইনে বলা হয়েছে, ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালালে ছয় মাসের কারাদণ্ড বা অনধিক ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডিত করা হবে। এর আগে এ অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি ছিল চার মাসের কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড। এছাড়াও, কর্তৃপক্ষ ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বা সমিতি ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরি, প্রদান ও নবায়ন করলে শাস্তি অনধিক দুই বছর। তবে অন্যূন ছয় মাসের জেল বা এক থেকে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়দণ্ডের বিধান রয়েছে। নিবন্ধন ছাড়া গাড়ি চালালে অনধিক ছয় মাসের জেল বা অনধিক ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে। নতুন আইন মতে, ফিটনেস সনদ ছাড়া বা মেয়াদ পেরোনো ফিটনেস সনদ ব্যবহার করে ইকোনমিক লাইফ অতিক্রান্ত বা ফিটনেসের অনুপযোগী, ঝুঁকিপুর্ণ গাড়ি চালালে ছয় মাসের জেল বা অনধিক ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড দেওয়া হবে। এছাড়া আরো বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে আগের তুলনায় শাস্তি বাড়ানো হয়েছে। সড়ক পরিবহনের নতুন আইনে শাস্তি-জরিমানাগুলো হলো- ১. অবহেলায় গাড়ি চালানোতে গুরুতর আহত বা প্রাণহানিতে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড বা অনধিক পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড। ২. উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হত্যাকাণ্ড প্রমাণ হলে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড। ৩. লেন ভঙ্গ ও হেলমেট ব্যবহার না করায় অনধিক ১০ হাজার টাকা জরিমানা। ৪. ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালানোয় ছয় মাসের জেল ও ২৫ হাজার টাকা বা উভয় দণ্ড । ৫. নিবন্ধন ছাড়া গাড়ি চালানোয় ছয় মাসের জেল বা ৫০ হাজার টাকা বা উভয় দণ্ড। ৬. ফিটনেসবিহীন গাড়ি চালানোয় ছয় মাসের জেল বা ২৫ হাজার টাকা বা উভয় দন্ড।
ফেসবুক-ইউটিউব ব্যবহারে লাইসেন্স লাগবে
৩১অক্টোবর,বৃহষ্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের একটা লাইসেন্স (অনুমতিপত্র) করতে হবে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করতে আরো একটু সময় লাগবে। কারণ এর সাথে কিছু জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমও জড়িত। মন্ত্রী বলেন, সচেতনতা তৈরির কাজটি আমরা অবিলম্বেই শুরু করতে যাচ্ছি। তবে তা বাস্তবায়ন করতে একটু সময় লাগবে। আসলে আমরা এখানে যে পদ্ধতিতে কাজটা করতে চাচ্ছি তাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের একটা লাইসেন্স (অনুমতিপত্র) করতে হবে। একটা সফটওয়্যার ডাউনলোড করে খুব সহজে লাইসেন্সটি করা যাবে জানিয়ে মোস্তাফা জব্বার বলেন, আমাদের দেশের লোকজনের স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভালো কাজ করার ইচ্ছে সহজে হয় না। যে কারণে এই লাইসেন্স করাতে হয়তো আমাদের একটু কষ্ট করতে হবে। যন্ত্রপাতি বসানো যেহেতু হয়ে গেছে, বাকি কাজও সহসাই হয়ে যাবে বলে আশা করছি। তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেখানে প্রকাশিত কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে সরকার। দেশের বাইরে বসেও কেউ আপত্তিকর কিছু প্রকাশ করলে তা এখানে দেখা যাবে না।আমরা যে কোনো কনটেন্ট ব্লক (প্রকাশনা অবরুদ্ধ) করতে পারবো। আপনার একাউন্টের একটা কমেন্ট আমার মুছে ফেলা দরকার হলে আমি সেটাও মুছে ফেলতে পারব। তবে বাংলাদেশের বাইরে থেকে সেগুলো দেখা যাবে। মন্ত্রী বলেন, দেশের বাইরে-তো আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারব না। কারণ ফেসবুক দুনিয়া জুড়ে চলবে। আমরা শুধু বাংলাদেশ ভূখণ্ডে সাইবার সুরক্ষা দিতে সক্ষম। পর্ণসাইটগুলো যেমন শুধু বাংলাদেশে বন্ধ করা হয়েছে, বিভিন্ন কনটেন্ট এবং অন্যান্য ক্ষেত্রেও যেটা হবে সেটা শুধু বাংলাদেশের ক্ষেত্রেই হবে। তিনি বলেন, মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে সম্মান দেখিয়ে আসছি এবং দেখিয়ে যাবো। কিন্তু কেউ স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ এবং বঙ্গবন্ধুর (জাতির পিতা শেখ মুজিবর রহমান) বিরোধীতা করলে, সেক্ষেত্রে কোনো আপোষ করা হবে না। এই প্রকল্পের আওতায় আমরা পর্ণ এবং জুয়ার সাইটগুলো বন্ধ করেছি। নইলে এত দ্রুত ২৫ হাজার সাইট বন্ধ করা সম্ভব ছিল না, বলেন মন্ত্রী। তীব্র সমালোচনার মুখে ২০১৮ সালে বাংলাদেশের সংসদে পাস হওয়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনটি দুর্বল হয়েছে, আরেকটু শক্ত করা উচিত ছিল, উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, দেশের স্বার্থ ও নাগরিক সুরক্ষা সুনিশ্চিত করতে আইনটির কিছু জায়গায় পরিবর্তন আনা দরকার। ফ্রান্স ফেসবুককে ৩২ বিলিয়ন ডলার জরিমানা করেছে, আমাদের আইনেও এমন ব্যবস্থা থাকলে ফেসবুক যখন আমাদের অবজ্ঞা করেছিল তখন আমরা তাদের জরিমানা করতে পারতাম। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার মতো কোনো বিধিবিধান সেখানে রাখা হয়নি, বলেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, সোশ্যাল মিডিয়াগুলো যদি বাংলাদেশি নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য কখনো আমাদের অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করে, সে ক্ষেত্রেও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার মতো বিধান আমাদের নেই। এ ছাড়া ডেটা সিকিউরিটি এবং প্রাইভেসির বিষয়ও আইনে সংযুক্ত করার কথা ভাবছে সরকার।-আলোকিত বাংলাদেশ
জামায়াত নেতা আজহারের মৃত্যুদণ্ড আপিলেও বহাল
৩১অক্টোবর,বৃহষ্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াত নেতা আজহারুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে আপিল বিভাগ।বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) খালাস চেয়ে আজহারুল ইসলামের আপিল খারিজ করে রায় ঘোষণা করেন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ। আদালতে আসামিপক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আজকের কার্যতালিকায় এ মামলাটি রায়ের জন্য ১ নম্বর ক্রমিকে রাখা হয়েছিলো। এর আগে উভয়পক্ষের শুনানি শেষে গত ১০ জুলাই মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার দায়ে ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরধ ট্রাইব্যুনাল-১। পরে খালাস চেয়ে ২০১৫ সালের ২৮ জানুয়ারি আপিল করেন তিনি। কয়েকদফা পিছিয়ে গত ১৮ জুন আপিলের শুনানি শুরু হয়। আপিল বিভাগে আজহারুল ইসলামের পক্ষে শুনানি করেন খন্দকার মাহবুব হোসেন ও শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। মুক্তিযুদ্ধের সময় রংপুরে হত্যা-গণহত্যা, অপহরণ, ধর্ষণ, আটক, নির্যাতন ও গুরুতর জখম এবং শতশত বাড়ি-ঘরে লুটপাট শেষে অগ্নিসংযোগের মতো নয় ধরনের ছয়টি অপরাধের অভিযোগ আনা হয় আজহারের বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগের মধ্যে পাঁচটি অভিযোগই প্রমাণিত হয়েছে বলে ট্রাইব্যুনালের রায়ে উল্লেখ করা হয়।
আমবাগানের পাখির বাসা ভাঙা যাবে না: হাইকোর্ট
৩১অক্টোবর,বৃহষ্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় একটি আমবাগানে থাকা পাখির বাসা ভাঙা যাবে না বলে নিদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে উপজেলার খোর্দ্দ বাউসা গ্রামের ওই আমবাগান এলাকাটি কেন অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ বুধবার এ আদেশ দেন। গণমাধ্যমে প্রকাশিত ওই আমবাগান থেকে পাখির বাসা উচ্ছেদ সংক্রান্ত প্রতিবেদন আদালতের নজরে এনে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী প্রজ্ঞা পারুমিতা রায়ের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত এই আদেশ দেন। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সামিউল আলম। আমবাগানটির পাখির বাসাগুলো কোনো অবস্থাতেই ভাঙা যাবে না উল্লেখ করে আদালত অভয়ারণ্য ঘোষণার কারণে বাগানমালিক বা ইজারাদারের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে কি না, তা নিরীক্ষা করে ৪০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে রাজশাহী জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছেন। জানা যায়, খোর্দ্দ বাউসা গ্রামের একটি আমবাগানে কয়েক হাজার শামুকখোল পাখির বাসা রয়েছে। সব বাসাতেই পাখির ছানা রয়েছে। এগুলো এখনো উড়তে শেখেনি। বাগানমালিক আমবাগান পরিচর্যার জন্য এসব পাখির বাসা ভাঙতে গেলে স্থানীয় পাখিপ্রেমীরা বাধা দেন। পাখিপ্রেমীদের প্রতিরোধের মুখে মঙ্গলবার বাগানমালিক ১৫ দিন সময় দিয়ে বলেছেন, এ সময়ের মধ্যে কোনো ব্যবস্থা না হলে তিনি সব পাখির বাসা ভেঙে দেবেন। পাখিপ্রেমীরা জানান, চার বছর ধরে পাখিগুলো এই বাগানে বাচ্চা ফোটায়। বর্ষার শেষে এসে বাচ্চা ফুটিয়ে শীতের শুরুতে তারা আবার চলে যায়। বাচ্চাগুলো উড়তে শিখতে অন্তত আরও এক মাস সময় লাগবে। আতাউর রহমান নামের একজন ব্যবসায়ী এই আমবাগান ইজারা নিয়েছেন। তিনি বলেন, সাত লাখ টাকা দিয়ে বাগানটি দুই বছরের জন্য ইজারা নিয়েছি। গত বছর পাখির কারণে আম নষ্ট হয়েছে। এবার আর তা হতে দেব না। স্থানীয় পাখিপ্রেমী রফিকুল ইসলাম বলেন, বন অধিদপ্তর আমগাছের ক্ষতি পুষিয়ে দেওয়ার জন্য একটি প্রকল্প করার ঘোষণা দিয়েছিল। কিন্তু এ ব্যাপারে আর কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। এখন পাখিগুলোর বাসা ভেঙে দিলে হাজার হাজার পাখির বাচ্চা মারা পড়বে। এরই মধ্যে বাসা ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় স্থানীয় লোকজন ১০০ পাখির বাচ্চা ধরে নিয়ে গেছে।

জাতীয় পাতার আরো খবর