ছয় মন্ত্রণালয় প্রধানমন্ত্রীর অধীনে
অনলাইন ডেস্ক: সরকার পরিচালনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে থাকছে ছয় মন্ত্রণালয়। রোববার (৬ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টায় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম। মন্ত্রিপরিষদ সচিবের ঘোষণা অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর অধীনে যে ছয় মন্ত্রণালয় থাকছে সেগুলো হচ্ছে- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়। নতুন মন্ত্রিপরিষদ শপথ নেবে সোমবার (৭ জানুয়ারি) বিকেলে। এরই মধ্যে নতুন মন্ত্রিসভায় যারা জায়গা পেতে যাচ্ছেন তাদের শপথ গ্রহণের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এর আগে ২০০৯ সালে নবম সংসদ ও ২০১৪ সালে দশম সংসদের পর এবার টানা তৃতীয় মেয়াদে সংসদ নেতা নির্বাচিত হলেন শেখ হাসিনা। তিনি ১৯৯৬ সালেও সপ্তম সংসদেও সংসদ নেতার ভূমিকায় ছিলেন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনের পর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গঠিত মন্ত্রিসভায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগসহ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।
নতুনদের জয়জয়কার মন্ত্রিসভায়
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জনের পর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নতুন নতুন মন্ত্রিপরিষদ শপথ নেবে আগামীকাল সোমবার। এরই মধ্যে নতুন মন্ত্রিসভায় যারা জায়গা পেতে যাচ্ছেন তাদের শপথগ্রহণের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এবারের মন্ত্রিসভায় নতুনদের জয়জয়কার হয়েছে। রোববার বিকেল (৬ জানুয়ারি) সাড়ে ৪টায় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্য ও তাদের মন্ত্রণালয়ের নাম ঘোষণা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম। নতুন মন্ত্রিসভার ৪৬ সদস্যের নাম ও মন্ত্রণালয়- পূর্ণমন্ত্রী হচ্ছেন ২৪ জন। তারা হলেন- আ ক ম মোজাম্মেল হক (মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক) , ওবায়দুল কাদের (সড়ক পরিবহন ও সেতু), আব্দুর রাজ্জাক (কৃষি), আসাদুজ্জামান খান কামাল (স্বরাষ্ট্র), হাছান মাহমুদ (তথ্য), আনিসুল হক (আইন), আ হ ম মুস্তফা কামাল (অর্থ), তাজুল ইসলাম (স্থানীয় সরকার), ডা. দীপু মনি (শিক্ষা), এ কে আবদুল মোমেন (পররাষ্ট্র), এম এ মান্নান (পরিকল্পনা), নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন (শিল্প), গোলাম দস্তগীর গাজী (বস্ত্র ও পাট), জাহিদ মালেক (স্বাস্থ্য), সাধন চন্দ্র মজুমদার (খাদ্য), টিপু মুনশি (বাণিজ্য), নুরুজ্জামান আহমেদ (সমাজকল্যাণ), শ. ম. রেজাউল করিম (গণপূর্ত), মো. শাহাব উদ্দিন (পরিবেশ ও বন), বীর বাহাদুর ঊশৈ সিং (পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক), সাইফুজ্জামান চৌধুরী (ভূমি), নুরুল ইসলাম সুজন (রেলপথ), ইয়াফেস ওসমান-টেকনোক্র্যাট (বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি), মোস্তাফা জব্বার- টেকনোক্র্যাট (ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি)। ১৯ জন প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন : কামাল আহমেদ মজুমদার (শিল্প), ইমরান আহমেদ (প্রবাসীকল্যাণ), জাহিদ আহসান রাসেল (যুব ও ক্রীড়া), নসরুল হামিদ (বিদ্যুৎ ও জ্বালানি), আশরাফ আলী খান খসরু (মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ), মন্নুজান সুফিয়ান (শ্রম), খালিদ মাহমুদ চৌধুরী (নৌপরিবহন), জাকির হোসেন (প্রাথমিক ও গণশিক্ষা), শাহরিয়ার আলম (পররাষ্ট্র), জুনায়েদ আহমেদ পলক (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি), ফরহাদ হোসেন (জনপ্রশাসন), স্বপন ভট্টাচার্য (স্থানীয় সরকার), জাহিদ ফারুক (পানিসম্পদ), মো. মুরাদ হাসান (স্বাস্থ্য), শরীফ আহমেদ (সমাজকল্যাণ), কেএম খালিদ (সংস্কৃতি), এনামুর রহমান (দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ), মাহবুব আলী (বিমান), শেখ মো. আবদুল্লাহ- টেকনোক্র্যাট (ধর্ম)। ৩ উপমন্ত্রী হচ্ছেন- হাবিবুন নাহার (পরিবেশ), একেএম এনামুল হক শামীম (পানিসম্পদ), মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল (শিক্ষা)
বনানীতে চিরনিদ্রায় শায়িত সৈয়দ আশরাফ
অনলাইন ডেস্ক: সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। রোববার (৬ জানুয়ারি) বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে তাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়। এর আগে শনিবার সন্ধ্যায় সৈয়দ আশরাফের মরদেহ দেশে আনার পর আজ সকাল ১০টার দিকে নেয়া হয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়। সেখানে জাতীয় ও দলীয় পতাকায় মোড়া কফিনে ফুল দিয়ে এই আওয়ামী লীগ নেতার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগের হাজারো নেতাকর্মী আশরাফের জানাজায় অংশ নিয়ে স্মরণ করেন তাদের দুঃসময়ের কাণ্ডারীকে। সততা, নির্লোভ মানসিকতা আর রাজনৈতিক বিচক্ষণতায় নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া সৈয়দ আশরাফ শেষযাত্রায় শ্রদ্ধা পেয়েছেন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের কাছ থেকেও। একাত্তরের রণাঙ্গনে মুজিব বাহিনীর এই যোদ্ধার প্রতি ঢাকা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয় রাষ্ট্রীয় সম্মান। সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জানাজার পর হেলিকপ্টারে করে সৈয়দ আশরাফের মরদেহ নেয়া হয় তার গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জে। সেখানে পুরাতন স্টেডিয়াম মাঠে বেলা ১২টায় তার জানাজা হয়। এরপর দুপুর ২টায় ময়মনসিংহের আঞ্জুমান ঈদগাহ মাঠে আরেক দফা জানাজা হয়। তৃতীয় জানাজা শেষে ঢাকায় এনে আসর নামাজের পর বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। ৬৭ বছর বয়সী সৈয়দ আশরাফ ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। কয়েক মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর বৃহস্পতিবার রাতে মৃত্যু হয় তার। আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বর্তমান জনপ্রশাসন মন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। এছাড়া তিনি আওয়ামী লীগে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তিনি একাদশ সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-১ নৌকার প্রার্থী হয়ে আবারও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
শপথ নিলেন এরশাদ
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ) থেকে সংসদ ভবনে গিয়ে রোববার দুপুরে শপথ নেন তিনি।স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী তাকে শপথ পড়ান। এর আগে, গতকাল শনিবার বেলা একটার দিকে শারীরিক অসুস্থতার জন্য সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি হন সাবেক রাষ্ট্রপতি। তার সহকারী একান্ত সচিব মনজুরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বিষয়টি জানিয়েছেন। অসুস্থতার কারণে গত বৃহস্পতিবার সাংসদ হিসেবে শপথ নিতে যাননি এরশাদ। রংপুর ৩ আসন থেকে এবার সাংসদ নির্বাচিত হন তিনি। তবে অসুস্থতার কারণে নির্বাচনী এলাকায়ও যেতে পারেননি তিনি। গত ১০ ডিসেম্বর চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গিয়েছিলেন এরশাদ। ২৬ ডিসেম্বর দেশে ফিরে ঢাকার বাসায় ছিলেন তিনি। গত ৩০ ডিসেম্বরের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোট বিশাল বিজয় অর্জন করেছে। জাতীয় সংসদের ঘোষিত ফলাফলে ২৯৮ আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ একাই পেয়েছে ২৫৭টি আসন। মহাজোটভুক্ত জাতীয় পার্টি জিতেছে ২২টি সংসদীয় আসনে। আগামীকাল সোমবার মন্ত্রিপরিষদ গঠিত হবে।
কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া মাঠে সৈয়দ আশরাফের জানাজায় লাখো মানুষের ঢল
অনলাইন ডেস্ক: প্রিয়নেতাকে একনজর দেখতে কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া মাঠে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের নামাজে জানাজায় লাখো মানুষের ঢল নেমেছিল। অশ্রুসিক্ত চোখে প্রিয়নেতার আত্মার মাগফেরাত কামনায় সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ আজ এক কাতারে এসেছেন। প্রিয় মানুষকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে কিশোরগঞ্জ জেলাসহ আশপাশের অন্যান্য জেলার মানুষও এসেছেন। মুক্তিযুদ্ধের বীরসেনানী, সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হলো তার জেলা কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে। সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের নামাজে জানাজায় অংশ নিতে শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান জনসমুদ্রে পরিণত হয়। আজ রবিবার বেলা ১:২০ মিনিটে শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে আশরাফের নির্বাচনী এলাকাসহ জেলা আওয়ামী লীগ ও সর্বস্তরের জনতার অংশগ্রহণে জানাজা শুরু হয়। এর আগে ঢাকা থেকে তাঁর মরদেহ হেলিকপ্টারে করে কিশোরগঞ্জে নিয়ে যাওয়া হয়। সৈয়দ আশরাফের জানাজার কয়েক ঘণ্টা আগে থেকেই শোলাকিয়া ময়দানে জনসমাগম বাড়তে থাকে। বেলা ১২টা নাগাদ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় শোলাকিয়া ময়দান। প্রয়াত নেতার স্মরণে কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের বহু দোকান ও ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে। কালো ব্যাজ ধারণ করেছেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ আশরাফের শুভানুধ্যায়ীরা। জানাজার পর সৈয়দ আশরাফের কফিনে শ্রদ্ধা জানান সর্বস্তরের মানুষ।
সৈয়দ আশরাফের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত
অনলাইন ডেস্ক: আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের প্রথম জানাজা জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার বেলা সকাল সাড়ে ১০টায় তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের জানাজায় অংশ নেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ,আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাধারী ব্যক্তিসহ সাধারণ মানুষ। জানাজা শেষে সৈয়দ আশরাফের মরদেহে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এরপর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। শ্রদ্ধা জানানো শেষে তার লাশ নেওয়া হবে কিশোরগঞ্জ ও ময়মনসিংহে। সেখানে জানাজার পর ঢাকার বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। প্রসঙ্গত, গত শনিবার সন্ধ্যা সাতটায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে রাজধানীর ২১, বেইলি রোডে সৈয়দ আশরাফের সরকারি বাসভবনে নেওয়া হয়। সেখানে প্রিয় নেতাকে শেষবারের মতো দেখতে আসেন আত্মীয়-স্বজন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সাধারণ মানুষ। সেখান থেকে রাতেই মরদেহ সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের হিমঘরে নেওয়া হয়। এর আগে সন্ধ্যা ৬টা ০৫ মিনিটে থাইল্যান্ড থেকে সৈয়দ আশরাফের মরদেহ বিমানযোগে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনা হয়। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা বিমানবন্দরে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ গ্রহণ করেন। বৃহস্পতিবার রাতে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সৈয়দ আশরাফ মারা যান। দুপুর ১২টায় কিশোরগঞ্জে শোলাকিয়া ঈদগাহে মরহুমের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। তৃতীয় জানাজা বেলা ২টায় ময়মনসিংহের আঞ্জুমান ঈদগাহে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর হেলিকপ্টারযোগে কিশোরগঞ্জ থেকে আবার ঢাকায় ফিরিয়ে এনে বনানী কবরস্থানে বাদ আসর সৈয়দ আশরাফকে দাফন করা হবে।
শেখ হাসিনাকে পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্যিক, রাজনীতিকদের শুভেচ্ছা
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পাওয়ায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্যিক ও রাজনীতিকরা। তারা মনে করেন, শেখ হাসিনার দৃঢ় নেতৃত্ব, সুশাসন প্রতিষ্ঠা আর উন্নয়নের কারণে এ বিজয় অর্জন সম্ভব হয়েছে। শনিবার (৫ জানুয়ারি) দক্ষিণ কলকাতার একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় এবং রাজ্য সরকারের বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় সময় সংবাদকে এ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসায় বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ নিশ্চিন্তে থাকতে পারবেন। বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে মনে করেন তিনি। সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় বলেন, সারা পৃথিবীতে যেখানে উগ্রবাদী রাজনীতি চলমান, সেখানে বাংলাদেশে খুনোখুনি, লাঠালাঠি অনেক কম। শেখ হাসিনা মানুষকে স্বস্তিতে থাকতে দিচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন এই সাহিত্যিক। বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, বাংলাদেশ ভারতের বন্ধু। দুটো দেশ হাতে হাত মিলিয়ে এগিয়ে যাবে। পাকিস্তানি শোষণে ছিবড়ে হয়ে যাওয়ার পরও আজ বাংলাদেশ পৃথিবীর বুকে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে, মন্তব্য করেন শোভনদেব।
প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা সৈয়দ আশরাফের মরদেহে
অনলাইন ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মরদেহে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। রোববার সকালে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আওয়ামী লীগের সাবেক এ সাধারণ সম্পাদকের প্রথম জানাজা শেষে এই শ্রদ্ধা জানান তারা। এসময় স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাও তার মরদেহের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এর আগে তাকে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা জানানো হয়। রোববার সকালে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) হিমঘর থেকে তার মরদেহ সংসদ ভবনে নেয়া হয়। এরপর সাড়ে ১০টার দিকে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় অংশগ্রহণ করেন রাষ্ট্রপতি, আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীসহ বিশিষ্টজনরা। সংসদ ভবন থেকে সৈয়দ আশরাফের মরদেহ তার সংসদীয় এলাকায় (কিশোরগঞ্জ-১ আসনে) নেয়া হবে। সেখানে শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। কিশোরগঞ্জ থেকে আশরাফের মরদেহ নেয়া হবে তার জন্মস্থান ময়মনসিংহে। ময়মনসিংহে তৃতীয় জানাজার পর বিকেলে তার মরদেহ ঢাকায় আনা হবে। এরপর বনানী কবরস্থানে বাদ আসর তাকে দাফন করা হবে। প্রসঙ্গত, থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে ক্রিটিক্যাল কেয়ার মেডিসিন ইউনিটে চিকিৎসারত অবস্থায় বৃহস্পতিবার (৩ ডিসেম্বর) মৃত্যুবরণ করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বর্তমান প্রেসিডিয়াম সদস্য ও জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর।

জাতীয় পাতার আরো খবর