ঘুষ গ্রহণ মামলা: আপিল বিভাগে হুদার জামিন
অনলাইন ডেস্ক: ঘুষগ্রহণ মামলায় সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদাকে জামিন দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। সোমবার নাজমুল হুদার লিভ টু আপিল গ্রহণ করে এ আদেশ দেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের বেঞ্চ। নাজমুল হুদা ও তার স্ত্রী সিগমা হুদার বিরুদ্ধে ২০০৭ সালের ২১ মার্চ দুদকের উপ-পরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম ধানমণ্ডি থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছিল, সাপ্তাহিক পত্রিকা খবরের অন্তরালের জন্য মীর জাহের হোসেনের কাছ থেকে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নেন নাজমুল হুদা ও তার স্ত্রী সিগমা হুদা। ২০০৭ সালের ২৭ আগস্ট ঢাকার বিশেষ জজ আদালত মামলাটির রায়ে নাজমুল হুদাকে সাত বছরের কারাদণ্ড ও আড়াই কোটি টাকা জরিমানা করে। তার স্ত্রী সিগমা হুদাকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। ওই রায়ের বিরুদ্ধে নাজমুল হুদা ও সিগমা হুদা আপিল করলে ২০১১ সালের ২০ মার্চ তাদের খালাস দেয় হাইকোর্ট। পরে দুদক আপিল করলে ২০১৪ সালের ১ ডিসেম্বর খালাসের রায় বাতিল করে হাইকোর্টে পুনঃশুনানির নির্দেশ দেয় আপিল বিভাগ। ২০১৬ সালের ১৩ এপ্রিল আদেশ পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদনও খারিজ করে দেয় সর্বোচ্চ আদালত। এরপর হাইকোর্টে এ মামলার পুনঃশুনানি নেয়া হয়। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আদেশে পুনঃশুনানির পর ২০১৭ সালের ৮ নভেম্বর বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ নাজমুল হুদার সাজা কমিয়ে চার বছর কারাদণ্ড দেন। একইরকম মামলায় তিন বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত তার স্ত্রী সিগমা হুদার কারাগারে থাকাকালীন সময়কে সাজা হিসেবে গণ্য করেছে আদালত। বিচারিক আদালত যেদিন রায় গ্রহণ করবেন, সেদিন থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে নাজমুল হুদাকে আত্মসমর্পণের কথা বলা হয়। গত বছরের ১৮ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ৬৭ পৃষ্ঠার রায়টি প্রকাশ পায়। রায় অনুসারে তিনি ৬ জানুয়ারি আত্মসমর্পণ করেন। আত্মসমর্পণের পর নাজমুল হুদাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-২-এর বিচারক এইচ এম রুহুল ইমরান। পরে দুর্নীতির দায়ে হাইকোর্টের দেয়া চার বছরের দণ্ডের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল দায়ের করেন সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা। একইসঙ্গে জামিন আবেদনও করেন তিনি। এরই প্রেক্ষিতে আজ নাজমুল হুদাকে জামিন দেয় আপিল বিভাগ।-ইউএনবি
ওআইসি মহাসচিবের অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীকে
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐতিহাসিক বিজয় লাভ করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) মহাসচিব ড. ইউসেফ আল-ওথাইমেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, শেখ হাসিনার তৃত্বে বাংলাদেশে শান্তি, উন্নয়ন ও অগ্রগতির যাত্রা অব্যাহত থাকবে। রোববার পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের ৪৬তম কাউন্সিলের জন্য ওআইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রস্তুতি সভায় ওআইসি মহাসচিব এ মন্তব্য করেন। সৌদি আরবের জেদ্দায় ওআইসির মহাসচিব বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব শহিদুল হকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। এ সময় তাঁরা বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বিষয় ও ওআইসির সাধারণ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেন। সকালে জেদ্দায় ওআইসির সদর দপ্তরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব শহিদুল হক তিন দিনব্যাপী ওআইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সভার উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি আরব আমিরাতের প্রতিনিধিদলের কাছে পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের ৪৬তম কাউন্সিল আয়োজনের জন্য চেয়ার হস্তান্তর করেন। বাংলাদেশ ২০১৮ সালে পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের ৪৫তম কাউন্সিল আয়োজন করেছিল। বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও ওআইসির স্থায়ী প্রতিনিধি গোলাম মসীহ এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। সভাপতির বিবৃতিতে পররাষ্ট্র সচিব শহিদুল হক সব সদস্য রাষ্ট্রের অংশগ্রহণকারীদের স্বাগত জানান এবং বাংলাদেশের সভাপতিত্বকালে তাদের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান। এ সময় তিনি বাংলাদেশের সভাপতিত্বকালে অর্জিত ওআইসির সাফল্যের কথা তুলে ধরেন। শহিদুল হক ওআইসিতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও মুসলিম উম্মাহর জন্য গৌরবময় ও প্রগতিশীল ভূমিকার জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানের কথা উল্লেখ করেন। পররাষ্ট্র সচিব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরাসরি ও গতিশীল নেতৃত্বের অধীনে,স্থায়ী শান্তি, সমতা ও উন্নয়নের জন্য ইসলামিক মূল্যবোধ রূপরেখা প্রণয়নে বাংলাদেশের কথা তুলে ধরেন। শহিদুল হক ফিলিস্তিনের সমস্যা ও রোহিঙ্গা সংকটে মানবিক মূল্যবোধ বিবেচনায় নিয়ে মুসলিম দেশগুলোকে নেতৃত্ব প্রদান করায় ওআইসির সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের সভাপতিত্বকালে জাতিসংঘে ফিলিস্তিন বিষয়ক আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে ফিলিস্তিনের বেসামরিক সুরক্ষার জন্য জরুরি সহায়তার প্রস্তাবটি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে কার্যকর হয়েছে। পররাষ্ট্র সচিব বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের সংকট মোকাবিলার জন্য জাতিসংঘে একই ধরনের প্রতিশ্রুতি চেয়েছিলেন। শহিদুল হক রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত নেওয়ার লক্ষ্যে একটি জবাবদিহিমূলক কাঠামো নিশ্চিত করার জন্য সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে আহ্বান জানান।
গ্যাসের উৎপাদন ও বিতরণের মূল্য বৃদ্ধি কেন অবৈধ নয় : হাইকোর্ট
অনলাইন ডেস্ক: গত বছরের ১৬ অক্টোবর বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন থেকে গ্যাসের উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণে মূল্য বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন, কমিশনের চেয়ারম্যান, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যানসহ চারজনকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। বার্তা সংস্থা ইউএনবি এ তথ্য দিয়েছে। জনস্বার্থে করা এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আজ রোববার হাইকোর্টের বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। এর আগে ২০১৮ সালের ১৬ অক্টোবর বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন গ্যাসের উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণে মূল্য বৃদ্ধি করে। পরে ওই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে গত রোববার কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) আহ্বায়ক স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন হাইকোর্টে রিট করেন। সেই রিটের শুনানি নিয়ে আদালত আজ এ রুল জারি করেন। ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া জানান, অভ্যন্তীরণ সম্পদ সমন্বয় সাধন করেই যে ঘাটতির কথা বলা হয়েছে তা মেটানো যেত। তাছাড়া গ্যাস নিরাপত্তা তহবিলে এখনো সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকা ব্যালেন্স রয়েছে। পাশাপাশি ১৯৯৩ সাল থেকে বিদেশ থেকে আমদানকিৃত গ্যাসের ওপর মূল্য সংয়োজন কর এবং সম্পূরক শুল্ক আরোপের বিধি নিষেধ থাকলেও তারা না মেনে গত বছরের মাঝামাঝি জনগণের ওপর থেকে কর ও শুল্কের টাকা কৌশলে আদায়ের জন্য গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। -এনটিভি
আগামী ৫ বছরে দুর্নীতি দমনে বিপ্লব ঘটানো হবে : ভূমিমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী বলেছেন, ভূমি ব্যবস্থাপনায় ঘুষ, দুর্নীতি ও সন্ত্রাস বন্ধ করা হবে। ভূমি অফিসগুলোর নিয়ন্ত্রণ আমরা নিয়েছি। মন্ত্রণালয়ে সরাসরি অভিযোগ গ্রহণের একটি হটলাইন খোলা হবে। সার্বিক অর্থে ভূমি নিয়ে কোনো অভিযোগ আমরা চাই না। দুর্নীতির ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স। আগামী পাঁচ বছরে বিপ্লব ঘটিয়ে এর পরিবর্তন আনা হবে। আজ রোববার বিকেলে ঢাকার সাভারে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাঠে বিসিএস ক্যাডারভুক্ত (প্রশাসন, পুলিশ, বন ও রেলওয়ে) এবং বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কর্মকর্তাদের ১১৬তম সার্ভে অ্যান্ড সেটেলমেন্ট প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক তসলীমুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ সময় অন্যদের মধ্যে ভূমি সচিব মাকছুদুর রহমান পাটওয়ারী, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের পরিচালক ফজলুর রহমান বক্তব্য দেন। প্রশিক্ষণে বিসিএস প্রশাসন, পুলিশ, বন ও রেলওয়ে ক্যাডারের ৫৮ জন কর্মকর্তা অংশ নেয়। প্রশিক্ষণার্থীরা ৪৫ দিনব্যাপী তাবুতে থেকে হাতে কলমে এ প্রশিক্ষণ নিবেন। ভূমি ব্যবস্থাপনা পরিচালনায় সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য প্রশিক্ষণ এটি। ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান বলেন, মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস থেকেই জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনা পর পর তিনবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। সাধারণ মানুষের ভোগান্তি দূর করার জন্যই শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসেছেন। ৭০ থেকে ৮০ ভাগ মামলা হয় ভূমি নিয়ে। মানুষ চায় ভূমির জটিলতা থেকে বের হয়ে আসতে। কোথায় কী সমস্যা রয়েছে তা আমরা খুঁজে দেখব এবং সমস্যাগুলোর সমাধানও খুঁজে দেখব। ভূমি ব্যবস্থাপনাকে অটোমেশন করতে এরই মধ্যে পাইলট প্রকল্প গ্রহণ করেছি। এর মেরিট, ডিমেরিট দেখে আমরা ভূমির জটিলতা দূর করব। মন্ত্রী আরো বলেন, একটি দেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধির ওপর নির্ভর করে দেশের উন্নয়ন। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে আমরা ডাবল ডিজিট প্রবৃদ্ধিতে পৌঁছাতে চাই। বর্তমানে সাসটেইনেবল জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৮-এর মধ্যে রাখার চেষ্টা করছি। ভূমির উন্নয়ন কর থেকে রাজস্ব বাড়ানোর কৌশল খুঁজে বের করছি আমরা। তবে জনসাধারণের ওপর যাতে কোনো প্রভাব না পড়ে সেদিকে আমাদের বিশেষ খেয়াল থাকবে। দেশের জনগণের মনে শান্তির সুবাতাস বইতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক থাকার পরামর্শ দেন মন্ত্রী।
৬৩ শতাংশ সার্বিক অগ্রগতি পদ্মা সেতুর: সেতুমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: পদ্মা সেতুর সার্বিক অগ্রগতি শতকরা ৬৩ শতাংশ বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আগামী পাঁচ বছর মেগা প্রজেক্টগুলো যথাযথভাবে শেষ করা মূল চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতি ও দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। আজ রোববার সকালে রাজধানীর মহাখালীতে সেতু ভবনে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। দেশের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের বহু প্রতীক্ষিত পদ্মা সেতুর কাজ শুরু হয়েছে বছর দুয়েক আগে। মাওয়া ও জাজিরা প্রান্তে হাজার হাজার শ্রমিকের পরিশ্রমে সমানতালে এগিয়ে যাচ্ছে কাজ। এ পর্যন্ত মূল সেতুর কাজের অগ্রগতি হয়েছে শতকরা ৭৩ শতাংশ ও নদীশাসন হয়েছে ৫০ শতাংশ। সব মিলিয়ে সার্বিক অগ্রগতি ৬৩ শতাংশ বলে জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী। চট্টগ্রামের কর্ণফুলীর তলদেশে টানেল নির্মাণ, ঢাকায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েসহ বেশ কয়েকটি মেগা প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি সম্পর্কেও জানান ওবায়দুল কাদের। সেতুমন্ত্রী বলেন, ২৬১টি পাইলের মধ্যে ১৯১টির কাজ সম্পাদিত। ১৫টি পাইলের আংশিক কাজ শেষ হয়েছে। মোট পিআর হচ্ছে ৪২টি, ১৬টির কাজ সম্পন্ন হয়েছে, ১৫টির কাজ চলমান। স্প্যান হচ্ছে ৪১টি, ছয়টি স্প্যান স্থাপন করা হয়েছে এরই মধ্যে। এখন ৯০০ মিটার পদ্মা সেতু দৃশ্যমান। জানুয়ারির শেষ দিকে জাজিরা প্রান্তে আরেকটি স্প্যান স্থাপনের প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে। মন্ত্রী জানান, আগামী পাঁচ বছর দেশের বিভিন্ন স্থানে মেগা প্রকল্পগুলো যথাযথভাবে শেষ করাই হবে এ মন্ত্রণালয়ের মূল চ্যালেঞ্জ। তাই প্রকল্প বাস্তবায়নে কোনো ধরনের ধীরগতি, গাফিলতি বা দুর্নীতি সহ্য করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। ওবায়দুল কাদের বলেন, দুর্নীতি কোনো অবস্থাতেই প্রশ্রয় দেব না। দুর্নীতির ব্যাপারে জিরো টলারেন্স; এটা আমাদের থাকতে হবে। এ ব্যাপারে কোনো প্রকার শৈথিল্য, দুর্বলতা সহ্য করা হবে না। আগামীতে যমুনা নদীর তলদেশেও টানেল নির্মাণ করা হবে বলেও জানান ওবায়দুল কাদের।
দুর্নীতি, মাদক ও জঙ্গিবাদ নির্মূল করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: দেশ থেকে মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতি নির্মূল করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আমরা যদি দেশের উন্নয়ন চাই তাহলে মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতি নির্মূল করতে হবে। আমি এই মন্ত্রণালয়ে (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের এব্যাপারে বিশেষ মনোযোগ দেয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। রবিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক মতবিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, সংক্রামক রোগের মতো দুর্নীতি সমাজে ছড়িয়ে পড়েছে। আর এটি শুরু হয়েছিল দেশে সামরিক শাসনামলের শুরুতে সে সময় জঙ্গিবাদ পরোক্ষভাবে রাষ্টীয় পৃষ্ঠপোষকতা পেয়েছিল, কিন্তু তারা জঙ্গিবাদকে তখন কেন রাষ্ট্রীয়ভাবে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়েছিল তা আমি জানি না যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এই ধরনের সংক্রামক রোগ থেকে দেশকে মুক্ত করতে হবে... এর জন্য যা যা প্রয়োজন তাই করবো... এটি এখন সময়ের প্রয়োজন। মদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন,স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এ অভিযান আরর তীব্রতর করার আহ্বান জানাচ্ছি। মাদকের উৎস, বিতরণকারী ও বহনকারীদের খুঁজে বের করার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, এক্ষেত্রে আপনাদের বহুমুখী পদক্ষেপ হাতে নিতে হবে।
গুলশান হলি আর্টিসান হামলার আসামি রেজা গ্রেফতার
অনলাইন ডেস্ক: গুলশানের হলি আর্টিসান হামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি ও জেএমবির অন্যতম সুরা সদস্য মো. মামুনুর রশিদ ওরফে রিপন ওরফে রেজাউল করিম ওরফে রেজাকে গ্রেফতার করেছে Rab। শনিবার রাতে গাজীপুরের বোর্ডবাজার এলাকা হতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে নগদ এক লাখ ৫০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়। মো. মামুনুর রশিদ মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি। গ্রেফতারের সময় তার কাছ থেকে নগদ দেড় লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। রোববার সকালে Rab লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া বিভাগের পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, শনিবার গভীর রাতে গাজীপুরের টঙ্গী এলাকার একটি বাস থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ঘটনার পর থেকেই সে পলাতক ছিল। এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে। প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ১ জুলাই রাত পৌনে ৯টার দিকে কূটনৈতিক এলাকা গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা হামলা করে এবং দেশি-বিদেশি নাগরিকদের জিম্মি করে। এ সময় অভিযান চালাতে গিয়ে জঙ্গিদের গ্রেনেড হামলায় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সহকারী কমিশনার রবিউল ইসলাম ও বনানী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সালাউদ্দিন খান নিহত হন। রাতের বিভিন্ন সময় তিন বাংলাদেশিসহ ২০ জন জিম্মিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করে জঙ্গিরা। পরদিন সকালে যৌথ বাহিনী কমান্ডো অভিযান চালায়। এতে ছয় হামলাকারী নিহত হয়। জীবিত উদ্ধার করা হয় ১৩ জিম্মিকে। একই বছরের ৪ জুলাই নিহত ৫ জঙ্গিসহ অজ্ঞাতদের আসামি করে গুলশান থানায় সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়। -আলোকিত বাংলাদেশ
বাংলাদেশের সব দূতাবাসকে সতর্কবার্তা,কুয়েতের মতো পরিস্থিতি এড়াতে
অনলাইন ডেস্ক: কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসে বাংলাদেশি শ্রমিকদের হামলার বিষয়ে ইঙ্গিত করে এমন পরিস্থিতি যাতে আর কোথায়ও না ঘটে সেজন্য বিদেশে বাংলাদেশের সকল দূতাবাস ও প্রবাসীদের আহ্বান জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। খবর ইউএনবির। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন সংশ্লিষ্টদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার জন্য তাগিদ দিয়েছেন। কুয়েতের মতো পরিস্থিতি যেন বিদেশে বাংলাদেশের কোনো দূতাবাসে আর না ঘটে সেজন্য সতর্কও করেছেন। প্রসঙ্গত, কুয়েতের লেসকো কোম্পানিতে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের আক্রমণে কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সেলরসহ তিনজন আহত হয়। স্থানীয় পুলিশ আসার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এসময় বেশ কিছু সংখ্যক শ্রমিককে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। ইতোমধ্যে কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাস ও বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তাদেরকে দ্রুত মুক্ত করার পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। জানা গেছে, বাংলাদেশি শ্রমিকদের কয়েক মাসের বেতন বকেয়া বিষয়ে দেশটির লেসকো কোম্পানির মালিককে কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। বৈঠকে ওই কোম্পানি ৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বেতন পরিশোধ ও আকামা নবায়নসহ সকল সমস্যা সমাধানে রাজি হয়। বৈঠক শেষে কোম্পানির মালিকপক্ষ বের হয়ে এলে শ্রমিকদের রোষানলে পড়ে। এ সময় বাংলাদেশি শ্রমিকদের আক্রমণে কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সেলরসহ তিনজন আহত হয়।

জাতীয় পাতার আরো খবর