ঢাকায় আনা হয়েছে সৈয়দ আশরাফের মরদেহ
অনলাইন ডেস্ক: সদ্য প্রয়াত আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মরদেহ ঢাকায় আনা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা ৬টা ৫ মিনিটে তার মরদেহবাহী বাংলাদেশ বিমানের (বিজি০৮৯) ফ্লাইটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। পরে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা মরদেহ গ্রহণ করেন। বিমানবন্দর থেকে সৈয়দ আশরাফের কফিন সরাসরি নিয়ে যাওয়া হবে তার সরকারি বাসভবনে (২১ বেইলি রোড)। সেখান থেকে নিয়ে রাতে মরদেহ রাখা হবে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের হিমঘরে। আগামীকাল রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় সৈয়দ আশরাফের জানাজা হবে। এর পর হেলিকপ্টারে করে মরদেহ নেয়া হবে সৈয়দ আশরাফের গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জে। দুপুর ১২টায় কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে জানাজা হবে। এরপর দুপুর ২টায় ময়মনসিংহের আঞ্জুমান ঈদগাহ মাঠে জানাজার পর আশরাফের মরদেহ ঢাকায় আনা হবে। বাদ আসর বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। গত বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বামরুগ্রাদ হাসপাতালের ১১৩২ নম্বর কেবিনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে কয়েক মাস ধরে সেখানে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিনি। গুরুতর অসুস্থতার কারণে গত ১৮ সেপ্টেম্বর সংসদ থেকে ছুটি নেন তিনি। ২০১৭ সালের ২৩ অক্টোবর মারা যান আশরাফ পত্মী শিলা ইসলামও। তিনি থাকতেন যুক্তরাজ্যে। তিনিও ভুগছিলেন জটিল রোগে। স্ত্রী বিয়োগের ব্যাথায় কাতর আশরাফের শরীরেও মারণব্যাধি ক্যান্সার ধরা পড়ে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-১ আসন থেকে নৌকা প্রতীকে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। বৃহস্পতিবার নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নিলেও সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম শপথ নেয়ার জন্য সময় চেয়ে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর কাছে চিঠি দিয়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত আর শপথ নেওয়া হলো না তার। স্পিকারকে চিঠি দেয়ার পরদিনই পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেন তিনি।
দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ করতে সরকারের কাছে আহ্বান মাহফুজা খানমের
অনলাইন ডেস্ক: নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের পাশাপাশি দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ করতে সরকারের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি মাহফুজা খানম। আজ শনিবার সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সম্প্রীতি বাংলাদেশ আয়োজিত নতুন সরকারের কাছে প্রত্যাশা বিষয়ক গোলটেবিল আলোচনায় এ কথা বলেন তিনি। এ সময় ডাকসুর সাবেক এই ভিপি আরো বলেন, অ্যাবসল্যুট পাওয়ার মেক্স আ ম্যান করাপ্ট। এই কথাটা যেন আমরা ভুলে না যাই। অ্যাবসল্যুট পাওয়ার আমরা পেয়েছি, এটা কিন্তু করাপ্ট হওয়ার অনেক সুযোগ আছে। আমাদের দুর্নীতিকে কমিয়ে ফেলতে হবে। বাংলাদেশকে গড়ার জন্য যে ইশতেহার দেওয়া হয়েছে, যে নীতিগুলো ২০১০ সাল থেকে রচনা করা হয়েছে, নারী নীতি, শিশু নীতি, শিক্ষা নীতি, এই নীতিগুলো যেন বাস্তবায়ন করা হয়। ছাত্রলীগ, যুবলীগ, অমুক লীগ, তমুক লীগ তাদের আপনারা কন্ট্রোল করুন। এটা আমাদের একটা বড় দাবি। তারা আমার সন্তান, তাদের আমি অমানুষ করে এই বাংলাদেশে রাখতে চাইব না। পীযূষ বন্দোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হাসান ইমাম, আরমা দত্ত, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুস, বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক প্রমুখ। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের পাশাপাশি দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। সেই সঙ্গে চলমান উন্নয়নমূলক বড় প্রকল্পগুলো যথাসময়ে বাস্তবায়ন করতে হবে বলেও জানান তারা। বক্তারা আরো বলেন, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্যই জনগণ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটকে নিরঙ্কুশ বিজয় উপহার দিয়েছে। নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে মনিটরিং সেল গঠন এবং ১০০০, ২০০ ও ৫০০ দিনের কর্মসূচি নির্দিষ্ট করে তা বাস্তবায়নের পরামর্শ দেন তারা।
শনিবার দেশে আসছে সৈয়দ আশরাফের মরদেহ
অনলাইন ডেস্ক: আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মরদেহ শনিবার (০৫ জানুয়ারি) বিকেলে দেশে আনা হচ্ছে। শুক্রবার (০৪ জানুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেন সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের ভাই মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ সাফায়েত ইসলাম। ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে কয়েক মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর বৃহস্পতিবার (৩ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সময় রাত ১০টার দিকে তিনি মারা যান। ১৯৭১ সালের অস্থায়ী সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলামের সন্তান সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। শোক প্রকাশ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন।
নতুন মন্ত্রিসভার শপথ ৭ জানুয়ারি
অনলাইন ডেস্ক: আগামী সোমবার (৭ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টায় বঙ্গভবনে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ গ্রহণ করবেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ী আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের নতুন মন্ত্রিসভার শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। বৃহস্পতিবার (৩ জানুয়ারি) রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন সংবাদ মাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ওই দিন বিকেল সাড়ে ৩টায় নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ গ্রহণ করবেন। নতুন মন্ত্রিসভার শপথ নেয়ার বিষয়টি মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমও সংবাদ মাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। আজ বিকেলে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সরকার গঠন করার জন্য আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে বঙ্গভবনে আমন্ত্রণ জানান। এর আগে সকালে একাদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত এমপিদের মধ্যে ২৮৯ জন শপথ নেন। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ছাড়াও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সাতজন শপথ নেননি। ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে আওয়ামী লীগ। নির্বাচনে ২৯৮ আসনের মধ্যে ২৫৭টিতে জয় পেয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। জোটগতভাবে তারা পেয়েছে ২৮৮ আসন। অন্যদিকে তাদের প্রধান প্রতিপক্ষ বিএনপি ও তাদের জোট পেয়েছে মাত্র সাতটি আসন। জয়ের পর টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট, টানা তৃতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন শেখ হাসিনা। সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মন্ত্রিসভায় একজন প্রধানমন্ত্রী থাকবেন এবং প্রধানমন্ত্রী যেভাবে নির্ধারণ করবেন, সেভাবে অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী থাকবেন। প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন। রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে প্রথমে প্রধানমন্ত্রীর শপথ পড়াবেন। এরপর মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি। শপথের পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দফতর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নিলে তারাই হবে দেশের নতুন সরকার। শপথ নেয়া পর্যন্ত আগের মন্ত্রিসভা বহাল থাকবে। নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নিলে আগের মন্ত্রিসভা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের জন্য তারা প্রস্তুত রয়েছেন। নতুন মন্ত্রিসভায় সদস্যদের শপথ নিতে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য কর্মকর্তাদের ইতোমধ্যে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
শেখ হাসিনাকে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণ
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের আস্থাভাজন হিসেবে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে সরকার গঠনের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। বৃহস্পতিবার (৩ জানুয়ারি) বিকেলে বঙ্গভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে এই আমন্ত্রণ জানান রাষ্ট্রপতি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন। এর ফলে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা চতুর্থবারের মতো ও টানা তৃতীয়বার দেশের প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন। আজ বৃহস্পতিবার তিনি সর্বসম্মতিক্রমে আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের নেতা পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগে বিকেল ৪টার দিকে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় রাষ্ট্রপতি তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় শেখ হাসিনার সঙ্গে ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু। রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের প্রেস অনুবিভাগ সূত্রে জানা গেছে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এটাই রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সাক্ষাৎ। আজ বেলা ১১টার কিছু সময় পর শেরেবাংলা নগরের সংসদ ভবনের পূর্ব ব্লকের প্রথম লেভেলের শপথকক্ষে শেখ হাসিনাসহ নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথবাক্য পাঠ করেন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান। আজ শপথ নিয়েছেন আওয়ামী লীগ ও মহাজোটের ২৮৮ সংসদ সদস্য। এছাড়া স্বতন্ত্র আরও তিন জনপ্রতিনিধিও সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন। গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট ২৮৮ আসনে জয়লাভ করে। আর জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ৭ আসনে জয়ী হয়। মঙ্গলবার ২৯৮ সংসদ সদস্যের নামে গেজেট জারি করা হয়। বাকি দুটির মধ্যে গাইবান্ধা-৩ আসনে একজন প্রার্থী মারা যাওয়ায় সেখানে নির্বাচন হয়নি। এছাড়া ব্রাক্ষণবাড়িয়া-২ আসনের তিনটি কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচন করতে হবে বলে সেখানে ফল স্থগিত রয়েছে।
সেনাবাহিনী জনগণের আস্থা অর্জন করেছে নির্বাচনে: সেনাপ্রধান
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের ভোটাররা সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নিজ নিজ ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তারা ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। নির্বাচনের সময় সেনাবাহিনী দেশে শান্তি-শৃংখলা বজায়ের জন্য নিরলসভাবে কাজ করেছেন এবং তারা জনগণের আস্থা অর্জন করেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের পূর্বাচল উপশহরসংলগ্ন জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পের ভিতর ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণকাজের উদ্বোধনকালে সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ (বিএসপি, বিজিবিএম, পিজিবিএম, বিজিবিএমএস, পিএসজি,জি) এসব কথা বলেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো 'আদমজী পাবলিক স্কুল ও কলেজ, জলসিঁড়ি, জলসিঁড়ি পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ’ এবং 'বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ, জলসিঁড়ি। সেনাপ্রধান আরো বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রাথমিক ধাপের নির্মাণকাজ ২০১৯ সালের মধ্যে সম্পন্ন হবে। ২০২০ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষা কার্যক্রম চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে নিয়ম অনুযায়ী সামরিক বাহিনীর সদস্যের সন্তানদের পাশাপাশি বেসামরিক ব্যক্তিবর্গের সন্তানরাও পড়ালেখার সুযোগ পাবে। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং ঢাকা সেনানিবাস এলাকার বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
বঙ্গভবনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করে টানা তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রীর শপথের জন্য অপেক্ষায় থাকা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য বিকেলে বঙ্গভবনে যাচ্ছেন। বঙ্গভবনের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, আজ বিকেল ৪টায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসবেন। এর আগে আজ সকালে সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ থেকে নবনির্বাচিত সব সংসদ সদস্য শপথবাক্য পাঠ করেন। তাদের শপথবাক্য পাঠ করার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। আওয়ামী লীগ ছাড়াও এ সময় শপথ নেন ১৪ দল ও মহাজোটের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টি, বিকল্পধারা বাংলাদেশ, জাসদ (ইনু), জাসদ (আম্বিয়া), তরীকত ফেডারেশন, জেপি-মঞ্জুর সংসদ সদস্যরা। দুপুর ১২টায় জাতীয় সংসদ ভবনের নবম তলায় সরকারি দলের সভাকক্ষে আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হবে। এই সভাতেই সংসদ নেতা নির্বাচিত করা হবে। সেই সংসদ নেতাই হবেন বাংলাদেশের পরবর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা টানা তৃতীয়বারের মতো সরকারের প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন, তা প্রায় অনেকটাই নির্ধারিত। নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমকে বলেন,নতুন সংসদ সদস্যরা স্পিকারের কাছে শপথ নেবেন। তারপর পার্লামেন্টারি বোর্ডের সভা হবে। তাঁরা তখন নির্বাচন করবেন দলের নেতা। তারপর দলের নেতা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে বলবেন যে, আমাদের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে সংসদে। তখন রাষ্ট্রপতিকে তিনি অনুরোধ করবেন তাঁকে প্রধানমন্ত্রী করার জন্য। তার পরেই গঠিত হবে নতুন সরকার। এ সবকিছু ৩ থেকে ৪ জানুয়ারির মধ্যে সম্পন্ন হয়ে যেতে পারে। নতুন সরকার গঠনের আগমুহূর্তে আজ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রপতি সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছেন। গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৮টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৫৭টি, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি ২২টি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি পাঁচটি, ওয়ার্কার্স পার্টি তিনটি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল দুটি, বিকল্পধারা বাংলাদেশ দুটি, গণফোরাম দুটি, জাতীয় পার্টি জেপি একটি এবং তরীকত ফেডারেশন একটি আসনে বিজয়ী হয়েছে। এ ছাড়া নির্বাচনে তিনজন স্বতন্ত্র সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এদিকে, একজন প্রার্থীর মৃত্যুতে গাইবান্ধা-৩ আসনের ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়। এ ছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের তিনটি কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ স্থগিত করায় ফলও স্থগিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে নির্বাচন কমিশন থেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ফল গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়। এ দিকে দুপুর ১২টায় জাতীয় পার্টির ২১ সংসদ সদস্যও শপথ নিয়েছেন।
শপথ নিলেন নবনির্বাচিত সাংসদরা
অনলাইন ডেস্ক: সদ্য সমাপ্ত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নিয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় শেরেবাংলা নগরের সংসদ ভবনের পূর্ব ব্লকের প্রথম লেভেলের শপথকক্ষে এই শপথ অনুষ্ঠিত হয়। সংবিধান অনুযায়ী দশম জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান। স্পিকার নিজেও রংপুর-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এ জন্য তিনি অন্য সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানোর আগে নিজে শপথ নেন। এ সময় সেখানে উপস্থিত আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাসহ অন্য সংসদ সদস্যরা উঠে দাঁড়িয়ে করতালি দিয়ে তাঁকে অভিনন্দন জানান। সবশেষ তিনি নিজের শপথপত্রে স্বাক্ষর করেন। শপথ অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে। শপথ গ্রহণ পরিচালনা করেন জাতীয় সংসদের জ্যেষ্ঠ সচিব ড. জাফর আহমেদ খান। পরে স্পিকার সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ (তৃতীয় তফসিলের ৫ অনুচ্ছেদ) এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ৫ বিধি অনুযায়ী শপথবাক্য পাঠ করান। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ থেকে নবনির্বাচিত সব সংসদ সদস্য নিজ নিজ স্থানে দাঁড়িয়ে শপথবাক্য পাঠ করেন। শপথবাক্য পাঠ শেষে সংসদ সদস্যরা সংসদ সচিবালয়ের স্বাক্ষর খাতায় সই করেন। আওয়ামী লীগ ছাড়াও এ সময় শপথ নেন ১৪ দল ও মহাজোটের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টি, বিকল্পধারা বাংলাদেশ, জাসদ (ইনু), জাসদ (আম্বিয়া), তরিকত ফেডারেশন, জেপি-মঞ্জুর সংসদ সদস্যরা। দুপুর ১২টায় জাতীয় সংসদ ভবনের নবম তলায় সরকারি দলের সভাকক্ষে আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হবে। এই সভাতেই সংসদ নেতা নির্বাচিত করা হবে। সেই সংসদ নেতাই হবেন বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা টানা তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন, তা প্রায় অনেকটাই নির্ধারিত। এদিকে দুপুর ১২টায় জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করবেন বলে জানানো হয়েছে। তবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ বিকেল ৩টায় আলাদাভাবে শপথ নেবেন বলে তাঁর একান্ত সহকারী (এপিএস) মঞ্জুরুল ইসলাম জানিয়েছেন। শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে সংসদ ভবন এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সকাল ১০টার পর থেকেই সংসদ ভবন এলাকায় প্রবেশ করতে থাকেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। দশম সংসদের সংসদ নেতা ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা একে একে প্রবেশ করতে থাকেন সংসদ ভবনের পূর্ব ব্লকের শপথকক্ষে। গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৮টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৫৯টি, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি ২০টি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলবিএনপি পাঁচটি, ওয়ার্কার্স পার্টি তিনটি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল দুটি, বিকল্পধারা বাংলাদেশ দুটি, গণফোরাম দুটি, জাতীয় পার্টি জেপি একটি এবং তরীকত ফেডারেশন একটি আসনে বিজয়ী হয়েছে। এ ছাড়া নির্বাচনে তিনজন স্বতন্ত্র সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এদিকে, একজন প্রার্থীর মৃত্যুতে গাইবান্ধা-৩ আসনের ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়। এ ছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের তিনটি কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ স্থগিত করায় ফলও স্থগিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে নির্বাচন কমিশন থেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ফল গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীকে বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি ও ব্যবসায়ীর শুভেচ্ছা
অনলাইন ডেস্ক: সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিপুল জয়ের সাথে ৭০ ও ৭৩ সালের নির্বাচনের তুলনা করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, এবার মানুষের মধ্যে ভোট দেওয়ার প্রবল আকাঙ্খা ছিলে। বুধবার (২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় গণভবনে ব্যবসায়ী, ব্যাংকারসহ বিভিন্ন সংগঠন সংস্থার প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানাতে এলে তাদের একথা বলেন তিনি। একটি সময় একটি সুন্দর দেশ গঠনে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। টানা তৃতীয়বার নির্বাচনে জিতে সরকার গঠন করতে যাওয়া আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানাতে ভোটের পরদিন থেকেই গণভবনে যাচ্ছেন বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ। বুধবার সন্ধ্যায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান, দেশের ব্যবসায়ী, ব্যাংকারসহ বিভিন্ন সংগঠন ও সংস্থার প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন স্তরের মানুষ। শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় প্রধানমন্ত্রী সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন। নির্বাচনে নৌকা মার্কাকে নিরঙ্কুশ সমর্থন দেয়ায় সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। বলেছেন, দেশের মানুষের আস্থার প্রতিদান দেবেন তিনি। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন। একটাই লক্ষ আমার সামনে, নিজের জন্য কিছুই চাওয়ার নাই। বাংলাদেশের মানুষের ঘর হবে, তাদের ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া শিখবে তারা রোগের চিকিৎসা পাবে, তারা পেট ভরে খাবার খাবে, তাঁরা খাদ্য নিবাপত্তা পুষ্টি সবই পাবে। তাদের জীবনটা উন্নত হবে। সুন্দর হবে এটাই আমার চাওয়া। এর আগে, বুধবার (২ ডিসেম্বর) সকালে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান সাবেক সামরিক বেসামরিক কর্মকর্তা, উর্ধ্বতন সাবেক আমলা, রাজনীতিক ও স্কাউট শিক্ষার্থীরা। সবার সহযোগিতায় মাদক-দুর্নীতিমুক্ত অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা আরো বলেন, বাংলাদেশ হবে একটা উন্নত সমৃদ্ধ দেশ বিশ্বে আমরা মাথা উচু করে চলবো। যে দায়িত্ব পেলাম সকলের সহযোগিতা কামনা করি। দেশটাকে যেন অরো সুন্দরভাবে গড়তে পারি। বিজয়ের মাসে আমাদের বিজয় আমরা অর্জন করতে পেরেছি। তিনি আরো বলেন, অসম্প্রদায়ীক চেতনার বাংলাদেশ হবে। কোন যুদ্ধাপরাধী, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, মাদক, দুর্নীতিবাজদের এদেশে কোন স্থান হবেনা। বাংলাদেশ একটা উন্নত সমৃদ্ধ সোনার বাংলা হবে। বিশ্বে আমরা মাথা উচু করে দাঁড়াবো। টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করতে যাওয়া তাকে শুভেচ্ছা জানানোয় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে একটি সুন্দর দেশ গঠনে আবারো সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।