বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০
জয় বাংলা- কে জাতীয় স্লোগান ঘোষণা
১০মার্চ,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাষ্ট্রীয় সব অনুষ্ঠানে জয় বাংলা স্লোগান বাধ্যতামূলক ঘোষণা করলো হাইকোর্ট। আজ মঙ্গলবার বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন এ ঘোষণা দেন। রায়ে আদালত বলেছেন, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সর্বস্তরের রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে- জয় বাংলা স্লোগান বলতে ও দিতে হবে। আদালত আরো বলেন, সামনে ১৬ ডিসেম্বর আছে বা পরবর্তী সময়ে যেসব জাতীয় দিবস আছে, প্রতিটি দিবসে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রের শীর্ষপর্যায় থেকে শুরু করে সর্বস্তরের প্রত্যেক দায়িত্বশীল ব্যক্তিকে ভাষণ বা বক্তব্যের শুরু ও শেষে জয় বাংলা স্লোগান দিতে হবে। জয় বাংলা কে জাতীয় স্লোগান ঘোষণা চেয়ে ২০১৭ সালে হাইকোর্টে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. বশির আহমেদ। ঐ বছরের ৪ ডিসেম্বর হাইকোর্ট রিটের ওপর রুল জারি করে। রুলে জয় বাংলা কে কেন জাতীয় স্লোগান ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। চলতি বছর ঐ রুলের ওপর শুনানি শুরু হয়। শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেলসহ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবীরা জয় বাংলা কে জাতীয় স্লোগান করার পক্ষে তাদের মত তুলে ধরেন।
করোনা ভাইরাস: আইইডিসিআরের হটলাইন নম্বর বৃদ্ধি
১০মার্চ,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাস থেকে সৃষ্ট রোগ কোভিড-১৯ সম্পর্কিত তথ্য জানাতে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) নিয়মিত চারটি হটলাইন নম্বরের পাশাপাশি আরও ৮টি নম্বর যোগ করা হয়েছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১৬২৬৩ নম্বরেও কল করে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত তথ্য জানা যাবে। গতকাল সোমবার কোভিড-১৯ নিয়ে আইইডিসিআরের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিষ্ঠানটির নতুন হটলাইন নম্বরগুলো হলো- ০১৪০১১৮৪৫৫১, ০১৪০১১৮৪৫৫৪, ০১৪০১১৮৪৫৫৫, ০১৪০১১৮৪৫৫৬, ০১৪০১১৮৪৫৫৯, ০১৪০১১৮৪৫৬০, ০১৪০১১৮৪৫৬৩, ০১৪০১১৮৪৫৬৮, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯৩৭১১০০১১। আইইডিসিআর পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, গত ৮ মার্চ দেশে প্রথমবারের মতো ৩ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হওয়ার পর ঘণ্টা দেড়েকের মধ্যে আইইডিসিআরের চারটি হটলাইনে মোট ৫০৯টি ফোন আসে। লাইন ব্যস্ত থাকায় আরও অনেকেই অপেক্ষায় ছিলেন। ৫০৯টি কলের মধ্যে ৪৭৯টিই ছিল করোনা সংক্রান্ত। তারা করোনা ভাইরাস সম্পর্কে জানতে ফোন করেন। এ ছাড়া ১৮ জন সরাসরি আইইডিসিআরে আসেন। তিনি বলেন, অনেকেই জানিয়েছেন তারা আমাদের হটলাইনে একবারে কল করে কথা বলতে পারছেন না। এসব চিন্তা করে আইইডিসিআরের হটলাইন নম্বর বাড়ানো হয়েছে। সাধারণ মানুষকে করোনা ভাইরাস সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য-উপাত্ত ও তাদের মনে আসা বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে নতুন হটলাইন নম্বর যোগ করা হয়। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্বাস্থ্য বাতায়ন নামে পরিচিত ১৬২৬৩ নম্বরে কল করেও কোভিড-১৯ সম্পর্কে জানা যাবে।
বসানো হলো পদ্মা সেতুর ২৬ তম স্প্যান
১০মার্চ,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পদ্মা সেতুর ২৬তম স্প্যান বসানো হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে স্প্যানটি সেতুর জাজিরা প্রান্তের ২৮ ও ২৯ নম্বর খুঁটির ওপর বসানো হয়। এতে সেতুর ৩ হাজার ৯০০ মিটার দৃশ্যমান হয়েছে। এছাড়াও জাজিরা ও মাওয়া প্রান্তে বিছিন্নভাবে আরও ১২টি স্প্যান বসানো হয়েছে। চলতি বছরের জুলাইয়ের মধ্যে ৪২টি পিলারের ওপর ৪১টি স্প্যান বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এর আগে সোমবার মুন্সীগঞ্জের কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে ২৬তম স্প্যানটি নিয়ে ভাসমান ক্রেনে জাজিরার উদ্দেশ্যে আনা হয়েছিল। নির্ধারিত পিলার ২৮ ও ২৯ বরাবর অবস্থান নেয়। এরপর গতকালের কাজ শেষ করা হয়। মঙ্গলবার সকাল থেকেই শ্রমিক ও প্রকৌশলীরা স্প্যানটি পিলারের ওপর বসানোর কাজ শুরু করে। পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আবদুল কাদের জানান, সোমবার মুন্সীগঞ্জের কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে ২৬তম স্প্যানটি নিয়ে ভাসমান ক্রেনে জাজিরার উদ্দেশ্যে আনা হয়। আবহাওয়াসহ সবকিছু অনুকূলে থাকলে আজ স্প্যানটি পিলারে স্থাপন হবে। ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের স্প্যানটি বসে গেলে সেতুর ৩৯০০ মিটার দৃশ্যমান হবে। চলতি বছরের জুলাইয়ের মধ্যে ৪২টি পিলারের ওপর ৪১টি স্প্যান বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে। যার ২৫টি বসে গেছে। আগামী জুলাইয়ে সব স্প্যান বসে যাওয়ার কথা রয়েছে। চলতি মাসের প্রথম স্প্যানটি বসে ১৪ জানুয়ারি। এর আগে গত বছরের ১১ ডিসেম্বর পদ্মা সেতুর ১৮তম স্প্যান ও ১৮ ডিসেম্বর বসানো হয় ১৯তম স্প্যান এবং ৩০ ডিসেম্বর বলে ২০তম স্প্যানটি। সেতুর রোডওয়ে স্ল্যাব ও রেলওয়ে স্ল্যাবসহ অন্যান্য কাজ সিডিউল অনুযায়ী চলছে। দেশের সর্ববৃহৎ সেতুটির মূল অংশের নির্মাণকাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেড। ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে সেতুর কাজ শুরু হয়। ৬ দশমিক ১৫০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের দ্বিতল সেতুটি কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে।
রাজধানীতে করোনাভাইরাসের চিকিৎসা পাবেন যেসব হাসপাতালে
১০মার্চ,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বাস্থ্য অধিদফতরের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহজনক রোগীদের জন্য রেফারেন্স হাসপাতাল হিসেবে দেশের কয়েকটি হাসপাতাল নির্দিষ্ট রাখা হয়েছে। হাসপাতালগুলো হল- মুগদা জেনারেল হাসপাতাল, কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল, মহানগর জেনারেল হাসপাতাল, সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল ও কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল। হাসপাতালগুলো সোমবার থেকে চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। চিকিৎসা কাজে ব্যবহারের জন্য মজুদ রাখা হয়েছে মাস্ক, গ্লাভস, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও রোগ প্রতিরোধী পোশাক।
মাস্কের দাম ও মজুদ নজরদারিতে রাখার নির্দেশ আদালতের
০৯মার্চ,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে একগুচ্ছ নির্দেশনা দিয়েছে হাইকোর্ট। কেউ যেন মাস্ক মজুদ রেখে মাস্কের দাম বেশি রাখতে না পারে তা তদারকির আদেশ দেন। প্রয়োজনে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে নজরদারির ব্যবস্থা নিতে বলেছে হাইকোর্ট। সোমবার করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে নেওয়া পদক্ষেপ সম্পর্কিত প্রতিবেদনের ওপর শুনানিতে আদালত এসব কথা বলেন। বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এই শুনানি হয়। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নেওয়া পদক্ষেপের প্রতিবেদন হাইকোর্টে উপস্থাপন করা হয়। আদালতে পাঁচ পৃষ্ঠার এই প্রতিবেদনটি পড়ে শুনান ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবিএম আবদুল্লাহ আল-মাহমুদ বাশার। প্রতিবেদন শোনার পর আদালত নির্দেশনা দিয়ে বলেছে, দেশের অভ্যন্তরে সকল স্থল, নৌ ও বিমানবন্দরগুলোতে পর্যাপ্ত থার্মাল স্ক্যানার বসাতে হবে। বিশেষ করে ঢাকা হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিনটি থার্মাল স্ক্যানারের মধ্যে দুটি নষ্ট থাকায় অবিলম্বে এগুলোকে সচল করতে হবে। করোনাকে কেন্দ্র করে মাস্কসহ অন্যান্য চিকিৎসা সরঞ্জামের মূল্য নিয়ে কেউ যাতে অনৈতিক ব্যবসা করতে না পারে, সেজন্য প্রয়োজনে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে মনিটর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিদেশ থেকে কেউ আসলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির শরীরে করোনা ভাইরাস নেই- এ সম্পর্কিত (সংশ্লিষ্ট দেশের) নিশ্চয়তাপত্র থাকতে হবে বলেও নির্দেশনায় বলা হয়। গত ৫ মার্চ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে বাংলাদেশ সরকার কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে, তা জানাতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। আজ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া প্রতিবেদনের ওপর শুনানি শেষে এসব নির্দেশনা দেন আদালত।
মাদক নির্মূলে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে: আইজিপি
০৯মার্চ,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বলেছেন, দেশে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের পাশাপাশি মাদক নির্মূলে কাজ করে যাচ্ছে পুলিশ। মাদকের ভয়াবহতা ঠেকাতে শুধু পুলিশের ওপর নির্ভর নয়, সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। আজ সোমবার দুপুরে বাগেরহাটে পুলিশ সুপারের নবনির্মিত কার্যালয় উদ্বোধন শেষে এসব কথা বলেন তিনি। আইজিপি বলেন, দেশে মাদকের সাপ্লাই যেন না আসতে পারে সে জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যে কোনো মূল্যে মাদক সরবরাহ বন্ধ করতে হবে। এর প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। সেক্ষেত্রে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। এর আগে আইজিপি হেলিকপ্টারযোগে খানজাহান আলী কলেজ মাঠে নামেন। সেখান থেকে শহরের খারদ্বারে নবনির্মিত পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আসেন। এবং ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে নবনির্মিত পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন। পরে তিনি বিভিন্ন ঐতিহাসিক টেরাকোটা ষাট গম্বুজ মসজিদ পরিদর্শন করেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে পুলিশের খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ কামরুজ্জামান টুকু, জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশিদ, জেলা পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায়, বাগেরহাট পৌর মেয়র খাঁ হাবিবুর রহমান, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সরদার নাসির উদ্দিন, জেলা পুলিশিং কমিটির সভাপতি অ্যাড. মোজাফফর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. শাহ আলম টুকু, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এ বাকি তালুকদারসহ বাগেরহাট পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত, ৯টি পুলিশ সুপার অফিস ভবন নির্মাণ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ৯ কোটি ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার টাকা ব্যয়ে বাগেরহাট শহরের খারদ্বারে বাগেরহাট পুলিশ সুপারের কার্যালয় নির্মাণ করা হয়।
মোদির বাংলাদেশ সফর বাতিল
০৯মার্চ,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসের কারণে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফর বাতিল করা হয়েছে। দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারের নেয়া এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো। এর আগে বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে মুজিববর্ষের ১৭ মার্চের আয়োজন সীমিত করার ঘোষণা দেয়া হয়। ওই ঘোষণায় বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী বলেন, মুজিববর্ষ হলো বছরব্যাপী আয়োজন। বিদেশি অতিথিদের আসার কথা ছিল। যেহেতু বিষয়টি পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে, তাই বিদেশি অতিথিরাও পরেই আসবেন। আগামী ১৭ মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর (মুজিববর্ষ) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার কথা ছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক, কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী সামদেক হুন সেন, ইউনেস্কোর সাবেক মহাসচিব ইরিনা বোকোভাসহ বেশ কয়েকজন বিদেশি অতিথির। এছাড়া কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ও ইতালির প্রধানমন্ত্রী জুসেপ্পে কোন্তের থাকার বিষয়েও আলোচনা চলছিল। প্রসঙ্গত রোববার (০৮ মার্চ) বাংলাদেশে তিন জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়। তাদের দু’জন ইতালি থেকে এসেছেন এবং অপরজন সংক্রমিত একজনের সংস্পর্শে এসেছিলেন।
করোনা মোকাবেলায় সরকার সর্বোচ্চ সতর্ক: বাণিজ্যমন্ত্রী
০৮মার্চ,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এমপি বলেছেন, সরকার করোনা ভাইরাস নিয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে। এর মোকাবেলায় সরকার সব ব্যবস্থা নেবে। তিনি বলেন, করোনা ভাইরাস (কোভিড -১৯) র কারণে বাংলাদেশে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে কি প্রভাব পড়ছে সরকার তা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। এই ভাইরাস মোকাবেলায় সরকার সবধরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। আজ রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স (বিআইসিসি)র উদ্যোগে আয়োজিত এক কর্মশালায় দ্বিতীয় সেশনে নিউ ইনকোটার্মস-২০২০ রুলসের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে তিনি সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন। এর আগে টিপু মুন্সী বলেন, বিশ্ববাণিজ্যে বিধিবিধান সময়োপযোগী হওয়া প্রয়োজন। বাণিজ্য বিরোধ নিরসনে ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি) গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসছে। প্রতিযোগিতামূলক বিশ্ববাণিজ্যে নতুন নতুন সমস্যা দেখা দেয়। এজন্য প্রচলিত নিয়ম-কানুনগুলোরও পরিবর্তন প্রয়োজন হয়। তিনি বলেন, ওয়ার্ল্ড বিজনেস অর্গানাইজেশনের সহায়তায় সময়ে সময়ে তালমিলিয়ে নতুন রুলস প্রবর্তন করা হয়। এজন্য নিউ ইনকোটার্মস-২০২০ রুলস চালু হতে যাচ্ছে। টিপু মুন্সী বলেন, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের উন্নয়ন এখন দৃশ্যমান। বিদেশী বিনিয়োগও বাড়ছে। তিনি বলেন, গত বছর ৮ দশমিক ১৫ ভাগ জিডিপি অর্জিত হয়েছে। এবছর জুলাই অক্টোবর সময়ে দেশে ৫ দশমিক ৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ফরেন ডাইরেক্ট ইনভেষ্টমেন্ট এসেছে। গতবছর দেশের রপ্তানি আয় ছিল ৩৯ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। সালিশের মাধ্যমে দিনদিন বাণিজ্য বিরোধ সমাধানের গ্রহনযোগ্যতা বাড়ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফল নেতৃত্বে বাংলাদেশ সকল ক্ষেত্রে দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ আগামী ২০২৪ সালে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে। প্রতিযোগিতা করেই বাংলাদেশকে বিশ্ববাণিজ্যে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি বলেন, তবে বাণিজ্য বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বাণিজ্য বিরোধও বাড়বে, আর এটাই স্বাভাবিক। নতুন সমস্যা সমাধানে প্রয়োজন নতুন নিয়ম কানুন। নতুন নতুন বাণিজ্য বিরোধ সমাধানে নিউ ইনকোটার্মস-২০২০ রুলস অধিক কার্যকর হবে। বাণিজ্যমন্ত্রী নিউ ইনকোটার্মস-২০২০ রুলস এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিআইসিসির প্রেসিডেন্ট মাহবুবুর রহমান, মিউচুয়াল ট্রাষ্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও সৈয়দ মাহবুবুর রহমান ও আইসিসি বাংলাদেশ ব্যাংকিং কমিশনের চেয়ারম্যান এবং সিইও মুহাম্মদ এ রুমি আলী।

জাতীয় পাতার আরো খবর