সরবরাহ নিশ্চিত করতেই বিদ্যুৎ ও পানির দাম বৃদ্ধি : কাদের
২৯ফেব্রুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতেই কিছুটা দাম বাড়ানো হয়েছে। কারণ সরকার বিদ্যুতে যেমন ভর্তুকি দিচ্ছে পানিতেও সেরকম ভর্তুকি দেয়া লাগছে। তবে বিদ্যুৎ এর ক্ষেত্রে কৃষকের ভর্তুকি খুব কম ধরা হয়েছে। আজ শনিবার আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, মুজিববর্ষে আমরা শতভাগ বিদ্যুতের ব্যবহার নিশ্চিত করতে চাই। প্রত্যেক ঘরে আমরা বিদ্যুতের আলো জ্বালাতে চাই। সামনে গরমের সিজন, লোকজন যেন কষ্ট না পায় সেজন্য আমরা বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নিরবচ্ছিন্ন করতে চাই। একটু কষ্ট হলেও জনগণ এর সুবিধা পাবে। বিএনপি আদালতের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করছে মন্তব্য করে কাদের বলেন, বিএনপির বিক্ষোভ কোন রাজনৈতিক নেতাদের বা দলের বিরুদ্ধে নয়। তারা আদালতের বিরুদ্ধে নেমেছেন। আদালত বেগম খালেদা জিয়াকে জামিন দেয়নি বলেই তারা এ কর্মসূচি পালন করছে। এটা আদালতের বিরুদ্ধে অঘোষিত একটা কর্মসূচি। টার্গেট পূরণ না হওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, শুধু পাপিয়া নয়, অপকর্ম, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও মাদকের সঙ্গে যারাই জড়িত তারা নজরদারিতে আছেন। এছাড়া পাপিয়াদের পিছনে যারা আছেন তারাও নজরদারির বাইরে নয়। তিনি বলেন, দেশের যে কোনো প্রান্তে হোক অপকর্ম, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, জঙ্গিবাদ ও মাদকের সঙ্গে দলের লোকজন যদি জড়িত থাকে সেও রেহাই পাবেন না। তারা ইতোমধ্যে নজরদারিতে চলে এসেছেন। থেমে থেমে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হবে। এছাড়া এই অপকর্মের পিছনে যারা কলকাঠি নাড়ছেন তারাও রেহাই পাবেন না। পদ্মা সেতু নির্মাণ কাজ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, প্রায় এক হাজারের মতো চীনের অধিবাসী পদ্মা সেতুতে কাজ করে। এখান থেকে ১৫০ জন ছুটিতে দেশে গেছেন। যদি দুই মাসের মধ্যে করোনাভাইরাসের কোনো উন্নতি না হয় তাহলে পদ্মা সেতুর কাজে সামান্য বিঘ্ন ঘটবে। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুস সবুর এবং উপ দফতর সম্পাদক সায়েম খান।
অপরাধের সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে
২৮ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:অপকর্মে জড়িতদের ছাড় দেয়া হবে না বলে হুঁশিয়ার করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, নানা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার নরসিংদী জেলা যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত নেতা শামিমা নূর পাপিয়ার সহযোগীদেরও আইনের আওতায আনা হবে। আজ দুপুরে আশুলিয়ার গেরুয়াবাজার এলাকায় দারুল উলুম মাবিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসার একটি ভবন উদ্বোধনের সময় সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, অপরাধের সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। এই সরকারের সময় অপরাধ করে কেউ পার পাবে না। জুয়া, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান চলবে। উচ্চ আদালতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন আবারও নাকচের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আসাদুজ্জামান খান বলেন, আইন ও বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীন। বিচার বিভাগের ওপর বর্তমান সরকারের কোনও হাত নেই। খালেদা জিয়াকে জামিন দেয়ার একমাত্র এখতিয়ার আদালতের। খালেদা জিয়ার জামিন নিয়ে আদালত যা করছেন, সেটা ভেবেচিন্তে এবং আইন অনুযায়ী করছেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান, মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমান নবাবগঞ্জী, মাদ্রাসার সভাপতি মিনহাজ উদ্দিন মুছা প্রমুখ।
চসিক নির্বাচনে সেনা মোতায়েন হবে না
২৮ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে সেনা মোতায়েন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম। আজ দুপুরে চট্টগ্রামে নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রফিকুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আমরা সেনা মোতায়েন করিনি। এবারও করব না। তবে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি থাকবে। পোশাকেই থাকবে। অস্ত্র থাকবে না। টেকনিক্যাল সাপোর্ট দেবে তারা।এর আগে গতকাল মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে বিএনপি প্রার্থী শাহাদাত হোসেন নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের পাশাপাশি নির্বাচন দুই দিন পেছানোর দাবি জানিয়েছিলেন। পরীক্ষাসহ নানা কারণে নির্বাচন পেছানো সম্ভব নয় বলে উল্লেখ করে রফিকুল ইসলাম বলেন, অন্যান্য দেশের মতো সরকারি ছুটি ঘোষণা না করে নির্বাচন করা যায় কি না ভেবে দেখছে কমিশন। তিনি বলেন, আমাদের কাছে অপশন যেটা ছিল, সেটা হলো পুরো বর্ষার মধ্যে নির্বাচন করার। আমরা কিন্তু কল্পনাও করতে পারি না চট্টগ্রাম শহরে বর্ষার সময় নির্বাচন করার কথা। কারণ, আমাদের অভিজ্ঞতা হলো বর্ষায় জলাবদ্ধতায় ডুবে থাকে অনেক রাস্তাঘাট। সে জন্য এ সময় নির্বাচনের কথা আমরা চিন্তও করতে পারি না।
বায়তুল মোকাররম এলাকায় বিক্ষোভ করেছেন মুসল্লীরা
২৮ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:দিল্লিতে মুসলিমদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ঢাকায় বায়তুল মোকাররম এলাকায় বিক্ষোভ করেছেন মুসল্লীরা। সমমনা ইসলামী দলগুলোর ব্যানারে মসজিদের উত্তর গেটে প্রথমে বিক্ষোভ সমাবেশ হয়। সমাবেশ শেষে তারা মিছিল বের করেন। এসময় মুসল্লিরা বিভিন্ন স্লোগান দেন।এর আগে জুমার নামাজের আগেই বায়তুল মোকাররম মসজিদে ব্যাপক মুসল্লীর সমাগম হয়। পুরো এলাকায় পুলিশি উপস্থিতিও ছিল ব্যাপক। নামাজ শেষে কয়েকহাজার মুসল্লি সমাবেশে যোগ দেন। বিভিন্ন ইসলামী দলসমূহের নেতারা এসময় বক্তব্য রাখেন। এসময় বক্তারা বলেন, ভারতে মুসলিমদের নির্মমভাবে হত্যা করা হচ্ছে।তাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেয়া হচ্ছে। মা বোনদেরকে নির্যাতন করা হচ্ছে। মুসলিম হিসেবে আমরা তা মেনে নিতে পারি না। এ নিয়ে সরকারের মাথা ব্যথা না থাকলেও আমাদের মাথা ব্যথা আছে। কারণ আমরা মুসলমান। মুসলিম হয়ে মুসলিমদের ওপর এমন নির্যাতন সহ্য করা যায় না। তারা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন অসাম্প্রদায়িক। আমাদের দেশ অসাম্প্রদায়িক। এখানে আমরা মুসলিম হিন্দু বোদ্ধ খ্রিস্টান একসঙ্গে বাস করি। আর মোদি হলো একজন উগ্রপন্থী লোক। সে সাম্প্রদায়িক এবং খুনি। সুতরাং মুজিববর্ষে তার মতো খুনি সাম্প্রদায়িক এবং উগ্রবাদীকে বাংলাদেশে ঢুকতে দেয়া হবে না। তার আমন্ত্রণ পত্র প্রত্যাহার করতে হবে। এসময় তারা বিমানবন্দর ঘেরাও করার ঘোষণা দেন। বক্তারা মুসলিম হত্যার প্রতিবাদে ভারতের সব পণ্য বর্জন করার ঘোষণাও দেন।
মুজিববর্ষে মোদিকে অতিথি করা নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
২৭ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অতিথি করার সমালোচনা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, আমরা একটি রাজনৈতিক নির্দেশনা নিয়ে চলি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদেরকে একটি অসাম্প্রদায়িক চেতনার দেশ দিয়েছেন, সেই নীতিমালা অনুসরণ করেই আমরা চলছি। আজ বৃহস্পতিবার সকালে গাজীপুরের শফিপুর আনসার-ভিডিপি একাডেমিতে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সাধারণ আনসার মৌলিক প্রশিক্ষণর (পুরুষ) সমাপনী কুচকাওয়াজ এবং নবসৃজিত আনসার গার্ড ব্যাটালিয়নের ফ্ল্যাগ রেইজিং অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশ এবং বিদেশ থেকে আগত ভিআইপিদের অধিক নিরাপত্তা দেয়ার জন্য আনসার ব্যাটালিয়নের নতুন আনসার ব্যাটালিয়ন সৃজন করা হয়েছে। এর আগে প্রধান অতিথি সমাপনী কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন এবং সাধারণ আনসারদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। পরে তিন কৃতি প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহেদ আলী, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল কাজী শরীফ কায়কোবাদ, বাহিনীর অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম আসিফ ইকবালসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ১০ সপ্তাহব্যাপী মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষে সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে মোট ১ হাজার ১ শত ৮৫ জন সাধারণ আনসার প্রশিক্ষণার্থী অংশগ্রহণ করেন। পরে প্রধান অতিথি ফ্ল্যাগ রেইজিংর মাধ্যমে নবসৃজিত আনসার গার্ড ব্যাটালিয়নের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।-
মশা যেন ভোট না খেয়ে ফেলে: মেয়রদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী
২৭ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকার দুই মেয়র ও কাউন্সিলরদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ঢাকায় যারা নির্বাচিত হয়েছেন তারা মশা নিয়ন্ত্রণে এখন থেকে ব্যবস্থা নিন। মশা ক্ষুদ্র প্রাণী হলেও খুব শক্তিশালী। তা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে ভোট খোয়াবেন। মশা যেন আপনার ভোট না খেয়ে ফেলে সেদিকে নজর রাখতে হবে। তিনি বলেন, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে দুর্নীতি হলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। একটি নির্দিষ্ট সময় পর আমাদের ক্ষমতা ছাড়তে হয়। কিন্তু এসময়ে কারো অনিয়ম কিংবা দুর্নীতির কারণে উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যস্থা নেয়া হবে। চলমান মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান অব্যবহত থাকবে। আজ বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণের মেয়র ও কাউন্সিলরদের শপথ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। করোনা ঠেকাতে আলাদা হাসপাতাল করার পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সবাইকে সরকারের দেয়া এ সংক্রান্ত নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। উন্নয়নের জন্য বাজেটকৃত অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় হচ্ছে কিনা তা পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন,জনপ্রতিনিধিদের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করতে হবে। অনেক প্রজেক্ট করে দেয়া হচ্ছে। সেগুলোর কাজ যাতে যথাযথভাবে হয় সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে। জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে হবে। মেগা প্রকল্প থেকে শুরু করে প্রতেক্যকটি উন্নয়ন প্রকল্প যাতে সঠিক সময়ে বাস্তবায়ন হয় সে জন্য সহযোগীতা করতে হবে। দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকার সক্ষমতা অর্জন করেছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, সকল প্রাকৃতিক দুর্যোগে যেন মানুষের ক্ষয়ক্ষতি কম হয়, সেজন্য ডেল্টা প্লান ২১০০ প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে কাজ শুরু করা হয়েছে। অতীতের ন্যায় যাতে সরকার পরিবর্তন হলেও উন্নয়নের ধারা থেমে না যায়, সে জন্য এই পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। দেশের ৯৫ ভাগ মানুষ বিদ্যুৎ পাচ্ছে জানিয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, মানুষ অর্থনৈতিকভাবে যেভাবে স্বচ্ছল হচ্ছে, তেমনিভাবে চাহিদাও বাড়ছে। তাই, গ্রামের মানুষ যাতে শহরের সকল সুযোগ সুবিধা পায় সেভাবেই উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলো প্রণয়ন করা হচ্ছে। শেখ হাসিনা বলেন, দেশের কোনও মানুষ গৃহহীন থাকবে না। যেখানে যত ভূমিহীন মানুষ আছে তাদের একটি টিনের চালা হলেও নির্মাণ করে দেয়া হবে। পাশাপাশি নগরায়ণের দিকেও মনযোগ দিতে হবে। যত্রতত্র দালান কোঠা নির্মাণ করা যাবে না। সারা দেশব্যাপী ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, যেখানে সেখানে যাতে ইন্ডাস্ট্রিজ গড়ে না ওঠে, ফসলের মাঠের ক্ষতি না হয় সেজন্য এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা সেখানে বিনিয়োগ করতে পারবেন। সরকার প্রধান বলেন, ২০০৯ সাল থেকে আওয়ামী লীগ টানা ক্ষমতায় আসার ফলে দেশের উন্নয়ন ধারাবাহিকভাবে করা সম্ভব হচ্ছে। বাংলাদেশ গত এক দশকে প্রবৃদ্ধি ৮ দশমিক ১৫ ভাগে উন্নীত হয়েছে। মাথাপিছু আয় বেড়েছে। যেখানে দারিদ্রের সীমা ২০০৫-০৬ অর্থবছরে ছিল ৪২ ভাগ সেখানে বর্তমানে তা ২০ দশমিক ৫ ভাগে নামিয়ে আনা হয়েছে। বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ এখন বিস্ময় জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দক্ষতার সাথে দেশ পরিচালনা করছে। ফলে আর্থিক দিক থেকে শুরু করে অন্যান্য খাতেও আমরা ব্যাপক এগিয়ে গেছি। ফলে বাজেট সাত গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। যা অতীতে কেউ পারেনি। শেখ হাসিনা বলেন, ইতিমধ্যে দেশের উন্নয়নে পঞ্চ, ষষ্ঠ ও সপ্তাম পঞ্চবার্ষিকী বাস্তাবয়ন করা হয়েছে। অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়নে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সরকারের শুরু থেকে লক্ষ্য ছিল কিভাবে দারিদ্র দূর করা যায়, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়, মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, স্বাক্ষরতার হার বৃদ্ধি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়া ও অবকাঠামো গত উন্নয়ন করা যায়। ইতিমধ্যে এগুলো বাস্তবায়ন করা হয়েছে। যার কারণে আমরা এখন উন্নয়নশীল দেশে পরিনত হয়েছি। এখান থেকে আমরা উন্নত ও সমৃদ্ধি দেশ হবো। যা ২০৪১ সালের মধ্যে বাস্তবায়ন হবে।- একুশে টেলিভিশন
মুজিববর্ষে প্রত্যেক উপজেলায় ৪টি করে হেল্পডেস্ক হবে
২৭ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ পুলিশের আইজি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বিপিএম (বার) বলেছেন, ৯৯৯ সার্ভিস চালুর পর গত দু বছরে ৫৮ লাখ মানুষকে সেবা দিতে পেরেছে বাংলাদেশ পুলিশ। এতে করে জনগণ খুব উপকৃত হয়েছে। এই সেবা অব্যাহত থাকবে। মুজিববর্ষ উপলক্ষে পুলিশের কার্যক্রম আরও বৃদ্ধি করা হবে। এই সময়ে প্রত্যেক উপজেলায় ৪টি করে হেল্পডেস্ক চালু করা হবে। প্রতিবন্ধী সেবা ডেস্ক, বয়স্ক সেবা ডেস্ক, নারী শিশুদের জন্য ডেস্ক এবং অসহায় নারী শিশুদের জন্য অ্যাপস চালু হবে। তবে অ্যাপস চালুর বিষয়টি এখনও পরীক্ষাধীন। নেত্রকোনা জেলা পুলিশের বার্ষিক সমাবেশ উপলক্ষে গতকাল বুধবার দুপুরে নেত্রকোনা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে আইজিপি ড. জাবেদ পাটোয়ারী এসব কথা বলেন। আইজিপি আরও বলেন, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস দমনে পুলিশের ভূমিকা অনন্য। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জঙ্গিবাদ দমন করতে গিয়ে ৮ পুলিশকে জীবন দিতে হয়েছে। পুলিশ দেশ থেকে জঙ্গিবাদ দমনে নিরলস কাজ করছে। তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি থানাকে জনবান্ধব থানা হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। আমরা সত্যিকার অর্থেই জনগণের পুলিশ হতে চাই। তাই থানাগুলোকে সেভাবেই গড়তে চাই। জাবেদ পাটোয়ারী আরও বলেন, দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ সচেষ্ট। এক হাজার লোকের জন্য মাত্র একজন পুলিশ সদস্য। তা দিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ খুবই সমস্যা এবং এ দিয়ে সেবা দান করা খুব কঠিন। তবে পুলিশ এ ব্যাপারে তৎপর। এসময় অন্যদের মধ্যে ছিলেন ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি অব পুলিশ ব্যারিস্টার মো. হারুন অর রশিদ, জেলা প্রশাসক মঈনউল ইসলাম, নেত্রকোনার পুলিশ সুপার আকবর আলী মুনসী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএম আশরাফুল আলম। পরে তিনি পুলিশ লাইন মাঠে নেত্রকোনা পুলিশের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা উদ্বোধন ও পুরস্কার বিতরণ করেন।
আতিক-তাপসকে শপথ পড়ালেন প্রধানমন্ত্রী
২৭ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত দুই মেয়র ও কাউন্সিলররা শপথ নিয়েছেন।আজ বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে এই শপথবাক্য পাঠ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলাম ও দক্ষিণের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসকে শপথবাক্য পাঠ করান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ ছাড়া স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম দুই সিটি করপোরেশনের সাধারণ ওয়ার্ড ও সংরক্ষিত নারী আসনের কাউন্সিলরদের শপথবাক্য পাঠ করান। স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন-২০০৯ অনুযায়ী, সিটি করপোরেশন নির্বাচনের পর মেয়র বা কাউন্সিলরদের নাম সরকারি গেজেটে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে শপথগ্রহণের বাধ্যবাধকতা আছে। গত ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এর তিনদিন পর অর্থাৎ ৪ ফেব্রুয়ারি বিজয়ী মেয়র ও কাউন্সিলদের নাম, ঠিকানা ও পদসহ গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার সিদ্ধান্ত বাতিল
২৬ফেব্রুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়েছে। গুচ্ছভিত্তিক পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। আজ বুধবার বিকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন’র (ইউজিসি) বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বুয়েট কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষার বিপক্ষে থাকায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউজিসি। বুধবার ইউজিসি অডিটরিয়ামে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠকের পর ইউজিসি চেয়ারম্যান সাংবাদিকদের কাছে এসব তথ্য তুলে ধরেন। কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, সব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে আলোচনা করে আমরা গুচ্ছ পদ্ধতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ও সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আলাদাভাবে চারটি ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করা হবে। তবে সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসা শিক্ষা বিভাগে আলাদভাবে তিনটি গুচ্ছ পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেয়া হবে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, দেশের পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ পদ্ধতিতে অংশগ্রহণ করবে না বলে জানিয়েছে। তবে এ পদ্ধতিতে দেশের ৩৪টি বিশ্ববিদ্যালয় অংশগ্রহণ করবে বলে চূড়ান্তভাবে জানিয়েছে। আমরা সবাইকে আহ্বান জানিয়েছি, যারা আসবে তাদের সবাইকে নিয়ে আমরা গুচ্ছ পদ্ধতিতে যুক্ত করবো। তিনি বলেন, বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। এ পদ্ধতিকে সাধুবাদ জানালেও তাদের অভ্যন্তরীণ সমস্যার কারণে তারা যুক্ত হতে পারছেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন। তবে আমাদের চেষ্টা ও দরজা খোলা থাকবে। যারা এতে যুক্ত হতে যাবে তাদের নেয়া হবে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় এবং সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আলাদা ৪টি প্রশ্নে পরীক্ষা নেয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানায় ইউজিসি। আগামী মাসে আবারও বৈঠক করে এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানায় ইউজিসি।

জাতীয় পাতার আরো খবর