সবাই চাইলে ইভিএমে নির্বাচন করব না: সিইসি
২৫ডিসেম্বর,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, সবাই যদি বলে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) নির্বাচন করা যাবে না, তাহলে সেটা করব না। বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (ইটিআই) আয়োজিত এক কর্মশালায় অংশ নেওয়া কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি এ কথা বলেন। নূরুল হুদা বলেন, ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) নির্বাচন পরিচালনায় কোনও অসুবিধা দেখিনি। আমরা সুফল পেয়েছি, তাই এ ব্যবস্থা ধরে রেখেছি। তিনি বলেন, অনেক প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে আমরা ইভিএমে টিকে আছি। আপনারা যারা এখানে আছেন, কয়েক বছরে ইভিএমের ওপরে নানাভাবে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, কর্মদক্ষতা অর্জন করেছেন। আমরা বিশ্বাস করি, ইভিএমের মাধ্যমে সহজে এবং নির্বাচনে যারা ভোট দিবে তাদের ভোটাধিকার সফলভাবে প্রয়োগ করতে পারবেন। আপনারা যারা মাঠে-ময়দানে দেখবেন, যারা প্রয়োগ করবেন, তাদের কাছে যদি সন্দেহ থাকে আমাদের বলবেন। যদি সবাই বলেন, এটা দিয়ে নির্বাচন ভালোভাবে পরিচালনা করা যায় না, তাহলে আমরা ইভিএম ব্যবহার করব না। সিইসি বলেন, আমরা ইভিএম দিয়ে অনেকগুলো নির্বাচন করলাম। জাতীয় সংসদ নির্বাচন করলাম, স্থানীয় সরকার নির্বাচন করলাম, সেখানে আমরা সফলতা পেয়েছি। প্রসঙ্গত, বিএনপিসহ বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল ইভিএম ব্যবহারের বিরোধিতা করে আসছে। তবে আওয়ামী লীগসহ বেশকিছু রাজনৈতিক দল ইভিএমে ভোটের পক্ষে রয়েছে। এই পক্ষ-বিপক্ষ অবস্থানের মাঝে গত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ সিটি করপোরেশন ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করে আসছে ইসি। আগামী ৩০ জানুয়ারি ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটির নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে।
আনন্দমুখর পরিবেশে দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন
২৫ ডিসেম্বর,বুধবার,ষ্টাফ রিপোর্টার,নিউজ একাত্তর ডট কম: পেরিয়ে আসা দীর্ঘ ছয় দশকের মতো আগামী দিনগুলিতেও সত্য, ন্যায় ও গণমুখী সাংবাদিকতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় জানিয়ে পালিত হলো দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। অতিথিবৃন্দ শুভেচ্ছা জানাতে এসে প্রত্যাশা করলেন, ইত্তেফাক কখনোই অন্যায়ের সঙ্গে আপস করেনি, ভবিষ্যতেও সাংবাদিকতার আদর্শ থেকে বিচ্যুত হবে না। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ঐতিহ্যের পথ ধরে তারুণ্যের উদ্দীপনায় এগিয়ে যেতে আরেকবার প্রেরণাদীপ্ত হলো মুক্তিযুদ্ধসহ দেশের সব প্রগতিশীল আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালনকারী এই দৈনিক। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকায় ইত্তেফাক কার্যালয়সহ দেশের সব জেলায় উত্সবমুখর পরিবেশে পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়। গণমানুষের ভালোবাসা ও সমর্থনে সব আয়োজন ছিল প্রাণবন্ত। অগণিত পাঠকের ভালোবাসায় সিক্ত হলো ইত্তেফাক পরিবার। ৬৭ বছরে পদার্পণ উপলক্ষ্যে কাওরান বাজারের নিজস্ব ভবনে ইত্তেফাক অফিস ভরে উঠেছিল পত্রিকার শুভার্থী, বন্ধু ও বিজ্ঞাপনদাতাদের পদচারণায়। সকাল থেকে রাত অবধি ইত্তেফাক ভবনে এসে শুভেচ্ছা জানিয়ে গেছেন মন্ত্রী, রাজনীতিবিদ, শিল্পী, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, ইত্তেফাকের নিয়মিত লেখক, বিজ্ঞাপনদাতাসহ আরো অনেকে। দিনভর উত্সবমুখর পরিবেশে সবাই উদ্যাপন করেন প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনটি। কেক কেটে অনুষ্ঠানের সূচনা দুপুর সাড়ে ১২টায় কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। এ সময় ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্সের চেয়ারম্যান ও সংসদ সদস্য আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, দৈনিক ইত্তেফাকের সম্পাদক তাসমিমা হোসেন অতিথিদের নিয়ে কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপনের সূচনা করেন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদের সভাপতি সাবেক মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, সংসদ সদস্য শফিকুর রহমানকে নিয়ে কেক কাটেন তারা। পরে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদকে নিয়েও কেক কাটেন। এ সময় তথ্যমন্ত্রী ফুলের তোড়া ইত্তেফাক সম্পাদকের হাতে তুলে দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানান। এরপর সাবেক মন্ত্রী, ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিমকে নিয়েও কেক কাটেন আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ও তাসমিমা হোসেন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সংসদ সদস্য রাশেদ খান মেনন, নারায়ণগঞ্জের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান, জাতীয় পার্টি-জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব, জাতীয় পার্টি-জেপির সাধারণ সম্পাদক শেখ শহীদুল ইসলাম, জাতীয় পার্টি-জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সংসদ সদস্য আবু হোসেন বাবলা প্রমুখ। ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আরো শুভেচ্ছা জানাতে আসেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম, কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) প্রধান মনিরুল ইসলাম, বিএনপির চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, লেবার পার্টির সভাপতি ড. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান প্রমুখ। অতিথিরা যা বললেন শুভেচ্ছা বক্তব্যে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, দৈনিক ইত্তেফাক বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী একটি প্রতিষ্ঠান। মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার স্বপ্ন-লালিত যে বাংলাদেশ, দৈনিক ইত্তেফাক সেই জাতি-রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য নিজেকে উত্সর্গ করেছিল। সেই পথ ছিল অত্যন্ত কঠিন। কিন্তু সত্ সাংবাদিকতা ছিল সেই কঠিন পথ পাড়ি দেওয়ার মন্ত্র। সত্ সাংবাদিকতার সেই মন্ত্র ইত্তেফাক আজও হূদয়ে ধারণ করে চলেছে। আমার প্রত্যাশা, আগামীতেও তা অব্যাহত থাকবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, সত্য, ন্যায় ও বাংলাদেশের মানুষের অধিকারের প্রশ্নে ইত্তেফাকের অবস্থান প্রতিষ্ঠার পর থেকে কখনো বদলায়নি। ইত্তেফাক সব সময় বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে। বিগত কয়েক দশকের ধারাবাহিকতায় আগামীতেও ইত্তেফাক দিকনির্দেশনামূলক সংবাদ পরিবেশন করে যাবে এটাই প্রত্যশা। মোহাম্মদ নাসিম বলেন, দৈনিক ইত্তেফাক, স্বাধীনতার সংগ্রাম, ৬ দফা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মানিক মিয়া ছিলেন একসূত্রে গাঁথা। ইত্তেফাক এখনো মানুষের মন জয় করে আছে, মানুষের হূদয়ে আছে। ইত্তেফাকে সংবাদের আলোচনা-সমালোচনা সবই আছে। গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেন, মানিক মিয়া এভিনিউ নামকরণ করা হয়েছে যেহেতু তার অবদান আমরা মনে রেখেছি। ইত্তেফাক ৬৭ বছরে পা দিল। আশা করি, তারা তাদের ঐতিহ্য ধরে রেখে পত্রিকাটিকে আরো সামনে এগিয়ে নেবে। জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেন, ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাতা তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়াকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছি, তাকে স্মরণ করছি। আমরা ইত্তেফাক ও জাতিয়তাবাদী সংগ্রামকে আলাদা করে দেখিনি। ইত্তেফাক বাঙালি সংস্কৃতি ও জাতীয় ঐতিহ্যকে ধারণ করে, স্বাধীনতা আন্দোলনে যে ভূমিকা পালন করেছে তা চিরস্মরণীয় হয়ে আছে, থাকবে। রাশেদ খান মেনন বলেন, ইত্তেফাকের সংবাদ খুব বস্তুনিষ্ঠ। এখন আমরা অনেক পত্রিকা পড়ি, কিন্তু খবরের যথার্থতা যাচাইয়ের জন্য আমি ইত্তেফাক পড়ি। ইত্তেফাকের ওপর আমরা আস্থা রাখি। অতীতের মতো এখনো দেশের স্বার্থে ইত্তেফাক বস্তুনিষ্ঠ সংবাদই পরিবেশন করে। জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেন, ইত্তেফাক জনগণের কথা বলে, সাধারণ মানুষের কথা বলে, বাঙালি জাতীয়তাবাদের কথা বলে। আমি বিশ্বাস করি ভবিষ্যতেও ইত্তেফাক সাধারণ মানুষের কথা বলবে। সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, ইত্তেফাক প্রাচীন পত্রিকা। ঐতিহাসিক সময়ে এর সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে পথপ্রদর্শকের ভূমিকা রেখেছিল ইত্তেফাক। ইত্তেফাকের ওপর বারবার আঘাত এসেছে। তারপরেও ইত্তেফাক তার স্বকীয়তা বজায় রেখেছে। বাংলাদেশের মানুষের মনে বাংলাদেশের ইতিহাসে ইত্তেফাক বেঁচে থাকবে চিরদিন। সিটিটিসি প্রধান মনিরুল ইসলাম বলেন, আইনশৃঙ্খলা বিষয়ে যে সংবাদগুলো আসে তা বস্তুনিষ্ঠ আকারে এবং নির্ভরযোগ্য উপস্থাপন করে, সে জন্য আমরা বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে ইত্তেফাকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। জেপির সাধারণ সম্পাদক শেখ শহীদুল ইসলাম বলেন, ইত্তেফাকের জন্মই হয়েছিল, এদেশের মানুষকে শোষণ থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য। ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া কেবল একজন সম্পাদকই ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন পুরোধা ব্যক্তিত্ব। জেপি গভীর শ্রদ্ধা ও বিনম্র ভালোবাসায় এই মহান ব্যক্তিকে স্মরণ করে। জাসদ সাধারণ সম্পাদক শিরিন আক্তার বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম, স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সংগ্রামসহ সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে ইত্তেফাক পাশে থেকেছে, ভবিষ্যতেও সবসময় পাশে থাকবে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে অতিথিদের স্বাগত জানান ইত্তেফাকের কার্যনির্বাহী পরিচালক মুহিবুল আহসান, বার্তা সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন, যুগ্ম-বার্তা সম্পাদক অশোক কুমার সিংহ, প্রধান প্রতিবেদক আবুল খায়ের প্রমুখ। শুভেচ্ছার ঢল ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আরো শুভেচ্ছা জানাতে আসেন চিত্রনায়িকা শাহনূর, পদ্মা ব্যাংকের মিডিয়া কর্মকর্তা সামিনা রোশনি, ওয়ালটনের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর হুমায়ুন কবির, অলিম্পিকের মিডিয়া ম্যানেজার রবিউল হাসান, বসুন্ধরা গ্রুপ, বিকাশ, প্রাণ-আরএফএল, মোবাইল অপারেটর বাংলালিংকের সিনিয়র ম্যানেজার অজিত সুরেকা, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, অ্যাকশন এইড, নারীপক্ষ, কর্মজীবী নারী, রক্সি পেইন্টসের মার্কেটিং ম্যানেজার সাইফুল্লাহ মামুদ দুলাল ও ম্যানেজার (ইন্টারনাল অডিট) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, মেসার্স মোস্তফা অ্যান্ড কোম্পানি, ঢাকা সংবাদপত্র হকার্স বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেড ও বাংলাদেশ হকার্স কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতির নেতৃবৃন্দ। আরো শুভেচ্ছা জানান ডিইউজে ইত্তেফাক ইউনিট চিফ আবুল খায়ের, ডেপুটি চিফ মোহাম্মদ শাহযাদা, ইত্তেফাক (এনএনপিপি) ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন সভাপতি মো. তাজাম্মেল হক, সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম, কর্মচারী ইউনিয়ন সভাপতি গোলাম আক্তার ও সাধারণ সম্পাদক মো. আবু জাফর, বাংলাদেশ ফেডারেল ইউনিয়ন অব নিউজপেপার প্রেস ওয়ার্কার্স সভাপতি মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন খান, সহ-সভাপতি মো. আতাউর রহমান, প্রচার সম্পাদক মো. মোমিনুল হক, সিনিয়র সদস্য গোলাম সরওয়ার আজাদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
চট্টগ্রামসহ ৫ দেশের বন্দরকে গ্রিন পোর্ট করার পরিকল্পনা এডিবির
২৫ডিসেম্বর,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বায়ুদূষণের পাশাপাশি কার্বন নিঃসরণ বন্ধে চট্টগ্রামসহ দক্ষিণ এশিয়ার ৫টি দেশের বন্দরগুলোকে গ্রিন পোর্টে রূপান্তরের পরিকল্পনা নিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক-এডিবির। বিশেষ করে বন্দরগুলোতে সোলার এনার্জি ব্যবহারের মাধ্যমে জ্বালানি তেলের ব্যবহার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে চায় তারা। এরই অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম বন্দরে বসানো হবে ১৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুতের সোলার প্যানেল। ব্যাপক হারে জ্বালানি তেল ব্যবহারের ফলে বায়ুদূষণের ক্ষেত্রে বন্দরগুলোকে অন্যতম বলে চিহ্নিত করে আসছে পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো। বন্দরে অবস্থানরত জাহাজগুলো সার্বক্ষণিক জেনারেটর চালু রাখার পাশাপাশি পণ্য ওঠানামায় যন্ত্রগুলো জ্বালানি তেল ব্যবহার করছে। চট্টগ্রাম বন্দরে বছরে ৪ হাজারের বেশি জাহাজ আসছে। সেই সঙ্গে বর্তমানে কন্টেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিং এ ২১৪টি যন্ত্র ব্যবহার হচ্ছে। চট্টগ্রাম বাপা সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক এ বি এম আবু নোমান বলেন, তেল যখন পোড়ে তখন সেখান থেকে প্রচুর ধোঁয়া বের হয়। আর এর মাধ্যমে প্রচুর কার্বণ নিঃস্বরণ করে। জাতিসংঘের সহযোগিতায় পরিচালিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জরিপে দেখা গেছে, বছরে চট্টগ্রাম বন্দরে প্রায় ৫০ লাখ টন কার্বন নির্গমন হচ্ছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কার্বন নির্গমন হয় বন্দরে পণ্য পরিবহনের কাজে নিয়োজিত ৩০ হাজারের বেশি ট্রাক, কাভার্ড এবং কন্টেইনারবাহী লরি থেকে। যার পরিমাণ ৩০ লাখ টন। এরপর রয়েছে বন্দরে অবস্থানরত জাহাজ এবং যন্ত্রপাতি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বন ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল আমিন বলেন, অনেক লম্বা যানবান ব্যবহার করা যেতে পারে। তাহলে এ কার্বন নিঃস্বরণের পরিমাণ কমে আসবে। পরিবেশবান্ধব করতে বন্দরে স্থাপন করা হবে ১৫ মেগাওয়াটের একটি সোলার এনার্জি প্যানেল। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ সদস্য মোহাম্মদ জাফর আলম বলেন, দিনের বেলাতে কিন্তু পোর্ট সোলার দিয়ে চলতে পারে। এবং অনেকগুলো জাহাজের যখন কাজ থাকে না তখনও ইঞ্জিন চালু থাকে। কিন্তু পোর্ট থেকে সোলার পাওয়ার দেওয়া হলে তেলও পুড়বে না আবার পরিবেশও দূষণ হবে না। দূষণ প্রতিরোধে দক্ষিণ এশিয়ার বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, মিয়ানমার, মালদ্বীপ এবং শ্রীলংকার বন্দরগুলোকে গ্রিন পোর্টে রূপান্তরের পরিকল্পনা নিয়েছে এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংক।-amadershomoy.com
পুলিশ সদস্য বা কর্মকর্তাদের তদবিরের পেছনে কি স্বার্থ রয়েছে?
২৫ ডিসেম্বর,বুধবার,ষ্টাফ রিপোর্টার,নিউজ একাত্তর ডট কম: সারা দেশে ট্রাফিক পুলিশের সংখ্যা ১০ হাজারের বেশি না। যা প্রয়োজনের তুলনায় কম। ঢাকায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে চার সহস্রাধিক পুলিশ। নানা সমস্যা, সংকট নিয়েই সড়কে শৃঙ্খলার দায়িত্ব পালন করছেন ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা। জনবল স্বল্পতার কারণে দীর্ঘ সময় ডিউটি করতে হয়। নতুন সড়ক আইন বাস্তবায়নেও বেগ পেতে হচ্ছে ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তাদের। এরমধ্যেই দিন দিন একটি বিষয় প্রকট সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে। রহস্যময় কারণে কোনো কোনো কর্মস্থলে দিনের পর দিন থাকছেন ট্রাফিক পুলিশের কর্মকর্তারা। পুলিশ সূত্র জানা গেছে, পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশনায় পুলিশের কোনো সদস্যই কোনো একটি ইউনিটে দুই বছরের বেশি সময় ধরে দায়িত্ব পালন করতে পারবে না উল্লেখ থাকলেও কিছু কর্মস্থলের ক্ষেত্রে তা মানা হচ্ছে না। সূত্র বলছে, সারাদেশের বিভিন্ন জেলায় ট্রাফিক ইনচার্জ (টিআই) ও সার্জেন্টরা সংশ্লিষ্ট রেঞ্জ ডিআইজি ও জেলা পুলিশ সুপারদের ম্যানেজ করে তিন থেকে সাত বছর ধরে একই ইউনিটে দায়িত্ব পালন করছেন। কেউ কেউ তারও বেশি। পুলিশেরই একটি মহলে এ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, একই ইউনিটে বছরের পর বছর দায়িত্ব পালনের জন্য পুলিশ সদস্য বা কর্মকর্তাদের তদবিরের পেছনে কি স্বার্থ রয়েছে? সূত্রমতে, ট্রাফিক পুলিশের কিছু সদস্য গণপরিবহণে চাঁদাবাজিসহ নানা অনিয়মে জড়িত রয়েছেন। এসব কারণেই সুবিধাজনক স্থানে বছরের পর বছর থাকতে নানাভাবে তদবির করেন তারা।সূত্র-মানবজমিন। ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে যান চলাচলের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এই সড়ক কেন্দ্রিক পুলিশের ট্রাফিক ও হাইওয়ে বিভাগ সদস্যদের অসাধু কর্মকর্তার সংখ্যাও বেশি। বাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, চাঁদপুর লক্ষীপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও বান্দরবানে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনে আগ্রহী ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা। পুলিশের ট্রাফিক ইউনিটের টিআই, সার্জেন্ট, এটিএসআই ও কনস্টেবলরা চার বছর থেকে দশ বছর পর্যন্ত এসব এলাকায় দায়িত্ব পালন করছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ মেয়াদে এসব এলাকায় দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন, ট্রাফিক পুলিশের টিআই নজরুল ইসলাম চট্টগ্রামে সাড়ে চার বছর ধরে, টিআই সাখাওয়াত নোয়াখালীতে রয়েছেন আট বছর ধরে, টিআই সালাউদ্দিন বান্দরবানে রয়েছেন চার বছর ধরে, টিআই বিনয় বড়ুয়া কক্সাবাজারে রয়েছেন সাড়ে তিন বছর ধরে, ফেনীতে টিআই আলাউদ্দিন রয়েছেন সাড়ে তিন বছর ও ফেনীতে আরও এক টিআই মেহেদীও দায়িত্ব পালন করছেন তিন বছর ধরে। একই অবস্থা রয়েছে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায়ও। ঢাকা মহানগর ট্রাফিক পুলিশ (পূর্ব)র উপ-কমিশনার (ডিসি) সাহেদ আল মাসুদ জানান, সাধারণত একটি জোনে একজন টিআই (ট্রাফিক ইন্সপেক্টর) বা সার্জেন্টের সময়কাল দুই বছর। এটা সত্য যে একস্থানে দীর্ঘ সময় থাকলে শৃঙ্খলা রক্ষায় তার বিরুপ প্রভাব পড়ে। এজন্য প্রায়ই ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের বদলি করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে যাদের বদলি করা হয়নি তাদেরও করা হবে বলে জানান তিনি। একই ইউনিটে বছরের পর বছর দায়িত্ব পালন করায় অনিয়মে জড়ানোর অভিযোগ পুলিশের সদস্যদের বিরুদ্ধে অনেক আগে থেকেই। কিন্তু পুলিশেরই বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, একই ইউনিটে দীর্ঘ দিন ধরে থাকায় সড়কে শৃঙ্খলা রক্ষা করা কঠিন। একইস্থানে দায়িত্ব পালন করার কারণে গাড়ির মালিক, চালকদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা গড়ে উঠে তাদের। এতে অনেকেই অনৈতিক সুবিধা নিয়ে ফিটনেসবিহীন ও অসম্পূর্ণ কাগজপত্রের গাড়ি চালাতে সহযোগিতা করেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এতে নতুন সড়ক আইন বাস্তবায়নেও বিরুপ প্রভাব পড়তে পারে। এসব বিষয়ে সম্প্রতি ডিএমপি কমিশনার শফিকুল ইসলাম এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, কোনো সার্জেন্ট মামলা না দিয়ে অনৈতিক সুবিধা নিতে চাইলে এবং তা নিয়ে অভিযোগ পেলে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমরা সার্জেন্টদের ক্যামেরা দেব। দায়িত্ব পালনকালে কোনো সার্জেন্টের ক্যামেরা বন্ধ থাকলে আমরা ধরে নেব অবৈধ কাজের উদ্দেশ্যেই তা বন্ধ রাখা হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।
সতর্ক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
২৫ ডিসেম্বর,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব বড়দিন উপলক্ষে সতর্ক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটকে পুঁজি করে এইদিনে কোনো অশুভ গোষ্ঠী যাতে নাশকতা করতে না পারে সেদিকে তীক্ষ্ণ নজরদারি শুরু করেছে গোয়েন্দারা। খ্রীস্টানদের চার্চ ও সরকারি কেপিআইভুক্ত এলাকাগুলোতে কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। ইতিমধ্যে চার্চগুলোতে তিনস্থরের নিরাপত্তার ব্যবস্থার উদ্যোগ নিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী। বড়দিন উপলক্ষে ইনডোরের অনুষ্ঠান সন্ধ্যা ৭ টার মধ্যেই শেষ করতে হবে। এবারের বড়দিনের অনুষ্ঠান ইনডোরের বাইরে করতে দেয়া হবে না। খ্রিস্টানদের ধর্মীয় উৎসব বড়দিনকে ঘিরে ঢাকাসহ সারাদেশে কোন সুনির্দিষ্ট নিরাপত্তার হুমকি নেই। তবে পুলিশ কোন আশঙ্কাকে উড়িয়ে দিচ্ছে না। নাশকতাকারীরা যাতে কোন অরাজকতা করতে না পারে সেদিক বিবেচনা করেই বড়দিনের নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে RABবের আইন ও গণমাধ্যম বিভাগের পরিচালক লে. কর্নেল সারোয়ার বিন কাসেম মানবজমিনকে জানান, বড়দিনে চার্চগুলোতে RABবের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। ওই উৎসবকে ঘিরে কোন সুনির্দিষ্ট হুমকি নেই। RAB ও পুলিশের গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, উগ্রবাদ দমনে দেশের নিরাপত্তা বাহিনী সফলতা দেখিয়েছে। বর্তমানে তা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে আছে। গত বছর শুভ বড়দিনে শ্রীলংঙ্কার গির্জা ও হোটেলে বড় হামলার ঘটনা ঘটেছে। ওই হামলার পর থেকেই বড়দিন উপলক্ষে আশপাশের দেশগুলোত কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়। সূত্র জানায়, বড়দিন উপলক্ষে বিশেষ নিরাপত্তার ছক আঁকা হয়েছে। তিনদিন আগে থেকেই ঢাকা ও সারাদেশের খ্রিস্টানদের চার্চগুলোতে অবস্থান নিয়েছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। RABবের গোয়েন্দা বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, অনুষ্ঠানের শুরুর সকাল বেলায় RAB ডগ স্কোয়াড দিয়ে সুইপিং করবে। চার্চগুলোতে দর্শনার্থীকে আর্চওয়ে দিয়ে ঢুকতে দেয়া হবে। মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশি করা হবে। চার্চের প্রাচীর টপকে কেউ যাতে ঢুকতে না পারে সেদিকে নজর রাখা হবে। চার্চকে ঘিরে কয়েক প্লাটুন পুলিশ মোতায়েন করা হবে। এছাড়াও ভেতরে ও বাইরে সাদা পোশোকে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা নজরদারি গড়ে তুলবেন। চার্চের সামনের সড়ক গুলোতে RABবের ভ্রামমাণ মোটরসাইকেলগুলো টহল দিবে। সূত্র জানায়, চার্চ এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা থাকবে। চার্চ এলাকায় কোনো ভাসমান দোকান বা হকার বসতে দেয়া হবে না। কোনো ধরনের ব্যাগ, ট্রলিব্যাগ ও ব্যাকপ্যাক নিয়ে চার্চে আসা যাবে না। ইনডোরের অনুষ্ঠান সন্ধ্যা ৭ টার মধ্যে শেষ করতে হবে। এছাড়াও এবার কাউকে বড়দিন উপলক্ষে ইনডোরের বাইরে অনুষ্ঠান করতে দেয়া হবে না। যদি কেউ করতে চায় তাহলে পুলিশের পূর্বানুমতি লাগবে। তবে সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, এবার ইনডোরের বাইরে কোন অনুষ্ঠান করতে দেয়া হবে না। এছাড়াও বড়দিন উপলক্ষে উন্মুক্ত স্থানে বা বাড়ির ছাদে গান-বাজনা করা ও আতশবাজি ফোটানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। কোন আপত্তিকর ঘটনা ঘটলে তার জন্য চার্চগুলোতে আগে থেকেই নিরাপত্তায় থাকবে ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স ব্যবস্থা। যাতে তরিৎ ব্যবস্থা নেয়া যায়।
আজ শুভ বড়দিন
২৫ ডিসেম্বর,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শুভ বড়দিন (ক্রিস্টমাস) আজ বুধবার। দুই হাজার বছর আগে এই শুভ দিনে পৃথিবীকে আলোকিত করে জন্মগ্রহণ করেন খ্রিস্টধর্মের প্রবর্তক যিশুখ্রিস্ট। বেথেলহেমের এক গোয়ালঘরে কুমারীমাতা মেরির কোলে জন্ম হয়েছিল যিশুর। খ্রিস্ট ধর্মানুসারীরা বিশ্বাস করেন, যিশু ঈশ্বরের পুত্র। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও উৎসবমুখর পরিবেশে দিনটি উদযাপন করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে খ্রিস্টান সম্প্রদায়। আজ সরকারি ছুটির দিন। দিনটি উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে পৃথক বাণী দিয়েছেন। বড়দিন উদযাপন উপলক্ষে দেশের সব চার্চ ও তারকা হোটেলগুলোকে ক্রিসমাস ট্রি, রঙিন বাতি, বেলুন আর ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছে। পাশাপাশি হোটেল ও পরিবারগুলোতে নানা ধরনের কেক, পিঠা ও বিশেষ খাবারের আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন সূত্রে জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার রাতে গির্জায় বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে। আজ সকাল থেকেও বড়দিনের প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে। রাজধানীর কাকরাইল ও তেজগাঁও ক্যাথলিক গির্জায় বড়দিনের বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে। গির্জা ও এর আশপাশে রঙিন বাতি জ্বালানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়াও প্রচুর জরি লাগিয়ে গির্জার ভেতর সুসজ্জিত করা হয়েছে। ভেতরে সাজানো হয়েছে ক্রিসমাস ট্রি। বড়দিন উপলক্ষে বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের লোকজনকে প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।
একনেকে ৯ প্রকল্প অনুমোদন
২৪ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রায় ৪ হাজার ৬১১ কোটি ৬২ লাখ টাকা ব্যয়ে ৯টি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে খরচ হবে ৪ হাজার ৩৬৬ কোটি ১২ লাখ টাকা। বাকি ২৪৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা দেবে সিলেট সিটি কর্পোরেশন। মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগর পরিকল্পনা কমিশনে এনইসির মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী এবং একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এ সভা হয়। সভাশেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান। একনেকে অনুমোদিত ৯ প্রকল্প হলো, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্প যথাক্রমে নারায়ণগঞ্জের খানপুরে অভ্যন্তরীণ কনটেইনার ও বাল্ক টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্প এবং মোংলা বন্দরের আধুনিক বর্জ্য ও নিঃসৃত তেল অপসারণ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সিলেট সিটি কর্পোরেশনের জলাবদ্ধতা নিরসন, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ও অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্প; বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের ফরিদপুর টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট স্থাপন (২য় সংশোধিত) প্রকল্প; প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঢাকা মহানগরী ও পূর্বাচল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন ও অবকাঠামো উন্নয়নসহ দৃষ্টিনন্দনকরণ প্রকল্প; প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মিরপুর সেনানিবাসে ডিএসসিএসসি'র জন্য অফিসার্স মেস ও বিওকিউ নির্মাণ প্রকল্প; প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দেশ-বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ প্রদান প্রকল্প, শিল্প মন্ত্রণালয়ের চামড়া শিল্পনগরী, ঢাকা (৪র্থ সংশোধিত) প্রকল্প; এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের হাওর এলাকার নির্বাচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহের উন্নয়ন প্রকল্প। একনেকসভায় সড়ক ও পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান, তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম, শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, পরিবেশমন্ত্রী মো. শাহাবুদ্দিন, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও সচিব উপস্থিত ছিলেন।
পিইসি পরীক্ষা থাকবে কি-না প্রধানমন্ত্রীর কথা জানালেন পরিকল্পনামন্ত্রী
২৪ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, পরীক্ষা নিতে নিতে শেষ করে দিচ্ছি বাচ্চাদের। খালি পরীক্ষা আর পরীক্ষা। প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, বেশি বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে যে পিইসি পরীক্ষা নেয়া হয়, এটা নিয়ে অনেক আলোচনা হচ্ছে। তিনিও (প্রধানমন্ত্রী) এর সঙ্গে একমত। মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অনুষ্ঠিত ২৩তম জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান। তিনি জানান, পিইসি পরীক্ষা থাকবে কি-না, তা পর্যবেক্ষণে রয়েছে। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, বাচ্চাদের সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী অনেক মন্তব্য করেছেন, আলোচনা করেছেন। (বাচ্চারা) অনেক বেশি বই কাঁধে নিয়ে ঘোরে, কষ্ট হয়। আজকেও বিষয়টি বলেছেন। পরীক্ষা নিতে নিতে শেষ করে দিচ্ছি বাচ্চাদের। খালি পরীক্ষা, খালি পরীক্ষা। উনি মনে করেন, বেশি বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে আরও নতুন নতুন চিন্তাভাবনা করার জন্য। মূল কথা হলো-শিশুদেরকে এই ভার থেকে মুক্ত করতে হবে। তারা যেন খেলাধুলা করতে পারে। শিশুদের বইয়ের ভার কমাও, আনন্দে থাকতে দাও ইত্যাদি। বিষয়টি (পিইসি পরীক্ষা থাকবে কি-না) নিয়ে বিশেষজ্ঞরাও বিভক্ত। কোনো বিশেষজ্ঞ বলে ভালো, কোনো বিশেষজ্ঞ বলে ভালো নয়। এটা আন্ডার রিভিউ (পর্যবেক্ষণে রয়েছে), যোগ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন,হাজারীবাগে যখন সব চামড়ার কারখানা ছিল, তাদের পাশে কিছু লোক ছিল যারা ট্যানারির মালিক না। তারা হাড়-গোড় দিয়ে বাই-প্রোডাক্ট শিল্প বানাত। প্রধানমন্ত্রী বললেন, তারা সাভারে গেছে, সেখানেও তো এটা হবে। তাদের জন্যও তো ব্যবস্থা করা উচিত, তারা যদি ওখানে গিয়ে বাই-প্রোডাক্ট শিল্প গড়তে চায়। বিসিক (বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন) কর্তৃপক্ষ, শিল্পমন্ত্রী, শিল্প সচিব জানিয়েছেন, তারা ইতোমধ্যে জায়গা চিহ্নিত করেছেন। যারা যেতে চায়, তাদের জন্য ব্যবস্থা রাখা হবে। এটা নির্দেশ না, অনুরোধ ছিল। তারা এই কাজটা করবে। কারণ, এর ভালো সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানান পরিকল্পনামন্ত্রী।
ঢাকার পথে ড্রিমলাইনার- অচিন পাখি
২৪ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেডের ২টি নতুন ড্রিমলাইনারের দ্বিতীয়টি- অচিন পাখি ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। ড্রিমলাইনার- অচিন পাখি যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলে অবস্থিত বোয়িং কারখানার এভারেট ডেলিভারি সেন্টার থেকে সোমবার স্থানীয় সময় দুপুর আড়াইটায় এভারেট এয়ার ফিল্ড ত্যাগ করে। আশা করা যাচ্ছে ড্রিমলাইনার- অচিন পাখি তার ১৫ ঘন্টা ৩০ মিনিটের উড়াল শেষে আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে। গত ২০ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় বোয়িং ৭৮৭-৯ সিরিজের ড্রিমলাইনার- অচিন পাখি উড়োজাহাজটিকে বোয়িং কর্তৃপক্ষ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করে। অত্যাধুনিক এই উড়োজাহাজটিতে বিজনেস ক্লাসের ৩০টি, প্রিমিয়াম ইকোনোমি শ্রেণীর ২১টি ও ইকোনোমি শ্রেণীর ২৪৭টি আসনসহ মোট ২৯৮টি আসন রয়েছে।

জাতীয় পাতার আরো খবর