বিএনপির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে: ইসি সচিব
অনলাইন ডেস্ক: নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেছেন, ভোটে সম্পৃক্ত প্রশাসন ও পুলিশ নিয়ে বিএনপির ঢালাও অভিযোগ আমলে নেওয়া হবে না। তবে বিএনপি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করলে তা খতিয়ে দেখা হবে। একাদশ সংসদ নির্বাচনে লেভেলে প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির অন্তরায় হিসেবে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিতে মঙ্গলবার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ইসিতে পাঁচটি চিঠি পাঠান। বিএনপির অভিযোগ ইসি সচিব হেলালুদ্দীনের বিরুদ্ধেও ছিল। এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে হেলালুদ্দীন বলেন, সচিব ইসির মুখপাত্র। ইসি সচিবের আলাদা সত্ত্বা নেই। কমিশনই সব সিদ্ধান্ত সিদ্ধান্ত নেয় সচিব তা বাস্তবায়ন করে ও সাচিবিক দায়িত্ব পালন করে। এছাড়া ৪৫ জেলার মেনটর নিয়োগ আদেশ বাতিল; নেতাকর্মীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন বন্ধ; প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের ব্রিফিং; সব বিভাগীয় কমিশনার ও ডিআইজিকে প্রত্যাহারের দাবি করে বিএনপি। ইসি সচিব বলেন, ৪৫ জন মেনটর নিয়োগ সংক্রান্ত আদেশ ১৩ নভেম্বর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ স্থগিত করেছে। তিনি বলেন, জেলা প্রশাসনে মেনটর নিয়োগ পূর্ব প্রচলিত। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এটা রুটিন কাজ। এ আদেশটি কমিশন অবহিত নয়। ৮ নভেম্বর আদেশটি করেছিল, ১৩ নভেম্বর স্থগিত করেছে। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে ব্রিফিং করার বিষয়টি কমিশন অবহিত নন বলে জানান ইসি সচিব। জেলা প্রশাসক, ডিআইজিসহ মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তা নিয়ে অভিযোগ ও রদবদলের বিষয়টি ঢালাওভাবে আমলে নেওয়া হবে না বলে জানান তিনি। ঢালাও রদবদল প্রস্তাব ইসি গ্রহণ করবে না। অভিযেগ স্পেসিফিক হতে হবে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে হবে মিয়ানমারকে: প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: ঢাকায় নবনিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত উইনি এস্ট্রাপ পিটারসেন রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বাংলাদেশ থেকে ফেরত নিয়ে যাবার জন্য মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, মিয়ানমারের উচিত তাদের রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বাংলাদেশ থেকে ফেরত নিয়ে যাওয়া। ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত আজ সকালে প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁওস্থ কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতকালে এ আহবান জানান। বৈঠকের পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তিনি বলেন, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বাংলাদেশ থেকে ফেরত নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে পুনরায় গুরুত্ব আরোপ করেন। বিপন্ন রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসনে তাঁর সরকারের পদক্ষেপসমূহের উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, রোহিঙ্গাদের অস্থায়ী আবাসনের জন্য তাঁর সরকার নোয়াখালীতে একটি চরের উন্নয়ন ঘটাচ্ছে। দেশের গণতন্ত্রের প্রসঙ্গ উঠলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ভবিষ্যতে দেশে গণতন্ত্রের বিকাশ চাই। উইনি এস্ট্রাপ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের চমকপ্রদ আর্থসামাজিক উন্নয়নের ভূয়শী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, আমি আপনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের বিশেষ করে নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়ে জানতে পেরে আনন্দিত হয়েছি। দেশের উন্নয়নে তাঁর সরকারের নিরন্তর প্রচেষ্টার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে সরকারের ধারবাহিকতা বজায় থাকায় এখন উন্নয়নগুলো দৃশ্যমান হচ্ছে। তিনি বলেন, আমরা জনগণের খাদ্য নিরাপত্তাসহ মৌলিক চাহিদাগুলো নিশ্চিত করতে নিরন্তর প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। শেখ হাসিনা এ সময় তাঁর সরকারের কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং নারীর ক্ষমতায়নের উল্লেখযোগ্য সাফল্যসমূহও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তাঁর সরকারের বিবিধ পদক্ষেপের কারণে দেশের নারী সমাজ এখন দেশের সকল সেক্টরে অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।
বিদেশি টিভি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধের নির্দেশ
অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশে ডাউনলিংকপূর্বক সম্প্রচারিত সব বিদেশি টিভি চ্যানেলে দেশিপণ্যের বিজ্ঞাপন প্রচার অবিলম্বে বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে তথ্য মন্ত্রণালয়। তথ্য মন্ত্রণালয় সম্প্রতি জারিকৃত এক পত্রে বলা হয়েছে- কেবল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইন-২০০৬ এর ধারা ১৯ এর ১৩ উপধারায় বিদেশি টিভি চ্যানেলের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচার সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে ডাউনলিংকপূর্বক সম্প্রচারিত কোনো কোনো বিদেশি টিভি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন প্রচার করা হচ্ছে বলে জানা গেছে, যা এ আইনের পরিপন্থি। বিদেশি টিভি চ্যানেল ডাউনলিংকপূর্বক সম্প্রচারের জন্য প্রদত্ত অনুমতি অথবা অনাপত্তিপত্রে কেবল্ টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইন, ২০০৬ যথাযথভাবে প্রতিপালনের শর্ত আরোপ করা হয়েছে। বিদেশি কোনো টিভি চ্যানেলের মাধ্যমে দেশিপণ্যের বিজ্ঞাপন প্রচার করলে এ আইনের ১১ ধারা মোতাবেক ডিস্ট্রিবিউশন লাইসেন্স বাতিল অথবা স্থগিত এবং ২৮ ধারা মোতাবেক ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।
দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ এবং সহযোগিতা কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে এবং দেশে একটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ এবং সহযোগিতা কামনা করেছেন। আজ দুপুরে ঢাকায় নবনিযুক্ত দক্ষিণ কোরীয় রাষ্ট্রদূত হু ক্যাং-ইল প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁওস্থ কার্যালয়ে তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। খবর বাসসর তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী কোরীয় রাষ্ট্রদূতকে জানান, তাঁর সরকার দেশের তথ্য প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে এবং এ ব্যাপারে দক্ষিণ কোরিয়া সহযোগিতার হাত প্রসারিত করলে কাজটি আরো সহজ হয়। তিনি বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে দক্ষিণ কোরিয়াকে আরও বিনিয়োগের আহ্বান জানান। বাংলাদেশের ক্রমবর্ধিষ্ণু অর্থনীতির ভূয়সী প্রশংসা করে দক্ষিণ কোরিয় রাষ্ট্রদূত বলেন, এটা খুবই প্রশংসার দাবি রাখে যে, বাংলাদেশ বিগত কয়েকবছর যাবত ৬ শতাংশের ওপরে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। এটি একটি বিরাট অর্জন, যোগ করেন তিনি। হু ক্যাং-ইল বলেন, তার দেশ বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতা দানে প্রস্তুত রয়েছে। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সামনে একটি উজ্জ্বল ও ইতিবাচক ভবিষ্যৎ থাকায় আরো কোরীয় বিনিয়োগকারী বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য আসবে।’ রোহিঙ্গা ইস্যুতে রাষ্ট্রদূত বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘ গৃহীত প্রস্তাবে তাদের সমর্থন ব্যক্ত করেছে। আমরা রোহিঙ্গাদের তাদের মাতৃভূমিতে সফল প্রত্যাবাসন প্রত্যাশা করি, যোগ করেন তিনি। রাষ্ট্রদূত এ প্রসংগে বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া ইতোমধ্যে রোহিঙ্গাদের জন্য ৫০ লাখ মার্কিন ডলার সহযোগিতা প্রদান করেছে। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
সংঘর্ষ ও গাড়ি পোড়ানোর ঘটনায় ইসি সচিব-ডিএমপি কমিশনারের শাস্তি দাবি বিএনপির
অনলাইন ডেস্ক: বিএনপির নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মনোনয়ন বিতরণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও গাড়ি পোড়ানোর ঘটনায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া, ইসির যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহম্মদ খান এবং ডিএমপির সংশ্লিষ্ট জোনের উপ পুলিশ কমিশনারের বিচার দাবি করেছে বিএনপি। নির্বাচন কমিশন থেকে আচরণবিধি পালন সংক্রান্ত চিঠির পরই এই ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেছে দলটি। মঙ্গলবার (২০ নভেম্বর) দুপুরে বিএনপি মহাসচিব ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে এই বিচার চাওয়া হয়। বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ওই চিঠিটি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এবং নির্বাচন কমিশন সচিবের কাছে পৌঁছে দেয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন তড়িঘড়ি করে ৮ নভেম্বর তফসিল ঘোষণার পরদিন থেকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ রাস্তা বন্ধ করে যানজট সৃষ্টি করে মনোনয়নপত্র বিতরণ করে। মনোনয়নপ্রত্যাশীরা ঢাকাঢোল পিটিয়ে মোটরসাইকেল, গাড়ি, পিকআপে বিভিন্ন স্থান থেকে ধানমন্ডি যায় এবং রাস্তাঘাট বন্ধ করে মনোনয়ন সংগ্রহ করে। এ ছাড়া নিজেদের প্রার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের জেরে দুজন নিহত হয়। এ সময় পুলিশি তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়নি। অথচ বিএনপির মনোনয়নপত্র বিতরণের সময় বিএনপির কার্যালয়ের সামনে স্বতস্ফূর্ত জনগণের ঢল দেখে নির্বাচন কমিশন সচিব ও ডিএমপি কমিশনারের গায়ে জ্বালা ধরে। কমিশন নড়েচড়ে বসে। কথিত আচরণবিধির নামে খড়গ নেমে আসে বিএনপির ওপর। ইসি সচিব গণমাধ্যমে আচরণবিধি পালনের কঠোর হুমকি নিয়ে আচরণবিধি লঙ্ঘন বলে চিহ্নিত করে। এটি একটি পক্ষপাতমূলক আচরণ। চিঠিতে প্রশ্ন রাখা হয়, গত ১২-১৩ নভেম্বর নজিরবিহীন জনসমাগম সত্ত্বেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেনি, তাহলে কেন ১৪ নভেম্বর এ ধরনের সন্ত্রাসী ঘটনা সংঘটিত হলো? চিঠিতে দাবি করা হয়, এই সন্ত্রাসী হামলায় বিএনপির অনেক নেতা-কর্মী আহত হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ে করা হয়েছে। পুলিশ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে তিনটি মামলায় ৪৭২ জনকে অভিযুক্ত করেছে। ৭০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ৩৮ জন নেতাকর্মীকে রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। তফসিল ঘোষণার পর যেখানে বিএনপি শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল, সেখানে নির্বাচন কমিশন তার চিঠির মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে চরম বিঘ্ন সৃষ্টি, নিরপরাধ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরে সরাসরি ইন্ধন জুগিয়েছে। এ ছাড়া নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের দেয়া বক্তব্য বিভ্রান্তিমূলক এবং ডিএমপি কমিশনার আসাদুজ্জামানের বক্তব্যে ঘটনা সংগঠনের স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায় বলেও মন্তব্য করা হয়েছে চিঠিতে।
বর্ণচোরা-ভণ্ডদের ৩০ ডিসেম্বর ব্যালটের মাধ্যমে প্রত্যাখ্যান করবে জাতি: নাসিম
অনলাইন ডেস্ক: আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ১৪ দলের সমন্বয়ক মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, ড. কামাল হোসেন-মাহমুদুর রহমান মান্নাদের বিএনপির সঙ্গে ঐক্য করাকে জাতির জন্য দুর্ভাগ্যজনক। এসব বর্ণচোরা-ভণ্ডদের ৩০ ডিসেম্বর ব্যালটের মাধ্যমে প্রত্যাখ্যান করবে জাতি। মঙ্গলবার (২০ নভেম্বর) আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠন ও হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে ১৪ দলের মতবিনিময় শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় ১৪ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নাসিম বলেন, ড. কামাল হোসেনরা এক সময় আওয়ামী লীগে ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর সান্নিধ্য পেয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু মন্ত্রীও করেছিলেন। সেই কামাল হোসেন এখন স্বাধীনতাবিরোধীদের জোট সঙ্গীদের সঙ্গে ঐক্য করেছেন। এটি আমাদের জন্য দুর্ভাগ্য নয়, জাতির জন্য দুর্ভাগ্য। তিনি বলেন, আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ এসব বর্ণচোরা ভণ্ডদের ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করবে ব্যালটের মাধ্যমে। নাসিম জানান, বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে ডিসেম্বরে বিজয়ের মাসে প্রতিটি জেলা-উপজেলায় বিজয় মঞ্চ করা হবে।
আমজাদ হোসেনের চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক : বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক আমজাদ হোসেনের চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ মঙ্গলবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন তার দুই ছেলে সাজ্জাদ হোসেন দুদুল, সোহেল আরমান ও পরিচালক এস এ হক। পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে এ খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। আমজাদ হোসেন বর্তমানে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ইমপালস হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। সোমবার বিকেলে চিকিৎসক দলের প্রতিনিধি শহীদুল্লাহ সবুজ সাংবাদিকদের জানান, আমজাদ হোসেনের শারীরিক অবস্থা যা ছিল, এখন তার কিছুটা অবনতি হয়েছে। প্রয়োজনীয় ওষুধ দিয়ে তাঁর রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।
বিতর্কের বাইরে যেতে চাই :ওবায়দুল কাদের
অনলাইন ডেস্ক :আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কোন মন্ত্রী খারাপ বলেন, প্রমাণ করতে হবে তো। তারপরও আমরা বিতর্ক এড়িয়ে যেতে চাই, বিতর্কের বাইরে যেতে চাই। যে দুইজন সাংসদকে নিয়ে বিতর্ক আছে, কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনে আবদুর রহমান বদি ও টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে আমানুর রহমান খান রানা- তাদের মনোনয়ন দেয়া হয়নি। দেখুন একটা সত্যি কথা বলছি। জরিপে টাঙ্গাইলে রানা ও টেকনাফে বদি অনেক এগিয়ে তারপরও তাদের বাদ দেয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজ মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, কক্সবাজারে বদিকে বাদ দিয়ে তার স্ত্রী শাহীনা আক্তার চৌধুরীকে এবং টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে রানার বাবা আতাউর রহমান খানকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। ঘরের সব কী অপরাধী? আপনি অপরাধী হলে আপনার মা-বাবা কে তার ভাগীদার? পরিবারের সবাই কী খারাপ লোক? বদির সম্পর্কে যে বিতর্ক আছে সে কী প্রমাণিত? আপনারা কেউ কী সেটা প্রমাণ করতে পেরেছেন? ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, সময়টা খুব সংবেদনশীল। রাজনৈতিক বিষয়ে আপনাদের সাথে আমার ভিন্নমত থাকতে পারে। কিন্তু তাই বলে কারও বক্তব্য ভিন্নভাবে প্রকাশ করবেন না। বক্তব্য বিকৃত করবেন না।
বহু সংগ্রাম করে আজকের এই অবস্থানে জাপা এসেছে :জাপা মহাসচিব
অনলাইন ডেস্ক :একাদশ জাতীয় নির্বাচনে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্ধারনে যে ধরনের সিদ্ধান্ত নিবেন তা পার্টির সকলে মেনে নিবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার। একই সাথে পার্টির চেয়ারম্যানকে আশ্বস্ত করেছেন, যে কোন সিদ্ধান্তে পার্টির কেউ তাকে (এরশাদ) ছেড়ে যাবেন না। কারণ আপনাকে সবাই বিশ্বাস করেন। মঙ্গলবার জাতীয় পার্টির মনোনয়ন প্রত্যাশিদের সাক্ষাত নেয়ার পূর্বে স্বাগত বক্তব্যে তিনি এভাবে আশ্বস্ত করেন। জাপা মহাসচিব বলেন, বৃহত্তর স্বার্থে মহাজোট কিংবা অন্য কোন জোটে আপনি (এরশাদ) যাবেন কিনা সেটা একান্ত আপনার সিদ্ধান্ত। আপনি নির্ভুল পথে হাঁটছেন। জাতীয় নির্বাচনে জাপা চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্ত অনেক বড় প্রভাব ফেলবে এমন কথা উল্লেখ করে রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, বহু বছর ধরে সংগ্রাম করে আজকের এই অবস্থানে জাপা এসেছে। আপনি (এরশাদ) যে সিদ্ধান্ত নিবেন তা সবাই মেনে নিবে। তিনি জানান, জাপা থেকে ২ হাজার ৮৬৫ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে। তার মধ্যে প্রাথমিক বাছাই করে ৭৮০ জন প্রার্থীর স্বাক্ষাত নেয়া হবে। তিনি আরো জানান, এখান থেকে ৩০০ আসনের প্রার্থী নির্ধারণ হবে। তবে দেশের স্বার্থে এরশাদ যে সিদ্ধান্ত নিবেন তা সবাইকে মেনে নিতে হবে। মহাসচিব বলেন, প্রত্যাশা সবার থাকবে, সবাই দলের হয়ে কাজ করছেন। তবে পার্টি চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্ত সবাইকে মেনে নিতে হবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাপা চেয়ারম্যান হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ, সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদ, কো-চেয়ারম্যান জি এম কাদের প্রমুখ।

জাতীয় পাতার আরো খবর