একনেকে ৯ প্রকল্প অনুমোদন
২৪ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রায় ৪ হাজার ৬১১ কোটি ৬২ লাখ টাকা ব্যয়ে ৯টি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে খরচ হবে ৪ হাজার ৩৬৬ কোটি ১২ লাখ টাকা। বাকি ২৪৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা দেবে সিলেট সিটি কর্পোরেশন। মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগর পরিকল্পনা কমিশনে এনইসির মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী এবং একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এ সভা হয়। সভাশেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান। একনেকে অনুমোদিত ৯ প্রকল্প হলো, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্প যথাক্রমে নারায়ণগঞ্জের খানপুরে অভ্যন্তরীণ কনটেইনার ও বাল্ক টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্প এবং মোংলা বন্দরের আধুনিক বর্জ্য ও নিঃসৃত তেল অপসারণ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সিলেট সিটি কর্পোরেশনের জলাবদ্ধতা নিরসন, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ও অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্প; বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের ফরিদপুর টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট স্থাপন (২য় সংশোধিত) প্রকল্প; প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঢাকা মহানগরী ও পূর্বাচল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন ও অবকাঠামো উন্নয়নসহ দৃষ্টিনন্দনকরণ প্রকল্প; প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মিরপুর সেনানিবাসে ডিএসসিএসসি'র জন্য অফিসার্স মেস ও বিওকিউ নির্মাণ প্রকল্প; প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দেশ-বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ প্রদান প্রকল্প, শিল্প মন্ত্রণালয়ের চামড়া শিল্পনগরী, ঢাকা (৪র্থ সংশোধিত) প্রকল্প; এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের হাওর এলাকার নির্বাচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহের উন্নয়ন প্রকল্প। একনেকসভায় সড়ক ও পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান, তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম, শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, পরিবেশমন্ত্রী মো. শাহাবুদ্দিন, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও সচিব উপস্থিত ছিলেন।
পিইসি পরীক্ষা থাকবে কি-না প্রধানমন্ত্রীর কথা জানালেন পরিকল্পনামন্ত্রী
২৪ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, পরীক্ষা নিতে নিতে শেষ করে দিচ্ছি বাচ্চাদের। খালি পরীক্ষা আর পরীক্ষা। প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, বেশি বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে যে পিইসি পরীক্ষা নেয়া হয়, এটা নিয়ে অনেক আলোচনা হচ্ছে। তিনিও (প্রধানমন্ত্রী) এর সঙ্গে একমত। মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অনুষ্ঠিত ২৩তম জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান। তিনি জানান, পিইসি পরীক্ষা থাকবে কি-না, তা পর্যবেক্ষণে রয়েছে। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, বাচ্চাদের সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী অনেক মন্তব্য করেছেন, আলোচনা করেছেন। (বাচ্চারা) অনেক বেশি বই কাঁধে নিয়ে ঘোরে, কষ্ট হয়। আজকেও বিষয়টি বলেছেন। পরীক্ষা নিতে নিতে শেষ করে দিচ্ছি বাচ্চাদের। খালি পরীক্ষা, খালি পরীক্ষা। উনি মনে করেন, বেশি বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে আরও নতুন নতুন চিন্তাভাবনা করার জন্য। মূল কথা হলো-শিশুদেরকে এই ভার থেকে মুক্ত করতে হবে। তারা যেন খেলাধুলা করতে পারে। শিশুদের বইয়ের ভার কমাও, আনন্দে থাকতে দাও ইত্যাদি। বিষয়টি (পিইসি পরীক্ষা থাকবে কি-না) নিয়ে বিশেষজ্ঞরাও বিভক্ত। কোনো বিশেষজ্ঞ বলে ভালো, কোনো বিশেষজ্ঞ বলে ভালো নয়। এটা আন্ডার রিভিউ (পর্যবেক্ষণে রয়েছে), যোগ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন,হাজারীবাগে যখন সব চামড়ার কারখানা ছিল, তাদের পাশে কিছু লোক ছিল যারা ট্যানারির মালিক না। তারা হাড়-গোড় দিয়ে বাই-প্রোডাক্ট শিল্প বানাত। প্রধানমন্ত্রী বললেন, তারা সাভারে গেছে, সেখানেও তো এটা হবে। তাদের জন্যও তো ব্যবস্থা করা উচিত, তারা যদি ওখানে গিয়ে বাই-প্রোডাক্ট শিল্প গড়তে চায়। বিসিক (বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন) কর্তৃপক্ষ, শিল্পমন্ত্রী, শিল্প সচিব জানিয়েছেন, তারা ইতোমধ্যে জায়গা চিহ্নিত করেছেন। যারা যেতে চায়, তাদের জন্য ব্যবস্থা রাখা হবে। এটা নির্দেশ না, অনুরোধ ছিল। তারা এই কাজটা করবে। কারণ, এর ভালো সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানান পরিকল্পনামন্ত্রী।
ঢাকার পথে ড্রিমলাইনার- অচিন পাখি
২৪ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেডের ২টি নতুন ড্রিমলাইনারের দ্বিতীয়টি- অচিন পাখি ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। ড্রিমলাইনার- অচিন পাখি যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলে অবস্থিত বোয়িং কারখানার এভারেট ডেলিভারি সেন্টার থেকে সোমবার স্থানীয় সময় দুপুর আড়াইটায় এভারেট এয়ার ফিল্ড ত্যাগ করে। আশা করা যাচ্ছে ড্রিমলাইনার- অচিন পাখি তার ১৫ ঘন্টা ৩০ মিনিটের উড়াল শেষে আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে। গত ২০ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় বোয়িং ৭৮৭-৯ সিরিজের ড্রিমলাইনার- অচিন পাখি উড়োজাহাজটিকে বোয়িং কর্তৃপক্ষ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করে। অত্যাধুনিক এই উড়োজাহাজটিতে বিজনেস ক্লাসের ৩০টি, প্রিমিয়াম ইকোনোমি শ্রেণীর ২১টি ও ইকোনোমি শ্রেণীর ২৪৭টি আসনসহ মোট ২৯৮টি আসন রয়েছে।
শুক্রবার আসছে আরও একটি শৈত্যপ্রবাহ
২৪ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মৌসুমের প্রথম শৈত্যপ্রবাহে মানুষের হাড় কাঁপিয়ে অবশেষে দেখা দিয়েছে রোদের ঝিলিক। আজ মঙ্গলবার থেকে শীতের তীব্রতা কমতে শুরু করলেও আগামী শুক্রবার থেকে দেশে ফের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানান, আগামী বুধ-বৃহস্পতিবারের দিকে সারা দেশে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকবে এবং হালকা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তখন আবারও দেশের তাপমাত্রা হ্রাস পেতে পারে। আর আগামী শুক্র-শনিবার থেকে আরও একটি মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এটি দুই থেকে তিনদিন অব্যাহত থাকতে পারে। গত বুধবার রাত থেকে সৃষ্ট শৈত্যপ্রবাহে দেশের উত্তর-দক্ষিণাঞ্চলসহ সারা দেশে শীতের দাপট ছিল। দক্ষিণাঞ্চলের জেলা ফরিদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, বরিশাল, খুলনা ও যশোর, পশ্চিমের জেলা চুয়াডাঙ্গা ও উত্তরের জেলা রাজশাহীতে তীব্র শীতের বেশ প্রভাব ছিল। ওই অঞ্চলে মৌসুমের প্রথম মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেছে। তবে গত রোববার থেকে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। সূত্র: বাসস
নুরের ওপর কেন বারবার হামলা হচ্ছে, প্রশ্ন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
২৪ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুর ও তার সমর্থকদের ওপর কেন বারবার হামলা হচ্ছে তা জানতে চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেছেন, তার (নুর) ওপর কেন বারবার হামলা হচ্ছে, সেটি খতিয়ে দেখা হবে। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ঢাকা ওয়াসার মিলনায়তনে সোভিয়েত অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, আমার নিজেরই প্রশ্ন নুরের ওপর কেন বারবার হামলা হচ্ছে? আপনারা যদি এর কোনো কারণ পান তাহলে আমাকে জানাবেন। তবে নুর কেন বারবার আপনাদের মতে আক্রান্ত হচ্ছে সেটা আমরা দেখবো। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন,আমি মনে করি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেকদিন পর ডাকসু নির্বাচন হয়েছে। ডাকসুর নেতৃত্বে এসেছে নুরুল হক নুর। তাই আমরা মনে করি, ডাকসুকে ধরে রাখতে হবে। ভবিষ্যতে রাজনীতিক এখান থেকে উঠে আসে। আমরা যেভাবে উঠে এসেছি। সেই জায়গা থেকে নেতাদের শূন্যতা আমরা দেখতে চাই না। সেজন্য ডাকসু প্রতিনিধিরা যেন সুন্দরভাবে সুশৃঙ্খল রাজনীতি করে সেটা আমরা প্রত্যাশা করবো। ডাকসু ভিপি নুর এ পর্যন্ত ৯ বার হামলার শিকার হয়েছেন। শুরু থেকে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলে এর পুনরাবৃত্তি হতো না, বিশিষ্টজনদের এমন এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ৯ বার না, দুবার সেটা আমরা জানি না। কিন্তু আমার প্রশ্ন হলো- তার ওপর হামলা হবে কেন? আমি যা বলতে চাচ্ছি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে প্রবেশ করে না। ইউনিভার্সিটির যখন প্রয়োজন হয় প্রক্টর কিংবা ভিসি যদি অনুমতি দেন কিংবা অনুরোধ করেন, তখনই তারা প্রবেশ করে। কাজেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চেয়ে সেখানে এ ধরনের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনই কার্যকর ভূমিকা পালন করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে আপনারা জানেন। ইতিমধ্যে কয়েকজনকে ধরা হয়েছে। এদের মধ্যে যারা অভিযুক্ত কিংবা যাদের ঘটনায় দেখা গেছে তাদের অবশ্যই ধরা হবে।
আমরা সব ধর্মের মানুষের কল্যাণের জন্য দিন রাত কাজ করছি
২৩ডিসেম্বর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা সব ধর্মের মানুষের কল্যাণের জন্য দিন রাত কাজ করছি। বাংলাদেশ এমন একটি দেশ যেখানে সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে। আর সেই সমান অধিকার নিয়েই সবাই থাকবেন, জাতির পিতার এটাই স্বপ্ন। সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) গণভবনে খোলা মাঠে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বড়দিন উপলক্ষে খ্রীষ্টান ধর্মীয় নেতাদের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, প্রত্যেক ধর্মের মানুষ তার নিজের সন্তানের জন্য সম্পদ দিয়ে যেতে পারেন সেই ব্যবস্থা করা হয়েছে। ২০০৯ সালে খ্রিষ্টান ধর্ম কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করা হয়। সেখানেও আমরা সরকারের পক্ষ থেকে ৫ কোটি টাকা দেয়া হয়েছে। ধর্মীয় উৎসব এলে আমরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে আমরা কল্যাণ তহবিল থেকে টাকা দিই। এবারও আমরা টাকা দিয়েছি কিন্তু সেটা কোনো সংগঠনের জন্য নয়। চার্চের মাধ্যমে সেই টাকা বিতরণ হয়। সবাই যেন অন্তত একটু মিষ্টি মুখ করতে পারে। তিনি আরো বলেন, আমরা ২০১২ সালে ট্রাস্ট ফর্ম করে দিয়েছি। আমরা অনুরোধ করব, খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের অনেকেই তো অর্থশালী-সম্পদশালী আছেন, আপনারা কিন্তু অনুদান দিতে পারেন। প্রত্যেকটা ধর্মের জন্যই আমরা এটা করে দিয়েছি। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের করে দিয়েছি। ২০০১ সালের পর বিভিন্ন জায়গায় অনেক হামলা হয়। হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান সবার ওপর জামায়াত-বিএনপি হামলা করেছিলো। যেখানে যেখানে চার্চ ধ্বংস করা হয়েছে সেখানে যথাযথ মেরামতের জন্য আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বাংলাদেশ খ্রিষ্টান অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের (সিএসবি) সভাপতি নির্মল রোজারিও এবং সাধারণ সম্পাদক উইলিয়াম প্রলয় সমাদ্দার। তারা প্রধানমন্ত্রীর হাতে বড়দিনের শুভেচ্ছা কার্ড তুলে দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন- ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আবদুল্লাহ, আর্চবিশপ কার্ডিনাল প্যাট্রিক ডি রোজারিও, অ্যাসোসিয়শনের ভাইস প্রেসিডেন্ট, সংসদ সদস্য জুয়েল আরেং, সংসদ সদস্য গ্রোরিয়া ঝর্ণা সরকার, চার্চ অব বাংলাদেশের মডারেটর বিশপ সুনীল মানকিন, ন্যাশনাল খ্রিষ্টান অ্যাসোসিয়েশনের ফেলোশিপের সভাপতি বিশপ ড. এলবার্ট পি মৃধা, উপাধক্ষ্য রেমন্ড আরেং, বাংলাদেশ খ্রিষ্টান লীগের সাধারণ সম্পাদক ড্যানিয়েল নির্মল ডি কস্টা, সিএসবির যুগ্ম আহ্বায়ক গ্যাব্রিয়েল রোজারিও। পবিত্র বাইবেল থেকে পাঠ করেন বিশপ সুনীল মানকিন। প্রধানমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করেন রেভা. মার্থা দাস, হেমন্ত আই কোড়াইয়া, মিলন আই গমেজ, রবার্ট ফলিয়া।
নতুন মাদ্রসা শিক্ষাবোর্ড আইন মন্ত্রীসভায় অনুমোদন
২৩ডিসেম্বর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নতুন মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড আইন ২০১৯ এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সংবাদ ব্রিফিংয়ে এই অনুমোদনের কথা জানান। দ্য মাদ্রাসা এডুকেশন অর্ডিন্যান্স-১৯৭৮ অনুযায়ী মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের সার্বিক পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রিত হয় জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সুপ্রিম কোর্টের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত ছিল সামরিক শাসনামলের সব আইন বাংলায় করতে হবে, যেগুলো প্রযোজ্য নয় সেগুলো বাতিল করে দিতে হবে। সেই অর্ডিন্যান্সটি যুগোপযোগী করে বাংলায় প্রণয়ন করে নতুন আইন হিসেবে নিয়ে আসা হয়েছে বলে জানান তিনি। আগের আইনে ৪৩টি ধারা ছিল, এখন হলো ৩০টি ধারা। নতুন আইনে কিছু সংজ্ঞা পরিবর্তন করা হয়েছে, নতুন সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে। বোর্ডের সদস্য সংখ্যা ১৩ জনের পরিবর্তে ১৫ জন করা হয়েছে। বিদ্যমান অর্ডিন্যান্সে বোর্ডের কোনো সদস্য সচিব ছিলেন না। খসড়া আইনে রেজিস্ট্রারকে সদস্য সচিব হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। খসড়া আইন অনুযায়ী, বিশেষ জ্ঞান ও দক্ষতা প্রয়োজন হয় এমন কোনো কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য পরামর্শক বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করতে পারবে বোর্ড। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের তহবিলের উৎস হিসেবে সরকারের পূর্ব অনুমোদন নিয়ে বৈদেশিক উৎস থেকে অনুদান গ্রহণ করতে পারবে বলেও বিধান যুক্ত করা হয়েছে নতুন আইনে।
জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ
২৩ডিসেম্বর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ডাকসুতে হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ডাকসু হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক এবং সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। ডাকসুতে যে হামলা হয়েছে তা নিন্দনীয়। হামলার সঙ্গে যারাই জড়িত হোক দলের পক্ষ থেকে এ হামলায় তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। আজ সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সমসাময়িক ইস্যুতে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এ ধরণের ঘটনায় সরকার অবশ্যই বিব্রত হয়। তবে কোনো ঘটনাতেই সরকার নির্বিকার থাকেনি। ঘরের লোক দলের লোকের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। অনুপ্রবেশকারীরাও অনেক সময় অবাঞ্ছিত ঘটনা ঘটায়। সার্বিক বিষয়গুলো সিরিয়াসলি দেখা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ সরাসরি আমাদের দলের সঙ্গে জড়িত নয়। মঞ্চের একজন ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কৃত। এ ধরনের নিন্দনীয় ঘটনা যারা ঘটায় তাদের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বিষয়টা শেয়ার করেছি।
সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য নানা ষড়যন্ত্র করছে
২৩ডিসেম্বর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুরের ওপর হামলাকে দুঃখজনক, অনভিপ্রেত ও অগ্রহণযোগ্য হিসেবে বর্ণনা করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তবে তিনি বলেছেন, ছাত্রদের সম্পৃক্ত বিষয় বাদ দিয়ে ভারতের ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে আন্দোলন করার চেষ্টা ডাকসুর কাজ নয়। ডাকসুর কাজ হচ্ছে ছাত্রদের বিষয় নিয়ে কথা বলা। সেটি না করে ভারতের বিষয় নিয়ে আন্দোলন করার চেষ্টা, বহিরাগতদের নিয়ে ডাকসুতে যাওয়া এবং এই হামলা ঘটানোর জন্য ইন্ধন কি না, তা খতিয়ে দেখার প্রয়োজন রয়েছে। তিনি প্রশ্ন তুলেন, ডাকসু ভিপি কেন বহিরাগতদের নিয়ে ডাকসু ভবনে গেলেন। আজ সোমবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন। হাছান মাহমুদ বলেন, এখানে সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য দেশে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র আছে। রাজনৈতিকভাবে সরকারকে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ এবং যারা দেশের পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে চায়, সেই পক্ষ যৌথভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য, সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য নানা ষড়যন্ত্র করছে। সেই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে এ ধরনের ঘটনা ঘটানো হয়েছে কি না এবং ঘটানোর ক্ষেত্রে কোনো উসকানি ছিল কি না? কারণ, অতীতে দেখা গেছে, ডাকসু ভিপি নুরুল হক এ ধরনের ঘটনার মাধ্যমে আলোচনায় থাকতে চান।

জাতীয় পাতার আরো খবর