তারেক রহমানের বিষয়ে কিছু করার নেই নির্বাচন কমিশনের: হেলালুদ্দিন আহমেদ
অনলাইন ডেস্ক: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলীয় প্রার্থীদের ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সাক্ষাৎকার নেয়ার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কিছু করার নেই বলে জানিয়েছেন ইসি সচিব হেলালুদ্দিন আহমেদ। সোমবার (১৯ নভেম্বর) বিকেলে ইসির এক জরুরি বৈঠক শেষে ইসি সচিব সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। ইসি সচিব বলেন, তারেক রহমানের অনলাইন কার্যক্রম আচরণবিধি লঙ্ঘনের মধ্যে পড়ে না। রাজধানীর পল্টনের ঘটনায় ফৌজদারি অপরাধ হয়েছে, এ ঘটনা তদন্তাধীন। তদন্ত চলতে আপত্তি নেই। ইসি সচিব হেলালুদ্দিন আহমেদ বলেন, আওয়ামী লীগ তারেক রহমানকে নিয়ে যে অভিযোগ দিয়েছিল সেটা নিয়ে ইসি সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। অনলাইনে মনোনয়ন সাক্ষাৎকার গ্রহণ করছেন তারেক রহমান। আচরণ বিধিমালা অনুযায়ী তিনি দেশে নেই, তাই আচরণ বিধিমালা উনার জন্য প্রযোজ্য হবে না। কিন্তু যেহেতু হাইকোর্টের একটি নির্দেশনা রয়েছে, সেই নির্দেশনা পালন করা সবার দায়িত্ব। কমিশনে আজকের এ জরুরি বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা।
বিএনপির নির্বাচনী প্রতীক ধানের শীষের নাম সংশোধন চেয়ে হাইকোর্টে রিট
অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নির্বাচনী প্রতীক ধানের শীষের নাম সংশোধন চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রিটকারী আইনজীবী হারুন উর রশীদ। হারুন সাংবাদিকদের বলেন, প্রতীকের সঙ্গে ধানের শীষের ছবির মিল না থাকায় রিটটি দায়ের করেছি। বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আবেদনটির শুনানি হতে পারে। বিএনপি যে প্রতীকে নির্বাচন করছে তা ভুল। কেননা, তারা বলছে ধানের শীষ কিন্তু ছবিতে দেখা যাচ্ছে ধানের ছড়া। অর্থাৎ ছবির সঙ্গে প্রতীকের নামের কোন মিল নেই। কেননা, ধানের শীষ আর ধানের ছড়া একই বিষয় না। বিএনপির প্রতীক হচ্ছে ধানের ছড়া। তাই তাদের প্রতীক ঠিক থাকবে কিন্তু ধানের শীষের পরিবর্তে লিখতে হবে ধানের ছড়া। এই আইনজীবী জানান, ১৯৯১ সালেও এই ভুলটি তিনি বিএনপির দৃষ্টিগোচর করেছিলেন। তবুও ভুলটি তারা সংশোধন করেনি। তাই প্রতিকার চেয়ে তিনি রিট আবেদন করেছেন। আইনজীবীর রাজনৈতিক পরিচয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে এই আইনজীবী বলেন, আমার কোন রাজনৈতিক পরিচয় নেই। আমি রাজনীতি করি না। আমি একজন আইনজীবী।
নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলার রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ
অনলাইন ডেস্ক: নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলায় ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ হয়েছে। এর ফলে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়েছে। গতকাল সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ১৫৬৪ পৃষ্ঠার এই রায় প্রকাশ করা হয়। গত ১৫ নভেম্বর রায় প্রদানকারী বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম মামলার রায়ে সই করেন। আইনজীবীরা জানান, এই রায় প্রকাশের মধ্য দিয়ে মামলাটি চূড়ান্ত মীমাংসার পথে এগিয়ে গেল। এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের মীসাংসার পর রিভিউ আবেদনের সুযোগ আছে। সেখানেও কেউ দণ্ডিত হলে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার সুযোগ পাবে। গত বছরের ২২ আগস্ট সাত খুন মামলায় নূর হোসেন, তারেক সাঈদ, আরিফ হোসেন, মাসুদ রানাসহ ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে। তবে বিচারিক আদালতে ফাঁসির দণ্ড পাওয়া ১১ জনকে দেয়া হয় যাবজ্জীবন দণ্ড। নিম্ন আদালতে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত ৯ জনের দণ্ডও বহাল রাখে উচ্চ আদালত। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন: এমদাদুল হক, আরিফ হোসেন, হীরা মিয়া, বেলাল হোসেন, আবু তৈয়ব, শিহাব উদ্দিন, পুর্নেন্দু বালা, আব্দুল আলীম, মহিউদ্দিন মুন্সী, তাজুল ইসলাম ও আল আমিন। মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে যাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে তারা হলেন- আসাদুজ্জামান নূর, এনামুল কবীর, মর্তুজা জামান চার্চিল, আলী মোহাম্মদ, মিজানুর রহমান দিপু ওরফে মিজান, রহমত আলী, আবুল বাসার, সেলিম, সানাউল্লাহ ওরফে সানা, শাহজাহান ও জামাল উদ্দিন। গত বছরের ৩০ ও ৩১ জানুয়ারি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নূর হোসেন, তারেক সাঈদসহ আসামিরা খালাস চেয়ে হাইকোর্টে আপিল করেন। এর আগে ওই বছরের ১৬ জানুয়ারি সাত খুনের মামলায় নূর হোসেন, তারেক সাঈদসহ ২৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। বাকি নয় আসামির সবাইকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়। ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড থেকে অপহৃত হন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাত জন। তিন দিন পর শীতলক্ষ্যা নদীতে একে একে ভেসে ওঠে ছয়টি লাশ। পরের দিন মেলে আরেকটি লাশ। নিহত অন্যরা হলেন: নজরুলের বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন, গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম ও চন্দন সরকারের গাড়িচালক মো. ইব্রাহিম। ঘটনার একদিন পর কাউন্সিলর নজরুলের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত নেতা নূর হোসেনসহ ছয় জনের নাম উল্লেখ করে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা করেন।
মাদার অব হিউম্যানিটি সমাজকল্যাণ পদক নীতিমালা, ২০১৮ এর খসড়া অনুমোদন
অনলাইন ডেস্ক: পাঁচটি ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে মাদার অব হিউম্যানিটি সমাজকল্যাণ পদক দেবে সরকার। এজন্য মাদার অব হিউম্যানিটি সমাজকল্যাণ পদক নীতিমালা, ২০১৮ এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার সচিবালয়ে বর্তমান সরকারের মন্ত্রিসভার ২০০তম বৈঠকে এ সংক্রান্ত একটি নীতিমালার অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. শফিউল আলম বলেন, প্রতিবছর ৫ ক্যাটাগরিতে ৫ ব্যক্তি অথবা সংস্থাকে দেয়া হবে এ পদক। এজন্য বৈঠকে মাদার অব হিউম্যানিটি সমাজকল্যাণ পদক নীতিমালা-২০১৮ এর খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। প্রতিবছর ২রা জানুয়ারি সমাজকল্যাণ দিবস পালন করা হবে। ওই দিনই এ পুরস্কার দেয়া হবে। পাঁচ ক্যাটাগরির মধ্যে রয়েছে: ১. বয়স্কা, বিধবাদের জন্য কাজ করা ব্যক্তি বা সংস্থা। ২. স্বামী নিগৃহীতা, সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে কাজ করা ব্যক্তি বা সংস্থা। ৩. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কল্যাণে কাজ করা ব্যক্তি বা সংস্থা। ৪. সমাজের সুবিধাবঞ্চিত কয়েদিদের আইনগত সুবিধা দেয়া ব্যক্তি বা সংস্থা। ৫. সমাজের কোনো ব্যক্তি মানবকল্যাণ বা মানবতাবোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে কোনো কাজ করলে। তিনি আরও জানান, পুরস্কার হিসেবে দেয়া হবে ১৮ ক্যারেটের ২৫ গ্রাম স্বর্ণ সম্বলিত ক্রেস্ট, একটি রেপ্লিকা স্মারক, ২ লাখ টাকা করে চেক এবং একটি সম্মাননা ক্রেস্ট। জেলা ও জাতীয় পর্যায় থেকে এ পুরস্কারের মনোনয়ন ও বাছাই করা হবে।
আওয়ামী লীগের প্রার্থী চূড়ান্ত, চিঠি দেবে চূড়ান্ত প্রার্থীদের
অনলাইন ডেস্ক :আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থীদের চিঠি দেবে আওয়ামী লীগ। আর এই চিঠি ইস্যুর করতে গতকাল রবিবার থেকেই কাজ শুরু করেছেন দলটির দফতর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ। এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র জানায়, আজ (সোমবার) সন্ধ্যা ৭টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে সংসদীয় বোর্ডের শেষ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় বাকি প্রার্থীদের মনোনয়ন তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। সূত্র আরও জানায়, ইতিমধ্যে অনুষ্ঠিত সংসদীয় বোর্ডের সভায় চূড়ান্ত প্রার্থীদের তালিকা দপ্তর সম্পাদকের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অতি গোপনীয়তার সঙ্গে দলের দপ্তর সম্পাদক সার্বিক কাজ শেষ করে সোমবার সংসদীয় বোর্ডের সভাপিত শেখ হাসিনার স্বাক্ষর নেবেন। এরপর মনোনীত প্রার্থীদের কাছে চিঠি পাঠানো হবে। আরো জানা গেছে, মনোনীত প্রার্থীদের চিঠি ইস্যুর বিষয়টি সম্পন্ন হওয়ার পর দলীয় প্রার্থীদের নামের তালিকা একযোগে ঘোষণা করা হবে।
আলোকচিত্রী ড. শহিদুল আলমের জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন
অনলাইন ডেস্ক: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় আলোকচিত্রী ড. শহিদুল আলমকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। আজ রোববার অ্যাডভোকেট সুফিয়া খাতুন জানান, শহিদুল আলমের জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। আজ দুপুরে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতির আদালতে স্থগিত আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে। গত ১৫ নভেম্বর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় আলোকচিত্রী ড. শহিদুল আলমকে জামিন দেন হাইকোর্ট। তার জামিন বিষয়ে রুল যথাযথ ঘোষণা করে বিচারপতি শেখ আব্দুল আউয়াল ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতে শহিদুল আলমের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সারা হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ফজলুর রহমান খান। ৬ নভেম্বর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় আলোকচিত্রী ড. শহিদুল আলম হাইকোর্টে পুনরায় জামিন আবেদন করেন। ২৯ অক্টোবর শহিদুল আলমের জামিন আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ দেন বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ। ২৯ অক্টোবর নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনের সময় আল-জাজিরা টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারিত আলোকচিত্রী ড. শহিদুল আলমের সাক্ষাৎকারের ভিডিও ফুটেজ দাখিল করতে বলেন হাইকোর্ট। ৭ অক্টোবর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় আলোকচিত্রী ড. শহিদুল আলমকে কেন জামিন দেওয়া হবে না,তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছন হাইকোর্ট। গত ১৮ অক্টোবর ২য় বারের মতো ড. শহিদুল আলম হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন। ৪ সেপ্টেম্বর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় আলোকচিত্রী শহিদুল আলমের জামিন আবেদন শুনতে বিব্রতবোধ করেন হাইকোর্টের আরেকটি বেঞ্চ। গত ১২ আগস্ট তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় আলোকচিত্রী শহিদুল আলমকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। ৬ আগস্ট রমনা থানায় করা মামলায় শহিদুল আলমের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার পুরো দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের: কাদের
অনলাইন ডেস্ক: জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার পুরো দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। শনিবার (১৭ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর গুলশানে এক আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি একথা জানান। দুই একদিনের মধ্যে আওয়ামী লীগের এবং এক সপ্তাহের মধ্যে শরিক দলের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হবে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, আজকালের মধ্যে আওয়ামী লীগ ৩০০ আসনের মনোনয়ন চূড়ান্ত করবে। শরিকদের ৬৫ থেকে ৭০টি আসন দেওয়া হবে। এক সপ্তাহের মধ্যে কোনো দলকে কত আসন দেওয়া হবে তা চূড়ান্ত করা হবে। তবে শরীক দলের প্রার্থী যদি বিজয় নিশ্চিত করতে পারে তাহলে সেসব আসনও ছেড়ে দেবে আওয়ামী লীগ। এসময় তিনি বলেন, বিদেশে লবিস্ট নিয়োগ করে নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে বিএনপি সংশয় সৃষ্টি করছে। এছাড়া সম্প্রতি নয়াপল্টনে তাদের সহিংস আচরণও ইঙ্গিত দেয় নির্বাচনে তাদের ভূমিকা কী হবে? এ সময় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে একটি সাম্প্রদায়িক জোট বলেও আখ্যা দেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।
কোনো প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন চায় না: ইসি শাহাদাত
অনলাইন ডেস্ক: কোনো প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন চায় না ইসি, নিরপেক্ষতার ব্যাপারে কোনো ছাড় দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার শাহাদাত হোসেন। শনিবার সকালে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে এক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, যার যার অবস্থান থেকে আমাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে। এ নির্বাচন যাতে গ্রহণযোগ্য হয়, সে ব্যাপারে সবাইকে সচেষ্ট থাকতে হবে। এর আগে নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম শুক্রবার বলেছেন, পৃথিবীর কোথাও শতভাগ সুষ্ঠু নির্বাচন হয় না। তবে আমরা একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে চাই, যা নিয়ে কারও প্রশ্ন থাকবে না। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনকে জবাবদিহি করতে হয় জনগণের কাছে। সুতরাং এমন কোনো নির্বাচন তারা করতে চান না, যার জন্য জনগণের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়।

জাতীয় পাতার আরো খবর