নেতাপুত্রদের বিরুদ্ধে অভিযোগ: তদন্তের নির্দেশ
২৬সেপ্টেম্বর,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগে চলমান শুদ্ধি অভিযানে শুধু আওয়ামী লীগ বা তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা নন, আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মীর পুত্রদের বিরুদ্ধেও অনেক অভিযোগ উঠেছে। এই পুত্রদের বিরুদ্ধেও একই রকমভাবে টেন্ডারবাজি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দলীয় প্রভাব খাটিয়ে অন্যের সম্পত্তি দখলসহ নানারকম অভিযোগ এসেছে। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এ সমস্ত অভিযোগের সারসংক্ষেপ দিয়েছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। জানা গেছে যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদেশ সফরে যাওয়ার আগেই এই অভিযোগগুলো আরও খতিয়ে দেখে সুর্নির্দিষ্টভাবে তদন্তের নির্দেশ দিয়ে গেছেন। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সূত্রে জানা গেছে যে এইসব অভিযোগগুলো তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তের পর যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলোর প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যাবে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আওয়ামী লীগের একজন দায়িত্বশীল নেতা বলেছেন যে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর আগে আওয়ামী লীগকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের আওয়ামী লীগ, দুর্নীতিমুক্ত, কলুষমুক্ত আওয়ামী লীগ হিসেবে গড়ে তুলতে চান। এজন্যই তিনি এই শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছেন। এখানে কারো প্রতি কোনো ক্ষোভ বা আক্রোশ নয়, বরং যারা দলের পরিচয় বহন করে অনিয়ম এবং বিশৃঙ্খলা করেছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াই এই শুদ্ধি অভিযানের মূল লক্ষ্য। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সেতুমন্ত্রী বলেছেন, দলের পরিচয় ব্যবহার করে যারা অনৈতিক কর্মকাণ্ড করবে তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে- এটাই হলো নির্দেশনা। সে যেই হোক, সেটা দেখার বিষয় নয়। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, সাত নেতার পুত্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত করছে তারা। এদের মধ্যে একজন সাবেক মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট নেতা। তার প্রবাসী পুত্রের বিরুদ্ধে টেন্ডারে প্রভাব বিস্তার করা, মন্ত্রণালয়ের ক্রয়কাজে হস্তক্ষেপ করে বিপুল অর্থগ্রহণের অভিযোগ রয়েছে। ২০০৯ সালে একজন মন্ত্রী, যার পুত্র ছাত্রলীগ করতো, তার বিরুদ্ধে একটি হোটেল দখলের চেষ্টাসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। ২০১৪ সালের মন্ত্রিসভায় দুজন মন্ত্রীর পুত্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। উত্তরাঞ্চলের একজন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী তৎপরতায় জড়িত থাকা, চাঁদাবাজির সুর্নির্দিষ্ট অভিযোগ উঠেছে। অন্য একজন মন্ত্রীপুত্রের বিরুদ্ধে টেন্ডারে হস্তক্ষেপ এবং প্রভাব খাটিয়ে অন্যের জমি দখলের অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে এদের একজনের পুত্রের বিরুদ্ধে ১৯৯৬ সালেও একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। বর্তমানে এমপি, এরকম ৩ জনের পুত্রের বিরুদ্ধে সুর্নির্দিষ্ট কিছু অভিযোগ উঠেছে। এদের মধ্যে এরকম একজন এমপির পুত্রের বিরুদ্ধে অন্যের জায়গা দখলের অভিযোগ রয়েছে। একজনের এমপির পুত্রের বিরুদ্ধে রয়েছে সরকারি কাজে বাধাদানের অভিযোগ। আর সন্ত্রাসী তৎপরতা চালানোর অভিযোগ রয়েছে তিনজনের বিরুদ্ধেই। আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র বলছে যে, শুদ্ধি অভিযান ধাপে ধাপে পরিচালিত হবে। একসঙ্গে সবাইকে গ্রেপ্তার করা বা একসঙ্গে বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করে জনমনে যেন আতঙ্ক সৃষ্টি না হয়, সে ব্যাপারে সজাগ দৃষ্টি রাখা হচ্ছে। এই অভিযানের মাধ্যমে একটি সুস্পষ্ট বার্তা দেওয়া হবে যে, যারা ভালো তাদের আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই, তাদেরকে কোনোরকম হয়রানিও করা হবে না। সেজন্য জরুরি অবস্থায় বা অনির্বাচিত সরকাররা যেভাবে অভিযান পরিচালনা করেছিল, সেই অভিযানগুলোর সঙ্গে এই অভিযানের একটি মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। এই অভিযানগুলো গ্রহণ করা হবে ধীরে ধীরে এবং পর্যায়ক্রমে। তবে যে রোডম্যাপ তৈরি করা হয়েছে সেই রোডম্যাপ অনুযায়ীই কাজ এগোবে।
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে মিয়ানমারকে বৈষম্য ত্যাগ করে রাজনৈতিক সদিচ্ছা দেখানোর আহবান হাসিনার
২৫সেপ্টেম্বর,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রোহিঙ্গা বিষয়ক এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে নতুন প্রস্তাব দেয়ার কথা জানিয়ে বলেন, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭২তম অধিবেশনে আমি চারটি প্রস্তাব দিয়েছিলাম। যেখানে কফি আনান কমিশনের সুপারিশগুলোর সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন, রাখাইন রাজ্যে আলাদা বেসামরিক পর্যবেক্ষিত সেইফ জোন প্রতিষ্ঠার কথা অন্তর্ভুক্ত ছিলো। মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় বিকেলে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ওআইসি সেক্রেটারিয়েট ও জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন আয়োজিত রোহিঙ্গা সংকট: উত্তরণের উপায় শীর্ষক উচ্চ পর্যায়ের এক সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমি নিম্নলিখিত বিষয়গুলো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে (ইউএনজিএ) উপস্থাপন করব। সময় টিভি ১. রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবর্তন বিষয়ে মিয়ানমারকে অবশ্যই তাদের রাজনৈতিক ইচ্ছে পরিষ্কার করতে হবে। এজন্য রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ কী করছে সেটাও সুস্পষ্টভাবে বলতে হবে। ২. বৈষম্যমূলক আইন ও চর্চা পরিত্যাগ করতে হবে এবং রোহিঙ্গা প্রতিনিধিদের উত্তর রাখাইন রাজ্যে যাও এবং দেখ এই নীতিতে পরিদর্শনের অনুমতি দিয়ে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই তাদের মধ্যে আস্থা তৈরি করতে হবে। ৩. রাখাইন রাজ্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বেসামরিক পর্যবেক্ষক মোতায়েন করে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই রোহিঙ্গাসহ সবার নিরাপত্তা ও সুরক্ষার নিশ্চয়তা (গ্যারান্টি) দিতে হবে। ৪. আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবশ্যই রোহিঙ্গা সংকটের মূল কারণগুলো বিবেচনায় নিতে হবে এবং রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত নৃশংসতার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। দুই বছরেও রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান না হওয়ায় আন্তর্জাতিক আদালতে মিয়ানমারের বিচার দাবি করেছে ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা-ওআইসি। দ্রুততম সময়ে নাগরিকত্ব দিয়ে তাদের ফেরানোর তাগিদ দিয়েছেন মুসলিম বিশ্বের নেতারা। আলোচনায় অংশ নিয়ে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহথির মোহাম্মদ সঙ্কট সমাধানে মিয়ানমারের আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, তারা যে অপরাধ করেছে তা কোনোভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। তারা বার বার ওয়াদার বরখেলাপ করেছে। তাই তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। তাদের বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে। রাখাইনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর হত্যাকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা করে ওআইসি মহাসচিব ড. ইউসুফ বিন আহমেদ আল ওথাইমিন দোষীদের বিচারের তাগিদ দেন। তিনি বলেন, এটা আমাদের আছে স্পষ্ট যে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে মিয়ানমার কোনো উদ্যোগই নেয়নি। তারা বিশ্ব নেতাদের চাওয়াকে অবজ্ঞা করেছে। জাতিসংঘ কিছু উদ্যোগ নিলেও তা এখনো সফল হয়নি। অনুষ্ঠানে সৌদি আরব ও তুরস্কসহ মুসলিম দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ব্রিটেন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশের প্রতিনিধিরা সংকটের টেকসই সমাধানে মিয়ানমারকে তাগিদ দেন। রোহিঙ্গা ইস্যুতে উচ্চপর্যায়ের এ সভার আগে জাতিসংঘ মহাসচিবের দেয়া মধ্যাহ্ন ভোজে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে অ্যান্তোনিও গুতেরেস, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও শেখ হাসিনা একই টেবিলে বসেন। এ সময় তাদের মধ্যে কুশল বিনিময় ছাড়াও ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। পরে সন্ধ্যায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেয়া নৈশভোজেও অংশ নেন শেখ হাসিনা।
ভ্যাকসিন হিরো পুরস্কার পেলেন শেখ হাসিনা
২৪সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: টিকাদান কর্মসূচিতে বাংলাদেশের সফলতার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভ্যাকসিন হিরো পুরস্কার দিয়েছে গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনেশন এবং ইমিউনাইজেশন (জিএভিআই)। এক প্রতিক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী এই পুরস্কার দেশবাসীর প্রতি উৎসর্গ করেছেন। স্থানীয় সময় সোমবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে ইমিউনাইজেশনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের স্বীকৃতি শীর্ষক অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনাকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর হাতে পুরস্কার তুলে দেন জিএভিআই বোর্ড সভাপতি ড. এনগোজি অকোনজো ইবিলা এবং সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেথ ফ্রাংকলিন বার্ক্লে। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। উল্লেখ্য, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৪তম অধিবেশনে যোগদানের জন্য আটদিনের সফরে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর ইউএনজিএ ৭৪তম বার্ষিক অধিবেশনে তিনি ভাষণ দেবেন।
ধরা পড়া সবাই একসময় যুবদল-বিএনপি করত
২৩সেপ্টেম্বর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম বলেছেন, চলমান ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে ধরা পড়া সবাই একসময় যুবদল, বিএনপি, জামায়াত অথবা শিবির করত। রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির প্রচার ও প্রকাশনা উপকমিটির সভা পূর্বে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে যাদের ধরা হয়েছে তারা সবাই অনুপ্রবেশকারী। আপনারা জানেন যে, আমাদের দলে দীর্ঘদিন থেকে একটি দাবি উঠছিল এসব অনুপ্রবেশকারীরা আমাদের ভয়ানক ক্ষতি করছে। তাদের এখন আমরা চিহ্নিত করেছি। চিহ্নিত করে দেখা যাচ্ছে সবাই একসময় হয় যুবদল করত, না হলে বিএনপি করত, না হলে জামায়াত-শিবিরের সদস্য ছিল। এইচ টি ইমাম বলেন, কাজেই এদেরকে খুঁজে খুঁজে যেহেতু আমরা বের করে ফেলেছি, এ জন্য তাদের পক্ষ হয়ে এতদিন যারা কাজ করছিল তারা চিহ্নিত হয়ে গেছে। তাদের গাত্রদাহটা ওইখানে। তিনি বলেন, এখন তো ইনভেস্টিগেশন হচ্ছে, এদের রিমান্ডে দেয়া হয়েছে। রিমান্ডে দেয়ার পর তথ্য পাওয়া যাবে। সে সব তথ্য নিয়ে বিচার করা হবে যে, কার কার কোথায় সম্পৃক্ততা আছে। এইচ টি ইমাম আরো বলেন, আমাদের সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনা নিজেও বলেছেন এবং আমাদের সাধারণ সম্পাদক বার বার বলেছেন যে, কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। সে যে পর্যায়েরই হোক না কেন। অতএব এই যে আমাদের নীতি এখানে খুব পরিষ্কার। আমরা পরিচ্ছন্ন রাজনীতিতে বিশ্বাস করি। আমরা দলকে পরিচ্ছন্ন করতে চাই। সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমীন, উপ-কমিটির সদস্য ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, সংসদ সদস্য শেখ সারহান নাসের তন্ময়, প্রধানমন্ত্রীর সহকারী আশরাফ সিদ্দিকী বিটু, আনিস আহম্মেদ প্রমুখ।
নদী রক্ষায় সচেতনতা বাড়াতে আজ পালিত হচ্ছে- বিশ্ব নদী দিবস
২২সেপ্টেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রতি বছর সেপ্টেম্বরের চতুর্থ রোববার বিশ্বব্যাপী পালিত হয়ে আসছে দিবসটি। এবারে দিবসটির প্রতিপাদ্য হলো- নদী একটি জীবন্ত সত্তা, এর আইনি অধিকার নিশ্চিত করুন। সূত্র: জাগো নিউজ এদিকে ঢাকাসহ দেশের বেশিরভাগ নদ-নদী এখন দখলদারদের কবলে। ভয়ানক দূষণের শিকার প্রতিটি নদী। নানা কারণে মরতে বসেছে দেশের নদ-নদী। পাথর ও বালু উত্তোলনের কারণে অনেক নদী ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সরকারি হিসাবে নদী দখলের সঙ্গে প্রায় ৪৭ হাজার ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান জড়িত। যদিও বাস্তবে এ সংখ্যা লক্ষাধিক। দখলবাজরা পানি প্রবাহে বাধা দিয়ে করছে মাছ চাষ। তারা দখল করেছে নদীর দুই পাড়। এমনকি প্রবহমান নদীর পানিতে বাঁশ-কাঠের মাচা তুলে বানিয়েছে ঘরবাড়ি-দোকানপাট। অনুসন্ধানে জানা গেছে, ঢাকার টঙ্গী থেকে সদরঘাট হয়ে ডেমরার সুলতানা কামাল ব্রিজ পর্যন্ত বুড়িগঙ্গা, তুরাগ ও বালু নদ দূষণে জড়িত ১২০ প্রতিষ্ঠান। নারায়ণগঞ্জে নদী দূষণের তালিকায় রয়েছে ৭৪টি প্রতিষ্ঠান। এদিকে দূষণকারীদের মধ্যে একক প্রতিষ্ঠান হিসেবে শীর্ষে রয়েছে ঢাকা ওয়াসা। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, প্রতিদিন নদীতে ২২৫ কোটি লিটার পয়ঃবর্জ্য ফেলছে ঢাকা ওয়াসা। নদী ও পরিবেশবাদী সংগঠনের নেতারা বলেছেন, বাস্তবে ঢাকার চারপাশের চার নদী এবং নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীর অবস্থা আরও করুণ। আর সারা দেশে দূষণের চিত্র ভয়ঙ্কর ও চরম উদ্বেগজনক। ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের হালনাগাদ করা তথ্য অনুযায়ী- ৬২ জেলায় নদী দখলবাজের সংখ্যা ৪৬ হাজার ৮৩৯ জন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দখলবাজ কুমিল্লা জেলায়। এর সংখ্যা ৫৯০৬ জন। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে আছে নোয়াখালী ও কুষ্টিয়া। এর সংখ্যা যথাক্রমে ৪৪৯৯ ও ৩১৩৪ জন। ঢাকায় এ সংখ্যা ৯৫৯ জন। তালিকা হলেও দখলবাজদের উচ্ছেদ-অভিযান খুব একটা হয় না। বিশেষ করে ঢাকার বাইরে নদী-দখলবাজ উচ্ছেদে অভিযান নেই বললেই চলে। ঢাকায় মাঝে-মধ্যে ঢাক-ঢোল পিটিয়ে অভিযান শুরুর পর অদৃশ্য কারণে তা স্থায়ী হয় না। সংসদীয় স্থায়ী কমিটিকে দেয়া নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদনে ধারাবাহিক উচ্ছেদ অভিযান পরিচালানোর কথা জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়- ২০১০ থেকে ২০১৯ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের দুই পাশে ১৬ হাজার ২২৫টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এর মধ্যে পাকা ২ হাজার ৫৭৭টি, আধাপাকা ১ হাজার ৬৯৬টি ও অন্যসব স্থাপনা ১১ হাজার ৯৫২টি। উদ্ধার হওয়া তীরভূমি ও জায়গার পরিমাণ ৬০১ দশমিক ৩২ একর। উচ্ছেদ চালানোর সময়ে ঢাকা নদী বন্দরে ৪১ লাখ ২৪ হাজার ৫০০ টাকা এবং নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরে ২১ লাখ ৯৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এর মধ্যে চলতি বছরে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে ৩ হাজার ২০০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও ৯১ একর ভূমি উদ্ধার করা হয়। নদী দিবস সামনে রেখে গতকাল (শনিবার) রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর নদী রক্ষায় পদক্ষেপ নেয়। কিন্তু বিভিন্ন কারণে সেই উদ্যোগ ব্যাহত হয়। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কঠোর অবস্থানের কারণে নদী রক্ষাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেয়া হয়েছে। সেই চ্যালেঞ্জ প্রতিহত করতে দখলদাররা নানাভাবে চেষ্টা করছে। আইনিভাবে কেউ যাতে এ কাজে বাধা দিতে না পারে, সেই লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে। নদী আন্দোলনের সঙ্গে সরকার নিজেই সম্পৃক্ত। সুতরাং এ আন্দোলন সফল হবে। সংশ্লিষ্টরা জানান, নদীর সংকটে পড়ার আরেকটি বড় কারণ দূষণ। ঢাকার চারপাশের চার নদী, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, নরসিংদী, মুন্সীগঞ্জের বিভিন্ন নদ-নদীর দূষণ সীমাহীন। মাত্রাতিরিক্ত দূষণে সদরঘাটের বুড়িগঙ্গার পানি কুচকুচে কালো, হাজারীবাগের পানি রক্তের মতো লাল। তুরাগের পানি কোথাও কালো, কোথাও গাঢ় নীল। বালু নদের পানি ধূসর বর্ণ ধারণ করেছে। জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেন, সারা দেশের নদ-নদী দখলমুক্ত করার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে অবৈধ দখলদারদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এ তালিকা ধরে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে। এ লক্ষ্যে এক বছর মেয়াদি ক্র্যাশ প্রোগ্রাম নেয়া হয়েছে। ক্র্যাশ প্রোগ্রামের মধ্যে রয়েছে- নদীর অবৈধ দখল উচ্ছেদ, নদীর সীমানা চিহ্নিত করা, মরা নদীর জমি চিহ্নিত করতে জরিপ করা ও জমি সংরক্ষণ করা, নদীর জমি লিজ দেয়া হলে এবং ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামে নদী রেকর্ড হয়ে থাকলে তা বাতিল করা।
কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের চেয়ারম্যান ফিরোজ আটক
২০সেপ্টেম্বর,শুক্রবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: এবার রাজধানীর ধানমণ্ডি কলাবাগান ক্রীড়াচক্রে ক্যাসিনোর সন্ধানে অভিযানে নেমেছে Rapid Action Battalion(Rab)। ক্রীড়াচক্রের চেয়ারম্যান শফিকুল আলম ফিরোজকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য নিয়ে গেছে Rab। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সেখানে শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে এ অভিযান শুরু করে Rab-২। অভিযানের নেতৃত্বে Rab-২ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ। এর আগে কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের চেয়ারম্যান এবং কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ও বায়রার সিনিয়র সহসভাপতি শফিকুল আলম ফিরোজকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য নিয়ে গেছে Rab। শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে শফিকুল আলমকে Rab হেফাজতে নেয়া হয়। জানা গেছে, আজ বিকেল থেকে পুরো এলাকা ঘিরে রেখেছে Rab। অভিযানে চলাকালে ভেতরের কাউকে বাইরে আসতে দেয়া হচ্ছে না। আর বাইরের কোনো লোকজনকে ভেতরেও প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না। Rab সূত্র জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে Rab জানতে পারে কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের এই ক্লাবে ক্যাসিনো ও জুয়া আসর চলছে। এ খবর পেয়েই সেখানে অভিযান চালানো হচ্ছে।
গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টে কালো তালিকাভুক্ত ২৭ এমপি,অভিযান যে কোন সময়
২০সেপ্টেম্বর,শুক্রবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিভিন্ন অপরাধ এবং অনৈতিক তৎপরতার সঙ্গে যুক্ত ২৭জন এমপিকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এরা দলের জন্য ক্ষতিকর। এমপি হয়ে এরা সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজির সঙ্গে জড়িত বলে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছেছে। প্রধানমন্ত্রী তাঁর নিজস্ব টীম দিয়ে এই অভিযোগগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখছেন। ধারণা করা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী ফিরে আসার পর এমপিদের বিরুদ্ধেও এই ক্রাশ প্রোগ্রাম অব্যাহত করা হবে। শুধু ছাত্রলীগ, যুবলীগ নয়, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এমনকি মন্ত্রী, এমপিদেরও অপকর্মের তদন্ত করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল সূত্র বলছে যে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা এবং প্রধানমন্ত্রীর একটি নিজস্ব টীম এই কাজ প্রায় সম্পন্ন করে ফেলেছে।সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে যে, এই ২৭জন এমপির মধ্যে ঢাকার এমপি অন্তত তিনজন। এদের একজনের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে শ্মশানঘাটের জমি দখল করার অভিযোগ রয়েছে। আরেক এমপির বিরুদ্ধে রয়েছে টেন্ডারবাজিসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসীদের লালন পালনের অভিযোগ। বিভিন্ন সূত্র বলছে, মতিঝিল এলাকায় যেমন যুবলীগের ক্যাসিনোর বিষয়ে সাংসদ রাশেদ খান মেননের সম্মতি ছিল ঠিক তেমনি ঢাকার বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে এমপিদের যোগসাজশ রয়েছে বলে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। ঢাকা ছাড়াও নারায়ণগঞ্জের একজন প্রভাবশালী এমপি যার সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশের প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব দেখা দেয় তাঁকেও কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়া চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, বরিশাল, যশোর, রাজশাহীসহ অন্তত ১৭টি জেলার ২৭ এমপির বিরুদ্ধে এধরণের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এসব অভিযোগের ব্যাপারে শূন্য সহিষ্ণুতা নীতি গ্রহণ করেছেন। তিনি একাধিক শীর্ষ নেতাকে বলেছেন, শুধুমাত্র ছাত্রলীগ, যুবলীগ নয় যারাই অপকর্মের সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি এটাও বলেছেন যে, দুষ্টু গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো। এমপিদের বিরুদ্ধে নানারকম অবৈধ তৎপরতার অভিযোগ রয়েছে। তাঁদেরকে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা সতর্ক করে দিয়েছেন। শেষ সতর্কবার্তা যদি তারা গ্রহণ না করেন সেক্ষেত্রে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। সংগঠনের নামে কেউ সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি করলে বা সন্ত্রাসীকে লালন করলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কাউন্সিলের আগে দলের একটি ক্লিন ইমেজ আওয়ামী লীগ সভাপতি তৈরি করতে চান। এই ক্লিন ইমেজের অংশ হিসেবেই তিনি এই অভিযানের নির্দেশ দিয়েছেন বলে দলের শীর্ষস্থানীয় একাধিক নেতা নিশ্চিত করেছেন।
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় উন্নীত: তথ্যমন্ত্রী
২০সেপ্টেম্বর,শুক্রবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মানুষের মেলবন্ধন দুই দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে আমাদের সম্পর্ক একটি নতুন উচ্চতায় উন্নীত হয়েছে। দুই দেশের উন্নয়নের সাথে সাথে আমাদের মধ্যে যোগাযোগ সেতুবন্ধ আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। এখন সময় এসেছে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ এবং সেতুবন্ধ আরও বাড়ানোর। তাহলে আমাদের পুরো অঞ্চল একসাথে সমৃদ্ধশালী হবে, পৃথিবী অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকবে। বৃহস্পতিবার রাতে ভারতীয় হাইকমিশনে আইটেক দিবসে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন। এ সময় ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলী দাস উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ খাতবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবং তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুল মালেক। তথ্যমন্ত্রী বলেন, আইটেক দিবস একটি অত্যন্ত চমৎকার ধারণা। এভাবে একটা দিবস নির্ধারণ করে যারা ভারতে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর প্রশিক্ষণ নিয়েছে তাদের একত্রিত করা সত্যিই চমৎকার উদ্যোগ। আজ প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে এক ধরনের আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। দুই দেশের মেলবন্ধন ও উন্নয়নে এ ধরণের প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রচুর শিক্ষার্থীকে বিশেষ করে সরকারি পর্যায়ে অনেকে এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে ভারতে প্রশিক্ষণের সুযোগ পেয়েছে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লব বা তথ্যপ্রযুক্তির যুগে আমাদের দেশে ডিজিটাল বাংলাদেশের শ্লোগান দিয়ে উন্নত বিশ্বের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছি। ভারতও বিভিন্ন জায়গায় আইসিটি-হাব গড়ে তুলে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে থাকায় আমরা কাছাকাছি সময়ে তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্বে যুক্ত হতে সক্ষম হয়েছি। মন্ত্রী বলেন, ভারত এবং বাংলাদেশের গ্রাজুয়েটরা এখন ইউরোপ, আমেরিকাতে কাজ করছে। অনেক ক্ষেত্রেই তাদের সমৃদ্ধি আমাদের সন্তানদের দিয়ে হচ্ছে। তাই আমাদের মধ্যে সহযোগিতা এই পুরো অঞ্চলকে সমৃদ্ধ করবে। তিনি বলেন, ব্যবহারিক সহযোগিতা, জ্ঞান ও ভাবের আদান-প্রদান পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।