সেনাপ্রধানের মিয়ানমার সফর রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ইতিবাচক হবে: মোমেন
২৭নভেম্বর,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন আশা প্রকাশ করেছেন, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমদের নির্ধারিত মিয়ানমার সফরের মাধ্যমে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ঢাকা ও নেপিডোর মধ্যে সমঝোতার অন্য কোন পন্থা খুলে যাবে। আজ বুধবার রাষ্ট্রীয় অতিথিশালা পদ্মায় এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী বলেন,আমার বিশ্বাস সেনাপ্রধানের এই সফর (রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে) ইতিবাচক ফলাফল এনে দেবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আসন্ন স্পেন সফর উপলক্ষে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী একথা বলেন। জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জের (ইউএনএফসিসিসি) অধীনে কোপ-২৫ সম্মেলনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী ১ ডিসেম্বর রিয়েল মাদ্রিদের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন। ২ ডিসেম্বর এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।-আলোকিত বাংলাদেশ
হলি আর্টিজানে হামলায় ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড
২৭নভেম্বর,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্টে জঙ্গি হামলার তিন বছর চার মাস ২৬ দিন পর চাঞ্চল্যকর এ মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। রায়ে আট আসামির মধ্যে সাতজনের মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে খালাস দিয়েছেন আদালত। ঢাকার সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমানের আদালতে বুধবার দুপুরে এ রায় ঘোষণা করা হয়। ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- রাজীব গান্ধী, রাকিবুল হাসান রিগ্যান, হাতকাটা সোহেল মাহফুজ, হাদিসুর রহমান সাগর, রাশেদ ইসলাম ওরফে আবু জাররা ওরফে Rash, শরিফুল ইসলাম ওরফে খালেদ ও মামুনুর রশীদ ওরফে রিপন। আর খালাস পাওয়া আসামির নাম মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান। রায় ঘোষণার আগে কারাগার থেকে আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়েছিল। রায় ঘোষণা শেষে তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা চালিয়ে দুই পুলিশসহ দেশি-বিদেশি ২২ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়। এছাড়া হামলায় অন্তত ৩০ জন পুলিশ সদস্য আহত হন। ওই সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ অভিযান অপারেশন থান্ডারবোল্ডে পাঁচ জঙ্গি নিহত হয়। অভিযানে এক জাপানি ও দুই শ্রীলংকানসহ ১৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। জঙ্গি হামলার ঘটনায় ওই বছরের ৪ জুলাই গুলশান থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে পুলিশ। তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ২৩ জুলাই হামলায় জড়িত ২১ জনকে চিহ্নিত করে জীবিত আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করা হয়। পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) পরিদর্শক হুমায়ুন কবীর এ চার্জশিট দাখিল করেন। ঘটনায় জড়িত চিহ্নিত বাকি ১৩ জন এরই মধ্যে বিভিন্ন অভিযানে নিহত হওয়ায় তাদের নাম চার্জশিট থেকে বাদ দেয়া হয়। এরপর গত বছরের ২৬ নভেম্বর এ মামলায় আট আসামির বিরুদ্ধে চার্জ (অভিযোগ) গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। গত বছরের ৩ ডিসেম্বর এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়ে চলতি বছরের ২৭ অক্টোবর শেষ হয়। গত ৩০ অক্টোবর আত্মপক্ষ সমর্থনে আদালতের কাছে আট আসামি নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। এরপর চলতি মাসের ৬ নভেম্বর এ মামলায় যুক্তিতর্ক শুরু হয়। ৭ নভেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে সব আসামির মৃত্যুদণ্ড চান। আর ১৭ নভেম্বর এ মামলায় উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হয়। মামলায় চার্জশিটভুক্ত ২১১ জন সাক্ষীর মধ্যে ১১৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়।
প্রতীকী অনশনে সরকারি ৯ পাটকলের শ্রমিকরা
২৭নভেম্বর,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পাঁচ বছরেও মজুরি কমিশন বাস্তবায়িত না হওয়ায় শ্রমিকরা ক্ষুব্ধ। দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে এ আন্দোলন চলবে' খুলনা-যশোর অঞ্চলের ৯টি সরকারি পাটকলের শ্রমিকরা প্রতীকি অনশন শুরু করেছেন। বুধবার (২৭ নভেম্বর) সকাল ৮টা থেকে নিজ নিজ কর্মস্থলের গেটে অবস্থান নিয়ে এ কর্মসূচি পালন শুরু করেছেন তারা। প্রতীকী অনশন চলবে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত। পাটকল শ্রমিক লীগের আঞ্চলিক আহবায়ক শ্রমিক নেতা মুরাদ হোসেন জানান, শ্রমিকরা মূলতঃ আন্দোলন করেন মজুরি কমিশনের জন্য। কিন্তু আন্দোলনে নামলেই বকেয়া মজুরি দিয়ে শ্রমিকদের কর্মসূচি থামিয়ে দেওয়া হয়। এবার আর বকেয়া মজুরি আন্দোলন থামাতে পারবে না। পাঁচ বছরেও মজুরি কমিশন বাস্তবায়িত না হওয়ায় শ্রমিকরা ক্ষুব্ধ। আন্দোলনের দ্বিতীয় দিনে প্রতীকী অনশন চলছে। দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে এ আন্দোলন চলবে। উল্লেখ্য, মজুরি কমিশন বাস্তবায়নসহ ১১ দফা দাবিতে ২৫ নভেম্বর আন্দোলন শুরু করেন খুলনা-যশোর অঞ্চলের ৯টি সরকারি পাটকলের শ্রমিকরা। প্রথম দিন তারা ভুখা মিছিল করেন। এর আগে গত ২৩ নভেম্বর তারা ধর্মঘট, বিক্ষোভ ও আমরণ অনশনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন।
সবার জন্য বিদ্যুৎ, এই নীতিতে কাজ করছে সরকার, বললেন সালমান এফ রহমান
২৬নভেম্বর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেছেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে জ্বালানি এবং অবকাঠামোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে, কনফেডারেশন অব এশিয়া প্যাসিফিক চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সম্মেলেনের উদ্বোধনীতে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি জানান, সবার জন্য বিদ্যুৎ এই নীতিতে সরকার কাজ করছে। কয়েক বছরের মধ্যে দেশের সব এলাকা বিদ্যুতের আওতায় আসবে। সালমান এফ রহমান বলেন, দেশের একটি বড় সমস্যা কোনো গভীর সমুদ্রবন্দর নেই। তবে শিগগিরই বাংলাদেশে দুই গভীর সমুদ্র বন্দর কার্যক্রম শুরু করবে। বিদেশিদের জন্য নির্মাণাধীন বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে বলেও জানান সালমান এফ রহমান। দু দিনব্যাপী এই কনফারেন্স শেষ হবে আগামীকাল।
জলদস্যুদের মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে করা খসড়া বিলের অনুমোদন
২৬নভেম্বর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সমুদ্রে ডাকাতি ও সহিংসতার সময়ে মানুষ হত্যার ঘটনায় জলদস্যুদের মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে করা খসড়া বিলের অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার বাংলাদেশ মেরিটাইম অঞ্চল বিল ২০১৯ শীর্ষক এই খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। সচিব বলেন, আন্তর্জাতিক নিয়মের সাথে সামঞ্জস্য রেখে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের জন্য বিলটি নিয়ে আসে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বিলটি পাস হলে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং ৩৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপানে সমুদ্র সম্পদের ওপর বাংলাদেশের সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে, বলেন তিনি।
সচিবালয় এলাকায় বাজানো যাবে না হর্ন
২৬নভেম্বর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ১৭ ডিসেম্বর থেকে সচিবালয় এলাকাকে নিরব জোন বা শব্দ বিহীন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন। তিনি বলেছেন, সচিবালয়ের চারপাশ অর্থাৎ জিরো পয়েন্ট, পল্টন মোড়, কদম ফোয়ারা, শিক্ষাভবন মোড় হয়ে জিরো পয়েন্ট এলাকায় কোনো পরিবহনকে কোনো প্রকার হর্ন বাজাতে বা শব্দ সৃষ্টি করতে দেয়া হবে না। ঢাকা শহরে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণের পাইলট কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এটা বাস্তবায়ন করা হবে। সোমবার (২৫ নভেম্বর) বিকালে সচিবালয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে হাইড্রোলিক হর্ন পুরোপুরি বন্ধে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। শহরে অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপ্রয়োজনীয় শব্দের উৎস সন্ধান করে তা বন্ধ করা হবে। মন্ত্রী বলেন, পরিবেশ অধিদফতর বায়ু ও শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করবে। তা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থা বাস্তবায়ন করবে। এ লক্ষ্যে পুনরায় আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা আহবান করা হবে বলেও জানা তিনি। মন্ত্রী বলেন, সকলের সম্মিলিত প্রয়াসের মাধ্যমেই আমরা ঢাকা শহরকে বায়ু ও শব্দ দূষণ মুক্ত করতে পারবো।- আলোকিত বাংলাদেশ
পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি: তদন্তে এনবিআরের কাস্টমস গোয়েন্দা
২৪নভেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সরকারের বহুমুখী উদ্যোগের পরও নিয়ন্ত্রণহীন পেঁয়াজের বাজার। প্রায় ১ সপ্তাহ ধরে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রাজধানীর খুচরা বাজারে শনিবার দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১৮০-২০০ টাকা কেজি। গত ৫ দিন ধরেই (মঙ্গলবার থেকে) বাজারে এ দামে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। এ ৫ দিনে পণ্যটির দাম আর কমেনি। বরং উচ্চমূল্যেই স্থিতিশীল রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাজার তদারকি বাড়ালে পণ্যটির দাম আরও কমে আসবে। এদিকে পেঁয়াজের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির কারণ খুঁজতে তদন্ত শুরু করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তর। ৪৬ আমদানিকারককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আগামীকাল তলব করেছে সংস্থাটি। কর্মকর্তারা জানান, অতি মুনাফা ও অর্থপাচারের প্রমাণ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। অতি মুনাফার অভিযোগে এ রকম মোট ৩৪১ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের তালিকা করেছে শুল্ক গোয়েন্দা। তারাও নজরদারিতে আছে। প্রয়োজনে এসব প্রতিষ্ঠানের মালিকদেরও ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান বি এইচ ট্রেডিং। গত সাড়ে তিন মাসে প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করেছে প্রায় পৌনে চার হাজার টন পেঁয়াজ। যার আমদানিমূল্য ১৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। অর্থাৎ কেজিপ্রতি কেনা দাম ৪০ টাকা। এসব পেঁয়াজ কী দামে বিক্রি হয়েছে এবং মজুদ আছে কীনা জানতে চেয়ে চিঠি দিয়েছে কাস্টমস গোয়েন্দা। সোমবার ঢাকায় কাস্টমস গোয়েন্দা কার্যালয়ে ডাকা হয়েছে ১৩ জন বড় আমদানিকারককে। পর্যায়ক্রমে ডাকা হবে আরও ৩৩ জনকে। গোয়েন্দারা জানান, গত সাড়ে তিন মাসে পেঁয়াজ আমদানি করেছে তিনশ ৪১ প্রতিষ্ঠান। প্রয়োজনে সব প্রতিষ্ঠানকে তলব করা হবে বলেও জানান তারা।-আলোকিত বাংলাদেশ
ফায়ার সার্ভিস-সিভিল ডিফেন্সকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার প্রদান
২৪নভেম্বর,রবিবার,স্পেশাল প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: অগ্নি দুর্ঘটনায় উদ্ধার কাজে ব্যবহারের জন্য ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরকে ৩টি ফায়ার সেইফটি জাম্বো কুশন বা বিশেষ আকৃতির অগ্নি নিরাপত্তা বালিশ হস্তান্তর করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সূত্র: সময় টিভি রোববার (২৪ নভেম্বর) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব বিশেষ সরঞ্জাম হস্তান্তর করেন। জার্মানি থেকে আমদানি করা বিশেষ আকৃতির অগ্নিনিরাপত্তা বালিশ ৭ থেকে ৮ তলা ভবনে অগ্নিদুর্ঘটনায় উদ্ধারকাজে ব্যবহার করা যাবে। অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
গ্রামীণফোনকে ২ হাজার কোটি টাকা পরিশোধের নির্দেশ
২৪নভেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) দাবিকৃত প্রায় ১২ হাজার ৫৮০ কোটি টাকার মধ্যে এখন ২ হাজার কোটি টাকা দিতে গ্রামীণফোনকে নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। আগামী তিন মাসের মধ্যে এই টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে সাত বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন। তবে এই টাকা না দেওয়া হলে দাবি আদায়ের ওপর হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকবে না বলেও আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। তখন গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে যে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যাবে বলে বিটিআরসির আইনজীবী জানিয়েছেন। এর আগে গত ১৮ নভেম্বর প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চে এ বিষয়ক আদেশের জন্য ২৪ নভেম্বর দিন ধার্য করেন। তবে এ সময়ের মধ্যে মধ্যস্থতার জন্য গ্রামীণফোন কোনো ফোরামে যেতে পারবে না বলে বলা হয়। আদালতে গ্রামীণফোনের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী এএম আমিন উদ্দিন ও ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। তাদের সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার মেহেদী হাসান চৌধুরী। অন্যদিকে বিটিআরসির পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মাহবুবে আলম ও আইনজীবী ব্যারিস্টার খন্দকার রেজা-ই-রাকিব। গত ১৭ অক্টোবর বিচারপতি একেএম আবদুল হাকিম ও বিচারপতি ফাতেমা নজীবের হাইকোর্ট বেঞ্চ গ্রামীণফোনের কাছে বিটিআরসির প্রায় ১২ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা দাবি আদায়ের ওপর দুই মাসের অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা দেন। পরে গ্রামীণফোনের কাছে ওই টাকা দাবি আদায়ের ওপর হাইকোর্টের দুমাসের অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা স্থগিত চেয়ে বিটিআরসি আপিল বিভাগে আবেদন করেন। এই বিষয়ে ১৭ অক্টোবর গ্রামীণফোনের আইনজীবী তানিম হোসেইন শাওন বলেন, চলতি বছরের ২ এপ্রিল বিভিন্ন খাতে ১২ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা দাবি করে বিটিআরসি গ্রামীণফোনকে চিঠি দিয়েছিল। পরে গ্রামীণফোন ওই চিঠির বিষয়ে নিম্ন আদালতে টাইটেল স্যুট (মামলা) করে। সেই সঙ্গে ওই মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অর্থ আদায়ের ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করা হয়। পরে ২৮ আগস্ট নিম্ন আদালত গ্রামীণফোনের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন খারিজ করে দিলে ওই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করে গ্রামীণফোন। পরবর্তীতে শুনানি শেষে ১৭ অক্টোবর আদালত আপিলটি শুনানির জন্য গ্রহণ করে টাকা আদায়ের ওপর দুই মাসের অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা দেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর