আল্লামা শফীকে স্বাধীনতা পদক দেয়ার দাবি
অনলাইন ডেস্ক: কওমি সনদকে মাস্টার্সের মান দেয়ায় রাজধানীতে অনুষ্ঠিত শুকরানা মাহফিল থেকে হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীকে স্বাধীনতা পদক দেয়ার দাবি উঠেছে। বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার চেয়ারম্যান ও কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহের প্রধান ইমাম আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ এই দাবি জানান। শুকরানা মাহফিলের প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৭ সালের ১১ এপ্রিল গণভবনে আল্লামা শফীর নেতৃত্বে শীর্ষ আলেমদের উপস্থিতিতে কওমি মাদ্রাসার সর্বোচ্চ স্তর দাওরায়ে হাদিসকে ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি বিষয়ের মাস্টার্সের সমমান দেয়ার ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে গত ১৯ সেপ্টেম্বর এ-সংক্রান্ত বিলটি সংসদে পাস হয়। এর মাধ্যমে কওমি মাদ্রাসার লাখ লাখ শিক্ষার্থীর দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হয়। রবিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কওমি মাদ্রাসাগুলোর ছয় বোর্ডের সমন্বিত সংস্থা আল-হাইয়াতুল উলয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়্যাহ বাংলাদেশ আয়োজিত এই শুকরানা মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। হেফাজতে ইসলামের আমির আহমদ শফীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাহফিল থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংবর্ধনা দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী আপনি আমাদের সবই দিয়েছেন, আপনার প্রতি আমাদের আরও একটু চাওয়া আছে। আমরা আপনার কাছে ইমামদের পাঁচ হাজার টাকা এবং মুয়াজ্জিনদের তিন হাজার টাকা ভাতা দেয়ার দাবি জানাচ্ছি। মাসঊদ বলেন, দেশের সব ইমাম ও মুয়াজ্জিনকে ভাতা দিলে সরকারের ৫০০ থেকে ৭০০ কোটি টাকা খরচ হবে, যা খুবই কম। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে আপনি মানবতা দেখিয়েছেন। আপনি বলেছেন ১৬ কোটি মানুষকে খাওয়ানো সম্ভব হলে আট লাখ মানুষের খাওয়ার অভাব হবে না। আমরা চাই আমাদের অন্যান্য দাবির মতো আপনি ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা প্রদানের দাবিও মেনে নেবেন। এ সময় আল্লামা মাসঊদ বলেন,বাংলাদেশে কোনো আলেমকে স্বাধীনতা পদক দেয়া হয়নি৷ আমরা চাই আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশের চেয়ারম্যান শাহ আহম্মদ শফীকে আপনি স্বাধীনতা পদক প্রদান করবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথির ভাষণে কওমি মাদ্রাসার বিভিন্ন দিক নিয়ে কথা বলেন। তবে সেখানে স্বাধীনতা পদক দেয়ার দাবির ব্যাপারে কোনো কথা বলেননি তিনি।
খালেদার প্যারোলে মুক্তি নিয়ে আলোচনা হতে পারে: কাদের
অনলাইন ডেস্ক: একটি দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত হয়ে কারাগারে থাকা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্যারোলে মুক্তি নিয়ে দলটির নেতারা সরকারের সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন বলে জানিয়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এ ব্যাপারে আলোচনার পথ খোলা বলে জানান তিনি। রবিবার সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সমসাময়িক ইস্যুতে প্রেস ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের এই কথা বলেন। খালেদা জিয়ার প্যারোলে মুক্তি বিষয়ে কাদের বলেন, ‘সেরকম যদি কিছু তারা চান তাহলে তারা প্রাইম মিনিস্টারকে বলতে পারেন। তারাতো আলোচনা করছেন। আলোচনাতো খোলামেলা। আর তার চিকিৎসার বিষয়ে রাজনৈতিভাবে স্টান্ডবাজি করা হয়েছে। বেগম জিয়ার অসুস্থতার বিষয়ে কোনোভাবেই কতৃপক্ষ অবহেলা করেনি। এখনতো চিকিৎসার নিয়ে কোনো কথা নেই। খালেদার জামিনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এর আগে প্রায় ৩০ মামলায় বেগম জিয়া জামিন পেয়েছেন। আর যে মামলায় রায় হয়েছে সে মামলা আমরা করিনি, রায়ও আমরা দিইনি। তাই রায়ের বিষয়ে তারা আইনিভাবে আদালতে এগুতে পারে। এটা পুরোটাই আদালতের বিষয়। ওবায়দুল কাদের বলেন, মামলার সঙ্গে নির্বাচনকে সর্ম্পকযুক্ত করার তো কোনো যুক্তি নেই। মামলা আমরা করিনি। মামলা বেগম জিয়াকে আমরা দণ্ড দিইনি। আমরা যেখানে দণ্ড দিইনি সেখানে আমরাতো মুক্তি দিতে পারি না। এখন তারা লিগ্যাল যুদ্ধ করুন। আদালতে তারা চেষ্টা করুন। যদি কোনো অপশন ওপেন থাকে তারা আদালতে গিয়ে লিগ্যাল ব্যাটলে যেতে পারেন। কেন? ৩০টির মতো মামলার জামিনতো হয়ে গেছে। সরকার কি বাধা দিয়েছে? কাদের বলেন, যে মামলার রায় হয়ে গেছে, দণ্ড দেয়া হয়েছে সেখানে জামিন দেবে কি না এটা উচ্চ আদালত বলতে পারবে। এটা একটা আইনি যুদ্ধ। ছোট পরিসরে ফের আলোচনা হতে পারে আবার সংলাপ প্রসঙ্গে কাদের বলেন, ছোট পরিসরে আলোচনা করা যায়। ঐক্যফন্টের নেতারাও বলেছেন ছোট পরিসরে আলোচনা করবে। সেদিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় তারাই বেশি কথা বলেছেন। লম্বা সময় ধরে তারা কথা বলেছেন। তাদের ২১ জনের মধ্যে সবাই কথা বলেছেন। আর আমাদের মাত্র চারজন কথা বলেছেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাকে একটু আগে গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু সাহেব জানিয়েছেন, একটি চিঠি আমাদের অফিসে পাঠাচ্ছেন। আমি অফিসে বলে দিয়েছি চিঠি রিসিভ করতে। বিকালে আমি আমাদের দলের সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে আলাপ করবো। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সংলাপে আমরা আর বেশি সময় নিতে চাইছি না। কারণ আমাদের হাতে সময় খুব কম। আমাদের দলের নমিনেশন বিষয়ে ফরমের বিতরণের ঘোষণাসহ বেশকিছু কাজ আছে। ফরম বিতণের পর ইন্টারভিউসহ জোটের সঙ্গে আলোচনাসহ বেশকিছু কাজ আছে। সেদিনের সংলাপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তাদের যারা কথা বলেছেন তারা একাধিকবার কথা বলেছেন। ব্যারিস্টার মওদুদ সাহেব তিনবার কথা বলেছেন। সংলাপে দূরত্ব কমেছে বলে মনে করেন? এমন প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, দেখুন আলাপ আলোচনার একটি ভালো দিক আছে। সামনাসামনি বসে দেখাদেখিতো হলো, চোখাচোখি হলো। এটাও তো একসময় ছিল না। সেটাতো হলো। আর পরিবেশটা ছিল সৌহাদ্যপূর্ণ এবং খোলামেলা। আমাদের পক্ষ থেকে তাদের কেউ ইন্টারফেয়ার করতে বলেনি। কাউকে থামিয়ে দেয়া হয়নি। একেবারে স্বাধীনভাবে সেদিন ঐক্যফ্রন্টের নেতারা কথা বলেছেন। এখন তারা আবার যদি বসতে চান সেটা আমরা চেষ্টা করবো। ডেট করে আমরা সিদ্ধান্ত নেব। এক্ষেত্রে নেত্রীর সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেব। তবে আমরা ৭ তারিখের পরে যেতে চাইছি না। কারণ বাংলাদেশেতো রাজনৈতিক দল দুই শয়ের কাছাকাছি। এর মধ্যে অনেকে আবেদন করেছে। ঢাকাটাইমস
আমরা চাই সবার অংশগ্রহণে একটা সুষ্ঠু নির্বাচন হোক: প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা চাই সবার অংশগ্রহণে একটা সুষ্ঠু নির্বাচন হোক। সবার অংশগ্রহণে সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে আমরা সংলাপে বসেছি। শনিবার বিকাল সাড়ে চারটায় রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জেল হত্যা দিবসের আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন,জাতির পিতাকে হত্যার মাধ্যমে এই দেশকে আবার পাকিস্তানের একটা প্রদেশ বানানোর চক্রান্ত তারা করেছিল। সেই সঙ্গে ৩ নভেম্ভর জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হয়। চার নেতার অপরাধ এটাই ছিল যে তারা মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করেছিল এবং সেই মুক্তিযুদ্ধে আমরা বিজয় অর্জন করেছি। তাই এই হত্যাকাণ্ড শুধু একটি হত্যাকাণ্ড ছিল না। এই হত্যাকাণ্ড শুধু ক্ষমতা দখলের জন্য ছিল না, এই হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের স্বাধিনতাকে নস্যাৎ করার ষড়যন্ত্র ছিল, বাংলাদেশের বিজয়কে ছিনিয়ে নেয়ার যড়যন্ত্র ছিল। এটাই ছিল হত্যাকারীদের মূল উদ্দেশ্য। ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর গ্রেপ্তার করা হয় মুক্তিযুদ্ধের শীর্ষ চার সংগঠক সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামরুজ্জামানকে। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মধ্যে ওই বছরের ৩ নভেম্বর রাতে কারাগারে এই চার নেতাকে হত্যা করা হয়। এরপর থেকে জাতীয় জীবনে কলঙ্কময় এই দিনটি জেলহত্যা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
নারী উন্নয়ন এবং ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের কাছে রোল মডেল: স্পিকার
অনলাইন ডেস্ক: জনগণের সমর্থন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি। তিনি আজ শনিবার দুপুরে পীরগঞ্জে পীরগঞ্জ মহিলা কারিগরী ও বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ আয়োজিত মা ও অভিভাবক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ সময় তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে নারীবান্ধব আইন ও নীতি প্রণয়নের ফলে নারী উন্নয়ন এবং ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের কাছে রোল মডেল। তিনি বলেন, দেশের অর্ধেক জনসমষ্টি নারী। এই জনশক্তিকে উন্নয়নের মূল ধারায় সম্পৃক্ত করতে পারলেই উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার কাজ সহজ হবে। শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, অবকাঠামো উন্নয়নসহ পীরগঞ্জের ঘরে ঘরে বিদ্যুত পৌঁছে দেয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীরা আজ বৈদ্যুতিক আলোয় লেখাপড়া করার সুযোগ পাচ্ছে। সমাজের অনগ্রসর অংশের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, ল্যাকটেটিংমাদার সহায়তা, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানীভাতাসহ অন্যান্য ভাতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতা বাড়ানো হয়েছে। সমাজিক বিভিন্ন ইস্যুতে সচেতনতা বৃদ্ধিতে মা ও অভিভাবক সমাবেশ গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, সুখী-সুন্দর পরিবার গঠনে মায়ের ভূমিকা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। স্পিকার বলেন, সুবিধাবঞ্চিত গ্রামীণ জনগণের দোরগোড়ায় মানসম্মত সমন্বিত স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা, সন্তান প্রসব ও প্রসূতি সেবা এবং পুষ্টি সেবা পৌছে দেয়ার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারা দেশে প্রায় ১৩ হাজার ৫শ’ কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করেছেন এবং সেখানে ডাক্তারসহ প্রশিক্ষিত জনবল ও ৩২ প্রকারের ওষুধ বিনামূল্যে প্রয়োজন অনুযায়ী সরবারহের ব্যবস্থা করেছেন। শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিতে দূরবর্তী স্থানে যেতে হতো, এখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপনের ফলে নারী ও শিশুদের সেবাগ্রহণ সহজ হয়েছে। এতে দেশে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে আমূল পরিবর্তন এসেছে। মাতৃ ও শিশু মৃত্যুহার প্রতিরোধ হয়েছে, বাল্যবিবাহের মতো সামাজিক ব্যাধি কমেছে। স্পিকার বলেন, নারী প্রশিক্ষণ ও নারী কর্মসংস্থানের মাধ্যমে নারী ক্ষমতায়নের বিস্তার করার এখনই সময়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়শীল দেশে উন্নীত হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। তিনি ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে, ২০২৪ সালের মধ্যে পরিপূর্ণ উন্নয়নশীল দেশে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ গঠনে সকলকে ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে এ উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দিতে হবে বাংলার ঘরে ঘরে। তবেই আসবে অর্থনৈতিক মুক্তি, প্রতিষ্ঠিত হবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পীরগঞ্জ মহিলা কারিগরী ও বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের পরিচালনা পরিষদের পরিচালক সাদিদ জাহান সৈকত। পরে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বড় ঘোলা জামে মসজিদ পরিদর্শণ করেন এবং পথসভায় অংশ নেন। এসব অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রাণালয়ের যুগ্ম সচিব জাহাঙ্গীর আলম বুলবুল, পৌর মেয়র এস এম তাজিমুল ইসলাম শামীম, সাবেক সংসদ সদস্য উপজেলা চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মাদ মন্ডল, জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়রসহ সভাপতি সায়াদাত হোসেন বকুল, জেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম পিন্টু, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোনায়েম সরকার মানু ও পীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আজিজুল হক রাঙ্গা বক্তব্য রাখেন।
সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা মোকাবিলায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি
অনলাইন ডেস্ক: তফসিল ঘোষণার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নির্বাচন কমিশনারের অধীনে চলে যাবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। এছাড়া নির্বাচন কেন্দ্রিক যে কোনো বিশৃঙ্খলা ও সহিংসতা কঠোর হাতে মোকাবিলা করা হবে বলেও জানান তিনি। শনিবার (৩ নভেম্বর) সকালে জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারের পুরাতন ভবন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের একথা জানান মন্ত্রী। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন কমিশনের অধীনে আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী থাকবে। তবে নির্বাচনকেন্দ্রিক যদি কেউ সহিংসতা করার পরিকল্পনা করে তবে তা কঠোর হস্তে মোকাবিলা করা হবে। আমাদের পুলিশ বাহিনী এখন আগের চেয়ে অনেক সক্ষম। যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে পারবে তারা। সারাদেশের মানুষ গভীরভাবে জাতীয় চার নেতাকে স্মরণ করছে মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, অথচ যাদের হত্যা করে বাঙালী জাতিকে থামিয়ে দিতে চেয়েছিল ষড়যন্ত্রকারীরা।’ পরিদর্শনের সময় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ জাতীয় নেতাদের স্বজনরা। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুর, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীসহ মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, জেল কর্তৃপক্ষসহ অন্যরা।
জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
অনলাইন ডেস্ক: জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। শনিবার সকালে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান তিনি। প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ও পরে আওয়ামী লীগের প্রধান হিসেবে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি। এ সময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমসহ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এরপর যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগসহ আওয়ামী লীগের সকল সহযোগী ও ভাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতারা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর সকাল আটটার দিকে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা বনানী কবরস্থানে ১৫ আগস্টের শহীদ ও জাতীয় নেতাদের কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী ও জাতীয় চার নেতা—সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এ এইচ এম কামারুজ্জামান ও ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলীকে। বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রিসভার সবচেয়ে ঘৃণিত বিশ্বাসঘাতক সদস্য হিসেবে পরিচিত এবং তৎকালীন স্বঘোষিত রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোস্তাক আহমদের প্ররোচণায় এক শ্রেণীর উচ্চাভিলাসী মধ্যম সারির জুনিয়র সেনা কর্মকর্তারা এ নির্মম হত্যাকাণ্ড চালায়। চার জাতীয় নেতাকে যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শনের মাধ্যমে দেশের ইতিহাসের অন্যতম বর্বরোচিত এই কালো অধ্যায়টিকে স্মরণ করছে জাতি। রাষ্ট্রীয়ভাবে এবং আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন দল সংগঠনের উদ্যোগে সারাদেশে পালিত হচ্ছে শোকাবহ এই দিবস।
জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
অনলাইন ডেস্ক: জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। শনিবার সকালে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান তিনি। প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ও পরে আওয়ামী লীগের প্রধান হিসেবে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি। এ সময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমসহ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এরপর যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগসহ আওয়ামী লীগের সকল সহযোগী ও ভাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতারা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর সকাল আটটার দিকে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা বনানী কবরস্থানে ১৫ আগস্টের শহীদ ও জাতীয় নেতাদের কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী ও জাতীয় চার নেতা—সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এ এইচ এম কামারুজ্জামান ও ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলীকে। বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রিসভার সবচেয়ে ঘৃণিত বিশ্বাসঘাতক সদস্য হিসেবে পরিচিত এবং তৎকালীন স্বঘোষিত রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোস্তাক আহমদের প্ররোচণায় এক শ্রেণীর উচ্চাভিলাসী মধ্যম সারির জুনিয়র সেনা কর্মকর্তারা এ নির্মম হত্যাকাণ্ড চালায়। চার জাতীয় নেতাকে যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শনের মাধ্যমে দেশের ইতিহাসের অন্যতম বর্বরোচিত এই কালো অধ্যায়টিকে স্মরণ করছে জাতি। রাষ্ট্রীয়ভাবে এবং আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন দল সংগঠনের উদ্যোগে সারাদেশে পালিত হচ্ছে শোকাবহ এই দিবস।
জেলহত্যা দিবসে নানা কর্মসূচি আ.লীগের
অনলাইন ডেস্ক: ৩ নভেম্বর বাঙালি জাতির জীবনে এক কলঙ্কময় দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আজীবন রাজনৈতিক সহচর ও মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হয়। তারা হলেন, স্বাধীন বাংলাদেশ প্রথম রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ, অর্থমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অব.) এম মুনসুর আলী, খাদ্য ও ত্রাণমন্ত্রী এ এইচ এম কামারুজ্জামান। বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রিসভার সবচেয়ে ঘৃণিত বিশ্বাসঘাতক সদস্য হিসেবে পরিচিত এবং তৎকালীন স্বঘোষিত রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোস্তাক আহমদের প্ররোচণায় এক শ্রেণীর উচ্চাভিলাসী মধ্যম সারির জুনিয়র সেনা কর্মকর্তারা এ নির্মম হত্যাকাণ্ড চালায়। জাতীয় এ চার নেতা মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে পাকিস্তানি সামরিক জান্তার হাতে আটক বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের নেতৃত্ব দেন। বঙ্গবন্ধুর আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণার পরপরই পাকিস্তানের সামরিক জান্তা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধুকে তার ঐতিহাসিক ধানমন্ডির বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করে। পরে দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন সময় সৈয়দ নজরুল ইসলাম বাংলাদেশ সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তাজউদ্দিন আহমেদ একটি স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় কোটি কোটি বাঙালির স্বাধীনতার স্বপ্ন পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বঙ্গবন্ধুর অপর ঘনিষ্ঠ সহযোগী এ এইচ এম কামারুজ্জামান ও ক্যাপ্টেন মনসুর আলী আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষেত্রে নীতি ও কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন। বিবৃতিতে তারা শহীদ জাতীয় চার নেতার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। জেলহত্যা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। কর্মসূচির মধ্যে শনিবার সকাল ছয়টায় বঙ্গবন্ধু ভবন ও দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ, কালো পতাকা উত্তোলন এবং কালো ব্যাজ ধারণ করবে দলটি। এছাড়া সকাল সাতটায় বঙ্গবন্ধু ভবনে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ। আটটায় বনানী কবরস্থানে ১৫ আগস্টের কালরাত্রিতে শহীদ ও কারাগারে নির্মমভাবে নিহত জাতীয় নেতাদের কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ মাহফিল ও মোনাজাত। একই সঙ্গে রাজশাহীতে জাতীয় নেতা শহীদ কামরুজ্জামানের কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ মাহফিল ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া বিকাল তিনটায় রাজধানীর কৃষিবিদ ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে স্মরণসভার আয়োজন করবে আওয়ামী লীগ। দলীয় সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সভায় নেতারা উপস্থিত থাকবেন।
গণভবনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রতিনিধি দল
অনলাইন ডেস্ক: আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সংলাপে বসতে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গণভবনে পৌঁছেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রতিনিধি দল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে গণভবনে পৌঁছেন তারা। এর আগে বিকালে রাজধানীর বেইলি রোডে ড. কামাল হোসেনের বাসা থেকে যাত্রা শুরু করেন ২১ সদস্যের প্রতিনিধি দলটি। রওনা হওয়ার আগে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। আজকের সংলাপে ঐক্যফ্রন্টের প্রতিনিধি দলে নতুন করে যোগ দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। এছাড়া গণফোরামের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোকাব্বির খান, জগলুল হায়দার আফ্রিক ও গণফোরামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ও ম শফিক উল্লাহর নাম রয়েছে তালিকায়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ করার অংশ হিসেবে গত রোববার সংলাপের আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনাকে চিঠি পাঠায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। পরদিনই সংলাপে রাজি হওয়ার কথা জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

জাতীয় পাতার আরো খবর