সংসদ সদস্য পদ ছাড়লেন তাপস
২৯ডিসেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মনোনয়ন পেয়ে ঢাকা-১০ আসনের সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করলেন শেখ ফজলে নুর তাপস। রোববার (২৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ঢাকা দক্ষিণে মেয়র প্রার্থী হিসেবে শেখ ফজলে নূর তাপসের নাম ঘোষণা করেন। এরপর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সবার প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন,যারা দলীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে আমাকে মনোনয়ন দিয়েছেন, তাদের ধন্যবাদ জানাই। ঢাকা ১০ আসনের আপামর জনগণকে কৃতজ্ঞতা জানাই; যারা সবসময় অনেক ভালোবাসা দিয়ে আলিঙ্গন করে আমার ওপর আস্থা রেখেছেন। এলাকার মানুষ যেমন ভালোবেসেছেন, আস্থা রেখেছেন; তেমনি দক্ষিণের সব জনগণ আস্থা রাখবে বলে আমি আশা করি। তাপস বলেন, ঐতিহ্যবাহী পুরনো ঢাকার জন্য আমি মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করব। আমার সংসদীয় এলাকার মানুষ আমাকে যেভাবে ভালোবেসেছে আমার ওপর আস্থা রেখেছে, আমি বিশ্বাস করি দক্ষিণ সিটির অন্তর্ভুক্ত সকল স্তরের মানুষ আমাকে সেভাবে ভালোবাসবে, তাদের সেবা করার সুযোগ দেবে এবং আমার ওপর আস্থা রাখবে। যাতে আমি উন্নত রাজধানী উপহার দিতে পারি। আওয়ামী লীগের এই মেয়র প্রার্থী বলেন, আগেও সংবাদ মাধ্যমে বলেছি, আমি উপলব্ধি করেছি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে উন্নত বাংলাদেশের জন্য নিরলস কাজ করে চলেছেন এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্য দিয়েছেন, এর জন্য উন্নত রাজধানী প্রয়োজন। আমি এই সুযোগটা গ্রহণ করতে চেয়েছি। এ সময় উত্তরের প্রয়াত মেয়র আনিসুল হককে স্মরণ করেন ফজলে নূর তাপস। তার কাজ দেখে অনুপ্রাণিত হয়েছেন বলেও জানান তাপস। তিনি বলেন,আমি পূর্ণ সময় দক্ষিণের জনগণের নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতে কাজ করে যাব। অনেকের মনে ক্ষোভ থাকতে পারে মনোনয়ন না পাওয়ায়। দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে কেউ যাবেন না। সবার সহযোগিতা কামনা করছি।
সেনাবাহিনীকে যুগোপযোগী করতে চাই : প্রধানমন্ত্রী
২৯ডিসেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতার প্রণীত প্রতিরক্ষা নীতির আলোকে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকে আমরা সেনাবাহিনীকে আধুনিকায়নের বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতে শুরু করি। নতুন নতুন ডিভিশন গঠন করি। আমরা সবসময় সেনাবাহিনীকে যুগোপযোগী দেখতে চাই, আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করতে চাই। আজ রবিবার দুপুরে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারিতে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতির কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, একটি স্বাধীন-সার্বভৌম দেশে সামরিক বাহিনীর গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম এবং অনস্বীকার্য। এ কারণেই একটি প্রশিক্ষিত, শক্তিশালী ও দক্ষ সেনাবাহিনী গড়ে তোলার লক্ষ্যে ১৯৭৪ সালে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কুমিল্লা সেনানিবাসে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির শুভ উদ্বোধন করেন, যা ছিল বাংলাদেশের জন্য এক ঐতিহাসিক ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ। তিনি বলেন, আমরা সেনাবাহিনীতে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছি। এখন প্রযুক্তির যুগ। আমরা প্রযুক্তির শিক্ষাকে গুরুত্ব দিয়েছি। আমাদের সেনাবাহিনী থাকবে সবসময় যুগোপযোগী ও আধুনিক। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে আমাদের সেনাবাহিনী গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছে। বিভিন্ন দেশ, সবাই তাদের প্রশংসা করে। তোমাদের এই সুনাম আরো এগিয়ে নিতে হবে। বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের মানুষ শান্তি আর সমৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে জানবে-এটিই আমার প্রত্যাশা। অনুষ্ঠানে মাধ্যমে ২৩৪ জন বাংলাদেশি, ২৯ জন সৌদি, ১ জন ফিলিস্তিনি, ১ জন শ্রীলংকানসহ মোট ২৬৫ জন ক্যাডেট কমিশন লাভ করেন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত ক্যাডেটদের মধ্যে ৭৭তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদী কোর্সে ২০৭ জন পুরুষ, ২৭ জন মহিলা ক্যাডেট রয়েছেন। অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, চট্টগ্রামের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন এবং চট্টগ্রামের সংসদ সদস্য, সেনাবাহিনী ও প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা ছিলেন।- আলোকিত বাংলাদেশ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দফায় দফায় ককটেল বিষ্ফোরণ
২৯ডিসেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মধুর ক্যান্টিনের সামনে ৩টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (২৯ ডিসেম্বর) সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এক প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থী জানান, সকালে হঠাৎ করে মধুর ক্যান্টিন এলাকায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এরপর কিছুক্ষণ থেকে আবারও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এভাবে পরপর ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে। এর আগে ঢাবির মধুর ক্যান্টিনের সামনে থেকে একটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করা হয়। গত বৃহস্পতিবার ক্যান্টিনের পশ্চিম পাশের দরজার বাইরে ও ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের (আইবিএ) পুরোনো গেটের সামনে থেকে ককটেলটি উদ্ধার করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে মধুর ক্যান্টিনের পশ্চিম পাশের গেটের বাইরে একটি ককটেল পড়েছিল।
এবার যে ছবি ভাইরাল
২৯ডিসেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্কনিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর হাতিরঝিলে সম্প্রতি নজর কেড়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর পারফর্মিং আর্ট। এ নিয়ে ইতিবাচক-নেতিবাচক দুই ধরনের প্রতিক্রিয়াই পাওয়া গেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। নেটিজেনদের অনেকেই ফ্রম পোর্টফোলিও অফ ডগডনে শিরোনের ওই পারফর্মিং আর্টের ছবি পোস্ট করছেন ফেসবুকে। একই ধাঁচের এই পারফর্মিং আর্ট প্রথম দেখা যায় অস্ট্রিয়ার ভিয়েনার প্রকাশ্য রাস্তায় ১৯৬৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে। ভ্যালি এক্সপোর্ট ও পিটার উইবেল এই পারফর্মিং আর্টে অংশ নেন। এছাড়াও বিভিন্ন সময় একই ধাঁচের এ পারফর্মিং আর্ট দেখা গেছে বিশ্বের বিভিন্ন শহরের রাস্তায়। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে হাতিরঝিলে করা পারফর্মিং আর্টের শিল্পীরা হলেন টুটুল চৌধুরী ও সেঁজুতি। সেঁজুতি এটিকে সমাজতাত্ত্বিক ও আচরণমূলক কেসস্ট্যাডি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি নিজে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পেইন্টিং ও ড্রয়িংয়ের শিক্ষার্থী। এই পারফর্মিং আর্টের উদ্দেশ্য, কার্টুনে যেমন বিভিন্ন প্রাণীকে মানুষের মতো কথা বলা ও আচরণগতভাবে দেখানো হয় তেমনি এখানে মানুষকে প্রাণী চরিত্রে দেখানো হয়েছে। সেঁজুতি জানান, এই ছবিতে একজন নারী একজন পুরুষকে গলায় রশি বেঁধে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। এটা আমাদের নৈতিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বা আরো ভালো কোনো সামাজিক অবস্থার চিত্র দেখায় না। বরং সমাজ আমাদের ওপর যে সিস্টেম চাপিয়ে দিয়েছে সেটাই ফুটে উঠেছে। আমরা যে কাজটা করেছি এই কাজের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি এবং এই কাজটাকে সাধারণ মানুষ কীভাবে নিয়েছে সেটাই আমরা দেখতে চেয়েছি।- বিডি প্রতিদিন
সংসদ সদস্য ইউনুস আলীর মরদেহে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
২৯ডিসেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গাইবান্ধা-৩ আসনের সংসদ সদস্য মরহুম মো. ইউনুস আলীর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ রবিবার সকালে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তার কফিনে ফুলেল শ্রদ্ধা জানান তিনি। এর আগে রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে মরহুমের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সামরিক সচিব। প্রধানমন্ত্রীর পর আওয়ামী লীগের পক্ষে দলীয় প্রধান শেখ হাসিনাসহ কেন্দ্রীয় নেতারা শ্রদ্ধা জানান। জাতীয় সংসদের পক্ষ থেকে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এর আগে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন মন্ত্রী সভার সদস্য, সংসদ সদস্য, আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীসহ তার নির্বাচনী এলাকার নানা শ্রেণি পেশার মানুষ। বাদ আসর গাইবান্ধায় গ্রামের বাড়ি ভাত গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
মুক্তিযোদ্ধাদের বাড়ি নির্মাণ করে দেয়া হবে
২৮ডিসেম্বর,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, জাতির বীর সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের সুবিধার কথা চিন্তা করে তাদেরকে মানসম্মত বাড়ি নির্মাণ করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তিনি বলেন, আগামী বছরের মধ্যে দেশের ১৪ হাজার মুক্তিযোদ্ধার সবাইকে ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে বাড়ি নির্মাণ করে দেয়া হবে। সেই লক্ষ্যে এরইমধ্যে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়কে দুই হাজার তিনশ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। শনিবার বিকেলে যশোরের মণিরামপুরে তিনতলা বিশিষ্ট নবনির্মিত মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের উদ্বোধন শেষে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, যুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধারা কোথায় কোথায় কাদের সঙ্গে যুদ্ধ করেছেন। পাকসেনা ও তাদের দোসর জামায়াতে ইসলামী কিভাবে মানুষ হত্যা করেছে, মুক্তিকামী মানুষের ওপর নির্যাতন করে বাড়ি-ঘর পুড়িয়েছে তার বিস্তারিত পাঠ্যপুস্তকে স্থান পাবে। আগামী বছর থেকে বিসিএস পরীক্ষায় শুধুমাত্র মুক্তিযুদ্ধ ও তার পটভূমির উপর ১০০ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে। মন্ত্রী আরো বলেন, একই সঙ্গে এলাকাভিত্তিক দেশের সড়কগুলো মুক্তিযোদ্ধাদের নামে নামকরণ করা হবে। মুক্তিযোদ্ধারা যেন সরকারি হাসপাতালে ওষুধসহ সব ধরণের সেবা পান সে ব্যবস্থা করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিচারণ করে মোজাম্মেল হক বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ স্বীকৃতি পেত না। মুক্তিযুদ্ধের সময় ও তার আগে বার বার কারাবরণ করে তিনি এদেশের পক্ষে বিশ্ববাসীর জনমত তৈরি করেছিলেন। ফলশ্রুতিতে আমরা একটি স্বাধীন রাষ্ট্র পেয়েছি। তিনি বলেন, বাংলাদেশকে উন্নয়নের মডেল হিসেবে বিশ্বের দরবারে দাঁড় করিয়েছেন শেখ হাসিনা। অথচ বিএনপি দেশে তেমন কোনো উন্নয়ন করেনি। হাওয়া ভবন তৈরি করে লুটপাট করেছে। শেষ পর্যন্ত খালেদা জিয়া এতিমের টাকা আত্মসাৎ করেছেন। যার ফলে আজ তার এমন করুণ পরিণতি। মণিরামপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য। সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা খয়রাত হোসেন, মণিরামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পৌর মেয়র কাজী মাহমুদুল হাসান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমা খানম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার রাজেক আহমেদ, মণিরামপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার এম এম নজরুল ইসলাম প্রমুখ।
মুজিববর্ষের অঙ্গীকার পুলিশ হবে জনতার: আইজিপি
২৮ডিসেম্বর,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মুজিববর্ষের অঙ্গীকার, পুলিশ হবে জনতার-এই শ্লোগানকে ধারণ করে পুলিশ কাজ করছে বলে জানিয়েছেন আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী। শনিবার সকালে রাজারবাগে পুলিশ অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার কল্যাণ সমিতির ৩৭তম বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তিনি অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের মাদক, জঙ্গি, সন্ত্রাস ও যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে কাজ করার আহবান জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের ইমেজ বৃদ্ধির জন্য আমরা কাজ করছি। থানা হবে মানুষের আশ্রয়স্থল। ভূক্তভোগীরা সর্বপ্রথম সাহায্যের জন্য থানায় আসেন। থানার কর্মকর্তাদের মানসিকতা, আচরণ ও ব্যবহার সর্বোত্তম হতে হবে। আমরা জনগণের পুলিশ হতে চাই, মানবিক পুলিশ হতে চাই। অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমরা সকলে একটি পরিবার, এর মধ্যে কোনো ভোদাভেদ নেই। পুলিশে চাকরির ক্ষেত্রে পুলিশের সন্তানদের অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। তিনি অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার কল্যাণ সমিতির ফান্ডে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের পক্ষ থেকে ৫০ লাখ টাকা অনুদান দেয়ার ঘোষণা দেন। সভাপতির বক্তব্যে প্রাক্তন আইজিপি ও সমিতির সভাপতি মোঃ আবদুর রউফ বলেন, অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের জন্য চিকিৎসা ফান্ড ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেয়ার জন্য শিক্ষাবৃত্তি ফান্ড করা হয়েছে। এক্ষেত্রে বর্তমান আইজিপিসহ কর্মরত পুলিশ কর্মকর্তরা অনেক সহায়তা করেছেন। ১৯৮২ সালের ১৬ অক্টোবর বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার কল্যাণ সমিতি যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে এই সমিতির সদস্য ৮৩৯ জন। দেশের বিভিন্ন জেলায় ১৪টি শাখা অফিস থেকে এই সমিতি তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে সমিতির পাঁচজন বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্যকে সম্মাননা তুলে দেন আইজিপি।
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রার্থী তাপস
২৮ডিসেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ পড়ছেন বর্তমান মেয়র সাঈদ খোকন। দলটির এবারের প্রার্থী হতে যাচ্ছেন সংসদ সদস্য শেখ ফজলে নূর তাপস। এদিকে, উত্তরের প্রার্থী হিসেবে বর্তমান মেয়র আতিকুল ইসলামকেই বহাল রাখা হচ্ছে বলে শোনা যাচ্ছে। শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় গণভবনে স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভায় শুরু হয়। সভা থেকেই এ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে বর্তমান মেয়র আতিকুল ইসলামসহ আওয়ামী লীগ থেকে মোট ১২ জন প্রার্থী দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন। আর ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে আট জন প্রার্থী আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম নিয়েছিলেন। এদিকে আসন্ন ঢাকা সিটি করপোরেশনে নির্বাচনে মেয়র পদে উত্তরে তাবিথ আউয়াল ও দক্ষিণে ইশরাক হোসেনকে মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। শনিবার বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কথা জানান। এর আগে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের স্বাক্ষাৎকার নেন বিএনপির মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যরা। গতকাল শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে রাজধানীর নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর কাছে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা ফরম জমা দেন। গত বৃহস্পতিবার ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ধানের শীষ প্রতীকে লড়তে তিন জন বিএনপির মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। ওইদিন রাজধানীর নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের জন্য দুজন এবং দক্ষিণে একজন মনোনয়নপত্র কিনেন। বিকেল সাড়ে তিনটার পর ঢাকা উত্তরের জন্য মনোনয়নপত্র কেনেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল ও বিশেষ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন। আর বিকেল চারটার দিকে ঢাকা দক্ষিণের জন্য মনোনয়নপত্র কেনেন অবিভক্ত ঢাকার সাবেক মেয়র ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকার বড় ছেলে ইশরাক হোসেন। প্রসঙ্গত, আগামী ৩০ জানুয়ারি ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
দেশজুড়ে শৈত্যপ্রবাহ, বিপর্যস্ত ছিন্নমূল মানুষ
২৮ডিসেম্বর,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সারাদেশে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও কমেনি শীতের তীব্রতা। হিমেল হাওয়া আর কনকনে ঠান্ডায় স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। বিশেষ করে বিপর্যস্ত ছিন্নমূল মানুষ। রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরণের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আজ শনিবার দিনাজপুরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে সাত দশমিক দুই। এদিকে শীতজনীত রোগে আক্রান্ত হয়ে শনিবার রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক শিশু মারা গেছে। কয়েক দিন পর একটু তাপমাত্রা বাড়লেও ঘন কুয়াশায় সূর্যের দেখা মিলছে না তেমন। বাতাসে কনকনে শীত বাড়িয়েছে কয়েক গুণ। এমন পরিস্থিতিতে আগুন জ্বালিয়ে শীত পোহানোর দৃশ্য দেশের প্রায় সব জায়গায় দেখা যাচ্ছে। অসহায় দরিদ্রদের জন্য শীতবস্ত্র বিতরণ হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। তবে শীতবস্ত্রের চাহিদা জানিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেয়া হয়েছে বলে জানান পঞ্চগড় জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান। এদিকে ঘন কুয়াশা আর কনকনে ঠান্ডায় রংপুর মেডিকেলে শীতজনিত রোগে মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। একই সঙ্গে বাড়ছে শীত থেকে বাঁচতে আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধদের সংখ্যা। তীব্র শীতে মানুষের পাশাপাশি মাছ, গবাদিপশুও আক্রান্ত হচ্ছে নানা রোগ-ব্যাধিতে। এদিকে, ঘন কুয়াশায় আলুর ক্ষেত আর বোরো বীজতলায় রোগের আক্রমণ দেখা দিয়েছে বলে জানায় বিভিন্ন এলাকার কৃষক।

জাতীয় পাতার আরো খবর