শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০২১
কওমি মাদ্রাসাকে প্রধানমন্ত্রীর ৮ কোটি ৩১ লাখ টাকার সহায়তা
৩০এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পবিত্র রমজান উপলক্ষে দেশের ৬ হাজার ৯৫৯টি কওমি মাদ্রাসাকে ৮ কোটি ৩১ লাখ ২৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের একটি সূত্র জানায়, এ অর্থ ইতোমধ্যে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। খবর বাসসের। সূত্র জানায়, এর মধ্যে রংপুর বিভাগে ৭০৩টি, রাজশাহী বিভাগে ৭০৪টি, খুলনা বিভাগে ১ হাজার ১১টি, বরিশাল বিভাগে ৪০২টি, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৯৭টি, ঢাকা বিভাগে ১ হাজার ৭৮০টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ১ হাজার ৪৮১টি এবং সিলেট বিভাগে ৪৮১টি মাদ্রাসা রয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ৫৬৪ জন, মৃত্যু আরও ৫ জনের
৩০এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্বব্যাপী মহামারি রূপ নেয়া করোনাভাইরাসে প্রতিদিনই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৬৪ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৭৬৬৭ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৬৮ জনে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) করোনা ভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ হাজার ৬২৬টি নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়েছে ৪ হাজার ৯৬৫টি।গতকালের তুলনায় আজ ৩ জনের নমুনা কম পরীক্ষা করা হয়েছে। নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫৬৪ জন। এছাড়া নতুন করে মারা গেছেন আরও ৫ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ৩ জন, নারী ২ জন। করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে আরও ১০ জন সুস্থ হয়েছেন। এ নিয়ে মোট ১৬০ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। এর আগে গতকাল বুধবার দেশে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৯৬৮টি নমুনা পরীক্ষা করে একদিনে সর্বোচ্চ ৬৪১ জনের শরীরে করেনা শনাক্তের কথা জানায় স্বাস্থ্য অধিদফতর। এছাড়া আরও ৮ জনের মৃত্যুর খবর জানানো হয়। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী এখন পর্যন্ত দেশের ৬৩টি জেলায় করোনা রোগীর সন্ধান মিলেছে। শুধু রাঙামাটি জেলাতে এখন পর্যন্ত করোনা রোগীর সন্ধান মেলেনি। ডিসেম্বরে প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকে বেশিরভাগ দেশই ভাইরাসটিতে তেমন পাত্তা দেয়নি। অনেক দেশই ধারণা করেছিল, এটি চীনা ভাইরাস এবং এর সংক্রমণ হয়তো ইউরোপ-আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়বে না। এজন্য সেখানকার দেশগুলো তেমন কোনো পদক্ষেপও নেয়নি। ফলও দিতে হচ্ছে তাদের। কারণ সংক্রমণ সংখ্যার দিক থেকে প্রথম দেশগুলোর তালিকার মাঝেই নেই চীন। বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনা ভাইরাসের রোগী শনাক্ত হলে বাড়ানো হয় সতর্কতা। ভাইরাসটি যেন ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেজন্য মার্চেই ব্যবস্থা নেয় বাংলাদেশ সরকার। বন্ধ ঘোষণা করা হয় সব সরকারি-বেসরকারি অফিস। পঞ্চম দফায় সেই ছুটি বাড়ানো হয়েছে আগামী ৫ মে পর্যন্ত। শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বের বেশিরভাগ দেশের পদক্ষেপ অনেকটা এ রকমই। তবে এর মাঝেও কিছু কিছু দেশ তাদের দেয়া লকডাউন কিছুটা শিথিল করছে। স্পেন, জার্মানি ও ভারত সেই পথে হেঁটেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইতালিও তেমনটাই ভাবছে। করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের সংখ্যা ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যনুযায়ী বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল ৯টা পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২ লাখ ২৮ হাজার ২১৫ জন। এছাড়া এ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ৩২ লাখ ২০ হাজার ১৪৮ জনের শরীরে। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১০ লাখ ৩০৩ জন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন ১৯ লাখ ৯১ হাজার ৬৩০ জন। এদের মধ্যে ১৯ লাখ ৩১ হাজার ৮১৯ জনের শরীরে মৃদু সংক্রমণ থাকলেও ৫৯ হাজার ৮১১ জনের অবস্থা গুরুতর।
বাংলাদেশ আরএমজি খাতে বৈশ্বিক ক্রেতাদের ক্রয়াদেশ পূরণে সক্ষম হবে : প্রধানমন্ত্রী
২৯এপ্রিল,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, চলমান করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব সত্ত্বেও বাংলাদেশ তৈরি পোশাক খাতে বৈশ্বিক ক্রেতাদের ক্রয়াদেশ পূরণ করতে সক্ষম হবে। সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী স্টিফেন লোফভেন আজ অপরাহ্নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে টেলিফোন করলে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বাসসকে বলেন, সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী বেলা ২টার দিকে টেলিফোন করে শেখ হাসিনার সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। তিনি বলেন, প্রায় পনের মিনিটের আলাপে উভয় নেতা ব্যবসা-বাণিজ্য, বিশেষকরে তৈরি পোশাক খাত নিয়ে কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়া সত্ত্বেও আমরা আশা করি সুইডেনসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের তৈরি পোশাক সংক্রান্ত ক্রয়াদেশ পূরণ করতে সক্ষম হব। এ প্রসঙ্গে সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী আশ্বস্ত করে বলেন, তাঁর দেশ তৈরি পোশাক সম্পর্কিত বাংলাদেশের কোন ক্রয়াদেশ বাতিল করবেনা। তিনি বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক আমদানী অব্যাহত রাখবো। শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের মালিকরা স্বাস্থ্যবিধি বজায় রেখে তাদের কারখানা চালু করেছেন। প্রেস সচিব বলেন, দুই দেশের করোনাভাইরাস পরিস্থিতিও উভয় নেতার আলোচনায় উঠে আসে। উভয় প্রধানমন্ত্রী করোনা মহামারী মোকাবেলায় দুই দেশের গৃহীত পদক্ষেপের প্রশংসা করেন। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোভিড-১৯ মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে একযোগে কাজ করার তাঁর আহবান পুনর্ব্যক্ত করেন।
এডিস মশা নিধনে ভবনে জমে থাকা পানি অপসারনের আহবান এলজিআরডি মন্ত্রীর
২৯এপ্রিল,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম এডিস মশা নিধনে ভবনের ভিতরে ও বাহিরে জমে থাকা পানি অপসারণ করার আহ্বান জানিয়েছেন। আজ বুধবার রাজধানীর কাওরান বাজারে ঢাকা ওয়াসা ভবনে ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রতিরোধ মূলক ব্যবস্থা নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় পর্যালোচনা সভায় সভাপতিত্বকালে তিনি এ আহ্বান জানান। তাজুল ইসলাম বলেন, বাসা-বাড়ী ও সরকারী-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ভবন বা চত্বরে মশার বংশবিস্তারে সক্ষম পরিবেশ পরিলক্ষিত হলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে জরিমানা করা হবে। ১০ মে’র পর থেকে অভিযান শুরু হবে। তিনি বলেন, জমে থাকা পানিতে এডিস মশা সহজেই বংশবিস্তার করতে পারে। কাজেই বাসাবাড়ি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ভবনের ছাদ, বাথরুমের কমোডসহ নির্মানাধীন স্থাপনার বিভিন্ন জায়গায় পানি জমে থাকলে তা নিজ নিজ উদ্যোগে পরিষ্কার করতে হবে। সরকারি ভবনসমূহে গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে কাজ করবে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এলজিআরডিমন্ত্রী জানান, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের নিকট মশা নিধনে এক বছরের ওষুধ মজুদ আছে। এ সময় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক রোয়েনা আজিজ, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীকে মোদির ফোন
২৯এপ্রিল,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফোন করে কথা বলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করবে বলে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন প্রতিবেশী দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম জানান, বুধবার বিকালে শেখ হাসিনাকে ফোন করেন নরেন্দ্র মোদি। প্রেস সচিব জানান, ফোনে দুই নেতা করোনা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন। এর প্রভাব মোকাবিলায় দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করার ব্যাপারে উভয়ে সম্মত হন। দুই নেতাই খাদ্য উৎপাদনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন বলে জানান প্রেস সচিব। এর আগে গত মার্চে করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় সার্কভুক্ত দেশগুলোকে এক হওয়ার প্রস্তাব দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার এই প্রস্তাবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সার্কভুক্ত রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানরা সমর্থন জানান।
দেশে নতুন করে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৬৪১
২৯এপ্রিল,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও আট জন মারা গেছেন। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মোট ১৬৩ জনের মৃত্যু হলো। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হিসেবে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও ৬৪১ জন। ফলে দেশে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা হয়েছে সাত হাজার ১০৩ জনে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।
কোয়ারেন্টিনে থাকা কনস্টেবল মারা গেলেন
২৯এপ্রিল,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাস রোগীর সংস্পর্শে এসে কোয়ারেন্টিনে থাকা ঢাকা মহানগর পুলিশে কর্মরত এক কনস্টেবল মারা গেছেন। এই কনস্টেবলের নাম মোহাম্মদ জসিম (৪০)। তিনি পুরান ঢাকার ওয়ারী থানার একটি পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন।মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে জসিমকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে জানান।ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই বাচ্চু মিয়া আরটিভি অনলাইনকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বেশ কিছুদিন ধরেই জসিম ফকিরাপুলের একটি হোটেলে কোয়ারেন্টিনে ছিলেন। মঙ্গলবার রাতে অবস্থা গুরুতর হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়েছিল। ডিএমপির একটি সূত্র জানায়, এনিয়ে ঢাকায় কোয়ারেন্টিনে থাকা পুলিশের দুই সদস্যের মৃত্যু হলো। অপরদিকে পুলিশে দুই শতাধিক সদস্য কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তদের বাইরে আরও ৬৫২ জন কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন।
আজ ভয়াল ২৯ এপ্রিল
২৯এপ্রিল,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ ভয়াল ২৯ এপ্রিল। ১৯৯১ সালের এ দিনে স্মরণকালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় কক্সবাজারের দ্বীপাঞ্চলসহ উপকূলীয় এলাকা। সব কিছু তছনছ করে মহা ধ্বংসযজ্ঞ সৃষ্টি করে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ। সেই সময় এতবড় অভিজ্ঞতার মুখোমুখি উপকুলের মানুষ আর কখনো হয়নি। তাই আজও ২৯ এপ্রিল আসলে স্বজন হারা মানুষের কান্নায় ভারি হয় উপকূলের পরিবেশ। সেদিন জলোচ্ছ্বাসের কবলে পড়ে অকালে হারিয়ে যাওয়া স্বজনদের স্মৃতি উপকূলবাসীকে এখনো তাড়ায়। বেদনা অশ্রু ভারাক্রান্ত হন তারা। ক্ষতিগ্রস্তদের মতে, সেদিন আবহাওয়া বিভাগ উপকূলীয় এলাকায় ৯নং সতর্ক সংকেত জারি করলেও অজ্ঞতার বশে লোকজন নিরাপদ স্থানে না যাওয়ায় মহা দুর্যোগের শিকার হন। রাত ১০টার পর ১০ থেকে ২০ ফুট উচ্চতায় সাগরের পানি মুহূর্তেই লোকালয়ে ঢুকে জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবলীলায় অনেক মা হারায় সন্তান, স্বামী হারায় স্ত্রী, ভাই হারায় বোনকে। অনেক পরিবার আছে যাদের গোটা পরিবারই পানির স্রোতে হারিয়ে গেছে। ২৯ এপ্রিলের সে ভয়াল স্মৃতি মনে করে এখনও কাঁদেন স্বজন হারানো উপকূলবাসী। প্রশাসনের হিসাব মতে, ২৯ এপ্রিলের ঘূর্ণিঝড়ে উপকূলীয় ১৯ জেলার ১০২ থানা ও ৯টি পৌরসভায় ১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৮২ জন নিহত, ১২ হাজার ১২৫ জন নিখোঁজ, ১ লাখ ৩৯ হাজার ৫৪ জন আহত হন। মাছ ধরার ট্রলার, নৌকা, বৈদ্যুতিক খুঁটি, গাছ-পালা, চিংড়ি ঘের, স্কুল-মাদরাসা, পানের বরজ, লাখ লাখ গবাদি পশু, ব্রিজ কালভার্ট ভেঙ্গে গিয়ে ক্ষতি সাধিত হয় কয়েক হাজার কোটি টাকার। তাই ২৯ বছর পরও অতীতের স্মৃতি মুছতে পারেনি উপকূলবাসী। জানা গেছে, ১৫৬১ সালের জলোচ্ছ্বাসেও উপকূলের বিপুল মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। এছাড়া ১৭৬২ সালে, ১৭৯৫ সালের ৩ জুন, ১৮৯৭ সালের ২৪ অক্টোবরে, ১৯০৫ সালের ২৯ এপ্রিলে, ১৯৬৩ সালের ২৭ মে, ১৯৭২ সালের অক্টোবরে, ১৯৯৭ সালের নভেম্বরে, ১৯৬৫ সালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে কুতুবদিয়া-দ্বীপসহ উপকুলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। সর্বশেষ ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের ভয়াবহ জলোচ্ছ্বাসে কুতুবদিয়া খুদিয়ার টেক নামক একটি এলাকা পুরো বিলীন হয়ে গেছে। ১৯৯১ সালের এ দিনে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটে কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর উপ-দ্বীপ ধলঘাটা-মাতারবাড়ি, পেকুয়ার মগনামা ইউনিয়ন, কুতুবদিয়ার প্রায় পুরো উপজেলা এবং সদরের বৃহত্তর গোমাতলী এলাকায়। ওখানে অধিকাংশ বাড়ি থেকে পরিবারের ৫-৬ জন লোক মারা যান। অনেক যৌথ পরিবারে ৪০ জন মারা যায়। তাই এ দিনটিতে এখনও স্বজন হারানোর বেদনায় বিলাপ করেন অনেকে।
সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর খোকনের মৃত্যু
২৯এপ্রিল,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দৈনিক সময়ের আলোর সিটি এডিটর ও চিফ রিপোর্টার হুমায়ুন কবীর খোকন আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল মাত্র ৪৭। তিনি শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভুগছিলেন। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। রাজধানীর উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। বিকেলে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে ওই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার বোন স্বপ্না সংবাদমাধ্যমকে জানান, আজ রাত ১০টায় তিনি ইন্তেকাল করেছেন। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাংগঠনিক সম্পাদক ও সময়ের আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক হাবিবুর রহমান বলেন, হুমাযুন কবীর খোকনের করোনাভাইরাসের কিছু লক্ষণ ছিল। তবে করোনার টেস্ট এখনো করা হয়নি। হুমায়ুন কবীর খোকন সময়ের আলোতে যোগদানের আগে আমাদের সময়, মানবজমিনসহ বিভিন্ন পত্রিকায় সুনামের সঙ্গে কাজ করেছেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর