বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০
মুজিববর্ষে বাড়ি পাবে দরিদ্র পরিবার
২১জানুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মুজিববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে দেশের ৬৮ হাজার ৩৮টি গ্রামে একটি করে দুস্থ ও দরিদ্র পরিবারকে পাকা বাড়ি নির্মাণ করে দেবে সরকার। প্রতিটি বাড়িতে খরচ হবে ২ লাখ ৯৯ হাজার ৮৬০ টাকা। চলতি ও আগামী অর্থবছর এসব বাড়ি নির্মাণ করা হবে। এ জন্য দুই বছরে বরাদ্দ প্রয়োজন ২ হাজার ৪০ কোটি ১৮ লাখ ৭৪ হাজার ৬৮০ টাকা। চলতি (২০১৯-২০) অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) ও কাজের বিনিময়ে টাকা (কাবিটা) কর্মসূচির বিশেষ বরাদ্দ বাতিল করে ৩০ হাজার বাড়ি নির্মাণ খাতে ৮৯৯ কোটি ৫৮ লাখ টাকা স্থানান্তরের প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। এ প্রস্তাবে বলা হয়, মুজিববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে দেশের ৬৮ হাজার ৩৮টি গ্রামে একটি করে মোট ৬৮ হাজার ৩৮টি দুর্যোগ সহনীয় বাড়ি দুস্থ ও দরিদ্র পরিবারের মাঝে বিতরণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবের সভাপতিত্বে এ বিষয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সচিব বলেন, ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে টিআর-কাবিটা কর্মসূচির বিশেষ খাতের অর্থ দিয়ে গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও দুর্যোগে ঝুঁকি হ্রাসকল্পে গৃহহীন পরিবারের মাঝে দুর্যোগ সহনীয় বাড়ি নির্মাণ করা হচ্ছে। যার মাধ্যমে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার আমার গ্রাম, আমার শহর অনুযায়ী প্রতিটি গ্রামে আধুনিক নগর সুবিধা পৌঁছে দেয়ার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন সহজ হবে। তিনি আরও বলেন, এর ধারাবাহিকতায় মুজিববর্ষ উপলক্ষে এ মন্ত্রণালয় থেকে প্রতিটি গ্রামে গৃহহীনদের মধ্য থেকে একটি পরিবারকে দুর্যোগ সহনীয় বাড়ি দেয়া হবে। তাই ৬৮ হাজার ৩৮টি বাড়ি নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে সভায় অতিরিক্ত সচিব (ত্রাণ) বলেন, বাংলাদেশে অতি দরিদ্রতার হার যখন ক্রমশ নিম্নমুখী তখন ভিজিএফের সাহায্য ক্রমান্বয়ে কমিয়ে আনতে হবে, যা দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে কর্মমুখী করবে এবং আত্মনির্ভরশীল ও আত্মমর্যাদাশীল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করবে। তিনি আরও বলেন, চলতি (২০১৯-২০) এর সংশোধিত বাজেটে ভিজিএফের অব্যয়িত অর্থ থেকে ন্যূনতম প্রয়োজনীয় অর্থ সংকুলান রেখে অবশিষ্ট অর্থ মুজিববর্ষ উপলক্ষে নির্মিতব্য বাড়িতে স্থানান্তর করার বিষয়ে তার অভিমত ব্যক্ত করেন। উপস্থিত সব অনুবিভাগ প্রধান এ বিষয়ে অতিরিক্ত সচিবের (ত্রাণ) সঙ্গে ঐকমত্য পোষণ করেন। এ প্রসঙ্গে সভায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (বাজেট) বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে গত বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি জারিকৃত অনুমোদিত কর্মসূচির আওতায় স্কিম চিহ্নিতকরণ, প্রণয়ন, যাচাই, সংশোধন, বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন পদ্ধতি শীর্ষক পরিপত্র প্রতিপালন সাপেক্ষে, ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী টিআর-কাবিটা কর্মসূচির বিশেষ খাতের বরাদ্দ দ্বারা গৃহহীনদের জন্য দুর্যোগ সহনীয় গৃহনির্মাণের সারসংক্ষেপ অনুমোদন করেছেন। একইভাবে ভিজিএফ কর্মসূচির ২০১৯-২০ সংশোধিত বাজেট এবং ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে মুজিববর্ষ উপলক্ষে নির্মিতব্য দুর্যোগ সহনীয় বাড়ি নির্মাণে ব্যয়ের জন্য অর্থ বিভাগের সম্মতি সাপেক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সানুগ্রহ অনুমোদনের জন্য পেশ করতে হবে। সভায় বিস্তারিত আলোচনা শেষে পরিচালন/বিশেষ কার্যক্রম হতে উন্নয়ন ব্যয়ে ২০১৯-২০ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে ৩০ হাজার বাড়ি নির্মাণের জন্য প্রতিটি বাড়ি ২ লাখ ৯৯ হাজার ৮৬০ টাকা হিসাবে মোট ৮৯৯ কোটি ৫৮ লাখ টাকা স্থানান্তরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।
মিন্নির আবেদন হাইকোর্টে খারিজ
২১জানুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বরগুনায় প্রকাশ্যে দিবালোকে শাহ নেওয়াজ রিফাত শরীফকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলা বাতিল চেয়ে নিহতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির করা আবেদন উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করেছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি এসএম মজিবুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন। মিন্নিরপক্ষে আইনজীবী ছিলেন মিন্নির পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেড আই খান পান্না ও মাক্কিয়া ফাতেমা ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এফআর খান। মামলাটি নিজের ক্ষেত্রে বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন মিন্নি। তবে এরইমধ্যে ওই মামলায় বরগুনার আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। এ অবস্থায় আবেদনটি না চালানোর কথা বলে ফেরত চাওয়া হয়। এরপর আদালত আবেদনটি উত্থাপিত হয়নি বলে খারিজ করে আদেশ দেন। গতবছর ২৬ জুন সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্য দিবালোকে কুপিয়ে রিফাত শরীফকে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহত রিফাতের পিতা আব্দুল আলিম দুলাল শরীফ বাদী হয়ে মামলা করেন। এই মামলায় নিহত রিফাতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় গতবছর ১ সেপ্টেম্বর মিন্নিসহ ২৪জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। এই মামলায় নিহতের স্ত্রী মিন্নি জামিনে মুক্ত রয়েছে। এছাড়া হত্যাকান্ডের মূল অভিযুক্ত নয়ন বন্ড গতবছর ২ জুলাই বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়। একারণে তাকে অভিযোগপত্রে আসামি করা হয়নি। মিন্নিকে গতবছর ১৬ জুলাই গ্রেপ্তার করলেও হাইকোর্ট গতবছর ২৯ আগস্ট এক রায়ে মিন্নির জামিন মঞ্জুর করেন। এই রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি ওইবছরের পহেলা সেপ্টেম্বর প্রকাশিত হয়। ওই দিনই পুলিশ মিন্নিসহ ২৪ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দাখিল করে। তবে আপিল বিভাগ জামিন বহাল রাখায় মিন্নি গতবছর ৩ সেপ্টেম্বর কারাগার থেকে মুক্তি পান। এরইমধ্যে এ মামলায় মিন্নিসহ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। মামলায় বরগুনার আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণও শুরু হয়েছে।
শপথ নিয়েই সংসদে কালুর ঘাট সেতু নির্মাণের দাবি নবনির্বাচিত এমপির
২১জানুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কালুর ঘাট সেতুর নির্মাণ করতে না পারার আক্ষেপ নিয়ে মৃত্যুবরণ করেন জাসদের নির্বাহী সভাপতি মঈনুদ্দিন খান বাদল। সেই সেতু নির্মাণের দাবি জানালেন একই নির্বাচনী আসন চট্টগ্রাম-৮ থেকে উপ-নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে আসা নব নির্বাচিত এমপি মোছলেম উদ্দিন আহমেদ। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে একাদশ সংসদের ষষ্ঠ অধিবেশনে সোমবার দেওয়া প্রথম শুভেচ্ছা বক্তব্যে তিনি এ দাবি জানান। তবে তিনি মঈনুদ্দিন খান বাদলের নাম উচ্চারণ করেননি। এর আগে সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ে মোছলেম উদ্দিন আহমেদকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ বাক্য পাঠ করান স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। শপথ অনুষ্ঠানে চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী, হুইপ মাহবুব আরা বেগম গিনি, হুইপ সামশুল হক চৌধুরী, হুইপ ইকবালুর রহিম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ বি তাজুল ইসলাম, আবু রেজা মোহাম্মদ নেজানমুদ্দীন নদভী, ওয়াসিকা আয়শা খান এ, খালেদা খানম এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন উপস্থিত ছিলেন। জাতীয় সংসদের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান শপথ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।
ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া রোধে প্রতিবেদন দিতে ১ মার্চ পর্যন্ত সময় দিল হাইকোর্ট
২১জানুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া নির্মূলে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থতার কারণ এবং দায়ীদের চিহ্নিত করতে ১ মার্চ পর্যন্ত সময় দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ সময়ের মধ্যে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটিকে তাদের প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে। সময় আবেদনের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের বেঞ্চ এই আদেশ দেন। এর আগে আদালতে প্রতিবেদন দিতে আরো দুই মাস সময় চেয়ে আদালতে আবেদন করে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি।
যশোর-৬ আসনের এমপি ইসমত আরা আর নেই
২১জানুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: যশোর-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী ইসমত আরা সাদেক ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন)। মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে রাজধানীর একটি বেসরকারী হাসপাাতলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইসমত আরা সাদেকের পিএস দেবাশীষ আইচ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। তার মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। ইসমাত আরা সাদেক ১৯৪২ সালের ১২ ডিসেম্বর বগুড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫৬ সালে বগুড়া ভি এম গার্লস স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন ও ১৯৫৮ সালে ঢাকার হলিক্রস কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েড পাস করেন। ১৯৬০ সালে তিনি ঢাকার ইডেন কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৯২ সালে তিনি ও তার স্বামী এ, এস, এইচ, কে, সাদেক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে যোগ দেন। ১৯৯৬ সালে তিনি কেশবপুর মহিলা আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা করেন ও তখন থেকে কার্যনির্বাহী কমিটির ১ নম্বর সদস্য হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করছেন। ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ মহিলা কল্যাণ পরিষদের সদস্য ছিলেন। তিনি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-৬ (কেশবপুর) নির্বাচনী এলাকা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১২ জানুয়ারি ২০১৪ তারিখে নতুন সরকার গঠিত হলে তাকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করা হয়। পরবর্তী সময়ে ১৫ জানুয়ারি ২০১৪ তারিখে তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি। ইসমত আরা সাদেকের স্বামী এ এইচ কে সাদেক সাবেক শিক্ষামন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ছিলেন। সাবেক এই সচিব আওয়ামী লীগ থেকে দুইবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ব্যক্তিগত জীবনে ইসমত আরা সাদেক এক ছেলে এবং এক মেয়ের মা। তার ছেলে তানভীর সাদেক কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার এবং মেয়ে নওরীন সাদেক একজন স্থপতি প্রকৌশলী। তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে যশোরে নিজ নির্বাচনী এলাকায়। মৃত্যুর খবর হাসপাতালে ছুটে আসেন রাজনৈতিক সহকর্মীরা।
মাদক-ধর্ষণসহ ১৯ মামলার আসামি Rab এর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত
২১জানুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীতে Rab এর সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে আনোয়ার হোসেন (৩৪) নামে মাদক ও ধর্ষণ মামলার এক আসামি নিহত হয়েছেন। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত সোয়া ২টার দিকে খিলক্ষেত থানাধীন বড়ুয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। Rab এর দাবি, নিহত আনোয়ার হোসেন একজন কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী এবং তার নামে থানায় ১৮টি মাদক ও একটি ধর্ষণ মামলা রয়েছে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে Rab-1 এর সহকারী পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান জানান, সোমবার রাতে একদল মাদক ব্যবসায়ী বড়ুয়া এলাকায় অবস্থান করছে, এমন খবরের ভিত্তিতে Rab এর একটি টহল দল সেখানে অভিযানে যায়। এ সময় Rab সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা গুলি ছোড়েন। আত্মরক্ষার্থে Rab সদস্যরাও পাল্টা গুলি ছোড়েন। এতে আনোয়ার হোসেন নামে একজন গুলিবিদ্ধ হয়। পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় Rab এর এক সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে চারটি ওয়ান শুটার গান, ৩৪টি কার্তুজ ও বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে বলেও দাবি করেন মো. কামরুজ্জামান।
শপথ নিলেন সংসদ সদস্য মোছলেম উদ্দিন আহমদ
২১জানুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) আসনের উপ-নির্বাচনে বিজয়ী আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মোছলেম উদ্দিন আহমদ শপথ নিয়েছেন। আজ সোমবার দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে তাকে শপথ পাঠ করান স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। শপথ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান। অনুষ্ঠানে সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী, হুইপ ইকবালুর রহিম, মাহবুব আরা বেগম গিনি ও সামশুল হক চৌধুরী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ বি তাজুল ইসলাম, সংসদ সদস্য আবু রেজা মোহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী, ওয়াসিকা আয়শা খান ও খালেদা খানম এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, সংসদ সদস্য মইন উদ্দীন খান বাদলের মৃত্যুতে ওই আসনটি শুন্য হয়। গত ১৩ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত উপ-নির্বাচনে ৮৭ হাজার ২৪৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন মোছলেম উদ্দিন। এদিকে শপথ গ্রহণ শেষে সংসদ অধিবেশনে যোগ দেন মোছলেম উদ্দিন। তিনি সংসদ সদস্য পদে নির্বাচিত করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্থানীয় জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
৮ম ও এর ওপরের গ্রেডের নিয়োগেও কোটা থাকবে না
২০জানুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নন ক্যাডার ৮ম ও এর ওপরের গ্রেডের পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা পদ্ধতি থাকবে না। সোমবার (২০ জানুয়ারি) নন-ক্যাডার ৮ম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা বণ্টন পদ্ধতি সংক্রান্ত পরিপত্র সংশোধনের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠক হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এই অনুমোদনের কথা জানান। ৮ম গ্রড থেকে এর ওপরের অর্থাৎ ১ম গ্রেড পর্যন্ত নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো কোটা থাকবে না। কোটা বাতিলের বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রের স্পষ্টকরণের জন্য বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি) প্রস্তাব পাঠালে সেই প্রস্তাব অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই প্রস্তাবটি উপস্থাপন করে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন,বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় থেকে গত ৩ ফেব্রুয়ারি নন ক্যাডার ৮ম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ করা হবে নাকি আগের কোটা পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে এ বিষয়টি স্পষ্টকরণের জন্য অনুরোধ করা হয়। তিনি বলেন,জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা পদ্ধতি বাতিল করে পরিপত্র জারি করে। সেখানে বলা হয়, ৯ম গ্রেড (আগের প্রথম শ্রেণি) এবং ১০ম থেকে ১৩ম গ্রেডের (আগের দ্বিতীয় শ্রেণি) পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রদান করা হবে। ৯ম গ্রেড এবং ১০ম থেকে ১৩ম গ্রেডের (আগের দ্বিতীয় শ্রেণি) পদে সরকারি নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা পদ্ধতি বাতিল করা হলো। তিনি আরও বলেন,পরিপত্রে ৯ম গ্রেড (আগের প্রথম শ্রেণি) এবং ১০ম থেকে ১৩ম গ্রেডের (আগের দ্বিতীয় শ্রেণি) পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা পদ্ধতি বাতিল করা হলেও আগের ১ম শ্রেণিভুক্ত ৮ম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা বণ্টন পদ্ধতি কী হবে সে বিষয়ে কোনো সুস্পষ্ট নির্দেশনা নেই। খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন,বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন ৯ম গ্রেড এবং ১০ম থেকে ১৩তম গ্রেড ছাড়াও ৮ম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কোনো কোনো পদে সরাসরি নিয়োগ দিয়ে থাকে। জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ এ শ্রেণির পরিবর্তে গ্রেড উল্লেখ করা হয়েছে এবং আগের ১ম শ্রেণির পদ বলতে ৯ম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের পদকে বুঝানো হয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রে ৯ম গ্রেড এর স্থলে ৯ম ও তদূর্ধ্ব গ্রেড উল্লেখ করে পরিপত্রটির সংশোধন প্রয়োজন বলে প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন,মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত দিয়েছে যে ৯ম থেকে যত ওপরের দিকের যাক সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো কোটা পদ্ধতি থাকবে না। আগের মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমের নেতৃত্বে গঠিত কোটা পর্যালোচনা কমিটি ২০১৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সুপারিশ জমা দেন। কমিটি ৯ম থেকে ১৩তম গ্রেড পর্যন্ত নিয়োগের ক্ষেত্রে সবধরনের কোটা উঠিয়ে দেয়ার প্রস্তাব করেন। সেই প্রস্তাবটিই অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে ২০১৮ সালের ২ জুলাই কোটা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করে তা সংস্কার বা বাতিলের বিষয়ে সুপারিশ দিতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে সাত সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করে সরকার। এর আগে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ক্ষুব্ধ হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় সংসদে কোটা ব্যবস্থা বাতিলের ঘোষণা দেন।
ট্রাফিক সিগন্যালের অব্যবস্থাপনা কেন অবৈধ নয় : হাইকোর্ট
২০জানুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ট্রাফিক সিগন্যালের অব্যবস্থাপনা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। সোমবার (২০ জানুয়ারি) সংশ্লিষ্ট একটি রিট আবেদনের ওপর প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। গত বছর ২০১৮ সালের ৩ এপ্রিল সড়ক দুর্ঘটনায় বিআরটিসির দুই বাসের মাঝে রাজীবের বিচ্ছিন্ন হাত আটকে থাকার ছবি দেশের মানুষের হৃদয় কাঁদিয়েছিল। একই বছরের ২৯ জুলাই শহীদ রমিজউদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী জাবালে নূর পরিবহনের বাসচাপায় নিহত হওয়ায় বিক্ষোভ করেছে সহপাঠীরা। রাজীবের ঝুলে থাকা হাত আর দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু স্পষ্ট করে সড়কে পরিবহনের অব্যবস্থাপনার চিত্র। নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীরা দেশব্যাপী আন্দোলন গড়ে তোলে, সড়ক অব্যবস্থাপনা নিয়ে সমালোচনা হয়, হয়েছে নতুন আইন, সরব হয়েছে পুলিশের ট্রাফিক বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোও। তবুও সড়কে ফিরছে না শৃঙ্খলা। এখনও সড়কে স্পষ্ট অব্যবস্থাপনা।

জাতীয় পাতার আরো খবর