শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২০
মুজিববর্ষের লোগো ব্যবহারের নির্দেশিকা প্রকাশ
২০জানুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে জাতীয়ভাবে লোগো প্রকাশ করা হয়েছে। একইসঙ্গে এই লোগো ব্যবহারের নির্দেশিকাও প্রকাশ করা হয়েছে। এই লোগো যেখানে সেখানে ব্যবহার করা যাবে না। যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করে লোগো ব্যবহারের জন্য বলেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি। জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরীর বরাতে জানানো হয়েছে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় দেশে ও বিদেশে উদযাপনের লক্ষ্যে সম্প্রতি মুজিববর্ষ লোগো নির্বাচন করা হয়েছে। লোগোটি যথোপযুক্তভাবে ব্যবহারের লক্ষ্যে নিম্নরূপ নির্দেশিকা জারি করা হলো: ১. জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি নির্ধারিত রঙ, বর্ণবিন্যাস এবং আকৃতি ব্যতীত অন্য কোনও প্রকারে এই লোগো ব্যবহার করা যাবে না। ২. সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত, সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান, সরকারি মালিকানাধীন কোম্পানি, সরকারি ও বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মিডিয়া ও বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের সব ই-মেইল, সরকারি পত্র, স্মারকপত্র, আধা-সরকারি পত্রে স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানের লোগোর সঙ্গে যথাযথভাবে মুজিববর্ষের লোগোটি ব্যবহার করা যাবে। ৩. সরকারি মালিকানাধীন সব বাস, ট্রেন, দাফতরিক গাড়ি, নৌযান, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটে চলমান বাংলাদেশ বিমান, সামরিক এয়ারক্রাফট এবং ক্রুজে উপযুক্ত স্থানে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন ও সাজসজ্জায় মুজিববর্ষ লোগোর নির্দেশিকা অনুসরণ করে নির্ধারিত এবং আনুপাতিক হারে নান্দনিকভাবে লোগোটি ব্যবহার করা যাবে। ৪. জাতীয় দিবসের বিভিন্ন উপলক্ষে সরকারি-বেসরকারি প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে শুভেচ্ছা কার্ড এবং আমন্ত্রণপত্রে উক্ত লোগো ব্যবহার করা যাবে। ৫. জাতীয় পাঠ্যপুস্তক এবং সব সরকারি তথ্যবাতায়নে এই লোগো ব্যবহার করা যাবে। ৬. সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যালেন্ডার, নোটপ্যাড, স্টেশনারি, বিজ্ঞাপন ইত্যাদি প্রচার সামগ্রীতে এই লোগো ব্যবহার করা যাবে। ৭. কোনও ব্যক্তিগত বা বেসরকারি ব্যবসায়িক বা বাণিজ্যিক প্রোডাক্ট, সেবার উদ্দেশ্যে এই লোগো ব্যবহার করা যাবে না। ৮. সিগারেট, অ্যালকোহল, আগ্নেয়াস্ত্র কিংবা অনুরূপ দ্রব্যাদিতে এই লোগো ব্যবহার করা যাবে না। ৯. বিভিন্ন ক্রীড়া, সাহিত্য, রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংস্থার অনুষ্ঠান আয়োজনে, প্রকাশনার ক্ষেত্রে লোগো ব্যবহার করা যাবে। ১০. জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী জাতীয় পর্যায়ে সুষ্ঠুভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে নির্বাচিত লোগোটি ২০২১ সালের ২৬ মার্চ পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবে।
সিপিবির সমাবেশে বোমা হামলায় ১০ জনের মৃত্যুদণ্ড
২০জানুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সমাবেশে বোমা হামলা মামলার রায়ে ১০ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ১৯ বছর আগে রাজধানীর পল্টন ময়দানে এ বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। সোমবার ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক রবিউল আলম এ রায় ঘোষণা করেন বলে সংশ্লিষ্ট আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর সালাউদ্দিন হাওলাদার নিশ্চিত করেন। এর আগে সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে কারাগারে থাকা চার আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর আদালতের এজলাসে সকাল সাড়ে ১০টায় তাদেরকে হাজির করা হয়। এ মামলায় মোট ৩৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। গত ১ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ এবং আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে রায়ের জন্য আজকের এদিন দিন নির্ধারণ করেন আদালত। ২০০১ সালের ২০ জানুয়ারি সিপিবির সমাবেশে দুর্বৃত্তরা বোমা হামলা করে। এতে পাঁচজন নিহত এবং ২০ জন আহত হন। ওই ঘটনায় সিপিবির তৎকালীন সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান খান বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় মামলা দায়ের করেন। ২০০৩ সালের ডিসেম্বরে আসামিদের বিরুদ্ধে নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি মর্মে তদন্ত শেষে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। এরপর ২০০৪ সালে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা ও ২০০৫ সালের আগস্টে দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলা হয়। এসব ঘটনায় জঙ্গিরা জড়িত বলে প্রমাণ পাওয়ার পর ২০০৫ সালে মামলাটি আবারও তদন্তের আদেশ দেওয়া হয়। তদন্তের পর ২০১৩ সালের ২৭ নভেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন সিআইডি পুলিশের ইন্সপেক্টর মৃনাল কান্তি সাহা। পরের বছর ২১ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন (চার্জগঠন) করেন আদালত। মামলার আসামিরা হলেন- হরকাতুল জিহাদের (হুজি) নেতা মুফতি আব্দুল হান্নান, হুজির সদস্য মুফতি মঈন উদ্দিন শেখ, আরিফ হাসান সুমন, মাওলানা সাব্বির আহমেদ, শওকত ওসমান ওরফে শেখ ফরিদ, মো. মশিউর রহমান, জাহাঙ্গীর আলম বদর, মহিবুল মুত্তাকিন, আমিনুল মুরসালিন, মুফতি আব্দুল হাই, মুফতি শফিকুর রহমান, রফিকুল ইসলাম মিরাজ ও নূর ইসলাম। আসামিদের মধ্যে জঙ্গি নেতা মুফতি আব্দুল হান্নানের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। আর শেষের সাতজন পলাতক। এ মামলায় দুই জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। ওই সমাবেশে বোমা হামলায় নিহতরা হলেন খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলার সিপিবি নেতা হিমাংশু মণ্ডল, খুলনা জেলার রূপসা উপজেলার সিপিবি নেতা ও দাদা ম্যাচ ফ্যাক্টরির শ্রমিক নেতা আব্দুল মজিদ, ঢাকার ডেমরা থানার লতিফ বাওয়ানি জুট মিলের শ্রমিক নেতা আবুল হাসেম, মাদারীপুরের মুক্তার হোসেন ও খুলনা বিএল কলেজের ছাত্র ইউনিয়ন নেতা বিপ্রদাস।
ই-পাসপোর্টের জন্য ছবি তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী
২০জানুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট বা ই-পাসপোর্টের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফটোগ্রাফ নেয়া হয়েছে। আগামী ২২ জানুযারি থেকে ই-পাসপোর্ট প্রদান শুরু হতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব কে এম শাখাওয়াত মুন জানান, অভিবাসন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর (ডিপিআই) কর্তৃপক্ষ আজ বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে তাঁর ফটোগ্রাফ সংগ্রহ করেছে। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী ই-পাসপোর্টের জন্য একটি ডিভাইসে তাঁর ডিজিটাল স্বাক্ষরও দেন। এ সময় ই-পাসপোর্ট প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইদুর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ২২ জানুয়ারি বুধবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ই-পাসপোর্ট বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। ডিপিআইর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ এর আগে বলেন, প্রথম ধাপে রাজধানীর আগারগাঁও, উত্তরা ও যাত্রাবাড়ী পাসপোর্ট কার্যালয় থেকে এটি দেওয়া হবে। পরে ধাপে ধাপে সারা দেশের পাসপোর্ট কার্যালয় থেকে ই-পাসপোর্ট দেয়া হবে। জার্মান কোম্পানি ভেরিদোস জিএমবিএইচ দেশে ই-পাসপোর্ট ও ই-গেট নিয়ে কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ই-পাসপোর্ট চালুর মাধ্যমে অভিবাসন প্রক্রিয়া ত্রুটিমুক্ত করার চেষ্টা চলছে। আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান পরিবহন সংস্থা (আইসিএও)র মতে বর্তমানে এক শর বেশি রাষ্ট্র ও সংস্থা (জাতিসংঘ) ই-পাসপোর্ট ইস্যু করছে এবং ৪৯ কোটি ই-পাসপোর্ট চালু রয়েছে। ই-পাসপোর্ট প্রচলিত সাধারণ পাসপোর্টের চেয়ে বেশি নিরাপদ। যাতে পাসপোর্টধারীর ব্যাক্তিগত তথ্য সম্বলিত একটি ইলেক্ট্রনিক চিপ সংযুক্ত থাকে। প্রকল্প বিবরণী অনুযায়ী ৪ হাজার ৫ শ ৪৯ কোটি টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। ডিপিআই সম্পূর্ণ সরকারি খরচে ২০১৮ থেকে ২০২৮ মেয়াদের মধ্যে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। ই-পাসপোর্ট চালুর মাধ্যমে পুরো অভিবাসন প্রক্রিয়াটি অনলাইনে সম্পন্ন হবে। মোট ৩ কোটি পাসপোর্ট প্রদান করা হবে। এর মধ্যে ২ কোটি পাসপোর্ট জার্মানি থেকে তৈরি করে আনা হবে। যারা প্রথমে আবেদন করবেন তারা জার্মানির তৈরি ই-পাসপোর্ট পাবেন। এর মেয়াদ হবে পাঁচ ও দশ বছর। ডিপিআই ও ভেরিদোস ২০১৮ সালের ১৯ জুলাই মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের পাশাপাশি ই-পাসপোর্টের জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে।
প্রথম আলো সম্পাদকসহ ছয়জনকে গ্রেফতার ও হয়রানি নয়
১৯জানুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষার্থী নাইমুল আবরার রাহাতের মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলায় প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান ও সহযোগী সম্পাদক আনিসুল হকসহ ছয়জনকে গ্রেফতার ও হয়রানি না করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে এ বিষয়ে করা আবেদনের ওপর আগামিকাল সোমবার শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। রোববার (১৯ জানুয়ারি) বিচারপতি ওবায়দুল হাসান এবং বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এর আগে সকালে প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান ও সহযোগী সম্পাদক আনিসুল হকসহ ছয়জন হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন। অন্যরা হলেন, কিশোর আলোর জ্যেষ্ঠ সহসম্পাদক মহিতুল আলম, প্রথম আলোর হেড অব ইভেন্ট অ্যান্ড অ্যাকটিভেশন কবির বকুল, নির্বাহী শাহ পরাণ তুষার এবং নির্বাহী শুভাশীষ প্রামাণিক। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) নাইমুল আবরার নিহত হওয়ায় কিশোর আলো কর্তৃপক্ষের অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেছে মর্মে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল আলিম এ প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদন আমলে নিয়ে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. কায়সারুল ইসলাম মতিউর রহমানসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। উল্লেখ্য, গেল বছরের ১ নভেম্বর প্রথম আলোর কিশোর ম্যাগাজিন কিশোর আলোর বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান দেখতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যায় ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষার্থী নাঈমুল আবরার (১৫)। সে নবম শ্রেণির (দিবা) গ শাখার ছাত্র ছিল। ঘটনার পরদিন প্রথমে মোহাম্মদপুর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করেন আবরারের বাবা মজিবুর রহমান। পরে ৬ নভেম্বর ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম আমিনুল হকের আদালতে অবহেলাজনিত কারণ উল্লেখ করে আরেকটি মামলা করেন আবরারের বাবা। মামলায় পেনাল কোডের ৩০৪ ধারায় অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগ আনা হয়। আদালত অপমৃত্যুর মামলার সাথে এই মামলার তদন্তের নির্দেশ দিয়ে মোহাম্মদপুর থানাকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। আবরার সহপাঠীদের অভিযোগ, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার পর তাকে (অবরার) দ্রুত চিকিৎসা দেয়া প্রয়োজন ছিল। কিন্তু আয়োজক কর্তৃপক্ষ তাকে আশপাশের কোনো হাসপাতালে না নিয়ে মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ায় তার মৃত্যু হয়েছে।- একুশে টেলিভিশন
পেছাল বইমেলাও, শুরু হচ্ছে ২ ফেব্রুয়ারি
১৯জানুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা সিটি করপোরেশনের নির্বাচন আগামী ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য অমর একুশে গ্রন্থমেলার তারিখ পিছিয়ে ২ ফেব্রুয়ারি করা হয়েছে। প্রতি বছর একুশে বইমেলা ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়। এবার ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনের কারণে একদিন পরে শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ দিন বই মেলার উদ্বোধন করবেন। রোববার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি ও লেখক হাবীবুল্লাহ সিরাজী বিষয়টি জানান। তিনি বলেন, নির্বাচনের কারণে ১ ফেব্রুয়ারির পরিবর্তে ২ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৩টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বইমেলার উদ্বোধন করবেন। বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও তৎসংলগ্ন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রতিবছর বই মেলার আসর বসে। এ মেলায় দেশি বিদেশি নানা বইয়ের সমাহার ঘটে থাকে। জমে উঠে লেখক, সাহিত্যিক, পাঠক ও প্রকাশকদের মিলনমেলা। প্রতিদিনই প্রকাশিত হয় নতুন নতুন বই।
ডিআইজি মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল
১৯জানুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সাময়িক বরখাস্ত হওয়া দুই কর্মকর্তা পুলিশের ডিআইজি মিজানুর রহমান ও দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। এই দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের অভিযোগের মামলায় এই দার্জশিট দাখিল করা হয়। রোববার (১৯ জানুয়ারি) ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা এ অভিযোগপত্র দাখিল করেন। বিচারক চার্জশিট দেখিলাম জানিয়ে সাক্ষর করেন ও পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি ধার্য করেন। মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায় থেকে বাঁচতে ডিআইজি মিজান অসৎ উদ্দেশ্যে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ দেন খন্দকার এনামুল বাছিরকে। আর মামলা থেকে বাঁচিয়ে দিতে সেই টাকা নেন দুদকের পরিচালক এনামুল বাছির। ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ পাওয়ার পর দুই প্রতিষ্ঠান থেকেই ডিআইজি মিজান ও এনামুল বাছিরকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে এক নারী ব্যাংক কর্মকর্তাকে জোর করে বিয়ে এবং সম্পর্ক গোপন রাখার অভিযোগে পুলিশের ডিআইজি মিজানুর রহমানকে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়। পরে মিজানের শত কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে বলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ আসে। সেই অভিযোগ যাচাই-বাছাইয়ের অংশ হিসেবে ওই বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ দেয় দুদক। এরপর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন পুলিশের বিতর্কিত এই কর্মকর্তা। ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের ঘটনা তদন্ত করছিলেন এনামুল বাছির। মিজান এ সম্পর্কিত অডিও রেকর্ড বেসরকারি একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে সরবরাহ করেন। এরপরই দুদক তিন সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করে। সেই কমিটির তদন্তের ভিত্তিতে কমিশন খন্দকার এনামুল বাছিরকে সাময়িক বরখাস্ত করে। ২০১৯ সালের ১৬ জুলাই ডিআইজি মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা।
২২ জানুয়ারি থেকে মিলবে ই-পাসপোর্ট : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
১৯জানুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামি ২২ জানুয়ারি (বুধবার) থেকে চালু হচ্ছে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক উদ্বোধনের মধ্যদিয়ে এ কার্যক্রম চালু হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। রোববার (১৯ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা জানান। তিনি বলেন,চলতি বছরের মধ্যেই দেশের সর্বত্র ই-পাসপোর্ট চালু হবে। প্রথম এই পাসপোর্ট পাবেন রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী। প্রতিদিন ২৫ হাজার পাসপোর্ট ইস্যু করা যাবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের নভেম্বরের মধ্যে মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (এমআরপি) কার্যক্রম শেষ করার কথা থাকলেও তার অনেক আগেই হয়েছে। আমরা সবার কাছে এমআরপি পৌঁছে দিয়েছি। ই-পাসপোর্ট চালু হলে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের নিরাপত্তা ও সম্মান বৃদ্ধি পাবে। ই-পাসপোর্টের মাধ্যমে মেশিনে একজন ব্যক্তির প্রকৃত তথ্য মাত্র ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে যাচাইয়ের সুবিধা রয়েছে। পাসপোর্ট অধিদফতর ও সেনাবাহিনী যৌথভাবে এই কাজ করছে। তিনি বলেন, প্রথমে উত্তরা, যাত্রবাড়ী এবং আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে এ কার্যক্রম শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে তা বাংলাদেশের সর্বত্র চলে যাবে। আবেদনপত্র ডাউনলোড করে পূরণ করে জমা দিতে হতে। এক্ষেত্রে ছবি ও সত্যায়িত করা লাগবে না। পাঁচ বছর ও ১০ বছর মেয়াদি ৪৮ এবং ৬৪ পাতার ই-পাসপোর্ট ১৫ % ভ্যাটসহ ভিন্ন ভিন্ন ফি দিয়ে পাওয়া যাবে। অতি জরুরি দুই দিনে, কম জরুরি সাত দিন ও ১৫ দিনে এই পাসপোর্ট সরবরাহ করা হবে। দক্ষিণ এশিয়ায় ই-পাসপোর্ট করার গৌরব এখন একমাত্র বাংলাদেশের। এটি মুজিববর্ষের উপহার। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ই-পাসপোর্টের জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগবে তবে বিভিন্ন ধরনের নাজেহাল এড়াতে এটি অনলাইনে করার চেষ্টা করছি যেন অতীতের তুলনায় সহজ হয়। মন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের ডিজিটালাইজড আইডি কার্ড দেওয়া হয়েছে। সেটি নিবন্ধন রয়েছে। কাজেই তথ্য গোপন করে কোনও রোহিঙ্গাদের ই-পাসপোর্ট গ্রহণের সুযোগ নাই। তারপরও রোহিঙ্গারা যদি বিভিন্ন ধরনের ফাঁক-ফোকরের মাধ্যমে ই-পাসপোর্ট করতে যায় তাহলে বিভিন্ন প্রশ্নে তারা ধরা পড়বে বলেও জানান তিনি।
আখেরি মোনাজাতে শেষ হলো ইজতেমা
১৯জানুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: টঙ্গীর তুরাগ তীরে ৫৫তম বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় ও শেষ পর্ব আজ রোববার আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো। বেলা ১১টার পর দিল্লির মাওলানা জমশেদ মোনাজাত পরিচালনা করেন। রোববার ফজর নামাজের পর বয়ান করেন মাওলানা ইকবাল হাফিজ। বাংলায় তরজমা করেন মাওলানা ওয়াসেকুল ইসলাম। আখেরি মোনাজাতে অংশ নেন অন্তত কয়েক লাখ মুসল্লি। এ কারণে ভোর থেকেই ইজতেমা ময়দানের আশপাশের বিভিন্ন সড়কে মুসল্লিদের ময়দানমুখী স্রোত দেখা যায়। লাখ লাখ মুসল্লি বিভিন্ন যানবাহন ও পায়ে হেঁটে ইজতেমা ময়দানের দিকে ছুটে যান। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ে মুসল্লিদের ভিড়। মোনাজাতে অংশ নিতে ময়দানের আশপাশের অলিগলি, বাড়ি ও কলকারখানার ছাদ, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কসহ বিভিন্ন সড়ক ও খালি জায়গায় পলিথিন, পত্রিকা, পাটি ও জায়নামাজ বিছিয়ে অবস্থান নেন অনেকেই। এদিকে দ্বিতীয় পর্বের আখেরি মোনাজাত উপলক্ষে লাখো মুসল্লির সমাগম নির্বিঘ্ন করতে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেয় গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ। গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. আনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, ইজতেমায় মুসল্লিদের আসা-যাওয়া নিবিঘ্ন করতে শনিবার দিবাগত ভোর ৪টা থেকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুর চৌরাস্তায় এবং ঢাকার মহাখালী থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত ১০ জানুয়ারি ফজর নামাজের পর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে ৫৫তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের কার্যক্রম শুরু হয়। পরে ১২ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হয় এই ইজতেমার প্রথম পর্ব। আর ১৭ জানুয়ারি থেকে শুরু হয় ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব। যা আজ আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো। মুসল্লিদের সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে জায়গা সংকট হওয়ায় ২০১১ সাল থেকে টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমা তিন দিন করে দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হয়। তবে ২০১৮ সালে মুসল্লিদের দুই পক্ষের মারামারি ও হতাহতের ঘটনার পর আলাদাভাবে দুই গ্রুপ ইজতেমার আয়োজন করছে। ১৯৬৭ সাল থেকে টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানে তাবলীগ জামাতের উদ্যোগে এ মহা ধর্মীয় সমাবেশ হয়ে আসছে। বাদ মাগরিব ভারতের মওলানা ইব্রাহিম দেওলার আমবয়ানের মধ্যে দিয়ে এবারের বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব শুরু হয়। এরপর শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) বাদ ফজর আমবয়ান করেন পাকিস্তানি মওলানা ওবায়দুল্লাহ খুরশিদ। রোববার (১২ জানুয়ারি) আখেরি মোনাজাতে শেষ হয় ইজতেমার প্রথম পর্ব। এরপর বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) প্রাক-বয়ানে শুরু হয় ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব। যা রোববার আখেরি মোনাজাতের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়।
দুই সিটির ভোটকেন্দ্রের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ
১৯জানুয়ারী,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ সিটির নির্বাচনের ভোটকেন্দ্রের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী, দুই সিটিতে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ২ হাজার ৪৬৮টি। দুই সিটির মেয়র, সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর ও সাধারণ আসনের কাউন্সিলর পদে নির্বাচনের জন্য স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) নির্বাচন বিধিমালা, ২০১০ এর বিধি ৭ এর উপ-বিধি ২ অনুসারে ঢাকা দুই সিটির চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৩০ লাখ ১০ হাজার ২৭৩ জন ভোটারের বিপরীতে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১ হাজার ৩১৮টি, ভোট কক্ষের সংখ্যা ৭ হাজার ৮৪৬টি। আর অস্থায়ী ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা নেই, তবে অস্থায়ী ভোট কক্ষের সংখ্যা ৭৫৪টি। এ সিটিতে সাধারণ ওয়ার্ড সংখা ৫৪টি, সংরক্ষিত ওয়ার্ড রয়েছে ১৮টি। ভোটারের মধ্যে পুরুষ ১৫ লাখ ৪৯ হাজার ৫৬৭ এবং নারী ভোটার রয়েছেন ১৪ লাখ ৬০ হাজার ৭০৬ জন। আর ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে সাধারণ ওয়ার্ড সংখ্যা ৭৫টি, সংরক্ষিত ওয়ার্ড সংখ্যা ২৫টি, ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১ হাজার ১৫০টি, ভোট কক্ষের সংখ্যা ৬ হাজার ৫৮৮টি। অস্থায়ী ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা নেই, তবে অস্থায়ী ভোটকক্ষের সংখ্যা ৮৭৬টি। এই সিটিতে ভোটার ২৪ লাখ ৫৩ হাজার ১৯৪। তার মধ্যে পুরুষ ১২ লাখ ৯৩ হাজার ৪৪১ এবং নারী ১১ লাখ ৫৯ হাজার ৭৫৩ জন। উল্লেখ্য, ৩০ জানুয়ারি ঢাকার দুই সিটির নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। ওইদিন সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সরস্বতী পূজা থাকায় বিভিন্ন মহলের চাপের মুখে তা পরিবর্তন করে নির্বাচন কমিশন। এতে আসন্ন নির্বাচন ও এসএসসি পরীক্ষা দুইই পিছিয়েছে। ভোটগ্রহণের নতুন তারিখ করা হয়েছে ১ ফেব্রুয়ারি আর এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ৩ ফেব্রুয়ারি।

জাতীয় পাতার আরো খবর