বুধবার, এপ্রিল ১, ২০২০
এক হাজার কোটি টাকা দিল গ্রামীণফোন
২৩ফেব্রুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গ্রামীণফোন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) এক হাজার কোটি টাকা পরিশোধ করেছে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটি এই টাকা পরিশোধ করে। আজ রোববার গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে এই টাকা পরিশোধ করা হয়। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল বিটিআরসিতে গিয়ে এক হাজার কোটি টাকার চেক হস্তান্তর করে। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন গ্রামীণফোনের হেড অব রেগুলেটরি সাদাত হোসেন। এ বিষয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এক ফেসবুক স্ট্যাটাস এর মাধ্যমে জানান, সুখবরটা পেলামই। গ্রামীণফোন ১ হাজার কোটি টাকা প্রদান করেছে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ গ্রামীণফোনকে ১২ হাজার কোটি টাকার মধ্যে ১০০০ কোটি টাকা পরিশোধ করার নির্দেশ দেন। সোমবারের (২৪ ফেব্রুয়ারি) মধ্যে এ টাকা পরিশোধের নির্দেশনা জারি করে আদালত।
মুজিববর্ষে ২০০ টাকার নোট বাজারে আসছে
২৩ফেব্রুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে দেশে প্রথমবারের মত আগামী মার্চ মাসে বাংলাদেশ ব্যাংক বাজারে ২০০ টাকা মূল্যমানের নতুন নোট ছাড়তে যাচ্ছে। এ বিষয়ে শনিবার কেন্দ্রিয় ব্যাংকের পরিচালক ও মূখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, বাজারে প্রচলিত ১০, ২০, ৫০, ১০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকার মতই ২০০ টাকার নোট ছাড়া হবে। আগামী মাসে স্মারক ও প্রচলিত-দুই ধরনের ২০০ টাকার নোট ছাড়া হবে, তবে ২০২১ সাল থেকে কেবলমাত্র নিয়মিত নোট থাকবে। জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী বা মুজিববর্ষকে স্মরণীয় করে রাখতে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে তিনি জানান। এছাড়া বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের অংশ হিসেবে ১০০ টাকা মূল্যমানের সোনা ও রূপার স্মারক মুদ্রা ছাড়বে বাংলাদেশ ব্যাংক। সিরাজুল ইসলাম জানান, ২০০ টাকার নোটের উপর মুজিববর্ষ উপলক্ষে বিশেষ নোট কথাটি লেখা থাকবে। তবে ২০২১ সাল থেকে যে নোটগুলো ছাড়া হবে তাতে আর তা লেখা থাকবে না। ১০০ টাকা মূল্যমানের ১ হাজার ৫০টি স্বর্ণ মুদ্রা এবং একই মূল্যমানের ৫ হাজার রৌপ্য মুদ্রা ছাড়া হবে। বর্তমানে দেশে ১, ২, ৫, ১০, ২০, ৫০, ১০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকা মূল্যমানের নিয়মিত নোট চালু রয়েছে। প্রথমবারের মত ২০০ টাকার নোট চালু হতে যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উদযাপনে ২০২০-২০২১ সালকে মুজিববর্ষ ঘোষণা করেছে সরকার। ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন শেখ মুজিবুর রহমান। কালক্রমে তার হাত ধরে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে। আগামী ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মের শত বছর পূর্ণ হবে। আর ঠিক পরের বছর ২৬ মার্চ বাংলাদেশ উদযাপন করবে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। মুজিববর্ষ পালনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু করেছে সরকার। আগামী ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত বছরব্যাপী থাকবে নানা আয়োজন। উল্লেখ্য, বিশেষ বিশেষ ঘটনাকে স্মরণীয় রাখতে এর আগে ৬ ধরনের স্মারক নোট তৈরি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই বহরে যুক্ত হচ্ছে ২০০ টাকার নোট। এছাড়া এই পর্যন্ত ১২ ধরনের স্মারক মুদ্রা ছাড়া হয়েছে। অন্যদিকে লেনদেনের জন্য বিভিন্ন মানের প্রচলিত নোট ও মুদ্রা বাজারে আছে। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের প্রথম নোট ছাপা হয়। ১৯৭২ সালের ২ জুন প্রথম বাজারে ছাড়া হয় ১০ টাকার নোট। এরপর ধীরে ধীরে বাজারে আসে ১, ৫, ১০, ২০, ৫০, ১০০ ও ৫০০ টাকার নোট। এছাড়া স্বাধীনতার পর থেকে ধীরে ধীরে বাজারে ছাড়া হয় ১, ৫, ১০, ২৫, ৫০ পয়সা ও ১, ২, ৫ টাকার কয়েন। সূত্র: বাসস
সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় কড়া নিরাপত্তা
২৩ফেব্রুয়ারী,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় কারাবন্দী বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানি আজ রোববার। এ উপলক্ষে সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় সকাল থেকেই ব্যাপক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এদিন সুপ্রিম কোর্টের মাজার গেটের প্রবেশপথে তল্লাশি এবং পরিচয়পত্র চেক করে জনসাধারণকে সুপ্রিমকোর্ট এলাকায় প্রবেশ করতে দিচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। রোববার বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি একেএম জহিরুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চে খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। আদালত সূত্রে জানা যায়, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনটি দিনের কার্যতালিকার এক নম্বর ক্রমিকে রয়েছে। এর আগে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি আবেদনটি উপস্থাপনের পর আদালত ২৩ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছিলেন। ওইদিন আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি আবেদনটি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় দায়ের করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী সগীর হোসেন লিয়ন। এর আগে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর এ মামলায় তার জামিন আবেদন পর্যবেক্ষণসহ খারিজ করে দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ। উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়ার জামিন চেয়ে গত মঙ্গলবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদনটি জমা দেওয়া হয়। বুধবার খালেদা জিয়ার আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন আবেদনটি আদালতে উপস্থাপন করেন। দুর্নীতির দুই মামলায় মোট ১৭ বছরের দণ্ড মাথায় নিয়ে কারাবন্দী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া গত এপ্রিল থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। দল ও পরিবারের সদস্যরা তাকে অন্য হাসপাতালে নিতে চাইলেও তাতে অনুমতি মেলেনি।
ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম মোছার ষড়যন্ত্র হয়েছিল
২২ফেব্রুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গবন্ধুর নির্দেশেই মাতৃভাষা বাংলার দাবিতে ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ছাত্র ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়। আর সেই বঙ্গবন্ধুর নামই ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শনিবার বিকেলে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি। আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, শিগগিরই গৃহহীনদের জন্য ঘর বানিয়ে দেয়া হবে। পাশাপাশি বাংলা ভাষার জন্য বঙ্গবন্ধুর নানা অবদানের কথা তুলে ধরেন তিনি। তিনি বলেন, ভাষা শহীদের আত্মত্যাগ কখনোই বৃথা যেতে দেয়া হবে না। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি দেশ এবং জাতির আত্মমর্যাদা দিয়ে গেছেন বলেই দেশ আজ অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে চলছে। তিনি আরো বলেন, যারা পাকিস্তানের পরাজয় মেনে নিতে পারেনি সেই সময় থেকেই তারা পাকিস্তানের পদলেহন করছে এবং তারা আজও দেশে অগ্নি সন্ত্রাস লুটপাট চালিয়েছে।
দেশের যা উন্নয়ন হয়েছে তা শেখ হাসিনার সময়ে হয়েছে
২২ফেব্রুয়ারী,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের যে পরিবর্তন করেছেন তা সত্যি অকল্পনীয়। গত ১১ বছরে দেশের যা উন্নয়ন হয়েছে তা শেখ হাসিনার সময়ে হয়েছে। শনিবার দুপুরে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় নতুন বাগবাড়ি মাঠ প্রাঙ্গনে দিরাই প্রবাসী উচ্চ বিদ্যালয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, আপনারা বুকে হাত দিয়ে বলুন- কি পাননি এই ১১ বছরে। বৃদ্ধদের ভাতা দেওয়া হচ্ছে, যাদের স্বামী নেই তারাও ভাতা পাচ্ছে, শিক্ষার্থীরা বছরের শুরুতে নতুন বই পাচ্ছে, শিক্ষকদের বেতন বাড়ানো হচ্ছে, অফিসারদের বেতন বাড়ছে। এই গুলো হয়েছে শেখ হাসিনার সময়ে। সবার আগে শিক্ষা দরকার, তা না হলে আমাদের দুর্দশার শেষ হবে না। আরো পড়ুন : করোনা ভাইরাস: বিল গেটসের অনুদানের প্রশংসায় শি আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুখ আহমদ, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সফর উদ্দিন, দিরাই প্রবাসী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল আজিজ সরদার, দিরাই পৌরসভার মেয়র মোশারফ মিয়া, শাল্লা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আল আমিন চৌধুরী, দিরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আছাব উদ্দিন সরদার প্রমুখ।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ সমৃদ্ধশালী অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে
২২ফেব্রুয়ারী,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ সমৃদ্ধশালী অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। শনিবার বসুন্ধরা গ্রুপের অঙ্গ-প্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা অয়েল অ্যান্ড গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের বিটুমিন প্লান্টের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির তিনি বক্তব্যে এ কথা বলেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। সরকারি সব সহযোগিতা নিয়ে দেশের বিভিন্ন বেসরকারি বিনিয়োগের বিকাশ ঘটায় অর্থনীত আরো সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বেসরকারি পর্যায়ে দেশের প্রথম বসুন্ধরা বিটুমিন প্লান্ট প্রতিষ্ঠায় সন্তোষ প্রকাশ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, এর আগে দেশের চাহিদার ৯০ভাগ বিটুমিনই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হতো। এখন বসুন্ধরার কল্যাণে আর বিটুমিন আমদানি করতে হবে না। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুৎ,জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, বাংলাদেশের ক্রমবিকাশমান অর্থনীতি আজ সারা বির্শ্বে ঈর্শ্বানীয়। সরকার সোনার বাংলা বির্নিমাণে কাজ করে যাচ্ছে। আর এসব খাতে বর্তমান সরকারের আমলে হাজার হাজার মানুষের কর্ম সংস্থান হয়েছে। বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানের সভাপতিত্বে এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক ড.এম.শামীম জেড বসুনিয়া, কেরাণীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ, বসুন্ধরা গ্রুপের কো-চেয়ারম্যান সাদাত সোবহান তানভীর, ভাইস চেয়ারম্যান সিফাত সোবহান সানভীর, ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর ও ওয়ালিদ সোবহান। বাসস
করোনা সংক্রমণের প্রমাণ মেলেনি
২২ফেব্রুয়ারী,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:করোনাভাইরাস নিয়ে অতি উৎসাহী হয়ে আতঙ্ক না ছড়াতে সবার প্রতি আহবান জানিয়েছে রোগ ও রোগতত্ত্ব অধিদপ্তর। শনিবার (২২ ফেব্রুয়ার) দুপুরে রাজধানীর মহাখালীতে সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির পরিচালক জানান, এ পর্যন্ত সংগৃহীত ৭৭টি নমুনার একটিতেও সংক্রমণের প্রমাণ মেলেনি। গত ৪৮ ঘণ্টায় সিঙ্গাপুরে নতুন করে কেউ ভাইরাসে আক্রান্ত হননি বলেও জানানো হয়। এ সময় তিনি আরো বলেন, কেউ বিদেশ থেকে এসেছেন তাদের মনে যদি কোনো ধরনের সংশয় থাকে অনুগ্রহ করে তারা রোগ ও রোগতত্ত্ব অধিদপ্তরের হটলাইনে যোগাযোগ করবেন। তিনি আরো বলেন, তাহলে সঠিক পরামর্শটা পাবেন। কেউ বাড়াবাড়ি করবো না যাতে আতঙ্ক তৈরি হতে পারে। এ পর্যন্ত ৭৭টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। যার একটিতেও করোনা সংক্রমণের প্রমাণ মেলেনি।
সন্ত্রাসবাদ দমনে ধারাবাহিকভাবে উন্নতি করছে বাংলাদেশ
২২ফেব্রুয়ারী,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শনিবার সকালে কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম জাতীয় প্রেসক্লাবে ,উগ্রবাদ রোধে গণমাধ্যমের ভূমিকা, শীর্ষক সেমিনারে এ আহ্বান জানান।। সময় টিভি মনিরুল ইসলাম জানান, উগ্রবাদীরা যেন নায়ক হিসেবে উপস্থাপিত না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্সে সন্ত্রাসবাদের ঝুঁকি থেকে ছয় ধাপ কমে বাংলাদেশ ৩১ নম্বরে এসেছে। গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স (জিটিআই) হলো প্রতি বছর ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস (আইইপি) দ্বারা প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন। সূচিটি ২০০০ সাল থেকে সন্ত্রাসবাদের মূল বৈশ্বিক প্রবণতা এবং নিদর্শনগুলোর একটি বিস্তৃত সংক্ষিপ্তসার সরবরাহ করে। গত বছরের নভেম্বরে সিডনিভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিসের (আইইপি) বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচক-২০১৯ প্রকাশিত হয়। ২৩টি গুণগত ও পরিমাণগত নির্দেশকের ভিত্তিতে বিশ্বের ১৬৩টি দেশের পরিস্থিতি নিয়ে তৈরি করেছে বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচক-২০১৯। এসব দেশের জনসংখ্যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৯৯ দশমিক ৭ শতাংশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। এ প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অবস্থান ছয় ধাপ নেমে হয় ৩১তম। স্কোর ৫.২০৮। অর্থাৎ এ দেশে সন্ত্রাসবাদের প্রভাব মাঝারি মাত্রার। ২০১৮ সালের সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ২৫তম। এর আগের বছর বাংলাদেশ ছিল ২১তম। অর্থাৎ সন্ত্রাসবাদ দমনে ধারাবাহিকভাবে উন্নতি করছে বাংলাদেশ। সব মিলিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এবার বাংলাদেশের অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি। দক্ষিণ এশিয়ার সন্ত্রাসবাদ পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রতিবেদনে বলা হয়, এই অঞ্চলের মালদ্বীপ বাদে বাকি সাত দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ। বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে নেপাল (বৈশ্বিক তালিকায় ৩৪তম), শ্রীলঙ্কা (৫৫তম) ও ভুটান (১৩৭তম)। এই অঞ্চলে আফগানিস্তান বাদে বাকি ছয় দেশ ২০১৮ সালে সন্ত্রাসবাদ পরিস্থিতিতে উন্নতি করেছে। এই ছয় দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অগ্রগতি হয়েছে বাংলাদেশের।

জাতীয় পাতার আরো খবর