ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে আগের অভিযোগের তদন্ত চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
১২জুন২০১৯,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ডিআইজি মিজান অপরাধী। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আজ বুধবার সকালে রাজধানীর কারা অডিটরিয়ামে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ আয়োজিত উদ্ভাবনী মেলায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ডিআইজি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে আগের অভিযোগের তদন্ত চলছে। নতুন করে ঘুষ দেয়ার যে অভিযোগ উঠেছে সেটাও তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি বলেন, ডিআইজি মিজানুর রহমান যেহেতু ঘুষ দেয়ার কথা স্বীকার করেছেন তাহলে তিনি তো কোনো না কোনো অপরাধে অপরাধী। তার পার পাবার সুযোগ নেই। তিনি বলেন, ফেনীর নুসরাত হত্যা মামলার আসামি ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন দেশেই আছেন। পুলিশ তার দায়িত্ব পালন করছে। ওই পুলিশ কর্মকর্তা যে কোনো সময় গ্রেপ্তার হবেন।
দেশের প্রায় ৭৫ শতাংশ শিশু ঝুঁকিপূর্ণ পেশায় নিয়োজিত
১২জুন২০১৯,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিশুশ্রম নিয়ে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ জরিপ ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে প্রায় ১৬ লাখ ৯৮ হাজার ৮৯৪টি শিশু নানা পেশায় নিয়োজিত। আর এদের মাঝে প্রায় ৭৫ দশমিক ৩৫ শতাংশ (১২ লাখ ৮০ হাজার ১৯৫টি শিশু) নিয়োজিত ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমে। বিবিএসের হিসাবে বর্তমানে দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪০ শতাংশ শিশু। পাঁচ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশু রয়েছে ৩ কোটি ৯৬ লাখ ৫২ হাজার। জনসংখ্যার অনুপাতে শিশুর হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে, প্রায় ৩৩ দশমিক ৭ শতাংশ। এরপরই রয়েছে যথাক্রমে চট্টগ্রাম (২০ দশমিক ৬), রাজশাহী (১২ দশমিক ৫), রংপুর (১১ দশমিক ৩), খুলনা (১০ দশমিক ৫), সিলেট (৬) ও বরিশাল (৫ দশমিক ৩)। নানা পেশায় নিয়োজিত এই শিশুশ্রম নিরসনের জন্য পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। সে অনুযায়ী ২০২১ সালের মধ্যে সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনে এবং ২০২৫ সালের মধ্যে সব ধরনের শিশুশ্রম নিরসনের লক্ষ্যে কাজ অব্যাহত রয়েছে। শিশুশ্রম রোধে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত আজ বাংলাদেশেও অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য চিলড্রেন শুড নট ওয়ার্ক ইন ফিল্ডস বাট অন ড্রিমস অর্থাৎ শিশুশ্রম নয়, শিশুর জীবন হোক স্বপ্নময়। দিবসটি উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, আইএলও ঢাকা অফিস, বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা, প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যমে আলোচনা অনুষ্ঠান, বিশেষ প্রকাশনা, পোস্টার, লিফলেট বিতরণসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ২০১০ সালে প্রণয়ন করা সরকারের জাতীয় শিশুশ্রম নিরসন নীতি বাস্তবায়নে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং শিশুশ্রম নিরসন কার্যক্রম মনিটরিংয়ের জন্য গঠিত জাতীয়, বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কমিটিগুলো কাজ করছে। এখন পর্যন্ত এ সকল কমিটি মালিক, শ্রমিক ও সুশীল সমাজের সঙ্গে আলোচনা করে মোট ৩৮টি কাজকে শিশুর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত শিশুদের জন্য ১৮ মাসব্যাপী উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ও ছয় মাস মেয়াদি দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে এর মাধ্যমে ৯০ হাজার শিশু স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছে। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সরকার শিশুশ্রম নিরসনে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নিরসনে ২৮৪ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এ প্রকল্পের চতুর্থ পর্যায়ে ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিযুক্ত এক লাখ শিশুকে প্রত্যাহার করে বৃত্তিমূলক ও কারিগরি শিক্ষা প্রদান করা হবে।
৫ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকার নতুন বাজেট
১২জুন২০১৯,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের তৃতীয় মেয়াদের প্রথম বাজেট আগামীকাল ১৩ জুন বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এটি অর্থমন্ত্রী হিসেবে তার প্রথম বাজেট। বাজেট পেশ করার আগে অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, বাজেট বক্তব্যের আকার গতানুগতিক বিশাল আকারের থাকছে না। হবে সংক্ষিপ্ত ও টু দ্য পয়েন্ট। তাই বলে বাজেটের আকার ছোট হবে না। যে কোনো অর্থবছরের তুলনায় এটি হবে রেকর্ড বাজেট। সূত্র জানিয়েছে, আগামী বাজেটে থাকছে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক পরিকল্পনার সমাহার। বিশেষ করে সপ্তম পঞ্চবার্ষিকীর যেসব লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি, অষ্টম পঞ্চবার্ষিকীর নির্দেশনা, রূপকল্প ২০২১-এর অধীনে অগ্রগতির ধারা অব্যাহত রাখা, রূপকল্প ২০৪১ অর্জনের কৌশল, এসডিজি অর্জন এবং সরকারর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন দেখা যাবে অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতায়। খবর অর্থ বিভাগ সূত্রের। জানা গেছে, আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য অর্থমন্ত্রী ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করবেন। আগামী বাজেটে মূল বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার ধরা হচ্ছে ২ লাখ ২ হাজার ৭২১ কোটি টাকা। আর চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আকার ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা। সূত্র জানিয়েছে, আগামী বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির হার ধরা হচ্ছে ৮ দশমিক ২৫ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের জিডিপিতে প্রবৃদ্ধির হার ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ অর্জিত হবে বলে মনে করছে সরকার। আগামী অর্থবছরের জন্য মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা থাকবে ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৭১০ কোটি টাকার।। চলতি অর্থবছরের বাজেটে এই লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২৮০ কোটি টাকা। নতুন বাজেটে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অধীনে রাজস্ব সংগ্রহের লক্ষ্য ধরা হচ্ছে ৩ লাখ ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরে ধরা হয়েছিল ২ লাখ ৯৬ হাজার ২০১ কোটি টাকা। মূল্যস্ফীতির হার আগামী অর্থবছরের জন্য ধরা হচ্ছে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের জন্য ধরা হয়েছিল ৫ দশমিক ৬ শতাংশ। সূত্র জানিয়েছে, আগামী অর্থবছরে বাজেট ঘাটতি ধরা হচ্ছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। বরাবরের মতো ঘাটতি জিডিপির ৫ শতাংশের মধ্যেই থাকবে। চলতি অর্থবছরে বাজেট ঘাটতির পরিমাণ ছিল ১ লাখ ২৫ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা। তবে সমস্যা মূলত ঘাটতি অর্থায়নের উৎস নিয়ে। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে ব্যাংক ঋণের মাধ্যমে নেওয়া হবে ৪৭ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকা, যা চলতি বাজেটে লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে ৪২ হাজার ২৯ কোটি টাকা। অর্থাৎ চলতি বছরের তুলনায় ৫ হাজার ৩৩৫ কোটি টাকা বেশি ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া হবে। অভ্যন্তরীণ অংশের আরেক খাত সঞ্চয়পত্র থেকে ঋণ নেওয়া হবে ২৭ হাজার কোটি টাকা, যা চলতি বাজেটে ধরা হয়েছে ৪৫ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ চলতি বাজেটের তুলনায় আগামী বাজেটে এ খাত থেকে ১৮ হাজার কোটি টাকা কম নেওয়া হবে। এর বাইরে অন্যান্য খাত থেকে নেওয়া হবে ৩ হাজার কোটি টাকা। এ ছাড়া নতুন বাজেটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মবার্ষিকী পালনের প্রতিফলন থাকবে। আর বেশি মনোযোগ থাকবে নির্বাচনী ইশতেহার অনুসারে আমার গ্রাম আমার শহর ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে। দেশের প্রতিটি গ্রামকে শহরে রূপান্তর করার ঘোষণা থাকছে। এতে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা হবে গ্রামকে-যেখানে ইন্টারনেট, বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ সব ধরনের নাগরিক সুবিধা পৌঁছে দেয়া হবে। আমার গ্রাম আমার শহর এই কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য দায়িত্ব থাকবে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের। তবে প্রত্যেক মন্ত্রণালয়কে এ কাজে সম্পৃক্ত করা হবে। সূত্র জানিয়েছে, একাদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় ও ২০১৯ সালের বাজেট অধিবেশন গতকাল মঙ্গলবার বিকাল ৫টায় শুরু হয়েছে। আর আগামীকাল বৃহস্পতিবার ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী।
শারীরিক অবস্থার উন্নতি অর্থমন্ত্রীর
১২জুন২০১৯,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি মঙ্গলবার বিকেলে মেডিকেল চেকআপের জন্য রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে যান। এ সময় ডাক্তারের পরামর্শে তিনি হাসপাতালে অবস্থান করেন এবং শারীরিক নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করান। হাসপাতালের একটি সূত্র জানায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হতে থাকে। রাতে তিনি হাসপাতালেই অবস্থান করেন। আজ বুধবার তিনি হাসপাতাল ত্যাগ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। মঙ্গলবার রাতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা গাজী তৌহিদুল ইসলাম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল রুটিন মেডিকেল চেকআপের জন্য আজ সন্ধ্যায় ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে গিয়েছিলেন। তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন। আগামী ১৩ জুন বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী।
আমাকে ফাঁসানো হয়েছে, ওই কণ্ঠ আমার না: বাছির
১১জুন২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: পুলিশের বিতর্কিত ডিআইজি মিজানুর রহমানের কাছ থেকে ঘুষ নেয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট। যে অডিও রেকর্ড ফাঁস হয়েছে সেটা আমার নিজের নয়। বললেন দুদকের পরিচালক (সাময়িক বরখাস্ত) খন্দকার এনামুল বাছির। আজ মঙ্গলবার দুর্নীতি দমন কমিশনে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এই দাবি করেন। বাছির আরও বলেন, ওই রেকর্ড আমার নয়। ওই রেকর্ড ভুয়া। সে (ডিআইজি মিজানুর রহমান) আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে। ফাঁস হওয়া রেকর্ডের কণ্ঠ আমার না সেটাই আমি বলতে পারি। পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত ডিআইজি মিজানুর রহমানের কাছ থেকে দুই দফায় ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে তথ্য ফাঁসের অভিযোগে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে দুদক। একইসঙ্গে তিনি ঘুষের টাকা নিয়েছেন কিনা, নিলে সেই টাকা কোথায় আছে, এ বিষয়ে আলাদা তদন্ত হবে বলে জানিয়েছেন দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। এ বিষয়ে অভিযোগ ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই রোববার দুদক ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। সেই তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কমিশন দুদকের পরিচালক বাছিরকে সাময়িক বরখাস্ত করে।-আরটিভি অনলাইন
বিএসএমএমইউর চিকিৎসক নিয়োগ স্থগিত
১১জুন২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) মেডিকেল অফিসার পদে নিয়োগ পরীক্ষা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া। আজ মঙ্গলবার মেডিকেল অফিসার পদে নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা চলার দ্বিতীয় দিনে সাংবাদিকদের তিনি একথা জানান। বিশ্ববিদ্যালয়টির মেডিকেল অফিসার পদে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হওয়া চাকরিপ্রার্থীরা গত প্রায় একমাস ধরে পরীক্ষা বাতিল ও পুনঃনিরীক্ষণের দাবিতে আন্দোলন করে আসছিলেন। আজ (মঙ্গলবার) সকাল থেকেই ফের বিক্ষোভ শুরু করেন আন্দোলনরত চিকিৎসরা। এসময় পুলিশের বাধা অতিক্রম করেই তারা ভবনের দ্বিতীয় তলায় থাকা উপাচার্যর রুমের সামনে চলে যান। পরে আন্দোলনরতদের কয়েকজন প্রতিনিধি উপাচার্যর সঙ্গে আলোচনায় বসেন। আলোচনার পর উপাচার্য তাদের নিয়োগ পরীক্ষা আপাতত স্থগিত করা হবে বলে আশ্বস্ত করেন। এ সময় মেডিকেল অফিসার পদে নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা স্থগিতের বিষয়টি জানিয়ে উপাচার্য বলেন,সিন্ডিকেটের মিটিংয়েই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে ভবিষ্যতে কি করবো। এরপর তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্যদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন। সেখানেও এই নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া এই নিয়োগ নিয়ে ভবিষ্যতে কি করা হবে সে বিষয়েও আলোচনা করা হয় সেখানে। উল্লেখ্য, ২০০ মেডিকেল অফিসার পদে ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয় বিএসএমএইউ কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে ১৮০ জন এমবিবিএস ও ২০ জন বিডিএস চিকিৎসক চাওয়া হয়। প্রথম দফায় নিয়োগ পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হলেও সেটি পিছিয়ে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে পরীক্ষার দিন ঠিক করা হয়। পরীক্ষা নেওয়ার জন্য প্রশ্নপত্রও ছাপানো হয়। কিন্তু অনিবার্য কারণ দেখিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা স্থগিত করে। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ছাপা হওয়ার দেড় বছর পর গত ২২ মার্চ সেই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। গত ১২ মে পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়। পরীক্ষায় ৮ হাজার ৫৫৭ জন চিকিৎসক অংশগ্রহণ করেন। লিখিত পরীক্ষায় ১ পদের জন্য ৪ জনকে পাস করানো হয়েছে। এ হিসেবে ৭১৯ জন মেডিক্যাল অফিসার ও ডেন্টালের ৮১ জন মিলে মোট ৮২০ জন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এরপর থেকেই আন্দোলনে নামেন চিকিৎসকদের একাংশ। এর মধ্যে গতকাল থেকে ৫০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া শুরু হয়। আজ তা স্থগিতের ঘোষণা দেন উচাপার্য।
শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ
১১জুন২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ মঙ্গলবার (১১ জুন)। দীর্ঘ প্রায় ১১ মাস কারাভোগের পর ২০০৮ সালের ১১ জুন সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান। সেনা সমর্থিত ১/১১ এর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই ভোরে ধানমন্ডির বাসভবন থেকে শেখ হাসিনা গ্রেফতার হন। গ্রেফতার করে প্রথমে তাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগারে নিয়ে আটক রাখা হয়। এ সময় কারাগারের অভ্যন্তরে শেখ হাসিনা মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়েন। তখন তার চিকিৎসকরা তাকে বিদেশে চিকিৎসার জন্য পরামর্শ দেন। আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের ক্রমাগত চাপ, আপসহীন মনোভাব ও অনড় দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের উদ্যোগে রাজধানীর ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের দ্বিতীয় তলায় এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন।
সংসদ সদস্য লিটনকে হত্যার ঘটনায় কাদের খানের যাবজ্জীবন
১১জুন২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনকে হত্যার ঘটনায় অস্ত্র মামলার রায়ে সাবেক এমপি জাতীয় পার্টির আব্দুল কাদের খানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার গাইবান্ধার বিশেষ জজ আদালতের বিচারক দিলীপ কুমার ভৌমিক এ রায় ঘোষণা করেন। ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য লিটনকে তার নিজের বাড়িতে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় লিটনের বোন তাহমিদা বুলবুল বাদী হয়ে অজ্ঞাত পরিচয় ৪-৫ জনকে আসামি করে সুন্দরগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। ওই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পরের বছর ২১ ফেব্রুয়ারি বগুড়া থেকে গ্রেপ্তার হন আব্দুল কাদের খান। এরপর কয়েক দফা তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। প্রথম রিমান্ডে থাকা অবস্থার চতুর্থ দিনের মাথায় আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে লিটন হত্যার দায় স্বীকার করেন আব্দুল কাদের খান। এ মামলায় মেহেদি, শাহীন, রানা ও কাদেরের ব্যক্তিগত গাড়ি চালককে গ্রেপ্তার পুলিশ করে। তারাও ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। এছাড়া পুলিশ এ হত্যায় কাদেরের কথিত সহযোগী সুবল চন্দ্র ও সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী শামছুজ্জোহা সরকার জোহাকেও গ্রেপ্তার করে। কাদেরর দেওয়া তথ্যে ছয় রাউন্ড গুলি ও ম্যাগজিনসহ একটি পিস্তুল উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে পুলিশ কাদের খানের বিরুদ্ধে মামলা করে এবং গত ৬ এপ্রিল তার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।
ওসি মোয়াজ্জেমকে শিগগিরই গ্রেপ্তার করা হবে : ওবায়দুল কাদের
১০জুন২০১৯,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলা ও নুসরাতের কথোপকথনের অডিও ফাঁস করে দেওয়া ফেনীর সোনাগাজী থানার তৎকালীন সেই ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনকে শিগগিরই গ্রেপ্তার করা হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আজ সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, সরকারের কোনো গাফিলতি, কোনো দুর্বলতা নেই। সরকার প্রধান অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে এবং সে কারণে কারও এখানে শৈথিল্য দেখানোর অবকাশ নেই। তিনি (ওসি মোয়াজ্জেম) ধরা পড়েননি, হয়তো শিগগিরই শুনতে পারবেন যে ধরা পড়েছে। ওসি মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান ওবায়দুল কাদের। এদিকে, নুসরাত হত্যাকাণ্ডে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) দেওয়া চার্জশিট গ্রহণ করেছেন আদালত। সোমবার ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল এ চার্জশিট গ্রহণ করেছেন। এতে মোট ২১ আসামির বিরুদ্ধে দেওয়া চার্জশিটের ১৬ জনের বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগ আমলে নিয়েছেন আদালত। এ মামলা থেকে আদালত বাকি ৫ জনকে অব্যাহতি দিয়েছেন। আদালত পরবর্তী অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য ২০ জুন দিন ধার্য করেছেন। নুসরাত হত্যাকাণ্ডে যেসব আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ আমল নেওয়া হয়েছে তারা হলেন- মাদ্রাসা অধ্যক্ষ এসএম সিরাজ উদ দৌলা (৫৭), নুর উদ্দিন (২০), শাহাদাত হোসেন শামীম (২০), মাকসুদ আলম ওরফে মোকসুদ আলম কাউন্সিলর (৫০), সাইফুর রহমান মোহাম্মদ জোবায়ের (২১), জাবেদ হোসেন ওরফে সাখাওয়াত হোসেন জাবেদ (১৯), উম্মে সুলতানা ওরফে পপি ওরফে শম্পা ওরফে চম্পা (১৯),ইমরান হোসেন ওরফে মামুন (২২), হাফেজ আব্দুল কাদের (২৫), আবছার উদ্দিন (৩৩), কামরুন নাহার মনি (১৯), আব্দুর রহিম শরীফ (২০), ইফতেখার উদ্দিন রানা (২২), মোহাম্মদ শামীম (২০), রুহুল আমিন (৫৫) ও মহিউদ্দিন শাকিল (২০। অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পাওয়া আসামিরা হলেন-নূর হোসেন, আলা উদ্দিন, কেফায়েত উল্যাহ জনি, সাইদুল এবং আরিফুল ইসলাম। এদিকে, নুসরাত জাহান রাফি হত্যাকাণ্ডের ২ মাস পূর্ণ হলো আজ। এর আগে, সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার বিরুদ্ধে নুসরাতকে যৌন হয়রানি করার অভিযোগে মামলা করেন তার মা শিরিন আক্তার। মামলাটি তুলে না নেওয়ায় গত ৬ এপ্রিল পরীক্ষার হল থেকে নুসরাতকে ডেকে নিয়ে সিরাজ উদ দৌলার সহযোগীরা নুসরাতের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেন। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১০ এপ্রিল মারা যান নুসরাত জাহান রাফি।

জাতীয় পাতার আরো খবর