বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০
বরিস জনসনকে শেখ হাসিনার অভিনন্দন
১৪ডিসেম্বর,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ব্রিটেনের নির্বাচনে কনজারভেটিভ দলের জয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল শুক্রবার এক শুভেচ্ছা বার্তায় অভিনন্দন জানান শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। নির্বাচনের ফলাফলকে দলটির নেতৃত্বের প্রতি যুক্তরাজ্যের জনগণের অসাধারণ আস্থা ও আত্মবিশ্বাসের প্রতিফলন হিসেবে শেখ হাসিনা বিবেচনা করছেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়- দৃঢ়তা, গণতন্ত্রের সাধারণ মূল্যবোধ, সহিষ্ণুতা, জলবায়ু পরিবর্তন, সন্ত্রাস মোকাবিলা ও সমৃদ্ধ অগ্রগতির ভিত্তিতে উভয় দেশের মধ্যে বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশের ইতিহাসের সঙ্গে যুক্তরাজ্য নিবিড়ভাবে জড়িত বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। ১৯৭১ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে যুক্তরাজ্য সরকার ও জনগণের সহযোগিতার কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বিবৃতিতে ২০১৮ সালে জনসনের বাংলাদেশ সফর ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের কথা স্মরণ করে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যসহ বিভিন্ন বিষয় উল্লেখ করেন তিনি। ২০২০ সালে অনুষ্ঠেয় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে বরিস জনসনকে আমন্ত্রণ জানান প্রধানমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, ব্রেক্সিটকে সামনে রেখে ব্রিটেনে গত বৃহস্পতিবার পাঁচ বছরের মধ্যে তৃতীয়বারের মতো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে বরিস জনসনের কনজারভেটিভ পার্টি বড় জয় পায়। নির্বাচনে কনজারভেটিভ পার্টি ৩৬৫টি, বিরোধী দল লেবার পার্টি ২০৩, স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টি ৪৮, লিবারেল ডেমোক্র্যাটরা পায় ১১ আসন। এছাড়া আয়ারল্যান্ডের ডেমোক্রেটিক ইউনিয়নিস্ট পার্টি (ডিইউপি) ৮টি আসনে জয়ী হয়েছে। নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যায়, এবার এককভাবে সরকার গঠন করবে কনজারভেটিভ পার্টি।
আইসিটি মামলায় আদালতে দৈনিক সংগ্রাম সম্পাদক
১৪ডিসেম্বর,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলার গ্রেফতার দেখিয়ে দৈনিক সংগ্রামের সম্পাদক আবুল আসাদকে আদালতে তোলা হয়েছে। শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর হাতিরঝিল থানা তাকে আদালতে নেয়া হয়। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) বিপ্লব বিজয় তালুকদার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরো বলেন, দৈনিক সংগ্রামের সম্পাদকের বিরুদ্ধে হাতিরঝিল থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। এদিকে, জামায়াত নেতা কাদের মোল্লাকে শহীদ লেখায় কারণে দৈনিক সংগ্রামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া উচিৎ বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাথে কথা বলা হবে। যেসব যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায় কার্যকর করা হয়েছে তাদের এখনো শহীদ নামে সম্বোধন করা হচ্ছে রাষ্ট্র এ ব্যাপারে উদ্যোগ নেবে কিনা সাংবাদিকের এ প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, এটা আমাদের নজরে আছে, বিষয়টা আমরা দেখছি আর সময়মতো এসব বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে। শনিবার মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানানো শেষে তিনি এসব কথা বলেন। উল্লেখ্য, মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির দণ্ড কার্যকর হওয়া কাদের মোল্লাকে শহীদ উল্লেখ করে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে পত্রিকাটি। এর জেরে শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) রাতে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোহাম্মদ আফজাল বাদী হয়ে রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলা নং-২৪। মামলাটি তদন্ত করছেন থানার পরিদর্শক (অপারেশন) গোলাম আজম। এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) দৈনিক সংগ্রামে সংবাদটি প্রকাশিত হয়। এর প্রতিবাদে শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় পত্রিকা অফিসের কার্যালয়ে ভাঙচুর চালায় মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ নামের একটি সংগঠন। সংগ্রাম অফিসের গেইটে তালা ঝুলিয়ে দেন তারা। খবর পেয়ে সংগ্রামের কার্যালয় থেকে সম্পাদক আবুল আসাদকে হেফাজতে নেয় হাতিরঝিল থানা পুলিশ। এরপর রাতে মামলা হলে ওই মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
রুম্পাকে ধর্ষণের আলামত মেলেনি, জানালেন চিকিৎসক
১৪ডিসেম্বর,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী রুবাইয়াত শারমিন রুম্পার মরদেহের ময়নাতদন্তে তার শরীরে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ। শনিবার তিনি সাংবাদিকদের বলেন, রুম্পার মরদেহ ময়নাতদন্তে আমরা তিনটি টেস্ট করেছি। এর মধ্যে বায়োলজিক্যাল টেস্টের প্রতিবেদন পেয়েছি। এতে রুম্পার শরীরে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। রোববার আরো দুটি প্রতিবেদনের রিপোর্ট পাওয়া যাবে। সব পেলে তিনটা মিলে একটা প্রতিবেদন তৈরির পর পুলিশের কাছে জামা দেয়া হবে। গত ৪ ডিসেম্বর রাতে সিদ্ধেশ্বরীর সার্কুলার রোডের ৬৪/৪ নম্বর বাসার নিচে অজ্ঞাত মরদেহ দেখে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা হত্যার আলামত সংগ্রহ করেন। সুরতহালে পুলিশ গুরুতর কিছু ইনজুরি পায়। সংগৃহীত আলামত ফরেনসিকে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে রমনা থানায় একটি হত্যা মামলা করে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানো হয় ঢামেক মর্গে। ময়নাতদন্ত শেষে ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ জানান, নিহত তরুণীর হাত, পা, কোমরসহ শরীরের কয়েক জায়গায় ভাঙা ছিল। মৃত্যুর কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে স্পষ্ট হবে। ৫ ডিসেম্বর রাতে নিহতের পরিচয় জানা যায়। রুম্পার বাবার নাম রুকন উদ্দিন। তিনি হবিগঞ্জে পুলিশ পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত। রুম্পার বাড়ি ময়মনসিংহে। রাজধানীর মালিবাগের শান্তিবাগ এলাকায় মার সঙ্গে থাকতেন। পড়াশোনার পাশাপাশি প্রাইভেট পড়াতেন। রুম্পার মৃত্যুর পর কথিত প্রেমিক আবদুর রহমান সৈকতকে গ্রেপ্তারের পর চার দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।- amadershomoy.com
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
১৪ডিসেম্বর,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল আটটায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। পরে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রধান হিসেবে দ্বিতীয়বার ফুল দেন। এসময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা। ফুল দেয়া শেষে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন নেতাকর্মীরা। প্রধানমন্ত্রী ও শীর্ষ নেতাদের ফুল দেয়া শেষে বিভিন্ন পর্যায়ের দলীয় নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান। এর আগে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদান করে সেনাবাহিনীর চৌকস দল। বাজানো হয় বিউগলের করুণ সুর। এসময় স্মৃতিসৌধে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী পরিষদের সদস্য, বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও আওয়ামী লীগ নেতারা। পরে আওয়ামী লীগ প্রধান হিসেবে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
কাদের মোল্লাকে শহীদ লেখায় ঘৃণ্য কাজ করেছে দৈনিক সংগ্রাম
১৪ডিসেম্বর,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, দৈনিক সংগ্রাম যুদ্ধাপরাধের দায়ে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি কাদের মোল্লাকে শহীদ লেখায় ঘৃণ্য কাজ করেছে। একাত্তরে তারা যে ধৃষ্টতা দেখিয়েছিল তা অব্যাহত রেখেছে। রাষ্ট্রীয়ভাবে এই ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। একইসঙ্গে দৈনিক সংগ্রামে বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। আজ শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) রায়েরবাজার শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে এসে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, আগামী বছর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের আগে বুদ্ধিজীবীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে। ইতোমধ্যে আমাদের হাতে ৩০০ জনের তালিকা রয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষ করে আগামী বছর প্রকাশ করা হবে। তিনি বলেন, আইনের কারণে একাত্তরে বুদ্ধিজীবী হত্যার হোতা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি চৌধুরী মঈনুদ্দিন ও আশরাফুজ্জামান খানকে ফেরত নিয়ে আসা যাচ্ছে না। তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করার চেষ্টা চলছে। বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) দৈনিক সংগ্রামে কাদের মোল্লাকে শহীদ আখ্যায়িত করে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। এরপর থেকেই বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। উল্লেখ্য, মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসি কার্যকর হওয়া জামায়াত নেতা আবদুল কাদের মোল্লাকে শহীদ উল্লেখ করে প্রতিবেদন প্রকাশ করায় মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের একদল নেতা-কর্মী শুক্রবার সন্ধ্যায় সংগ্রাম কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় একদল যুবক পত্রিকাটির কার্যালয়ে ঢুকে বিভিন্ন কক্ষ ভাঙচুর করেন।
বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
১৪ডিসেম্বর,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গার্ড অব অনার প্রদান করে তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল। শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ৭টা ১ মিনিটে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। এসময় বিউগলে বাজানো হয় করুণ সুর। এরপর শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এরপর আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে শহীদ সমাধিতে ফুল দিয়ে পুনরায় শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়া শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। উল্লেখ্য, ১৪ ডিসেম্বর পৃথিবীর ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বাঙালি বুদ্ধিজীবী নিধন বাংলাদেশের ইতিহাসে নৃশংসতম ও বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ। জাতি যখন বিজয়ের খুব কাছে সেই সময় পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগিতায় রাজাকার, আলবদর, আলশামস বাহিনী দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের ধরে ধরে হত্যা করে। পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের নিশ্চিহ্ন করার এই নীলনকশা প্রণয়ন করে পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নরের সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী। বুদ্ধিজীবীদের প্রকৃত সংখ্যা আজ পর্যন্ত গণনা করা হয়নি। ১৯৭২ সালে প্রকাশিত বাংলাদেশ শীর্ষক গ্রন্থ থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, এদের মধ্যে ৯৯১ জন ছিলেন শিক্ষাবিদ, ৪৯ জন চিকিৎসক, ৪২ জন আইনজীবী এবং ১৬ জন সাহিত্যিক, শিল্পী ও প্রকৌশলী। বুদ্ধিজীবী নিধনের এ তালিকায় ঢাকা বিভাগে ২০২ জন শিক্ষক ও ১০ জন আইনজীবীকে হত্যা করা হয় । চট্টগ্রাম বিভাগে ২২৪ জন শিক্ষক ও ১০ জন আইনজীবীকে হত্যা করা হয়। খুলনা বিভাগে ২৮০ জন শিক্ষক ও ছয়জন আইনজীবীকে হত্যা করা হয়। রাজশাহী বিভাগে ২৬২ জন শিক্ষক ও ১৫ জন আইনজীবীকে হত্যা করা হয়। তবে এ তালিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নাম ছিল না। যাদের হত্যা করা হয়েছিল তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে ছিলেন এ এন এম মুনীর চৌধুরী, ড. জিসি দেব, মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, আনোয়ার পাশা, ড. জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা, আবদুল মুকতাদির, এস এম রাশীদুল হাসান, ড. এন এম ফয়জুল মাহী, ফজলুর রহমান খান, এ এন এম মুনীরুজ্জামান, ড. সিরাজুল হক খান, ড. শাহাদাত আলী, ড. এম এ খায়ের, এ আর খান খাদিম, মো. সাদেক, শরাফত আলী, গিয়াসউদ্দিন আহমেদ, অনুদ্বৈপায়ন ভট্টাচার্য। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিলেন অধ্যাপক মীর আবদুল কাইয়ুম, হবিবর রহমান, সুখরঞ্জন সমাদ্দার, ড. আবুল কালাম আজাদ। সাংবাদিক ছিলেন সিরাজুদ্দীন হোসেন, শহীদুল্লাহ কায়সার, খোন্দকার আবু তালেব, নিজামুদ্দীন আহমদ, আ ন ম গোলাম মোস্তফা, শহীদ সাবের, শেখ আবদুল মান্নান (লাডু), সৈয়দ নজমুল হক, এম আখতার, আবুল বাসার, চিশতী হেলালুর রহমান, শিবসদন চক্রবর্তী, সেলিনা পারভীন। এছাড়া শিল্পী আলতাফ মাহমুদ, সাহিত্যিক পূর্ণেন্দু দস্তিদার, মেহেরুন্নেসা, দানবীর রণদাপ্রসাদ সাহাসহ আরো অসংখ্য নাম।
কাল বন্ধ থাকবে ৩১ ব্যাংকের এটিএম সেবা
১২ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিস্টেম আপগ্রেড এবং রক্ষণাবেক্ষণের কারণে কিউ ক্যাশ প্রযুক্তি ব্যবহার করা ব্যাংকের এটিএম সেবা, পিওএস, কার্ড এবং অন্যান্য সেবা বন্ধ থাকবে। আগামীকাল ১৩ ডিসেম্বর ভোর ২টা ৩০ মিনিট থেকে ১৪ ডিসেম্বর সকাল ৯টা পর্যন্ত এই সেবা বন্ধ থাকবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। যেসব ব্যাংকের সেবা বন্ধ থাকবে : সোনালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, সীমান্ত ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, আইএফআইসি ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, ওরি ব্যাংক, মধুমতি ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, কমিউনিটি ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক ( ক্রেডিট কার্ড), মিডল্যান্ড ব্যাংক, মেঘনা ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংক, সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক, এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক, এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক এবং আইসিবি ইসলামী ব্যাংক। এছাড়াও নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান লংকাবাংলা ফাইন্যান্স এর ভিসা কার্ডের প্রযুক্তিতে বুথ থেকে টাকা উত্তোলন বন্ধ থাকবে। বাংলাদেশ ডাক বিভাগ কিউ ক্যাশ থেকে বিকাশে টাকা প্রেরণ এবং অনলাইনে আয়কর প্রদান বন্ধ থাকবে।
থার্টিফার্স্টে উন্মুক্ত স্থানে অনুষ্ঠান নিষিদ্ধ
১২ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বড়দিন ও থার্টিফার্স্ট নাইটে প্রকাশ্যে উন্মুক্ত স্থানে কনসার্ট, নাচ ও গানের আয়োজন করা যাবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কমিটির সভা শেষে তিনি এসব কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন ও থার্টিফার্স্ট নাইট দুটি দিবস খুব কাছাকাছি। খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন যথাযথভাবে পালন করতে পারে এবং থার্টিফার্স্ট নাইট যাতে উশৃঙ্খলভাবে উদযাপন করতে না পারে সেজন্য আমরা আজকের আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভাটি করেছি। এদিন রাস্তা বা ফ্লাইওভারে কনসার্ট, নাচ ও গানের আয়োজন করা যাবে না। বিশেষ করে সন্ধ্যা ৬টার পর প্রকাশ্যে উন্মুক্ত স্থানে কনসার্ট, নাচ ও গানের আয়োজন করা যাবে না। তিনি বলেন, ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে ১ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা পর্যস্ত সারাদেশের সব বার বন্ধ থাকবে। এসময়ের মধ্যে মাদকের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান চলবে। তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমরা বেশকিছু উদ্যোগ নিয়েছি। খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা যাতে যথাযথভাবে বড়দিন উদযাপন করতে পারে সেজন্য সংশ্লিষ্ট চার্চ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে ঢাকাসহ সারাদেশে প্রায় তিন হাজার ৫০০টি চার্চে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও তাদের নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবকের সঙ্গে সমন্বয় করে আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া বড়দিন উপলক্ষে পুলিশের বিশেষ কন্ট্রোলরুম রাখা হবে। চার্চগুলোতে রাখা ফোকাল পয়েন্ট সার্বক্ষণিক সমন্বয় করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করবেন। বড়দিন ও থার্টিফার্স্ট নাইট উপলক্ষে কূটনৈতিক এলাকায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, বড়দিন ও থার্টিফার্স্ট নাইট উপলক্ষে ভুভুজেলা, আতশবাজি, পটকা ফোটানো যাবে না। এ উপলক্ষে ৩০ ডিসেম্বর বিকেল ৪টা থেকে ১ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র বহন করা যাবে না। ৩১ ডিসেম্বরের পর ঢাকাসহ সারাদেশে উন্মুক্ত স্থানে কোনো ধরনের গান-বাজনার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা যাবে না। এদিন রাত ৮টার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকায় বহিরাগত প্রবেশ নিষেধ থাকবে। ঢাবি এলাকায় এসময় স্টিকার ব্যতিত কোনো গাড়ি প্রবেশ করতে পারবে না।
মেডিক্যাল রিপোর্ট বিবেচনা করেই জামিন নাকচ করেছে আপিল বিভাগ: আইনমন্ত্রী
১২ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: খালেদা জিয়ার মেডিক্যাল রিপোর্ট বিবেচনা করে আপিল বিভাগ তার জামিন নাকচ করেছেন বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে একথা বলেন তিনি। আইনমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়ার আইনজীবিরা তার মেডিক্যাল গ্রাউন্ডে জামিন চেয়েছেন। আদালত এটি বিবেচনা করেছেন। আদালতের এটি বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত দিয়েছেন যে উনাকে জামিন দিয়ে চিকিৎসার প্রয়োজন নেই। খালেদা জিয়ার চিকিৎসা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়তেই সম্ভব। তিনি আরও বলেন, ৬ জন বিচারপতি তাদের বিবেচনায় সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। আমরা আইনের শাসনে বিশ্বাস করি। নিশ্চয়ই বিএসএমএমইউতে কিছু করার থাকলে ডাক্তাররা ব্যবস্থা নিবে। সঠিক চিকিৎসা ডাক্তাররা দিচ্ছেন, আমি বিশ্বাস করি। খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা বিশ্বাস করেন না। খালেদা জিয়ার চিকিৎসা বিএসএমএমইউতেই সম্ভব। আইনজীবীদের ৪৩ জনের প্যানেল আছে। পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে তাঁরাই পরামর্শ দিবেন। মিয়ানমার বিষয়ে বাংলাদেশ কেন মামলা করেনি এই প্রশ্নের উত্তরে আইনমন্ত্রী বলেন, আমি বিশ্বাস করি রাখাইনে গনহত্যা হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস কি আদেশ দেন তার উপর নির্ভর করবে বাংলাদেশের পরবর্তী পদক্ষেপ। বিশ্বের অবস্থান খুবই পরিস্কার। সেখানের ১৮ জন বিচারক সব শুনে আদেশ বা রায় দিবেন। তারপর পরবর্তী বিবেচনা। আমরা যেহেতু প্রতিবেশী তাই আলোচনার চেষ্টা থাকবে। গণহত্যা হলে বিশ্বের যে কেউ মামলা করতে পারে। ডি গাম্বিয়া একটি মুসলিম রাষ্ট্র, মুসলিমদের হত্যা করা হয়েছে এই মর্মে মামলা করেছে গান্বিয়া।

জাতীয় পাতার আরো খবর