বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য গড়ে দেব : প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: সিলেটে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আরেকবার ক্ষমতায় এলে বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য গড়ে দেব, নিজের ভাগ্য গড়তে আসিনি। আজ শনিবার বিকেলে সিলেট আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় এই কথা বলেন শেখ হাসিনা। এর আগে তিনি হজরত শাহজালাল (র.), হজরত শাহপরান (র.) ও গাজী বুরহান উদ্দিনের (র.) মাজার জিয়ারত করেন শেখ হাসিনা। জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, বিএনপি-জামায়াত দেশকে জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ হিসেবে পরিচিত করেছে। গ্যাসবিক্রির মুচলেকা দিয়ে ক্ষমতায় বসেছিল বিএনপি-জামায়াত। শেখ হাসিনা বলেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে তারই রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা ও সেনাপ্রধান। আমরা মামলা দেইনি। দীর্ঘ ১০ বছরের বিচারের পর তাঁর সাজা হয়েছে। আর ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় দণ্ডিত আসামি লন্ডনে বসে বসে নাটাই ঘোরায়। বিদেশের মাটিতে বসে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সম্পর্কে শেখ হাসিনা বলেন, আবার যদি ক্ষমতায় যাই, তাহলে ওই সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে ধরে নিয়ে এসে সাজা কার্যকর করব। বাংলাদেশের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে দেব না। শেখ হাসিনা বলেন, সিলেট বিভাগে আমরা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল করে দিয়েছি। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ হবে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিনিয়োগে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে। প্রত্যেক ঘরে ঘরে আলো জ্বালব এই পরিকল্পনা নিয়েই কাজ করে যাচ্ছি। স্কুল-কলেজ, ব্রিজ, রাস্তাঘাট ব্যাপকভাবে তৈরি করা হচ্ছে। সিলেট বিভাগে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করে দিয়েছি। প্রত্যেক জেলায় যাতে বিশ্ববিদ্যালয় হয়, ব্যবস্থা নিয়েছি। সরকারি-বেসরকারিভাবে আমরা সব জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় করার ব্যবস্থা নিচ্ছি। এখন লন্ডন থেকে সরাসরি বিমান সিলেটে নামছে। বাংলাদেশ বিমান করুণদশা থেকে মুক্তি পেয়েছে। সারা দেশে ৫৬০টি মসজিদ কাম ইসলামিক সেন্টার আমরা করে দিচ্ছি। সৌদি সরকার এখানে সহায়তা করছে। কওমি মাদ্রাসার সনদের মান দিয়েছি, দেশে-বিদেশে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মোবাইল ফোন বেসরকারি খাতে দিয়ে সবার জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছি। বিএনপি সরকারের মন্ত্রী একচেটিয়া ব্যবসা করত, সেই মনোপলি ভেঙে দিয়েছি। সবার হাতে মোবাইল ফোন পৌঁছে গেছে। নৌকা মানুষের জীবনের বন্ধু। হজরত নূহ (আ.)-এর আমলে নৌকায় ভর করে মানুষ মুক্তি পেয়েছিল। তেমনি নৌকায় ভোট দিলে মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন হয়। আমরা সরকার গঠন করে বিদ্যুতের উৎপাদন বাড়িয়েছি। কোনো ঘর আর অন্ধকার থাকবে না। বলছিলেন শেখ হাসিনা। রেল যোগাযোগে উন্নয়নের জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় করে দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন,একটি বাড়ি একটি খামারের মাধ্যমে আমরা নিশ্চিত করেছি, দেশের প্রতিটি ইঞ্চি যেন চাষাবাদের আওতায় আসে। হাওড় অঞ্চলের মানুষের জন্য ব্যাপক উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে। সিলেটের প্রত্যেকটি নদীর ড্রেজিং করার জন্য আমরা পরিকল্পনা নিয়েছি। সিলেটের অনেক নদীর নাব্যতার কারণে বন্যার সৃষ্টি হয়। বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন,জাতির পিতা আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন, আমরা মাথা উঁচু করে চলব। পদ্মা সেতু নিয়ে আমি চ্যালেঞ্জ করেছিলাম, আমরা নিজের টাকায় পদ্মাসেতু করব। আল্লাহর রহমতে সেই পদ্মা সেতু করতে সক্ষম হয়েছি। বিএনপি সরকার মানে হত্যা, গুম, জঙ্গিবাদের রাজত্ব। দেশকে বিশ্বের নিকট ভিক্ষুকদের দেশ হিসেবে পরিচয় করিয়েছে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার। এখন বাংলাদেশ মানে উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও মর্যাদা। বিএনপির উদ্দেশে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, আজকের নির্বাচনে নমিনেশন ব্যবসা করেছে তারা। একেকটা সিটে কয়েকজনকে প্রার্থী দিয়েছে, যে বেশি টাকা দিয়েছে তাকে নমিনেশন দেওয়া হয়েছে। বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে শেখ হাসিনা সিলেট বিভাগের সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারে দলীয় ও মহাজোটের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন। এ সময় তিনি মহাজোটের জাতীয় পার্টির প্রার্থীর পক্ষে ভোট চেয়ে তিনি বলেন, আপনারা লাঙ্গল মার্কায় ভোট দেন, কোনো সমস্যা নেই, সব লাঙ্গল নৌকায় নিয়ে আসব। গান গেয়ে প্রধানমন্ত্রী স্বাগত কোন মেস্ত্ররি নাও বানাইল কেমন দেখা যায়, ঝিলমিল ঝিলমিল করে রে বঙ্গবন্ধুর নৌকায় বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিমের বিখ্যাত গান কোন মেস্ত্ররি নাও বানাইল কেমন দেখা যায়, ঝিলমিল ঝিলমিল করে রে ময়ূরপঙ্খী নাও গানের সুরে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। বিকেল সোয়া ৩টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন আলিয়া মাদ্রাসা মাঠের সভামঞ্চে পৌঁছান তখন এ গান গেয়ে শোনান তিনি। সার্কিট হাউজ থেকে শেখ হাসিনা যখন সভাস্থলে পৌঁছান তখন মঞ্চে বক্তব্য দিচ্ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক। এ সময় জননেত্রীর আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম স্লোগান দিতে থাকেন সমাবেশে আগত আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকরা। এর পর পরই এই গানের সুর তোলেন বদর উদ্দিন আহমদ কামরান। নির্বাচনী প্রচারণার উদ্দেশ্যে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি নিয়মিত ফ্লাইটে সিলেট আসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর তিনি হজরত শাহজালাল (র.), হজরত শাহপরান (র.) ও সিলেটের প্রথম মুসলিম গাজী বুরহান উদ্দিনের (র.) মাজার জিয়ারত করেন। আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা মাজার জিয়ারত শেষে জোহরের নামাজ ও মধ্যাহ্নভোজের জন্য নগরীর সার্কিট হাউজে অবস্থান করেন। এরপর সার্কিট হাউজ থেকে সভাস্থলে পৌঁছান। জনসভা অবশ্য দুপুর ২টায় শুরু হয়। সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট লুৎফুর রহমানের সভাপতিত্বে সেই জনসভা শুরু হয়। সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের পরিচালনায় স্বাগত বক্তব্য দেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন।
চারজনের প্রতীক পরিবর্তনের নির্দেশ,সাতজনের প্রার্থিতা বাতিল
অনলাইন ডেস্ক: উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ না করায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির পাঁচ এবং স্বতন্ত্র দুজনের প্রার্থিতা বাতিল করেছেন হাইকোর্ট। পৃথক আবেদনের শুনানি শেষে আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাডভোকেট শাহ মঞ্জুরুল হক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু। হাইকোর্টে যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে তাঁরা হলেন-জামালপুর-৪ আসনে বিএনপির মো. ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসন মো. মুসলিম উদ্দিন, ঝিনাইদহ-২ আসনে মো. আবদুল মজিদ, জয়পুরহাট-১ আসনে মো. ফজলুর রহমান ও রাজশাহী-৬ আসনে মো. আবু সাইদ চাঁদ এবং স্বতন্ত্র রংপুর-১ আসনে মো. আসাদুজ্জামান ও ময়মনসিংহ-৮ আসনে মাহমুদ হোসেন। এ ছাড়া চারটি আসনে প্রার্থীদের ধানের শীষ প্রতীক পরিবর্তন করে অন্য চারজনকে দেওয়া হয়েছে। এঁরা হলেন নওঁগা-১ আসনে খালেক চৌধুরীর পরিবর্তে মোস্তাফিজুর রহমান, বগুড়া-৩ আসনে আব্দুল মুহিত তালুকদারের পরিবর্তে মাসুদা মোমিন, মানিকগঞ্জ-১ আসনে এস এম জিন্নাহ কবিরের পরিবর্তে বিএনপির প্রয়াত মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে খন্দকার আবদুল হামিদ ডাবলুকে এবং নাটোর-১ আসনে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রার্থী মঞ্জুরুল ইসলাম বিমলের পরিবর্তে কামরুন্নাহার শিরীনকে ধানের শীষ প্রতীক দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর আগে বিএনপির সাত প্রার্থী উপজেলা চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ না করা সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন তাদের মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেছিলেন। পরে কমিশনের সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে পৃথক আবেদন করা হয়। ওই আবেদনের শুনানি শেষে তাদের প্রার্থিতা বাতিলের আদেশ দেন হাইকোর্ট।
হাবিবুল্লাহ সিরাজী বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক
অনলাইন ডেস্ক: বাংলা একাডেমির নতুন মহাপরিচালক হিসেবে যোগ দিয়েছেন কবি হাবিবুল্লাহ সিরাজী। একাডেমির জনসংযোগ বিভাগ জানিয়েছে, নতুন মহাপরিচালক বৃহস্পতিবার সকালে তার দায়িত্ব বুঝে নেন। এরআগে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক ছিলেন শামসুজ্জামান খান। তার স্থলাভিষিক্ত হলেন হলেন হাবিবুল্লাহ সিরাজী। দশ বছর দায়িত্ব পালনের পর গত মে মাসে তার মেয়াদ শেষে মহাপরিচালকের পদটি শূন্য ছিল। আশির দশকে জাতীয় কবিতা পরিষদ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা রাখা কবি হাবিবুল্লাহ সিরাজী ২০১৬ সালে একুশে পদক পান। তার আগে ১৯৯১ সালে পান বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার। ১৯৪৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর ফরিদপুরে জন্ম নেওয়া এই কবির কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ৩২টি। কবিতার পাশাপাশি উপন্যাস, প্রবন্ধ ও স্মৃতিকথাও লিখেছেন তিনি। হাবিবুল্লাহ সিরাজীর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো- দাও বৃক্ষ দাও দিন,মোমশিল্পের ক্ষয়ক্ষতি, মধ্যরাতে দুলে ওঠে গ্লাশ, স্বপ্নহীনতার পক্ষে, আমার একজনই বন্ধু, পোশাক বদলের পালা, প্রেমের কবিতা,কৃষ্ণ কৃপাণ ও অন্যান্য কবিতা, সিংহদরজা, জয় বাংলা বলোরে ভাই, সারিবদ্ধ জ্যোৎস্না, স্বনির্বাচিত প্রেমের কবিতা, কতো কাছে জলছত্র, কতোদূর চেরাপুঞ্জি ভুলের কোনো শুদ্ধ বানান নেই, ইতিহাস বদমাশ হলে মানুষ বড়ো কষ্ট পায়।
বৈধ অস্ত্র জমা দেয়ার নির্দেশ
অনলাইন ডেস্ক :আগামী ২৪শে ডিসেম্বরের মধ্যে বৈধ অস্ত্র জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আজ এ সংক্রান্ত একটি চিঠি নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা শাখায় পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীরা তাদের বৈধ অস্ত্র রাখতে পারবেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিটি জাতীয় নির্বাচনে বৈধ অস্ত্র জমা নেয়া হয়ে থাকলেও এবার নির্বাচন কমিশন এতোদিন সে উদ্যোগ নেয়নি। বরং ইসি থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল, ভোটের সময় বৈধ অস্ত্র জমা দেয়া লাগবে না, তবে তা কেউ বহন বা প্রদর্শন করতে পারবে না। এ নিয়ে তীব্র সমালোচনা আসায় শেষ মুহূর্তে নির্বাচন কমিশন অস্ত্র জমা নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
নির্বাচনে এখন পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশ আছে :আইজিপি
অনলাইন ডেস্ক :আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলার প্রস্তুতি বিগত যেকোনো সময়ের চেয়ে সর্বোত্তম ও চমৎকার বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক ( আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী। তিনি বলেছেন, নির্বাচনে এখন পর্যন্ত যে পরিবেশ আছে, সেরকম শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকলে জাতিকে একটি সুন্দর নির্বাচন উপহার দিতে পারবো। বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদার সাথে দেখা করার পর এসব কথা বলেন আইজিপি। সিইসির সাথে বৈঠকের পর আইজিপি বলেন, আমরা মূলত নির্বাচন উপলক্ষে আমাদের পরিকল্পনা, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করতে এসেছি। আমাদের সর্বশেষ অবস্থা-পরিস্থিতি ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে পুলিশের নিজস্ব পরিকল্পনার কথা কমিশনের সাথে বিনিময় করেছি। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সাথে সাক্ষাতকে নিয়মিত বৈঠকের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন আইজিপি। এ সময় পুলিশ প্রশাসন নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণে নেই বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের এমন অভিযোগ অবাস্তব বলে সাংবাদিকদের জানান ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী। তিনি বলেন, শুধু পুলিশ নয়, সমস্ত প্রশাসনই এখন কমিশনের নিয়ন্ত্রণে। সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে পুলিশ ব্যবস্থা নিচ্ছে। তবে ঢালাও যে অভিযোগ এরকম কিছু আমাদের কাছে নেই। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম উদ্যোক্তা ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেনের গাড়িবহরে হামলা বিষয়ে জানতে চাইলে কোনো মন্তব্য করেননি আইজিপি। পুলিশের প্রতিনিধি দলে আরো ছিলেন, অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মোখলেসুর রহমান, পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের প্রধান শহীদুল ইসলাম, ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া, ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম ও স্পেশাল অ্যাকশন গ্রুপের উপ-কমিশনার প্রলয় কুমার জোয়ারদার।
নৌকার পক্ষে প্রচারণায় তারকারা চট্টগ্রামে
নিজেস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম :নৌকা প্রতীকে ভোট চেয়ে প্রচারণায় নেমেছেন একঝাঁক তারকা অভিনয়শিল্পী। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে ট্রাকে চড়ে তারা প্রচারণা শুরু করেন। এসময় সেখানে বক্তব্য দেন রাঙ্গুনিয়ার আওয়ামী লীগ প্রার্থী ড. হাছান মাহমুদ। উপস্থিত ছিলেন কোতোয়ালী আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম।তারাকাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চিত্রনায়ক ফেরদৌস, রিয়াজ, সাকিব, মাহফুজ আহমেদ, সুইটি, তারিন আহমেদ, অরুণা বিশ্বাস প্রমুখ।নগরের তিনটি সংসদীয় আসনে নৌকার পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে রাঙ্গুনিয়ায় যাওয়ার কথা রয়েছে ওই তারকা শিল্পীদের।একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচার উপ-কমিটির ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ প্রচারণা চালানো হচ্ছে।আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘একঝাঁক অভিনয় শিল্পী আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারণার সাথে যুক্ত আছেন। ধারাবাহিক প্রচারণার অংশ হিসেবে তারা চট্টগ্রামে এসেছেন। এখানে তারকা-শিল্পীদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন স্থানীয় শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীরা। তারা গান, আবৃত্তি ও কথামালার মধ্যদিয়ে বর্তমান সরকারের উন্নয়ন সম্পর্কে সাধারণ জনগণকে উদ্বুদ্ধ করবেন এবং নৌকা প্রতীকে ভোট চাইবেন।
উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে আওয়ামী লীগকে পুনঃনির্বাচিত করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখা এবং আবারো জনগণের সেবা করার সুযোগ দিতে তাঁর দলকে পুনঃনির্বাচিত করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ইতোমধ্যে দেশে অনেক প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছি। এছাড়া অনেক মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। এজন্য আমি আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতীক নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখা এবং জনগণকে আবারো সেবা করার সুযোগ দিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাই। তিনি আজ বিকেলে তাঁর ধানমন্ডির সুধাসদন বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাজশাহী, জয়পুরহাট, নড়াইল ও গাইবান্ধায় নির্বাচনী সমাবেশে বক্তৃতাকালে এ আহ্বান জানান। আওয়ামী লীগ সভাপতি বিশাল উৎসবের মধ্য দিয়ে ২০২০ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালনে তাঁর সরকারকে পুনঃনির্বাচিত করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আমরা ২০২০-২০২১ কে ইতোমধ্যে মুজিব বর্ষ ঘোষণা করেছি। এ জন্য আমরা বিশাল উৎসবের সাথে যথাযোগ্য মর্যাদায় মুজিব বর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালনের সুযোগ চাই। প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে নির্বাচিত করার জন্য রাজশাহীর মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, এজন্য আমি আপনাদের কাছে চাই যে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে যেভাবে আমাদের প্রার্থীকে নির্বাচিত করেছেন একইভাবে আসন্ন সাধারণ নির্বাচনেও আওয়ামী লীগ ও মহাজোট প্রার্থীকে বিজয়ী করবেন।বাসস
সারা দেশে সাধারণ ছুটি ভোটের দিন
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণের দিন সারা দেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। আজ বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব এস এম শাহীন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে ৩০ ডিসেম্বর রোববার সারা দেশে ছুটি ঘোষণা করা হয়। বার্তা সংস্থা ইউএনবি এ তথ্য জানায়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, নির্বাচন কমিশনের চাহিদা অনুযায়ী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ৩০ ডিসেম্বর রোববার সারা দেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলো। এতে উল্লেখ করা হয়, সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস/ প্রতিষ্ঠান/ সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক/ কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোট গ্রহণের সুবিধার্থে সব নির্বাচনী এলাকায় নির্বাচনকালীন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

জাতীয় পাতার আরো খবর