মঙ্গলবার, নভেম্বর ১২, ২০১৯
দেশপ্রেমিক প্রজন্মই উন্নত দেশ গড়তে পারে: তথ্যমন্ত্রী
০৬সেপ্টেম্বর,শুক্রবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ দেশপ্রেমিক প্রজন্ম সৃষ্টির জন্য দেশের শীর্ষ স্থানীয় শিশু-কিশোর সংগঠন খেলাঘর-এর অবদানের প্রশংসা করে বলেছেন, একটি উন্নত জাতি গঠনের জন্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অবশ্যই দেশপ্রেমিক ও মেধাবী হতে হবে এবং অন্যের প্রতি ভালবাসা থাকতে হবে। তিনি বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত দেশে পরিণত করতে হলে নতুন প্রজন্মকে অবশ্যই দেশপ্রেমের চেতনা ও আধুনিক জ্ঞানসম্বলিত শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে। তিনি আরো বলেন, নিকট ভবিষ্যতে বিশ্ব বাংলাদেশের ব্যাপক উন্নতি প্রত্যক্ষ করবে। মন্ত্রী আজ শুক্রবার শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সম্মেলন হলে খেলাঘর, ঢাকা মহানগর উত্তর ইউনিটের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের ইউনিট সভাপতি আরিফুর রহমান। সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা ড. সেলু বাসিত, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা মো. শফিকুল শফিক ও খেলাঘর কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক রুনু আলী। তথ্যমন্ত্রী বলেন, গত ৬৭ বছর ধরে খেলাঘর শিশুদের মধ্যে প্রগতিশীল চিন্তা-চেতনা জাগিয়ে তোলার জন্য আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ড. হাছান বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে যে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেখিয়েছেন, তা বাস্তবায়নে আজকের এই শিশু-কিশোরদের সুনাগরিক হয়ে গড়ে উঠতে হবে। তাদের হাত ধরেই বাংলাদেশ তার স্বপ্নের ঠিকানায় শুধু পৌঁছেই যাবে না, সেই ঠিকানা অতিক্রম করতে পারবে। আজ পাকিস্তান বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখে আক্ষেপ করে, আর ভবিষ্যতের সেদিন সমগ্র বিশ্ব অবাক তাকিয়ে দেখবে এদেশের বিস্ময়কর অগ্রগতি। তিনি বলেন, আর এজন্য প্রয়োজন আমাদের শিশু-কিশোরদের জঙ্গিবাদ, মৌলবাদ, মাদক ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের আসক্তি থেকে মুক্ত রেখে দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত করা, যে কাজকে খেলাঘর ও এ ধরণের উদ্যোগ অনেক এগিয়ে নিতে পারে। নিজের জীবন দর্শনকে সহজে ব্যাখ্যা করে ড. হাছান বলেন, সময় জীবনে সবচেয়ে মূল্যবান। আর মানুষ আলোর বেগে ছুটতে না পারলেও প্রতিটি মুহূর্তকে কাজে লাগাতে পারে। আর শৈশব-কৈশোরই হচ্ছে জীবনকে গড়ে তোলার শ্রেষ্ঠ সময়। হাছান মাহমুদ বলেন,জীবন মানেই যুদ্ধ। আমি পারবই- এমন প্রত্যয়ে বুক বেঁধে এগিয়ে চলতে হবে লক্ষ্যের দিকে। জয় আসবেই।
পদ্মা সেতুর টোল নির্ধারণ হচ্ছে
০৫সেপ্টেম্বর,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সরকারের সবশেষ ঘোষণা অনুযায়ী, ২০২১ সালের জুনে গাড়ি চলবে পদ্মা সেতু দিয়ে। নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এ সেতুর নির্মাণ খরচ পরিশোধ করবে সেতু বিভাগ। সেতু দিয়ে চলাচল করা যানবাহন থেকে নেওয়া টোলের টাকা হবে নির্মাণ খরচ পরিশোধের উৎস। এ জন্য এখন পদ্মা সেতুর টোলের হার নির্ধারণের প্রক্রিয়া চলছে। ২০২১-২২ অর্থবছর থেকে অর্থ বিভাগকে নির্মাণ খরচের টাকা পরিশোধ শুরু করবে সেতু বিভাগ। ৩৫ বছরের মধ্যে তা পরিশোধের কথা রয়েছে। সেতু বিভাগের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এ প্রতিবেদককে বলেন, পদ্মা সেতুর টাকা ফেরতের জন্য সম্প্রতি অর্থ বিভাগের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। ঋণের টাকা চুক্তি অনুযায়ী পরিশোধ করবে সেতু কর্তৃপক্ষ। কত সময়ের মধ্যে পরিশোধ করবে তা চুক্তিতেই স্পষ্ট করা আছে। জানা গেছে, পদ্মা সেতু চালুর পর টোলের হার কী হবে এ নিয়ে প্রস্তুতি চলছে। অর্থ বিভাগের সঙ্গে গত ২৯ আগস্ট সেতু কর্তৃপক্ষের চুক্তির পর বিষয়টি আরও গুরুত্ব পায়। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ২৯ হাজার ৮৯৩ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে সরকার। ১ শতাংশ সুদহারে সুদসহ ঋণ পরিশোধ করবে সেতু কর্তৃপক্ষ। ঋণ পরিশোধের শিডিউল অনুযায়ী প্রতি অর্থবছরে প্রায় সর্বনিম্ন ৮২৬ কোটি থেকে সর্বোচ্চ এক হাজার ৪৭৫ কোটি টাকা পরিশোধ করতে হবে। এই টাকা আদায় করা হবে টোলের মাধ্যমে। নির্মাণকাজ শেষে গাড়ি চলাচলের ১৫ বছর পর ১০ শতাংশ বা যৌক্তিক হারে টোল বাড়বে বলে অর্থ বিভাগের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত পদ্মা সেতুর মূল কাজের বাস্তব অগ্রগতি ৮৩ শতাংশ। সেতুটি চালু হলে জিডিপি ১ দশমিক ২ শতাংশ বাড়বে বলে আশা করছে সরকার। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সেতুটি চালু হলে ১০ মিনিটেই পদ্মা নদী পাড়ি দেওয়া সম্ভব বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। বর্তমানে ফেরির মাধ্যমে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী ঘাট হয়ে পদ্মা পার হয় যানবাহন। এ জন্য সময় লাগে প্রায় আড়াই ঘণ্টা। সেতু চালু হলে সময় বাঁচলেও বাড়বে খরচ। কারণ বর্তমানে চলাচলরত ফেরির দেড়গুণ হারে টোল নির্ধারণের প্রস্তাব যাচ্ছে অর্থ বিভাগে। অবশ্য টোলের হার আরও কম হওয়ার কথা। প্রথমে আলোচনা ছিল ৪৫ বছরে সেতুর নির্মাণ খরচ পরিশোধ করা হবে। পরে ১০ বছর কমিয়ে ৩৫ বছর ধরা হয়। বার্ষিক যান চলাচলের গড় হিসাব পর্যালোচনা শেষে টোলের হার চিন্তা করা হচ্ছে। যানবাহনের শ্রেণিভেদে টোলের হার নির্ধারণ করা হবে। সূত্রমতে, পদ্মা সেতুতে একটি মোটরসাইকেল পাড়ি দিতে গুনতে হবে ১০৫ টাকা। আর কার, জিপের মতো হালকা যানবাহনের টোল হবে ৭৫০ টাকা। ছোট বাসের জন্য (২৯ আসন বা তার কম) ২০২৫ টাকা, বড় বাস (৩০ আসন বা তার বেশি) ২৩৭০ টাকা, ছোট ট্রাক (৫ টন বহন ক্ষমতা) ১৬২০ টাকা, মাঝারি ট্রাক (৫ থেকে ৮ টন) ২১০০ টাকা, বড় ট্রাক (৮ টনের বেশি বহন ক্ষমতা) ২৭৭৫ টাকা, মাইক্রোবাস ১২৯০ টাকা, ট্রেইলার ৪০০০ টাকা (৪ এক্সেল পর্যন্ত)। চার এক্সেলের বেশি ট্রেইলার হলে এক্সেলপ্রতি ১৫০০ টাকা অতিরিক্ত চার্জ ধরা হবে। বর্তমানে দেশের বৃহৎ সেতু যমুনা নদীর ওপর নির্মিত বঙ্গবন্ধু সেতুটি। বিদেশি ঋণে ১৯৯৮ সালে চালু হওয়া বঙ্গবন্ধু সেতুর দৈর্ঘ্য ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার। পদ্মা সেতুর চেয়ে দৈর্ঘ্যে কম বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোলের হার হচ্ছে মোটরসাইকেল ৪০ টাকা, কার/হালকা বাহন ৫০০ টাকা, ছোট বাস ৬৫০ টাকা, বড় বাস ৯০০ টাকা, ছোট ট্রাক ৮৫০ টাকা, মাঝারি ট্রাক ১১০০ টাকা এবং বড় ট্রাক ১৪০০ টাকা। এ সেতুর কর্তৃপক্ষ সম্পাদিত চুক্তি অনুযায়ী ঋণের আসল ও সুদসহ প্রতিবছর ৪ কিস্তিতে অর্থ মন্ত্রণালয়কে পরিশোধ করছে। প্রতি অর্থবছরে প্রায় ২৫০ কোটি টাকা বাংলাদেশ সরকারকে পরিশোধ করে আসছে। আগামী ২০৩৩-৩৪ অর্থবছরে এই ঋণ সুদসহ সম্পূর্ণ পরিশোধের কথা রয়েছে।
পরিবেশ দূষণের কারণে আমাদের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে: প্রধানমন্ত্রী
০৫সেপ্টেম্বর,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পরিবেশ দূষণের কারণে আমাদের জীববৈচিত্র্য আজ হুমকির মুখে। বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ব্লু ইকোনমি মিনিস্টেরিয়াল কনফারেন্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মানবজাতিকে ভয়াবহ বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এই বিপর্যয় মোকাবিলায় আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, মহাসাগরের সম্পদ রক্ষায় আমরা যত বেশি পদক্ষেপ নেবো, তা আমাদের জন্য তত ভালো ফল বয়ে আনবে। শেখ হাসিনা বলেন, এই সম্মেলন শেষে ঢাকা ঘোষণা হবে। আমরা সবার জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলবো এ অঙ্গীকার এ ঘোষণায় থাকবে। আশা করি, সবার জন্য কল্যাণকর সিদ্ধান্ত নেওয়ার মাধ্যমে সম্মেলন সফল হবে।
শাস্তি নয় সহযোগিতা দিয়ে কিশোর অপরাধ কমাতে হবে
০৪সেপ্টেম্বর,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শাস্তি দিয়ে নয় বরং সবার সহযোগিতার মাধ্যমেই কিশোর অপরাধ কমাতে হবে এমন মত বিশেষজ্ঞদের। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করতে হবে পরিবারকে। সে সঙ্গে স্মার্টফোন ও কম্পিউটার ব্যবহারে স্বজনদের নজরদারিও বাড়াতে হবে। গেল কয়েকদিনে রাজধানীতে বেশ কয়েকজন কিশোরকে আটক করে সাজা দেয় Rabর ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসব কিশোর বিভিন্ন গ্যাংয়ের সদস্য এবং নানা অপরাধে জড়িত। প্রশ্ন আসে অভিযুক্ত কিশোরদের পরিবারের সদস্যরা নিজেদের সন্তানদের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে কতটা সচেতন? বিশেষজ্ঞরা বলছেন শাস্তি দিয়ে নয় বরং স্নেহ-মমতা আর নজরদারিতে রেখে তাদের সংশোধনের ব্যবস্থা করতে হবে। কাজটি শুরু করতে হবে পরিবার এবং স্কুল ও সমাজ থেকে। পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন কিশোররাই মূলত অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। সে সঙ্গে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকাও তাদের মানসিকভাবে অপরাধপ্রবণ করে তুলছে। তারা বলছেন সমস্যা সমাধানে জনপ্রতিনিধিদেরও এগিয়ে আসতে হবে। কিশোরদের সমাজের নানা কল্যাণমুখী কাজে উদ্বুদ্ধ করার মাধ্যমে সহজে অপরাধমুখী হওয়া থেকে সরিয়ে আনা সম্ভব বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
তাহেরীর বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ
০৩সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইসলামিক বক্তা গিয়াস উদ্দিন আত তাহেরির বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা মামলার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। মামলা গ্রহণ করার মতো পর্যাপ্ত উপাদান না থাকায় সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালের বিচারক আস সামছ জগলুল হোসেন আজ মঙ্গলবার এই আদেশ দেন। অভিযোগকারী আইনজীবী মো. ইব্রাহিম খলিল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এই আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাওয়ার কথাও জানান তিনি। ইসলাম ধর্মকে ব্যঙ্গ ও অবমাননার অভিযোগে গত ১ সেপ্টেম্বর ঢাকা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য অ্যাডভোকেট মো. ইব্রাহিম খলিল সাইবার ট্রাইব্যুনালে তাহেরীর বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করেন। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ এর ২৮ ও ৩১ ধারায় ওই আবেদন করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক হজরত মুহম্মদ (সা.) এর আদর্শ ও পবিত্র ধর্মগ্রন্থ ওয়াজ মাহফিলের মধ্যে নাচ-গান সমর্থন করে না। ইসলামের রীতিনীতি অনুযায়ী আসামির কর্মকাণ্ড মুনাফেকির শামিল। এক ব্যক্তির উক্তি দিয়ে তার বিড়ি খাওয়ার দোয়াটিও ইসলামের কোথাও নেই। তার এসব বক্তব্যে ইসলাম ধর্মকে ব্যঙ্গ ও অবমাননা করা হয়েছে। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে প্রথমে ২ সেপ্টেম্বর আদেশের দিন ধার্য করেন। পরে তা একদিন পিছিয়ে ৩ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করা হয়। সে অনুযায়ী, আজ আবেদনটি খারিজ করে দেন।
মহাসড়ক ব্যবহার করলেও টোল দিতে হবে
০৩সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের চলমান উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে দেশের মহাসড়কগুলোর ব্রিজ, সেতু থেকে টোল আদায়ের পাশাপাশি এবার মহাসড়ক ব্যবহার করলেও টোল আদায়ের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে বর্তমান সরকারের ১৪তম জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এই নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা সভার কার্যক্রমে অংশ নেন। সভা শেষে প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশ গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে তুলে ধরেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ব্রিজে আমরা টোল নিই। সড়ক নয়, জাতীয় মহাসড়কগুলোতে থাকা (যেমন ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-খুলনা, ঢাকা-রংপুর জাতীয় মহাসড়ক) ব্রিজ ছাড়াও রাস্তার ওপর টোল বসানো হবে। সারাবিশ্বে তাই আছে। টোলে কত টাকা নির্ধারণ হবে, সেটা ঠিক করব এখন। কারণ এইভাবে আর পারা যাবে না। এম এ মান্নান আরও বলেন, এই টাকা ব্যয় করা হবে রাস্তা মেরামতে। পশ্চিমা দেশে এটা খুবই জনপ্রিয়। এটাকে তারা বলে ইউজার পেইড বা ব্যবহার করেন, পেমেন্ট করেন। এই টোলের টাকা আলাদা অ্যাকাউন্টে যাবে। এগুলো রাস্তার মেরামতে ব্যয় করা হবে।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মোবাইল ফোন বন্ধের নির্দেশ
০২সেপ্টেম্বর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য মোবাইল সুবিধা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। আজ সোমবার মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের নির্দেশের পর বিটিআরসি এ পদক্ষেপ নিয়েছে। বিটিআরসির নির্দেশনায় অপারেটরদের বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও গুরুত্ব বিবেচনা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনসুরক্ষার স্বার্থে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী যাতে মোবাইল সুবিধা না পায় এ বিষয়টি নিশ্চিত করতে সংস্থাসমূহকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল। কিন্তু কমিশন থেকে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনকারী কমিটি থেকে এবং বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা, গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ব্যাপক হারে সিম/রিম ব্যবহার-সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া গেছে। এমতাবস্থায়, আগামী সাত কার্ দিবসের মধ্যে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কোনো ধরনের সিম বিক্রি, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মাধ্যমে সিম ব্যবহার বন্ধ তথা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে মোবাইল সুবিধা প্রদান না করা সংক্রান্ত সব ব্যবস্থা নিশ্চিত করে বিটিআরসিকে অবহিতকরণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হলো।
ঘুষের টাকা নেওয়ার সময় হাতেনাতে আটক নৌ পরিবহন কর্মকর্তা
০২সেপ্টেম্বর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাহাজের সার্ভে সংক্রান্ত কাজ করে দেওয়ার জন্য ঘুষ হিসেবে দুই লাখ টাকা গ্রহণকালে নৌ পরিবহন অধিদপ্তরের সার্ভেয়ার মির্জা সাইফুর রহমানকে আটক করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে নিজ কার্যালয় থেকে দুদকের সহকারী পরিচালক আবদুল ওয়াদুদের নেতৃত্বে একটি টিম তাকে হাতেনাতে আটক করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম। তিনি জানান, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মির্জা সাইফুর রহমানকে আটক করতে দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয় থেকে বিশেষ টিম গঠন করা হয়। তার বিরুদ্ধে এ বিষয়ে মামলা দায়ের করা হবে বলে জানান দুদকের এ কর্মকর্তা।
মিন্নির জামিন বহাল
০২সেপ্টেম্বর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে হাইকোর্টের দেয়া জামিনের রায় বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। এই আদেশের ফলে মিন্নির কারামুক্তিতে আর কোন বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা। আজ সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর আদালত এ আদেশ দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারোয়ার হোসেন বাপ্পী। অন্যদিকে মিন্নির পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেডআই খান পান্না ও সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি এএম আমিন উদ্দীন। গতকাল রোববার (১ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চের স্বাক্ষরের পর মিন্নির জামিনের রায় প্রকাশিত হয়। পরে ওই রায়ের বিরুদ্ধে মিন্নির জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল আবেদন জানায়। গত ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে মিন্নির স্বামী রিফাত শরীফকে সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা সাতজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। বরগুনা পুলিশ লাইনন্সে এনে দিনভর জিজ্ঞাসাবাদের পর রিফাত হত্যায় জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় মিন্নিকে গত ১৭ জুলাই গ্রেফতার দেখায় বরগুনা জেলা পুলিশ। পরে আদালতে হাজির করে তাকে ৫ দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। এরিমধ্যে মিন্নির কাছ থেকে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নেয়া হয়েছে। এরপর কয়েক দফা আবেদন জানালেও নিম্ন আদালতে জামিন মেলেনি মিন্নির। পরে একই মামলায় গত ১৮ আগস্ট দ্বিতীয় দফায় জামিন চেয়ে মিন্নি হাইকোর্টে আবেদন করেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর