ঢাকা-হেলসিঙ্কি জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে একসঙ্গে কাজ করবে
৭জুন২০১৯,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট সাউলি নিনিস্তোর মধ্যে বৈঠকে বাংলাদেশ ও ফিনল্যান্ড জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করতে সম্মত হয়েছে। মঙ্গলবারের এ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের ১১ লাখ রোহিঙ্গা মানুষকে নিরাপদে ও সম্মানের সঙ্গে দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছ থেকে দৃঢ় সমর্থন কামনা করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতা লেখক (সচিব) মো. নজরুল ইসলাম এখানে প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা এক মিটার বেড়ে গেলে বাংলাদেশের এক-তৃতীয়াংশ ডুবে যাবে। তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের পরিণতি মোকাবেলায় তার সরকারের উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন। এ প্রসঙ্গে তিনি জলবায়ূু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় নিজের সম্পদ নিয়ে বাংলাদেশ ক্লাইমেট রেসিলিয়েন্স ফান্ড গঠনের কথা উল্লেখ করেছেন। শেখ হাসিনা ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্টকে তার সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের বিষয়ে বিশেষ করে বাংলাদেশের উপকূল বরাবর সবুজ বেল্ট নির্মাণ এবং স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন ঘূর্ণিঝড় এবং জলোচ্ছ্বাসের মতো প্রভাবগুলো মোকাবেলার বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কে অবগত করেন। ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, জলবায়ুু পরিবর্তনের কারণে সমুদ্র পৃষ্ঠের উত্থান ঘটলে বাংলাদেশ মারাত্মকভাবে প্রভাবিত হবে। তিনি প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বিশেষ করে জলোচ্ছ্বাস থেকে ক্ষতি হ্রাস করার জন্য বৈশ্বিক সতর্কবাণী ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার ওপর জোর দেন। রোহিঙ্গা বিষয়ে শেখ হাসিনা উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশ একটি অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ দেশ এবং রোহিঙ্গা জনগণের বিপুল সংখ্যক লোককে আশ্রয় প্রদান করা খুব কঠিন। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, মিয়ানমার চুক্তিতে স্বাক্ষর করার পরও রোহিঙ্গা জনগণকে ফিরিয়ে নেয়ার প্রতিশ্রুতি রাখেনি। ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্টের একটি প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ ১.১ মিলিয়ন রোহিঙ্গাদের জোরপূর্বক নির্বাসনের পরেও মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হয়নি। তিনি বলেন, সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়- বাংলাদেশ বন্ধুত্বের এই বৈদেশিক নীতি অনুসরণ করে। বাংলাদেশ প্রতিবেশীদের সাথে খুব ভাল সম্পর্ক বজায় রাখে। প্রধানমন্ত্রী এই বছর ৮.১৩ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধিসহ বিভিন্ন উন্নয়ন সূচক বর্ণনা করেছেন এবং ফিনল্যান্ডের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। তার সরকার ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ফিনল্যান্ডের বিনিয়োগকারীরা যদি চান তবে তাদের জন্য একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল থাকতে পারে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের পরপরই বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য তিনি ফিনল্যান্ডের প্রশংসা করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন,ফিনল্যান্ড দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ও পরে বাংলাদেশে যে পরিমাণ সহায়তা ও সহযোগিতা করেছিল, তা আমরা সবসময় মূল্যবান বলে মনে করি। প্রধানমন্ত্রী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সারা জীবনের দীর্ঘ সংগ্রাম এবং দেশের স্বাধীনতা ও জনগণের মুক্তির লক্ষ্যে তার কারাবাসের বর্ণনা দেন। ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্টের প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা তার পরিবারের বেশিরভাগ সদস্যের সাথে জাতির পিতার হত্যার পর নিজের সংগ্রাম করার কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ১৯৮১ সালে তিনি জনগণের সমর্থন নিয়ে দেশে ফিরে আসেন এবং দেশের জনগণই তাকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চারবার ভোট দিয়েছেন। ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রশংসা করেন। প্রধানমন্ত্রী তার সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফর করার জন্য ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আমন্ত্রণ জানান এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হককে আইওএমের মহাপরিচালক নির্বাচিত করার জন্য ফিনল্যান্ডের সমর্থন কামনা করেন। বৈঠকের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট তার বাসভবনে শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রী সেখানে সফরকারীদের বইয়ে স্বাক্ষর করেন। সোমবার বিকেলে পাঁচ দিনের সরকারি সফরে শেখ হাসিনা এখানে পৌঁছেছেন।
আজ ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস
৭জুন২০১৯,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঐতিহাসিক ছয়-দফা দিবস আজ। ১৯৬৬ সালের ৭ জুন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ৬-দফা দাবির পক্ষে দেশব্যাপী তীব্র গণআন্দোলনের সূচনা হয়। এই দিনে আওয়ামী লীগের ডাকা হরতালে টঙ্গি, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে পুলিশ ও ইপিআর’র গুলিতে মনু মিয়া, শফিক ও শামসুল হকসহ ১১ জন বাঙালি শহীদ হন। এরপর থেকেই বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আপোষহীন সংগ্রামের ধারায় ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের দিকে এগিয়ে যায় পরাধীন বাঙালি জাতি। পরবর্তী সময়ে ঐতিহাসিক ৬-দফাভিত্তিক নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনই ধাপে ধাপে বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামে পরিণত হয়। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী প্রদান করেছেন। বাণীতে তারা ৬ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য যারা জীবন দিয়েছেন তাদের স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান। আওয়ামী লীগ এ উপলক্ষে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনও দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করবে। আওয়ামী লীগের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- এদিন সূর্যোদয়ের সাথে সাথে দেশব্যাপী দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর সড়কে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ। পাকিস্তানি শাসন-শোষণ বঞ্চনা থেকে মুক্তির লক্ষ্যে আইয়ুব খান সরকারের বিরুদ্ধে নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সভাপতি নবাবজাদা নসরুল্লাহ খানের নেতৃত্বে লাহোরে তৎকালীন পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের সব বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে ডাকা বিরোধী দলীয় এক জাতীয় সম্মেলন আহ্বান করা হয় ১৯৬৬ সালের ৫ফেব্রুয়ারি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এদিন অনুষ্ঠিত সম্মেলনের সাবজেক্ট কমিটিতে ৬-দফা উত্থাপন করেন এবং পরের দিন সম্মেলনের আলোচ্যসূচিতে যাতে এটি স্থান পায় সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেন। কিন্তু এই সম্মেলনে বঙ্গবন্ধুর এ দাবির প্রতি আয়োজকপক্ষ গুরুত্ব প্রদান করে নি। তারা এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে। প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু সম্মেলনে যোগ না দিয়ে লাহোরে অবস্থানকালেই ৬-দফা উত্থাপন করেন। এ নিয়ে পশ্চিম পাকিস্তানের বিভিন্ন খবরের কাগজে বঙ্গবন্ধুকে বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা বলে চিহ্নিত করা হয়। পরে ঢাকায় ফিরে বঙ্গবন্ধু ১৩ মার্চ ৬-দফা এবং এ ব্যাপারে দলের অন্যান্য বিস্তারিত কর্মসূচি আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদে পাস করিয়ে নেন। ৬-দফার মূল বক্তব্য ছিল- প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র বিষয় ছাড়া সকল ক্ষমতা প্রাদেশিক সরকারের হাতে থাকবে। পূর্ববাংলা ও পশ্চিম পাকিস্তানে দু’টি পৃথক ও সহজ বিনিময়যোগ্য মুদ্রা থাকবে। সরকারের কর ও শুল্ক ধার্য ও আদায় করার দায়িত্ব প্রাদেশিক সরকারের হাতে থাকাসহ দুই অঞ্চলের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার আলাদা হিসাব থাকবে এবং পূর্ববাংলার প্রতিরক্ষা ঝুঁকি কমানোর জন্য এখানে আধা-সামরিক বাহিনী গঠন ও নৌবাহিনীর সদর দফতর স্থাপন। বঙ্গবন্ধু ঘোষিত ৬-দফা দাবির মুখে পাকিস্তানের তৎকালীন সামরিক শাসক আইয়ুব খান বিচলিত হয়ে পড়েন। তিনি হুমকি দিয়ে বলেন, ৬-দফা নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে অস্ত্রের ভাষায় উত্তর দেয়া হবে। এদিকে ৬-দফা কর্মসূচি জনগণের মাঝে পৌঁছে দেয়ার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ সমগ্র পূর্ববাংলা সফর করেন এবং ৬-দফাকে বাঙালির বাঁচার দাবি হিসেবে অভিহিত করেন। বঙ্গবন্ধুর সাথে তাজউদ্দিন আহমদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, মিজানুর রহমান চৌধুরী, জহুর আহমদ চৌধুরী ও নুরুল ইসলাম চৌধুরী গণসংযোগে অংশ নেন। যশোর, ময়মনসিংহ ও সিলেটসহ অন্যান্য কয়েকটি স্থানে ৬ দফার পক্ষে প্রচারকালে বঙ্গবন্ধু গ্রেফতার হন। এ দাবির সপক্ষে বাঙালি জাতির সর্বাত্মক রায় ঘোষিত হয় ১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক সাধারণ নির্বাচনের মধ্যদিয়ে। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বাঙালিরা বিজয়ী করে। অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধুর দলকে জনগণ বিজয়ী করলেও স্বৈরাচারী পাক শাসকরা বিজয়ী দলকে সরকার গঠন করতে না দিলে আবারো বঙ্গবন্ধু জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে স্বাধীনতার পক্ষে আন্দোলন শুরু করেন। এরই ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের।
৩ নম্বর সতর্ক সংকেত
০৬জুন২০১৯,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ তৈরি হওয়ায় বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ আশঙ্কায় দেশের সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার আবহাওয়া অধিদফতরের সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, গঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও সেই সংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে গভীর সঞ্চারণশীল মেঘমালার সৃষ্টি হচ্ছে। এতে জানানো হয়, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা বঙ্গোপসাগর ও সমুদ্রবন্দগুলোর ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। চট্টগ্রাম, বক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। এদিকে বৃহস্পতিবারের আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে গাঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়, ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগের দুই-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।
পাসপোর্ট না নিয়ে কাতার যেয়ে ক্যাপ্টেন মাহমুদ অপরাধ করেছেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
০৬জুন২০১৯,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:পাসপোর্ট ছাড়া যাওয়ায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ক্যাপ্টেন ফজল মাহমুদকে কাতার ইমিগ্রেশন আটকের পর তার পাসপোর্ট ঢাকা থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় পাঠানোর চেষ্টা চলছে। বুধবার রাতে দোহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তার পাসপোর্ট না পেয়ে তাকে আটক করেন। ঢাকায় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ বলছে, সাধারণত বৈমানিকদের ক্ষেত্রে জেনারেল ডিক্লেয়ারেশনের আওতায় ভিসা প্রয়োজন না পড়লেও দেশ ছাড়ার সময় অবশ্যই পাসপোর্ট নিতে হয়। বা ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে দেখাতে হয়। ইমিগ্রেশন কর্তপক্ষের দায়িত্ব ছিল তার পাসপোর্ট চেক করা। এখন বিমানের ওই বৈমানিক পাসপোর্ট ছাড়া কিভাবে ঢাকা ত্যাগ করলেন, তার পাসপোর্টের মেয়াদ আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিদেশ সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে বিমানের বোয়িং ৭৮৭ উড়োজাহাজ নিয়ে যান ক্যাপ্টেন ফজল মাহমুদ। তিনি এখন দোহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনের হেফাজতে রয়েছেন। এ বিষয়টি নিয়ে এখন পর্যন্ত পুলিশের কাছে কোনো অভিযোগ আসেনি। আসলে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছে গুলশান থানা পুলিশ। এদিকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব মুহিবুল হক বাংলাট্রিবিউনকে বলেন, পাইলট ভুলে পাসপোর্ট ছাড়া গিয়েছেন। পাসপোর্ট ছাড়া তিনি কী করে ইমিগ্রেশন পার হলেন, এটা তদন্ত করে দেখা হবে। আর তার পাসপোর্ট কাতারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে ডিবিসি নিউজ বলছে কাতার এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ফজল মাহমুদের পাসপোর্ট দোহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পাঠানোর চেষ্টা করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। কিন্তু কাতার এয়ারলাইন্স পাসপোর্ট বহনে অস্বীকৃতি জানায়। কাতার এয়ারলাইন্স জানায়, স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ছাড়া কারো পাসপোট্র্ বহনের নিয়ম নেই। আইন অনুযায়ী, পাসপোর্ট ছাড়া কারো দেশত্যাগ কিংবা অন্য দেশে প্রবেশের সুযোগ নেই। ফজল মাহমুদ কাতার ইমিগ্রেশনকে জানান, তার পাসপোর্ট বিমানের ফ্লাইট অপারেশন রুমের লকারে। পরে বিমানের নিরাপত্তা মহাব্যবস্থাপকের কাছ থেকে চাবি নিয়ে ফজল মাহমুদের পাসপোর্ট উদ্ধার করেন বিমানের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ মহাব্যবস্থাপক। পরে, রিজেন্ট এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে করে ফজল মাহমুদের পাসপোর্ট কাতার পাঠানোর উদ্যোগ নেয়া হয়। তবে, রিজেন্ট এয়ারলাইন্সও ওই পাসপোর্ট বহনে অস্বীকৃতি জানায়। আইন অনুযায়ী পাসপোর্ট ছাড়া দেশত্যাগ ও অন্য দেশে প্রবেশের সুযোগ নেই। এ বিষয়ে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় জানায়, বিষয়টি ক্যাপ্টেন ফজল মাহমুদের ব্যক্তিগত গাফিলতি। তিনি দেশে ফিরে আসার পর আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। এনিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, পাসপোর্ট ছাড়া দেশের বাইরে গিয়ে ক্যাপ্টেন ফজল মাহামুদ ফৌজদারি অপরাধ করেছেন। তদন্তের পর বলা যাবে তিনি এই কাজ কেন করেছেন। এর আগে পাসপোর্ট ছাড়া লন্ডন যাওয়ায় বিমানের একজন পাইলটকে বড় অংকের আর্থিক জরিমানা গুনতে হয়েছে। প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চার দেশে সরকারি সফরের অংশ হিসেবে বর্তমানে ফিনল্যান্ডে অবস্থান করছেন। ৮ই জুন দোহা বিমানবন্দর হয়ে তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে। তাকে বহন করতে বোয়িং ৭৮৭ মডেলের ড্রিমলাইনার বর্তমানে কাতার অবস্থান করছে। পাইলটরা বিমান নিয়ে বিশ্বের নানা বিমানবন্দরে গেলেও অনেক সময় সেসব দেশের অভ্যন্তরে তাদের প্রবেশ করতে হয় না। আন্তর্জাতিক সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশনের নিয়ম অনুসারে, পাইলটরা জেনারেল ডিক্লেয়ারেশনের কপি সঙ্গে নিয়ে ভ্রমণ করেন। জেনারেল ডিক্লেয়ারেশনের কপি ছাড়াও পাসপোর্ট সঙ্গে রাখতে হয় পাইলটদের।
বিএসএমএমইউতে বোমা সদৃশ বস্তু
০৬জুন২০১৯,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন থেকে একটি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ওই ভবনের তৃতীয় তলায় রেজিস্ট্রারের কক্ষের সামনে থেকে পেট্রোল ভরা একটি বোতল উদ্ধার করে শাহবাগ থানা পুলিশ। তবে সেটি পেট্রোল বোমা বলেই প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। জানা যায়, রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের তৃতীয় তলায় রেজিস্ট্রারের কক্ষের সামনে পেট্রোল ভরা বোতল দেখতে পাওয়া যায়। এরপর খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে পেট্রোল বোমা সদৃশ ওই বোতলটি উদ্ধার করে শাহবাগ থানা পুলিশ। এর দুইদিন আগে রেজিস্ট্রার আবদুল হান্নানের কক্ষের সামনে আগুন ধরানো হয়েছিল বলেও জানা যায়। এ বিষয়ে শাহবাগ থানার ডিউটি অফিসার এসআই মহসীন জানান, উদ্ধারকৃত বোমা সদৃশ বস্তুটি নিয়ে তদন্ত এখনো চলছে। সেটি বোমা কিনা সে ব্যাপারে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায় নি। তবে সেটি কিভাবে এলো এবং এর উদ্দেশ্য জানতেও তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ। উল্লেখ্য, গত ১ এপ্রিল (সোমবার) থেকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া।
বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে ফিনল্যান্ডের ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান: প্রধানমন্ত্রী
০৬জুন২০১৯,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে ফিনল্যান্ডের ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশটিতে ৫দিনের সফরের তৃতীয় দিনে প্রবাসী বাংলাদেশীদের দেয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনিবলেন, বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রবাসীরাও ভূমিকা রাখতে পারেন। হেলসিংকি থেকে প্রাপ্ত খবরে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কর্মসূচিতে আরো রয়েছে ফিনল্যান্ড আওয়ামী লীগ ও ইউরোপ আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে বৈঠক। মক্কায় ওআইসি সম্মেলন শেষে গত ৩ জুন ফিনল্যান্ডে গেছেন প্রধানমন্ত্রী। সৌদী যাওয়ার আগে জাপানে একটি সম্মেলনে অংশ নেন তিনি, ঢাকা থেকে টোকিওর উদ্দেশে রওয়ানা হয়েছিলেন ২৮ মে। শেখ হাসিনা ৪ জুন ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট সাউলি নিনিস্তোর সঙ্গে বৈঠক করেন। দুই নেতা জলবায়ু ইস্যুতে একযোগে কাজ করার ঘোষণা দেন। ৭ জুন বিকেলে প্রধানমন্ত্রী ঢাকার উদ্দেশ্যে ফিনল্যান্ড ত্যাগ করবেন। পরের দিন তিনি ঢাকায় পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা
৫জুন২০১৯,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুসলিম জাহানের প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসী ও বিশ্বের সকল মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে তিনি এ শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। এতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ঈদ শান্তি, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের অনুপম শিক্ষা দেয়। হিংসা ও হানাহানি ভুলে মানুষ সাম্য, মৈত্রী ও সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হয়। ঈদ ধনী-গরীব নির্বিশেষে সকলের জীবনে আনন্দের বার্তা বয়ে নিয়ে আসে। তিনি বলেন, ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে মুসলমানদের আত্মশুদ্ধি, সংযম, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির মেলবন্ধন পরিব্যাপ্তি লাভ করুক- এটাই হোক ঈদ উৎসবের ঐকান্তিক কামনা। হাসি-খুশি ও ঈদের অনাবিল আনন্দে প্রতিটি মানুষের জীবন পূর্ণতায় ভরে উঠুক। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরো বলেন, বিশ্বের সকল মানুষের সুখ-শান্তি, কল্যাণ ও উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি হোক-আজকের দিনে আমি মহান আল্লাহর কাছে এই প্রার্থনা করি। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের নিকট প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ ও মুসলিম উম্মাহর উত্তরোত্তর উন্নতি, সমৃদ্ধি ও অব্যাহত শান্তি কামনা করছি।
বৃষ্টিবিঘ্নিত ঈদের জামাত, দেশবাসীর সমৃদ্ধি কামনা
৫জুন২০১৯,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সারা দেশে উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মুসলিমদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে আজ বুধবার। তবে সকাল থেকে বৃষ্টির কারণে মুসল্লিদের ঈদের জামাতে অংশ নিতে ভোগান্তির শিকার হতে হয়। বৃষ্টি মাথায় নিয়ে মুসল্লিরা রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহে জড়ো হন। জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টায় ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এখানে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধান বিচারপতিসহ দেশের বিশিষ্ট নাগরিকরা ঈদের নামাজ আদায় করেন। ঈদের নামাজে মুসলিম উম্মাহ ও দেশবাসীর সুখ-সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া করা হয়। এ সময় মুসল্লিরা দুহাত তুলে আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করেন। গতকাল মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার তথ্য সংশোধন করে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি আজকের ঈদের কথা জানায়। সংবাদ সম্মেলনে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ জানান, বেশ কয়েকজনের চাঁদ দেখার সাক্ষ্য নিয়ে চাঁদ দেখা কমিটির নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বুধবার সারা দেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর পালিত হবে। আজ সকাল ৭টায় বায়তুল মুকাররমে প্রথম ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এখানে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি ঈদ জামাত হবে। জাতীয় ঈদগাহ ও জাতীয় মসজিদে পুরুষদের পাশাপাশি নারীদের নামাজে অংশ নেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া এবং দিনাজপুরের গোর-এ শহীদ বড় ময়দানে দুটি বৃহৎ ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সেই সঙ্গে দেশব্যাপী বিভিন্ন ঈদগাহ, মসজিদ ও খোলা মাঠে ঈদের নামাজ পড়ছেন মুসল্লিরা। ঈদ উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারি অফিস ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। সেই সঙ্গে শহরের প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপগুলো জাতীয় পতাকা এবং বাংলা ও আরবিতে ঈদ মোবারক লেখা পতাকায় সাজানো হয়েছে। টেলিভিশন চ্যালেন ও রেডিও স্টেশনগুলো বিশেষ অনুষ্ঠানমালা সম্প্রচার করছে। ঈদ উপলক্ষে কারাগার, হাসপাতাল, সরকারি শিশু কেন্দ্র, ছোটমনি নিবাস ও আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এদিকে, জাতীয় ঈদগাহে নির্বিঘ্নে ঈদের জামাত আয়োজনে ঢাকা মহানগর পুলিশ কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
বুধবারই ঈদ
৪জুন২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় আগামীকাল বুধবার (৪ জুন) বাংলাদেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। মঙ্গলবার রাতে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির ফের বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর সভাপতিত্বে ওই বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে সন্ধ্যায় বৈঠকে বসেছিল কমিটি। তখন দেশের কোথায় চাঁদ দেখার খবর পাওয়া যায়নি বলে জানায় কমিটি। এই সংবাদ ও আবাহাওয়া অফিসের তথ্য বিশ্লেষণ করে তখন কমিটি জানায়, চলতি বছর দেশে ৩০টি রোজা পালিত হবে এবং ঈদ উদযাপিত হবে বৃহস্পতিবার। তবে এর কিছুক্ষণ পর আবারও বৈঠকে বসে কমিটি।

জাতীয় পাতার আরো খবর