রবিবার, ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০২১
মুজিববর্ষে এক কোটি গাছের চারা বিতরণ করা হবে
০২মার্চ,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মুজিববর্ষে উপলক্ষে সারাদেশে এক কোটি গাছের চারা বিতরণের উদ্যোগ নিয়েছে বন অধিদফতর। আগামী ৫ জুন ৪৯২টি উপজেলায় এ চারা বিতরণ করা হবে। প্রতিটি উপজেলায় ২০ হাজার ৩৩৫টি করে চারা বিতরণ করা হবে। বন অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রত্যেকটি উপজেলায় এক কোটি গাছের চারা রোপণের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। এরই মধ্যে চারা উৎপাদনের জন্য বন বিভাগের সারাদেশের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে এক কোটি চারার মধ্যে কিছু চারা নষ্ট হতে পারে, সেজন্য অতিরিক্ত আরও ২০ লাখ গাছের চারা উৎপাদন করা হবে। সারাদেশের বন বিভাগ চারা উৎপাদনের কাজও শুরু করেছে। দেশীয় প্রজাতির বিশেষ করে বনজ, ফলজ,ওষধি ও শোভা বর্ধনকারী গাছকে প্রধান্য দেওয়া হচ্ছে। তবে ইউকেলিপটাস, আকাশমনি আর রেইনট্রি বাদ দেওয়া হয়েছে। এসব চারার মধ্যে ৫০ শতাংশই হবে ফলজ প্রজাতির। ফলজ গাছের মধ্যে আম, জাম, কাঠাল, তেঁতুল, লিচু, পেয়ারা, জামরুল, করমচাসহ বড় গাছের চারাই বেশি প্রাধান্য পাবে। অন্যদিকে শোভা বর্ধনকারী গাছের মধ্যে ফুলের গাছ থাকবে, তাতে রাখা হতে পারে গোলাপ, জবা, ঝুমকো লতা, অপরাজিতা, মাধবীলতা, বেলি, রঙ্গন ও কাঠগোলাপ। এর পাশাপাশি রাখা হয়েছে পাতাবাহার জাতীয় গাছও। এর মধ্যে থাকতে পারে বাগান বিলাসসহ বেশ কিছু গাছ। ওষধি গাছের মধ্যে শতমূলী, নিশিন্দা, নাগমনি, ফণিমনসা, চন্দন, অর্জুন, ঘৃতকুমারি, রক্তচন্দন, নাগেশ্বরসহ বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতির গাছ থাকছে। সহকারী বন সংরক্ষক অজিত কুমার জানান, ফলের চারা হবে ৫০ থেকে ৬০ ভাগের মতো। এসব চারা বসতবাড়ির আশেপাশে রোপণ করা হবে। বাকিগুলো হবে বনজ, ওষধি ও শোভাবর্ধনকারী গাছ। কোনও বিদেশি গাছ রোপণ করা হবে না। তিনি বলেন, আমরা শুধু বিতরণ করবো চারাগুলো। চারাগুলো কাদের মধ্যে বিতরণ করা হবে, কোথায় রোপণ করা হবে, এসব নির্ধারণ করবেন উপজেলা পরিবেশ ও বনোন্নয়ন কমিটি। জানা যায়, আগামী বিশ্ব পরিবেশ দিবসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গাছের চারা রোপণ করার মধ্য দিয়ে এই এক কোটি চারা বিতরণের উদ্বোধন করবেন। এরপরই সব উপজেলায় চারা বিতরণ এবং রোপণের কাজ শুরু করা হবে।
প্রধানমন্ত্রীর হাতে জয় বাংলা কনসার্টের মগ, টি-শার্ট ও পোস্টার
০২মার্চ,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেওয়া হলো জয় বাংলা কনসার্ট ২০২০-এর টি-শার্ট, মগ ও পোস্টার। সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বিগত বছরগুলোর মতো এবারও ৭ মার্চ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে- জয় বাংলা কনসার্ট। মুজিববর্ষ উপলক্ষে এবারের কনসার্ট পাবে ভিন্নমাত্রা। মুজিববর্ষে বিশেষ আয়োজনে রাজধানীর বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামে এ কনসার্ট অনুষ্ঠিত হবে। জয় বাংলা কনসার্টের নিবন্ধন শিগগির শুরু হবে। জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট অথবা জন্মনিবন্ধন সনদ, মোবাইল নম্বর এবং ই-মেইল অ্যাড্রেসের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা থাকছে এ বছরও। নিবন্ধনের মাধ্যমে কনসার্টটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকছে। ৭ মার্চ দুপুর ১টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত কনসার্ট চলবে। তাতে অংশ নেবে দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড দল এফ মাইনর, ভাইকিং, এভোয়েড রাফা, ক্রিপটিক ফেইট, লালন, শূন্য, আরবোভাইরাস, চিরকুট, নেমেসিস, ফুয়াদ অ্যান্ড ফ্রেন্ডস এবং মিনার রহমান। মুজিববর্ষ উপলক্ষে এবারের কনসার্টে থাকছে আরও জমকালো আয়োজন। এ ছাড়াও কনসার্টে থাকছে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রাফিক্যাল প্রেজেন্টেশন।
পুলিশ-সাধারণ মানুষ সকলেই আইনের কাছে সমান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
০১মার্চ,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন বলেছেন, পুলিশ হোক আর সাধারণ মানুষ হোক সকলেই আইনের কাছে সমান। তাই পুলিশের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ পেলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। আজ রোববার বিকেলে ড. শহীদ সামসুজ্জোহা পার্কে মেহেরপুর জেলা পুলিশ আয়োজিত মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গি বিরোধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আসাদুজ্জামান খাঁন বলেন, বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার জামিন আদালতের বিষয়। এ ব্যাপারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কিছুই করার নেই। আদালত যদি মনে করেন, তাহলে তাকে জামিন দিবেন, এটা আদালতের এখতিয়ার। এখানে সরকারের করার কিছুই নেই। মন্ত্রী আরও বলেন, খালেদা জিয়াকে জেলখানায় জেলকোড অনুযায়ী সকল সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসা দেশের সর্বোচ্চ হাসপাতাল থেকে দেওয়া হচ্ছে। সেখানে চিকিৎসকেরা বলেছেন, দেশেই তার চিকিৎসা সম্ভব। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাদকের কুফল সম্পর্কে গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। মাদককে না বলুন। মাদক শুধু ব্যক্তিকে ধ্বংস করে না, পরিবারকেও ধ্বংস করে দেয়। মাদক সেবনকারি তার পিতা-মাতাকেও হত্যা করে। আর কোন মাদকাসক্ত ঐশি যেন তার পিতা-মাতাকে খুন করতে না পারে, সেলক্ষ্যে মাদকের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, একটা সময় মাদকদ্রব্য অধিদপ্তর ঠুঁটো জগন্নাথ ছিল। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দপ্তরটিকে ঢেলে সাজিয়েছেন। দক্ষ কর্মকর্তাসহ লোকবল দেয়া হয়েছে। এখন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকান্ড প্রসংশিত হচ্ছে। আসাদুজ্জামান খাঁন বলেন, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠিকে মায়ের আঁচল দিয়ে অতি যত্নে রেখেছেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী। একারণেই প্রধানমন্ত্রী মাদার্স অব হিউম্যানিটি উপাধি পেয়ে সারা বিশ্বে প্রসংশিত হয়েছেন। তিনি বলেন, ১১ বছর আগের পুলিশ আর বর্তমান পুলিশের মধ্যে ব্যবধান অনেক। বর্তমান পুলিশ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন করছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশ হোক আর সাধারণ মানুষ হোক সকলেই আইনের কাছে সমান। তাই পুলিশের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ পেলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। মেহেরপুর পুলিশ সুপার এস এম মুরাদ আলির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে জন প্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, মেহেরপুর-২ গাংনী আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ সাহিদুজ্জামান খোকন, খুলনা বিভাগীয় ডিআইজি খন্দকার মহিদ উদ্দিন, মেহেরপুর জেলা প্রশাসক মো. আতাউল গনি ও মেহেরপুর জেলা আওয়াী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেক অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।
মুজিববর্ষে ৫০ লাখ নারীকে তথ্য-প্রযুক্তির শিক্ষা দেওয়া হবে: ইন্দিরা
০১মার্চ,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেছেন, মুজিব বর্ষে ৫০ লাখ প্রান্তিক ও সুবিধা বঞ্চিত নারীকে তথ্য-প্রযুক্তির শিক্ষা দেওয়া হবে এবং এর মাধ্যমে তাদের ক্ষমতায়ন করা হবে। আজ রোববার ঢাকায় হোটেল সোনারগাঁওয়ে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ইউএন উইমেন বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগ আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। আগামী ৯ থেকে ২০ মার্চ নিউইয়র্কে জাতিসংঘের উদ্যোগে কমিশন অন দ্য স্টাটাস অব উইমেন এর ৬৪ তম অধিবেশনের মূল আলোচ্য বিষয় রিভিউ এন্ড অ্যাপ্রিশিয়াল অব দ্য ইমপ্লিমেনটেশন অব বেইজিং ডিক্লিয়ারেশন এন্ড প্লাটফর্ম ফর অ্যাকশন বিষয়ে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা দেশ স্বাধীনের পরপরই সংবিধানে নারীর অধিকার ও সমতা নিশ্চিত করেন। আওয়ামী লীগ সরকারই এদেশে নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে কল্যাণকর বিভিন্ন আইন ও নীতি প্রনয়ণ করেছে। প্রতিমন্ত্রী ইন্দিরা আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১০ বছরে নারীর উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে নারী উদ্যোক্তা সৃষ্টি, কর্মসংস্থান, সমতা প্রতিষ্ঠা ও বৈষম্য হ্রাসের বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে, যার ফলে সমতাভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষে। সভায় কমিশন অন দ্য স্টাটাস অব উইমেনের ৬৪তম সভায় আলোচিত হতে যাওয়া বেইজিং প্লাটফর্ম ফর একশনের ফলাফল, নারীর অন্তর্ভুক্তিমুলক উন্নয়ন, শোভন কর্মপরিবেশ, দারিদ্র্য হ্রাস, সহিংসতা প্রতিরোধ, সর্বস্তরে নারীর ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নারীর সমতা অর্জন বিষয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া বেইজিং ঘোষণা পরবর্তী ২৫ বছরে দেশে নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের চিত্র তুলে ধরা হয়। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কাজী রওশন আক্তারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএন উইমেনের কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ শোকো ইশিকাওয়া ও দিপ্ত ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক জাকিয়া কে হাসান। সভার মুক্ত আলোচনা পর্বে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের শীপা হাফিজা ও বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের মালেকা বানুসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ফোকাল পয়েন্ট, বেসরকারি ও উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিগণ অংশগ্রহণ করে। সভায় একজন কিশোরীও তরুণ সমাজের পক্ষে বক্তব্য করে।
বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে কলকাতা উপ-হাই কমিশনারের শ্রদ্ধা
০১মার্চ,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতের কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশ উপ-হাই কমিশনের একটি প্রতিনিধি দল গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি সৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। আজ রোববার (১ মার্চ) সকালে উপ-হাই কমিশনার তৌফিক হাসানের নেতৃত্বে ৮ সদস্যের প্রতিনিধি দলটি বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। পরে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাত করে বঙ্গবন্ধু ও ৭৫ এর ১৫ আগষ্ট নিহত তাঁর পরিবারের শহীদ সদস্যদের রূহের মাগফেরাত কামনা করা হয়। এরপর বঙ্গবন্ধু ভবনে রক্ষিত পরিদর্শন বইতে মন্তব্য লেখে স্বাক্ষর করেন উপ-হাই কমিশনার তৌফিক হাসান। এ সময় উপ-হাই কমিশনারের সহধর্মিনী ইসমত জেরিন, মিনিস্টার (রাজনৈতিক) ও দূতালয় প্রধান বিএম জামাল হোসেন এবং তার সহধর্মিনী আবিদা সুলতানা, কাউন্সেলর মোঃ বশির উদ্দিন, কাউন্সেলর (ক্রীড়া ও শিক্ষা) শেখ শফিউল ইমাম, প্রথম সচিব (প্রেস) ড. মোঃ মোফাকখারুল ইকবাল ও তাঁর সহধর্মিনী ড. তাসমীমা বেগম, প্রথম সচিব (রাজনৈতিক-১ ও ভিডিও) শামীমা ইয়াসমিন স্মৃতি এবং দ্বিতীয় সচিব (কন্স্যুলার) শেখ শাফিনুল হকসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মিরা উপস্থিত ছিলেন। পরে উপ-হাই কমিশনার ও কমিশনের কর্মকর্তাবৃন্দ বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ কমপ্লেক্সে বিভিন্ন স্থাপনা ও লাইব্রেরী ভবন ঘুরে দেখেন। এরপর সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় উপ-হাই কমিশনার তৌফিক হাসান বলেন, ‘কলকাতা উপ-হাই কমিশন হচ্ছে বহিঃবিশ্বে বাংলাদেশের প্রথম কূটনৈতিক মিশন। জাতির পিতার জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে মার্চে প্রথম দিন বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে পেরে আমরা অনেক আনন্দিত ও খুশি।’ তারা আজই কোলকাতা ফিরে যাবেন বলেও জানান তিনি।
ব্যাংক ঋণে সুদের হার ৯ শতাংশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট
০১মার্চ,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ব্যাংক ঋণে সুদের হার ৯ শতাংশ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। আজ রোববার বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের হাইকোর্ট বেঞ্চ রিট আবেদনটি শুনানির জন্য আগামীকাল সোমবার দিন ধার্য করেছেন। রিটে ক্রেডিট কার্ড ছাড়া ব্যাংকের সব ঋণের সুদ হার ৯ শতাংশ আগামী ১লা এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে- এ সংক্রান্ত সার্কুলার স্থগিত চাওয়া হয়েছে। হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এক শিক্ষানবিশ আইনজীবীর পক্ষে ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন এ রিট দায়ের করেন। গত ২৪শে ফেব্রুয়ারি ক্রেডিট কার্ড ছাড়া ব্যাংকের সব ঋণের সুদ হার ৯ শতাংশ আগামী ১লা এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে- এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। বর্তমানে ব্যাংক ভেদে উৎপাদন খাতে সুদ হার ১১ থেকে ১৪ শতাংশ।ভোক্তা ও এসএমই ঋণের সুদহার আরো বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বর্তমানে ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদ হার দেশের ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বৃহৎ শিল্পসহ ব্যবসা ও সেবা খাতের বিকাশে প্রধান অন্তরায় হিসেবে দাঁড়িয়েছে। ব্যাংক ঋণের সুদ উচ্চ মাত্রার হলে সংশ্লিষ্ট শিল্প, ব্যবসা ও সেবা খাতের প্রতিষ্ঠানসমূহের উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়। এসব প্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত পণ্য বাজারজাতকরণে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়। ফলে শিল্প, ব্যবসা ও সেবা প্রতিষ্ঠানসমূহ কখনো কখনো প্রতিকূল পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়। এ কারণে সংশ্লিষ্ট ঋণ গ্রহীতারা যথাসময়ে ব্যাংক ঋণ পরিশোধে করতে পারেন না। এতে ব্যাংক খাতে ঋণ শৃঙ্খলা বিঘিœত হয় এবং সার্বিকভাবে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়।
দুঃসময়ে সাহায্য করে বীমা: প্রধানমন্ত্রী
০১মার্চ,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বীমার মাধ্যমে দুঃসময়ে বেশ ভালোই সাহায্য পাওয়া যায়। বীমার বিষয়ে জনসচেতনতা জরুরি। বীমার প্রতি মানুষের আগ্রহ রয়েছে। আজ রোববার সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় বীমা দিবসের উদ্বোধনী বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, বীমার উন্নয়নে আমরা কাজ করেছি। দুইটি আইন করেছি। জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪ আমরা প্রনয়ন করেছি। কৃষি, পড়ালেখা, স্বাস্থ্য বীমার বিষয়ে কাজ চলছে। বঙ্গবন্ধু শিক্ষা বীমা নামে শিক্ষার জন্য একটি বীমার প্রস্তাবনা এসেছে। বিষয়টি আমরা বিবেচনায় রেখেছি। বীমাটাকে যেন মানুষ কাজ লাগাতে পারে এ জন্য লক্ষ্য রাখতে হবে। জাতির পিতা দেশকে স্বাধীন করে গেছেন। তার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে আমরা কাজ করছি। শেখ হাসিনা বলেন, বীমা কোম্পানিগুলোর মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। বীমা নিয়ে সাধারণ মানুষের সচেতনতা কম। এই খাতে উৎসাহ বাড়াতে কাজ করছে সরকার। বীমার কার্যক্রম ডিজিটাল পদ্ধতি করলে দুর্নীতি অনেকাংশে কমে যাবে। বীমার প্রতি গ্রাহকের আস্থা আরও বাড়বে। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে বঙ্গবন্ধু মাত্র সাড়ে তিন বছর কাজ করতে সুযোগ পেয়েছিলেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা ১৯৭২ সালে ইন্স্যুরেন্স অডিনেন্স ও ১৯৭৩ সালে ইন্স্যুরেন্স অ্যাকাডেমি গঠন করেছিলেন। তখন তিনি দেশি বিদেশ ৪৯টি ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিকে জাতীয়করণ করেছিলেন। জাতির পিতা ধ্বংসস্তুপের ওপর দাঁড়িয়ে শুরু করেছিলেন। তিনি বীমা শিল্পকে গুরুত্ব দিয়েছিলেন। এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে পাঁচজন বিশিষ্ট বীমা ব্যক্তিত্বকে বিশেষ সম্মাননা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তারা হলেন- সাধারণ বীমা করপোরেশনের সাবেক চেয়ারম্যান খোদা বক্স, গোলাম মাওলা, বিজিআইসি প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এম এ সামাদ, জীবন বীমা করপোরেশনের সাবেক চেয়ারম্যান শামসুল আলম এবং ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাফায়েত আহমেদ। যারা পদক পেয়েছেন তারা সবাই মরহুম। তাদের পক্ষে স্বজনরা প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পদক গ্রহণ করেন। বীমা দিবসে শপথ করি, উন্নত দেশ গড়ি এ প্রতিপাদ্যে রোববার দেশে প্রথমবারের মতো পালিত হচ্ছে জাতীয় বীমা দিবস। বীমা শিল্পের উন্নয়ন ও বীমা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে নানা কর্মসূচি নেয়া হয়েছে। সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে বীমা দিবসের উদ্বোধন করেন। বীমা দিবসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ), বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরাম বীমা দিবস উপলক্ষে যৌথভাবে দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় Railly, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬০ সালের ১ মার্চ তৎকালীন পাকিস্তানের আলফা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে যোগদান করেন। বঙ্গবন্ধু বীমা খাতে যোগদানের দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে সরকার গত ১৫ জানুয়ারি ১ মার্চ জাতীয় বীমা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
এখনও করোনামুক্ত বাংলাদেশ
২৯ফেব্রুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে কেউ কোভিড-১৯ বা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হননি বলে জানিয়েছে জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) সন্দেহে গত পাঁচ সপ্তাহে (২১ জানুয়ারি থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি) মোট ৮৫ জনের শরীর থেকে নমুনা নিয়ে পরীক্ষা করেছে আইইডিসিআর। কিন্তু তাদের শরীরে এই ভাইরাস পাওয়া যায়নি। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ পর্যন্ত দেশে মোট তিন লাখ ৬৭ হাজার ৪১ জনকে স্ক্রিনিং করা হয়েছে। এর মধ্যে দেশের তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্ক্রিনিং করা হয়েছে এক লাখ ৮৫ হাজার ৫৭০ জনকে। চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর ও মংলা সমুদ্রবন্দরে স্ক্রিনিং করা হয়েছে চার হাজার ১৫৭ জন, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট ও বেনাপোল রেলওয়ে স্টেশনে তিন হাজার ৬৪০ জন, আর অন্যান্য স্থলবন্দরগুলোতে স্ক্রিনিং করা হয়েছে এক লাখ ৭৭ হাজার ৮৩১ জনকে। বাংলাদেশে কোনও রোগী পাওয়া না গেলেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ পর্যন্ত মোট করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৮২ হাজার ২৯৪ জন। এরমধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজার ১৮৫ জন। এদিকে, নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের তালিকায় যুক্ত হয়েছে ব্রাজিল, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, জর্জিয়া, গ্রিনল্যান্ড, নরওয়ে, পাকিস্তান, রোমানিয়া এবং উত্তর মেসিডোনিয়াসহ ৯টি দেশ। অন্যদিকে, উৎপত্তিস্থল চীনে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৭৮ হাজার ৬৩০ জন এবং মারা গেছেন ২ হাজার ৮০৪ জন।
ঢাকা বারে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১০ পদে বিএনপি জোটের জয়
২৯ফেব্রুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা বার আইনজীবী সমিতির ২০২০-২০২১ কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠনের নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত জোটের নীল প্যানেল সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১০টি পদে জয়লাভ করেছে। অন্যদিকে, আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাদা প্যানেল ছয়টি সম্পাদকীয় পদসহ ১৩টি পদে জয়লাভ করে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। দুদিনব্যাপী এ নির্বাচনে ভোট গণনা শেষে আজ শনিবার বেলা ১১টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার সিনিয়র অ্যাডভোকেট মুন্সি ফখরুল ইসলাম এ ফলাফল ঘোষণা করেন। ফলাফলে নীল প্যানেলের অ্যাডভোকেট মো. ইকবাল হোসেন সভাপতি পদে ৪ হাজার ৯৫২ ভোট পেয়ে সাদা প্যানেলের সভাপতি প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. মোশারফ হোসেনকে ৭৩৭ ভোটে পরাজিত করেছেন। অন্যদিকে, নীল প্যানেলের অ্যাডভোকেট মো. হোসেন আলী খান হাসান সাধারণ সম্পাদক পদে ৪ হাজার ৭২৫ ভোট পেয়ে সাদা প্যানেলের অ্যাডভোকেট মো. আহসান তারিরকে ৩০২ ভোটে পরাজিত করেছেন। নীল প্যানেলের অন্যান্য পদে বিজয়ীরা হলেন, কোষাধ্যক্ষ পদে অ্যাডভোকেট আব্দুল আল মামুন ও অফিস সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট এইচএম মাসুম, সদস্য পদে অ্যাডভোকেট ইয়াছিন মিয়া, কাজী আফরোজা সুলতানা (ইভা), মো. আব্দুল বাসেত রাখী, আজহার উদ্দিন রিপন, মো. তানভীর হাসান সোহেল ও সাদেকুল ইসলাম ভূইয়া (জাদু)। সাদা প্যানেলের বিজয়ীরা হলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট মো. আবদুল কাদের, সহ-সভাপতি পদে মো. ইমাম হোসেন মঞ্জু, সিনিয়র সহ- সাধারণ সম্পাদক পদে একেএম হাবিবুর রহমান চুন্নু, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে সিকদার মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান হিমেল, লাইব্রেরি সম্পাদক পদে মো. আতাউর রহমান খান (রুকু), সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে তাসলিমা আক্তার রীতা, ক্রীড়া সম্পাদক পদে সাইফুল ইসলাম সুমন ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে মোহাম্মাদ খালেদুর রহমান, সদস্য পদে এএইচএম শফিকুল ইসলাম সোহাগ, মো. সাব্বির হোসেন, সাইফুল ইসলাম, মো. মেহেদী হাসান মেরিন এবং মো. রমজান আলী সরদার রানা। এর আগে গত বুধ ও বৃহস্পতিবার এ নির্বাচনে ১৮ হাজার ১৫০ জন ভোটারের মধ্যে ৯ হাজার ২৯৯ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোটের ২৮ ঘণ্টা পর শুক্রবার রাত ৯টা থেকে ভোট গণনা শুরু হয়। নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত নীল প্যানেল এবং আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাদা প্যানেলে মোট ৪৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মুন্সি ফখরুল ইসলাম প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন। যার অধীনে ১০ জন কমিশনার এবং ১০০ জন সদস্য রয়েছেন। উল্লেখ্য, ২০১৯-২০২০ কার্যবর্ষের নির্বাচনে ২৫টি পদের মধ্যে সাদা প্যানেল সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১৮টি পদে এবং নীল প্যানেল তিনটি সম্পাদকীয় পদসহ ৯টি পদে জয়লাভ করে।

জাতীয় পাতার আরো খবর