বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২১, ২০১৯
একনেকে ৯ প্রকল্পের অনুমোদন
অনলাইন ডেস্ক: ৭ হাজার ৫৩৯ কোটি ১৩ লাখ টাকা ব্যয়ে মোট ৯টি প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ৬ হাজার ৭৫১ কোটি ৬৬ লাখ টাকা, বাস্তবায়নকারী সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ২৫৮ কোটি ৫৭ লাখ এবং বৈদেশিক সহায়তার যোগান পাওয়া যাবে ৫২৮ কোটি ৯০ লাখ টাকা। রোববার (২৯ জুলাই) রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠকশেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল সাংবাদিকদের প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত ব্রিফ করেন। তিনি বলেন, এখন থেকে ফাইবার অপটিক লাইন ব্যবহারের ক্ষেত্রে যেন উইন উইন পরিস্থিতি তৈরি হয়, সেদিকে নজর দেওয়া হবে। অর্থাৎ অপটিক্যাল ফাইবার লাইন ব্যবহার করে টেলিকমিউনিকেশন নিয়ে যারা কাজ করছেন তারাও যেমন লাভবান হবেন, আবার সরকারও যেন লাভবান হয়, সেজন্য রেলপথ মন্ত্রণালয়কে সংশ্লিষ্ট সব সুবিধাভোগীদের নিয়ে বৈঠক করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, উপজেলাভিত্তিক অবকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে ‘উপজেলা শহর (নন-মিউনিসিপ্যাল) মাস্টার প্ল্যান প্রনয়ন ও মৌলিক অবকাঠমো উন্নয়ন’ নামের একটি বৃহৎ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, উপজেলা শহরে মৌলিক অবকাঠামো উন্নয়নসহ শহরবাসীর জীবন যাত্রার মান বৃদ্ধি ও পরিবেশের উন্নয়নের বিষয়গুলো বিবেচনা করে অপরিহার্য অবকাঠামোর উন্নয়ন করা হবে। মৌলিক নাগরিক সুবিধা অর্থাৎ সড়ক, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, স্যানিটেশন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন হবে। প্রকল্পটি মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা। স্থানীয় সরকার বিভাগ চলতি বছরের জুলাই থেকে ২০২২ সালের জুন মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। অনুমোদিত অন্য প্রকল্পসমূহ হচ্ছে-সরকারি কলেজসমূহে বিজ্ঞান শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ২ হাজার ৫১১ কোটি ৫১ লাখ টাকা। ঢাকার বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ১৯৪ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। বিআইডব্লিউটিসির জন্য ৩৫টি বাণিজ্যিক ও ৮টি সহায়ক জলযান সংগ্রহ এবং ২টি নতুন স্লিপওয়ে নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৩১৯ কোটি ৭১ লাখ টাকা। বাংলাদেশ রেলওয়ের ৫৭৫ কিলোমিটার সেকেন্ডারি লাইনে অপটিক্যাল ফাইবার ভিত্তিক টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন এবং চালুকরণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৬৮ কোটি ৭২ লাখ টাকা। এছাড়া অন্য প্রকল্পসমূহ হলো-গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন (রাস্তা ও ড্রেন) প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৬৬০ কোটি ৮২ লাখ টাকা। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের আওতাধীন পরিচ্ছন্ন কর্মী নিবাস নির্মাণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ২৩১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। অবকাঠামোগত দক্ষতা উন্নয়ন ও তথ্যের মাধ্যমে দুঃস্থ জনগোষ্ঠির সহনশীলতা বৃদ্ধি (প্রভাতি) প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৫৭ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। নর্দান ইলকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানী লিমিটেড এলকায় ৫ লাখ স্মার্ট প্রি-পেমেন্ট মিটার স্থাপন প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৪১৪ কোটি ৮৩ লাখ টাকা।
প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে
অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওয়ানডে ক্রিকেট সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জয়ের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। শনিবার সেন্ট কিটস’র ব্যাসেটরিতে ওযারনার পার্ক স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৮ রানে পরাজিত করে। আজ এক বার্তায় শেখ হাসিনা এই জয়ের জন্য দলের সকল খেলোয়ার, কোচ, জাতীয় দলের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানান। প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ দলের জয়ের এই ধারা অব্যাহত থাকবে।—বাসস
বিএনপি নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়
অনলাইন ডেস্ক :কোনো নির্বাচনে পরাজয়ের সম্ভাবনা থাকলেই বিএনপি মিথ্যাচার করে সেই নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ। রোববার (২৯ জুলাই) সকালে কুষ্টিয়া শহরে নিজ বাসভবনে দৌলতপুর কৃষি ব্যাংক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার আগে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিএনপি নেতাকর্মীদের সিটি করপোরেশন এলাকা থেকে আটক করছে। এটা প্রমাণ করে যে সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না- বিএনপির এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে হানিফ বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যখন কোনো সন্ত্রাসীকে আটক করছে, তখন তো বিএনপি নেতাকর্মীরা তাদের সঙ্গে থাকেন না যে তারা বলতে পারবেন, সিটি করপোরেশন নাকি সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে থেকে তাদের আটক করা হয়েছে। তিনি বলেন, যাদের বিরুদ্ধে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে, তাদের সবাইকে আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করানো হবে। সেটা নির্বাচনকালীন হোক বা নির্বাচন পরবর্তী সময়ে হোক। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী, মিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কামারুল আরেফিনসহ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সিটি নির্বাচন,তিন সিটিতে বিজিবি মোতায়েন
অনলাইন ডেস্ক :তিন সিটিতে শনিবার মধ্যরাতে শেষ হয়েছে নির্বাচনী প্রচারণা। এখন শুধু ভোটের অপেক্ষা। রোববার সকাল থেকেই এ তিন সিটিতে সুনসান নীরবতা বিরাজ করছে। টানা কদিনের জমজমাট প্রচারণা শেষে সবই যেন থমকে আছে ৩০ জুলাইয়ের নির্বাচনের জন্য। তবে কৌশলী প্রচারণা চালাচ্ছেন প্রার্থীরা। তিন সিটিতে মোট ১৭ জন মেয়র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ৮ লাখ ৮২ হাজার ৩৬ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে নগর পিতা নির্বাচিত করবেন। রাসিক রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে লড়ছেন দুই সাবেক মেয়রসহ ৫ প্রার্থী। এছাড়া সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৬০ এবং সংরক্ষিত নারী কাাউন্সিলর পদে রয়েছেন ৫২ জন প্রার্থী। এই নগরীর মোট ভোটার ৩ লাখ ১৮ হাজার ১৩৮ জন। এর মধ্যে এক লাখ ৫৬ হাজার ৮৫ জন পুরুষ এবং এক লাখ ৬২ হাজার ৫৩ জন নারী। ১৩৮টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ১১৪টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এরই মধ্যে নির্বাচনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন। এদিকে নির্বাচন উপলক্ষে নগরীতে ১৫ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন রয়েছে। আরও চার প্লাটুন স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র (সদর) ইফতেখায়ের আলম জানান, ভোটের নগরীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এরইমধ্যে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকধারী পুলিশও মোতায়েন রয়েছে। দায়িত্বপালন করছেন অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও। তিনি আরও বলেন, ভোটের আগে ও পরে তিন দিন পুরো নগরী নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেয়া হবে। এরই অংশ হিসেবে নগরীর নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। ভোটকেন্দ্র ঘিরেও থাকছে তিন স্তরের নিরাপত্তা। আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা নেই। এ নিয়ে ভোটারদের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ওই নগর পুলিশ কর্মকর্তা। সিসিক সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ১৩৪টি কেন্দ্রে ৩ লাখ ২১ হাজার ৭৩২ ভোটার তাদের ভোট প্রদান করবেন। এবার নির্বাচনে মেয়র পদে ছয়জন, সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৬২ জন ও সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৩৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জানা গেছে, সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ১৪ প্লাটুন বিজিবি, র্যাবের ২৭টি টিম কাজ করছে। ১৩৪টি ভোট কেন্দ্রের প্রতিটিতে ২২ জন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে ৭ জন পুলিশ, ১২ জন আনসার সদস্য আগ্নেয়াস্ত্রসহ আনসার বাহিনীর একজন প্লাটুন কমান্ডার ও একজন এপিসি এবং একজন ব্যাটলিয়ান আনসার সদস্য থাকবেন। তবে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র সমূহে ২ জন করে অতিরিক্ত ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্য অস্ত্রসহ থাকবেন। এছাড়া ৯টি স্ট্রাইকিং ফোর্স, মোবাইল টিম ৯টি, ৯ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ৯ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নির্বাচনের আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকবেন। সিসিক নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে ১৩৪টি ভোট কেন্দ্রে ২৯৪৮ জন পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। বিসিসি বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে ৬ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৯৪ জন এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৩৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এবার ২ লাখ ৪২ হাজার ১৬৬ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ২১ হাজার ৪৩৬ জন এবং নারী ভোটার রয়েছেন ১ লাখ ২০ হাজার ৭৩০ জন। নগরীতে ১২৩টি কেন্দ্রের ৭৫০টি বুথে বিরামহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। এরমধ্যে ৪টি ওয়ার্ডের ১টি কেন্দ্রে ৭৮টি বুথে ভোট গ্রহণ করা হবে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএম পদ্ধতিতে। বিসিসি নির্বাচনে ১২৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫০টি অধিক গুরুত্বপূর্ন (ঝুঁকিপূর্ণ) ও ৬২টি গুরুত্বপূর্ণ এবং ১১টি কেন্দ্রকে সাধারণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশের বিশেষ শাখা। অধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিটি কেন্দ্রে পুলিশ, এপিবিএন এবং আনসার মিলিয়ে ১৪ জন সশস্ত্রসহ মোট ২৪ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ ও সাধারণ কেন্দ্রে ১২ জন সশস্ত্র পুলিশ, এপিবিএন ও আনসারসহ মোট ২২ জন সদস্য দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন। কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন ছাড়ও পুলিশের একাধিক দলকে টহল দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি রিজার্ভ এবং স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। নির্বাচনকালীন যেকোনো অপ্রীতিকর ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বিচারের জন্য ১০ জন নির্বাহী এবং ১০ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে। এছাড়া ১৯ প্লাটুন বিজিবি ছাড়াও র্যাবের ৩৫টি টহল দল ও সাদা পোশাকধারীসহ প্রায় সাড়ে ৩শ সদস্য কেন্দ্রের বাইরে নির্বাচনী এলাকায় দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন।
টেলিফোনে কঠিন সম্পর্কেরও বরফ গলে: কাদের
অনলাইন ডেস্ক: টেলিফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে কঠিন সম্পর্কেরও বরফ গলে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। রোববার বেলা ১২ পর সচিবালয়ের নিজ দফতলে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, তিন সিটি নির্বাচন ভাল হবে। আর বিএনপি না মানলে নির্বাচন ভাল হবে না। বিএনপির রাজনৈতিক সংস্কৃতি হলো না মানার সংস্কৃতি। তারা আইন মানে না, আদালত মানে না, বিচার মানে না। তাদের কথা হলো-মানিনা-মানবো না। তিনি বলেন, বিএনপির সঙ্গে সংলাপের সুযোগ ও সময় নেই। টেলিফোনে কথা হতে পারে। ফোনে যোগাযোগ করেও অনেক কঠিন সম্পর্কের বরফ গলে। শীর্ষ নিউজ
আজ বিশ্ব বাঘ দিবস
অনলাইন ডেস্ক: আজ ২৯ জুলাই, বিশ্ব বাঘ দিবস। বাংলাদেশ, ভারত, ভুটান, চীন, নেপাল, রাশিয়া, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, লাওস, মালয়েশিয়া, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম ও ইন্দোনেশিয়ায় বাঘ রয়েছে। তাই এ ১৩টি দেশে এ দিনটি পালিত হচ্ছে। সুন্দরবন সংলগ্ন বাগেরহাটে দু’টি উপজেলায় দিবসটি পালিত হবে। দিবসটি উপলক্ষে রোববার (২৯ জুলাই) সকালে বাগেরহাটের শরণখোলা ও মোংলা উপজেলায় র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। র‌্যালি ও আলোচনা সভায় উপজেলা প্রশাসন, সুন্দরবন বন বিভাগের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেবেন। সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, বিশ্ব বাঘ দিবসটি বাংলাদেশে জাতীয়ভাবে উদযাপিত হয়ে আসছে। গত বছর বাঘ দিবসের জাতীয় অনুষ্ঠান হয়েছিল বাগেরহাটে। এবার এ হচ্ছে খুলনায়। এছাড়া বন সংলগ্ন এলাকা বাগেরহাটের মোংলা ও শরণখোলায় দিবসটি উদযাপন করা হচ্ছে। ২০১৫ সালে ‘ক্যামেরা ট্র্যাপ’ পদ্ধতিতে গণনা শেষে দেখা যায়, সুন্দরবনে বাঘ রয়েছে মাত্র ১০৬টি। নতুন করে এবারও বাঘ গণনার কাজ চলছে। অালোকিত বাংলাদেশ
পান্থপথের বক্স কালভার্ট হয়ে যাবে এলিভেটেড এক্সপ্রেস
অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীর খালগুলোকেও নদ-নদীগুলোর সঙ্গে সংযুক্ত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রাজধানীর পান্থপথে বড় খাল ছিল, এখন সেখানে বক্স কালভার্ট রয়েছে ভব্যিষতে এটা সরিয়ে খাল উন্মুক্ত করে এলিভেটেড এক্সপ্রেস করে দেবো। শনিবার (২৮ জুলাই) রাজধানীর প্রগতি সরণির বাড্ডা নর্থ ইউলুপ (মেরুল বাড্ডা) উদ্বোধনের সময় তিনি এসব কথা বলেন। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী ঢাকার ওপর চাপ কমাতে পাশেই আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসহ ছোট ছোট শহর গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ঢাকা শহরে শিল্প-কারখানা যেমন বাড়ছে, তেমনই বাড়ছে মানুষের আগমন। ইতোমধ্যে আমরা ঢাকার আশপাশে ছোট ছোট শহর গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছি। সেখানে সব সুবিধা নিয়ে মাল্টি-স্টোরেড ভবন গড়ে তোলা হবে। এতে ঢাকা শহরের উপর চাপ কমবে। সেই সঙ্গে আমরা ঢাকার সঙ্গে দেশের বিভিন্ন এলাকার সড়ক যোগাযোগও বৃদ্ধি করছি। শেখ হাসিনা বলেন, এমন ব্যবস্থা করা হবে যাতে প্রতিদিনই বাইরে থেকে মানুষ ঢাকার কর্মস্থলে এসে কাজ শেষে ফিরে যেতে পারেন। ঢাকার চারপাশের চারটি নদীকে ঘিরে আমরা নৌপরিবহন ব্যবস্থা চালু করবো। নদীগুলোতে যেসব ব্রিজের কারণে নৌচলাচল করতে পারে না, সেসব ব্রিজ পরিবর্তন করে নৌচলাচলের উপযোগী করার পরিকল্পনা নিচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ঢাকার খালগুলোকেও নদ-নদীগুলোর সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে। রাজধানীর পান্থপথে বড় খাল ছিল, এখন সেখানে বক্স কালভার্ট রয়েছে ভব্যিষতে এটা সরিয়ে খাল উন্মুক্ত করে এলিভেটেড এক্সপ্রেস করে দেবো। শেখ হাসিনা বলেন, সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আমরা আঞ্চলিক বিমানবন্দর হিসেবে গড়ে তুলবো। রাজশাহী ও বরিশাল বিমানবন্দরেরও উন্নত করবো। আর কক্সবাজারে সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন বিমানবন্দর নির্মাণ করা হবে। তিনি জানান, জাতির পিতা স্বপ্ন দেখেছিলেন, বাংলাদেশ হবে সুইজারল্যান্ড অব দ্য ইস্ট’ তার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আগামী নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দিতে জনগণকে আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, জনগণকে এইটুকু বলবো, নৌকা মার্কায় ভোট দিয়েছেন, দেশের উন্নয়ন হয়েছে। নৌকায় ভোট দিলেই দেশের উন্নয়ন হয়। আগামীতেও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকা মার্কায় ভোট চাই। প্রধানমন্ত্রী জানান, আমাদের লক্ষ্য দেশকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। বাংলাদেশে কাজ করতে গিয়ে নানা সমস্যায় পড়তে হয়। হাতির ঝিল করতে গিয়ে ৬৮টি মামলার মুখোমুখি হতে হয়। দেশীয় সম্পদ ব্যবহার করে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজটি করেছে সেনাবাহিনী। এজন্য তাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সরকারের নেওয়া নানা উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের বিস্ময়। বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা অর্জন করেছে। আমাদের প্রবৃদ্ধি বর্তমানে ৭.৭৮ শতাংশ। দারিদ্র্যের হার ২২ শতাংশে নেমে এসেছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ১৮ হাজার ৩৫৩ মেগাওয়াট। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়ে ১৭৫২ ডলারে উন্নীত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমরা বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণ করেছি। পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলছে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। এ অগ্রযাত্রা কেউ ব্যাহত করতে পারবে না। উন্নয়নের এ ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে আমি সকলকে আহ্বান জানাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলবো-ইনশাআল্লাহ। গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, স্থানীয় সংসদ সদস্য এ কে এম রহমত উল্লাহ, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, প্রকল্প পরিচালক মেজর জেনারেল আবু সাইদ মো. মাসুদ উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইউলুপ পরিদর্শন করেন। পরে তা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ইউলুপটি খুলে দেওয়ায় রাজধানীর রামপুরা, বনশ্রী, আফতাবনগর, শাহাজাদপুর ও বাড্ডা এলাকার যানজট অনেকাংশই কমে যাবে। ফলে হাতিরঝিল থেকে সহজেই রামপুরা-বনশ্রী হয়ে মালিবাগের দিকে যাওয়া যাবে। অন্যদিকে এসব এলাকা থেকে বের হয়ে হাতিরঝিল হয়ে কারওয়ানবাজার এলাকায় যেতে পারবেন যাত্রীরা। হাতিরঝিল সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্পের অংশ হিসেবে রামপুরা ও বাড্ডা প্রান্তে দুটি ইউলুপ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। বাড্ডা প্রান্তের মেরুল বাড্ডায় ২১৪ মিটার দীর্ঘ এবং ৭ দশমিক ৭ মিটার প্রস্থ ইউলুপটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৩৩ কোটি টাকা। রামপুরা-বনশ্রী এলাকার যানজট নিরসনে ২০১৬ সালের শুরুতে এ ইউলুপ নির্মাণের কাজ শুরু করে সেনাবাহিনী।
বাড্ডা ইউলুপ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক : দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হলো রাজধানীর মেরুলে নির্মিত বাড্ডা নর্থ ইউলুপ। শনিবার (২৮ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে হাতিরঝিল সমন্বিত প্রকল্পের বাড্ডা নর্থ ইউলুপ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্বোধনের পর তিনি প্রকল্পের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, স্থানীয় সাংসদ এ কে এম রহমত উল্লাহ, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, প্রকল্প পরিচালক মেজর জেনারেল আবু সাইদ মো. মাসুদ ছিলেন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। হাতিরঝিল সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্পের অংশ হিসেবে রামপুরা ও বাড্ডা প্রান্তে দুটি ইউলুপ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০১৬ সালের ২৫ জুন রামপুরা অংশের সাউথ ইউলুপটি চালুর পর যানজট নিরসনে বেশ সাফল্য পাওয়া গেছে। বাড্ডার ইউলুপটি চালু হওয়ায় হাতিরঝিল থেকে রামপুরা, বনশ্রীগামী যানবাহন সহজেই ঘুরতে পারবে। প্রগতি সরণির বাড্ডা এবং রামপুরা এলাকার যানজট অনেকটাই কমবে বলে আশা প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের।

জাতীয় পাতার আরো খবর