শনিবার, জুলাই ৪, ২০২০
ফিনল্যান্ডের পথে প্রধানমন্ত্রী
০৩জুন২০১৯,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সৌদি আরব সফর শেষে ফিনল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। স্থানীয় সময় রোববার রাত ১টা ২৫ মিনিটে লুফ্হানজা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে জেদ্দা থেকে ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকির উদ্দ্যেশ্যে রওনা হন তিনি। জাপান সফর শেষে ওআইসির চতুর্দশ সম্মেলনে যোগ দিতে শুক্রবার বিকালে শেখ হাসিনা সৌদি আরবে পৌঁছান। সম্মেলনে অংশ নেওয়ার পর স্থানীয় সময় শনিবার রাত ১টার দিকে মক্কায় ওমরাহ পালন করেন তিনি। রোববার সকালে প্রধানমন্ত্রী সৌদি এরাবিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে মদিনার যান এবং মহানবীর (স.) রওজা জিয়ারত করেন। রাতে মদিনা থেকে জেদ্দা ফিরে ফিনল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হন। ফিনল্যান্ড সফর শেষে ৮ জুন ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে শেখ হাসিনার।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওমরাহ পালন
০২জুন২০১৯,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় ওমরাহ পালন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওমরাহ পালন শেষে তিনি দেশ ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণে বিশেষ দোয়া করেছেন। শনিবার মধ্যরাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পবিত্র ওমরাহর আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন। এ সময় ছোট বোন শেখ রেহানাও ওমরা পালন করেন। আজ রোববার সকালে প্রধানমন্ত্রী মদিনা যাবেন। সেখানে মদিনার মসজিদে নবীর রওজা জেয়ারত করবেন। রাতে মদিনা থেকে জেদ্দা ফিরবেন তিনি। রোববার দিবাগত রাতেই প্রধানমন্ত্রী জেদ্দা থেকে ফিনল্যান্ডের উদ্দেশে রওনা হবেন। টানা ১২ দিনের সরকারি সফর শেষে ৮ জুন (শনিবার) প্রধানমন্ত্রীর ঢাকার ফেরার কথা রয়েছে। এর আগে ২৮ মে জাপান সফরে যান প্রধানমন্ত্রী। জাপান সফর শেষে ৩১ মে সৌদি আরব আসেন শেখ হাসিনা।
বাড়বে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা, বন্যার সম্ভাবনা
০২জুন২০১৯,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, জুন মাসের প্রথমার্ধের মধ্যে সারাদেশে বৃষ্টিপাতের কারণে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদী বন্যাও হতে পারে। আবহাওয়ার দীর্ঘমেয়াদী পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য বিশেষজ্ঞ কমিটির নিয়মিত বৈঠক শেষে এমন পূর্বাভাস এসেছে। বৃহস্পতিবার আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক সামছুদ্দিন আহমেদ জানান, জুন মাসের প্রথমার্ধের মধ্যে সারাদেশে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বিস্তার লাভ করতে পারে। জুন মাসে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। এ মাসে বঙ্গোপসাগরে ১-২টি মৌসুমি নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবের কারণে বাংলাদেশে আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টিপাত হয়। আবহাওয়া অফিসের নদ-নদীর অবস্থায় বলা হয়, জুন মাসে মৌসুমি বৃষ্টিপাতের কারণে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কতিপয় স্থানে স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। তবে দেশের অন্যান্য স্থানে নদ-নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বিরাজ থাকবে। আর আগামী কয়েক দিন বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বৃদ্ধি পাবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ আব্দুর রহমান। শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার অবস্থায় বলা হয়, এই সময়ে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে। ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, ঢাকা, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং খুলনা, বরিশাল ও রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ী দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য এবং রাতের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস হ্রাস পেতে পারে। সকাল ৬টা পর্যন্ত ময়মনসিংহে সর্বোচ্চ ৭২ মিলিমিটার ছাড়াও ঢাকায় ৪ মিলিমিটার, সিলেটে ৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। অন্যদিকে, মে মাসে সারাদেশে স্বাভাবিক অপেক্ষা ২৫ দশমিক ৫ শতাংশ কম বৃষ্টি হয়েছে। তবে রংপুর, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে স্বাভাবিক বৃষ্টি হয়েছে।
নিরাপত্তার চাদরে ঢাকছে ফাঁকা ঢাকা
০২জুন২০১৯,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: কর্মব্যস্ত ঢাকায় ইতোমধ্যেই বেজেছে ছুটির ঘণ্টা। মঙ্গলবার (৪ জুন) থেকে আনুষ্ঠানিক ছুটি ঘোষণা করা হলেও গত বৃহস্পতিবার থেকেই ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছেন ঘরমুখো মানুষ। ঈদের ছুটিতে ফাঁকা ঢাকাকে তাই পুরোপুরি নিরাপত্তার চাদরে ঢাকতে সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। ঈদকে কেন্দ্র করে নগরীর ফাঁকা রোডে চুরি-ছিনতাইসহ যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, Rab সহ গোয়েন্দা বাহিনীর সদস্যরা সবসময় টহলে থাকবেন। ছুটি শেষ না হওয়া পর্যন্ত নগরীতে বিশেষ নিরাপত্তায় দশ হাজারের বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যবৃন্দ তৎপর থাকবেন। ঈদকে কেন্দ্র করে কোনো জঙ্গি বা সন্ত্রাসী গোষ্ঠী যেন তৎপরতা চালাতে না পারে এজন্য পুলিশ সদর দফতর থেকে সারা দেশের পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটকে বিশেষ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সব সদস্যকে পেশাদারিত্ব বজায় রেখে সতর্কভাবে দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়েছে। এছাড়া পবিত্র ঈদ উল ফিতরের জামাত ঘিরে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকবে। পুলিশ ও Rabর পোশাকধারী সদস্যের পাশাপাশি সাদা পোশাকের সদস্যরাও তৎপর থাকবেন। গোয়েন্দা নজরদারিতে থাকবে পুরো নগরী। ঈদ জামাতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ডিএমপি থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে। এ সম্পর্কে কর্মকর্তারা জানান, ঈদ জামাতের নিরাপত্তায় ডিএমপির ডগ স্কোয়াড ও বোম্ব-ডিসপোজাল ইউনিট তৎপর থাকবে। জাতীয় ঈদগাহের জামাতের আগে তারা পুরো প্রাঙ্গণ সুইপিং করবে। থাকবে মেটাল ডিটেক্টর ও আর্চওয়ে। তারা জানান, জাতীয় ঈদগাহসহ বড় জমায়েতের স্থানগুলোতে এবং আশেপাশে স্থাপন করা হবে ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা। এসব ক্যামেরা ডিএমপি কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটরিং করবে। এছাড়া ঢাকা মহানগরীর গুলশানের কূটনৈতিক এলাকাগুলোতেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে তল্লাশি চৌকির সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) কৃষ্ণপদ রায় বলেন, ঈদে ফাঁকা ঢাকার নিরাপত্তায় আমরা প্রত্যেকবারের মতো এবারও বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছি। তিনি জানান, বিভিন্ন বাসাবাড়ি এবং ফ্ল্যাট মালিক সমিতিকে আমরা বেশ কিছু নির্দেশনা দিয়েছি। এর মধ্যে সব নিরাপত্তা কর্মীদের ছুটি না দিয়ে পর্যায়ক্রমে ছুটি দেয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ফাঁকা ঢাকায় বাসাবাড়িতে চুরি ঠেকানো একটি বড় চ্যালেঞ্জ বলে উল্লেখ করেছেন ডিএমপির এই কর্মকর্তা। তিনি জানান, যারা ঢাকা ছেড়ে যাবেন তারা যেন নিজের বাসার নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেন। অনেকে অসচেতনভাবে বাসার নিরাপত্তা নিশ্চিত না করেই ঢাকা ছাড়েন। এজন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে। তিনি আরও বলেন, ফাঁকা ঢাকায় ছিনতাই এর প্রবণতা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। এজন্য তল্লাশি চৌকির সংখ্যা এবং পুলিশি টহল বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া নগরীর নিরাপত্তায় এলাকাভিত্তিক বেসরকারি নিরাপত্তা কর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। পুলিশের পাশাপাশি নগরীর নিরাপত্তায় সরাসরি মাঠে থেকে কাজ করবে Rab। Rabর আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান দৈনিক অধিকারকে বলেন, ঈদ উপলক্ষে রাজধানীর নিরাপত্তায় Rabর পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নগরবাসীর নিরাপত্তায় যা যা করা প্রয়োজন সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
ঈদ উল ফিতর উদযাপনে ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছে এক কোটি ১০ লাখ ঘরমুখো মানুষ
০২জুন২০১৯,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: পবিত্র ঈদ উল ফিতর উদযাপনে ইতোমধ্যেই ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছেন ঘরমুখো মানুষ। চলতি বছর ঈদযাত্রায় রাজধানী ঢাকা ছাড়ছেন প্রায় এক কোটি ১০ লাখ মানুষ আর এর পার্শ্ববর্তী গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ ছাড়ছেন প্রায় ৩৭ লাখ মানুষ। এর মধ্যে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন ও জেলার অন্যান্য স্থান থেকে যাবেন এক কোটি ১০ লাখ মানুষ। গাজীপুর থেকে যাবেন ২৫ লাখ ৫০ হাজার মানুষ। আর ১১ লাখ ৫০ হাজার মানুষ যাবেন নারায়ণগঞ্জ থেকে। আর ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ এ চারটি সিটি করপোরেশনসহ এ তিন জেলা মিলিয়ে ছাড়ছেন প্রায় এক কোটি ৪৭ লাখ মানুষ। এই বিপুলসংখ্যক ঘরমুখী যাত্রীর ৫৫ শতাংশ সড়কপথে ও ২৫ শতাংশ নৌপথে যাবেন। বাকি ২০ শতাংশ যাবেন রেলপথে। নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির ঈদ-পূর্ব বার্ষিক প্রতিবেদনে এ পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলা হয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংগঠনগুলো এ সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ ডেটাবেজ সংরক্ষণ না করায় তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে প্রতিবছর ঈদের আগে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয় এবং এতে প্রতিবেদনটিও শতভাগ তথ্যনির্ভর কিংবা বস্তুনিষ্ঠ করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতি ঈদে আনুমানিক ৫০ শতাংশ মানুষ ঢাকা মহানগরী ছেড়ে যায়। গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ শহর ছাড়ে ৩০ শতাংশ মানুষ। এই হিসেবে এবার ঈদে এক কোটি মানুষ ঢাকা শহর ছাড়ছে আর গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ শহর ছাড়ছে যথাক্রমে ১৯ লাখ ৫০ হাজার ও ৭ লাখ ৫০ হাজার মানুষ। এছাড়া ঢাকা দক্ষিণ, ঢাকা উত্তর, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ- চারটি সিটি করপোরেশনের বাইরে এ তিন জেলার অন্যান্য স্থান থেকে আরো ২০ লাখ মানুষ ঈদে ঘরমুখী হয়। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকার ১০ লাখ, গাজীপুরের ৬ লাখ ও নারায়ণগঞ্জের ৪ লাখ মানুষ। সব মিলিয়ে তিন জেলার এক কোটি ৪৭ লাখ (প্রায় দেড় কোটি) মানুষ এবার ঈদযাত্রায় শামিল হচ্ছে। বিভিন্ন সূত্র থেকে সংগৃহিত তথ্য এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ঈদ-পূর্ব পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে এ পরিসংখ্যান তৈরি করা হয়েছে বলে জাতীয় কমিটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। বাংলাদেশ রেলওয়ে, নৌ ও সড়ক পরিবহন সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি সংস্থা, গণপরিবহন নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এবং ব্যক্তিপর্যায়ের গবেষকদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের বরাত দিয়ে বেসরকারি এই সংগঠনের প্রতিবেদনে বলা হয়, আসন্ন ঈদ উল ফিতরে ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ থেকে ৮০ লাখ ৮৫ হাজার মানুষ সড়কপথে ও ৩৬ লাখ ৭৫ হাজার মানুষ নৌপথে ঘরমুখী হবে। বাকি ২৯ লাখ ৪০ হাজার মানুষ যাবে রেলপথে। এই হিসেবে ঈদে ঘরমুখী মানুষের ৫৫ শতাংশ সড়ক, ২৫ শতাংশ নৌ ও ২০ শতাংশ রেলপথ ব্যবহার করবে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ও মন্ত্রি পরিষদ বিভাগের বরাত দিয়ে জাতীয় কমিটির প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, ২০১১ সালের আদম শুমারি অনুযায়ী ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) জনসংখ্যা যথাক্রমে এক কোটি ৬ লাখ ২৭ হাজার ১৭ এবং ৭৫ লাখ ৫৮ হাজার ২৫। দুটি করপোরেশন মিলিয়ে ঢাকা মহানগরীর মোট জনসংখ্যা এক কোটি ৮১ লাখ ৮৪ হাজার ৪১ এবং সম্মিলিত আয়তন ২৭০ বর্গকিলোমিটার। তবে জীবন-জীবিকার তাগিদে দেশের নানা প্রান্ত থেকে ঢাকামুখী প্রবণতার কারণে গত নয় বছরে রাজধানীর জনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে অন্তত দুই কোটি। একই কারণে ঢাকার পার্শ্ববর্তী গাজীপুর সিটি করপোরেশন (জিসিসি) ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (এনসিসি) জনসংখ্যা বেড়ে যথাক্রমে ৬৫ লাখ ও ২৫ লাখ হয়েছে। সব মিলিয়ে তিন শহরের বর্তমান লোকসংখ্যা দুই কোটি ৯০ লাখ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার দে বলেন, ঈদে স্বজনদের সান্নিধ্যপ্রত্যাশীরা গত কয়েকদিন ধরে বিচ্ছিন্নভাবে ঘরমুখী হতে শুরু করলেও আনুষ্ঠানিক ঈদযাত্রা শুরু হয়েছে ৩১ মে শুক্রবার থেকে এবং এই যাত্রা চলবে ৫ জুন বুধবার (সম্ভাব্য ঈদের দিন) দুপুর পর্যন্ত।
ভাবগাম্ভীর্য পরিবেশের মধ্য দিয়ে পবিত্র লাইলাতুল কদর উদযাপন
০২ জুন ২০১৯,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: শবে কদর বা লায়লাতুল কদরকে বলা হয় হাজার মাসের চেয়ে উত্তম। অর্থাৎ এই রাতে ইবাদত করলে হাজার মাসের চেয়ে বেশি সওয়াব পাওয়া যায়। রমজান মাসের শেষ দশকের বিজোড় রাতে শবে কদর হলেও ২৭ রমজানের রজনীকেই পবিত্র রজনী হিসেবে ধরা হয়। এ উপলক্ষে শনিবার দিবাগত রাতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদে নানা আয়োজন করা হয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জানান, যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্য পরিবেশে শনিবার দিবাগত রাতে সারাদেশে পবিত্র লাইলাতুল কদর উদযাপিত হয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এ উপলক্ষে বাদ যোহর বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদে পবিত্র লাইলাতুল কদরের গুরুত্ব ও তাৎপর্য শীর্ষক ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এতে ওয়াজ পেশ করেন মিরপুর বায়তুল মামুর জামে মসজিদের খতিব ড. মুফতি আবদুল মুকিত আযহারী। রাতেও জাতীয় মসজিদে নফল ইবাদত করার জন্য ভিড় জমান মগানগরীর বিভিন্ন প্রান্তের মুসল্লিগণ। বাদ ইশা ও তারাবী নামাজ শেষে নফল ইবাদতে শামিল হয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় রাজধানীর অন্যান্য মসজিদেও মুসল্লিরা ইবাদতের জন্য এসেছেন। পবিত্র রজনীতে মুসল্লিগণের সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে নফল ইবাদতের জন্য বায়তুল মোকাররম ও এর আশেপাশে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, বায়তুল মোকাররম ও আশেপাশের এলাকায় মুসল্লীদের জন্য টুপি, আতর-সুরমা, জায়নামাজ বিক্রিও বেশ জমে উঠে দিন থেকেই।
জাতির কাছে ক্ষমা চাইলেন এ কে খন্দকার
১জুন,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ১৯৭১ : ভেতরে বাইরে বইয়ে বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের শেষে জয় পাকিস্তান বলেছেন উল্লেখ করায় জাতির কাছে ক্ষমা চাইলেন সাবেক মন্ত্রী এ কে খন্দকার। শনিবার (১ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ক্ষমা প্রার্থনা করেন। এ কে খন্দকার বলেন, আমার বইয়ে জয় পাকিস্তান এই অংশটুকুর জন্য দেশপ্রেমিক অনেকেই কষ্ট পেয়েছেন। এই অংশটুকু আমার বইতে যেভাবেই আসুক না কেন এ অসত্য তথ্যের দায়ভার আমার এবং বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণে কখনোই জয় পাকিস্তান শব্দ দুটি বলেননি। তিনি বলেন, তাই আমি আমার বইয়ের ৩২ পৃষ্ঠায় উল্লেখিত বিশেষ অংশ সম্বলিত পুরো অনুচ্ছেদ প্রত্যাহার করে নিচ্ছি এবং একই সাথে জাতির কাছে ও বঙ্গবন্ধুর বিদেহী আত্মার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। এ কে খন্দকার আরও বলেন, আমার লেখা বই ১৯৭১ : ভেতরে বাইরে ২০১৪ সালের আগস্ট মাসে প্রথমা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়। এর আগে গত মাসে একটি টেলিভিশন চ্যানেলে এ বিষয়ে ক্ষমা চাইলেও এবার প্রথমবারের মতো সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জাতির কাছে ক্ষমা চাইলেন মুক্তিযুদ্ধের উপ-অধিনায়ক এবং সাবেক মন্ত্রী এ কে খন্দকার (বীর উত্তম)।
সড়কপথে এখনও কোথাও দুর্ভোগের চিত্র নেই: কাদের
১জুন,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সড়কপথে ঈদযাত্রা অত্যন্ত স্বস্তিদায়ক হচ্ছে বলে উল্লেখ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, দেশে সড়কপথে এখনও কোথাও কোনো দুর্ভোগের চিত্র নেই, সড়কপথে ঈদ পর্যন্ত স্বস্তিকর যাত্রা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করছি। শনিবার (০১ জুন) বেলা ১১টায় রাজধানীর অন্যতম আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল মহাখালী বাস টার্মিনাল পরিদর্শনে এসে তিনি এ কথা বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি খন্দকার এনায়েত উল্লাহ। কাদের বলেন, সড়কে চাঁদাবাজির এখনও কোনও অভিযোগ পাওয়া যায়নি। চাঁদাবাজির প্রমাণ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। সড়কে নিরাপত্তা জোরদার করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, খালেদা জিয়ার মামলা দিয়েছে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকার। মামলার রায় দিয়েছেন আদালত। এ বিষয়ে সরকারের কিছু করার নেই। খালেদার মুক্তির ব্যাপারে বিএনপি চাইলে আদালতের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে পারে।
মিয়ানমার প্রতিশ্রুতি দিয়েও ব্যর্থ, ওআইসিকে প্রধানমন্ত্রী
১জুন,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নানা সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও মিয়ানমার থেকে জোর করে তাড়িয়ে দেওয়া ১১ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা মুসলমানদের আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ। কিন্তু এই রোহিঙ্গাদের যথাযথ প্রত্যাবর্তন এখনও অনিশ্চিত। মিয়ানমার বারবার প্রতিশ্রুতি দিয়েও দেশের উত্তরাঞ্চলীয় রাখাইনে তাদের ফিরে যাওয়ার জন্য একটি সহায়ক পরিবেশ তৈরি করতে ব্যর্থ হচ্ছে। শনিবার ভোররাতে সৌদি আরবের মক্কার সাফা প্যালেসে ইসলামি দেশগুলোর জোট ওআইসির ১৪তম শীর্ষ সম্মেলনে এশিয়া গ্রুপের পক্ষ থেকে বক্তব্য দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন। তিনি বলেন, আবুধাবির কাউন্সিল অব ফরেন মিনিস্টার (সিএফএম) রোহিঙ্গাদের আইনগত অধিকার নিশ্চিত করার জন্য জবাবদিহিতা ও বিচার সম্পর্কিত প্রশ্নের সম্মুখীন করতে আন্তর্জাতিক আদালতে একটি পথ তৈরি করেছে। এই প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হওয়ার জন্য আমরা গাম্বিয়াকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। মিয়ানমারে সৃষ্ট গণহত্যা ও সহিংসতাকে ১৯৪৮ সালের জেনোসাইড কনভেনশনের আওতায় আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে বিচারের ব্যবস্থা গ্রহণে নেতৃত্ব দিচ্ছে তারা। এর আগে আমরা স্বেচ্ছাসেবক তহবিল ও কারিগরি সহায়তার মাধ্যমে মামলাটি চালিয়ে যাওয়ার জন্য সদস্য রাষ্ট্রগুলোতে আপিল করি। সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের প্রতি বাংলাদেশের জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি তা মোকাবেলায় ওআইসির সক্রিয়তা প্রত্যাশা করেন শেখ হাসিনা। রিয়াদ সম্মেলনে নিজের দেয়া চারটি প্রস্তাব মক্কা সম্মেলনেও তুলে ধরেন তিনি। সেগুলো হল- অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করা, সন্ত্রাসে অর্থায়ন বন্ধ করা, মুসলিম উম্মাহর মধ্যে ভেদাভেদ নিরসন, সংলাপের মাধ্যমে দ্বন্দ্ব-সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধান করা। শেখ হাসিনা বলেন, ইসলামের আবির্ভাব হয়েছিল অন্ধকার জগতের আলোকবর্তিকা হিসেবে। কিন্তু অপব্যাখ্যার কারণে সন্ত্রাসবাদ ও সংঘাতের ভাবধারা হিসেবে ইসলামকে ভুলভাবে তুলে ধরা হচ্ছে। শেখ হাসিনা শ্রীলঙ্কায় সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন,খ্রিস্টান চার্চ আক্রমণের দুঃখভোগী পরিবারের প্রতি আমরা সহানুভূতি ও সংহতি জানিয়েছি, যে হামলায় আমার আট বছর বয়সী নাতি শেখ জায়ানও নিহত হয়। ফিলিস্তিন, সিরিয়া ও বিশ্বের অন্যান্য জায়গায় সাহায্য-সহযোগিতাহীন মানুষ যেভাবে হত্যাকাণ্ডে শিকার হচ্ছে সেসব অসহায় মানুষের বেদনা ও যন্ত্রণার সঙ্গেও সংহতি প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। ওআইসি যে লক্ষ্য নিয়ে গঠিত হয়েছিল, তা পূরণ না হওয়ার কথাও সম্মেলনে তুলে আনেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন,আমাদের ফিলিস্তিনি ভাই ও বোনদের জমি ও সার্বভৌমত্বের অধিকার ফিরিয়ে আনতে, উম্মাহর মর্যাদা ও অধিকার রক্ষা এবং মুসলিম বিশ্বের জনগণের মধ্যে একাত্মতা ও সহযোগিতা জোরদার করা ওআইসির লক্ষ্য ছিলো। কিন্তু সাত দশক পরেও ফিলিস্তিনের সমস্যা এখনও বিদ্যমান এবং এ বিষয়ে মুসলিম উম্মাহ এখনও বিভক্ত। মুসলমানদের অমর্যাদা ও দুর্ভোগের অবসানের পথ নির্দেশনা তৈরি করতে সৌদি বাদশাহর প্রতি আহ্বান জানান তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমান বিশ্বে রয়েছে অর্থনীতি, বাস্তুতন্ত্র ও নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ। এসব মোকাবেলায় ওআইসিকে একটি বিস্তৃত কৌশল গড়ে তুলতে হবে, যার মধ্যে সদস্য রাষ্ট্রগুলো একে অন্যের জন্য কাজ করতে পারে। তিনি বলেন,পৃথিবীর কৌশলগত সম্পদের এক তৃতীয়াংশেরও বেশি এবং যুবশক্তির বেশিরভাগই রয়েছে আমাদের হাতে। আমাদের নিজেদের সমস্যা নিজেদেরেই সমাধান করার সমক্ষতা থাকা উচিত। দরিদ্রকে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ অসঙ্গতি মোকাবেলার জন্য যৌথ ইসলামী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ওআইসি-২০২৫ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে হবে। ওআইসির ইন্সটিটিউশনগুলোকে বিশেষ করে ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংকের নীতিমালা ও অনুশীলনগুলোকে ওআইসির এজেন্ডার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ার ওপরও জোর দেন তিনি। পণ্য বাজারজাত ও পরিষেবায় ধারণা ও উদ্ভাবন আজ ইসলামী বিশ্বের প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশনের (আওএম) উপ মহাপরিচালক পদে প্রার্থী বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হকের জন্য ইসলামী দেশগুলো নেতাদের সমর্থন চান। এর আগে ওআইসির চতুর্দশ সম্মেলনে যোগ দিতে শুক্রবার বিকালে জাপান থেকে সৌদি আরবে পৌঁছেন শেখ হাসিনা। সৌদি সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার ছোট বোন শেখ রেহানা ছাড়াও রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক, মূখ্য সচিব নজিবুর রহমান, পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদিন প্রমুখ। সম্মেলনে যোগ দেওয়ার পর শনিবার সন্ধ্যায় ওমরাহ পালন করবেন শেখ হাসিনা। এরপর রোববার মদিনায় হজরত মুহাম্মদ (স.) এর রওজা জিয়ারত করবেন তিনি। সৌদি আরব সফর শেষে মদিনা থেকে জেদ্দা ফিরে সোমবার ভোরে ফিনলান্ডের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে শেখ হাসিনার। ফিনল্যান্ড সফর শেষে ৮ জুন দেশ ফিরবেন তিনি। ফিউচার অব এশিয়া সম্মেলনে যোগ দিতে মঙ্গলবার ঢাকা থেকে টোকিও পৌঁছান শেখ হাসিনা।

জাতীয় পাতার আরো খবর