বুধবার, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৯
বিশ্বের সেরা ১০ পোশাক কারখানার ৭টি বাংলাদেশে: তোফায়েল
ইউনাইটেড স্টেটস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল (ইউএসজিবিসি) কর্তৃক প্রত্যায়িত বিশ্বের সেরা ১০ পোশাক কারখানার মধ্যে ৭টি বাংলাদেশে অবস্থিত। এ পর্যন্ত ৬৭টি কারখানাকে ইউএসজিবিসি কর্তৃক সবুজ কারখানা হিসেবে প্রত্যয়ন করা হয়েছে। আরও প্রায় ৩০০টি সবুজ পোশাক কারখানা নির্মাণাধীন রয়েছে। বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। সোমবার (১৮ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের লিখিত জবাবে এ তথ্য জানান তিনি। তোফায়েল আহমেদ বলেন, শ্রম আইন ও শ্রম বিধিমালা অনুসারে গ্রিন ফ্যাক্টরি সম্পর্কিত প্রত্যক্ষ কোন বিধান নেই। তবে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরের জানুয়ারি, ২০১৭ থেকে ডিসেম্বর, ২০১৭ পর্যন্ত কমপ্লায়েন্স প্রতিবেদন অনুসারে ‘এ’ গ্রেডভুক্ত তৈরি পোশাক কারখানা ৪৩৬ এবং ‘বি’ গ্রেডভুক্ত তৈরি পোশাক কারখানার সংখ্যা ২২৮টি। তিনি বলেন, তৈরি পোশাক কারখানাসমূহ পরিবেশবান্ধব ও পর্যায়ক্রমে গ্রিন ফ্যাক্টরির ধারণাভুক্ত করে কমপ্লায়েন্স নিশ্চিতকরণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরও বলেন, বিশ্বের ২১টি মিশনে বাণিজ্যিক উইং রয়েছে। এর মধ্যে ৯টি মিশন চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম চার মাসের লক্ষ্য অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো হতে উক্ত মিশনসমূহের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা তথা কমার্শিয়াল কাউন্সিলর/প্রথম সচিব/ইকোনোমিক কাউন্সিলরদেরকে স্ব স্ব বাজার বিশ্লেষণ করে ব্যর্থতার কারণ জানানোর জন্য লেখা হয়েছে, যাতে আমরা পরবর্তীতে উপযুক্ত পদক্ষেপ নিতে করতে পারি। এর মধ্যে কিছু জবাব পাওয়া গেছে এবং সে অনুযায়ী সরকারের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ঝুঁকি মোকাবেলায় ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন করতে সরকারের নানাবিধ পরিকল্পনা রয়েছে। ডব্লিউটিও সেল কর্তৃক প্রতি বছর ঝুঁকি মোকাবেলা বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়ে থাকে। চলতি অর্থবছরে ব্যবসায়ী, বাণিজ্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ঝুঁকি মোকাবেলার জন্য ৬টি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং একাধিক কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে।
ছুটি শেষে জনস্রোত এখন ঢাকামুখী
ডেস্ক রিপোর্ট :এবারের ঈদে সাপ্তাহিক ছুটির দুইদিনের সঙ্গে ঈদের ছুটি যুক্ত ছিল মাত্র একদিন। অর্থাৎ শুক্রবার (১৫ জুন) ও শনিবার (১৬ জুন) সাপ্তাহিক ছুটির মধ্যে ঈদের ছুটি পড়ায় রোববার (১৭ জুন) কেবল যুক্ত হয়েছিল ঈদুল ফিতরের তিনদিনের ছুটির সঙ্গে। ফলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বাড়তি দুই দিনের ছুটি ভোগ করতে পারেননি। তাই ঈদের তৃতীয় দিনে অনেক সরকারি কর্মজীবী কর্মস্থলে ফিরেছেন। আর ঈদের আগের দিন বৃহস্পতিবার (১৪ জুন) যারা বাড়ি গিয়েছিলেন তারাও ফিরতে শুরু করেছেন। সব মিলিয়ে ছুটির আমেজের মধ্যেই সোমবার (১৮ জুন) থেকে শুরু হয়েছে কর্মস্থলে ফেরা। সে কারণেই ঈদের আমেজের মধ্যে জনস্রোত এখন কর্মস্থমুখী। বাস ও ট্রেনে মানুষ রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন গন্তব্যের উদ্দেশে রাজশাহী ছেড়ে যাচ্ছেন। তবে বাস বা ট্রেনের কোথাও টিকিট নেই। যারা ফিরতি টিকিট কেটে রেখেছিলেন তারাই কেবল স্বস্তিতে ফিরতে পারছেন। অন্যরা বাস-ট্রেনের ছাদে বা ভেতরে দাঁড়িয়ে রওনা দিচ্ছেন নিজ নিজ কর্মস্থলের উদ্দেশে।
প্রবীণ সাংবাদিক মঈনুল আলম আর নেই
ডেস্ক রিপোর্ট : চট্টগ্রামের এক সময়ের জনপ্রিয় সাংবাদিক মঈনুল আলম (৮১) আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলায়হি রাজেউন)। সোমবার টরন্টোর সময় বিকাল ৫ টা ২৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৩টা) স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি। চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠা ও চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের শুরুর দিকে যাত্রা পথে অনন্য ভূমিকা ছিল এই প্রবীণ সাংবাদিকের। প্রায় পাঁচ দশক দাপটের সাথে লেখা লেখি ও সাংবাদিকতায় যুক্ত ছিলেন তিনি। পেশাগত কারণে ঘুরেছেন দেশ-বিদেশে। লিখে গেছেন সাংবাদিকতায় নিজের অভিজ্ঞতার কথামালাও। সাংবাদিকতায় তৃণমূল থেকে আন্তর্জাতিক পরিসরে কাজ করেন তিনি। মঈনুল আলমই বাংলাদেশের এক মাত্র সাংবাদিক যিনি Reagan- Gorbachev শীর্ষ বৈঠক কভার করেন। দারুণ শিল্পবোধ সম্পন্ন এই সাংবাদিক ছিলেন সুবক্তাও। দেশের প্রাচীনতম দৈনিক ইত্তেফাকের চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান ছিলেন দুইযুগেরও বেশি সময়। বাংলাদেশ প্রতিদিন
গাজীপুরে নির্বাচনী প্রচার শুরু
ঈদের আমেজ না কাটতেই সোমবার হতে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রচার প্রচারণা। দ্বিতীয় দফায় নির্বাচনী প্রচারণার প্রথমদিনে প্রার্থীরা কর্মী সমর্থকদের নিয়ে এলাকায় ঘুরে ঘুরে আনুষ্ঠাণিকভাবে নির্বাচনী প্রচার ও গণসংযোগ শুরু করেছেন। দিনভর পথসভা, বৈঠক ও গনসংযোগের মধ্য দিয়ে ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা। সকাল হতেই শুরু হয়েছে প্রার্থীদের সমর্থনে মাইকিং। গত ১৫ মে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও আদালতের নির্দেশে নির্বাচনী কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়। পরবর্তীতে উচ্চ আদালত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করায় প্রায় এক মাস ১২ দিন পর সোমবার থেকে শুরু হয় দ্বিতীয় দফায় আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা। তবে ভেঙ্গে যাওয়া নির্বাচনের মাঠ এখনো জমাতে পারছেন না প্রার্থীরা। শিল্পাঞ্চল হওয়ার কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল হতে লোকজন গাজীপুরে এসে অস্থায়ীভাবে বসবাস করেন এবং এখানকার বিভিন্ন মিল কারখানায় চাকুরি করেন। এদের মধ্যে উল্লেখ যোগ্য সংখ্যক লোকজন এ সিটি কর্পোরেশনের ভোটার। রবিবার সরকারী ছুটি শেষ হলেও সোমবার পর্যন্ত প্রায় সবক’টি মিল কারখানা বন্ধ রয়েছে। এসব কারখানা প্রতিষ্ঠাণের কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা ঈদের ছুটি কাটাতে গ্রামের বাড়িতে গিয়েছেন। তারা ছুটি কাটিয়ে ফিরে না আসায় এখনও পর্যন্ত গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বিরাজ করছে ঈদের ছুটির আমেজ। ফলে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এলাকা এখন অনেকটাই ফাঁকা ও নির্জীব। তাই অনেকটা খালি মাঠেই শুরু হয়েছে নির্বাচনী প্রচারণা। নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী প্রার্থীদের প্রচারণা কার্যক্রম বন্ধ থাকায় প্রার্থীরা পবিত্র রমজান মাসে ইফতার মাহফিল আয়োজন করে ঝিমিয়ে পড়তে থাকা কর্মী, সমর্থক ও ভোটারদের চাঙ্গা রাখার চেষ্টা করেছেন। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রচারণার প্রথমদিনেই সোমবার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দুই মেয়র প্রার্থী ১৪ দলীয় জোটের আওয়ামীলীগ মনোনীত (নৌকা) মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ও ২০ দলীয় জোটের বিএনপি মনোনীত (ধানের শীষ) হাসান উদ্দিন সরকার নির্বাচনী প্রচারণা ও জনসংযোগে জোরেসোরে নেমে পড়েন। নির্বাচনে সমান পাল্লা দিয়ে অন্য প্রার্থীরাও তাদের কার্যক্রম শুরু করেছেন। প্রার্থী ও তাদের কর্মী সমর্থকদের পদচারণায় সরব হয়ে উঠছে গাজীপুর।
নতুন সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৫তম প্রধান হিসেবে তিন বছরের জন্য নিয়োগ পেয়েছেন লে. জে. অাজিজ অাহমেদ। তিনি জেনারেল হিসাবে জেনারেল অাবু বেলাল শফিউল হকের স্থলাভিষিক্ত হবেন অাগামী ২৫ জুন। আজ সোমবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. আবু বক্কর সিদ্দিক স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিএ-২৪২৪ লেফটেন্যান্ট জেনারেল আজিজ আহমেদ, বিজিবিএম, পিবিজিএম, বিজিবিএমএস, পিএসসি, জি কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেলকে ২৫ জুন অপরাহ্ন থেকে জেনারেল পদে পদোন্নতি দিয়ে প্রতিরক্ষা বাহিনীর সমূহের প্রধানদের আইন, ২০১৮ অনুসারে তিন বছরের জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান পদে নিয়োগ প্রদান করা হলো। অাইএসপিআর পরিচালক লে. কর্নেল অালমগীর কবীর নিশ্চিত করেছেন যে, ২৫ জুন অপরাহ্ন থেকে সেনা প্রধান হবেন জেনারেল অাজিজ অাহমেদ। লে. জে. অাজিজ অাহমেদ এর আগে ২০০৯ সালে বিজিবিতে ঢাকা সেক্টরে প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ব্রিগেডিয়ার পদে পদোন্নতি নিয়ে কুমিল্লা সেনানিবাসে স্থলাভিষিক্ত হন। সেখানে তিনি মেজর জেনারেল পদোন্নতি প্রাপ্ত হয়ে কুমিল্লা সেনানিবাসে জিওসি দায়িত্ব পালন করেন। ২০১২ সালে তিনি বিজিবির মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৬ সালে লে. জে. পদে পদোন্নতি পান। এরপর তিনি আরডকের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেখান থেকে তিন মাস আগে সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন তিনি। রাজধানীর মোহাম্মদপুরে নুরজাহান রোডে তার বাড়ি। তার বাবা আবদুল ওয়াদুদ ছিলেন বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা।
দলের প্রয়োজনে নির্বাচন করবো: অর্থমন্ত্রী
দলের প্রয়োজনে আবারও সংসদ নির্বাচন করার কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেন, আমি বলেছি, ‘আমি নির্বাচন করতে চাই না। কিন্তু পার্টির প্রয়োজনে, অপজিশনে যদি এরশাদ সাহেব প্রার্থী হয়ে যান, খালেদা জিয়া হয়ে যান, তাহলে অবশ্যই আমি নির্বাচন করবো। সোমবার সচিবালয়ে ঈদের পর প্রথম কর্মদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন। প্রার্থী হিসেবে আপনার বিপরীতে কাকে যোগ্য মনে করছেন, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, সিলেটে এরশাদ বিশেষভাবে জনপ্রিয়, কারণ ওনার সময় সিলেটে অনেক কিছু হয়েছে। আমি মনে করি এরশাদ খালেদা জিয়ার চেয়ে বেশি জনপ্রিয়। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনায় অর্থমন্ত্রী বলেন, আমি সিলেটে ঈদ করলাম। সিলেট ও ঢাকায় মোটামুটিভাবে এটা খুশির ঈদই ছিল। আসছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী হইচই তেমন নেই। আশা করছি এবার শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হবে, সবাই এতে অংশ নেবেন। আমি মনে করি, বিএনপির নীতিনির্ধারকরা ভালো করেই বোঝেন, তারা যতকিছুই বলেন না কেন- এবার নির্বাচন না করলে এ পার্টি আর থাকবে না।
আজ বিশ্ব বাবা দিবস,
কাটে না সময় যখন আর কিছুতে বন্ধুর টেলিফোনে মন বসে না জানালার গ্রিলটাতে ঠেকাই মাথা মনে হয় বাবার মতো কেউ বলে না আয় খুকু আয়, আয় খুকু আয়। হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ও শ্রাবন্তী মজুমদারের গাওয়া এই গানটি সন্তানদের মনে করিয়ে দেয় বাবা আসলে কী? তিনি বটবৃক্ষ, নিদাঘ সূর্যের তলে সন্তানের অমল-শীতল ছায়া তিনি বাবা। আজ বিশ্ব বাবা দিবস। জুন মাসের তৃতীয় রোববার প্রতি বছর বিশ্বের ৫২টি দেশে দিবসটি পালিত হয়। এ বছর তৃতীয় রোববার হিসেবে ১৭ জুন পালিত হচ্ছে দিবসটি। ইতিহাস থেকে জানা যায়, বিংশ শতাব্দীর প্রথমদিকে থেকে বাবা দিবস পালন শুরু হয়। আসলে মায়েদের পাশাপাশি বাবারাও যে তাদের সন্তানের প্রতি দায়িত্বশীল- এটা বোঝানোর জন্যই এই দিবসটি পালন করা হয়ে থাকে। পৃথিবীর সব বাবার প্রতি শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা প্রকাশের ইচ্ছা থেকে যার শুরু। ধারণা করা হয়, ১৯০৮ সালের ৫ জুলাই, আমেরিকার পশ্চিম ভার্জেনিয়ার ফেয়ারমন্টের এক গির্জায় এই দিনটি প্রথম পালিত হয়। আবার, সনোরা স্মার্ট ডড নামের ওয়াশিংটনের এক ভদ্রমহিলার মাথাতেও বাবা দিবসের আইডিয়া আসে। যদিও তিনি ১৯০৯ সালে, ভার্জিনিয়ার বাবা দিবসের কথা একেবারেই জানতেন না। ডড এই আইডিয়াটা পান গির্জার এক পুরোহিতের বক্তব্য থেকে, সেই পুরোহিত আবার মাকে নিয়ে অনেক ভালো ভালো কথা বলছিলেন। তার মনে হয়, তাহলে বাবাদের নিয়েও তো কিছু করা দরকার। ডড আবার তার বাবাকে খুব ভালবাসতেন। তিনি সম্পূর্ণ নিজ উদ্যোগেই পরের বছর, অর্থ্যাৎ ১৯১০ সালের ১৯ জুন থেকে বাবা দিবস পালন করা শুরু করেন। বাবা দিবস বেশ টানাপোড়েনের মধ্য দিয়েই পালিত হতো! আসলে মা দিবস নিয়ে মানুষ যতটা উৎসাহ দেখাতো, বাবা দিবসে মোটেও তেমনটা দেখাতো না, বরং বাবা দিবসের বিষয়টি তাদের কাছে বেশ হাস্যকরই ছিল। ধীরে ধীরে অবস্থা পাল্টায়, ১৯১৩ সালে আমেরিকান সংসদে বাবা দিবসকে ছুটির দিন ঘোষণা করার জন্য একটা বিল উত্থাপন করা হয়। ১৯২৪ সালে তৎকালীন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ক্যালভিন কুলিজ বিলটিতে পূর্ণ সমর্থন দেন। অবশেষে ১৯৬৬ সালে প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি. জনসন বাবা দিবসকে ছুটির দিন হিসেবে ঘোষণা করেন। বিশ্বের বেশিরভাগ দেশে জুন মাসের তৃতীয় রোববার বাবা দিবস হিসেবে পালিত হয়। সূত্র: জাগো নিউজ
বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে দর্শনার্থীদের ভিড়
ঈদকে কেন্দ্র করে বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে দর্শনার্থীদের ভিড়ে মুখর অন্যান্য বছরগুলোর মতই। পরিবার ও বন্ধুদের সাথে নিয়ে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে জড়ো হন নানা বয়সী মানুষ। একইভাবে জমে ওঠে রাজশাহীর পদ্মার পাড় এবং খুলনার অন্যতম বিনোদন কেন্দ্র রূপসা সেতু এলাকা। চট্টগ্রাম: ঈদের দিনে চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে জমে ওঠে আনন্দ প্রিয় মানুষের ভিড়। উৎসবের আনন্দ উপভোগ করতে সমুদ্রের কাছাকাছি ছুটে আসেন তারা। সৈকতে নেমে জলকেলিতে মেতে ওঠে শিশু-কিশোররা। স্পিডবোটে দাপিয়ে উপভোগ করছেন নির্মল আনন্দ। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষীবাহিনী। রাজশাহী: রাজশাহীর বড় কুটির পদ্মার পাড়ে জড়ো হন হাজারো মানুষ। ঈদের বিকেলটা পরিবার ও বন্ধু-স্বজনদের সাথে নিয়ে পদ্মা নদীর পাড়ে হাজির হন তারা। আবহাওয়া ভালো থাকায় দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসেন নানা বয়সী মানুষ। এ সময় ঘুরে ঘুরে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করেন তারা। পদ্মারপাড় ছাড়াও শহরের অন্যান্য বিনোদন কেন্দ্রগুলোতেও ছিলো দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড়। খুলনার রূপসা ব্রিজকে কেন্দ্র করে ঢল নামে বিনোদন প্রিয় মানুষের। তরুণ-তরুণীসহ নানা বয়সী মানুষের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে রূপসা নদীর পাড়। এ সময় অবকাঠামো নির্মাণের মধ্যদিয়ে রূপসা ব্রিজ এলাকায় বিনোদন কেন্দ্র গড়ে তোলার দাবি জানান তারা।

জাতীয় পাতার আরো খবর