রবিবার, জুলাই ১৫, ২০১৮
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ এগিয়ে থাকবে
অনলাইন ডেস্ক :আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনসমর্থনেন দিক দিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এগিয়ে থাকবে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান বিএমআই রিসার্চ। শুক্রবার (১৩ জুলাই) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানানো হয়। দুইশর বেশি দেশে রাজনৈতিক ঝুঁকি নিরূপণে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার ভর্তুকি, কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন খাতে বরাদ্দের পরিমাণ আগের বছরের তুলতায় যথাক্রমে ২৭.৯, ২৪.৮ ও ৮.৯ শতাংশ বাড়িয়েছে। এটা ভোটারদের সমর্থন আদায়ে ভূমিকা রাখবে। বিএনপির রাজনৈতিক কার্যক্রম আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারবে না দাবি করে বলা হয়, বিএনপি নেতাকর্মীরা গত কয়েক মাস ধরে অনশন, মানববন্ধনের মত যেসব রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করে আসছেন, তাতে চলতি বছরের শেষ দিকে অনুষ্ঠেয় একাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ওপর তেমন কোনো প্রভাব পড়বে বলে মনে হয় না। এ গবেষণা সংস্থার বিশ্লেষকদের ধারণা, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া গত ফেব্রুয়ারিতে দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের সাজায় কারাগারে যাওয়ার পর দলটির শক্তি অনেকাংশে হ্রাস পেয়েছে। ফলে দুর্বল নেতৃত্বের বিএনপি আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সামনে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়তে পারবে না। প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিদেশে এবং দেশে বহু নেতা গ্রেপ্তার থাকায় বিএনপির নেতৃত্বে শক্তিশালী নেতার সঙ্কট তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের অবস্থা এর উল্টো। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৮১ সাল থেকে দলটির নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন, কয়েক মেয়াদে তিনি সরকারপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেছেন। আর গত মে ও জুন মাসে খুলনা ও গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের বড় জয়ের মধ্যেও বিএনপির সমর্থন কমার আভাস দেখতে পাচ্ছে বিএমআই রিসার্চ। তাদের স্বল্পমেয়াদী রাজনৈতিক সূচকে বাংলাদেশের স্কোর এবার একশর ভেতরে ৫৮.১। তবে নির্বাচন ঘিরে আগের মত সহিংসতার সম্ভাবনা বিএমআই রিসার্চ উড়িয়ে দিচ্ছে না। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, ২০১৪ সালের মত এবারও বিএনপির নির্বাচন বর্জনের সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে। নির্বাচনের আগে-পরে তাদের সহিংস আন্দোলনের সম্ভবনাও আমরা নাকচ করতে পারছি না। বিএমআই রিসার্চ বলছে, রাজনৈতিক বাস্তবতার পাশাপাশি ভোটের বছরের বাজেটে গ্রামের কৃষিজীবী মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য যেসব সুবিধা দেওয়া হয়েছে, তার ফলও আওয়ামী লীগ নির্বাচনে পাবে।
দেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রায় নিরবচ্ছিন্ন
অনলাইন ডেস্ক :পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী ইমাজ উদ্দিন প্রামানিক বলেছেন, বর্তমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য হচ্ছে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। সরকারের সেই লক্ষ্য সাফল্যজনকভাবে অর্জিত হয়েছে। মানুষের ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রায় নিশ্চিত হয়েছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নওগাঁর মান্দা উপজেলায় ৯টি গ্রামে নতুন বিদ্যুতায়ন কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী এ কথা বলেছেন। মান্দা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মান্দা উপজেলা নির্বাহী অফিসার খন্দকার মুশফিকুর রহমান। পল্লীবিদ্যুত সমিতি প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে। এই প্রকল্পে মোট ব্যায় হয়েছে ২ কোটি ২০ লাখ ৬ হাজার টাকা। অনুষ্ঠানে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সহকারি জেনারেল ম্যানেজার (এজিএম) আবু তালহা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোল্লা এমদাদুল হক, সাধারণ সম্পাদক স ম জসিমুদ্দিনসহ উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।ইত্তেফাক
বাংলাদেশে ৮৮ ভাগ মানুষ এখন নিরাপদ পানির আওতায় এসেছে
অনলাইন ডেস্ক :স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন জাতিসংঘে কমিউনিটিভিত্তিক পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা বিষয়ে বাংলাদেশের সাফল্য তুলে ধরে বলেছেন, সরকারের ব্যাপক প্রচার ও পদক্ষেপের ফলে উন্মুক্ত স্থানে পয়ঃনিষ্কাশনের হার মাত্র ১ শতাংশে নেমে এসেছে। বাংলাদেশে ৮৮ ভাগ মানুষ এখন নিরাপদ পানির আওতায় এসেছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে জাতিসংঘের হাই-লেভেল পলিটিক্যাল ফোরামের সভায় বাংলাদেশ ডেটা বিপ্লব ও পয়ঃনিষ্কাশনবিষয়ক দুটি সাইড ইভেন্টে উদ্বোধন ও সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। গত ৯ জুলাই থেকে শুরু হওয়া ডেটা বিপ্লবে পেছনে পড়ে থাকবে না কেউই এবং পয়ঃনিষ্কাশনে অংশগ্রহণমূলক দৃষ্টিভঙ্গি : বাংলাদেশ থেকে শেখা শীর্ষক সাইড ইভেন্ট দুটিতে জাতিসংঘের সদস্যরাষ্ট্রসমূহ, থিংঙ্কট্যাংক, নীতিনির্ধারক, বিষয় বিশেষজ্ঞ ও গবেষকসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বাংলাদেশে এসডিজি বাস্তবায়নবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ এবং জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন ইভেন্ট দুটির মডারেটর ছিলেন। বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের মধ্যে ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান, স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর এমিরেটাস ড. ফিরোজ আহমেদ, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী তাকসিম এ খান, গণস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী মো. রাশিদুল হক।
আগামী কোরবানীর ঈদে সড়কে যাত্রা স্বস্তিদায়ক হবে
অনলাইন ডেস্ক :খালেদা জিয়ার ব্রিটিশ আইনজীবী লর্ড কার্লাইলের ভারত থেকে ফিরিয়ে দেয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের কোনো হাত নেই বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি শুক্রবার দুপুরে গাজীপুরের চন্দ্রায় আগামী কোরবানির ঈদের সড়ক প্রস্তুতি পরিদর্শন করতে এসে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন। এসময় তিনি বলেন, এটা সম্পূর্ণ ভারতের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। সেতুমন্ত্রী আরও বলেন, তিন সিটি নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করবে। এখানে সরকারের কোনো ভিন্ন ভূমিকা থাকবে না। মন্ত্রী বলেন, আগামী কোরবানীর ঈদে সড়কে যাত্রা স্বস্তিদায়ক হবে। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ফোরলেনে নির্মাণাধীন ২৩ ব্রিজ দিয়ে গাড়ি চলবে বলেও মন্ত্রী জানান। পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সাসেক প্রজেক্টের প্রজেক্ট ম্যানেজার জিকরুল হাসান, ঢাকা বিভাগীয় সড়ক ও জনপথের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সবুজ উদ্দিন খানসহ সড়ক বিভাগের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা ।
শনিবার পাবনা যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক :রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের দ্বিতীয় ইউনিটের ফার্স্ট কংক্রিট পোরিং ডেট (এফসিডি) কাজের উদ্বোধন করতে আগামী শনিবার পাবনা যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই দিনে তিনি পাবনাবাসীর দীর্ঘ প্রতীক্ষিত পাবনা-মাঝগ্রাম রেলপথের উদ্বোধন করবেন। এছাড়া ৩১টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ১৮ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে জেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে বিশাল জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। আমাদের পাবনা প্রতিনিধি জানান, প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে পাবনা এখন পরিণত হয়েছে উৎসবের নগরীতে। স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীর পাশাপাশি একাধিক মেগা প্রকল্পের বাস্তবায়নে দারুণ খুশি জেলার সাধারণ মানুষও। প্রধানমন্ত্রীর আগমন অপেক্ষায় পাবনাবাসীর মনে এখন আনন্দের জোয়ার। সরকারি কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যেন দম ফেলার ফুরসত নেই। নতুন রূপে সাজানো হচ্ছে সার্কিট হাউস, সংস্কার হচ্ছে ভাঙাচোরা রাস্তাঘাট। পাবনা জেলা প্রশাসক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে আমরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। এ লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন সমন্বয় করে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা সফল করতে দিন-রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন জেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। প্রতিদিন চলছে বিশেষ বর্ধিত সভা, ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে চলছে আনন্দ মিছিল। প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ছাপা ব্যানার ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে শহরের রাস্তাঘাট। তৈরি হচ্ছে সুদৃশ্য তোরণ। প্রধানমন্ত্রীর জনসভাকে ঘিরে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতারা এখন ব্যস্ত সর্বশেষ প্রস্তুতিতে। পুলিশ লাইনস মাঠে তৈরি হচ্ছে বিশাল মঞ্চ। প্রধানমন্ত্রীকে স্মরণকালের বৃহৎ সংবর্ধনা দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে পাবনা জেলা আওয়ামী লীগ। আর সবকিছু তদারকির দায়িত্বে রয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগ ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। আয়োজনের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, পাবনার মানুষের সারা জীবনের স্বপ্ন পূরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ জেলায় বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, রেললাইন- সব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাদের জেলায় দেশের সবচেয়ে বড় প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র; পারমাণবিক ক্লাবের সদস্য পাবনার গল্প পাবনাবাসী সারাজীবন করবে। খালিদ বলেন, দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর তৃতীয়বার পাবনায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। পাবনাবাসীর সারাজীবনের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করায় এবারের পাবনার জনসভার কোনো কূলকিনারা থাকবে না। পুরো পাবনা জেলা জাগরিত থাকবে। প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা দিয়ে নেত্রীকে বরণের মধ্য দিয়ে এ জেলার মানুষ তার প্রমাণ দেবে। জনসভা সফল করতে পাবনার সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি। উদ্বোধন: এদিন জেলার পুলিশ লাইন্স মাঠে জনসভার প্যান্ডেল থেকে প্রধানমন্ত্রী ৩১টি প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। তা হলো- ঈশ্বরদী থেকে মাঝগ্রাম হয়ে পাবনা পর্যন্ত রেলওয়ে সেকশনে ট্রেন চলাচল; পাবনা মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাস ও ছাত্রীনিবাস; ঈশ্বরদী থানা ভবন; জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স; সুজানগর উপজেলার নাজিরগঞ্জ, আটঘরিয়া উপজেলার মাঝপাড়া, ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী, সলিমপুর, লক্ষ্মীকুণ্ডা, সাঁড়া, পাবনা সদর উপজেলার চরতারাপুর এবং চাটমোহর উপজেলার ছাইকোলা ইউনিয়ন ভূমি অফিস; ফরিদপুর উপজেলায় বড়াল নদীর ওপর নারায়ণপুর সেতু ভাঙ্গুড়া উপজেলায় গোমানী নদীর ওপর নৌবাড়িয়া সেতু ঈশ্বরদী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স; চাটমোহর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স; সিটি কলেজ, পাবনার একাডেমিক ভবন; দেবোত্তর ডিগ্রি কলেজ, আটঘরিয়ার একাডেমিক ভবন; খিদিরপুর ডিগ্রি কলেজ; চাটমোহর মহিলা কলেজের একাডেমিক ভবন; বোনকোলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সুজানগরের একাডেমিক ভবন; সুজানগর মহিলা কলেজের একাডেমিক ভবন; শহীদ নূরুল হোসেন ডিগ্রি কলেজ, সাঁথিয়ার একাডেমিক ভবন; ঈশ্বরদী মহিলা কলেজের একাডেমিক ভবন; সরকারি এডওয়ার্ড কলেজের প্রশাসনিক ভবন; ডেঙ্গারগ্রাম ডিগ্র কলেজ, আটঘরিয়ার একাডেমিক ভবন; আটঘরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স; চাটমোহর উপজেলায় গোমানী নদীর ওপর নিমাইচড়া সেতু; চাটমোহর উপজেলায় কাটাখাল সেতু চাটমোহর উপজেলায় আত্রাই নদীর ওপর আত্রাই সেতু সুজানগর উপজেলায় ধোলাইখাল সেতু শতভাগ বিদ্যুতায়িত উপজেলা, ভাঙ্গুড়া; শতভাগ বিদ্যুতায়িত উপজেলা, চাটমোহর; শতভাগ বিদ্যুতায়িত উপজেলা, ফরিদপুর; শতভাগ বিদ্যুতায়িত উপজেলা, ঈশ্বরদী; শতভাগ বিদ্যুতায়িত উপজেলা, আটঘরিয়া; শতভাগ বিদ্যুতায়িত উপজেলা, সাঁথিয়া; শতভাগ বিদ্যুতায়িত উপজেলা, সুজানগর, পাবনা। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন: ১৮টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী। তা হলো রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে সিগন্যালিংসহ রেললাইন নির্মাণ; জেলা সদরে এক ১০০০ আসনবিশিষ্ট অডিটরিয়াম কাম মাল্টিপারপাস হল; সুজানগর উপজেলায় কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র; আটঘরিয়া উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন; চাটমোহর উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিস ভবন; বেড়া উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিস ভবন; সুজানগর উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিস ভবন; জেলা রেজিস্ট্রার অফিস ভবন; পুলিশ লাইনস মহিলা পুলিশ ব্যারাক ভবন; সুজানগর উপজেলায় সাগরকান্দি ইউনিয়ন ও আটঘরিয়া উপজেলায় হাদল ইউনিয়ন ভমি অফিস; পাবনা মেডিকেল কলেজে ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল; জেলা শিল্পকলা একাডেমি; সাঁথিয়া টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ; আদর্শ মহিলা কলেজ, পাবনার একাডেমিক ভবন; সাঁথিয়া উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন; বেড়া পৌরসভায় উচ্চ জলাধার ও পানি শোধনাগার নির্মাণ; সাঁথিয়া পৌরসভায় উচ্চ জলাধার নির্মাণ; ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট পাবনা জেনারেল হাসপাতালের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্র্রসারণ। উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত পুলিশ লাইন্স মাঠের বিশাল জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষায় নীতিমালা প্রণয়নের আহ্বান
অনলাইন ডেস্ক :বর্তমান ঝুঁকিপূর্ণ প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিতের জন্য সাধারণ একটি নীতিনির্দেশনামূলক ফ্রেমওয়ার্ক স্থাপন প্রয়োজন। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দৈহিক, মানসিক, আইনি ও ডিজিটাল বিষয়াদির প্রতিটিই সমান গুরুত্ববহ। এজন্য সম্পাদক পরিষদ, নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন (নোয়াব), প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআইবি), সাংবাদিক ইউনিয়ন, জাতীয় প্রেস ক্লাব, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি ও এ ধরনের সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সঙ্গে নিয়ে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা গাইডলাইন হিসেবে সাধারণ একটি প্রটোকল প্রণয়ন করা প্রয়োজন। রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারের অডিটোরিয়ামে গতকাল আয়োজিত রিজিওনাল ডায়ালগ অন সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি ফর জার্নালিস্টস শীর্ষক এক সংলাপে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের সম্পাদক ও সাংবাদিকসহ শিক্ষাবিদ এবং অ্যাক্টিভিস্টদের বক্তব্যে এসব কথা উঠে আসে। সম্পাদক পরিষদের পক্ষ থেকে এ সংলাপের আয়োজন করা হয়। জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক, সাংবাদিক সংগঠনের নেতা, শিক্ষাবিদ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও বিশেষজ্ঞরা এ সংলাপে অংশ নেন। এছাড়া ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়া সাপোর্টের রিজিওনাল অ্যাডভাইজর ফর এশিয়া রানা কালানসুরিয়া (শ্রীলংকা), অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও লেখক রানা আইয়ুব (ভারত), মিডিয়া লিগ্যাল ডিফেন্স ইনিশিয়েটিভের প্রধান নির্বাহী লুসি ফ্রিম্যানসহ (যুক্তরাজ্য) আন্তর্জাতিক পর্যায়ের কয়েকজন বিশিষ্ট বক্তা এ সংলাপে অংশগ্রহণ করেন। সংলাপ চলাকালে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদকরা সাংবাদিকদের নিরাপত্তা প্রটোকল প্রণয়নের ক্ষেত্রে এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অনুসৃত সেরা পদ্ধতিগুলোকেই ভিত্তি হিসেবে গ্রহণের ওপর জোরারোপ করে বক্তব্য রাখেন। এ সময় বক্তারা সরকার ও সরকারি সংস্থাগুলোর প্রতি সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিতে যথাসম্ভব পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে এতে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিতের পথে বিদ্যমান অন্তরায়গুলো দূর করার দাবিও উঠে আসে। সংলাপে সভাপতিত্ব করেন সম্পাদক পরিষদের সদস্য ও প্রবীণ সাংবাদিক রিয়াজুদ্দিন আহমেদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সম্পাদক পরিষদের জেনারেল সেক্রেটারি এবং ডেইলি স্টারের সম্পাদক ও প্রকাশক মাহফুজ আনাম।বণিক বার্তা
বিএফইউজের নির্বাচন চলছে
অনলাইন ডেস্ক :বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে। নির্ধারিত সময়ে সকাল ৯টায় জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। নির্বাচনে দুইটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। একটি প্যানেল ফারুক-শাবান-দীপ পরিষদ, অন্যটি জলিল-কাজল-মধু পরিষদ। ফারুক-শাবান-দীপ পরিষদের সভাপতি ওমর ফারুক, মহাসচিব শাবান মাহমুদ ও কোষাধ্যক্ষ পদে দীপ আজাদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অন্য প্যানেলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সভাপতি আবদুল জলিল ভূঁইয়া, মহাসচিব জাকারিয়া কাজল ও কোষাধ্যক্ষ মধুসূদন মণ্ডল। এর বাইরে সভাপতি পদে নির্বাচন করছেন মোল্লা জালাল। ঢাকাসহ দেশের ১১টি কেন্দ্রে একযোগে বিকাল ৫টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভোটগ্রহণ চলবে। ঢাকার বাইরে অন্য কেন্দ্রগুলো হলো- চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, কুষ্টিয়া, দিনাজপুর, যশোর, বগুড়া, কক্সবাজার, ময়মনসিংহ ও নারায়ণগঞ্জ। শুরু থেকেই ভোটাররা উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে ভোট দিচ্ছেন।
আজ ঢাকা আসছেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক :তিন দিনের সফরে আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকা আসছেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। পররাষ্ট্র, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন এতথ্য জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভারতের রাজনাথ সিং এর সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। বৈঠক করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে। এ সময় তাদের মধ্যে সন্ত্রাস দমনবিষয়ক দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা ও রোহিঙ্গা ইস্যুসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হবে। সফরসূচি অনুযায়ী, রাজনাথ রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কে সমন্বিত ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রের উদ্বোধন করবেন এবং রাজশাহীর সারদায় পুলিশ একাডেমি পরিদর্শন করবেন। রাজনাথ সিং আজ সন্ধ্যায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমে সেখান থেকে ভারতীয় হাইকমিশন চ্যান্সেরিতে যাবেন। সেখানে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলার দেওয়া নৈশভোজে অংশ নেবেন। কাল শনিবার সকালে রাজনাথ সিং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এরপর তিনি যমুনা ফিউচার পার্কে সমন্বিত ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রের উদ্বোধন করবেন। এখানকার কর্মসূচি শেষে তিনি রাজশাহী সফরে যাবেন। সেখানে তিনি সারদা পুলিশ একাডেমি পরিদর্শন করবেন। আগামী রোববার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসবেন রাজনাথ সিং। এ ছাড়া এদিন তিনি ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করবেন। সূত্র জানায়, ভারতের পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারাও আসছেন বাংলাদেশে।
রোহিঙ্গাদেরকে আশ্রয় প্রদানে বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গির প্রশংসা মালয়েশিয়ার
অনলাইন ডেস্ক :মালয়েশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সাবু বলেছেন, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের উন্নত পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য মালয়েশিয়া সরকার একটি দ্বীপ প্রস্তুত করছে, যেখানে তাদের স্থানান্তর করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ে আজ বৃহস্পতিবার সকালে সফররত মোহাম্মদ বিন সাবু সৌজন্য সাক্ষাৎকালে একথা জানান। বৈঠকের পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের জানান, মোহাম্মদ বিন সাবু বিপুল সংখ্যক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদেরকে আশ্রয় প্রদানে বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গির প্রশংসা করে বলেন যে তার দেশ এসব রোহিঙ্গার নিজ দেশে প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী এবং মালয়েশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান চমৎকার ভাতৃপ্রতীম সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করেন। এই সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আরও ঘনিষ্ঠ হবার বিষয়ে একমত পোষণ করেন। প্রেস সচিব জানান, শেখ হাসিনা এবং মোহাম্মদ বিন সাবু দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করেন। বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া প্রতিরক্ষা প্রশিক্ষণ এবং কারিগরি সহযোগিতার বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক(এমওইউ) সইয়ের ব্যাপারে প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব মো. নজিবুর রহমান, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার(পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাহফুজুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন।একুশে টেলিভিশন।