অনাবাদি জমি চাষের আওতায় আনতে টিম গঠনের নির্দেশ কৃষিমন্ত্রীর
২৮,ফেব্রুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের উপকূলীয় ও সিলেট এলাকার অনাবাদি জমি চিহ্নিত করে দ্রুত চাষাবাদের আওতায় আনতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহনে দ্রুত টিম গঠনের জন্য কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি আজ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষ থেকে অনলাইনে বার্ষিক উন্নয়ন প্রকল্পের(এডিপি) বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় এ নির্দেশ দেন। মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো.মেসবাহুল ইসলাম সভা পরিচালনা করেন। ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বাংলাদেশের মানুষের প্রধান খাদ্য চাল। আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। শাকসবজি, আলু, ভুট্টা, গমসহ ফলমূলের উৎপাদনও অনেক বেড়েছে। কিন্তু মানুষ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা বলতে চালকেই বুঝে। সেজন্য, চালের উৎপাদন বৃদ্ধিতেই বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি বলেন, সিলেট ও উপকূলীয় এলাকায় এখনও অনেক অনাবাদি পতিত জমি আছে। বিশেষ করে সিলেট অঞ্চলে কত জমি অনাবাদি আছে, তার কতটুকু চাষের আওতায় আনা যায়-তা স্টাডি করে দেখতে হবে। তিনি বলেন, সেখানে সেচের পানির অভাব রয়েছে। তবে ভূউপরিস্থ পানির জন্য কয়েকটা নদী রয়েছে। পাম্প ব্যবহার করে নদীর পানি কীভাবে সেচের জন্য কাজে লাগানো যায় তা স্টাডি করে বের করতে হবে, যাতে করে ধানের উৎপাদন বৃদ্ধি করা যায়। মন্ত্রী এসময় সিলেট এলাকার অনাবাদি জমি চাষের আওতায় আনতে দ্রুত টিম গঠন করার নির্দেশ দেন।
যুক্তরাষ্ট্রে মোমেন-কেরি বৈঠক
২৮,ফেব্রুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র (ইউএস) প্যারিস জলবায়ু চুক্তির আওতায় এবং প্যারিস চুক্তির বাইরে গিয়েও প্রতিশ্রুতি পূরণে কপ২৬ ও অন্যান্য বহুপাক্ষিক প্লাটফরমে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে সম্মত হয়েছে। ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন ও মার্কিন প্রেসিডেন্টের জলবায়ু বিষয়ক দূত জন কেরির মধ্যে এক বৈঠকে তারা এ প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনের বৈশ্বিক ইস্যু এবং এ ব্যাপারে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সম্ভাব্য সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কেরি জলবায়ু পরিবর্তন ও ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে বাংলাদেশ যে কঠিন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে তা উল্লেখ করে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মানুষের বাস্তুচ্যুতি সকলের জন্যই একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ইস্যু। এ সময় মোমেন জলবায়ু পরিবর্তনের ব্যাপারে প্যারিস চুক্তিতে কেরির গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা উল্লেখ করে প্যারিস চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের ফিরে আসার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান। তিনি ঢাকায় ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম (সিভিএফ) ও গ্লোবাল সেন্টার অন অ্যাডাপটেশনের (জিসিএ) আঞ্চলিক কার্যালয়ের সকল চলমান ও ভবিষ্যৎ কর্মকাণ্ড সম্পর্কে কেরিকে অবহিত করেন।
উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ ১২ বছরের নিরন্তর পরিশ্রমের ফসল : প্রধানমন্ত্রী
২৭,ফেব্রুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উত্তরণকে একটি ঐতিহাসিক গর্বের বিষয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, গত ১২ বছরের সরকার পরিচালনায় নিরন্তর পরিশ্রম এবং পরিকল্পনার ফসল হচ্ছে আমাদের আজকের এই অর্জন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের যে অর্জন, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ, তা আমাদের বিগত ১২ বছরের নিরলস পরিকল্পনা, পরিশ্রম এবং প্রচেষ্টার ফসল। দেশের মানুষই এসব করেছেন। আমরা সরকারে থেকে শুধু নীতি-সহায়তা দিয়ে সুযোগ তৈরি করে দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বিকেলে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণে জাতিসংঘের সুপারিশ লাভ করা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তৃতায় একথা বলেন। তিনি আজ গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভার্চুয়ালি এই সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। সাংবাদিকরা পিএমও থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত ছিলেন। জাতির পিতার ছোট মেয়ে ও প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানা এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের গণভবন প্রান্তে উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ এবং অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ভঙ্গুরতা- এই তিনটি সূচকের ভিত্তিতে জাতিসংঘ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের বিষয়টি পর্যালোচনা করে। ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম ত্রিবার্ষিক পর্যালোচনা সভায় বাংলাদেশ প্রথমবারের মত আনুষ্ঠানিকভাবে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের তিনটি মানদন্ডই খুব ভালোভাবে পূরণ করে। তারই ধারাবাহিকতায় এ বছর অনুষ্ঠিত ত্রিবার্ষিক পর্যালোচনা সভায় বাংলাদেশ পুনরায় সকল মানদন্ড অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে পূরণের মাধ্যমে স্বল্পোন্নত দেশ হতে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করলো। তিনি বলেন, জাতিসংঘের পর্যালোচনায় ২০১৯ সালে মাথাপিছু আয়ের মানদন্ড নির্ধারিত ছিল ১ হাজার ২২২ মার্কিন ডলার। ঐ বছর বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ছিল ১ হাজার ৮২৭ ডলার। আর বর্তমানে আমাদের মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৬৪ ডলার। অর্থাৎ মানদন্ডের প্রায় ১ দশমিক ৭ গুণ। মানবসম্পদ সূচকে নির্ধারিত মানদন্ড ৬৬-এর বিপরীতে বাংলাদেশের অর্জন ৭৫ দশমিক ৪। অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ভঙ্গুরতা সূচকে উত্তরণের জন্য মানদন্ড নির্ধারিত ছিল ৩২ বা তার কম। কিন্তু ঐ সময়ে এক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ২৭। শেখ হাসিনা বলেন, এক যুগ আগের বাংলাদেশ আর আজকের বাংলাদেশ এক নয়। আজকের বাংলাদেশ এক বদলে যাওয়া বাংলাদেশ। তিনি এ সময় দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ণের কিছু চুম্বক অংশ তুলে ধরে বলেন, ২০০৮-০৯ বছরে জিডিপির আকার ছিল মাত্র ১০৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০১৯-২০ সালে তা ৩৩০ দশমিক ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। তিনি বলেন, এই ১২ বছরে সরকারি ব্যয় ৪ দশমিক ৭ গুণ বৃদ্ধি পেয়ে ৮৭ হাজার ৯৬০ কোটি থেকে ২০১৯-২০ বছরে ৪ লাখ ১৫ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা হয়েছে। পাশাপাশি ২০০৮-০৯ বছরে রপ্তানি আয়ের পরিমাণ যেখানে ছিল ১৫ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলার। আর ২০১৮-১৯ বছরে তা ৪০ দশমিক পাঁচ-চার বিলিয়ন ডলারে বৃদ্ধি পায়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২০০৮-০৯ বছরের ৭ দশমিক চার-সাত বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৪৪ দশমিক শূন্য-তিন বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। ২০১৯ সালে দারিদ্র্যের হার কমে দাঁড়িয়েছে শতকরা ২০ দশমিক ৫ ভাগ এবং হত-দারিদ্র্যের হার ১০ দশমিক ৫ শতাংশে। খাদ্য উৎপাদনে বাংলাদেশ আজ স্বয়ংসম্পূর্ণ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১৯-২০ অর্থবছরে দানাদার খাদ্যশস্য উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ৪ কোটি ৫৩ লাখ ৪৪ হাজার মেট্রিক টন। বাংলাদেশ বিশ্বে ধান উৎপাদনে ৩য় এবং মাছ-মাংস, ডিম, শাকসবজি উৎপাদনেও স্বয়ংসম্পূর্ণ। অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মাছ উৎপাদন বৃদ্ধির হারে বাংলাদেশ দ্বিতীয় স্থানে এবং ইলিশ উৎপাদনকারী ১১ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান প্রথম। তিনি বলেন, বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২০০৯-১০ বছরের ৫,২৭১ মেগাওয়াট থেকে বেড়ে ২৪ হাজার ৪২১ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে। বিদ্যুৎ সুবিধাভোগী জনসংখ্যা ৪৭ থেকে ৯৯ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর সরকারের দেশ পরিচালনায় মানুষের গড় আয়ু ২০০৯-১০ বছরের ৬৯ দশমিক ছয়-এক বছর থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২০১৯-২০ সালে দাঁড়িয়েছে ৭২ দশামক ৬ বছর। ২০০৯-১০ বছরের তুলনায় ৫-বছর বয়সী শিশুমৃত্যুর হার অর্ধেক কমে দাঁড়িয়েছে প্রতি হাজারে ২৮। মাতৃমৃত্যুর হার কমে দাঁড়িয়েছে লাখে ১৬৫ জনে যা ২০০৯-১০-এ ছিল ২৮০ জনে। তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এবং বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশিসহ মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ গণভবনে উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ গতকাল (২৬ ফেব্রুয়ারি) স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের জন্য জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ লাভ করেছে। আমরা উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পূর্ণ যোগ্যতা অর্জন করেছি। সমগ্র জাতির জন্য এটা অত্যন্ত আনন্দের এবং গর্বের। আমাদের এই উত্তরণ এমন এক সময়ে ঘটলো, যখন আমরা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উদযাপন করছি; আমরা মহান স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনের দ্বারপ্রান্তে। বাংলাদেশের জন্য এই উত্তরণ এক ঐতিহাসিক ঘটনা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ কৃতিত্ব এ দেশের আপামর জনসাধারণের। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা এই মাইলফলক অর্জন করতে পেরেছি। এই অর্জনকে দেশের নতুন প্রজন্মকে উৎসর্গ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের ফলে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশ একটি প্রত্যয়ী ও মর্যাদাশীল দেশ হিসেবে জায়গা করে নেবে। আমাদের এ অর্জনকে সুসংহত এবং টেকসই করতে হবে। ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন, ২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চমধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়া এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের জন্য এটি একটি বিশেষ ধাপ। উল্লেখ্য, স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় উন্নীত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এ বিষয়ে বাংলাদেশ জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ পেয়েছে। জাতিসংঘের এ সংক্রান্ত পাঁচ দিনব্যাপী এক বৈঠক শেষে এ তথ্য জানানো হয়। গত ২২-২৬ ফেব্রুয়ারি নিউইয়র্কে জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসির (সিডিপি) বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে এলডিসি স্ট্যাটাস পর্যালোচনা করে বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় উত্তরণের সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের সূচক পর্যালোচনা করা হয়। বাংলাদেশের এলডিসি থেকে উত্তরণে সব ধরনের সূচকের অগ্রগতি হয়েছে। এরআগে প্রধানমন্ত্রীর হাতে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের জন্য জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশপত্র তুলে দেন অর্থমন্ত্রী। এরপর প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য দেন। মুজিববর্ষে সবার জন্য ঘর দেওয়ার কর্মসূচির কথা তুলে ধরে সরকার প্রধান বলেন, মুজিব জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে দেশের সকল গৃহহীনদের ঘর প্রদান কর্মসূচির আওতায় ৮ লাখ ৯২ হাজার গৃহহীনকে ঘর দেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৭০ হাজার ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে। আরও ৫০ হাজার গৃহ নির্মাণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ১৯৯৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত মোট ৯ লাখ ৯৮ হাজার ৩৪৬ পরিবারকে বাসস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে। নারীর ক্ষমতায়নের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের নারীরা আজ স্বাবলম্বী। জেন্ডার গ্যাপ ইনডেক্সে ১৫৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৫০তম এবং নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে ৭ম। গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ২৮ লাখ ৫০ হাজার ৯৪০ জনকে প্রথম ডোজ করোনা ভাইরাসের টিকা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে, টিকা দেওয়া হলেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। বাইরে বের হলে মাস্ক ব্যবহার করা, হাত ধোয়া এবং পরিচ্ছন্ন থাকার জন্য দেশবাসীর প্রতি তাঁর আহবান পুনর্ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। টিকা গ্রহীতার তালিকায় যেমন সাধারণ মানুষ রয়েছেন, তেমনি মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সরকারি কর্মকর্তাসহ রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরাও রয়েছেন। বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যদের মধ্যে শেখ রেহানা প্রথম টিকা নিলেও এখনও টিকা নেননি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা বলেন, আমি অবশ্যই টিকা নেব। তবে দেশের মানুষকে আগে দিতে হবে। আমার ৭৫ বছর বয়স। আজ আছি, কাল নেই। একটা টার্গেট করা আছে। সে পরিমাণ যখন দেওয়া হবে, তখন যদি টিকা থাকে, তাহলে তখন টিকা নেব। বাংলাদেশে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সফলতার পেছনে কোনো ম্যাজিক লুকিয়ে আছে কিনা জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা কোনো ম্যাজিকের কিছু না। যখন যেভাবে বলেছি, সবাই মেনে চলেছে। সবাই সম্মিলিতভাবে কাজ করায় এটা হয়েছে। এটা বাংলাদেশের মানুষের সম্মিলিত ম্যাজিক। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, করোনা সারা বিশ্বকে স্থবির করে দিয়েছিল। জনগণের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ যে, আমরা যখন যেভাবে বলেছি, সবাই তা মেনে চলেছে। আমরা বিশেষ করে অর্থনীতির ক্ষেত্রে সময়োচিত পদক্ষেপ নিয়েছি। মানুষের যেন কষ্ট না হয় সেটা দেখেছি। আর্থিক প্রণোদনা দিয়েছি। সব শ্রেণির মানুষ সহায়তা পেয়েছে। তখনও গবেষণা চলছে, যখন আমরা আগাম অর্থ দিয়ে করোনার টিকা কেনার ব্যবস্থা নিয়েছি। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ যখন গড়ে তুলেছি, তখন ডিজিটাল নিরাপত্তা দেয়াও আমাদের দায়িত্ব। কেউ যেন সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদে না জড়াতে পারে, সেজন্য ডিজিটাল নিরাপত্তা অপরিহার্য। তিনি আরও বলেন, সমালোচনা যারা করছে, তারা সবকিছু কি অনুধাবন করছে? আজকের এই দিনে আমি অন্য কিছু বলতে চাই না। শুধু এটুকুই বলবো, কারও মৃত্যুই কাম্য নয়। তবে সেটাকে উদ্দেশ্য করে অশান্তিও কাম্য নয়। অসুস্থ হয়ে মারা গেলে কী করার আছে? আল জাজিরা নামের একটি চ্যানেলের নিউজে দেশ সম্পর্কে অপপ্রচারের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার কোনো প্রতিক্রিয়াও নাই। কিছু বলারও নাই। একটা চ্যানেল কি বলছে না বলছে। দেশের মানুষ বিচার করবে, কতটুকু বানোয়াট, কী উদ্দেশ্যে করা হয়েছে, সেটা দেশের মানুষ জানে। আমার চিন্তার কিছু নেই। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। কোন চ্যানেল কি বললো, সেটা শুনে চলা আমার রাজনীতি নয়, দেশের মানুষের জন্য কাজ করাই আমার রাজনীতি। যারা বলবে বলতে থাকবে, এটা তাদের কাজ। জনগণের জন্য কাজ করা আমাদের কাজ। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, যারা এসব বলে তারা ৭৫ সালের ১৫ আগস্ট আমার গোটা পরিবারকে হত্যা করেছে। ছোট শিশুকে হত্যা করেছে। আমি সন্তান হিসেবে যখন সরকারে আসলাম, তখন বাবা মায়ের হত্যার বিচার করেছি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেছি, মানবতা বিরোধীদের বিচার করেছি। অস্ত্র মামলা, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামালার বিচার করেছি।
উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় যেতে জাতিসংঘের সুপারিশ পেল বাংলাদেশ
২৭,ফেব্রুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় উন্নীত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এ বিষয়ে বাংলাদেশ জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ পেয়েছে। জাতিসংঘের এ সংক্রান্ত পাঁচ দিনব্যাপী এক বৈঠক শেষে এ তথ্য জানানো হয়। গত ২২-২৬ ফেব্রুয়ারি নিউইয়র্কে জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসির (সিডিপি) বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে এলডিসি স্ট্যাটাস পর্যালোচনা করে বাংলাদেশ, নেপাল ও লাওসকে এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় উত্তরণের সুপারিশ করা হয়। পাঁচ দিনব্যাপী বৈঠকে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের সূচক পর্যালোচনা করা হয়। বাংলাদেশের এলডিসি থেকে উত্তরণে সব ধরনের সূচকের অগ্রগতি হয়েছে। বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় এখন ১ হাজার ৮২৭ মার্কিন ডলার। তবে কোনো দেশ উন্নয়নশীল দেশ হতে হলে জাতিসংঘের মান অনুযায়ী মাথাপিছু আয় ১ হাজার ২৩০ মার্কিন ডলার হতে হবে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ এগিয়ে আছে। অন্যদিকে, মানবসম্পদ সূচকেও এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। মানবসম্পদ সূচকে প্রয়োজন ৬৬ পয়েন্ট। আর বাংলাদেশের রয়েছে ৭৫ দশমিক ৩ পয়েন্ট। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের অগ্রগতি হয়েছে। এসব অগ্রগতি পর্যালোচনা শেষে বাংলাদেশকে এলডিসি থেকে উত্তরণে চূড়ান্ত সুপারিশ করেছে জাতিসংঘ।
পরিবর্তন হচ্ছে তথ্য মন্ত্রণালয়ের নাম
২৭,ফেব্রুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্য মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করা হচ্ছে। নতুন নাম হচ্ছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। ইতোমধ্যে নাম পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রস্তাব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত সার-সংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন ও চলচ্চিত্র) জাহানারা পারভীন বলেন, তথ্য মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তনের প্রক্রিয়া চলমান আছে। এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব আমরা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠিয়েছি। তবে কী কারণে নাম পরিবর্তন হচ্ছে তা জানাতে তিনি রাজি হননি। মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, তথ্য মন্ত্রণালয় যে কাজ করে নামে এর পুরো প্রতিফলন নেই। তথ্য মন্ত্রণালয়ের কার্যপরিধিতে তথ্য ছাড়াও একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট গণমাধ্যমের সংক্রান্ত কার্যাবলী। তাই নামে সম্প্রচার শব্দটি যুক্ত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন ও বিধি অনুবিভাগ) সোলতান আহমদ বলেন, তথ্য মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তনের সামারি (সার-সংক্ষেপ) আমরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী এতে অনুমোদন দিলে নাম পরিবর্তের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে পরিসংখ্যানের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: রাষ্ট্রপতি
২৭,ফেব্রুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, জাতীয় পরিকল্পনা প্রণয়ন ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে পরিসংখ্যানের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক পরিসংখ্যানই কার্যকর পরিকল্পনা প্রণয়নের পূর্বশর্ত। অর্থনৈতিক, জনমিতিক, সামাজিক সব ক্ষেত্রে পরিমাণগত ও গুণগত পরিমাপে পরিসংখ্যানের ব্যাপক ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়। শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, দেশকে উন্নয়নশীল থেকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে প্রতিটি সেক্টরে নির্ভুল ও সময়ানুগ পরিসংখ্যানের প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। এ প্রেক্ষাপটে জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস এর প্রতিপাদ্য নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান, টেকসই উন্নয়নের উপাদান যথার্থ হয়েছে বলে আমি মনে করি। রাষ্ট্রপতি বলেন, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) কর্তৃক ২৭ ফেব্রুয়ারি প্রথমবারের মতো জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস পালনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। জাতীয় পরিসংখ্যান সংস্থা হিসেবে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন, বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সরবরাহে বিবিএস নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যবস্থার উন্নয়নে পরিসংখ্যান আইন, ২০১৩ ও এ সংক্রান্ত জাতীয় কৌশলপত্র প্রণয়ন করা হয়েছে। এর ফলে সর্বক্ষেত্রে দাফতরিক পরিসংখ্যান হিসেবে বিবিএসের তথ্য-উপাত্ত ব্যবহারের বাধ্যবাধকতায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি), রূপকল্প ২০২১ ও ২০৪১, ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ এবং অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সঠিক বাস্তবায়নে বিবিএসের বস্তুনিষ্ঠ ও সময়োচিত পদক্ষেপ সরকারের সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও বেগবান করবে বলে আমার বিশ্বাস। তিনি আরও বলেন, আমি আশা করি, জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস পালনের মধ্য দিয়ে দেশের সব খাতে পরিসংখ্যানের প্রয়োগ বৃদ্ধি পাবে, যা অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতিকে ত্বরান্বিত করতে সহায়ক হবে। জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস উদযাপন সফল হোক- এ কামনা করি।
অভিজিৎ স্মরণে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন
২৬,ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ব্লগার ও লেখক অভিজিৎ রায় স্মরণে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করছে প্রগতিশীল সংগঠনগুলো। শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গেটের পাশে যেখানে ২০১৫ সালের এদিনে হামলার শিকার হয়েছিলেন সেখানেই এ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। ডিজিটাল ব্যানারে বসানো হয়েছে অভিজিৎ রায়ের ছবি। শ্রদ্ধার ফুল দিয়ে লেখা হয়েছে অভিজিৎ স্মরণ। গণজাগরণ মঞ্চের পক্ষ থেকে লাগানো ব্যানারে লেখা হয়েছে অভিজিৎ রায়রা হারলে হারবে বাংলাদেশ। শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন অভিজিতের ভাই অনুজিৎ রায়। এসময় তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, দেরিতে হলেও আমার ভাই হত্যার রায়টা হয়েছে। আমি চাই রায়টা যাতে অবিলম্বে কার্যকর হয়। শুধু রায় কার্যকর করাটা যথেষ্ট না, আমি মনে করি পুলিশ প্রশাসনের দায়িত্ব আরো বেড়েছে। এ হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি তাদের যেন গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হয়। না হলে প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে আমাদের পরিবারের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে। মূল যারা হোতা তাদের যেন দ্রুত গ্রেফতার করা হয় এবং রায় কার্যকর করা হয়। সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট মিছিল সহকারে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল কাদেরী জয়, সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন প্রিন্স।
কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদার করবে বাংলাদেশ ও জাপান
২৫,ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদার করতে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও জাপান। এছাড়া বাংলাদেশ রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধানে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ও জাপানের পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠকে এ সহযোগিতা চাওয়া হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন। জাপানের পক্ষে নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র ভাইস মিনিস্টার হিরোশি সুজুকি। বৈঠক শেষে মাসুদ বিন মোমেন বলেন, বাংলাদেশ ও জাপান কৌশলগত অংশীদারিত্ব বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, গামী ২০২২ সালে কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে দু দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে উভয়পক্ষ একমত হয়েছে। বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে পররাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের প্রথম বৈঠক ২০১৬ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৮ সালে দ্বিতীয় বৈঠক হয় টোকিওতে। এবার তৃতীয়বারের মতো বৈঠক অনুষ্ঠিত হলো। করোনা পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে এবারের বৈঠক হয় ভার্চ্যুয়ালি।

জাতীয় পাতার আরো খবর