পান্থপথের বক্স কালভার্ট হয়ে যাবে এলিভেটেড এক্সপ্রেস
অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীর খালগুলোকেও নদ-নদীগুলোর সঙ্গে সংযুক্ত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রাজধানীর পান্থপথে বড় খাল ছিল, এখন সেখানে বক্স কালভার্ট রয়েছে ভব্যিষতে এটা সরিয়ে খাল উন্মুক্ত করে এলিভেটেড এক্সপ্রেস করে দেবো। শনিবার (২৮ জুলাই) রাজধানীর প্রগতি সরণির বাড্ডা নর্থ ইউলুপ (মেরুল বাড্ডা) উদ্বোধনের সময় তিনি এসব কথা বলেন। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী ঢাকার ওপর চাপ কমাতে পাশেই আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসহ ছোট ছোট শহর গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ঢাকা শহরে শিল্প-কারখানা যেমন বাড়ছে, তেমনই বাড়ছে মানুষের আগমন। ইতোমধ্যে আমরা ঢাকার আশপাশে ছোট ছোট শহর গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছি। সেখানে সব সুবিধা নিয়ে মাল্টি-স্টোরেড ভবন গড়ে তোলা হবে। এতে ঢাকা শহরের উপর চাপ কমবে। সেই সঙ্গে আমরা ঢাকার সঙ্গে দেশের বিভিন্ন এলাকার সড়ক যোগাযোগও বৃদ্ধি করছি। শেখ হাসিনা বলেন, এমন ব্যবস্থা করা হবে যাতে প্রতিদিনই বাইরে থেকে মানুষ ঢাকার কর্মস্থলে এসে কাজ শেষে ফিরে যেতে পারেন। ঢাকার চারপাশের চারটি নদীকে ঘিরে আমরা নৌপরিবহন ব্যবস্থা চালু করবো। নদীগুলোতে যেসব ব্রিজের কারণে নৌচলাচল করতে পারে না, সেসব ব্রিজ পরিবর্তন করে নৌচলাচলের উপযোগী করার পরিকল্পনা নিচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ঢাকার খালগুলোকেও নদ-নদীগুলোর সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে। রাজধানীর পান্থপথে বড় খাল ছিল, এখন সেখানে বক্স কালভার্ট রয়েছে ভব্যিষতে এটা সরিয়ে খাল উন্মুক্ত করে এলিভেটেড এক্সপ্রেস করে দেবো। শেখ হাসিনা বলেন, সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আমরা আঞ্চলিক বিমানবন্দর হিসেবে গড়ে তুলবো। রাজশাহী ও বরিশাল বিমানবন্দরেরও উন্নত করবো। আর কক্সবাজারে সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন বিমানবন্দর নির্মাণ করা হবে। তিনি জানান, জাতির পিতা স্বপ্ন দেখেছিলেন, বাংলাদেশ হবে সুইজারল্যান্ড অব দ্য ইস্ট’ তার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আগামী নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দিতে জনগণকে আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, জনগণকে এইটুকু বলবো, নৌকা মার্কায় ভোট দিয়েছেন, দেশের উন্নয়ন হয়েছে। নৌকায় ভোট দিলেই দেশের উন্নয়ন হয়। আগামীতেও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকা মার্কায় ভোট চাই। প্রধানমন্ত্রী জানান, আমাদের লক্ষ্য দেশকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। বাংলাদেশে কাজ করতে গিয়ে নানা সমস্যায় পড়তে হয়। হাতির ঝিল করতে গিয়ে ৬৮টি মামলার মুখোমুখি হতে হয়। দেশীয় সম্পদ ব্যবহার করে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজটি করেছে সেনাবাহিনী। এজন্য তাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সরকারের নেওয়া নানা উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের বিস্ময়। বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা অর্জন করেছে। আমাদের প্রবৃদ্ধি বর্তমানে ৭.৭৮ শতাংশ। দারিদ্র্যের হার ২২ শতাংশে নেমে এসেছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ১৮ হাজার ৩৫৩ মেগাওয়াট। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়ে ১৭৫২ ডলারে উন্নীত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমরা বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণ করেছি। পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলছে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। এ অগ্রযাত্রা কেউ ব্যাহত করতে পারবে না। উন্নয়নের এ ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে আমি সকলকে আহ্বান জানাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলবো-ইনশাআল্লাহ। গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, স্থানীয় সংসদ সদস্য এ কে এম রহমত উল্লাহ, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, প্রকল্প পরিচালক মেজর জেনারেল আবু সাইদ মো. মাসুদ উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইউলুপ পরিদর্শন করেন। পরে তা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ইউলুপটি খুলে দেওয়ায় রাজধানীর রামপুরা, বনশ্রী, আফতাবনগর, শাহাজাদপুর ও বাড্ডা এলাকার যানজট অনেকাংশই কমে যাবে। ফলে হাতিরঝিল থেকে সহজেই রামপুরা-বনশ্রী হয়ে মালিবাগের দিকে যাওয়া যাবে। অন্যদিকে এসব এলাকা থেকে বের হয়ে হাতিরঝিল হয়ে কারওয়ানবাজার এলাকায় যেতে পারবেন যাত্রীরা। হাতিরঝিল সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্পের অংশ হিসেবে রামপুরা ও বাড্ডা প্রান্তে দুটি ইউলুপ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। বাড্ডা প্রান্তের মেরুল বাড্ডায় ২১৪ মিটার দীর্ঘ এবং ৭ দশমিক ৭ মিটার প্রস্থ ইউলুপটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৩৩ কোটি টাকা। রামপুরা-বনশ্রী এলাকার যানজট নিরসনে ২০১৬ সালের শুরুতে এ ইউলুপ নির্মাণের কাজ শুরু করে সেনাবাহিনী।
বাড্ডা ইউলুপ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক : দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হলো রাজধানীর মেরুলে নির্মিত বাড্ডা নর্থ ইউলুপ। শনিবার (২৮ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে হাতিরঝিল সমন্বিত প্রকল্পের বাড্ডা নর্থ ইউলুপ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্বোধনের পর তিনি প্রকল্পের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, স্থানীয় সাংসদ এ কে এম রহমত উল্লাহ, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, প্রকল্প পরিচালক মেজর জেনারেল আবু সাইদ মো. মাসুদ ছিলেন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। হাতিরঝিল সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্পের অংশ হিসেবে রামপুরা ও বাড্ডা প্রান্তে দুটি ইউলুপ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০১৬ সালের ২৫ জুন রামপুরা অংশের সাউথ ইউলুপটি চালুর পর যানজট নিরসনে বেশ সাফল্য পাওয়া গেছে। বাড্ডার ইউলুপটি চালু হওয়ায় হাতিরঝিল থেকে রামপুরা, বনশ্রীগামী যানবাহন সহজেই ঘুরতে পারবে। প্রগতি সরণির বাড্ডা এবং রামপুরা এলাকার যানজট অনেকটাই কমবে বলে আশা প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের।
মানুষের কাতারে পড়ে না ধর্ষকরা : মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: সমাজ থেকে ধর্ষণ ও নারী-শিশুর প্রতি সহিংসতা দূর করার দৃঢ প্রত্যয় ব্যক্ত করে মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি বলেছেন, যারা ধর্ষক তারা মানুষের কাতারে পড়ে না। এরা সমাজের অতি ক্ষুদ্র অংশ। শনিবার রাজধানীর সিরডাপের ঢাকা ইউনিভার্সিটি ফ্রেন্ডস অ্যাসোসিয়েশন (ডুফা)য় নারী-শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণ প্রতিরোধে নাগরিক সমাজ ও রাষ্ট্রের করণীয় শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সমাজ থেকে ধর্ষণ ও নারী-শিশুর প্রতি সহিংসতা দূর করবই। তবে এটা সরকারের একার পক্ষে সম্ভব না। এ সময় নারী-শিশুর প্রতি সহিংসতা ও নিযার্তন দূর করতে নাগরিক সমাজ, নারী অধিকারকর্মীসহ সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার কামরুন মাহমুদ দীপা ও সানজিদা খান রিপা। মূল প্রবন্ধে বলা হয়, সমাজ থেকে ধর্ষণ, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা দূর করতে ও সামগ্রিক পরিস্থিতি উত্তরণে রাষ্ট্র, সমাজ, পরিবার ও ব্যক্তি পর্যায়ে সকলকে দায়িত্ব নিতে হবে। একটি সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সমাজটাকে নারী ও শিশুদের জন্য নিরাপদ করা সম্ভব। সমাজ থেকে নারী-শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণ দূর করতে আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন, ঘটনার শিকার ব্যক্তিদের আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা, সকল পর্যায়ে নৈতিক শিক্ষা প্রচলন করা, সকল স্তরে সচেতনতা বাড়ানো, আত্মরক্ষার কৌশল শেখানো ও মিডিয়ার দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। ঢাকা ইউনিভার্সিটি ফ্রেন্ডস অ্যাসোসিয়েশনের (ডুফা) সভাপতি এ কে এম এনায়েত হোসেন পল্লবের সভাপতিত্বে সেমিনারে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, নারীনেত্রী খুশি কবির, জেন্ডার স্টাডিজের চেয়ারম্যান ড. সানজিদা আক্তার নীরা, ডুফার সাধারণ সম্পাদক ড. সৈয়দ নেয়ামুল, মোনালিসা খান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
তৃতীয় বর্ষে নিউজ টোয়েন্টিফোর
অনলাইন ডেস্ক :বর্ণিল আয়োজনে ঘটা করে উদযাপিত হচ্ছে সংবাদভিত্তিক বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন ‘নিউজ টোয়েন্টিফোর’ এর দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। তৃতীয় বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে শনিবার (২৮ জুন) রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি, বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলকে সম্মাননা জানানোর মধ্য দিয়ে উদযাপনের মূল আয়োজন শুরু হয়। এরপরে কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনুষ্ঠানিক শুভ সূচনা করেন বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও নিউজ টোয়েন্টিফোর-এর স্বত্বাধিকারী আহমেদ আকবর সোবহান, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, বসুন্ধরা গ্রুপ ও ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীর। এ সময় তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু নিউজ টোয়েন্টিফোরকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, খুব অল্প সময়েই চ্যানেলটি জনপ্রিয়তা পেয়েছে। নিউজ টোয়েন্টিফোর এরই মধ্যে দর্শকদের মন কাড়তে সক্ষম হয়েছে। গণতন্ত্র, সাইবার জগৎ ও গণমাধ্যমের নিরাপত্তা ও পবিত্রতা বজায় রাখতে হবে। বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান বলেন, নিউজ টোয়েন্টিফোর মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হিসেবে কাজ করছে এবং করে যাবে। নিউজ টোয়েন্টিফোর বাংলাদেশের উন্নয়নের পক্ষে আজীবন কাজ করবে। এর আগে বক্তব্য রাখেন নিউজ টোয়েন্টিফোর, রেডিও ক্যাপিটালের সিইও ও বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজাম এবং দৈনিক কালের কণ্ঠের সম্পাদক বরেণ্য কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন। স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের উদ্দেশ্যে নঈম নিজাম বলেন, জাতির সামনে আপনাদের উপস্থাপনের জন্য নিউজ টোয়েন্টিফোরের পক্ষ থেকে আমরা আপনাদের সম্মাননা জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বসুন্ধরা গ্রুপ চেয়ারম্যানের হাতে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান বাংলানিউজের কনসালট্যান্ট এডিটর জুয়েল মাজহারসহ সাংবাদিক-কর্মকর্তারামুক্তিযুদ্ধকালে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অবদানের বিষয়ে ইমদাদুল হক মিলন বলেন, তারা ভারতে আশ্রয় নেওয়া উদ্বাস্তুদের সহায়তার জন্য অর্থ সংগ্রহ করেছেন বিভিন্ন জায়গায় খেলে এবং বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের নানাভাবে সহায়তা দিয়েছেন। এরপর নিউজ টোয়েন্টিফোরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশার মানুষ বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানের হাতে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। ফুলেল শুভেচ্ছা জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদের, মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান খন্দকার মাহবুব হোসেন, আবদুল আউয়াল মিন্টু, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি জয়নুল আবেদীন, বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, সংসদ সদস্য শামীম ওসমান, প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকন প্রমুখ। এছাড়া আহমেদ আকবর সোবহানের হাতে ফুল তুলে দিয়ে একে একে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) এমডি আবুল কালাম আজাদ, দৈনিক কালের কণ্ঠ সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন ও নির্বাহী সম্পাদক মোস্তফা কামাল, ডেইলি সান সম্পাদক এনামুল হক চৌধুরী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন, বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম-এর কনসালট্যান্ট এডিটর জুয়েল মাজহার ও রেডিও ক্যাপিটালের নির্বাহী পরিচালক মেহেদি মালেক সজীব, বিএফইউজের নবনির্বাচিত মহাসচিব শাবান মাহমুদ প্রমুখ। এছাড়া বৈশাখী টেলিভিশন, আরটিভি, ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স, শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্র, বাংলাদেশ মিডিয়া ক্লাব, ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়াগ্রুপসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও প্রতিনিধিরা ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। শুভেচ্ছা বিনিময়ে আরও অংশ নেন বিভিন্ন সংগঠন, প্রতিষ্ঠান ও শ্রেণী পেশার মানুষ। এদের মধ্যে ছিলেন র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ ও ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। সকাল থেকে শুরু হওয়া প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজনে শুভেচ্ছা বিনিময় বিকেল পর্যন্তও চলছিল।বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বিএফইউজে-র সভাপতি হলেন মোল্লা জালাল
অনলাইন ডেস্ক :বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) নির্বাচেনে ৯৭৪ ভোট পেয়ে সভাপতি পদে মোল্লা জালাল নির্বাচিত হয়েছেন। শনিবার বেলা সাড়ে ১২টায় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন ফলাফল ঘোষণা করেন। মোল্লা জালালের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ওমর ফারুক পেয়েছেন ৯৭২ ভোট। ফলাফল ঘোষণার পর ওমর ফারুক বলেন,আমরা নির্বাচন করেছিলাম। জালাল ভাই নির্বাচিত হয়েছেন। আমি এই ফলাফল মেনে নিলাম। উল্লেখ্য, গত ১৩ জুলাই বিএফইউজে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। প্রার্থীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সেদিন সভাপতি পদের ফলাফল স্থগিত রাখা হয়। তবে সেদিন মহাসচিব ও কোষাধ্যক্ষসহ, সদস্যসহ অন্যান্য পদে নির্বাচিতদের নাম ঘোষণা করা হয়।
অধ্যাপক মোজাফফরের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী মুজিবনগর সরকারের অন্যতম উপদেষ্টা, বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ও ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) সভাপতি সাবেক সাংসদ অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন এই জাতীয় নেতার শারীরিক অবস্থার বেশকিছুটা উন্নতি হওয়ায় তার লাইফ সাপোর্ট খুলে দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (২৭ জুলাই) বিকেলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের অ্যাপোলো হাসপাতালে অধ্যাপক মোজাফফর আহমদকে দেখতে যান। সেখানে তিনি জানান, অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের চিকিৎসার ব্যয়ভারসহ সব রকমের দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী নিয়েছেন। চিকিৎসকদেরও তিনি এমন কথা জানিয়েছেন। সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বেশকিছু সময় অধ্যাপক মোজাফফরের শয্যাপাশে কাটান এবং চিকিৎসকদের কাছ থেকে তার শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসার খোঁজ-খবর নেন। এ সময় অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের মেয়ে আইভি আহমদ এবং ন্যাপের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন সেখানে উপস্থিত ছিলেন। এর আগে অধ্যাপক মোজাফফরের শারীরিক অবস্থার উন্নতি ঘটায় বৃহস্পতিবার রাতে তার শরীর থেকে লাইফ সাপোর্ট খুলে দেওয়া হয়। তার জ্ঞানও ফিরে এসেছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার শারীরিক অবস্থার আরও উন্নতি হবে এবং তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠবেন বলে আশাবাদী তারা। বর্তমান উন্নতি অব্যাহত থাকলে দু-একদিনের মধ্যে তাকে আইসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তর করা যাবে। ৯৭ বছর বয়সী মোজাফফর আহমদ দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছেন। বেশ কিছুদিন থেকেই তিনি রাজধানীর বারিধারায় মেয়ের বাসায় শয্যাশায়ী হয়ে দিন কাটাচ্ছিলেন। কয়েক দফায় হাসপাতালেও ভর্তি হতে হয়েছে তাকে। সর্বশেষ তার শারীরিক অবস্থার গুরুতর অবনতি হলে গত ২০ জুলাই সকালে অ্যাপোলো হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তির পর লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। সেখানে অধ্যাপক ডা. বোরহান উদ্দীনের অধীনে তার চিকিৎসা চলছে। পরিবারের পক্ষ থেকে অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের স্ত্রী আমিনা আহমদ এমপি তার আশু রোগমুক্তি ও সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর দোয়া কামনা করেছেন।
দলের নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থেকে কাজ করার তাগিদ
অনলাইন ডেস্ক :আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে দলের নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থেকে কাজ করার তাগিদ দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন। বলেছেন, এক থাকতে পারলেই আওয়ামী লীগ টানা তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় আসতে পারবে। সহযোগী সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ফরিদপুরে নিজ বাসভবনে কেক কাটেন ক্ষমতাসীন দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য। এ সময় তিনি এ কথা বলেন। মোশাররফ নিজে ফরিদপুর সদর আসন থেকে নির্বাচন করেন এবং গত দুটি নির্বাচনে তিনি সহজ জয় পেয়েছেন। আর ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর তিনি প্রথমে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং পরে এলজিআরডির দায়িত্ব পান। দুই মন্ত্রণালয়েই সাফল্যের প্রমাণ রেখেছেন তিনি। আগামী জাতীয় নির্বাচনেও ফরিদপুর সদর আসন থেকে ভোটে লড়বেন মোশাররফ এবং এ জন্য তিনি প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন এরই মধ্যে। বলেন, ‘আওয়ামী লীগ আমাদের সামাজিক মর্যাদা দিয়েছে। এক সময়ে আমাদের কর্মীরা মাথা উঁচু করে চলতে পারেনি, আজ তার পরিবর্তন হয়েছে। এই কারণেই দলের প্রয়োজনে সকলকে এক থাকতে হবে। এর ব্যত্যয় হলে দল কিন্তু কোনো নেতা বা কর্মীকে ছাড় দেবে না।’ আগামী জাতীয় নির্বাচনকে জাতির জন্য এবং আওয়ামী লীগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে এলজিআরডিমন্ত্রী বলেন, ‘এই নির্বাচনে জয়ী হতে হলে আমাদের কর্মীদের মধ্যে ঐক্যবদ্ধ থাকার বিকল্প নেই।’ ফরিদপুর স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক শওকত আলী জাহিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মৃধা, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুবল চন্দ্র সাহা, সদর উপজেলা চেয়ারম্যার খন্দকার মোহতেশাম হোসেন বাবর, পৌর মেয়র মাহতাব আলী মেথু, শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি নাজমুল ইসলাম খন্দকার লেভী, সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী বরকত ইবনে সালাম, কোতয়ালি আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা, স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ফাহাদ বিন ওয়াজেদ ফাইন, ফরিদপুর চেম্বার অব কর্মাসের সিনিয়র সহ-সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান প্রমুখ। পরে ফরিদপুর পৌরসভার বর্ধিত ২৭ ওয়ার্ডের দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে আগামী জাতীয় নির্বাচনে নেতা-কর্মীদের করণীয় বিষয়ক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ২৭ ওয়ার্ডের তৃণমূল নেতাকর্মীরা তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করেন।
বিএনপির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সংলাপের প্রয়োজন নেই
অনলাইন ডেস্ক :বিএনপির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সংলাপের প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, বিএনপি সাথে ফোনে কথা বলতে পারি কিন্তু অনুষ্ঠানটি কোনো সংলাপ হবে না। শুক্রবার (২৭ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি প্ররিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, রাজনীতি ওয়াকিং আন্ডারস্ট্যান্ডিং হতে পারে ফোনে কিন্তু তাদের সাথে কোনো সংলাপ হবে না। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কোনদিন আমার সাথে কথা বলেননি। আমার মা মারা গেছে তখন তিনি ফোনও করেনি। কিন্তু আমি তাকে ফোন করে কথা বলেছি তার মায়ের মৃত্যুর সময় থাকে সমবেদনা জানিয়েছি। আমাদের সাথে কথা বলে বিএনপি নেতা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের সঙ্কটে পড়তে পারেন এজন্যই তিনি কোন কথা বলেন না। এ সরকারের আমলে দেশের ব‍্যাপক উন্নতির কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, যখন হলি আর্টিজানে হামলা হয় তখন আমরা ভাবছিলাম মেট্রোরেলের কাজ থমকে যাবে। জাপানিরা আর কাজে যোগদান করবে না। কিন্তু তারা আমাদের কথা মতো আবার কাজ শুরু করেছে এবং খুব দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। কাজ সম্পন্ন হলে মানুষ সেবা পাবে। মাত্র ৩৭ মিনিটে ৬০ হাজার লোক যেতে পারবে। এটা বাংলাদেশের জন্য বড় অর্জন।
এমপি সুজার মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক
অনলাইন ডেস্ক :খুলনা-৪ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য এস এম মোস্তফা রশিদী সুজার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুক্রবার পৃথক শোকবার্তায় তারা শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান এবং মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন। খবর বাসসের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ শোকবার্তায় বলেন, ‘দেশবাসী তথা খুলনার জনগণ তাদের ঘনিষ্ঠ এক নেতাকে হারালো। তিনি এলাকার উন্নয়নে এবং দেশের গণতন্ত্র বিকাশে ব্যাপক অবদান রেখে গেছেন।’ তিনি বলেন, তার ইন্তেকালে দেশের রাজনৈতিক ক্ষেত্রে অপূরণীয় ক্ষতি হলো। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শোকবার্তায় বলেন, জনপ্রিয় এই আওয়ামী লীগ নেতা আজীবন জনগণের জন্য কাজ করেছেন। রাজনীতির পাশাপাশি খুলনার উন্নয়নে জন্য তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। জাতীয় সংসদের সাবেক হুইপ এস এম মোস্তফা রশিদী সুজা খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। দীর্ঘদিন কিডনি রোগে ভুগছিলেন এই সাংসদ। বৃহস্পতিবার রাতে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে তিনি মারা যান।

জাতীয় পাতার আরো খবর