বুধবার, নভেম্বর ১৩, ২০১৯
মিন্নির জামিনের রায় বৃহস্পতিবার
২৮আগস্ট,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বরগুনায় আলোচিত প্রকাশ্যে রিফাত শরীফকে কুপিয়ে হত্যা মামলায় তার স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির জামিনের রায় আগামীকাল বৃহস্পতিবার ধার্য করা হয়েছে। বিচারপতি এম এনায়েতুর রহিম এবং বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ এ দিন ধার্য করেন। মিন্নিকে জামিনের রুলের ওপর আজ বুধবার শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। মিন্নির পক্ষে জামিন আবেদনটি উপস্থাপন করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেড আই খান পান্না ও এম আমিন উদ্দিন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারোয়ার হোসেন। এর আগে গেল ২০ আগস্ট হাইকোর্ট রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির কেন জামিন দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। একই সঙ্গে এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে মামলার কেস ডকেটসহ আসতে বলেন হাইকোর্ট। এছাড়া বরগুনার এসপিকে মিন্নির দোষ স্বীকার নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়। মামলার চূড়ান্ত শুনানির জন্য আজকের দিন ধার্য করেন আদালত। গত ২৬ জুন সকালে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রিফাত শরীফকে স্ত্রীর সামনে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় নিহতের বাবা দুলাল শরীফ বাদি হয়ে ২৭ জুন ১২ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পরে ১৬ জুলাই সকাল পৌনে ১০টার দিকে মিন্নিকে তার বাবার বাড়ি বরগুনা পৌর শহরের নয়াকাটা-মাইঠা এলাকা থেকে পুলিশ লাইনে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসা হয়। এরপর জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাত ৯টায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
দ্যা নিউইয়র্ক টাইমসে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে বাংলা প্রতিবেদন
২৮আগস্ট,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে যখন সারাবিশ্বে চলছে জোর আলোচনা তখনই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক শহর থেকে প্রকাশিত পত্রিকা দ্যা নিউইয়র্ক টাইমস অনলাইনে বাংলায় প্রকাশ করেছে একটি বিশেষ প্রতিবেদন। প্রতিবেদনটির সূচনায় তারা লিখেছে- ' যখন সবকিছুর হিসেবে গরমিল হতে শুরু করে, ক্ষমতাধারীরা প্রতিশ্রুতি দেন পরিস্থিতি ঠিক করে দেবার। কিন্তু আসলেই তারা তা করেন কি? এই সিরিজে দ্য টাইমসের তদন্তে উঠে এসেছে সে প্রতিশ্রুতিরই আখ্যান। গত ২৫ আগস্ট প্রতিশ্রুতির আখ্যান-নিজভূমে নির্যাতিত, পরভূমে আশা-নিরাশার দোলাচলে ৭ লক্ষ ৩০ হাজার রোহিঙ্গা-শিরোনামে প্রতিবেদনটি প্রকাশিত। রোহিঙ্গাদের নিয়ে প্রতিবেদনটি করেছেন হান্নাহ বিছ। প্রতিবেদনে উঠে এসেছে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশা-নিরাশার কথা, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী কর্তৃক নৃশংসতার শিকার হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের চরম অসহায়ত্বের বর্ণনা প্রকাশ পেয়েছে। এছাড়াও প্রকাশিত প্রতিবেদনে বাংলাদেশের মানবিক সহযোগিতা, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার বিষয়ও তুলে ধরা হয়েছে।
চাকরি খোয়াতে পারেন সেই ডিসি আহমেদ কবীর
২৬আগস্ট,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নারীঘটিত কেলেংকারিতে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হওয়া জামালপুরের সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) আহমেদ কবীরের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ হলে তাকে চাকরিচ্যুত করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম। সোমবার (২৬ আগস্ট) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদের নিয়মিত বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করার সময় এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, জামালপুরের সাবেক ডিসি আহমেদ কবীরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে সরকার গঠিত কমিটি কাজ শুরু করেছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে চাকরি থেকে ডিসমিস করা হতে পারে। আবার পদাবনতিও হতে পারে। এতে কোনো ধরনের ঢিলেমির সুযোগ নেই। অভিযোগ প্রমাণিত হলে গুরুদণ্ড হবে। তিনি আরো বলেন, আমরা কমিটি করে দিয়েছি। কমিটি দেখবে। কমিটি নিরপেক্ষভাবে দেখবে এবং টেকনিক্যালি এটার মধ্যে যদি কোনো ম্যানিপুলেশন থাকে, সেটাও যাচাই করা হবে টেকনিক্যাল এক্সপার্ট দিয়ে। এজন্য কমিটিতে এক্সপার্ট রাখা হয়েছে। যদি দোষীসাব্যস্ত হয় তাহলে আইনানুগভাবে শাস্তি হবে। প্রসঙ্গত, নারী অফিস সহকারীর সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরালের পর ডিসি আহমেদ কবীরকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে যুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে সরকার। এই কমিটিকে আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।-আলোকিত বাংলাদেশ
যুদ্ধাপরাধী ফিরোজ খাঁর মামলার রায় মঙ্গলবার
২৬আগস্ট,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধ তথা যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত মামলায় রাজশাহীর পুঠিয়ার মো. আব্দুস সামাদ (মুসা) ওরফে ফিরোজ খাঁর মামলার রায় আগামীকাল মঙ্গলবার দেয়া হবে। এর আগে গত ৮ জুলাই এ মামলায় প্রসিকিউশন ও আসমিপক্ষে যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন শেষে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল মামলাটি রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রেখে (সিএভি) আদেশ দেয়। এটি হবে মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ৩৯তম রায়। প্রসিকিউশনের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন প্রসিকিউটর ঋষিকেশ সাহা ও জাহিদ ইমাম। আসামি পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আব্দুস সাত্তার পালোয়ান। আসামির বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত কর্মকর্তাসহ (আইও) প্রসিকিউশনের ১৫ জন সাক্ষী তাদের জবানবন্দি পেশ করেন। অন্যদিকে আসামির পক্ষে কোনো সাফাই (ডিফেন্স) সাক্ষী ছিল না। প্রসিকিউটর জাহিদ ইমাম সাংবাদিকদের বলেন, চলতি বছরের ১৪ এপ্রিল এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার জেরা শেষ হয়। এরপর গত ৪ জুলাই যুক্তিতর্ক শুরু হয়ে ৮ জুলাই শেষ হয়। ওইদিন মামলাটির রায় অপেক্ষমাণ রেখে ট্রাইব্যুনাল আদেশ দিয়েছিলেন। আগামীকাল রায়ের তারিখ ধার্য করা হয়েছে। রাজশাহীর পুঠিয়ার বাঁশবাড়ী এলাকার মৃত আব্বাস আলীর ছেলে মো. আব্দুস সামাদ (মুসা) ওরফে ফিরোজ খাঁ মুক্তিযুদ্ধের আগে মুসলিম লীগের সমর্থক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় জামায়াতে ইসলামীর সমর্থক হিসেবে শান্তি কমিটির স্থানীয় নেতার নেতৃত্বে মানবতাবিরোধী অপরাধ করেন। আসামির বিরুদ্ধে মামলায় মুক্তিযুদ্ধকালে চারজন সাঁওতালসহ ১৫ জনকে হত্যা, ২১ জনকে নির্যাতন, ৮ থেকে ১০টি বাড়িঘর লুণ্ঠন এবং ৫০ থেকে ৬০টি বাড়িঘর অগ্নিসংযোগ করে ধ্বংসের অভিযোগ আনা হয়। এ মামলায় ২০১৭ সালে ২৪ জানুয়ারি ফিরোজ খাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
সব জেলার রাজাকারদের তালিকা করার নির্দেশ
২৬আগস্ট,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের প্রত্যেক জেলার রাজাকারদের তালিকা করার জন্য জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি। রোববার জাতীয় সংসদের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ৬ষ্ঠ বৈঠকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কমিটির সভাপতি শাজাহান খান এর সভাপতিত্বে সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সদস্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, মইনউদ্দীন খান বাদল, রাজি উদ্দিন আহমেদ, মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম (বীর উত্তম), এ বি তাজুল ইসলাম এবং কাজী ফিরোজ রশীদ অংশগ্রহণ করেন। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি নিদর্শন ও বধ্যভুমি সংরক্ষণে সভায় আলোচনা হয়। সঠিকভাবে এ সকল স্মৃতি সংরক্ষণের লক্ষ্যে এতদসংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়নের সুপারিশ করা হয়। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইনের বিধিমালার খসড়া প্রস্তুত করার লক্ষ্যে উক্ত প্রতিষ্ঠানটির সভায় একটি উপ-কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে বলে স্থায়ী কমিটির সভায় জানানো হয়। প্রতিটি উপজেলায় মুক্তিযুদ্ধ কমপ্লেক্স শহর থেকে বিচ্ছিন্ন স্থানে নির্মাণ না করে যথোপযুক্ত স্থানে নির্মাণের জন্য বৈঠকে আলোচনা হয়। বৈঠকে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের সচিব, মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন ।
তিন জেলায় নতুন ডিসি
২৫আগস্ট,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চুয়াডাঙ্গা, খাগড়াছড়ি ও জামালপুর জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগ দিয়ে আদেশ জারি করেছে সরকার। রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উপসচিব মো. নজরুল ইসলাম সরকারকে চুয়াডাঙ্গার ডিসি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। খাগড়াছড়ির ডিসি পদে নিয়োগ পেয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস। চুয়াডাঙ্গার বর্তমান ডিসি গোপাল চন্দ্র দাসকে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব এবং খাগড়াছড়ির বর্তমান ডিসি মো. শহীদুল ইসলামকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব হিসাবে বদলি করা হয়েছে। এদিকে জামালপুরের ডিসি আহমেদ কবীরকে ভিডিও কেলেঙ্কারির ঘটনায় ওএসডি করার পর পরিকল্পনামন্ত্রীর একান্ত সচিব (পিএস) মোহাম্মদ এনামুল হককে ওই জেলার ডিসি করে পাঠানো হয়েছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয় যেখানে জামালপুরের ডিসি আহমেদ কবীরকে এক নারীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখা যায়। চুয়াডাঙ্গা, খাগড়াছড়ি ও জামালপুর জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগ দিয়ে আদেশ জারি করেছে সরকার। রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উপসচিব মো. নজরুল ইসলাম সরকারকে চুয়াডাঙ্গার ডিসি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। খাগড়াছড়ির ডিসি পদে নিয়োগ পেয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস। চুয়াডাঙ্গার বর্তমান ডিসি গোপাল চন্দ্র দাসকে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব এবং খাগড়াছড়ির বর্তমান ডিসি মো. শহীদুল ইসলামকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব হিসাবে বদলি করা হয়েছে। এদিকে জামালপুরের ডিসি আহমেদ কবীরকে ভিডিও কেলেঙ্কারির ঘটনায় ওএসডি করার পর পরিকল্পনামন্ত্রীর একান্ত সচিব (পিএস) মোহাম্মদ এনামুল হককে ওই জেলার ডিসি করে পাঠানো হয়েছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয় যেখানে জামালপুরের ডিসি আহমেদ কবীরকে এক নারীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখা যায়।
গৃহকর্মীর গ্রামের বাড়িতে গেলেন মাশরাফির পুরো পরিবার
২৫আগস্ট,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গৃহকর্মীর গ্রামের বাড়িতে গেলেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক ও নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মোর্তজার পুরো পরিবার। গত শুক্রবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার যোগানিয়া ইউনিয়নের যোগানিয়া কাচারি মসজিদের কাছে তার গৃহকর্মী টুনির বাড়িতে আসেন নড়াইল এক্সপ্রেস। প্রথমদিকে গোপন থাকলেও নিভৃত পল্লীতে দুটি মাইক্রোবাসে ঢাকা থেকে মাশরাফির আসার খবর ছড়িয়ে পড়ে। লোকজনের ভিড় সামলাতে মাত্র আড়াই ঘণ্টা অবস্থানের পর তিনি শেরপুর ত্যাগ করেন। খবর পেয়ে মাশরাফিকে শুভেচ্ছা জানাতে যোগানিয়ায় ছুটে যান নালিতাবাড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান মোকছেদুর রহমান লেবু। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও ওই বাড়িতে হাজির হন। উপজেলা চেয়ারম্যান জানান,বাসার নিরাপত্তাকর্মীর কাজ থেকে টুনির বাবা আক্কাছ আলী বিদায় নিলেও তার পরিবারের প্রতি মাশরাফির রয়েছে দারুণ মমতা। তিনি আক্কাছ আলীকে চিকিৎসা সহায়তা দিয়েছেন, তাদের মাথা গোঁজার জন্য গ্রামের বাড়িতে একটি সেমিপাকা ঘর বানিয়ে দিয়েছেন। সর্বোপরি তিনি টুনির ভবিষ্যতের দায়িত্ব নিয়েছেন। এখানে না এলে এসব কথা আমরা জানতামই না।
রোহিঙ্গাদের মাঝে বিশ্বাসের ঘাটতি রয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
২২আগস্ট,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে থাকার জন্য যারা প্ররোচনা দিচ্ছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গারা যেনো ফিরে না যায় সেজন্য অনেকেই তাদের প্ররোচনা দিচ্ছেন। লিফলেট বিতরণ করছেন। ইংরেজিতে তাদের প্ল্যাকার্ড লিখে দিচ্ছেন। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আমরা আশাবাদী। আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের মাঝে বিশ্বাসের ঘাটতি রয়েছে, তাই তারা ফেরত যেতে চাচ্ছে না। তারা বিশ্বাস করতে পারছে না যে, মিয়ানমার তাদের জন্য এখন নিরাপদ। মিয়ানমার তাদের নিরাপত্তা দেবে বা পুনর্বাসন দেবে তারা তা বিশ্বাস করতে পারছে না। আর এজন্যই তারা ফিরতে চাচ্ছে না। মন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের এই বিশ্বাসের ঘাটতি দূর করার জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে একটি প্রস্তাব আছে। সব দেশকে নিয়ে একটি কমিশন গঠন করা হবে। মিয়ানমার যদি সৎ হয় তবে তারা এই কমিশন গঠনে সহায়তা করবে। প্রয়োজনে তারা সাংবাদিকদের নিয়ে গিয়ে সেখানকার পরিস্থিতি দেখাবে। যাতে করে এই বিশ্বাসের ঘাটতি দূর হয়।
পদোন্নতি পাওয়ার পর সিআইডি কর্মকর্তার আবেগঘন স্ট্যাটাস
২২আগস্ট,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পুলিশের এডিশনাল ডিআইজি হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) অর্গারাইজ ক্রাইম ইউনিটের বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্যা নজরুল ইসলাম।তার নতুন কর্মস্থল নৌ-পুলিশ।পদোন্নতির পর এ কর্মকর্তা তার ব্যবহৃত ফেসবুক আইডিতে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। সেখানে তিনি সিআইডিতে থাকাকালিন তার কর্মকাণ্ড তুলে ধরার পাশাপাশি সবার দোয়া ও ভালোবাসা কামনা করেছেন তিনি। মোল্যা নজরুল ইসলাম স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো--- প্রতিটি মানুষের জীবনেই কিছু স্বপ্ন থাকে। পুলিশের চাকরিতে ঢোকার আমারও কিছু স্বপ্ন ছিল। গত ১৮ বছরের চাকরি জীবনে সে স্বপ্ন পূরণের পথে একটু একটু করে এগিয়েছি অনেকটা পথ । এগিয়ে যাওয়ার পথে আজ আরও একটা বিশেষ দিন। মহান সৃষ্টিকর্তার কৃপায় বাংলাদেশ পুলিশের এডিশনাল ডিআইজি হিসেবে পদোন্নতি পেলাম। নতুন কর্মস্থল নৌ-পুলিশ। আমার কাজের উপর আস্থা রাখায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপি মহোদয়, সিআইডি প্রধানসহ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রতি আমার অশেষ কৃতজ্ঞতা। এই আস্থার প্রতিদান দিতে অনাগত দিনেও আপোষহীন থেকে নিরলস পরিশ্রম করে যাব। খ. জয়পুরহাটের পুলিশ সুপারের দায়িত্ব শেষে ঢাকায় সিআইডির অর্জানাইজড এন্ড ইকোনমিক ক্রাইম বিভাগের বিশেষ পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি হয়ে এসে সত্যি কথা বলতে বেশ মন খারাপ হয়েছিল। সিআইডির পোস্টিং তখন আকর্ষনীয় ভাবা হতো না বরং খানিক তাচ্ছিল্যের চোখেই দেখা হতো। সারা জীবন চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ করেছি। নতুন কর্মস্থলকেও গতিশীল মিশন নিলাম। সিআইডি প্রধানসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুমতি নিয়ে আমার বিভাগ ঢেলে সাজালাম। চৌকস কর্মকর্তাদের নিয়ে ছোট একটা টিম বানালাম। তারপর গত আড়াই বছরের কর্মকান্ড আপনারা জানেন। কতোটুকু করতে পেরেছি সে বিচার জনগণ ও সরকার করবে। আমি শুধু বলব, আগে সিআইডির পোস্টিং এড়িয়ে যেতে চাওয়ার যে প্রবনতা তা দূর হয়ে এখন কর্মকর্তাদের আগ্রহের পোস্টিংয়ে পরিণত হয়েছে। ভাবতেই ভালো লাগে, ভাবমূর্তির এই বদলে আমারও বিশেষ অবদান আছে। বিদায় বেলায় একটু পেছন ফেরা যাক। গত আড়াই বছরের কাজের কিছু বিবরণ তোলা থাক টাইম লাইনে। ১. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বিসিএস, ব্যাংকসহ পাবলিক পরীক্ষাগুলোয় প্রশ্নফাঁসের সর্ববৃহৎ চক্রকে আইনের আওতায় আনা। অবৈধ উপায়ে আয় করা তাদের কোটি কোটি টাকার সম্পদ জব্দের জন্য মানিলন্ডারিং মামলা করা। ২. টেকনাফের এ যাবত ধরা ছোঁয়ার বাইরে থাকা ইয়াবা মাফিয়াদের গ্রেফতার। বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে প্রথমবারের মতো ইয়াবা কারবারীদের বিপুল সম্পদ পুলিশের হেফাজতে এসেছে। ৩. এমএলএম এবং সমবায়ের নামে অজস্র প্রান্তিক মানুষের কোটি কোটি টাকা লোপাটকারীদের আইনের আওতায় আনা। ৪. জঙ্গী অর্থায়ন খুঁজে বের করে হোতাদের আইনের আওতায় আনা। ৫. দেশের বাইরে বসে গুজব রটনাকারী ও রাজনৈতিক নেতাদের নামে কুৎসা সৃষ্টিকারীদের আইনের আওতায় আনা। ৬. এয়ারপোর্ট ঘিরে, রেডিও জকির নামে, এনজিও খোলাসহ অভিনব নানা উপায়ে প্রতারণাকারীদের আইনের আওতায় আনা। ৭. নির্বাচনের আগে-পরে, কোটা আন্দোলন, সড়ক আন্দোলনসহ নানা অস্থির সময়ে গুজব রটিয়ে জাতীয় পরিস্থিতি ঘোলাটে করা হোতাদের আইনের আওতায় আনা। ৮. দায়িত্ব নেওয়ার পর মানিলন্ডারিংকে নতুনভাবে জাতির সামনে তুলে ধরেছি। ৯. বিদেশী নাগরিকদের অভিনব প্রতারণা আইনের আওতায় আনা, কার্ড জালিয়াতির বড় বড় ঘটনা ধরা। ১০. দেশের বড় বড় স্বর্ণচোরা কারবারিদের আইনের আওতায় আনা। এ তালিকা হয়তো আরও দীর্ঘ হবে। সাফল্যের ফিরিস্তি দীর্ঘ করতে চাই না। শুধু বলব, গত আড়াই বছরে যা কিছু সাফল্য, যাবতীয় অর্জণ সব আমার ডেডিকেটেড টিম এবং উধর্বতন কর্তৃপক্ষের। আর যদি কোনো ব্যর্থতা থাকে তা একান্তই আমার। তবুও সিআইডিতে দায়িত্ব পালনকালীন প্রশ্নফাঁসসহ বেশ কিছু কাজের স্বীকৃতি হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে বাংলাদেশ পুলিশের সর্বোচ্চ পদক বিপিএম লাভ করেছি। এ জন্য আমি সবার কাছে কৃতজ্ঞ। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে দেশ ও আইনের স্বার্থে আমার অতি আপনজন, গ্রামের মানুষ, বিভিন্ন গুরুত্বপূণ ব্যাক্তিসহ অনেকের অনুরোধ ফিরিয়ে দিতে হয়েছে। আশা করি আমার এই আইনি সীমাবদ্ধতাকে তারা অনুধাবন করতে পারবেন। কষ্ট পাবেন না। সততা, পেশাদারিত্ব ও দক্ষতার সাথে গত আড়াই বছর দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুদের, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের এবং মাননীয় মন্ত্রীর অকুন্ঠ সমর্থন পেয়েছি। এ এক বিরাট সৌভাগ্যই বটে। আমার আগামীর পথচলায় এ ভালোবাসা ও মমতা অব্যাহত থাকবে বলেই আমার বিশ্বাস। গ. গত আড়াই বছরে অসংখ্য জনগুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে গিয়ে পরিবারকে সময় দিতে পারিনি। সব সময় স্ত্রী-সন্তানদের অনুপ্রেরণা আমাকে মুগ্ধ করে। শক্তি যোগায়। বিদায়বেলা বারবার মনে হচ্ছে, আমার টিমকে খুব মিস করবো। আমার টিমের চৌকস, দক্ষ আর মেধাবী প্রতিটি অফিসারের মঙ্গল হোক। ভালোবাসা অফুরান। সবার জন্য শুভ কামনা। আমার নতুন গন্তব্যের জণ্য সকলের দোয়া ও ভালোবাসা কামনা করছি।

জাতীয় পাতার আরো খবর