ঘোড়াশাল রি-পাওয়ারিং (১ম সংশোধিত) প্রকল্পের অনুমোদন
০৬জুলাই,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঘোড়াশাল ৩য় ইউনিট রি-পাওয়ারিং (১ম সংশোধিত) প্রকল্পের অনুমোদেন দেওয়া হয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায়। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বিদ্যমান বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির উৎপাদন ক্ষমতা আরো ২৬০ মেগাওয়াট বৃদ্ধি পাবে। এ জন্য প্রকল্পটিতে মোট ২ হাজার ৯৫৬ কোটি ৬১ লাখ টাকা ব্যয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়। জানুয়ারি ২০১৫ থেকে চলমান প্রকল্পটি ডিসেম্বর ২০২০ পর্যন্ত মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে। সোমবার (০৬ জুলাই) শেরে বাংলা নগরস্থ এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন একনেক চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গণভবনে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান উপস্থিত ছিলেন। পরে একনেক সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নিয়ে একনেক সভার বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন পরিকল্পনামন্ত্রী। বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ঘোড়াশাল ৩য় বিদ্যুৎ ইউনিটকে রি-পাওয়ারিং করে এর বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২১০ মেগাওয়াট থেকে ৪১৬ মেগাওয়াটে উন্নীত করা হবে। গ্যাসের দক্ষ ব্যবহারের মাধ্যামে ইউনিট প্রতি বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় হ্রাস করা ছাড়াও বিদ্যুৎ প্ল্যান্টের দক্ষতা ৩৪ শতাংশ থেকে ৫৪ শতাংশ বৃদ্ধি করা হবে। গ্যাস টারবাইনের নির্গত গ্যাস পুনর্ব্যবহার করে বায়ু দূষণ হ্রাস করাসহ পুরাতন বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কার্যকাল (লাইফ টাইম) বৃদ্ধি করা হবে। ফলে দেশে লোড শেডিং কমবে। ২৬০ মেগাওয়াট গ্যাস টারবাইন জেনারেটিং ইউনিট, গ্যাস বুস্টার কমপ্রেসার এবং অক্সিলারিজসহ ডিজেল জেনারেটর সেট স্থাপন করা হবে। বর্তমানে ঘোড়াশালে ২১০ মেগাওয়াট স্টিম টারবাইন জেনারেটিং ইউনিটের ব্যবস্থা রয়েছে। একনেক সভায় ইনস্টলেশন অব সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) উইথ ডাবল পাইপলাইন (২য় সংশোধিত) প্রকল্পেরও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আমদানিকৃত ক্রুড অয়েল ও ফিনিসড প্রোডাক্টস সহজে খালাস নিশ্চিত করাসহ ক্রুড অয়েল ও এইচএসডি (হাই স্পিড ডিজেল) খালাসকরণের সময় কমানো হবে। ১ লাখ ২০ হাজার ডিডব্লিউটি (ডেড ওয়েট টনেজ) ক্রুড অয়েল ট্যাংকার খালাসকরণের ব্যাপ্তি হবে ৪৮ ঘণ্টা এবং ৭০ হাজার ডিডব্লিউটি এইচএসডি ট্যাংকার খালাসকরণের ব্যাপ্তি হবে ২৮ ঘণ্টা। দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ক্রুড অয়েল প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা; এটি ইআরএলর বাৎসরিক প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা ১ দশমিক ৫ মিলিয়ন মেট্রিক টন থেকে ৪ দশমিক ৫ মিলিয়ন মেট্রিক টনে বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। নভেম্বর ২০১৫ থেকে শুরু হওয়া প্রকল্পের মেয়াদ জুন ২০২২ পর্যন্ত বৃদ্ধি হয়েছে। এ প্রকল্পের মোট ব্যয় হয়েছে ৬ হাজার ৫৬৮ কোটি টাকা। সোমবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এ দুই প্রকল্পসহ মোট ৯ প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।
চলে গেলেন বরেণ্য সংগীতশিল্পী এন্ড্রু কিশোর
০৬জুলাই,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী এন্ড্রু কিশোর মারা গেছেন। ৬টা ৫৫ মিনিটে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। সোমবার (০৬ জুলাই) এন্ড্রু কিশোরের বড় বোনের স্বামী ডা. প্যাট্রিক বিপুল বিশ্বাস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দেশে ফোরার পর এই প্লেব্যাক সম্রাট রাজশাহী মহানগরের মহিষবাথান এলাকায় থাকা তার বোন ডা. শিখা বিশ্বাসের বাসায় ছিলেন। তার ওই বাড়িটির একটি অংশেই রয়েছে ক্লিনিক। সেখানেই চিকিৎসা চলছিল এন্ড্রু কিশোরের। তবে গতকাল রোববার (০৫ জুলাই) থেকে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। তাই এন্ড্রু কিশোরের সুস্থতায় প্রাণ খুলে দোয়া করার জন্য সবার কাছে অনুরোধ করেছিলেন স্ত্রী লিপিকা এন্ড্রু। সেখানেই তারা চিকিৎসা চলছিল। এর পর তার শারীরিক অবস্থার কিছুটা অবনতি ঘটনায় সোমবার (০৬ জুলাই) দুপুরে বাড়িতে রেখেই তাকে অক্সিজেন সাপোর্ট নেওয়া হয়। এর পর সন্ধ্যায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। ক্যান্সার আক্রান্ত এন্ড্রু কিশোরকে দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা শফিকুল আলম বাবু জানান, দেশে ফিরলেও এন্ড্রু কিশোরের শারীরিক অবস্থা ভালো যাচ্ছিল না। রোববার (৫ জুলাই) সকালে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। কারও সঙ্গে কথা বলার মতো অবস্থাতেই ছিলেন না তিনি। বিকেলে এন্ড্রু কিশোরের জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে সবার কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছিল। শফিকুল আলম বাবু জানান, প্রায় ৯ মাস পর সিঙ্গাপুর থেকে গত ১১ জুন দেশে ফিরেন সংগীতশিল্পী এন্ড্রু কিশোর। ২০ জুন থেকে তিনি রাজশাহীতে ছিলেন। তবে গুরুতর অসুস্থ ছিলেন। কারও সঙ্গে কথা বলতে পারছিলেন না তিনি। দেশে ফিরে কিছুটা সময় কোলাহলমুক্ত কাটাতে চেয়েছিলেন তিনি। তাই ফেরার খবরটি এতদিন কাউকে জানাননি। এ প্রসঙ্গে এন্ড্রু কিশোর কিছুদিন আগে বলেছিলেন, কয়েক দিন হলো দেশে এসেছি। কিছুটা সময় একান্তে থাকতে চেয়েছি। তাই পরিবারের বাইরে কাউকে জানাইনি। তাছাড়া শরীরের অবস্থাও খুব বেশি ভালো নয়। ডাক্তার কড়া নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, কোলাহলমুক্ত থাকতে হবে-সেই নির্দেশনা মেনেই চলছি। চেকআপের জন্য তিন মাস পর পর সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে যাওয়ার কথা ছিল। গত বছরের ৯ সেপ্টেস্বর শরীরের নানা জটিলতা নিয়ে সিঙ্গাপুর চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন তিনি। ছয়টি ধাপে তাকে মোট ২৪টি কেমোথেরাপি দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসক জানিয়েছিলেন, কয়েক মাস পরপর নিয়মিত চেকআপ করাতে হবে তাকে। এর আগে মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহে দেশে ফিরতে চেয়েছিলেন এন্ড্রু কিশোর। কিন্তু করোনা ভাইরাসের কারণে দেশে ফেরা হয়নি তার। অবশেষে গত ১১ জুন বিশেষ ফ্লাইটে দেশে ফেরেন তিনি। ১৯৭৭ সালে মেইল ট্রেন সিনেমার মধ্য দিয়ে প্লেব্যাকে যাত্রা শুরু করেন এন্ড্রু কিশোর। এরপর আটবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। জীবনের গল্প আছে বাকি অল্প, হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস, ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে, আমার সারা দেহ খেয়ো গো মাটি, আমার বুকের মধ্যে খানে সহ অসংখ্য জনপ্রিয় ও কালজয়ী গান উপহার দিয়েছেন শ্রোতাদের। তার শরীরে ক্যানসার ধরা পড়ার আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে চিকিৎসার জন্য ১০ লাখ টাকা সহায়তা করেছিলেন। পাশাপাশি গো ফান্ড মি নামে এক ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহ করা হয়। সহশিল্পীদের মধ্যেও অনেকে তার পাশে দাঁড়ান। কিন্তু চিকিৎসায় তার সুস্থতা আসেনি।
ভিসার মেয়াদ বাড়ালো সৌদি আরব
০৬জুলাই,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রবাসীদের জন্য তিন মাস ভিসার মেয়াদ বাড়িয়েছে সৌদি আরব। এজন্য কোনো অতিরিক্ত ফি দিতে হবে না। সোমবার (৬ জুলাই) পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এক ভিডিও বার্তায় এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, প্রবাসীদের জন্য তিন মাস ভিসার মেয়াদ বাড়িয়েছে সৌদি আরব। এজন্য কোনো অতিরিক্ত ফি দিতে হবে না। যারা সেখানে আছেন, এছাড়া যারা দেশটির বাইরে রয়েছেন তাদের সবারই ভিসার মেয়াদ তিন মাস বাড়িয়েছে সৌদি আরব। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের সঙ্গে যখন এসব দেশের মন্ত্রীদের আলাপ হয়েছিল তখন তারা অঙ্গীকার করেছিলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে ভিসার বা ইকামার কোনো সমস্যা হবে না। এখন সৌদি সরকার নতুন করে ঘোষণা দিয়েছেন। আমরা খুব খুশি হয়েছি।
ভাড়াটিয়া যেন অমাবস্যার চাঁদ!
০৬জুলাই,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বামীবাগের একটি বাড়ির অংশীদার শাহাদাত হোসেন। গেলো মার্চ মাসের এক তারিখ তার একটি ফ্ল্যাট থেকে চলে যান ভাড়াটিয়া। টুকটাক কিছু কাজ করিয়ে এপ্রিল থেকে ফ্ল্যাটটি ভাড়া দেওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন শাহাদাত। সেসঙ্গে ভাড়াও বাড়ানোর ইচ্ছে ছিল এক থেকে দুই হাজার টাকা। কিন্তু গত চার মাসেও ভাড়া হয়নি ফ্ল্যাটটি। ভাড়া বাড়ানোর বদলে এখন কমিয়েও পাচ্ছেন না ভাড়াটিয়া। রোববার (৫ জুলাই) বিকেলে কথা হলো শাহাদাতের সঙ্গে। তিনি বললেন, এটা আমাদের পারিবারিক বাড়ি। আমার দুটি ফ্ল্যাট। একটিতে পরিবার নিয়ে থাকি, অন্যটি ভাড়া দেই। গত ১০ বছরে কোনো মাসে ভাড়াটিয়া শূন্য ছিল না। কিন্তু গত চার মাস ভাড়াটিয়া ছাড়াই পড়ে আছে ফ্ল্যাটটি। আমার নিজেরও ব্যবসার অবস্থা ভালো না। তার ওপর ফ্ল্যাট ভাড়া না হওয়ায় বেশ বিপদেই আছি। একই অবস্থা গেন্ডারিয়া ডিস্টিলারি রোডের বাড়িওয়ালা শাহিদুল হাসানের। তিনি বলেন, শুধু ঘরের সামনে না, মহল্লার বিভিন্ন জায়গায় টু-লেট লাগিয়েছি। কিন্তু ভাড়াটিয়া পাচ্ছি না। রোববার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার বাড়িওয়ালাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মার্চ মাসে দেশে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার পর থেকেই নানা ঝামেলায় পড়তে শুরু করেন তারা। বিশেষ করে ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণার পরই অনিয়মিত হতে শুরু করে বাড়িভাড়া। এ সংকট কাটতে না কাটতেই বাসা খালি করার যন্ত্রণায় পড়েন বাড়িওয়ালারা। করোনার কারণে ভাড়াটিয়ারা বাসা ছেড়ে দেওয়ায় নতুন ভাড়াটিয়াও পাচ্ছেন না তারা। এ অবস্থায় অনেক বাড়ির ফ্ল্যাট এখন ফাঁকা। গেন্ডারিয়ার ঢালকানগরের বাড়িওয়ালা মির্জা হাবীবুর রহমান বলেন, গেন্ডারিয়া এলাকায় আমার দুটি ফ্ল্যাট রয়েছে। একটিতে আমি পরিবার নিয়ে থাকি, অন্যটি ভাড়া। যেটি ভাড়া দেওয়া ছিল, সেটির ভাড়াটিয়াও ভালো ছিল। প্রতি মাসের পাঁচ তারিখের মধ্যে ভাড়া দিয়ে দিতেন। করোনার কারণে আর্থিক সংকটে পড়ায় মে মাসে এসে তিনি অ্যাডভান্সের টাকা থেকে বাসাভাড়া কেটে নিতে বলেন। আমি মেনে নেই। কিন্তু জুনের এক তারিখে তিনি দুই মাসের নোটিশ দিয়ে বাসা ছেড়ে দেন এবং এ দু মাসের ভাড়াও অ্যাডভান্স থেকে কেটে নিতে বলেন। তিনি বলেন, ২ জুন আমি টু-লেট লাগিয়েছি। এক মাস পেরিয়ে গেলেও আমি কোনো ভাড়াটিয়া পাইনি। জানি না, ১ আগস্ট নতুন ভাড়াটিয়া পাবো কিনা। আমার নিজের ব্যবসার অবস্থাও ভালো না। এখন আমি নিজেই বিপদের মুখে। টিকাটুলী এলাকার বাড়িওয়ালা মনোয়ার হোসেন বলেন, জানুয়ারি মাসে আমার বাসার একটি ফ্ল্যাট ফাঁকা হয়। কিছু কাজ করানোর কারণে মার্চ মাসে নোটিশ দেই। এখন পর্যন্ত কোনো ভাড়াটিয়া পাইনি। অন্য ভাড়াটিয়াদের ভাড়া দেওয়া নিয়েও ঝামেলা হচ্ছে। আমরা বাড়িটা বড় করতে ইতোমধ্যে ব্যাংকে ঋণের আবেদন করেছি। এ অবস্থায় কী হবে বুঝতে পারছি না। এসব বিষয়ে ভাড়াটিয়া পরিষদের সভাপতি বাহরানে সুলতান বাহার বলেন, করোনা ভাইরাসের প্রভাবে সরকারি কর্মজীবী, কিছু সংখ্যক বড় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ছাড়া বাকি সব পেশাজীবী ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। যেখানে পরিবারের জন্য প্রতিদিনের খাবারের ব্যবস্থা করাই একটি চ্যালেঞ্জ, সেখানে মরার ওপর খাড়ার ঘাঁ হয়ে দেখা দিয়েছে বাড়িভাড়া, গ্যাস বিল, কারেন্ট বিল ও বিভিন্ন সার্ভিসের বিল। এ চাপ সহ্য করতে না পেরে আমাদের কাছে থাকা হিসাব মতে, ইতোমধ্যে প্রায় ৫০ হাজার লোক বাসা ছেড়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, করোনা ভাইরাস মহামারির পর থেকে ভাড়াটিয়া পরিষদ বাড়িভাড়ার অমানবিক চাপ থেকে অসহায় সাধারণ মানুষকে মুক্তি দেওয়ার জন্য সরকারের কাছে বারবার দাবি জানানোর পরও সরকার কর্ণপাত করেনি। আমরা আশা করেছিলাম, সরকার বাড়িওয়ালাদের কর মওকুফের মতো কিছু বাড়তি সুবিধা দিয়ে করোনাকালে ভাড়া মওকুফ করে সারাদেশের অসহায় ভাড়াটিয়াদের পাশে দাঁড়াবেন।- বাংলানিউজ
যারা গ্রেপ্তার হচ্ছে, তাদের পরিচয় তারা অপরাধী : ওবায়দুল কাদের
০৫জুলাই,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ত্রাণ চুরিসহ নানা অপরাধে যারা গ্রেপ্তার হচ্ছে, তাদের পরিচয় তারা অপরাধী এবং সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে যারা জড়িত তারাও অপরাধী। তিনি বলেন, সরকার নিজের দলের লোকজনকেও এ ব্যাপারে ছাড় দেয়নি। প্রধানমন্ত্রী ত্রাণে অনিয়ম, মজুদ করা-এসব অপরাধের জন্য ইতোমধ্যেই অনেককেই গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছেন। তারা গ্রেপ্তার হয়ে জেলে আছেন। ওবায়দুল কাদের আজ রোববার (৫ জুলাই) জাতীয় সংসদ ভবন এলাকাস্থ তার সরকারি বাসভবনে আয়োজিত এক আনলাইন সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন। সরকার জেল ভর্তি করে ফেলেছে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন অভিযোগের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ত্রাণ চুরিসহ নানা অপরাধে যারা গ্রেফতার হচ্ছেন তাদের পরিচয়, তারা অপরাধী। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইন আদালত কি ব্যবস্থা নেবে না? তিনি বলেন, বিএনপির কোনও শীর্ষ নেতা কিংবা কেন্দ্রীয় কমিটির কোনও নেতা জেলে গেছেন? তারপরও বিএনপি প্রতিদিন অশ্লীল ভাষায় সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করছে। আর সরকার সহনশীলতার পরিচয় দিচ্ছে। ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার উন্নয়নমুখী সরকার। জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তায় চলমান উন্নয়ন প্রবাহ ধরে রেখেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে সচেষ্ট। বছরের পর বছর নানা দুর্যোগ মোকাবিলা করেই আজকের উদীয়মান অর্থনীতির দেশ বাংলাদেশ। সংকটে নেতৃত্ব দিয়ে যাওয়া জনগণের দৃঢ় আস্থার অপর নাম শেখ হাসিনা। সরকারকে বর্তমানে তিনটি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হচ্ছে জানিয়ে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, করোনার সংক্রমণ রোধ ও অসহায় মানুষকে সুরক্ষা, বন্যাকবলিত ১২টি জেলার মানুষের সুরক্ষা এবং আসন্ন ঈদে মানুষের ভিড় এড়ানো। রোজার ঈদে মানুষের অবাধ চলাচল, ভিড় সংক্রমণের মাত্রাকে বাড়িয়ে দিয়েছিল। কোরবানির ঈদে এ সমাগম ও ভিড় যেকোনও মূল্যে এড়াতে হবে। নিজেদের বেঁচে থাকার স্বার্থেই এটা করতে হবে।
বিদেশি সামাজিক মাধ্যম ও ওটিটি প্লাটফর্মকে নিয়ম-নীতি ও করের আওতায় আনা হবে : তথ্যমন্ত্রী
০৫জুলাই,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিদেশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং ওটিটি প্লাটফর্মে কন্টেন্ট ও বিজ্ঞাপন প্রচারসহ সামগ্রিক বিষয়টিকে যুগোপযোগী নিয়ম-নীতি ও করের আওতায় আনা হবে। তিনি আজ দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষ থেকে ভিডিও কনফারেন্সে এ বিষয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার শুরুতে সাংবাদিকদের একথা জানান। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার, তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. মুরাদ হাসান, ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব মো. নূর-উর-রহমান, বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানীর চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ, বিটিআরসির চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক প্রমুখ সভায় অংশ নেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং ওভার দ্য টপ (ওটিটি) প্লাটফর্ম বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে অডিও-ভিডিওসহ নানা কন্টেন্ট প্রচার বর্তমান যুগের একটি ক্রমবর্ধমান বাস্তবতা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সমগ্র পৃথিবীতে এ ধরণের প্লাটফর্ম ব্যবহার করে বিনোদন থেকে শুরু করে নানা কন্টেন্ট সেখানে স্ট্রিমিং করা হচ্ছে, আমাদের দেশেও হচ্ছে। কিন্তু আমরা দেখতে পেয়েছি, এ নিয়ে নানা বিতর্ক হয়েছে, সেন্সরবিহীন কন্টেন্ট প্রদর্শিত হয়েছে এবং এক্ষেত্রে সরকার ঠিকভাবে ট্যাক্স পাচ্ছে না। তথ্যমন্ত্রী বলেন, ওটিটি এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রতিটি মানুষের কাছে চলে যাচ্ছে। ফলে, এসব মাধ্যম ব্যবহার করে সমাজ বিনির্মাণের যেমন সুযোগ আছে, সমাজকে অস্থিতিশীল করারও সুযোগ থাকে। আমরা সময়ে সময়ে দেখতে পাচ্ছি এ সমস্ত মাধ্যম ব্যবহার করে গুজব রটানো, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা-হাঙ্গামা তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে। একইসাথে যুবা ও কিশোরদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়াও তৈরি হয়েছে। এটি একটি বাস্তবতা। এই মাধ্যমগুলো আমাদেরকে ব্যবহার করতে হবে ঠিকভাবে। যারা সরকারের অনুমতি না নিয়ে এ ধরণের ব্যবসা করছে, তাদের বিষয়ে কী ব্যবস্থা, আর কেউ যদি অনুমতি নিয়ে ব্যবসারত কিন্তু অননুমোদিত কন্টেন্ট প্রচার করে, তাদের ব্যাপারে কী ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে, সে বিষয়ে গ্রামীণফোন এবং রবির কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছিল জানিয়ে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, গ্রামীণফোন যে উত্তর দিয়েছে সেখানে ঠিকভাবে ব্যাখ্যা নেই, আর রবি উত্তর প্রস্তুত করছে বলে জানিয়েছে। এগুলোকে একটি সমন্বিত নিয়ম-নীতির মধ্যে আনার লক্ষ্যেই আজকের সভা। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান বলেন, ২০০৮ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রবক্তা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের তত্ত্বাবধানে আজকে ডিজিটাল বাংলাদেশ আর স্বপ্ন নয়, বাস্তবে রূপায়িত হয়েছে। পাশাপাশি, আমাদের দেশে এবং সারা পৃথিবীতেই এ নতুন বাস্তবতা মূল্যবোধ ও আইনগত নানা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। ফলে, যে বিষয়গুলোর সাথে আমরা আগে সংযুক্ত ছিলাম না, সেগুলো নিয়ে আমাদের কাজ করতে হচ্ছে। তথ্যমন্ত্রী বলেন, ওটিটি প্লাটফর্ম একটি ক্রমবর্ধমান ক্ষেত্র এবং এখানে হাজার হাজার কোটি টাকার ব্যবসার সুযোগ রয়েছে, যা অবশ্যই করযোগ্য। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও অন্যান্য প্লাটফর্ম যেমন নেটফ্লিক্স, ইউটিউব প্রভৃতির কাছে দেশের অনেক অর্থ চলে যাচ্ছে, কিন্তু সেখান থেকে সরকার যেভাবে ট্যাক্স পাওয়ার কথা তা পাচ্ছে না। পৃথিবীর অন্যান্য দেশেও শুরুতে এরকমই অবস্থা ছিল, কিন্তু অনেক দেশে নিয়মনীতি প্রবর্তন করা হয়েছে উল্লেখ করে ড. হাছান উদাহরণ দিয়ে বলেন, যেমন ভারতে ওটিটি প্লাটফর্মে অন্য দেশের কন্টেন্ট দেখানোর ক্ষেত্রে নানা আইন-কানুন, নিয়ম-নীতি প্রবর্তন হয়েছে। ভারতে চালু থাকার জন্য ফেইসবুক ভারতীয় কোম্পানী হিসেবে রেজিস্ট্রার্ড হয়েছে। আমাদের দেশে এখনও রেজিস্ট্রার্ড হয়নি, তবে, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের ক্রমাগত প্রচেষ্টায় তারা একজন এজেন্ট নিয়োগ করেছে। ডাক ও টেলিযোগযোগ মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার বলেন, আমাদের সামাজিক, সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাসহ সকল বিষয়ে আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ওটিটি প্লাটফর্ম পরিচালকদের দায়িত্ববোধ প্রত্যাশা করি। আমাদের দেশের আইন ও সংস্কৃতিকে সম্মান দিয়েই তাদেরকে ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে। সভার সিদ্ধান্ত অনুসারে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং ওটিটি প্লাটফর্মে কন্টেন্ট ও বিজ্ঞাপন প্রচারসহ সামগ্রিক বিষয়টিকে যুগোপযোগী নিয়ম-নীতি ও করের আওতায় আনার লক্ষ্যে তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সম্প্রচার)-কে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। অপর চার সদস্য হিসেবে রয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বিটিআরসি এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন করে প্রতিনিধি ও একজন আইন বিশেষজ্ঞ। অন্যান্যের মধ্যে তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জাহানারা পারভীন এবং মো. মিজান-উল-আলম, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য মো. মাসুদ সাদিক, বিটিআরসির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মোস্তফা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সিনিয়র সিস্টেমস এনালিস্ট মসিউজ্জামান খান সভায় অংশ নেন।
শুধু বিশেষ পরিস্থিতিতে ভার্চ্যুয়াল আদালত অবলম্বন করা হবে
০৫জুলাই,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শুধু অস্বাভাবিক বা বিশেষ কোন পরিস্থিতির জন্য ভার্চ্যুয়াল কোর্ট প্রথা অবলম্বন করা হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি বলেন, ভার্চ্যুয়াল কোর্ট সম্পর্কিত অধ্যাদেশটি স্থায়ী আইনে পরিণত হলেও সেটার ব্যবহার হবে বিশেষ পরিস্থিতিতে। রোববার (০৫ জুলাই) রাজধানীর বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ভবন মিলনায়তনে সহকারী জজদের অনলাইন প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন আইন সচিব মো. গোলাম সারওয়ার। সভাপতিত্ব করেন বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক বিচারপতি খোন্দকার মুসা খালেদ। আইনমন্ত্রী বলেন, ভার্চ্যুয়াল আদালত সুচারুভাবে পরিচালনার জন্য বিচারকদের পাশাপাশি আইনজীবীদেরও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। তথ্য-প্রযুক্তি নির্ভর এই পৃথিবীতে ভার্চ্যুয়াল কোর্ট প্রথা চালু হবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন, ভার্চ্যুয়াল কোর্ট স্বাভাবিক বিচার ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ বদলিয়ে বিকল্প হিসেবে কাজ করার জন্য নয়। সংবিধান, সিআরপিসি (ফৌজদারি কার্যবিধি), সিপিসি (দেওয়ানি কার্যবিধি) এবং সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী আদালতের কাজ স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে যে প্রচলিত পদ্ধতিতে পরিচালনা করা হয় সেটাই বলবৎ থাকবে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তি সেবার সঙ্গে বিচারক ও বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদের সমানতালে এগিয়ে নিতে চায়। একই সঙ্গে সরকারি আইনি সেবার মানোন্নয়নের মাধ্যমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে এমন একটি রাষ্ট্র গড়ে তুলতে চায় যেখানে সকল মানুষ তার আইনগত অধিকার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রীয় সেবাসমূহ সহজেই গ্রহণ করতে পারবেন। মন্ত্রী বলেন, দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার পর বিচারকার্যক্রমকে সচল রাখার লক্ষ্যে সরকার দ্রুততম সময়ে আদালত কর্তৃক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার অধ্যাদেশ, ২০২০ তথা ভার্চ্যুয়াল কোর্ট পরিচালনা আইন প্রণয়ন করে যা বিচার বিভাগকে আধুনিক ও গতিশীল করার জন্য একটি যুগান্তকারী আইন। আনিসুল হক বলেন, এই আইন দেশের বিচার বিভাগকে নতুন যুগে প্রবেশ করিয়েছে। সরকার বিগত ৯ মে ভার্চ্যুয়াল আদালত পরিচালনা সংক্রান্ত অধ্যাদেশ জারির পরের দিনই ভার্চ্যুয়াল আদালত গঠন করা হয় এবং ১১ মে থেকে সীমিত পরিসরে বিচার কার্যক্রম চালু করা হয়। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ১১ মে থেকে ২ জুলাই পর্যন্ত ৩৫ কার্যদিবসে সারা দেশের অধস্তন আদালতের বিজ্ঞ বিচারকগণ ভার্চ্যুয়াল শুনানির মাধ্যমে মোট ৯৫ হাজার ৫২৩টি জামিন আবেদন নিষ্পত্তি করেছেন এবং একই সময়ে ৪৯ হাজার ৭৬২ জন আসামির জামিন মঞ্জুর করেছেন। এটি সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ হওয়ার কারণে। এটি সম্ভব হয়েছে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের পূর্ণ সহযোগিতার কারণে। এ বছরের পহেলা জানুয়ারি সহকারী জজ ও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ে চারমাস মেয়াদি বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্স শুরু করা হয়। ৮ মার্চ বাংলাদেশে করোনাজনিত রোগ কোভিড-১৯ প্রথম শনাক্ত হওয়ার পর ২৩ মার্চ কোর্সটি স্থগিত ঘোষণা করা হয়। অনলাইনের মাধ্যমে সেই কোর্স সম্পন্ন করতে রোববার পুনরায় তা উদ্বোধন করেন আইনমন্ত্রী।

জাতীয় পাতার আরো খবর