শনিবার, ফেব্রুয়ারী ২৭, ২০২১
শপথ নিলেন সংসদ সদস্য মোছলেম উদ্দিন আহমদ
২১জানুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) আসনের উপ-নির্বাচনে বিজয়ী আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মোছলেম উদ্দিন আহমদ শপথ নিয়েছেন। আজ সোমবার দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে তাকে শপথ পাঠ করান স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। শপথ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান। অনুষ্ঠানে সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী, হুইপ ইকবালুর রহিম, মাহবুব আরা বেগম গিনি ও সামশুল হক চৌধুরী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ বি তাজুল ইসলাম, সংসদ সদস্য আবু রেজা মোহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী, ওয়াসিকা আয়শা খান ও খালেদা খানম এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, সংসদ সদস্য মইন উদ্দীন খান বাদলের মৃত্যুতে ওই আসনটি শুন্য হয়। গত ১৩ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত উপ-নির্বাচনে ৮৭ হাজার ২৪৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন মোছলেম উদ্দিন। এদিকে শপথ গ্রহণ শেষে সংসদ অধিবেশনে যোগ দেন মোছলেম উদ্দিন। তিনি সংসদ সদস্য পদে নির্বাচিত করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্থানীয় জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
৮ম ও এর ওপরের গ্রেডের নিয়োগেও কোটা থাকবে না
২০জানুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নন ক্যাডার ৮ম ও এর ওপরের গ্রেডের পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা পদ্ধতি থাকবে না। সোমবার (২০ জানুয়ারি) নন-ক্যাডার ৮ম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা বণ্টন পদ্ধতি সংক্রান্ত পরিপত্র সংশোধনের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠক হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এই অনুমোদনের কথা জানান। ৮ম গ্রড থেকে এর ওপরের অর্থাৎ ১ম গ্রেড পর্যন্ত নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো কোটা থাকবে না। কোটা বাতিলের বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রের স্পষ্টকরণের জন্য বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি) প্রস্তাব পাঠালে সেই প্রস্তাব অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই প্রস্তাবটি উপস্থাপন করে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন,বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় থেকে গত ৩ ফেব্রুয়ারি নন ক্যাডার ৮ম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ করা হবে নাকি আগের কোটা পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে এ বিষয়টি স্পষ্টকরণের জন্য অনুরোধ করা হয়। তিনি বলেন,জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা পদ্ধতি বাতিল করে পরিপত্র জারি করে। সেখানে বলা হয়, ৯ম গ্রেড (আগের প্রথম শ্রেণি) এবং ১০ম থেকে ১৩ম গ্রেডের (আগের দ্বিতীয় শ্রেণি) পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রদান করা হবে। ৯ম গ্রেড এবং ১০ম থেকে ১৩ম গ্রেডের (আগের দ্বিতীয় শ্রেণি) পদে সরকারি নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা পদ্ধতি বাতিল করা হলো। তিনি আরও বলেন,পরিপত্রে ৯ম গ্রেড (আগের প্রথম শ্রেণি) এবং ১০ম থেকে ১৩ম গ্রেডের (আগের দ্বিতীয় শ্রেণি) পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা পদ্ধতি বাতিল করা হলেও আগের ১ম শ্রেণিভুক্ত ৮ম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা বণ্টন পদ্ধতি কী হবে সে বিষয়ে কোনো সুস্পষ্ট নির্দেশনা নেই। খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন,বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন ৯ম গ্রেড এবং ১০ম থেকে ১৩তম গ্রেড ছাড়াও ৮ম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কোনো কোনো পদে সরাসরি নিয়োগ দিয়ে থাকে। জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ এ শ্রেণির পরিবর্তে গ্রেড উল্লেখ করা হয়েছে এবং আগের ১ম শ্রেণির পদ বলতে ৯ম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের পদকে বুঝানো হয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রে ৯ম গ্রেড এর স্থলে ৯ম ও তদূর্ধ্ব গ্রেড উল্লেখ করে পরিপত্রটির সংশোধন প্রয়োজন বলে প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন,মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত দিয়েছে যে ৯ম থেকে যত ওপরের দিকের যাক সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো কোটা পদ্ধতি থাকবে না। আগের মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমের নেতৃত্বে গঠিত কোটা পর্যালোচনা কমিটি ২০১৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সুপারিশ জমা দেন। কমিটি ৯ম থেকে ১৩তম গ্রেড পর্যন্ত নিয়োগের ক্ষেত্রে সবধরনের কোটা উঠিয়ে দেয়ার প্রস্তাব করেন। সেই প্রস্তাবটিই অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে ২০১৮ সালের ২ জুলাই কোটা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করে তা সংস্কার বা বাতিলের বিষয়ে সুপারিশ দিতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে সাত সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করে সরকার। এর আগে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ক্ষুব্ধ হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় সংসদে কোটা ব্যবস্থা বাতিলের ঘোষণা দেন।
ট্রাফিক সিগন্যালের অব্যবস্থাপনা কেন অবৈধ নয় : হাইকোর্ট
২০জানুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ট্রাফিক সিগন্যালের অব্যবস্থাপনা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। সোমবার (২০ জানুয়ারি) সংশ্লিষ্ট একটি রিট আবেদনের ওপর প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। গত বছর ২০১৮ সালের ৩ এপ্রিল সড়ক দুর্ঘটনায় বিআরটিসির দুই বাসের মাঝে রাজীবের বিচ্ছিন্ন হাত আটকে থাকার ছবি দেশের মানুষের হৃদয় কাঁদিয়েছিল। একই বছরের ২৯ জুলাই শহীদ রমিজউদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী জাবালে নূর পরিবহনের বাসচাপায় নিহত হওয়ায় বিক্ষোভ করেছে সহপাঠীরা। রাজীবের ঝুলে থাকা হাত আর দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু স্পষ্ট করে সড়কে পরিবহনের অব্যবস্থাপনার চিত্র। নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীরা দেশব্যাপী আন্দোলন গড়ে তোলে, সড়ক অব্যবস্থাপনা নিয়ে সমালোচনা হয়, হয়েছে নতুন আইন, সরব হয়েছে পুলিশের ট্রাফিক বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোও। তবুও সড়কে ফিরছে না শৃঙ্খলা। এখনও সড়কে স্পষ্ট অব্যবস্থাপনা।
উত্তাল বিএফডিসি, পুলিশের আশ্বাসে সড়ক ছাড়ল অবরোধকারীরা
২০জানুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: থানা হেফাজতে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দিকের (৪৫) মৃত্যুর ঘটনায় তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী আজমের ফাঁসির দাবি করেছেন তার সহকর্মীরা। সোমবার বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত বিএফডিসির সড়ক অবরোধ করে রাখেন সহকর্মীরা। এ সময় তাদের তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলী আজমের ফাঁসি চাই বলে স্লোগান দিতে দেখা যায়। পরবর্তীকালে পুলিশের আশ্বাসে তারা সড়ক ছেড়ে দেয়। এর আগে রোববার রাতে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল হাজতখানায় মারা যান আবু বক্কর। পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এটি আত্মহত্যা। আবু বক্করের মৃত্যুর দাবিতে সোমবার সকাল থেকে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন বিএফডিসির সব শ্রেণির কর্মচারীরা। ফ্লোর সেটিং ইনচার্জ সাইদুল ইসলাম বলেন, থানায় মানুষ নিরাপদে থাকে। সেখানে কীভাবে আবু বক্কর মারা গেল? সুস্থ মানুষকে মোটরসাইকেল থেকে গ্রেফতার করলো। থানা থেকে তাকে লাশ হয়ে বের হতে হলো। থানা হেফাজতে এই মৃত্যু মেনে নেওয়া যায় না।
মুজিববর্ষের লোগো ব্যবহারের নির্দেশিকা প্রকাশ
২০জানুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে জাতীয়ভাবে লোগো প্রকাশ করা হয়েছে। একইসঙ্গে এই লোগো ব্যবহারের নির্দেশিকাও প্রকাশ করা হয়েছে। এই লোগো যেখানে সেখানে ব্যবহার করা যাবে না। যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করে লোগো ব্যবহারের জন্য বলেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি। জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরীর বরাতে জানানো হয়েছে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় দেশে ও বিদেশে উদযাপনের লক্ষ্যে সম্প্রতি মুজিববর্ষ লোগো নির্বাচন করা হয়েছে। লোগোটি যথোপযুক্তভাবে ব্যবহারের লক্ষ্যে নিম্নরূপ নির্দেশিকা জারি করা হলো: ১. জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি নির্ধারিত রঙ, বর্ণবিন্যাস এবং আকৃতি ব্যতীত অন্য কোনও প্রকারে এই লোগো ব্যবহার করা যাবে না। ২. সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত, সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান, সরকারি মালিকানাধীন কোম্পানি, সরকারি ও বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মিডিয়া ও বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের সব ই-মেইল, সরকারি পত্র, স্মারকপত্র, আধা-সরকারি পত্রে স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানের লোগোর সঙ্গে যথাযথভাবে মুজিববর্ষের লোগোটি ব্যবহার করা যাবে। ৩. সরকারি মালিকানাধীন সব বাস, ট্রেন, দাফতরিক গাড়ি, নৌযান, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটে চলমান বাংলাদেশ বিমান, সামরিক এয়ারক্রাফট এবং ক্রুজে উপযুক্ত স্থানে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন ও সাজসজ্জায় মুজিববর্ষ লোগোর নির্দেশিকা অনুসরণ করে নির্ধারিত এবং আনুপাতিক হারে নান্দনিকভাবে লোগোটি ব্যবহার করা যাবে। ৪. জাতীয় দিবসের বিভিন্ন উপলক্ষে সরকারি-বেসরকারি প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে শুভেচ্ছা কার্ড এবং আমন্ত্রণপত্রে উক্ত লোগো ব্যবহার করা যাবে। ৫. জাতীয় পাঠ্যপুস্তক এবং সব সরকারি তথ্যবাতায়নে এই লোগো ব্যবহার করা যাবে। ৬. সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যালেন্ডার, নোটপ্যাড, স্টেশনারি, বিজ্ঞাপন ইত্যাদি প্রচার সামগ্রীতে এই লোগো ব্যবহার করা যাবে। ৭. কোনও ব্যক্তিগত বা বেসরকারি ব্যবসায়িক বা বাণিজ্যিক প্রোডাক্ট, সেবার উদ্দেশ্যে এই লোগো ব্যবহার করা যাবে না। ৮. সিগারেট, অ্যালকোহল, আগ্নেয়াস্ত্র কিংবা অনুরূপ দ্রব্যাদিতে এই লোগো ব্যবহার করা যাবে না। ৯. বিভিন্ন ক্রীড়া, সাহিত্য, রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংস্থার অনুষ্ঠান আয়োজনে, প্রকাশনার ক্ষেত্রে লোগো ব্যবহার করা যাবে। ১০. জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী জাতীয় পর্যায়ে সুষ্ঠুভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে নির্বাচিত লোগোটি ২০২১ সালের ২৬ মার্চ পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবে।
সিপিবির সমাবেশে বোমা হামলায় ১০ জনের মৃত্যুদণ্ড
২০জানুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সমাবেশে বোমা হামলা মামলার রায়ে ১০ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ১৯ বছর আগে রাজধানীর পল্টন ময়দানে এ বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। সোমবার ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক রবিউল আলম এ রায় ঘোষণা করেন বলে সংশ্লিষ্ট আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর সালাউদ্দিন হাওলাদার নিশ্চিত করেন। এর আগে সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে কারাগারে থাকা চার আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর আদালতের এজলাসে সকাল সাড়ে ১০টায় তাদেরকে হাজির করা হয়। এ মামলায় মোট ৩৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। গত ১ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ এবং আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে রায়ের জন্য আজকের এদিন দিন নির্ধারণ করেন আদালত। ২০০১ সালের ২০ জানুয়ারি সিপিবির সমাবেশে দুর্বৃত্তরা বোমা হামলা করে। এতে পাঁচজন নিহত এবং ২০ জন আহত হন। ওই ঘটনায় সিপিবির তৎকালীন সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান খান বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় মামলা দায়ের করেন। ২০০৩ সালের ডিসেম্বরে আসামিদের বিরুদ্ধে নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি মর্মে তদন্ত শেষে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। এরপর ২০০৪ সালে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা ও ২০০৫ সালের আগস্টে দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলা হয়। এসব ঘটনায় জঙ্গিরা জড়িত বলে প্রমাণ পাওয়ার পর ২০০৫ সালে মামলাটি আবারও তদন্তের আদেশ দেওয়া হয়। তদন্তের পর ২০১৩ সালের ২৭ নভেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন সিআইডি পুলিশের ইন্সপেক্টর মৃনাল কান্তি সাহা। পরের বছর ২১ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন (চার্জগঠন) করেন আদালত। মামলার আসামিরা হলেন- হরকাতুল জিহাদের (হুজি) নেতা মুফতি আব্দুল হান্নান, হুজির সদস্য মুফতি মঈন উদ্দিন শেখ, আরিফ হাসান সুমন, মাওলানা সাব্বির আহমেদ, শওকত ওসমান ওরফে শেখ ফরিদ, মো. মশিউর রহমান, জাহাঙ্গীর আলম বদর, মহিবুল মুত্তাকিন, আমিনুল মুরসালিন, মুফতি আব্দুল হাই, মুফতি শফিকুর রহমান, রফিকুল ইসলাম মিরাজ ও নূর ইসলাম। আসামিদের মধ্যে জঙ্গি নেতা মুফতি আব্দুল হান্নানের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। আর শেষের সাতজন পলাতক। এ মামলায় দুই জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। ওই সমাবেশে বোমা হামলায় নিহতরা হলেন খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলার সিপিবি নেতা হিমাংশু মণ্ডল, খুলনা জেলার রূপসা উপজেলার সিপিবি নেতা ও দাদা ম্যাচ ফ্যাক্টরির শ্রমিক নেতা আব্দুল মজিদ, ঢাকার ডেমরা থানার লতিফ বাওয়ানি জুট মিলের শ্রমিক নেতা আবুল হাসেম, মাদারীপুরের মুক্তার হোসেন ও খুলনা বিএল কলেজের ছাত্র ইউনিয়ন নেতা বিপ্রদাস।
ই-পাসপোর্টের জন্য ছবি তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী
২০জানুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট বা ই-পাসপোর্টের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফটোগ্রাফ নেয়া হয়েছে। আগামী ২২ জানুযারি থেকে ই-পাসপোর্ট প্রদান শুরু হতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব কে এম শাখাওয়াত মুন জানান, অভিবাসন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর (ডিপিআই) কর্তৃপক্ষ আজ বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে তাঁর ফটোগ্রাফ সংগ্রহ করেছে। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী ই-পাসপোর্টের জন্য একটি ডিভাইসে তাঁর ডিজিটাল স্বাক্ষরও দেন। এ সময় ই-পাসপোর্ট প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইদুর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ২২ জানুয়ারি বুধবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ই-পাসপোর্ট বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। ডিপিআইর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ এর আগে বলেন, প্রথম ধাপে রাজধানীর আগারগাঁও, উত্তরা ও যাত্রাবাড়ী পাসপোর্ট কার্যালয় থেকে এটি দেওয়া হবে। পরে ধাপে ধাপে সারা দেশের পাসপোর্ট কার্যালয় থেকে ই-পাসপোর্ট দেয়া হবে। জার্মান কোম্পানি ভেরিদোস জিএমবিএইচ দেশে ই-পাসপোর্ট ও ই-গেট নিয়ে কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ই-পাসপোর্ট চালুর মাধ্যমে অভিবাসন প্রক্রিয়া ত্রুটিমুক্ত করার চেষ্টা চলছে। আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান পরিবহন সংস্থা (আইসিএও)র মতে বর্তমানে এক শর বেশি রাষ্ট্র ও সংস্থা (জাতিসংঘ) ই-পাসপোর্ট ইস্যু করছে এবং ৪৯ কোটি ই-পাসপোর্ট চালু রয়েছে। ই-পাসপোর্ট প্রচলিত সাধারণ পাসপোর্টের চেয়ে বেশি নিরাপদ। যাতে পাসপোর্টধারীর ব্যাক্তিগত তথ্য সম্বলিত একটি ইলেক্ট্রনিক চিপ সংযুক্ত থাকে। প্রকল্প বিবরণী অনুযায়ী ৪ হাজার ৫ শ ৪৯ কোটি টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। ডিপিআই সম্পূর্ণ সরকারি খরচে ২০১৮ থেকে ২০২৮ মেয়াদের মধ্যে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। ই-পাসপোর্ট চালুর মাধ্যমে পুরো অভিবাসন প্রক্রিয়াটি অনলাইনে সম্পন্ন হবে। মোট ৩ কোটি পাসপোর্ট প্রদান করা হবে। এর মধ্যে ২ কোটি পাসপোর্ট জার্মানি থেকে তৈরি করে আনা হবে। যারা প্রথমে আবেদন করবেন তারা জার্মানির তৈরি ই-পাসপোর্ট পাবেন। এর মেয়াদ হবে পাঁচ ও দশ বছর। ডিপিআই ও ভেরিদোস ২০১৮ সালের ১৯ জুলাই মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের পাশাপাশি ই-পাসপোর্টের জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে।
প্রথম আলো সম্পাদকসহ ছয়জনকে গ্রেফতার ও হয়রানি নয়
১৯জানুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষার্থী নাইমুল আবরার রাহাতের মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলায় প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান ও সহযোগী সম্পাদক আনিসুল হকসহ ছয়জনকে গ্রেফতার ও হয়রানি না করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে এ বিষয়ে করা আবেদনের ওপর আগামিকাল সোমবার শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। রোববার (১৯ জানুয়ারি) বিচারপতি ওবায়দুল হাসান এবং বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এর আগে সকালে প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান ও সহযোগী সম্পাদক আনিসুল হকসহ ছয়জন হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন। অন্যরা হলেন, কিশোর আলোর জ্যেষ্ঠ সহসম্পাদক মহিতুল আলম, প্রথম আলোর হেড অব ইভেন্ট অ্যান্ড অ্যাকটিভেশন কবির বকুল, নির্বাহী শাহ পরাণ তুষার এবং নির্বাহী শুভাশীষ প্রামাণিক। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) নাইমুল আবরার নিহত হওয়ায় কিশোর আলো কর্তৃপক্ষের অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেছে মর্মে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল আলিম এ প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদন আমলে নিয়ে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. কায়সারুল ইসলাম মতিউর রহমানসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। উল্লেখ্য, গেল বছরের ১ নভেম্বর প্রথম আলোর কিশোর ম্যাগাজিন কিশোর আলোর বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান দেখতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যায় ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষার্থী নাঈমুল আবরার (১৫)। সে নবম শ্রেণির (দিবা) গ শাখার ছাত্র ছিল। ঘটনার পরদিন প্রথমে মোহাম্মদপুর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করেন আবরারের বাবা মজিবুর রহমান। পরে ৬ নভেম্বর ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম আমিনুল হকের আদালতে অবহেলাজনিত কারণ উল্লেখ করে আরেকটি মামলা করেন আবরারের বাবা। মামলায় পেনাল কোডের ৩০৪ ধারায় অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগ আনা হয়। আদালত অপমৃত্যুর মামলার সাথে এই মামলার তদন্তের নির্দেশ দিয়ে মোহাম্মদপুর থানাকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। আবরার সহপাঠীদের অভিযোগ, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার পর তাকে (অবরার) দ্রুত চিকিৎসা দেয়া প্রয়োজন ছিল। কিন্তু আয়োজক কর্তৃপক্ষ তাকে আশপাশের কোনো হাসপাতালে না নিয়ে মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ায় তার মৃত্যু হয়েছে।- একুশে টেলিভিশন
পেছাল বইমেলাও, শুরু হচ্ছে ২ ফেব্রুয়ারি
১৯জানুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা সিটি করপোরেশনের নির্বাচন আগামী ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য অমর একুশে গ্রন্থমেলার তারিখ পিছিয়ে ২ ফেব্রুয়ারি করা হয়েছে। প্রতি বছর একুশে বইমেলা ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়। এবার ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনের কারণে একদিন পরে শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ দিন বই মেলার উদ্বোধন করবেন। রোববার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি ও লেখক হাবীবুল্লাহ সিরাজী বিষয়টি জানান। তিনি বলেন, নির্বাচনের কারণে ১ ফেব্রুয়ারির পরিবর্তে ২ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৩টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বইমেলার উদ্বোধন করবেন। বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও তৎসংলগ্ন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রতিবছর বই মেলার আসর বসে। এ মেলায় দেশি বিদেশি নানা বইয়ের সমাহার ঘটে থাকে। জমে উঠে লেখক, সাহিত্যিক, পাঠক ও প্রকাশকদের মিলনমেলা। প্রতিদিনই প্রকাশিত হয় নতুন নতুন বই।

জাতীয় পাতার আরো খবর