সোমবার, মার্চ ৮, ২০২১
দৈনিক সংগ্রামের মিডিয়া তালিকাভুক্তি বাতিল
২৩জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: যুদ্ধাপরাধ মামলায় ফাঁসি কার্যকর হওয়া আসামি কাদের মোল্লাকে শহীদ উল্লেখ করে সংবাদ প্রকাশ করায় দৈনিক সংগ্রামের মিডিয়া তালিকাভুক্তি বাতিল করেছে সরকার। চলচ্চিত্র প্রকাশনা অধিদফতর (ডিএফপি) বুধবার (২২ জানুয়ারি) পত্রিকাটির মিডিয়া তালিকাভুক্তি বাতিল করে আদেশ জারি করে। বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) ডিএফপির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকায় গত ১২ ডিসেম্বর শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লার ষষ্ঠ শাহাদাত বার্ষিকী আজ শিরোনামে অসত্য সংবাদ প্রকাশ করায় চলচ্চিত্র প্রকাশনা অধিদফতর ২২ জানুয়ারি পত্রিকাটির সরকারি মিডিয়া তালিকাভুক্তি বাতিল করে। ১২ ডিসেম্বর সংবাদ প্রকাশের পরই ডিক্লারেশন কেন বাতিল করা হবে না- সেই বিষয়ে কারণ দর্শানোর জন্য দৈনিক সংগ্রামকে নোটিশ দেয়া হয়। সরকারি মিডিয়া তালিকাভুক্ত পত্রিকা প্রচার সংখ্যা অনুযায়ী বিভিন্ন রেটে সরকারি বিজ্ঞাপনসহ কিছু সুবিধা পেয়ে থাকে। ডিএফপির ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা বলেন, সরকারি মিডিয়া তালিকাভুক্তি বাতিল করায় সংগ্রাম পত্রিকাটি কোনো সরকারি বিজ্ঞাপন পাবে না। এছাড়া অন্যান্য সরকারি সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হবে পত্রিকাটি।
বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পেলেন দেশের ১০ সাহিত্যিক
২৩জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০১৯ পেয়েছেন দেশের ১০ সাহিত্যিক। বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী তাদের নাম ঘোষণা করেন। পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন কথা সাহিত্যে ওয়াসি আহমেদ, কবিতায় মাকিদ হায়দার, প্রবন্ধে স্বরোচিষ সরকার, অনুবাদে খায়রুল আলম সবুজ, আত্মজীবনী, স্মৃতিকথা ও ভ্রমণকাহিনিতে ফারুক মঈনউদ্দীন, নাটকে রতন সিদ্দিকী, বিজ্ঞান/কল্পবিজ্ঞানে নাদিরা মজুমদার, শিশুসাহিত্যে রহীম শাহ, ফোকলোরে সাইমন জাকারিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণায় রফিকুল ইসলাম। এ সময় একাডেমির সচিব মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, একাডেমির পরিচালক অপরেশ কুমার ব্যানার্জি, কেএম মুজাহিদুল ইসলাম, জালাল আহমেদ, মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, সংস্কৃতি উপবিভাগের উপপরিচালক নূরুন্নাহার খানম, জনসংযোগ বিভাগের কর্মকর্তা কবি পিয়াস মজিদ উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ২ ফেব্রুয়ারি অমর একুশে গ্রন্থমেলা ও আন্তর্জাতিক সাহিত্য সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাহিত্যিকদের হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন। পুরস্কার হিসেবে তারা পাবেন ৩ লাখ টাকা, সনদপত্র ও ক্রেস্ট।
রায়কে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার
২৩জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) গাম্বিয়ার দায়ের করা মামলার অন্তর্বর্তী রায়ে রোহিঙ্গাদের হত্যা কিংবা শারীরিক-মানসিক আঘাত না করতে মিয়ানমারের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন আইসিজে। আজ বৃহস্পতিবার নেদারল্যান্ডসের হেগে এই আদালতের আদেশে বলা হয়, জেনোসাইড কনভেনশন ২ অনুযায়ী রোহিঙ্গাদের হত্যা, শারীরিক বা মানসিক নিপীড়ন কিংবা ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করা যাবে না। আর এই রায়কে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, এই রায় মানবতার জয়। এই বিজয় সারা বিশ্বজুড়ে মানবাধিকারকর্মীদের জন্য মাইলফলক। বিবৃতিতে আরো বলা হয়, রায়টি গাম্বিয়া, ওআইসি, রোহিঙ্গা এবং অবশ্যই বাংলাদেশের জন্য এক বড় ধরনের জয়। এর আগে মিয়ানমারে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে গণহত্যা চলছে এমন অভিযোগে গত বছরের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে মামলা করে গাম্বিয়া। মামলায় বলা হয়, মিয়ানমার ১৯৪৮ সালের জেনোসাইড কনভেনশন লঙ্ঘন করেছে। গত ১০ থেকে ১২ ডিসেম্বর তিন দিনব্যাপী নেদারল্যান্ডসের হেগে ওই মামলার শুনানি হয়। এতে মিয়ানমারের পক্ষে স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চি অংশ নেন। সে সময় তিনি রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন। ২০১৭ সালে রাখাইনে সেনা অভিযানকালে কিছু সেনা আইন লঙ্ঘন করেছে, তাদের বিচারের আওতায় আনা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন সু চি। অন্যদিকে, গাম্বিয়া মিয়ানমারের প্রতিশ্রুতিতে আস্থা রাখা যায় না বলে জানায়। তারা রোহিঙ্গা গণহত্যা ও সহিংসতা বন্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতকে অন্তর্বর্তী নির্দেশের দেওয়ার অনুরোধ করে। পরে আজ অন্তর্বর্তী আদেশে আলোচিত এই মামলাটি চালানোর সিদ্ধান্ত দিয়েছেন আদালত। মিয়ানমারের প্রতিনিধি ও আইনজীবীরা আদালতের আদেশের বিষয়ে কোনো ধরনের কথা বলেননি বলে জানা যায়।
দেশকে সম্পূর্ণ দারিদ্রমুক্ত করা আমাদের লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী
২৩জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সমাজের কোনো অংশ যাতে পিছিয়ে না পড়ে সে লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। মুজিববর্ষে দারিদ্রসীমা আরও দেড় থেকে দুভাগ কমিয়ে দেশকে সম্পূর্ণ দারিদ্রমুক্ত করা আমাদের লক্ষ্য। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) নোয়াখালির স্বর্ণদ্বীপে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শীতকালীন মহড়া পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, সমাজের কোনো অংশ যাতে অবহেলিত না থাকে সেদিকে লক্ষ্য রেখে আমরা কাজ করছি। বাংলাদেশের জনসংখ্যাকে উন্নত করা আমাদের লক্ষ্য। যাতে বিশ্বে মাথা উঁচু করে চলতে পারি, তার জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, প্রবৃদ্ধিতে আনেক দেশ যেখানে পিছিয়ে পড়ছে আমরা সেখানে অনেক এগিয়ে যাচ্ছি।
১২৭১ মুক্তিযোদ্ধার তথ্য চেয়েছে মন্ত্রণালয়
২৩জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নতুন করে ১ হাজার ৩৭৯ জন মুক্তিযোদ্ধাক রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতে যাচ্ছে সরকার। সুপারিশের আলোকে গেজেটভুক্তি করতে প্রথম দফায় ১ হাজার ২৭১ মুক্তিযোদ্ধার বিস্তারিত তথ্য চেয়ে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলে (জামুকা) চিঠি দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। জানা গেছে, জামুকার সুপারিশপ্রাপ্ত ১ হাজার ৩৭৯ জনের মধ্যে এক হাজার ২৭১ জনের বিস্তারিত তথ্য-উপাত্ত চেয়েছে মন্ত্রণালয়। তাদের গেজেট জারির আগে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত যাচাই করা হবে। বাকি ১০৮ জনের বিষয়ে আদালতে মামলা থাকায় তাদের গেজেট আপাতত হচ্ছে না। জামুকায় চিঠিতে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে আলাদা ছকে জামুকার সুপারিশপ্রাপ্ত জীবিত ও মৃত উভয় ধরনের মুক্তিযোদ্ধাদের তথ্য চাওয়া হয়েছে। জীবিতদের জন্য শুধু অনলাইন/সরাসরি করা আবেদনের ফটোকপি এবং সংশ্লিষ্ট মুক্তিযোদ্ধার জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্ম প্রমাণপত্র/এসএসসির সনদের ফটোকপি চাওয়া হয়েছে। আর মৃত মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষেত্রে ৭ ধরনের কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- ক. অনলাইন/সরাসরি করা আবেদনের ফটোকপি খ. সংশ্লিষ্ট মুক্তিযোদ্ধার জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্ম প্রমাণপত্র/এসএসসির সনদের ফটোকপি গ. মৃত্যুর সনদপত্র ঘ. ওয়ারিশ সনদপত্র ঙ. আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি. চ. আবেদনকারীর এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ফটোকপি এবং ছ. ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে ওয়ারিশগণের প্রদত্ত ক্ষমতাপত্র। মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্তির জন্য ২০১৪ সালের অক্টোবর পর্যন্ত অনলাইনে এক লাখ ২৩ হাজার ১৫৪ জন এবং সরাসরি ১০ হাজার ৯০০ জন আবেদন করেছিলেন জামুকায়। পরে ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে ৪৭০টি কমিটির মধ্যে ৩৮৫টি তাদের প্রতিবেদন জমা দিলেও, সদস্যদের দ্বন্দ্ব এবং আদালতে মামলা থাকায় ৮৫টি কমিটি কাজ করতে পারেনি। উপজেলা কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ফের জামুকায় অধিকতর যাচাই-বাছাই করতে প্রতি বিভাগে উপকমিটি করা হয়। এ উপকমিটির সুপারিশের আলোকে গত ১০ ডিসেম্বর প্রথম দফায় এক হাজার ৩৭৯ জনকে গেজেটভুক্ত করার সুপারিশ করে জামুকা।
দৃশ্যমান হলো পদ্মা সেতুর ৩৩০০ মিটার
২৩জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পদ্মা সেতুতে বসানো হয়েছে ২২তম স্প্যান। এর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হলো সেতুর ৩ হাজার ৩০০ মিটার। সেতুর মাওয়া প্রান্তের ৫ ও ৬ নম্বর পিয়ারের উপর বসানো হলো এই ২২তম স্প্যান। এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে ইয়ার্ড থেকে রওনা হওয়ার জন্য পজিশনিং করার মধ্য এই স্প্যান বসানোর প্রক্রিয়ার শুরু হয়। পরে ভাসমান ক্রেনবাহী জাহাজ স্প্যান নিয়ে রওনা হয়। পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আব্দুল কাদের জানিয়েছিলেন, আগামী ২৫ জানুয়ারি চাইনিজ নিউ ইয়ার থাকায় নির্ধারিত সময়ের দু দিন আগেই এটি খুঁটিতে তোলা হচ্ছে। কারণ পদ্মা সেতুতে অনেক চীনা প্রকৌশলী, কর্মকর্তা ও কর্মী রয়েছেন। তাই আবহাওয়াসহ সবকিছু অনুকূলে থাকলে বৃহস্পতিবাররই স্প্যানটি পিয়ারে স্থাপন হবে। ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যরে স্প্যানটি বসে গেলে সেতুর ৩ হাজার ৩০০ মিটার দৃশ্যমান হবে। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার এই সেতুতে থাকবে মোট ৪২টি পিয়ার। এর মধ্যে ৩৬টি পিয়ার সম্পন্ন হয়েছে। সেতুতে মোট ৪১টি স্প্যান বসবে। যার ২১টি বসে গেছে। আগামী জুলাইয়ে সব স্প্যান বসে যাওয়ার কথা রয়েছে। মূল সেতু নির্মাণ করছে চীনের চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন। নদী শাসনের কাজে নিয়োগ করা হয়েছে চীনের সিনোহাইড্রো করপোরেশনকে। দুটি সংযোগ সড়ক ও অবকাঠামো নির্মাণ করেছে বাংলাদেশের আবদুল মোমেন লিমিটেড। এই সেতুর নির্মাণ কাজ তদারক করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বুয়েট ও কোরিয়া এক্সপ্রেসওয়ে করপোরেশন অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস। এই সেতু নির্মাণের ফলে দেশের বাণিজ্য, উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। জিডিপি দেড় থেকে দুই শতাংশ বৃদ্ধি পাবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। পদ্মা বহুমুখী মূল সেতুর ৮৫ দশমিক ৫ শতাংশ নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ফাস্ট ট্র্যাক মনিটরিং কমিটি। এছাড়া এই প্রকল্পের পুরো কাজের ৭৬ দশমিক ৫০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। গত রোববার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ফাস্ট ট্র্যাক মনিটরিং কমিটির পঞ্চম সভায় এই তথ্য জানানো হয়। পদ্মা বহুমুখী প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি তুলে ধরে সভায় জানানো হয়, পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় জাজিরা প্রান্তে এপ্রোচ রোডের কাজ-৯১ শতাংশ, মাওয়া প্রান্তে এপ্রোচ রোডের কাজ ১০০ শতাংশ, সার্ভিস এরিয়া (২)-১০০ শতাংশ, মূল সেতু নির্মাণ কাজ ৮৫.৫০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে এবং নদী শাসনের কাজ ৬৬ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৭৬.৫০শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। আগামী জুলাইয়ে সব স্প্যান বসে যাওয়ার কথা রয়েছে। চলতি মাসের প্রথম স্প্যানটি বসে ১৪ জানুয়ারি। এরআগে গত বছরের ১১ ডিসেম্বর পদ্মা সেতুর ১৮তম স্প্যান ও ১৮ ডিসেম্বর বসানো হয় ১৯তম স্প্যান এবং ৩০ ডিসেম্বর বলে ২০তম স্প্যানটি। সেতুর রোডওয়ে স্ল্যাব ও রেলওয়ে স্ল্যাবসহ অন্যান্য কাজ সিডিউল অনুযায়ী চলছে। দেশের সর্ববৃহৎ সেতুটির মূল অংশের নির্মাণকাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেড। ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে সেতুর কাজ শুরু হয়। ৬ দশমিক ১৫০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের দ্বিতল সেতুটি কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে।
ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে পুলিশের আত্মহত্যা
২৩জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফেসবুকে একটি পোস্ট দেয়ার পর রাজধানীর মিরপুর ১৪ নম্বরে পুলিশ লাইন মাঠে নিজের ইস্যু করা অস্ত্র দিয়ে নিজের বুকেই গুলি চালিয়েছেন এক পুলিশ সদস্য। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ওই পুলিশ সদস্যের নাম মো. কুদ্দুস সাহা (৩১)। তিনি নায়েক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিমুজ্জামান জানান, কুদ্দুস মিরপুর পুলিশ লাইনে ব্যারাকে থাকতেন এবং তার পদবি ছিল নায়েক। মৃত্যুর আগে তিনি ফেসবুকে একটা স্ট্যাটাস দেন। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি নিজেই পোস্টটি দিয়েছিলেন এবং এর ফলশ্রুতিতেই আত্মহত্যা করেন। তবে এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে। কুদ্দুসের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে বলে জানানো হয়েছে।
ঢাকার সিটি করপোরেশন নির্বাচনে উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় থাকবে
২২জানুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন ঢাকার সিটি করপোরেশন নির্বাচনের এখন পর্যন্ত চমৎকার, সুন্দর পরিবেশ বজায় রয়েছে। ভোটে উৎসবমুখর, সুন্দর ও চমৎকার একটি পরিবেশ থাকবে। জানালেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. জাবেদ পাটোয়ারী। আজ বুধবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভা শেষে তিনি একথা বলেন। জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, প্রার্থীরা তাদের প্রচারণা চালাচ্ছেন। আমরা আশা করছি আগামী যে কয়দিন আছে, উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় থাকবে। সেজন্য আমাদের সবাই পরিকল্পনা নিয়েছে। তিনি বলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশসহ গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে সুন্দর এবং চমৎকার একটি পরিবেশ বজায় রাখার জন্য। তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত উল্লেখ করার মতো কোনও ঘটনা ঘটেনি। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তাদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাচ্ছে ভোটার এবং প্রার্থীদের আস্থা অর্জনের জন্য। আমি মনে করছি এটি শেষ পর্যন্ত আমরা বজায় রাখতে পারবো। বাড়তি ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে পুলিশ প্রধান বলেন, বাড়তি ব্যবস্থার প্রয়োজন নেই। যে কাজটুকু আছে সঠিকভাবে করছি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম এবং অতিরিক্ত সচিব মোখলেছুর রহমান, অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, র‌্যাব, আনসার ও ভিডিপি, ডিজিএফআই, এনএসআইয়ের মহাপরিচালক, বিভাগীয় কমিশনার, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার, ঢাকা রেঞ্জের উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক, ঢাকা জেলা প্রশাসক ও ঢাকার পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন।
ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনে কোন ধরনের অনিয়ম দেখতে চাই না
২২জানুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনে কোন ধরনের অনিয়ম দেখতে চাই না। জনগণ যাতে পছন্দের প্রার্থীকে নির্বিঘ্নে ভোট দিয়ে বাড়ি ফিরতে পারে এবং এজেন্টরা যাকে কেন্দ্রে থেকে দায়িত্ব পালন করতে পারে সে ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। গাফলাতির কোনো অভিযোগ এলে তাদের বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। আজ বুধবার বিকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে নির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার জন্য আমাদের প্রত্যয় রয়েছে, দৃঢ়তা রয়েছে, নিষ্ঠা এবং একগ্রহতা রয়েছে। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য আমরাই একমাত্র কর্তৃপক্ষ। যাদের নির্দেশে এবং ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা তাদের দায়িত্ব পালন করছে। যে যার অবস্থান থেকে তার দায়িত্ব পালন করতে হবে। এটা করা গেলেই নির্বাচন অবাধ ও সুষ্টু হবে। সিইসি বলেন, বাংলাদেশে এক সরকার, এক দেশ, এক রাজধানী। সেই প্রেক্ষাপটে ঢাকা সিটি দুইটি অংশে বিভক্ত। রাজধানীর দুইটি অংশে নির্বাচন হচ্ছে। এই নির্বাচনের দিকে আন্তর্জাতিক মহল থেকে শুরু করে দেশের সর্বস্তরের জনগণ তাকিয়ে রয়েছে। ঢাকা সিটি নির্বাচন নিয়ে জনগণ, প্রার্থী এবং ভোটারদের মাঝে একটা মহাউৎসব আমেজ চলছে। এই আমেজের প্রতি যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে বলবো নির্বাচন যাতে অবাধ সুষ্টু হয়। আমার ভোট আমি দেব। একইসঙ্গে যে পছন্দের প্রার্থীকে দেব সেই প্রার্থীকে যেন দিতে পারি সেই ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। আর এইজন্য যার যার অবস্থান থেকে আইন দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। কেএম নূরুল হুদা আরও বলেন, আমি চাই না নির্বাচনে কোন রকমের অভিযোগ, অনিয়ম ক্রটি বিচ্যুতি নির্বাচন কমিশন পর্যন্ত আসুক। আমি আশা করবো মাঠ পর্যায়ে যারা দায়িত্ব পালন করছেন, তারাই যেন যে কোন অনিয়ম ক্রুটি বিচ্যুতি কঠোরভাবে দমন করেন। যাতে নির্বাচন কমিশন পযন্ত কোন অভিযোগ আসতে না পারে। ইসিতে কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ আসলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি বলেন, প্রায়ই বলা হয়ে থাকে এজেন্টদের ভোটকেন্দ্রে যেতে দেয়া হয় না। কিংবা ভোট কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া হয়। এই ধরনের অভিযোগ যাতে আর না আসে। ভোটকেন্দ্রে এজেন্ট প্রবেশ করলে তার নিরাপত্তা দেয়ার দায়িত্ব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর। তবে কোন এজেন্ট বাড়ি থেকে না আসলে তাকে নিয়ে আসার দায়িত্ব আমাদের না। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, কোনো ধরনের অনিয়ম ও ক্রটি বিচ্যুতি দেখতে চাই না। গাফলাতির কোনো অভিযোগ এলে তাদের বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশে সন্তাষ প্রকাশ করে সিইসি বলেন, সবার নজর ঢাকা সিটির ভোটের দিকে। আমরা কঠোর অবস্থানে রয়েছি। ভোটে সবাই মহাউৎসবের আমেজে রয়েছে। এর যথাযথ গুরুত্ব অনুধাবন করে নিজ নিজ অবস্থানে থেকে সঠিক দায়িত্ব পালন করতে হবে। বিএনপি মেয়র প্রার্থীর প্রচারে হামলার বিষয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়ার পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেন সিইসি। তিনি বলেন, এটা অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ দেয়ার আগে রিটার্নিং কর্মকর্তা তাৎক্ষণিকভাবে খতিয়ে দেখার জন্যে বলেছে। ইভিএমে ভোট প্রক্রিয়ার বিষয়ে সর্বোচ্চ প্রযুক্তির সফলতাও তুলে ধরেন সিইসি বলেন, ইভিএমের মাধ্যমে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব। এতে করে কেন্দ্র দখল করার কোন সুযোগ নেই। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে বৈঠকে চার নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম, ও ইসির সিনিয়র মো. আলমগীর, ঢাকার দুই সিটির রিটার্নিং কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব, মহাপুলিশ পরিদর্শক, র‌্যাবের মহাপরিচালক, ডিএমপি কমিশনার, বিজিবি মহাপরিচালক, ডিজিএফআই পরিচালকসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর