মঙ্গলবার, আগস্ট ৪, ২০২০
এটি দুর্ঘটনা নয়, হত্যাকাণ্ড: নৌ প্রতিমন্ত্রী
২৯জুন,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ক্যামেরার ফুটেজ দেখে মনে হয়েছে এটি দুর্ঘটনা নয়, এটি একটি হত্যাকাণ্ড। এক্ষেত্রে লঞ্চ মালিকদের গাফিলতি আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে। সোমবার (২৯ জুন) সদরঘাটে যাত্রীবাহী লঞ্চ দুর্ঘটনার স্থান এবং উদ্ধার কার্যক্রম পরিদর্শনকালে একথা বলেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, বিআইডব্লিউটিএর নৌ দুর্যোগ তহবিল থেকে লঞ্চ দুর্ঘটনায় মৃত প্রত্যেকের পরিবারকে দেড় লাখ টাকা করে দেওয়া হবে। তাৎক্ষণিকভাবে দাফনের জন্য বিআইডব্লিউটিএর পক্ষ থেকে ১০ হাজার করে টাকা এবং ঢাকা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২০ হাজার করে টাকা দেওয়া হয়েছে। এসময় মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক এবং নৌপুলিশের ডিআইজি মো. আতিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
ভূমিমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন
২৯জুন,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশব্যাপী ই-মিউটেশন বাস্তবায়নের স্বীকৃতি স্বরূপ ভূমি মন্ত্রণালয় জাতিসংঘের মর্যাদাপূর্ণ ইউনাইটেড নেশনস পাবলিক সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড-২০২০ অর্জন করায় ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ এবং ভূমি মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন দপ্তর/সংস্থায় কর্মরতসহ ই-মিউটেশন কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ অভিনন্দন জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১৯ সালের জুলাই থেকে দেশব্যাপী নামজারির প্রচলিত পদ্ধতির পরিবর্তে ই-নামজারি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, ফলে জনগণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে ঘরে বসে নামজারি করতে পারছে। এ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের সর্বোচ্চ মর্যাদা 'ইউনাইটেড ন্যাশনস পাবলিক সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড-২০২০' অর্জন করেছে। আমি আশা করি, সব মন্ত্রণালয় এটা অনুসরণ করবে। চলতি মাসের ৫ জুন জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিষয়ক বিভাগের (ডেসা) আন্ডার সেক্রেটারি-জেনারেল লিউ ঝেনমিন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমাকে একটি চিঠির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ভূমি মন্ত্রণালয়কে দেওয়া এ পুরস্কারের কথা জানান। এরপর ১৬ জুন জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ী ৭টি দেশের ৭টি প্রতিষ্ঠান কিংবা উদ্যোগের নাম ঘোষণা করে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক রূপকল্প ২০২১ ও ২০৪১ বাস্তবায়নে এবং প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব আহমেদ ওয়াজেদের স্বপ্ন ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে ভূমি মন্ত্রণালয় ভূমিসেবা ডিজিটাল সেবায় রূপান্তর সম্পন্ন করছে। ই-মিউটেশন এরই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ইউনাইটেড নেশনস পাবলিক সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড-২০২০ প্রাপ্তি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সবার সম্মিলিত অর্জন। ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর নেতৃত্বে এবং ভূমিসচিব মো. মাক্ছুদুর রহমান পাটওয়ারীর তত্ত্বাবধানে ২০১৯ সালের জুলাই থেকে তিন পার্বত্য জেলা ব্যতিত সারাদেশে ই-মিউটেশন কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে। এ কাজে কারিগরি সহায়তা করছে আইসিটি বিভাগের এটুআই প্রকল্প। ভূমি সংস্কার বোর্ডের ব্যবস্থাপনায় সহকারী কমিশনারদের (ভূমি) মাধ্যমে ই-নামজারি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
যে সংকটই আসুক সরকার শক্তভাবে মোকাবিলা করবে: প্রধানমন্ত্রী
২৯জুন,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামীতে দেশের সামনে যে সংকটই আসুক না কেন আওয়ামী লীগ সরকার তা শক্তভাবে মোকাবিলা করবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর ভাষণ দেওয়ার সময় এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এ সময় অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন। এসময় করোনা পরিস্থিতিতে সৃষ্ট সংকট মোকাবিলায় ক্ষমতাসীন সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ ও প্রস্তাবিত বাজেটে বিভিন্ন খাতের বরাদ্দ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামীতে দেশের সামনে যে সংকটই আসুক না কেন আওয়ামী লীগ সরকার তা শক্তভাবে মোকাবিলা করবে। দেশে কোনো সংকট হতে দেবে না। আমরা বাজেট বাস্তবায়নে অতীতে ব্যর্থ হইনি, ভবিষ্যতেও ব্যর্থ হবো না। আমরা কখনও হতাশায় ভুগি না। যে বাজেট দেওয়া হয়েছে তা বাস্তবায়নে আমরা সক্ষম হবো। বিশ্ব মানদণ্ডে আমাদের শক্তিশালী অবকাঠামো আছে। চলতি জুন মাসেও আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলারের ওপরে। তাই যত বাঁধাই আসুক, তা অতিক্রম করে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে, এগিয়ে যাচ্ছে। প্রস্তাবিত বাজেটকে উচ্চাভিলাষী অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতি একটি ক্রান্তিকালের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। শুধু আমরা না, সারা পৃথিবীতেই এই অবস্থা। এ পরিস্থিতির মধ্যেই আমাদের বাজেট দিতে হয়েছে। বর্তমানে সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও একটা বিরূপ প্রভাব পড়েছে। কিন্তু আশা করি ২০২১ সালে বিশ্ব ধীরে ধীরে করোনার প্রভাব থেকে বেরিয়ে আসবে। আমরা আশাবাদী যে, উত্তরণ ঘটবে। এ কারণেই উচ্চাভিলাষী বাজেট দিয়েছি। বক্তব্যকালে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় এ সরকারের বিভিন্ন প্রস্তুতির কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা করোনা মোকাবিলা করছি, ঘূর্ণিঝড় আম্পান মোকাবিলা করেছি। আগামীতে বন্যা আসবে, সেটাও মোকাবিলা করতে হবে। এর জন্য প্রস্তুত আছি। আগে থেকে প্রস্তুত থাকলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করা যায়। করোনা পরিস্থিতিতে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে এতে মৃত্যুহার কম উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোনো মৃত্যুই কাম্য নয়, গ্রহণযোগ্য নয়, আমরা এটা চাই না। আমরা চেষ্টা করছি কীভাবে মানুষকে সুরক্ষা দেওয়া যায়। মানুষও নিশ্চয়ই স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিজেদের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে। করোনায় আমাদের মৃত্যুর হার ১.২৬ শতাংশ, যেখানে ভারতে তা ৩.০০ ও পাকিস্তানে ২.০৮ শতাংশ। যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করায় আমরা মৃত্যুর হার নিম্ন রাখতে সক্ষম হয়েছি। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, করোনা পরিস্থিতেও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবকাঠামোর তেমন ক্ষতি হয়নি, যা প্রকৃতিক দুর্যোগে হয়। আগামী অক্টোবর-নভেম্বরে হয়তো করোনার প্রতিষেধক চলে আসবে। অর্থনৈতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। আমরা করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১ লাখ ৩ হাজার ১৭ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছি। বাংলাদেশ আগামী ২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশ এবং ৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হবে। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আমরা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। এ লক্ষ্য নিয়েই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে। এ ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। অর্থনৈতিক অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে দুর্নীতি বিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।
দেড় হাজার সাংবাদিক ১০ হাজার টাকা করে অনুদান পাবেন: তথ্যমন্ত্রী
২৯জুন,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কোভিড-১৯ সংকট পরিস্থিতিতে দেড় হাজার সাংবাদিককে ১০ হাজার টাকা করে অনুদান দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে এই অনুদান দেয়ার প্রক্রিয়া প্রায় সম্পন্ন হয়েছে বলেও মন্ত্রী জানান। সোমবার জাতীয় সংসদে টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সংসদ সদস্য শহীদুজ্জামান সরকারের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। হাছান মাহমুদ বলেন, মহামারী করোনাভাইরাসে দেশের সংবাদকর্মীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়েই সংবাদ সংগ্রহ ও প্রচার করছেন। তাদের বিষয়ে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়ে এক হাজার ৫০০ সাংবাদিককে এককালীন ১০ হাজার টাকা করে অনুদান দেয়ার প্রক্রিয়া প্রায় শেষ করা হয়েছে। পরবর্তী পর্যায়ে আরও সাংবাদিককে এ অনুদান দেয়া হবে। এ ছাড়া এই ট্রাস্টের মাধ্যমে ২০১৯-২০ অর্থবছরে অসুস্থ, অসচ্ছল ও দুর্ঘটনাজনিত কারণে আহত ও নিহত সাংবাদিক পরিবারের মাঝে তিন কোটি ১০ লাখ টাকা অনুদান দেয়া হবে। ২০১১-১২ অর্থবছর থেকে এ পর্যন্ত ১০ কোটি ৭৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা অনুদান হিসেবে দেয়া হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি জানান, সাংবাদিকরা যাতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করোনা টেস্ট ও চিকিৎসাসেবা পান, এ জন্য ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সূত্র : যুগান্তর
বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবি, শিশুসহ ৩১ জনের মরদেহ উদ্ধার
২৯জুন,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর শ্যামবাজার ফরাসগঞ্জে বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবির ঘটনা ঘটেছে। এখন পর্যন্ত ৩১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, লঞ্চটিতে অর্ধশতাধিক যাত্রী ছিল। তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লঞ্চে দেড়শরও বেশি যাত্রী ছিল। ফায়ার সার্ভিসের সদরঘাট নদী ফায়ার স্টেশনের ডুবুরি ইউনিট অনুসন্ধান কার্যক্রম চালাচ্ছে। নিউজ একাত্তরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিস সদর দফতরের কর্মকর্তা আজিজুল ইসলাম। কোস্ট গার্ড সদর দফতরের মিডিয়া উইং এর কর্মকর্তা লেঃ কমান্ডার হায়াৎ ইবনে সিদ্দিক জানান, এখন পর্যন্ত ৩১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে পাঁচ জন নারী, ২৩ জন পুরুষ এবং ২ জন শিশু রয়েছে। তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত সন্দেহ থাকবে এখনও মরদেহ থাকতে পারে, ততক্ষণ পর্যন্ত কোস্ট গার্ডের উদ্ধার অভিযান চলমান থাকবে। জানা যায়, সোমবার (২৯ জুন) সকাল নয়টার দিকে ময়ুর-২ নামের একটি লঞ্চের ধাক্কায় কমপক্ষে ৫০ জন যাত্রী নিয়ে মর্নিং বার্ড লঞ্চটি ডুবে যায়। কেরানীগঞ্জের একটি ডকইয়ার্ড থেকে মেরামত শেষে ময়ূর-২ নদীতে নামানোর সময় ওই দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। এদিকে ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাজ্জাদ হোসেন নিউজ একাত্তরকে জানান, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ চলছে। উদ্ধার তৎপরতা শেষে ফায়ার সার্ভিস আলাদা একটি তদন্ত কমিটি গঠন করবে। ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে নৌবাহিনী,ফায়ার সার্ভিস ও নৌপুলিশ। এদিকে খবর পেয়ে উদ্ধার কাজে অংশ নিতে নারায়ণগঞ্জ থেকে বিআইডব্লিউটিএর উদ্ধারকারী জাহাজ রওনা দিয়েছে বলে জানা গেছে।
ডিজিটাল মেলা-২০২০এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন আগামীকাল
২৮,জুন,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অনলাইন প্লাটফর্মে আজ (২৮ জুন) থেকে সারাদেশে তিন দিনব্যাপী ডিজিটাল মেলা- ২০২০ শুরু হয়েছে। বর্তমান করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে ৬৪টি জেলার ডিজিটাল কার্যক্রমকে জাতীয় তথ্য বাতায়নের মাধ্যমে নাগরিকদের কাছে উপস্থাপনের লক্ষ্যে এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর ও এটুআই-এর আয়োজনে এবং মাঠপ্রশাসনের সহযোগিতায়- এ মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক মেলার দ্বিতীয় দিন সোমবার বেলা ১১ টায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত খেকে এ মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন আইসিটি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম। এছাড়া সকল বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ও আইসিটি অধিদপ্তরের মাঠপর্যায়ের প্রোগ্রামার ও সহকারী প্রোগ্রামারগণ এতে জুম অনলাইন মাধ্যমে অংশগ্রহণ করবেন। উল্লেখ্য, দেশের জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন ডিজিটাল কার্যক্রমের টেক্সট বা প্রেজেন্টেশন, ছবি, ভিডিও, জেলা ব্র্যান্ডীং এবং প্রয়োজনীয় তথ্য জাতীয় তথ্য বাতায়নে সংযুক্ত করার মাধ্যমে নাগরিকদের কাছে উপস্থাপন করাই এ মেলার মূল উদ্দেশ্য। ডিজিটাল মেলা উদ্যাপনের লক্ষ্যে প্রনীত গাইডলাইন অনুযায়ী জেলা প্রশাসকগণ সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারি ,জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, স্কুল বা কলেজের শিক্ষকবৃন্দ, আইসিটি ব্যক্তিত্ব বা উদ্যোক্তাসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের সম্পৃক্ততায় অনলাইন প্রেস ব্রিফ্রিং, প্রচার এবং বিষয়ভিত্তিক সেমিনারের আয়োজন করবেন। এ ছাড়াও ডিজিটাল বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার ১১ বছরের অর্জন সম্পর্কিত কার্যক্রমসমূহ, কোভিড-১৯, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ ইত্যাদি ব্যানার বা পোস্টার-এর মাধ্যমে প্রচারের করবেন ।এই ডিজিটাল মেলা চলবে ৩০ জুন পর্যন্ত। মেলা ভিজিট করার ঠিকানা https://bangladesh.gov.bd/site/view/digitalfair2020
দেশের সকল সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর পাশে আছেন : শ ম রেজাউল
২৮,জুন,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি বলেছেন, এদেশের সকল সমস্যা সমাধানে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশবাসীর পাশে রয়েছেন। মহামারী করোনা, ঘূর্ণিঝড় বুলবুল ও আম্পানসহ সকল দুর্যোগময় মুহুর্তে তিনি সহায়তা দিয়ে প্রমাণ করেছেন যে তাঁর কোন বিকল্প নাই। মন্ত্রী আজ তার নির্বাচনী এলাকার নাজিরপুর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলে ক্ষতিগ্রস্ত ১৩৭ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ঢেউটিন ও টাকা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ১৩৭ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২০০ বান্ডিল ঢেউটিন ও ৬ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে মন্ত্রী অনলাইনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন এবং টিন বিতরণের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। অনান্যের মধ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ওবায়দুর রহমান ও উপজেলা চেয়ারম্যান অমূল্য রঞ্জন হালদার বক্তব্য রাখেন। মন্ত্রী বলেন, ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল ঘুর্ণিঝড়ে ১ লাখ ৩৯ হাজার মানুষ প্রাণ হারালেও সে সময়ের বিএনপি সরকার উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষদের প্রাণ বাঁচানোর জন্য পূর্ববর্তী কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি এবং দূর্যোগ পরবর্তী সময়ও তাদেরকে প্রয়োজন অনুযায়ী ত্রাণ ও গৃহ নির্মাণ সামগ্রী না দিয়ে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। দেশে করোনা সংক্রমণ শুরু হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে দেড় কোটিরও অধিক পরিবারের ৬ কোটি মানুষকে দীর্ঘ সময়ে ত্রাণ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে এবং এখনও তা চলমান আছে। এছাড়া শিশুদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ শিশু খাদ্যেরও ব্যবস্থা করেছে বর্তমান সরকার। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমাদের একটি স্বাধীন দেশ উপহার দিয়েছেন আর তারই কন্যা আজ ক্ষুধা, দারিদ্র মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে নিরলস পরিশ্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। ২০০৮ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনা তার নির্বাচনী ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কথা বলেছিলেন, আজ তার সে স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়েছে। আজ আমরা ক্ষুধা মুক্ত-দারিদ্র মুক্ত, বিজ্ঞান মনষ্ক, অসাম্প্রদায়িক, কু-সংস্কারমুক্ত আধুনিক জ্ঞান বিজ্ঞানে সমৃদ্ধ একটি জাতিতে পরিণত হবার দ্বারপ্রান্তে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পৌঁছে গেছি।

জাতীয় পাতার আরো খবর