রবিবার, নভেম্বর ১৮, ২০১৮
প্রধানমন্ত্রীর শোক রমা চৌধুরীর মৃত্যুতে
অনলাইন ডেস্ক: একাত্তরের জননী খ্যাত বীরাঙ্গনা রমা চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস উইং সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেন। ৭১-এ মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে দুই ছেলেকে হারান তিনি। এ সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী দ্বারা নির্যাতিত হন রমা চৌধুরী। পুড়িয়ে দেওয়া হয় তাঁর ঘর-বাড়ি। একাত্তরের জননী, এক হাজার এক দিন যাপনের পদ্য এবং ভাব বৈচিত্র্যে রবীন্দ্রনাথসহ ১৮টি বই লেখেন তিনি। এক শোক বার্তায় শেখ হাসিনা মহান মুক্তিযুদ্ধে তাঁর ত&যাগ ও সংগ্রামের কথা গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। প্রধানমন্ত্রী মরহুমার আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।
নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে সারাদেশে পালিত হলো ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিন
অনলাইন ডেস্ক: পূজা, আরাধনা, আনন্দ শোভাযাত্রার বর্ণাঢ্য র‌্যালিসহ নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে সারাদেশে পালিত হলো পুণ্যতিথি মহাঅস্টমী, ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর- ফরিদপুর: ধর্মীয় ভাবগাম্ভির্যের মধ্য দিয়ে ফরিদপুরে জন্মাষ্টমী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে রোববার সকালে শহরের শ্রীঅঙ্গনে পূজা উদযাপন পরিষদের আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জন্মাষ্টমীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন এমপি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আছে বিধায় আজ আমরা সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে মিলে মিশে বসবাস করছি। এখানে সংখ্যালঘু বলে কিছু নেই। সবাই বাঙালী ও বাংলাদেশী। আমরা একে অন্যের ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রশাসক উম্মে সালমা তানজিয়া, পুলিশ সুপার মো. জাকির হোসেন খান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুবল চন্দ্র সাহা, শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী বরকত ইবনে সালাম, পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুকেশ চন্দ্র সাহা প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে শ্রী অঙ্গনের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন এলজিআরডি মন্ত্রী। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শ্রীঅঙ্গনে গিয়ে শেষ হয়। সুনামগঞ্জ : প্রতি বছরের মতো এবারও শ্রীকৃষ্টের জন্মদিন পালন করেছে শ্রী শ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ। পরিষদের এ আয়োজনে মঙ্গল শোভাযাত্রা পরবর্তী এক আলোচনা সভায় কালীবাড়ি নাট মন্দিরে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান। বক্তব্যে তিনি বলেন, চারদলীয় জোট যখন ক্ষমতায় ছিল তখন দেশ জঙ্গিদের আস্তানায় পরিণত হয়ে ছিল। কিন্তু আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর দেশে কোনো জঙ্গিবাদ নেই। জঙ্গি দমনে সরকার সব সময় তৎপর রয়েছে। বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র। একটি গোষ্ঠী তা চায় না তারা পাকিস্তানের মত দেশকে জঙ্গি রাষ্টে পরিণত করতে চায়। শ্রী শ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট.গৌরাঙ্গ পদ দাশের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম-সম্পাদক অনুপ কুমার ধরের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড.পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ, পুলিশ সুপার বরকতুল্লাহ খান, সিভিল সার্জন আশুতোষ দাশ প্রমুখ। পিরোজপুর : শ্রী কৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উৎসব উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকালে জন্মাষ্টমী উদ্যাপন পরিষদের আয়োজনে আখড়াবাড়ী মদন মোহন জীউ মন্দির থেকে এক শোভাযাত্রা শুরু হয়ে পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন শেষে কেন্দ্রীয় কালীবাড়িতে গিয়ে শেষ হয়। পরে কেন্দ্রীয় কালীবাড়ী মন্দিরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। শোভাযাত্রা ও আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান খালেক, জেলা সিপিবির সভাপতি ডা. তপন বসু, পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি বিমল কৃষ্ণ মন্ডল, জন্মাষ্টমী উদ্যাপন পরিষদের আহবায়ক শ্রী সুনীল চক্রবর্তী, ছাত্রঐক্য পরিষদের সভাপতি সুভ্রজিৎ সিকদার সুভ, সাধারণ সম্পাদক যয়দেব চক্রবতী ও দোলা গুহসহ ধর্মীয় নেতারা। নরসিংদী : নরসিংদীতে পরম পুরুষ ভগবান শ্রী কৃষ্ণের শুভ আবির্ভাব তিথি উদযাপন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা করেছে নরসিংদী জেলা হিন্দু মহাজোট ও পূজা উদ্যাপন পরিষদসহ সনাতন ধর্মাবলম্বী বিভিন্ন সংগঠন। আজ দুপুর ১২টার দিকে নরসিংদী জেলা হিন্দু মহাজোট এর উদ্যোগে গৌর বিষ্ণুপ্রিয়া আশ্রমধাম থেকে একটি মঙ্গল শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় গৌর বিষ্ণুপ্রিয়া আশ্রমধামে গিয়ে শেষ হয়। এসময় মঙ্গল শোভাযাত্রায় শতশত সনাতন ধর্মাবলম্বীরা অংশগ্রহণ করে। এছাড়া পূজা উদ্যাপন পরিষদের আয়োজনে জেলার পলাশ, শিবপুর, রায়পুরা উপজেলায় মঙ্গল শোভাযাত্রা বের করা হয়। চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের চৌগাছায় মহাবতার ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টামী উপলক্ষে সরদারপাড়া সমাজ উন্নয়ন সংস্থা কতৃক সর্বজনীন প্রার্থনা র‌্যালি ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকাল ১১ টায় উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে উপজেলা সমাজ উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি মিন্টু সরদারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন- উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ মিশ্র জয়, পৌর মেয়র নূর উদ্দীন আল মামুন হিমেল, সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ও আনন্দ কুমার সরদার। আালোচনা সভা শেষে একটি র‌্যালি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে। র‌্যালিতে শুভ জন্মাষ্টামী উদযাপন উপ-কমিটি, উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটিমহ হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন কমিটির নেতৃবৃন্দ ও সনাতন ধর্মের লোকজন উপস্থিত ছিলেন। চাঁদপুর: ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দ উৎসবের মধ্য দিয়ে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ছেঙ্গাররচর বাজার শ্রীশ্রী কালাচাঁদ বিগ্রহ মন্দিরের আয়োজনে রোববার শ্রী কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১১টায় ছেঙ্গাররচর পৌরসভার শ্রী শ্রী কালাচাঁদ বিগ্রহ মন্দির থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালিটি বের হয়ে থানা রোড ও উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে মন্দির প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। শ্রী শ্রী কালাচাঁদ বিগ্রহ মন্দিরের সভাপতি শ্যামল কুমার বাড়ৈর সভাপতিত্বে ও উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল চন্দ্র দাসের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন- সহকারী কমিশনার (ভূমি) শুভাশিষ ঘোষ। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন- মতলব উত্তর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আলমগীর হোসেন, বলরাম গোস্বামী, জয়দেব গোস্বামী, উপজেলা প‚জা উদযাপন পরিষদের সদস্য প্রভাত কুমার ভৌমিক, শ্রী শ্রী কালাচাঁদ বিগ্রহ মন্দিরের খগন্দ চক্রবর্তী, সাধারণ সম্পাদক বিমল চন্দ্র দাস। তাহিরপুর : সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাটে সকাল ১১ টায় শ্রী কৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বাদাঘাট শ্রী কৃষ্ণ সেবা সংঘের উদ্যেগে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা উতযাপিত হয়েছে। সকালে শোভাযাত্রাটি বাদাঘাট বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাদাঘাট কালীবাড়িস্থ সড়কে গিয়ে সমাপ্ত হয়। এ সময় শ্রীকৃষ্ণের ভক্তরা গান-বাজনার তালে নিজেদের আনন্দ-অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন। বর্ণাঢ্য র‌্যালিতে আরো উপস্থিত ছিলেন, বাদাঘাট কালী বাড়ি কার্যকরী কমিটির উপদেষ্টা বাবু মতিলাল তালুকদার, বাবু গোবিন্দ তালুকদার, সহ সাধারণ সম্পাদক বাবু দিলকুশ তালুকদার, বাদাঘাট কৃষ্ণ সেবা সংঘের উপদেষ্টা রামমোহন পূরকাস্থ রঙ্গু, চন্দন মোহন দাস, বাবু বুতো রঞ্জন পাল, অনিল তালুকদার, বাদাঘাট কৃষ্ণ সেবা সংঘের উপদেষ্টা ও অদ্বৈত জন্মধামের পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক গণেশ তালুকদার, সভাপতি রতন তালুকদার, সা: সম্পাদক অপু তালুকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক সমীর তালুকদার, অর্থ সম্পাদক জনি শুক্ল বৈদ্য প্রমূখ।
সাংবাদিক নির্যাতন বন্ধে যুগোপযোগি আইন চাই
অনলাইন ডেস্ক: সাংবাদিক নির্যাতন বন্ধে যুগোপযুগি আইন দাবি করেছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ)। জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে রবিবার ২ সেপ্টেম্বর সকাল ১১ থেকে বেলা ১২ টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত সমাবেশে সংগঠনটির নেতারা এ দাবি করেন। বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) ঢাকা জেলা কমিটির আয়োজনে দেশব্যাপী সাংবাদিকদের কলম বিরতির সমাবেশে বক্তারা বলেছেন, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে ৩৯ জন সাংবাদিক হত্যার শিকার হন। কিন্তু সাংবাদিক হত্যার বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে এই মাত্রা দীর্ঘতর হচ্ছে। যার অন্যতম উদাহরণ খুলনার সাংবাদিক মুকুল রানা হত্যাকান্ডের বিচার ২০ বছরেও সম্পন্ন না হয়ে ঝুলে আছে। এমতাবস্থায় মফঃস্বলের হাজার সাংবাদিক ক্রমাগত নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। বক্তারা বলেন, এ সমস্যা উত্তরণে সরকারের আশু পদক্ষেপ প্রয়োজন। আমরা সাংবাদিক নির্যাতন বন্ধে যুগোপযুগি আইন চাই। কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি ছিলেন- বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম বিএমএসএফ’র প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক আহমেদ আবু জাফর। বিশেষ অতিথি ছিলেন- বিএমএসএফ’র আইন উপদেষ্টা এ্যাড. কাওসার হোসাইন, সেভ দ্য রোড-এর প্রতিষ্ঠাতা মোমিন মেহেদী ও চিত্রনায়ক যুবরাজ খান। ঢাকা জেলা বিএমএসএফ’র সভাপতি মুছা মোরশেদ-এর সভাপতিত্বে কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন- সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাইনুল হাসান মৃধা, কার্যনির্বাহী সদস্য নান্টু লাল দাস, ঢাকা জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক উজ্জল ভূঁইয়া, আলীয়ার রাফি রতন, রফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক কবির নেওয়াজ, দীন ইসলাম, তারিকুল ইসলাম, শামসুল আলম তুহিন, ময়নাল হোসেন, শহীদুল ইসলাম, মো. সুমন, সুমাইয়া আক্তার তুলি, কেয়া মনি পিয়া, খায়রুল হাসান, মো. মামুন, রিতা আক্তার রিয়া প্রমুখ। কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় পালিত হয়। আলোকিত বাংলাদেশ
নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত সঠিক: নৌপরিবহনমন্ত্
অনলাইন ডেস্ক: জাতীয় সংসদের নির্বাচন স্বচ্ছ, পরিচ্ছন্ন ও গ্রহণযোগ্য করার লক্ষ্যে একশ' আসনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত সঠিক বলে জানিয়েছেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান। রোববার সকালে মাদারীপুর সার্কিট হাউসে জয় বাংলা উৎসের প্রস্তুতি সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, কয়েকটি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইতিমধ্যে ইভিএম ব্যবহার করে সফলতা পেয়েছে নির্বাচন কমিশন। এক সময় মানুষ সিল দিতেও পারতো না, সিল দেওয়া শিখেছে। তেমনি ইভিএম পদ্ধতি একবার চালু হলে মানুষ সেটার প্রতিও আস্থা পাবে। একটি নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার হলেই মানুষের চর্চা হয়ে যাবে, জনগণ ভালভাবে এটি বুঝতে পারবেন। শাজাহান আরো বলেন, আওয়ামীলীগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে জনগণের উপর ভিত্তি করে। কোনো চক্রান্ত করে আওয়ামীলীগ সরকার গঠন হয়নি। বিএনপি ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তে বিশ্বাস করে। তারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্যে দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারে বিএনপির বিরোধীতা কোনো প্রভাব ফেলবে না। ইভিএম কেনার ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। মন্ত্রী এ সময় বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে অনুরোধ করেন। মাদারীপুর সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে আয়োজিত ‘জয় বাংলা’ উৎসবের প্রস্তুতি সভায় নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- জেলা প্রশাসক ওয়াহিদুল ইসলাম, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মিয়াজ উদ্দিন খান, পুলিশ সুপার সুব্রত কুমার হালদার, সাবেক পৌর মেয়র খলিলুর রহমান শান, চৌধুরী নূরুল আমিন প্রমুখ।
বাংলাদেশিসহ আটক পাঁচ শতাধিক-মালয়েশিয়ায় ধরপাকড়
অনলাইন ডেস্ক: অবৈধদের বৈধ হওয়ার প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর পরই ৩+১ এর মাধ্যমে অবৈধ শ্রমিকদের ধরতে চলছে সাঁড়াশি অভিযান মালয়েশিয়ায়। ৩১ আগস্ট স্বাধীনতার প্রথম প্রহর থেকেই দেশব্যাপী চলমান সাঁড়াশি অভিযানে পাঁচ শতাধিকেরও বেশি অবৈধ শ্রমিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে। তবে ইমিগ্রেশন এর পক্ষ থেকে ৩৯৫ জনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। আটককৃতদের মধ্যে কতজন বাংলাদেশি আছে তা এখনও অভিবাসন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়নি। অবৈধ অভিবাসী বিরোধী অভিযান পরিচালনার সময় একজন ইমিগ্রেশন অফিসার মহিলা আহত হয়েছেন। সাঁড়াশি অভিযানের ফলে মালয়েশিয়ার বাঙালি অধ্যুষিত কোতারায়া এলাকা এখন ফাঁকা। এছাড়াও বাসগুলোতেও আর দেখা মিলছে না বিভিন্ন দেশের অভিবাসীদের। অভিযানের ফলে মালয়েশিয়াতে শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে বলে একাধিক মালিক এই প্রতিবেদককে জানিয়েছেন। অনেকেই ভিসা থাকা সত্বেও গ্রেফতার হচ্ছেন বলে জানা গেছে। অনেকের এজেন্টের নামে ভিসা করে মালয়েশিয়ার বিভিন্ন জায়গায় কাজ করছে। কিন্তু অভিবাসন বিভাগ বলছে অনুমতি বিহীন অন্য জায়গায় কাজ করলেই তাদেরকে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত করা হবে। অভিবাসন বিভাগের প্রধান জানান, মালয়েশিয়ার সম্ভাব্য সব জায়গায় আমাদের অভিযান পরিচালিত হবে এবং যতক্ষণ না পর্যন্ত তাদের আইনের আওতায় আনতে পারছি ততক্ষণ আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অবৈধ শ্রমিক এবং মালিকদের সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না। বিভিন্ন সময়ে অবৈধ অভিবাসী ধরা পড়লেও এবারের বেলায় রয়েছে ভিন্ন। সর্বোচ্চ ৫০ হাজার রিঙ্গিত সহ জেল জরিমানার বিধান রয়েছে। তিন বাহিনীর সর্বাত্মক প্রচেষ্টা মালয়েশিয়াকে অবৈধ অভিবাসী মুক্ত করা হবে বলে জানালেন অভিবাসন বিভাগের প্রধান। যে তিন বাহিনী দিয়ে এবারো অভিযান সাজানো হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন, পুলিশ ও রেলা। আর অবৈধ অভিবাসীদের বাসস্থান ও কর্ম ক্ষেত্র চিহ্নিত করার জন্য রয়েছেন বিভিন্ন বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ। অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করবে অভিবাসন বিভাগ। এছাড়াও মালয়েশিয়ার পরিত্যক্ত ঘর, ব্রিজের নিচে ও জঙ্গলে অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানান অভিবাসন বিভাগের প্রধান। অভিবাসীদের জনসমাগম সহ একত্রিত হতে দেখলেই অভিবাসন বিভাগের ফেসবুক পেজে অথবা টেলিফোন নাম্বার এ যোগাযোগ করতে বলা বলা হয়েছে। তথ্যদাতাদের পরিচয় গোপন রেখে অভিযান পরিচালনা করা হবে। শুধু অবৈধ অভিবাসী সন্ধানে নয় বরং তাদের মালিককেও আইনের মুখোমুখি করা হবে এবারের অভিযানে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত কোন প্রকার আউট পাস সংগ্রহ করতে দেয়া হবে না বলে জানান অভিবাসন বিভাগ প্রধান। বিভিন্ন সূত্রে প্রকাশ, বিদেশি নাগরিক দ্বারা পরিচালিত বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান আরো জোরদার করা হবে। এছাড়া কাজের অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও কাজ করলে তাকেও অবৈধ হিসেবে গণ্য করা হবে। আর অবৈধ হিসেবে ধরা পড়লেই ব্ল্যাক লিস্ট সহ জেল জরিমানার মুখোমুখি হতে হবে।
শুভ জন্মাষ্টমী আজ
অনলাইন ডেস্ক: আজ শুভ জন্মাষ্টমী। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিন। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস অনুযায়ী, দ্বাপর যুগের শেষভাগে ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে মথুরায় কংসের কারাগারে শ্রীকৃষ্ণের জন্ম হয়। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, কৃষ্ণ ছিলেন স্বয়ং ঈশ্বর। দুষ্টের দমন করে পৃথিবীতে শান্তি ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি মানুষরূপে পৃথিবীতে এসেছিলেন। সারা দেশে হিন্দু সম্প্রদায় উপবাস, পূজা-অর্চনা ও কৃষ্ণনাম কীর্তনসহ বিভিন্ন আচার-উপাচারের মধ্য দিয়ে যথাযোগ্য ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতায় উদযাপন করবে দিনটি। প্রতি বছরের মতো এবারও জন্মাষ্টমী উদযাপন উপলক্ষে কেন্দ্রীয়ভাবে মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ নানাবিধ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এছাড়া রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশন, ইসকনসহ বিভিন্ন মন্দিরে অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তারা দেশে ও দেশের বাইরে বসবাসরত সব সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। এছাড়া বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ এবং মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির নেতারা জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব স্তরের মানুষকে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি দু’দিনব্যাপী অনুষ্ঠান মালার আয়োজন করেছে। আজ গীতাযজ্ঞ, বিকাল ৩টায় ঐতিহাসিক মিছিল ও রাতে শ্রীকৃষ্ণ পূজা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা।
রোববার প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন
অনলাইন ডেস্ক: সাত দেশের জোট বিমসটেকের চতুর্থ শীর্ষ সম্মেলন শেষে নেপাল থেকে ফেরার দুদিন বাদে সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার (২ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪টায় গণভবনে এই সংবাদ সম্মেলন হবে বলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম জানিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিমসটেকের নানা বিষয় তুলে ধরে বক্তব্য দিবেন বলে শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো সংবাদবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। সামিট অব দ্য বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টিসেক্টোরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন (বিমসটেক)- এর চতুর্থ সম্মেলনে যোগ দিতে গত ৩০ আগস্ট দুই দিনের সফরে নেপাল যান প্রধানমন্ত্রী। এরপর গতকাল তিনি দেশে ফেরেন। বিমসটেক সম্মেলনে প্রদত্ত ভাষণে শেখ হাসিনা মুক্তবাণিজ্য অঞ্চল সৃষ্টি, বিনিয়োগ ও জ্বালানি খাতে যৌথ প্রচেষ্টা, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ এবং অর্থায়ন প্রক্রিয়া গড়ে তোলার মাধ্যমে বিমসটেক ফোরামে সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির সঙ্গে বৈঠক করেন।
দেশে স্বতন্ত্র আইন বিশ্ববিদ্যালয় এখন সময়ের দাবি:প্রধান বিচারপতি
অনলাইন ডেস্ক: দেশে একটি স্বতন্ত্র আইন বিশ্ববিদ্যালয় এখন সময়ের দাবি- এমন মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। শনিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে আহছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে খান বাহাদুর আহছানউল্লা স্বর্ণপদক প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এমন মন্তব্য করেন। দেশের স্বনামধন্য প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হককে অনুষ্ঠানে এই স্বর্ণ পদক প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি বলেন, আমি মনে করি আইন ও বিচার বিভাগের উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি স্বতন্ত্র আইন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা এখন সময়ের দাবি। ব্যারিস্টার রফিক-উল হকসহ এদেশের জ্ঞানতাপস ও আইনজ্ঞের কাছে নিবেদন করব তারা যেন আমাদের প্রতিবেশী দেশের আদলে অন্তত একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ আইন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন যা আইন শিক্ষার মান ও গবেষণাকে আরো সমৃদ্ধ করবে। তাদের এ কর্মের জন্য ভবিষ্যত প্রজন্ম, যারা আইনকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করবে- তাদের কাছে তারা প্রাতঃস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। ব্যারিস্টার রফিক উল হকের প্রশংসা করে প্রধান বিচারপতি বলেন, বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি রক্ষা, বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় তার ভূমিকা অপরিসীম। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মামলায় এমিকাস কিউরি হিসেবে আদালতকে তিনি মতামত দিয়েছেন। তার দেওয়া মতামত বিভিন্ন সময়ে গুরুত্ত্বপূর্ণ মামলার রায়ে প্রতিফলিত হয়েছে। জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রাক্তন সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রাক্তন চেয়ারম্যন ড. মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট এ এফ হাসান আরিফ বক্তব্য রাখেন।
শিক্ষা খাতে বরাদ্দ নয়, বিনিয়োগ করে সরকার
অনলাইন ডেস্ক: শিক্ষা খাতে সরকার বরাদ্দ নয়, বিনিয়োগ করে বলে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলে ৭ মার্চ ভবনের উদ্বোধন পরবর্তী এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। তার আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ওই ভবনের নামফলক উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের শিক্ষকরা যেমন শিক্ষা দেবেন, শিক্ষার্থীরাও উপযুক্ত শিক্ষাগ্রহণ করতে হবে। শিক্ষা মানে শুধু কেতাবি শিক্ষা না, জীবন মান উন্নয়নের শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। শিক্ষার্থীরা যে শিক্ষাগ্রহণ করবে তার সুফল যেনো আবার সাধারণ মানুষ পায়। সেদিকেও বিশেষ ভাবে দৃষ্টি দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে উচ্চ শিক্ষায় অন্যান্য দেশের তুলনায় সবচেয়ে কম খরচের কথা শিক্ষার্থীদের কাছে তুলে ধরে বলেন, শিক্ষায় আমরা যা খরচ করি; এটাকে কখনও আমরা খরচ হিসাবে মনে করি না। আমি মনে করি, এটা আমরা বিনিয়োগ করছি, যা আমাদের দেশ গঠনে কাজে লাগবে, আমাদের দেশের মানুষ উপযুক্ত হয়ে গড়ে উঠবে। শিক্ষার্থীদের নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে চলার পরামর্শ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উচ্ছৃঙ্খলতা কখনো গ্রহণযোগ্য নয়। সবাইকে নিয়ম মেনে চলতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করতে হলে নিয়ম মেনে আচরণ করতে হবে। রোকেয়া হলের নতুন ভবনে এক হাজার ছাত্রীর আবাসনের ব্যবস্থা হবে। প্রধানমন্ত্রী ভবনটি উদ্বোধন করে এই ভবনে স্থাপিত ৭ মার্চ জাদুঘর ঘুরে দেখেন। এই ভবন ব্যবহারের ক্ষেত্রে ছাত্রীদের যত্নবান হওয়ার তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই ভবনটা যেন পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকে; অবশ্যই তাদের এই নজরটা দিতে হবে। আমাদের বাঙালিদের একটা বদভ্যাস হচ্ছে; খেয়ে টেয়ে নিয়ে টাস করে ছুড়ে ফেলে দেওয়া। এই বদ অভ্যাসগুলো পরিহার করতে হবে। আজকে বিদ্যুৎ আছে বলে যথেচ্ছভাবে ব্যবহার করা, এটা যাতে না হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২০ সালে জাতির জন্মশতবার্ষিকী আমরা উদযাপন করব এবং ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করব। কাজেই এই সুবর্ণজয়ন্তী এবং জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী খুব অল্প সময়ের ব্যবধানেই কিন্তু আমরা উদযাপন করতে যাচ্ছি। বাংলাদেশ আজকে উন্নয়নের রোল মডেল উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি যখন যেখানেই যাই, ওই একটাই প্রশ্ন অনেকে জিজ্ঞাসা করেন, আপনারা এত দ্রুত কীভাবে অর্থনৈতিক উন্নতি করতে পারেন? কোনো কোনো রাষ্টপ্রধান বা সরকারপ্রধান তো জিজ্ঞাসা করেন, ম্যাজিকটা কী? আমি শুধু তাদের একটা কথাই বলি, এখানে কোনো ম্যাজিক নাই। ম্যাজিক একটাই, সেটা হলো একটা আদর্শ নিয়ে আমরা রাষ্ট্র পরিচালনা করি। ক্ষমতা আমার কাছে ভোগের বস্তু নয়। ক্ষমতা হচ্ছে জনগণের জন্য দায়িত্ব পালন করা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য নাসরিন আহমেদ ও মোহাম্মদ সামাদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ এবং রোকেয়া হলের প্রাধ্যক্ষ জিনাত হুদা বক্তব্য রাখেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর