মাদকবিরোধী অভিযান ,রাজধানীতে আটক ৯৬ জন
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদক সেবন ও বিক্রির দায়ে ৭০ জনকে আটক করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। শনিবার (০২ জুন) দিবাগত রাত থেকে শুরু করে রোববার (০৩ জুন) পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয় বলে জানিয়েছেন ডিএমপি উপ-কমিশনার মো.মাসুদুর রহমান। তিনি জানান, তাদের কাছ থেকে ৫ হাজার ৯৪৭ পিস ইয়াবা, ৮০৭ পুরিয়া হেরোইন, গাঁজা, ফেন্সিডিল, মদ ও ইনজেকশন পাওয়া গেছে। তিনি আরও জানান, তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৫৩টি মামলা করা হয়েছে। এদিকে, রাজধানীর তেজগাঁও ও মোহাম্মদপুরে অভিযান চালিয়ে আরও ২৬ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব-২ এর সদস্যরা। শনিবার দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয় বলে জানিয়েছেন র‌্যাবের মিডিয়া উইংয়ের সহকারি পরিচালক এএসপি মিজানুর রহমান। তিনি জানান, দেশজুড়ে চলমান মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানের ধারাবাহিকতায় তেজগাঁও ও মোহাম্মদপুর এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় ২৬ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। তবে আটককৃতদের নাম-পরিচয় জানাতে পারেন নি তিনি।
মাদকবিরোধী অভিযান চলবে
কোনো ধরনের আন্তর্জাতিক চাপ বা জাতিসংঘের পর্যবেক্ষণ কোনো সমস্যা নয়, মাদকবিরোধী অভিযান চলবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। রোববার (৬ জুন) দুপুরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মেট্রোরেলের একটি চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে এ কথা বলেন তিনি। সেতুমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মাদকবিরোধী অভিযান জাতিসংঘ পর্যবেক্ষণ করছে। তবে মাদক নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত এ অভিযান চলবে। কোনো আন্তর্জাতিক চাপের কাছে সরকার নতি স্বীকার করবে না। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অপরাধ প্রমাণিত হলে কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদিও ছাড় পাবে না। মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে বিএনপির সমালোচনার জবাবে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, তাদের রাজনীতি জনগণের কাছ থেকে সংকুচিত হয়েছে। যে কারণে হতাশা থেকে তারা আবোল-তাবোল বকছে। এই অভিযানে সরকারের জনপ্রিয়তা আরো বেড়ে গেছে। এর আগে শুক্রবার জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ বিষয়ক দপ্তর অফিস ফর ড্রাগস অ্যান্ড ক্রাইম (ইউএনওডিসি) জানায়, তারা বাংলাদেশে চলমান মাদকবিরোধী অভিযানের বিষয়ে পর্যবেক্ষণ শুরু করেছে। পাশাপাশি মাদক নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে মানবাধিকার সংশ্লিষ্ট কৌশল অবলম্বনের জন্য সব সদস্য দেশের প্রতি আহ্বান জানায় সংস্থাটি।
জিসেভেন আউটরিচ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ
জিসেভেন আউটরিচ সম্মেলনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো।আগামী ৯ জুন অনুষ্ঠেয় ওই আউটরিচ সম্মেলনে বিশ্বের কয়েকজন নেতার সঙ্গে শেখ হাসিনাকেও এ আমন্ত্রণ জানানো হয়।কানাডার প্রধানমন্ত্রীর দফতরের ওয়েবসাইটে এক বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়েছে। ওই আউটরিচ সেশনে কয়েকটি দেশের সরকারপ্রধান ছাড়াও আন্তর্জাতিক কয়েকটি সংস্থার প্রধানকিও আমন্ত্রণ জানিয়েছে কানাডা। এবার আউটরিচ সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য সমুদ্রকে দূষণ থেকে রক্ষা করা এবং উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের প্রতিকূলতা মোকাবেলার সক্ষমতা বৃদ্ধি। এর আগে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের আমন্ত্রণে ইসেশিমায় অনুষ্ঠিত জি-সেভেন সম্মেলনের আউটরিচ মিটিংয়ে যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
যেকোনো মূল্যে রাজধানী থেকে মাদক নির্মূল করা হবে
যেকোনো মূল্যে রাজধানী থেকে মাদক নির্মূল করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আমরা আজকে মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছি। মাদক ব্যবসায়ী যেই হোক, যত বড় ক্ষমতাশালীই হোক, যে দলেরই হোক, যে পেশার হোক, এমনটি আমার পুলিশ বাহিনীর হলেও তাকে কোনো ছাড় দেয়া হবে না। যেকোনো মূল্যে যেকোনো কিছুর বিনিময়ে এই ঢাকা শহর থেকে মাদককে নির্মূল করা হবে। মাদকের ব্যবসা করে কেউ পার পাবে না। রোববার দুপুরে আজিমপুর গভর্নমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজে অসহায় ও দুঃস্থদের মধ্যে ঈদবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঢাকা মহানগরীতে মাদকের কোনো আখড়া থাকতে দেয়া হবে না। সব আখড়া গুড়িয়ে দেয়া হবে। এসময় মাদক ব্যবসায়ী ও তাদের আখড়াগুলোর তথ্য পুলিশকে দেয়ার জন্য সাধারণ জনগণের প্রতি আহ্বান জানান ডিএমপি কমিশনার। তিনি বলেন, আসুন আমরা একসঙ্গে মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করি। যেমনটি আমরা করেছিলাম জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে। যে সন্তান হতে পারতো দেশ ও সমাজের সম্পদ, মাদকের কারণে সে হয়ে ওঠে সমাজ, দেশ ও পরিবারের বোঝা। মাদকের বিরুদ্ধে যে অভিযান চলছে, সে অভিযানে সবাইকে সহযোগিতা করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। মাদক ব্যবসায়ী ও তাদের আখড়া সম্পর্কে পুলিশকে আপনারা তথ্য দিন, আপনাদের পরিচয় গোপন থাকবে। মাদকবিরোধী অভিযানে কাউকে হয়রানি করা হলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করার হুশিয়ারি দিয়ে তিনি আরো বলেন, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদক নির্মূলের নামে কোনো হয়রানি করা হলে কর্মকর্তা-কর্মচারী যেই হোক তাদের বিরুদ্ধে আমরা দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেব। আছাদুজ্জামান বলেন, আসন্ন ঈদ উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রস্তুতি আগে থেকেই নেয়া হয়েছে। এই রমজানে ছিনতাইকারী, অজ্ঞানপার্টি, টিকিট কালোবাজারিদের তৎপরতার কোনো তথ্য নেই। কারণ রমজান শুরুর দুইমাস আগে থেকেই আমরা পোশাকে ও সাদা পোশাকে এই অপরাধীদের দমনে মাঠে নেমেছি। আমরা বলতে চাই, জনগণের নিরাপত্তা কেউ যদি বিঘ্ন করে, তাহলে আমরা কঠোর হাতে তা দমন করব। জনগণের নিরাপত্তা দিতে আমরা বদ্ধপরিকর। তিনি বলেন, আবার ঈদের ছুটিতে প্রত্যেকটি পাড়া-মহল্লায় শপিং মলে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থাও নেয়া হয়েছে। এছাড়াও ঈদের সময় আমরা বাস, ট্রেন, লঞ্চ টার্মিনালে আমরা নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিয়েছি, যাতে মানুষ নির্বিঘ্নে গ্রামের বাড়িতে যেতে পারে।
একরামুল হকের নিহত হওয়ার ঘটনা তদন্ত চলছে
মাদকবিরোধী অভিযানে বন্দুকযুদ্ধে টেকনাফের পৌর কাউন্সিলর একরামুল হকের নিহত হওয়ার ঘটনা নিয়ে প্রকাশিত অডিও হাতে পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে তদন্ত চলছে। রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরীতে স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে এক অনুষ্ঠান শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। দেশব্যাপী মাদকবিরোধী ফেস্টুন বিতরণ ও উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচির উদ্বোধনী ঘোষণা করেন তিনি। আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, যত দিন না পর্যন্ত মাদক নির্মূল হবে, তত দিন মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা হালনাগাদ হতে থাকবে, অভিযানও চলবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, একটা যুদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সর্বোচ্চ যুদ্ধ মাদকের বিরুদ্ধে। মাদকের আগ্রাসন সবাইকে ভাবিয়েছে। বন্দুকযুদ্ধে যারা নিহত হচ্ছে, তাদের কিছুতেই আমরা কন্ট্রোল করতে পারছিলাম না। বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়া প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, কেউ নিহত হোক বা আহত হোক তা তাদের কাম্য নয়। আসাদুজ্জামান খান বলেন, যুবসমাজকে বাঁচাতে হবে। মেধা নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না। সে জন্যই মাদকের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আমাদের জয়ী হতেই হবে।
সওজ কর্মীদের ছুটি বাতিল
ঈদুল ফিতরে সড়ক পথে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের (সওজ) সব কর্মীর ছুটি বাতিল করেছে সরকার। ১৫ জুন থেকে ঈদের তৃতীয় দিন পর্যন্ত সব ছুটি বাতিল করে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ থেকে এ বিষয়ে অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে। আদেশে বলা হয়েছে, আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের সব গ্রেডের কর্মচারীদের ছুটি আগামী ১৫ জুন থেকে ঈদুল ফিতর পরবর্তী ৩ দিন পর্যন্ত বাতিল করা হল। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১৬ বা ১৭ জুন দেশে মুসলমানদের সবেচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর পালিত হবে। ১৬ জুন ঈদ হলে ১৫, ১৬ ও ১৭ জুন সরকারি ছুটি, ১৭ জুন ঈদ হলে সেক্ষেত্রে সরকারি ছুটি আরও একদিন বাড়বে। সেক্ষেত্রে ১৮ জুনও ছুটি থাকবে। দেশে বিভিন্ন স্থানে ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তার খবর বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে এসেছে, এতে ঈদযাত্রায় ভোগান্তির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
শেখ হাসিনা ধরলা সেতু উদ্বোধন
দেশের উত্তরাঞ্চলের দ্বিতীয় বৃহত্তম সড়ক সেতু শেখ হাসিনা ধরলা সেতু উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার বেলা পৌনে ১১টায় তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সেতুটির শুভ উদ্বোধন করেন তিনি। সেতুটি আজই সর্বসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে স্থানীয় জনসাধারণের সঙ্গে কথা বলে সেতুটি উদ্বোধন ঘোষণা করেন। সেতুটি কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট ও রংপুরের জনগণের জন্য ঈদ উপহার হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন প্রধানমন্ত্রী। কুড়িগ্রাম এলজিইডির তত্ত্বাবধানে সম্পূর্ণ দেশীয় অর্থ ও প্রযুক্তিতে এই গার্ডার সেতুটির নির্মিত হয়েছে। ১৯১ কোটি টাকা ব্যয়ে ৯৫০ মিটার দীর্ঘ এই সেতুটি উত্তারাঞ্চলের দ্বিতীয় বৃহত্তম সড়ক সেতু। এই সেতুটি উত্তর ধরলার তিনটি ইউনিয়নসহ কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট জেলার আর্থসামাজিক উন্নয়নে বড় ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী। সেতুর সুবিধা পাবেন কমপক্ষে ২০ লাখ মানুষ। এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১২ সালের ২০ সেপ্টেম্বর এই সেতুটির নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন। সেতুটি নির্মাণ করছে সিমপ্লেক্স এবং নাভানা কনস্ট্রাকশন গ্রুপ। ৯৫০ মিটার দীর্ঘ ও ৯ দশমিক ৮০ মিটার চওড়া সেতুটির ১৯টি স্প্যান ও ৯৫টি গার্ডার রয়েছে। দৈর্ঘ্যে বঙ্গবন্ধু সেতুর পর এই সেতুর অবস্থান বলে নির্মাণকারী সংস্থা এলজিইডির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এলজিইডি সূত্রে আরো জানা গেছে, মূল সেতুর নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১৩১ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। ফুলবাড়ী ও লালমনিরহাট অংশে দুই হাজার ৯১৯ মিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণ বাবদ ১৩ কোটি ৯ টাকা, তিন হাজার ৪৮০ মিটার নদী শাসনে ৪৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা, দুই কোটি ৩৩ লাখ টাকা ব্যয়ে জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে ১৩ একর।
মাদকবিরোধী অভিযানে গভীর নজর জাতিসংঘের
বাংলাদেশের মাদকবিরোধী অভিযানে গভীরভাবে দৃষ্টি রাখছে জাতিসংঘ। শনিবার জাতিসংঘের অফিস অন ড্রাগস অ্যান্ড ক্রাইমের (ইউএনওডিসি) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে সদস্য দেশগুলোকে মাদক নিয়ন্ত্রণে ভারসাম্য এবং মানবাধিকার রক্ষার প্রতিশ্রুতি মেনে চলারও আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি। মাদক নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে তিনটি আন্তর্জাতিক কনভেনশনেরও উল্লেখ করেছে ইউএনওডিসি। সংস্থাটির বিবৃতিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক মান ও রীতিনীতির সঙ্গে সংগতি রেখে আইনি ব্যবস্থা, আন্তর্জাতিক মান ও নীতি অনুসরণ, প্রমাণভিত্তিক প্রতিরোধ উন্নয়ন, পুনর্বাসন ও সমাজের সাথে আবারো সম্পৃক্ত হওয়ার লক্ষ্যকে সামনে রেখে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে সব দেশের সাথে কাজ করতে প্রস্তুত ইউএনওডিসি।

জাতীয় পাতার আরো খবর