মঙ্গলবার, নভেম্বর ১২, ২০১৯
বেগম জিয়া কি চিকিৎসা চান ?
বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আসলেই চিকিৎসা চান কিনা তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, তিনি (খালেদা জিয়া) কি চিকিৎসা চান, নাকি চিকিৎসার নামে রাজনীতি করছেন? বুধবার সকালে রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনালের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও ভিজিলেন্স টিমের কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।ওবায়দুল কাদের বলেন, খালেদা জিয়া অসুস্থ, তিনি ও তার দল (বিএনপি) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) ও সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসা নিতে চান না। বাংলাদেশে সিএমএইচ-এর উপরে চিকিৎসাসেবা নেই। তিনি বলেন, তিনি যেহেতু একটি বড় দলের নেত্রী, তাই তার চিকিৎসায় সরকার শুরু থেকেই গুরুত্বে সঙ্গে বিবেচনা করে আসছে। বিএসএমএমইউ-তে রাজি না হওয়ায় সিএমএইচ’র কথা বলা হয়েছে। কিন্তু তিনি ও তার দল সেখানেও চিকিৎসা নিতে রাজি না। তাহলে কি তিনি চিকিৎসা চান না? নাকি চিকিৎসা নিয়ে রাজনীতি করছেন? তিনি আরও বলেন, শুরু থেকেই তারা খালেদা জিয়ার অসুস্থের কথা বলে আসছে। বলছে, সরকার তার চিকিৎসার বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে না। কিন্তু আপনারা দেখছেন, সরকার তাকে বিএসএমএমইউ ও সিএমএইচ-তে চিকিৎসার কথা বলছে, তারা রাজি হচ্ছে না। খালেদা জিয়া যদি না চান তাহলে আমাদের কী করার আছে? বিএনপির ভারত সফর নিয়ে আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, আওয়ামী লীগ দেশ ও জনগণের রাজনীতি করে। আর বিএনপি করে নালিশ, অভিযোগ ও স্বার্থের রাজনীতি। আওয়ামী লীগ ভারত সফরে দেশের সমস্যা, রোহিঙ্গ ইস্যু, তিস্তার পানিসহ দেশের নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেছে। কিন্তু বিএনপি ভারত গেছে তাদের সাপোর্ট চাইতে। তারা দেশের জন্য যায়নি। তিনি এও বলেন, ভারত যদি বাংলাদেশে রাজনৈতিকভাবে সাপোর্ট করতো তাহলে আওয়ামী লীগই তা পেতে। কারণ, আওয়ামী লীগের সাথে ভারতের সম্পর্ক ভালো। সাপোর্টই যদি পেত তবে আওয়ামী লীগ ২০০১ সালের নির্বাচনে হেরে যেত না। তিনি আরও বলেন, বিএনপি এখন নালিশ ছাড়া কিছু করতে পারে না। দেশে বসে নালিশ, দেশের বাইরে গিয়েও নালিশ। প্রত্যেকটি বিদেশি দূতাবাসকে রীতিমতো তটস্থ রেখেছে তারা। নালিশ করে রেজাল্ট কী হবে জনগণ তা জানে। অনুরোধ করব, জনগণের আস্থা রাখার জন্য কাজ করুন, কথায় কথায় বিদেশিদের কাছে নালিশ করা বন্ধ করুন। এটা কোনো দলের দায়িত্বজ্ঞান হতে পারে না।
আজ থেকে ঈদের বিশেষ ট্রেন চালু
আজ বুধবার থেকে ঈদের বিশেষ ট্রেন চালু করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। যাত্রী ভোগান্তি কমাতে প্রতিবছরের মতো এবারো এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ঈদের প্রথম বিশেষ ট্রেনটি সকাল পৌনে ৯টায় দেওয়ানগঞ্জের উদ্দেশে ছেড়ে গেছে। এবারই প্রথমবারের মতো ঢাকা-খুলনা-ঢাকা রুটেও বিশেষ ট্রেন চলছে। রেলওয়ে সূত্র জানায়, প্রতিদিন সকাল সোয়া ৯টায় কমলাপুর থেকে লালমনিরহাটের উদ্দেশে একটি এবং রাত ১২টা ৫ মিনিটে খুলনার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে একটি বিশেষ ট্রেন। রাত ১০টা ৫০ মিনিটে পার্বতীপুরের উদ্দেশে একটি এবং রাত সোয়া ৯টায় রাজশাহীর উদ্দেশে ছেড়ে যাবে একটি বিশেষ ট্রেন। খুলনা রুট ছাড়া বাকি রুটগুলোর বিশেষ ট্রেন ঈদের পর সাত দিন চলাচল করবে। ট্রেনগুলো ক্ষেত্র বিশেষে কয়েকটি স্টেশনে থামবে। সূত্র আরো জানায়, যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে বাংলাদেশ রেলওয়ে সব সময় ঈদ স্পেশাল সার্ভিস চালু করে। এর অংশ হিসেবে এবারের ঈদ স্পেশাল ট্রেন চলছে আজ থেকে। গত ১০ জুন থেকে স্পেশাল ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে, যা এখনো চলমান। ঈদের পর সাতদিন ধরে এই ট্রেন চলবে। এসব ট্রেনের ফিরতি টিকিট নিজ নিজ স্টেশনে পাওয়া যাবে।
দায়িত্ব নিয়েছেন বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রধান
বাংলাদেশ বিমানবাহিনী প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন এয়ার ভাইস মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত, বিবিপি, ওএসপি, এনডিইউ, পিএসসি। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে বিমানবাহিনী প্রধানের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি এই দায়িত্ব নেন। মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল আবু এসরার বিবিপি, এনডিসি, এসিএসসির স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। এ উপলক্ষে বিমানবাহিনী সদর দপ্তরে বেলা দুইটায় দায়িত্বভার হস্তান্তরের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। এ সময় বিমানবাহিনী প্রধানের কার্যালয়ে নবনিযুক্ত বিমানবাহিনী প্রধান বিদায়ী বিমানবাহিনী প্রধানের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন দায়িত্ব নেন। এ অনুষ্ঠানে বিমান সদরের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। খবর আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর)। এর আগে সকালে বিদায়ী বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল আবু এসরার শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে একাত্তরের মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে শাহাদতবরণকারী সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি সেখানে দর্শনার্থী বইয়েও স্বাক্ষর করেন। বিমান সদর ত্যাগ করার আগে বিমানবাহিনীর একটি চৌকস কন্টিনজেন্ট তাঁকে গার্ড অব অনার দেয়। বিদায়ী বিমানবাহিনী প্রধান গার্ড পরিদর্শন ও সালাম নেন। এ ছাড়া তিনি বিমানবাহিনী সদর দপ্তর প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।
যথাযথ পবিত্রতা, মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে লাইলাতুল কদর পালন
যথাযথ পবিত্রতা, মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা লাইলাতুল কদর পালন করেছেন। গতকাল মঙ্গলবার ২৬ রমজানের দিবাগত রাত ছিল লাইলাতুল কদর। হাজার মাসের চেয়ে উত্তম ও পূর্ণময় এ রজনীতে ইবাদত বন্দেগীর জন্য ইফতার ও মাগরিবের নামাজ শেষে ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ মসজিদে জমায়েত হতে শুরু করেন। মুসলিম নারীরা ঘরে ঘরে এ রাতে ইবাদতে মশগুল থাকেন। মুসলমানদের জন্য মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের বিশেষ রহমত এবং অনুগ্রহের রজনী হচ্ছে লাইলাতুল কদর। রমজান মাসের এ রজনীতেই মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাহে ওয়া সাল্লাম এর প্রতি পবিত্র কুরআন নাযিল শুরু হয়েছিল। এ রাতের ইবাদত বন্দেগীকে নাজাতের উছিলা এবং হাজার মাসের ইবাদতের চাইতে উত্তম বলে পবিত্র কুরআনে বর্ণিত হয়েছে। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাহে ওয়া সাল্লাম এ রাতে নিজে ইবাদতে মশগুল থাকতেন এবং তাঁর সাহাবীদেরও বেশি বেশি ইবাদত করার নির্দেশ দিতেন। রমজান মাসের ২১ থেকে ২৭ তারিখের মধ্যে বেজোড় সংখ্যার রাতেই পবিত্র লাইলাতুল কদর। তবে ২৭ রমজান অর্থাৎ ২৬ রমজান দিবাগত রাতকেই কদরের রাত হিসেবে ধরে নেওয়া হয়েছে। গতকাল রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মুকাররমসহ দেশের প্রতিটি মসজিদে বিপুল সংখ্যক মুসল্লি জমায়েত হয়ে রাতভর ইবাদত বন্দেগী করেন। কবরস্থানে জিয়ারতকারীদের ভিড় ছিল সারারাতই। রাতভর ইবাদত বন্দেগীর মধ্যে ছিল কোরআন খানি, নামাজ, জিকির, দোয়া মাহফিল, দান খয়রাত, বয়ান ও বিশেষ দোয়া। রোজাদার মুসলমানগণ ক্ষমার শেষ সুযোগ মনে করে এ রাতে মুনাজাতে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দরবারে কান্নায় ভেঙে পড়েন। দেশের প্রতিটি মসজিদে ও মুসলিমদের ঘরে ঘরে এশা ও তারাবী নামাজ শেষে শুরু হয় কদরের বিশেষ ইবাদত-বন্দেগী। ফজর নামাজের শেষে আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে চোখের পানিতে আল্লাহর অনুগ্রহ কামনার মাধ্যমে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা এই পবিত্র রজনীর সমাপ্তি ঘটান। বায়তুল মোকাররমসহ দেশের প্রতিটি মসজিদেই আখেরি মুনাজাতে দেশ ও জাতির শান্তি সমৃদ্ধি এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর জন্য শান্তি কামনা করা হয়।
সিএমএইচ হচ্ছে দেশের সবচেয়ে ভালো হাসপাতাল
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, চিকিৎসা নিতে চাইলে সিএমএইচকেও প্রত্যাখ্যান করা খালেদা জিয়ার উচিত হবে না। আজ বুধবার বেলা ১১টার দিকে গাবতলী আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালে গ্রামমুখো মানুষের ঈদ-যাত্রা পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ অভিমত প্রকাশ করেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, সিএমএইচ হচ্ছে দেশের সবচেয়ে ভালো হাসপাতাল, এর চেয়ে ভালো চিকিৎসা আর কোথায় আছে। তিনি বিএসএমএমইউতে চিকিৎসা নেবেন না, তাই আমরা সিএমএইচের কথা বলেছি। তিনি একটা বড় দলের চেয়ারপারসন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী, তাই আমরা তাকে দেশের সবচেয়ে ভালো যেখানে চিকিৎসা ব্যবস্থা, সেখানে নিয়ে যাওয়ার কথা বলছি। যদি তিনি চিকিৎসা চান, তবে এটা প্রত্যাখ্যান করা উচিত হবে না। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসা নিতে ‘অনীহা’ প্রকাশের পর সরকারের তরফ থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) সেবা দেয়ার কথা বলা হচ্ছে।
৪ দিনের সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনে যোগ দেওয়াসহ কানাডায় ৪ দিনের সরকারি সফর শেষে মঙ্গলবার (১২ জুন) রাতে দেশে ফিরেছেন। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর আমন্ত্রণে তিনি জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনে যোগ দেন। প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী এমিরেটাস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট স্থানীয় সময় রাত ১১টা ২০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ফেরার পথে প্রধানমন্ত্রী দুবাইয়ে ৫ ঘণ্টা যাত্রাবিরতি করেন। প্রধানমন্ত্রী গত শনিবার (৯ জুন) কুইবেকের হোটেল লা মানোয়া রিচেলে অনুষ্ঠিত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনে যোগ দেন। কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র— এই ৭ অর্থনৈতিক পরাশক্তির প্লাটফর্ম গ্রুপ অব সেভেন (জি-৭)-এর আউটরিচ অধিবেশনে তিনি ছাড়া ১৬ জন বিশ্বনেতা যোগ দিয়েছিলেন। তিনি রবিবার (১০ জুন) সকালে জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে বৈঠকও করেন। শুক্রবার (৮ জুন) শেখ হাসিনা জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন ও আউটরিচ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের সম্মানে কানাডার গভর্নর জেনারেলের দেওয়া নৈশভোজেও অংশ নেন। শেখ হাসিনা রবিবার কুইবেক থেকে টরেন্টো ফিরে আসেন এবং ওইদিন বিকেলে কানাডা আওয়ামী লীগের সংবর্ধনা সভায় বক্তব্য রাখেন। টরেন্টো সময় সোমবার (১১ জুন) সকালে মিয়ানমার বিষয়ক কানাডার বিশেষ দূত বব রে-এর সঙ্গে তার রিৎজ কার্লটন হোটেলে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হয়। শেখ হাসিনা সাসকাতচেওয়ান প্রদেশের উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং বাণিজ্য ও রফতানি উন্নয়নমন্ত্রী গর্ডন ওয়েন্ট কিউ.সি., ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ক্যারিয়ার ট্রেনিং বিষয়ক মন্ত্রী জেরিমি হ্যারিসন এবং প্রদেশের ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করেন। টরেন্টো ছাড়ার আগে প্রধানমন্ত্রী তার হোটেলে কমার্শিয়াল কর্পোরেশন অব কানাডার (সিসিসি) প্রেসিডেন্ট ও সিইও মার্টিন জ্যাবলোকির সঙ্গে বৈঠক করেন।
লংড্রাইভ-কলগার্ল নিয়ে আড্ডাই রনির নেশা
রাজধানীর কলেজগেটে প্রাইভেটকারে ধর্ষণের ঘটনায় জনতার হাতে আটক মাহমুদুল হক রনি রিমান্ডে তার অপকর্মের কথা স্বীকার করছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।রনি প্রায় রাতেই তিনি লংড্রাইভে বের হয়ে গাড়িতে বসেই মাদক সেবন করতেন। এছাড়া হাজারীবাগে নিজের বাণিজ্যিক শরীর চর্চা কেন্দ্রে (জিম) বন্ধুদের নিয়ে রনি দলবেঁধে মাদক সেবন করতেন। সেখানে বিভিন্ন পার্টিতে কলগার্ল এনে তারা ফূর্তি করতেন। শনিবার রাতে প্রাইভেটকারে ২১ বছরের এক গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনায় করা মামলায় সোমবার থেকে শেরেবাংলা নগরে রনির তিন দিনের রিমান্ড চলছে। রিমান্ডে রনিকে প্রাইভেটকারে ধর্ষণের ঘটনা ছাড়াও অন্যান্য অপরাধকর্ম ও তার সঙ্গীদের বিষয়েও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও শেরেবাংলা নগর থানার এসআই মিনহাজ উদ্দিন। রনি গভীর রাতে লংড্রাইভে বেরিয়ে এক তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় আটক হওয়ায় পুলিশের ধারণা, তিনি (রনি) ধানমণ্ডিকেন্দ্রিক বিভিন্ন নৈশ অপরাধেও জড়িত থাকতে পারেন। বিশেষ করে প্রায় সময়েই রাতের বেলা ধানমণ্ডি এলাকায় ছ্নিতাইয়ের ঘটনা ঘটে। এ সব ঘটনায় রনি ও তার পরিচতিদের সম্পৃক্ততা রয়েছে কিনা রিমান্ডে তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। গাজীপুরের কাপাসিয়ার চরসনমানিয়া বেপারিবাড়ি এলাকার প্রয়াত আইনজীবী বজলুল হকের ছেলে রনি ধানমণ্ডি-১৫ নম্বরের মিতালী রোডে বড় হয়েছেন। পড়াশোনা করেছেন ধানমণ্ডির গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি স্কুলে। বেসরকারি ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ থেকে আইন বিভাগে অধ্যয়ন করলেও রনি জিমের ব্যবসা করেন। এছাড়া ধানমণ্ডির ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের যুবলীগের রাজনীতিতেও তিনি জড়িত। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রভাবশালীদের সঙ্গে পরিচয় ও বন্ধুরা সবাই প্রতিষ্ঠিত পরিবারের সন্তান। ফলে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকলেও কখনও এ নিয়ে তাকে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়নি। এমনকি রাজধানীর সড়কে গভীর রাতে লংড্রাইভে বেরিয়ে গাড়িতে বসে মাদক সেবনসহ অপকর্ম করে বেড়ালেও রনি কখনও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়েননি। ফলে দিন দিন বেপরোয়া হয়ে ওঠা রনি সাহায্যপ্রার্থী নারীকে গাড়িতে তুলে ধর্ষণ করেছেন। শনিবার রাতে কলেজগেট সিগন্যালে ধর্ষণকালে প্রাইভেটকার থেকে রনিকে আটককালে ঘটনাস্থলে থাকা লোকজনও রনির বেপরোয়া আচরণের কথা জানিয়েছেন। তারা জানান, গাড়ির ভেতরে একজন মেয়ের সঙ্গে রনিকে ধস্তাধস্তি করতে দেখায় তারা গাড়িটিকে থামানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু রনি ও গাড়িচালক ফারুক প্রাইভেটকারটি নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তবে কলেজগেট সিগন্যালে জ্যাম থাকায় তারা বেশি দূর যেতে পারেননি। এরপর গাড়ির ভেতর থেকে ভুক্তভোগী তরুণীকে বের করেন জনতা। এ সময় চালক ফারুককে বের করে তারা মারধরও করেন। কিন্তু গাড়ি থেকে মদ্যপ রনি জনতার সঙ্গে চোটপাট শুরু করেন। প্রথমে তিনি হম্বিতম্বি করেন ও রাজনৈতিক নেতাদের পরিচয় দিতে থাকেন। তবে ভুক্তভোগী তরুণী গাড়িতে ধর্ষিত হওয়ার কথা জানালে জনতা রনিকে রেহাই দেয়নি। তাকে বেধড়ক মারধরের পর শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় বিবস্ত্র অবস্থায় রনিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যাওয়ার পর তিনি বিভিন্ন প্রভাবশালীর সঙ্গে পরিচয় থাকার কথা বলে পুলিশকে সমঝোতার প্রস্তাব দেন। এ ছাড়া রোববার সকাল থেকেই রনির ঘনিষ্টজনরা থানায় ভিড় করতে থাকে। তারাও রনিকে ছাড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালান। কিন্তু রনিকে আটক করে মারধরের ঘটনার ভিডিওচিত্র সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেলে তা আর সম্ভব হয়নি। তবে এ ঘটনা নিয়ে দৈনিক প্রতিবেদন প্রকাশের পর রনির বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের হচ্ছে বুঝতে পেরে তাকে মদ্যপ হিসেবে আটক দেখানোর চেষ্টা করেন তার লোকজন। এরমধ্যে রোববার বিকালে ধর্ষণের শিকার শ্যামলী এলাকার গৃহবধূ ও গাড়িতে লিফট নিয়ে শিশুমেলায় নেমে যাওয়া আরেক তরুণীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয় পুলিশ। রাতে তারা শেরেবাংলা নগর থানায় উপস্থিত হন। এরপর ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ রনিকে প্রধান আসামি করে অপহরণ ও ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন। এতে ধর্ষণে সহযোগিতার জন্য চালক ফারুককেও আসামি করা হয়। সোমবার আদালতে হাজির করা হলে রনিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকা মহানগর হাকিম আহসান হাবিব। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মিনহাজ উদ্দিন জানান, রনিকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রয়েছে। তার কাছ থেকে তথ্য নিয়ে গাড়িচালক ফারুককে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। রিমান্ডে রনির কাছ থেকে অন্যান্য অপরাধে সম্পৃক্ততার বিষয় জেনে তা খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানান এসআই মিনহাজ।
সরকারিভাবে চিকিৎসা বাবদ রোগী প্রতি ব্যয় হয় ৭৬ হাজার ৩৭৩ টাকা:স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, এ বছর চিকিৎসা বাবদ সরকারিভাবে রোগী প্রতি ব্যয় হয় ৭৬ হাজার ৩৭৩ টাকা। একইভাবে পথ্য বাবদ (খাবার) রোগী প্রতি দৈনিক ব্যয় হয় ১২৫ টাকা।মন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান জনবান্ধব সরকার প্রায় প্রতিবছরই চিকিৎসায় মাথাপিছু বরাদ্দ বাড়িয়েছে। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে মো. মামুনুর রশীদ কিরণের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। দিদারুল আলম চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) সর্বশেষ তথ্যনুযায়ী এমবিবিএস রেজিষ্টার্ড চিকিৎসকের সংখ্যা ৮৭ হাজার ৩২১জন এবং বিডিএস রেজিষ্টার্ড চিকিৎসকের সংখ্যা ৮ হাজার ৫১৫ জন। এসব চিকিৎসকের মধ্যে সারাদেশে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সংখ্যা ২৮ হাজার ৭৪১জন। এছাড়া বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস এন্ড সার্জনসহ অন্য অনুমোদিত মেডিকেল কলেজে প্রতি বছর ২ হাজার ৮৪৬ জন বিভিন্ন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ কোর্সে ভর্তি হচ্ছে। তাছাড়া নতুনভাবে ডেপুটেশন কমিটি যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে মন্ত্রণালয় কর্তৃক বিশেষ টাস্কর্ফোস গঠন করা হয়েছে। এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে গরীব-দুঃস্থ মানুষের চিকিৎসা সেবা সুবিধা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে, দেশের প্রতিটি বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টারগুলোতে যাতে গরীব-দু:স্থ রোগীরা বিনামূল্যে-নূন্যতম মূল্যে চিকিৎসা সেবা. পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সুযোগ পেতে পারে সে লক্ষ্যে বর্তমান সরকার নীতিমালা প্রণয়ন করার কতার্যক্রম গ্রহণ করেছে। দেশে জটিল রোগসমূহের ঔষধের মূল্য বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীর এমন দাবির জবাবে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, এটা সঠিক নয়। কিছু কিছু ঔষধের মূল্য আগের তুলনায় সামান্য বৃদ্ধি পেলেও কিছু কিছু ঔষধেরে মূল্য আগের তুলনায় হ্রাস পেয়েছে। ঔষধের মূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারের ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর সর্বদা তৎপর রয়েছে। ঔষদ প্রশাসন অধিদপ্তর কেবলমাত্র প্রাইমারী স্বাস্থ্য সেবার তালিকার্ভুক্ত ১১৭টি জেনেরিক নামের ঔষধের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রন করে থাকে। শেখ মো. নুরুল হকের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সারাদেশে মোট সাড়ে ১৩ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক চালু আছে। এ সকল ক্লিনিকে প্রতিটিতে ১জন করে কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) কর্মরত আছে। এসব ক্লিনিক থেকে দৈনিক গড়ে ৩৮জন রোগী সেবা নিচ্ছেন। ২০০৯ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ৭৪ কোটির অধিক ভিজিটের মাধ্যমে গ্রামীণ জনগণ কমিউনিটি ক্লিনিক হতে সেবা গ্রহণ করছেন।
স্কুল ব্যাংকিং ব্যাংকে ১৪শ কোটি টাকা জমিয়েছে স্কুলশিক্ষার্থীরা
স্কুল ব্যাংকিংব্যাংকে স্কুলের শিক্ষার্থীদের জমানো টাকার পরিমাণ বাড়ছে। তারা বিভিন্ন ব্যাংকে এক হাজার ৪৪১ কোটি টাকা জমিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এ বছরের মার্চ পর্যন্ত সময়ের তথ্য নিয়ে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফিন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন ডিপার্টমেন্ট। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, এখন ব্যাংকে লেনদেন করছে ১৪ লাখ ৬১ হাজার ৮৬০ জন শিক্ষার্থী। তবে শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলের ব্যাংকে শিক্ষার্থীদের হিসাব ও টাকা জমার পরিমাণ অনেক কম। ছেলেদের তুলনায় মেয়েরাও রয়েছে পিছিয়ে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান ২০১০ সালে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়ে তুলতে স্কুল ব্যাংকিং কার্যক্রমের উদ্যোগ নেন। অবশ্য স্কুলের শিক্ষার্থীরা টাকা জমা রাখার সুযোগ পায় ২০১১ সাল থেকে। প্রথম বছরে স্কুল ব্যাংকিং হিসাব খোলা হয় ২৯ হাজার ৮০টি। ওই বছর বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা দেশের ব্যাংকগুলোতে ৩০ কোটি ৭৯ লাখ টাকা আমানত রাখে। শুরুতে ১০ টাকা দিয়ে হিসাব খোলা হলেও পরে হিসাব খুলতে ১০০ টাকা জমা রাখতে বলা হয়। এসব হিসাব সাধারণ চলতি হিসাবে রূপান্তরের সুযোগও আছে। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেন, ছোটবেলা থেকেই স্কুলের শিশুরা যাতে সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়ে তোলে সেজন্য ২০১০ সালে আমরা স্কুল ব্যাংকিং প্রকল্প হাতে নিয়েছিলাম। এখন ব্যাংকের প্রতি স্কুলের শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়ছে। এর ফলে ফিন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে সঞ্চয়ী মনোভাব দেশের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১০ সালের ২ নভেম্বর স্কুল ব্যাংকিং বিষয়ে একটি পরিপত্র জারি করে। এরপর থেকেই স্কুলপড়ুয়াদের সঞ্চয়ে উদ্বুদ্ধ করতে দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো আকর্ষণীয় মুনাফার নানা স্কিম চালু করে। ১১ থেকে ১৮ বছর বয়সী অর্থাৎ, ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির আগ্রহী ছাত্রছাত্রীরা তাদের বাবা-মা অথবা বৈধ অভিভাবকের সঙ্গে যৌথ নামে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারে। মাত্র ১০০ টাকা প্রাথমিক জমা দিয়ে বাংলাদেশের বেশিরভাগ ব্যাংকের শাখায় এ হিসাব খোলা যায়। এই হিসাবে কোনও ফি বা চার্জ আরোপ করা হয় না। এমনকি ন্যূনতম স্থিতি রাখার বাধ্যবাধকতাও নেই। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ বছরের মার্চ শেষে ১৪ লাখ ৬১ হাজার ৮৬০ জন স্কুলের ছেলে-মেয়ে ব্যাংকে জমিয়েছে এক হাজার ৪৪১ কোটি টাকা। ২০১৭ সালের ৩০ জুন ৫৬টি ব্যাংকে খোলা হিসাব ছিল প্রায় ১৩ লাখ ৩৪ হাজারটি। অর্থাৎ, ৯ মাসের ব্যবধানে ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা বেড়েছে এক লাখ ২৭ হাজার ৫২২টি। এদিকে, স্কুল ব্যাংকিং কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন ব্যাংককে সঙ্গে নিয়ে দেশের বিভাগীয় শহরগুলোতে স্কুল ব্যাংকিং কনফারেন্স সম্পন্ন করেছে। স্কুল ব্যাংকিং কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের আগ্রহের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর অংশগ্রহণও। এতে ব্যাংকগুলোতে এই কার্যক্রমের আওতায় খোলা হিসাবের পাশাপাশি আমানতের পরিমাণও অব্যাহতভাবে বাড়ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, গ্রামাঞ্চলের ব্যাংক শাখার মাধ্যমে খোলা স্কুল ব্যাংকিং হিসাবের তুলনায় শহরাঞ্চলে স্কুল ব্যাকিং হিসাবের সংখ্যা প্রায় ৫৮ দশমিক ৫৯ শতাংশ বেশি। গ্রামাঞ্চলের তুলনায় শহরাঞ্চলের ব্যাংকে জমার পরিমাণও প্রায় ২২০ শতাংশ বেশি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বছরের মার্চ পর্যন্ত ৮ লাখ ৪৭ হাজার ৭৯০ জন স্কুলছাত্র তাদের ব্যাংক হিসাবে ৭৮৯ কোটি ১৬ লাখ টাকা জমিয়েছে। আর ৬ লাখ ১৪ হাজার ৭০ জন স্কুলছাত্রী জমিয়েছে ৬৫২ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। মার্চ পর্যন্ত গ্রামের পাঁচ লাখ ৬৫ হাজার ৩১১ জন শিক্ষার্থী বিভিন্ন ব্যাংকে ৩৪৩ কোটি টাকা জমা রেখেছে। শহরের ৮ লাখ ৯৬ হাজার ৫৪৯ জন শিক্ষার্থী জমা করেছে এক হাজার ৯৮ কোটি টাকা। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে ৯ লাখ ৯৩৬ জন স্কুলশিক্ষার্থী জমা করেছে এক হাজার ২২৯ কোটি টাকা। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি দুই লাখ ৩৯ হাজার ৮৪১টি হিসাব খোলা হয়েছে ইসলামী ব্যাংকে। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে চার লাখ ২৮ হাজার শিক্ষার্থী জমিয়েছে ১৬৫ কোটি টাকা।

জাতীয় পাতার আরো খবর