সোমবার, জুলাই ১৩, ২০২০
আরো এক চিকিৎসকের মৃত্যু করোনায়
১২জুন,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও এক চিকিৎসকের মৃত্যু হলো। এবার প্রাণ গেলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) এর পেডিয়াট্রিক সার্জারির অধ্যাপক ডা. গাজী জহির হাসানের। তিনি আজ শুক্রবার রাত দেড়টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। গাজী জহির ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। এই তথ্য নিশ্চিত করেন ফাউন্ডেশন ফর ডক্টরস সেফটি রাইটস অ্যান্ড রেসপন্সসিবিলিটিসের (এফডিএসআর) জয়েন্ট সেক্রেটারি ডা. রাহাত আনোয়ার চৌধুরী। তিনি জানান, এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে ২৮ জন চিকিৎসক মারা গেছেন। এছাড়াও, পাঁচ জন করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।
ভূমিকম্পের বড় ঝুঁকিতে বাংলাদেশ
১২জুন,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভৌগলিক অবস্থানের কারণেই বড় ধরনের ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশ। ঘনবসতি ও অপরিকল্পতি নগরায়ন এ ঝুঁকিকে প্রাণহানিসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির দিক ঠেলে দিচ্ছে বলে অভিমত বিশেষজ্ঞদের। কিন্তু এমন ক্ষতি মোকাবিলা করার পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নেই দেশে। এক্ষেত্রে নতুন বিল্ডিং কোড প্রণয়নের পাশাপাশি এর বাস্তবায়নে কঠোর হওয়ার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের। ভূমিকম্প নিয়ে কাজ করা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ডিজাস্টার ফোরামের তথ্য মতে, গত ১০ বছরে দেশে ৮৫ বার ভূমিকম্প হয়েছে। এসময় নিহত হয়েছেন ১৫ জন। এর মধ্যে ২০১৫ সালে ৬ জন এবং ২০১৬ সালে ৭ জন। এক্ষেত্রে শহরাঞ্চলে ভবন নির্মাণ বিধি না মানায় এ ঝুঁকি কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। এছাড়া ঢাকা সিটি করপোরেশনের এক জরিপে দেখা গেছে, দেশে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প হলে খোদ ঢাকায় তিন লাখ ২৬ হাজার ভবনের মধ্যে ৭২ হাজার ভবনই তাৎক্ষণিক ধসে পড়বে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মেহেদী আহমেদ আনসারী বলেন, পাকা বিল্ডিং যত হবে, এবং সেটার যদি গুণগত মান ঠিক না হয় তাহলে মানুষ হতাহত অনেক বেশি হবে। একই সঙ্গে রিপোর্ট বলছে, আমরা ৯০ শতাংশ দুর্বল মাটিতে বিল্ডিং তৈরি করি। তাই এখনই ভবন নির্মাণে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করার পাশাপাশি নতুন ভবন নির্মাণে নিয়ম মানার নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ বিশেষজ্ঞদের। সেই সঙ্গে জনসাধারণের মধ্যে ভূমিকম্প নিয়ে আতংকিত না হয়ে, সচেতনতা গড়ে তোলার পরামর্শও দেন তারা ।
ছেলের মৃত্যুর পর বাবা সাংবাদিক নান্নু অগ্নিদগ্ধ
১২জুন,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হয়েছেন দৈনিক যুগান্তরের সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টার ও ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন নান্নু। শুক্রবার ভোরে রাজধানীর আফতাবনগরের ৩ নম্বর রোডের বি ব্লকের বাসায় এ ঘটনা ঘটে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। এর আগে জানুয়ারি মাসে একই বাসায় অগ্নিকাণ্ডে নান্নুর একমাত্র ছেলে পিয়াসের (২৪) মৃত্যু হয়। অগ্নিকাণ্ডে নান্নুর শরীরের ৬০ শতাংশ পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সমন্বয়কারী ডা. সামন্ত লাল সেন আরও জানান, নান্নুর শ্বাসনালি কিছুটা ক্ষতিগস্ত হয়েছে। তাকে হাসপাতালে ভর্তির সঙ্গে সঙ্গেই নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়। এই সাংবাদিকের স্ত্রী শাহীনা আহমেদ পল্লবী জানান, রাত্রিকালীন অফিস শেষ করে বাসায় ফিরে খাওয়া-দাওয়ার পর রাত ৩টার দিকে হঠাৎ করে শব্দ হয়। গ্যাসের গন্ধও পাওয়া যাচ্ছিল। গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে এই অগ্নিকাণ্ড হতে পারে বলে তার ধারণা।
বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে- মেগা প্ল্যান ঘোষণা
১১জুন,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বলা হচ্ছিল এবারের বাজেটের ফোকাস পয়েন্ট হবে করোনা দুর্যোগ। সে হিসেবে স্বাস্থ্যখাতেই মনোযোগ থাকার কথা সবচেয়ে বেশি। বাজেট বলছে সর্বোচ্চ বরাদ্দের ক্রমে ৯ম স্থানে আছে স্বাস্থ্যখাত। করোনা সামলাতে বাজেটে থোক বরাদ্দ থাকছে ১০ হাজার কোটি টাকা। তবে করোনা মহামারিতে বেরিয়ে আশা স্বাস্থ্যখাতের জীর্ণ দশাকে সুস্থতা দিতে স্বাস্থ্যে ৩ বছরের মধ্যম ও ১০ বছরের দীর্ঘ মেয়াদি মেগা প্ল্যান ঘোষণা করা হয়েছে এবারের বাজেটে। খোদ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে সামান্য কিছু দূরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকল বিশ্ববিদ্যালয়। দেশের স্বনামধন্য এ মেডিকেলে করোনার নমুনা দিতে দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হয় শত শত রোগীকে। নেই নিয়ম শৃঙ্খলার বালাই, ভোগান্তির যেন অন্ত নেই। দেশের নামকরা মেডিকেলেরই যদি হয় এ দশা তবে বাকিসব সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কী অবস্থা হতে পারে তা কারোরই অজানা নয়। নেই পর্যাপ্ত কিট, নমুনা পরীক্ষায় ধীর গতি, নেই পর্যাপ্ত চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী কিংবা আইসিইউ সুবিধা। সর্বত্রই শুধু নিদারুণ নেই আর নেই এর হাহাকার। ২০২০-২১ অর্থবছরে এ খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৯ হাজার ২৪৭ কোটি টাকা। ২০১৯-২০ অর্থ বছরের তুলনায় যা সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা বেশি। তবে এডিপি বা উন্নয়ন খাতে দেয়া হয়েছে সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকা। করোনা সামলাতে ডাক্তার, নার্স ও টেকনোলোজিস্ট মিলে সম্প্রতি নিয়োগ দেয়া হয়েছে ৭ হাজার নতুন জনবল। কর্মীদের বেতনভাতাসহ নতুন বাজেটে অনুন্নয়ন ব্যয় খাতে বরাদ্দ ১৬ হাজার ৭৪৭ কোটি টাকা। যা মোট বরাদ্দের অর্ধেকেরও বেশি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যা বরাদ্দ হয় তার বড় একটি অংশই আবার খরচ করতে না পারার কারণে ফিরে যায়। বাকিটুকুর মধ্যেও চলে লুটপাটের উৎসব। এ করোনা দুর্যোগের মধ্যে দেখা গেল সুরক্ষা সামগ্রী কিনতেও চলেছে নয় ছয়। অর্থনীতিবিদ নাজনীন বলেন, এ করোনাকালে স্বাস্থ্যখাতে যতটুকু বরাদ্দ দেয়া হয়েছে সেটি যেন ঠিকমত কাজে লাগে সেদিকে আমাদের মনোযোগ বেশি দেয়া দরকার। বিএমএ সাবেক সভাপতি ডা. রশিদ ই মাহবুব বলেন, স্বাস্থ্যখাতের যে বরাদ্দটা এটা বাড়ানোর আগে স্বাস্থ্যখাতটা সংস্কার করতে হবে। অন্যথায় যা আছে তার উন্নতি হবে না। যন্ত্রপাতি কেনার দিকে যতটা আগ্রহ দেখা যায় সেই যন্ত্রপাতি ব্যবহারের মানুষ আছে কি না তা খোঁজ নেবার আগ্রহ দেখা যায় না। আবার যেখানে গোটা দুনিয়ায় বর্তমানে আইসিইউএর জন্য হাহাকার সেখানে খোদ রাজধানীর শিশু হাসপাতালেই অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে করোনার আইসিইউ শয্যা। বিশেষজ্ঞদের জিজ্ঞাসা, বাজেটে বরাদ্দ বাড়লেই কি সুস্থ হবে স্বাস্থ্যখাত? অতীতের অভিজ্ঞতা তেমনটি বলে না। তারা বলছেন, সরষের ভুত তাড়াতে না পারলে বরাদ্দের আকার যতই বড় হোক স্বাস্থ্যের সেবা অধরাই থেকে যাবে। এ জন্য প্রয়োজন স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং সুষ্ঠু ব্যয়ব্যবস্থাপনা।
২০২০-২১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন
১১জুন,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ আজ ২০২০-২০২১ আর্থিক বছরের জাতীয় বাজেট এবং ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট অনুমোদন করেছেন। অনুমোদিত এই বাজেট সংসদে পেশ করা হবে। রাষ্ট্রপতি আজ বিকেল ৩টা ১০ মিনিটের দিকে তাঁর সংসদ ভবন কার্যালয়ে বাজেটে অনুমোদন দেন। এ সময় অর্থ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব আবদুর রউফ তালুকদার ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান (এনবিআর) মো. মোশাররফ হোসেইন ভূইয়া ও সংশ্লিষ্ট সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে রাষ্ট্রপতি সংসদ ভবনে পৌঁছলে ডেপুটি স্পিকার এম ফজলে রাব্বী মিয়া ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তাগণ তাঁকে অভ্যর্থনা জানান। রাষ্ট্রপতি সংসদের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার ও নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে কয়েকবার দায়িত্ব পালন করেছেন।
করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাজেটে ১০ হাজার কোটি থোক বরাদ্দ
১১জুন,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নতুন অর্থবছরের (২০২০-২১) বাজেট প্রস্তাবে দেশে করোনা মোকাবিলায় যেকোনো জরুরি চাহিদা মেটানোর জন্য ১০ হাজার কোটি টাকার থোক বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমানে করোনা মোকাবেলায় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের আওতায় বর্তমানে পাঁচ হাজার ৫০০ কোটি টাকার বিশেষ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার অর্থনৈতিক উত্তরণ ও ভবিষ্যৎ পথপরিক্রমা শিরোনামে ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে এ প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বাজেট প্রস্তাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, করোনা মোকাবিলায় প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে বিশেষায়িত আইসোলেশন ইউনিট খোলা হয়েছে। কেন্দ্রীয়ভাবে রাজধানীতে ১৪টিসহ প্রতিটি জেলা শহরে করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসায় করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল স্থাপন ও চালু করা হয়েছে। করোনা রোগ নির্ণয়ের জন্য এ পর্যন্ত ৫৫টি ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠাকে আধুনিকীকরণ ও উন্নততর সেবা প্রদান প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা হচ্ছে। এর জন্য আমরা জরুরিভিত্তিতে স্বাস্থ্যখাতে ৫২৯ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদান করেছি। করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুজনিত কারণে বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তাদের ক্ষতিপূরণ প্রদান ও চিকিৎসায় নিয়োজিত ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সম্মানীবাবদ ৮৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। করোনা মোকাবিলায় রোগীর চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার জন্য জরুরি ভিত্তিতে দুই হাজার ডাক্তার এবং ছয় হাজার নার্স নিয়োগ দেয়া হয়েছে। আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে জরুরিভিত্তিতে ৩৮৬ জন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, দুই হাজার ৬৫৪ জন ল্যাব অ্যাটেন্ডেন্টসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করা হয়েছে। এছাড়া রাজস্ব খাতে ১২০০ মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, ১৬৫০ মেডিকেল টেকনিশিয়ান এবং ১৫০ কার্ডিওগ্রাফার সর্বমোট তিন হাজার নতুন পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। করোনা সংক্রমণ যাচাইয়ের জন্য একটি স্ক্রিনিং অ্যাপ এবং ভাইরাসের কমিউনিটি সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ ও ঝুঁকি কমানোর লক্ষ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন জাতীয় কভিড-১৯ ডিজিটাল সারভেইল্যান্স সিস্টেম প্রস্তুত করা হয়েছে। সেই সাথে করোনা মোকাবিলায় দুটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের ঋণে এক হাজার ১২৭ কোটি খরচে একটি এবং অন্যটি এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ঋণে এক হাজার ৩৬৬ কোটি খরচে আরেকটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়াও বাজেট প্রস্তাবে করোনা মোকাবিলায় আরও বেশকিছু পদক্ষেপ তুলে ধরা হয়েছে।
১১ জুন শুধু শেখ হাসিনার কারামুক্তি নয়, গণতন্ত্রেরও মুক্তি দিবস : তথ্যমন্ত্রী
১১জুন,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ১১ জুন শুধু শেখ হাসিনার কারামুক্তি নয়, গণতন্ত্রেরও মুক্তি দিবস। শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবসের দ্বাদশ বার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ২০০৮ সালের এই দিনে দীর্ঘ ১১ মাস কারাভোগের পর মুক্ত হন। এদিনটি প্রকৃতপক্ষে শুধু শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস নয়, গণতন্ত্রেরও মুক্তি দিবস। কারণ তিনি সারাজীবন ধরে গণতন্ত্রের জন্য ও মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম করেছেন। ২০০৭ সালে যেদিন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে বন্দী করা হয়েছিল, সেদিন শুধু তাকেই নয়, গণতন্ত্রকেও বন্দী করা হয়েছিল বলেন তথ্যমন্ত্রী। মন্ত্রী এসময় শেখ হাসিনাকে গণতন্ত্র ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অগ্নিবীণা হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, শেখ হাসিনা যেভাবে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নপূরণের পথে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, তা বিশ্বের সামনে এক অনন্য নেতৃত্বের উদাহরণ। তিনি আজ শুধু প্রধানমন্ত্রী নন, আওয়ামী লীগের সভাপতি নন, তিনি বিশ্বনেতার আসনে আসীন। এর আগে দিবসটিকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, আ.ফ.ম বাহাউদ্দিন নাসিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, বি.এম মোজাম্মেল হক, এস.এম কামাল হোসেন, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা ও উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান উপস্থিত ছিলেন। পরে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু ও মঙ্গল কামনা এবং দেশ ও বিশ্বকে করোনা থেকে মুক্তির জন্য মোনাজাত করা হয়।
করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৩৭ মৃত্যু, শনাক্ত ৩১৮৭
১১জুন,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৪৯ জনের। নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ১৮৭ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৮ হাজার ৫২ জনে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (মহাপরিচালকের দায়িত্বপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৮৪৮ জন। এনিয়ে মোট করোনা আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়েছেন ১৬ হাজার ৭৪৭ জন। তিনি আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ১৬ হাজার ১১৪টি। আর পরীক্ষা করা হয়েছে ১৫ হাজার ৭৭২টি। ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৩৭ জনের মধ্যে পুরুষ ৩০ জন ও নারী সাত জন। এদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে রয়েছেন ২০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে সাত জন, সিলেট বিভাগ তিনজন, বরিশালে বিভাগে দুই জন, রাজশাহী বিভাগে চার জন ও রংপুর বিভাগে এক জন। নাসিমা সুলতানা জানান, মৃত ৩৭ জনের বয়স বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে দুই জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে চার জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে আট জন, ৬১ থেকে ৭০ বছর বয়সের মধ্যে ২২ জন ও ৭১ থেকে ৮৯ বছরের মধ্যে আছেন এক জন। এদের মধ্যে হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে ২৮ জনের আর বাড়িতে মৃত্যু হয়েছে নয় জনের। তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আইসোলেশনে এসেছেন ৬৭১ জন। এনিয়ে মোট আইসোলেশনে এসেছে ১৩ হাজার ৬৩৭ জন। আইসোলেশন থেকে ২৪ ঘণ্টায় ছাড়পত্র পেয়েছেন ১৫৫ জন। এ পর্যন্ত ছাড়পত্র পেয়েছেন চার হাজার ৮৭৩ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন আট হাজার ৭৬৪ জন।
করোনায় পপুলার গ্রুপের চেয়ারম্যানের মৃত্যু
১১জুন,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পপুলার মেডিকেল কলেজ, পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিমিটেড ও পপুলার গ্রুপের চেয়ারম্যান তাহেরা আক্তার (৬০) করোনায় মারা গেছেন। আক্রান্ত হওয়ার প্রায় তিন সপ্তাহ পর বুধবার বিকাল ৫টা ৪৫ মিনিটের দিকে রাজধানীর শ্যামলী স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তাহেরা আক্তার পপুলার গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার নারচির বাসিন্দা চিকিৎসক মোস্তাফিজুর রহমানের সহধর্মিণী। তিনি বগুড়ার এক সময়ের বিশিষ্ট ঠিকাদার মখলেসুর রহমানের কন্যা। তার বাড়ি বগুড়া শহরের নামাজগড় এলাকায়। দীর্ঘদিন ধরে তাহেরা আক্তার তার পরিবারের সঙ্গে রাজধানীর বনানীতে বসবাস করতেন। তাহেরার স্বামী ও পপুলার গ্রুপের এমডি মোস্তাফিজুর রহমানের ভাগিনা মিল্টন রহমান জানান, তাকে ঢাকার বনানী গোরস্থানে দাফন করা হবে।

জাতীয় পাতার আরো খবর