শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০
শেখ হাসিনাকে বান কি মুনের ফোন
২৯জুলাই,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মুজিববর্ষকে স্মরণ করে ২০২১ সালের ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম (সিভিএফ) সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব ও গ্লোবাল কমিশন অন অ্যাডাপটেশনের চেয়ারম্যান বান কি মুন। বুধবার (২৯ জুলাই) সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে টেলিফোন করেন বান কি-মুন। এ সময় তিনি এ কথা জানান। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম গণমাধ্যমকে বলেন, আনুমানিক ৬টা ১০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে টেলিফোন করেন বান কি মুন। সিভিএফ সম্মেলন এবং গ্লোবাল সেন্টার অন অ্যাডাপটেশন কনফারেন্সসহ বিভিন্ন ইস্যুতে তারা প্রায় ১২ মিনিট কথা বলেন। ইহসানুল করিম বলেন, আগামী সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে গ্লোবাল সেন্টার অন অ্যাডাপটেশন কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হবে। এটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করবেন। যেখানে বান কি মুন ভার্চ্যুয়ালি অংশগ্রহণ করবেন। প্রেসসচিব বলেন, করোনা ভাইরাস সংকট এবং সাইক্লোন আম্পান পরিস্থিতি সাহস ও দক্ষতার সঙ্গে মোকাবিলা করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করেন জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মানুষকে কোভিড-১৯ মহামারি এবং সাইক্লোন আম্পানের মতো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সক্ষম করে গড়ে তোলার পরামর্শ দেন বান কি মুন। দ্বিতীয় বারের মতো সিভিএফের সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান বান কি মুন। বাংলাদেশে নিউরোডেভেলমেন্ট ডিসঅর্ডার অ্যান্ড অটিজম বিষয়ক জাতীয় কমিটির চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ হোসেনকে সিভিএফের থিমেটিক অ্যাম্বাসেডর হওয়ায় অভিনন্দন জানান বান কি মুন। টেলিফোন করায় বান কি মুনকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা ৪৮ দেশের সংগঠন ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম (সিভিএফ)।
মোট মৃত্যু ৩০৩৫, আক্রান্ত ২৩২১৯৪
২৯জুলাই,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ৩০০৯ জনের দেহে। এ নিয়ে দেশে মোট শনাক্ত হলেন ২ লাখ ৩২ হাজার ১৯৪ জন। এছাড়া আক্রান্তদের মধ্যে আরও ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৩০৩৫ হাজার জন। বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুরে কোভিড-১৯ সম্পর্কিত নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে এসব তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। সারাদেশের নমুনা পরীক্ষার তথ্য তুলে ধরে নাসিমা সুলতানা জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪, ১৮৭ নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো ১১ লাখ ৫১ হাজার ৩২৮ জন । নতুন পরীক্ষা করা নমুনায় ৩৩০৯ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ২ লাখ ৩২ হাজার ৪৯৪ জন। আক্রান্তদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে আরও ৩৫ জনের। ফলে ভাইরাসটিতে মোট মারা গেলেন ৩ হাজার ৩৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও ২৮৭৮ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১৩০২৯২জন। এদিকে পরিসংখ্যানবিষয়ক ওয়েবসাইট ওয়ের্ল্ডোমিটারসের তথ্যমতে বুধবার (২৯ জুলাই) সকাল পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৬ লাখ ৬৩ হাজার ৭৬৫ জনের এবং আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৬৯ লাখ ০৮ হাজার ৬৯৮ জনের। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ কোটি ৪ লাখ ৭২ হাজার ৮৪২ জন।
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানের সাক্ষাত
২৯জুলাই,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদের সাথে গতকাল বিকেলে বঙ্গভবনে নব-নিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধান ভাইস এডমিরাল এম শাহীন ইকবাল সৌজন্য সাক্ষাত করেন। রাষ্ট্রপতি নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের বিশাল সমুদ্র এলাকার সার্বভৌমত্ব রক্ষাসহ এ অঞ্চলের সামুদ্রিক সম্পদ আহরণ ও সংরক্ষণে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সাক্ষাত শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদিন বাসসকে একথা জানান। রাষ্ট্রপতি বলেন, সরকার সশস্ত্রবাহিনীর উন্নয়নে ফোর্সেস গোলস্ ২০৩০ বাস্তবায়ন করছে। এর ফলে বাংলাদেশ নৌবাহিনী আজ ত্রিমাত্রিক , দক্ষ ও চৌকশ বাহিনীতে পরিণত হয়েছে। নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ নৌবাহিনী আরো আধুনিক ও প্রযুক্তিজ্ঞানসম্পন্ন শক্তিশালী বাহিনীতে পরিণত হবে বলে রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন। নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধান দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনা কামনা করেন । রাষ্ট্রপতি নৌবাহিনী প্রধানের সাফল্য কামনা করেন। সাক্ষাতকালে রাষ্ট্রপতির সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।
বন্যায় এ পর্যন্ত প্রায় ১২ হাজার ৭১০ টন চাল বরাদ্দ
২৯জুলাই,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সাম্প্রতিক অতিবর্ষণ জনিত কারণে সৃষ্ট বন্যায় ৩১টি জেলায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে মানবিক সহায়তা হিসেবে বিতরণের জন্য এ পর্যন্ত ১২ হাজার ৭১০ টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে এবং এ পর্যন্ত ৭ হাজার ৬৩০ টন চাল বিতরণ করা হয়েছে। আজ এক তথ্যবিবরণীতে একথা বলা হয়। এতে জানানো হয়েছে, বন্যাকবলিত জেলা প্রশাসনসমূহ থেকে ২৮ জুলাই পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী নগদ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে তিন কোটি ৩৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং বিতরণ করা হয়েছে দুই কোটি চার লাখ ৪৫ হাজার ২০০ টাকা। শিশু খাদ্য সহায়ক হিসেবে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৮২ লাখ টাকা এবং এ পর্যন্ত বিতরণ করা হয়েছে ৩৫ লাখ ৯৪ হাজার টাকা। গো-খাদ্য ক্রয়ের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে দুই কোটি ১৬ লাখ টাকা এবং বিতরণের পরিমাণ ৭৮ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। শুকনো ও অন্যান্য খাবারের প্যাকেট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে এক লাখ ৩৭ হাজার এবং বিতরণ করা হয়েছে ৯০ হাজার ৮১২ প্যাকেট। এছাড়াও ঢেউ টিন বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৩০০ বান্ডিল এবং বিতরণ করা হয়েছে ১০০ বান্ডিল, গৃহ মঞ্জুরি বাবদ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে নয় লাখ টাকা এবং বিতরণ করা হয়েছে তিন লাখ টাকা। তথ্যবিবরণীতে বলা হয়, বন্যাকবলিত জেলাসমূহ হচ্ছে- ঢাকা, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, ফরিদপুর, মুন্সিগঞ্জ, রাজবাড়ী, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, জামালপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, রংপুর, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ এবং সুনামগঞ্জ । বন্যাকবলিত উপজেলার সংখ্যা ১৫৪ টি এবং ইউনিয়নের সংখ্যা ৯১৭ টি। পানিবন্দি পরিবার সংখ্যা ১০ লাখ ২১ হাজার ৮৩৪ টি এবং ক্ষতিগ্রস্ত লোক সংখ্যা ৪৮ লাখ ৫৬ হাজার ৬২৮ জন । বন্যায় এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৪১ জন। এর মধ্যে জামালপুরে ১৫ জন, লালমনিরহাটে ১ জন, সুনামগঞ্জে ৩ জন, সিলেটে ১ জন, কুড়িগ্রামে ৯ জন, টাঙ্গাইলে ৪ জন, মানিকগঞ্জে ২ জন, মুন্সীগঞ্জে ১ জন, গাইবান্ধায় ১ জন, নওগাঁয় ২ জন এবং সিরাজগঞ্জ জেলায় ২ জন মৃত্যুবরণ করেছেন । বন্যা কবলিত জেলা সমূহে আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে এক হাজার ৫৯০ টি। এ পর্যন্ত আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রিত লোক সংখ্যা ৮৮ হাজার ২৯৪ জন। আশ্রয় কেন্দ্রে আনা গবাদি পশুর সংখ্যা ৭৫ হাজার ৮৫৮ টি। বন্যাকবলিত জেলাসমূহে এ পর্যন্ত মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে ৯০১ টি এবং বর্তমানে চালু আছে ৩৮৫ টি।
একনেকের বৈঠকে ৭টি প্রকল্প অনুমোদন
২৯জুলাই,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) খুলনা নগরীর সুয়ারেজ সিস্টেমের আধুনিকায়ন ও স্যানিটেশন সিস্টেমের উন্নয়নে ২ হাজার ৩৩৪. ১৪ কোটি টাকাসহ মোট ৩ হাজার ৭৫.৩৩ কোটি টাকা ব্যায়সম্বলিত সাতটি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে। একনেক চেয়ারপার্সন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গত একনেকের ভার্চুয়াল বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী ও পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দেন। একনেকের অন্যান্য সদস্যরা নগরীর শের-এ-বাংলা নগর এলাকার এনইসি সম্মেলন কক্ষ থেকে এতে অংশ নেন। ভার্চুয়াল ব্রিফিংকালে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, আজকের একনেক বৈঠকে আমরা তিনটি মন্ত্রণালয়ের সাতটি প্রকল্পকে অনুমোদন দিয়েছি। এগুলোর মধ্যে ৫টি প্রকল্প নতুন এবং অপর দুইটি সংশোধিত প্রকল্প। প্রকল্পগুলোর প্রাক্কালিত ব্যয় ধরা হয়েছে আনুমানিক ৩ হাজার ৭৫.৩৩ কোটি টাকা। তিনি আরো বলেন, সাতটি প্রকল্পের মোট ব্যয়ের ২ হাজার ১৩২.৮৮ কোটি টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে এবং ৯৪২.৪৬ কোটি টাকা বিদেশী ঋণ থেকে আসবে। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীন তিনটি, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীন একটি, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন দুটি এবং আইসিটি বিভাগের অধীন একটিসহ সাতটি প্রকল্প অনুমোদিত হয়। ২ হাজার ৩৩৪.১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে খুলনা সুয়ারেজ সিস্টেম উন্নয়ন প্রকল্প সম্পর্কে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, সুয়ারেজ সিস্টেমের আধুনিকায়নের পাশাপাশি স্যানিটেশন সিস্টেমের উন্নয়নের লক্ষে খুলনা ওয়াসা ২০২৫ সাল নাগাদ প্রকল্পটি সম্পন্ন করবে। প্রকল্পটির মোট ব্যয়ের ৯২৯.৪২ কোটি টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে এবং ১ হাজার ৪০৪.৭২ কোটি টাকা বিদেশী ঋণ থেকে আসবে। পরিকল্পনা কমিশনের মতে দুটি সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট নির্মাণ, ১৭৩ কিলোমিটার স্যুয়ারেজ (পয়ঃনিষ্কাশন নালা) নেটওয়ার্ক, আটটি স্যুয়ারেজ পাম্পিং স্টেশন, ৭৭ কিলোমিটার সার্ভিস লাইন ও একটি ওয়েট ল্যান্ড, ৩০ হাজার বাড়িতে সংযোগ, পয়নিষ্কাশন পরিষ্কার সরঞ্জামাদি সংগ্রহ, গবেষণাগার সরঞ্জামাদি ও ১ লাখ, ১৫ হাজার ৭৪১ কিউবিক মিটার ভূমি উন্নয়ন। নতুন অনুমোদিত চারটি প্রকল্প হচ্ছে- ৯৩৮.৭৩ কোটি টাকা ব্যয়ে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব (দ্বিতীয় পর্ব) স্থাপন প্রকল্প, ২৩১.৩৩ কোটি টাকা ব্যয়ে মুজিবনগর সেচ উন্নয়ন প্রকল্প, রাজধানী নগরীতে ৯৩.৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে পানি সরবরাহ পদ্ধতি এবং ৬৩.৫৫ কোটি টাকা ব্যয়ে তুলা গবেষণা উন্নয়ন ও প্রযুক্তি স্থানান্তর প্রকল্প। সংশোধিত প্রকল্পগুলো হচ্ছে হতদরিদ্রদের জন্য উপার্জন সহায়তা কর্মসূচি (৩য় সংশোধন) প্রকল্প ও আমার বাড়ি আমার খামার (৪র্থ সংশোধন) প্রকল্প। স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রকল্পসমূহ অনুমোদনের সময় প্রধানমন্ত্রী রাজস্ব বৃদ্ধির মাধ্যমে স্থানীয় সরকার সংস্থাগুলোকে ক্রমান্বয়ে স্বনির্ভর করা নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন আপনাদেরকে ধীরে ধীরে কিভাবে স্থানীয় সরকার সংস্থাগুলো আত্মনির্ভরশীল হতে পারে সে সম্পর্কে চিন্তা করা উচিত। আমার বাড়ি আমার খামার প্রকল্প সম্পর্কে শেখ হাসিনার উদ্ধৃতি দিয়ে মান্নান বলেন, মাইক্রোক্রেডিটের কবল থেকে মুক্ত হয়ে মানুষ যেন আত্মনির্ভরশীল হতে পারে সে লক্ষেই এই প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মানুষকে আত্মনির্ভরশীল হতে বলেছেন। ডিজিটাল ল্যাব প্রকল্প সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এ ধরনের আরো প্রকল্প প্রণয়ন করতে বলেছেন, যাতে করে শিক্ষার্থীদের স্বক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। মন্ত্রী বলেন, যথাসময়ে প্রকল্প সম্পন্ন করতে সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী আবারো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন।
মুক্তি পাচ্ছে ৩৬৮ কয়েদি
২৮,জুলাই,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের কারাগারগুলোর ৩৬৮ কয়েদি মুক্তি পাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর একটি নির্দেশনা রয়েছে- ধর্ষক ও নৃশংস খুনি যাতে না ছাড়া হয়। আমরা সেই নির্দেশনা মাথায় রেখে সেগুলো ফিল্টার করে এখন ৩৬৮-তে নিয়ে আসছি। এদের মুক্তির প্রক্রিয়া চলেছে। তিনি বলেন, যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত যারা রয়েছেন ও জেল কোড অনুযায়ী যাদের সাজার মেয়াদ শেষ হয়েছে তারা ছাড়া পাবেন। এরমধ্যে আইন পরিবর্তন হয়েছে। সেই বিষয়ে আমি যাবো না। আমাদের প্র্যাকটিসে যেটা ছিল এক বছরে কতদিন জেল খাটলে এক বছর পূর্ণ হয় সেই হিসাব করে যাদের ৩০ বছর পূর্ণ হয়েছে। ২২ বছরে জেল খানার ৩০ বছর পূর্ণ হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ৩০ বছর সাজা খাটা এক হাজার ৬শর বেশি কয়েদীদের একটা তালিকা জেল কর্তৃপক্ষ দিয়েছিলেন জানিয়ে আসাদুজ্জামান খান বলেন, ৫/৭ বছরের মধ্যে আমরা ছাড়িনি। এর আগে ছাড়া হয়েছিল। এতদিনে পুঞ্জীভূত হয়েছে। হাসপাতালগুলোতে অভিযান বন্ধ হয়ে গেছে কিনা- প্রশ্নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মোটেই বন্ধ হয়নি। যারাই করোনার ভুয়া সনদ করবে আমরা তাদের ধরবো, এটা হলো মূল কথা। এটা চলবে। ‘তবে কাউকে যেন হয়রানি করা না হয়। এখনও সেই নির্দেশনা বাস্তবায়ন হচ্ছে।
করোনায় ২৪ ঘণ্টায় কমেছে মৃত্যু ও বেড়েছে শনাক্ত
২৮,জুলাই,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন দুই হাজার ৯০৭ জন। আর একই সময়ে সোমবার (২৭ জুলাই) করোনায় মারা গেছেন ৩৭ জন এবং আক্রান্ত হয়েছেন দুই হাজার ৭৭২ জন। সেই হিসেবে মঙ্গলবার বেড়েছে মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। নাসিমা সুলতানা জানান, ঢাকা সিটিসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ও বাড়িতে উপসর্গবিহীন রোগীসহ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৮০১ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন এক লাখ ২৫ হাজার ৬৮৩ জন। দেশে গত ৮ মার্চ করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত (কোভিড-১৯) প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় সব করছে সরকার
২৮,জুলাই,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা সংকটে দেশে যেন খাদ্য ঘাটতি না হয় সে জন্য সরকার প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভার সূচনা বক্তব্যে একথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এটা ঠিক করোনা ভাইরাস আমাদের অনেকটা পিছিয়ে দিচ্ছে। তারপরও আমাদের কৃষির যে অগ্রগতি এটা ধরে রাখতে হবে। আমাদের মানুষের আর যাই হোক তাদের খাদ্যের অভাবটা যেন না হয়। সেটা আমাদের দেখতে হবে। তিনি বলেন, খাবারের ব্যবস্থাটা যদি আমরা ঘরে রাখতে পারি। তাহলে অন্য কোনোদিকে খুব একটা সমস্যা হবে না। আমরা কাটিয়ে উঠতে পারবো। নগদ অর্থসহায়তা, কৃষকদের সার, উন্নতমানের বীজসহ অন্য কৃষি উপকরণ দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, এভাবে সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছি। এভাবে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষের পাশে দাঁড়ানো এটাই আমাদের কাজ। করোনা সংকটকালীন যারা কৃষকের পাশে দাঁড়িয়েছে তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, খাদ্য উৎপাদন, বিশেষ করে ধান কাটার ব্যাপারে আমাদের সংগঠনের প্রতিটি সহযোগী সংগঠন, আমাদের ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগ, আওয়ামী লীগ প্রতিটি নেতা-কর্মী তারাও কিন্তু মাঠে নেমে গেছে। নিজের হাতে ধান কেটে কৃষকের ঘরে তুলে দিয়েছে। এই কাজ করতে যেয়ে আমাদের অনেকে কিন্তু করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। অনেকে মৃত্যুবরণও করেছে। যারা মৃত্যুবরণ করেছে তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করি। বাংলাদেশ এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারবে আশা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসডিজিও আমরা অর্জন করবো। বিশেষ করে এসডিজির ১৭টি মূল নির্দেশনা রয়েছে। তার মধ্যে যে কয়টা আমাদের দেশের জন্য প্রযোজ্য, আমাদের সবগুলো নিয়ে নাড়াচাড়া করার দরকার নেই। ঠিক যে কয়টা আমাদের দেশের জন্য প্রয়োজন সেগুলো আমাদের অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় সেগুলো আমরা সংযুক্ত করে নিয়েছি। সেগুলো বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। ইনশাল্লাহ আমরা তা অর্জন করতে পারবো। এটা ঠিক করোনা ভাইরাস আমাদের অনেকটা পিছিয়ে দিচ্ছে।

জাতীয় পাতার আরো খবর