রবিবার, এপ্রিল ৫, ২০২০
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ
১৯ফেব্রুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকা সফররত নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রদীপ কুমার গাওয়ালি। বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ হয়। গেলো ১৭ ফেব্রুয়ারি দ্বিপক্ষীয় সফরে ঢাকায় আসেন প্রদীপ কুমার গাওয়ালি। এরই মধ্যে মঙ্গলবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে মোমেনের সঙ্গেও দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন তিনি। সকালে এই সৌজন্য বৈঠকে দুই দেশের সম্ভাবনার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন তারা। উল্লেখ্য, দেশটি থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানিসহ বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিষয়গুলো নিয়ে বেশক'বছর ধরে আলোচনা করছেন দু'দেশের নীতিনির্ধারকরা। এ সময়, ঢাকায় নেপাল দূতাবাসের কর্মকর্তাসহ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সুপ্রিমকোর্ট বারের ভোটের তারিখ ঘোষণা
১৯ফেব্রুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ১১ ও ১২ মার্চ সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির (সুপ্রিমকোর্ট বার) ২০২০-২০২১ইং সেশনের নির্বাচনের তারিখ ঠিক করে তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। আজ বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন লিখত বক্তৃতায় জানান, ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চ পর্যন্ত মনোনয়ন দাখিল এবং ৪ মার্চ মনোনয়ন প্রত্যাহারের তারিখ ধার্য করা হয়েছে। প্রার্থীতা যাচাই বাছাই করা হবে ১ মার্চ। কার্যনির্বাহী কমিটির মোট ১৪টি পদে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিমকোর্ট সভাপতি এ এম আমিন উদ্দিনসহ আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দ। নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ ওয়াই মশিউজ্জামানকে আহবায়ক করে সাত সদস্যের নির্বাচন উপ-কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
ধর্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী
১৯ফেব্রুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী এবং সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেছেন, মাদক এবং জঙ্গিবাদের মত ধর্ষকদের বিরুদ্ধেও কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, মানুষ নামের কিছু পশু ছোট শিশু থেকে শুরু করে মেয়েদের বিভিন্ন জায়গায় ধর্ষণ করছে। এদের বিরুদ্ধে আমরা কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছি। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী এবং সংসদ নেতা শেখ হাসিনা একাদশ জাতীয় সংসদের ৬ষ্ঠ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনিত ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনা এবং অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে একথা বলেন। ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এ সময় স্পিকারের দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি বলেন, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ এবং মাদকের বিরুদ্ধে যেমন ব্যবস্থা নিয়েছি তেমনি এখন আমরা সন্ত্রাস,জঙ্গিবাদ, মাদক এবং ধর্ষকের বিরুদ্ধে একইভাবে জিরো টলারেন্স ঘোষণা দিচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশবাসীকে আমি আহবান করবো- এই ধরনের ঘটনা (ধর্ষণ) যারা ঘটাচ্ছে তাদের ধরতে সকলেই যেন আমাদের সহযোগিতা করেন। কারণ তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা আমরা আইনগতভাবেই নেব এবং এ বিষয়ে আমরা যথেষ্ট সচেতন রয়েছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ, ডেঙ্গু প্রসংগ, আসন্ন রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং দেশের ব্যাংকে টাকা নেই বলে বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যের প্রেক্ষিতে দেশের বর্তমান রিজার্ভসহ আর্থ-সামাজিক অবস্থার উত্তরণের চিত্র তাঁর ভাষণে তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার চাচ্ছে দেশ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তা যেন চলমান থাকে। চলার পথে নানা সময় বিভিন্ন সমস্যা দেখা গেলে সরকার তাৎক্ষনিকভাবেই সেটা সমাধানের উদোগ গ্রহণ করে। প্রধানমন্ত্রী করোনা ভাইরাস প্রসঙ্গে বলেন, এটা যখন চীনে দেখা দেয় তখনই তাঁর সরকার এ বিষয়ে প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে এবং অন এরাইভাল ভিসা বন্ধ করে দিয়েছে। তাঁর সরকারের বিমানবন্দরে প্রতিরোধমূলক সতর্কাবস্থা গ্রহণের প্রসংগ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চীন বা যেসব দেশে এই ভাইরাস দেখা গিয়েছে সেসব দেশ থেকে কেউ আসলে তার সঠিকভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আমরা নিশ্চিত হচ্ছি এই ভাইরাস নিয়ে কেউ ঢুকছে কিনা। কাউকে এতটুকু সন্দেহ হলে হাসপাতালে নিয়ে তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে কোয়ারান্টাইনে রেখে তারপর আমরা ছাড়ছি। তিনি বলেন, এটা যেন বাংলাদেশে বিস্তার লাভ করতে না পারে সেজন্য যথাযথ ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি। অতীতে দেশে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ার প্রসংগ টেনে প্রধানমন্ত্রী সবাইকে বাড়ি-ঘর এবং চারপাশ পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রেখে এই রোগ সৃষ্টিকারি এডিস মশার বংশ বিস্তার রোধ করার বিষয়েও সবাইকে পুনরায় সতর্ক করেন। তিনি বলেন, ডেঙ্গু নিয়ে একটা সমসা সৃষ্টি হয়েছিল। আবারও মশার উপদ্রব বাড়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে আমি দেশবাসীকে বলবো নিজেদেরকেও একটু সচেতন থাকতে হবে এবং বাড়ি-ঘর পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে, যেন মশা না জন্মাতে পারে সে ব্যাপারে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে আসন্ন রমজান মাসে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সমাগ্রীর সরবরাহকে সুষম রাখার মাধ্যমে দ্রব্যমূল্যকে জনগণের নাগালের মধ্যে রাখার জন্যও সংশ্লিষ্ট মহলকে নির্দেশনা প্রদান করেন।
শহীদ মিনারে থাকবে চার স্তরের নিরাপত্তা: ডিএমপি কমিশনার
১৯ফেব্রুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার (ডিএমপি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেছেন, ২১ ফেব্রুয়ারি মহান আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও এর আশপাশের এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। শহীদ মিনারে জঙ্গি হামলা বা নাশকতার কোনো আশঙ্কা নেই। এ নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো হুমকিও নেই। তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে ২০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত শহীদ মিনার ও এর আশপাশের এলাকায় কোনো যানবাহন ঢুকতে দেওয়া হবে না। বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় জাতীয় শহীদ মিনারে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপি কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম এ সব তথ্য জানান। কমিশনার বলেন, ‘শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে আসা নাগরিকদের আর্চওয়ের মধ্যদিয়ে প্রবেশ করানো হবে। তল্লাশি ছাড়া কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা (সিসিটিভি) ও ওয়াচ টাওয়ারের মাধ্যমে পরিস্থিতি নজরদারিতে রাখা হবে। এ ছাড়া সাদা পোশাকে পুলিশ, ডিবি পুলিশ মোতায়েন থাকবে। প্রস্তুত থাকবে সোয়াত, সিটিটিসির স্পেশাল অ্যাকশন গ্রুপ ও ডগ স্কোয়াড টিম। ডিএমপি কমিশনার জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সার্বক্ষণিক মনিটরিং করবে ডিএমপির সাইবার সিকিউরিটি বিভাগ। শফিকুল ইসলাম বলেন, শহীদ মিনার এলাকায় ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে। ব্যারিকেডের ভেতরের প্রতি ইঞ্চি জায়গায় সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকবে। ব্যারিকেডের ভেতরে প্রবেশের সময় সবাইকে তল্লাশি করা হবে। তল্লাশি ছাড়া কাউকে ব্যারিকেডের ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হবে না। এ ছাড়া নিয়মিত টিমের পাশাপাশি সোয়াট, সাদা পোশাকে ডিবি, পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ ও মোবাইল টিম থাকবে। যেন যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করা যায়। প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির আগমন উপলক্ষে নেওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সবাইকে ডিএমপির নির্দেশিত ম্যাপ ফলো করতে সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার।
একনেক সভায় ৯ প্রকল্প অনুমোদন
১৮ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) ২৯তম সভা আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ১৩ হাজার ৬৩৯ কোটি ১ লাখ টাকা খরচে ৯টি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এসব প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়। অনুমোদন দেয়া প্রকল্পগুলোতে সরকার দেবে ৮ হাজার ৮৮৬ কোটি ৪৪ লাখ, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ২৯৩ কোটি ১৬ লাখ এবং বৈদেশিক ঋণ ৪ হাজার ৪৫৯ কোটি ৪১ লাখ টাকা। সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সাংবাদিকদের সামনে বিস্তারিত তুলে ধরেন। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের তিনটি প্রকল্প রয়েছে। এর মধ্যে নোয়াখালী জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম হাজী কামাল উদ্দীন সড়ক (বেগমগঞ্জের গ্লোব ফ্যাক্টরি হতে কবিরহাটের ফলাহারী পর্যন্ত) (জেড-১৪৫৩) উন্নয়ন প্রকল্পে খরচ হবে ২৮২ কোটি ১১ লাখ টাকা। আনোয়ারা উপজেলা সংযোগ সড়কসহ কর্ণফুলী টানেল সংযোগ মড়ককে চারলেনে উন্নীতকরণ (শিকলবাহা-আনোয়ারা সড়ক) প্রকল্পে ৪০৭ কোটি ৮ লাখ টাকা খরচ হবে। আর ১ হাজার ৬৮২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা খরচে শরীয়তপুর-জাজিরা-নাওডোবা (পদ্মা ব্রিজ এপ্রোচ) সড়ক উন্নয়নপ্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে পাটুরিয়া এবং দৌলতদিয়ায় আনুষঙ্গিক সুবিধাদিসহ নদীবন্দর আধুনিকায়ন প্রকল্পে ১ হাজার ৩৫১ কোটি ৭০ লাখ টাকা খরচ হবে। অন্য প্রকল্পটি হলো ৬ হাজার ১৪ কোটি ৬২ লাখ টাকা খরচে মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্প। ১২৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা খরচে বিলুপ্ত ছিটমহল ও নদী বিধৌত চরাঞ্চলে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প এবং ১১৮ কোটি ১৩ লাখ টাকা খরচে হাওর অঞ্চলে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন নামে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এছাড়া সভায় ২ হাজার ৯৩১ কোটি ৬২ লাখ খরচে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের রাজশাহী জেলার চারঘাট ও বাঘা উপজেলায় পদ্মা নদীর বাম তীরের স্থাপনাসমূহ নদী ভাঙন হতে রক্ষা প্রকল্প এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ৭২২ কোটি ২৪ লাখ টাকা খরচে রাজশাহী জেলার চারঘাট ও বাঘা উপজেলায় পদ্মা নদীর বাম তীরের স্থানসমূহ নদী ভাঙন হতে রক্ষা প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়।
৬টি ইউনিটকে রেজিমেন্টাল কালার প্রদান করলেন সেনাবাহিনী প্রধান
১৮ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬টি ইউনিটের রেজিমেন্টাল কালার প্রদান করেছেন। টাঙ্গাইলের ঘাটাইল সেনানিবাসস্থ ১৯ পদাতিক ডিভিশনে আজ অনুষ্ঠিত রেজিমেন্টাল কালার প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়। সেনাবাহিনী প্রধান প্যারেড গ্রাউন্ডে উপস্থিত হলে ১৯ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম তাকে অভ্যর্থনা জানান। এরপর প্যারেড কমান্ডার লে. কর্নেল খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯ পদাতিক ডিভিশনের একটি সম্মিলিত চৌকস দল কুচকাওয়াজ প্রদর্শন এবং সেনাবাহিনী প্রধানকে জেনারেল সালাম প্রদান করেন। গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক ইউনিটসমূহ কর্তৃক সেনাবাহিনী তথা দেশমাতৃকার সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য রেজিমেন্টাল কালার প্রদান করা হয়। এ প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৪ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি, ১১ আর ই ব্যাটালিয়ন, ১৮ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন, ৩ সিগন্যাল ব্যাটালিয়ন, ১৭ বীর এবং ১৯ বীর এই কালার প্যারেডে অংশগ্রহণ এবং প্রধান অতিথির কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে রেজিমেন্টাল পতাকা গ্রহণ করে। সেনাবাহিনী প্রধান রেজিমেন্টাল কালার প্রাপ্ত ইউনিটসমূহকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, রেজিমেন্টাল কালার প্রাপ্তি যে কোন ইউনিটের জন্য একটি বিরল সম্মান এবং পবিত্র আমানত। তিনি কর্মদক্ষতা, কঠোর পরিশ্রম ও কর্তব্যনিষ্ঠার স্বীকৃতি স্বরূপ প্রাপ্ত পতাকার মর্যাদা রক্ষা এবং দেশ মাতৃকার যে কোন প্রয়োজনে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে ইউনিটসমূহকে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশনা প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে প্রাক্তন সেনাবাহিনী প্রধানগণ, সেনাসদর ও বিভিন্ন ফরমেশনের উর্ধতন সেনাকর্মকর্তা, কোর অব আর্টিলারি, ইঞ্জিনিয়ার্স, সিগন্যালস ও বীর এ চাকুরীরত, অবসরপ্রাাপ্ত উর্ধতন সেনাকর্মকর্তা এবং রেজিমেন্টাল কালার প্রাপ্ত ইউনিটসমুহের প্রাক্তন অধিনায়কবৃন্দ ও সুবেদার মেজর এবং অসামরিক প্রশাসনের আমন্ত্রিত উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মুজিববর্ষের নামে চাঁদাবাজির দোকান খোলা যাবে না
১৮ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সামনে মুজিববর্ষ পালন করা হবে। এই মুজিববর্ষ পালন করতে গিয়ে কোনো ধরনের বাড়াবাড়ি করা যাবে না, মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মুজিববর্ষ পালনের নামে কোনো চাঁদাবাজির দোকান খোলা যাবে না। তিনি বলেন, এ বিষয়ে দলের সভাপতি শেখ হাসিনার কড়া হুশিয়ারি রয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের খুলনা বিভাগীয় অঞ্চলের বিশেষ যৌথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এ কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে মুজিববর্ষ পালন করে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের পতাকা ঊর্ধ্বে তুলে ধরতে হবে। বিরোধীপক্ষকে দুর্বল ভাবার কোনো কারণ নেই। বিএনপি একটা ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম। তাদের মধ্যে ঐক্য আছে। আমাদের দলে সুবিধাবাদী আছে, তারা আওয়ামী লীগে থেকে বিএনপির জন্য কাজ করে, বিএনপিকে ভোট দেয়। আমাদের সামান্য ভুলে বিরোধীপক্ষ সুযোগ নিতে পারে, তাই আমাদের মুজিববর্ষ পালনে সতর্ক থাকতে হবে। ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন করার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, পরীক্ষিত নেতাদের সময়মতো মূল্যায়ন না করলে দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের মাঠে পাওয়া যাবে না। তিনি আরও বলেন, জেলাপর্যায়ে আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী করতে তৃণমূলকে শক্তিশালী করতে হবে। তা না হলে দলের দুর্বল অবস্থা কাটানো যাবে না। তৃণমূল হলো দলের প্রাণ, আমাদের দলের থানাপর্যায়ে দুর্বলতা আছে এটি অপ্রিয় সত্য কথা। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিম, বিএম মোজাম্মেল হক, অসিম কুমার উকিল, খুলনার মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ।
সরকার ও জনগণের বন্ধন যত বেশি মজবুত হবে গণতন্ত্র তত টেকসই হবে: রাষ্ট্রপতি
১৮ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, চলমান অগ্রগতি ও গণতন্ত্রের বিকাশ টেকসই করার লক্ষ্যে সরকার ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন বজায় রাখতে হবে। তিনি বলেন, আপনারা হচ্ছেন সরকার ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন। তাই এই বন্ধন যত বেশি মজবুত ও দৃঢ় হবে, উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের বিকাশও তত বেশি টেকসই হবে। সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, মন্ত্রিসভার সদস্য এবং সংসদ সদস্যদের সম্মানে আয়োজিত নৈশভোজে ভাষণে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আপনারা জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি। জনগণ অনেক আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে আপনাদেরকে ভোট দিয়ে তাদের প্রতিনিধি বানিয়েছেন। তাই আপনাদের মূল দায়িত্ব হচ্ছে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো। রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের জনগণের চাওয়া-পাওয়া খুবই সীমিত। অল্পতেই তারা খুশি হন। নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে সংসদ সদস্যদের কাছে জনগণের প্রত্যাশা থাকে প্রয়োজনের সময় তারা যেন তাকে কাছে পায়। তাই আপনারা নির্বাচনী এলাকার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখবেন এবং জনগণের প্রয়োজনের সময় তাদের পাশে দাঁড়াবেন। এতে দল ও সরকারের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক ও যোগাযোগ মজবুত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত হবে। বিরোধী দল সংসদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার উল্লেখ করে মো. আবদুল হামিদ বলেন, তাদের গঠনমূলক সমালোচনা ও ভূমিকা সংসদকে কার্যকর করতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান ও বিগত সংসদে সরকারি ও বিরোধীদল সংসদকে কার্যকর করতে যে সমন্বিত উদ্যোগ নিয়েছেন তা খুবই প্রশংসনীয়। আশা করি, ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, সংসদ হয়ে উঠবে সরকারের সকল কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু। উন্নয়ন ও গণতন্ত্র এগিয়ে যাবে একই সঙ্গে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর গতিশীল নেতৃত্বে নারীর ক্ষমতায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশে এখন বিশ্বে রোল মডেল। সংসদ সদস্য হিসেবে আপনারাও এই সাফল্যের গর্বিত অংশীদার। জনগণ যাতে সরকারের সকল উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সুফল ভোগ করতে পারে, জনপ্রতিনিধি হিসেবে তা নিশ্চিত করা আপনাদের দায়িত্ব। ভাষণের শুরুতেই রাষ্ট্রপতি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, সকল বীর মুক্তিযোদ্ধা, ভাষা আন্দোলনের সৈনিক এবং বিভিন্ন সময় দেশ ও জাতির জন্য যারা জীবন দিয়েছেন তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া, চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন এবং মন্ত্রিসভার সদস্যরা যোগ দেন। এর আগে ৭টা ৩০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে পৌঁছালে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও তার পত্নী রাশিদা খানম তাকে স্বাগত জানান। এ সময় রাষ্ট্রপতির সঙ্গে পদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী দরবার হলে প্রবেশ করেন এবং মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ উপলক্ষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও পরিবেশিত হয়।
চসিক ভোট: প্রার্থী মনোনয়নকারীর নাম জানানোর নির্দেশ
১৭ফেব্রুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনের মেয়র পদে প্রার্থীদের মনোনয়নকারীর নাম জানাতে দলগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এজন্য সময় আছে আর পাঁচদিন। ইসির উপ-সচিব মো. আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত এক পরিপত্র জারি করে এরইমধ্যে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে- রাজনৈতিক দলের মনোনীত মেয়র প্রার্থীর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক বা সমপর্যায়ের পদাধিকারী বা তাদের কাছ থেকে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির স্বাক্ষরিত এক মর্মে একটি প্রত্যয়নপত্র থাকবে যে, ওই প্রার্থীকে দল থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। প্রত্যয়নপত্রটি মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ যে, একাধিক ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিলে সংশ্লিষ্ট দলের সব প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল বলে গণ্য হবে। এক্ষেত্রে প্রার্থী মনোনয়নে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি নাম, পদবী, নমুনা স্বাক্ষর একটি চিঠি তফসিল ঘোষণার সাত দিনের মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে পাঠাতে হবে। যে চিঠির অনুলিপি দিতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। মো. আতিয়ার রহমান নিউজ একাত্তরকে বলেন, মেয়র পদে দলীয়ভাবে নির্বাচন হয় বলে, কেবল এই পদের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ক্ষেত্রেই দলগুলোকে এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। ১৬ ফেব্রুয়ারি তফসিল হয়েছে। তাই ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম জানানোর সময় শেষ হবে ২২ ফেব্রুয়ারি। এদিকে মেয়র পদে স্বতন্ত্র থেকে প্রার্থী হতে হলে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে তিনশ ভোটারের সমর্থনসূচক স্বাক্ষরের তথ্য জমা দিতে হবে। ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ২৭ ফেব্রুয়ারি, মনোনয়নপত্র বাছাই ১ মার্চ, আপিল ২ থেকে ৪ মার্চ, প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৮ মার্চ, প্রতীক বরাদ্দ হবে ৯ মার্চ। আর ভোটগ্রহণ হবে ২৯ মার্চ। এদিন বগুড়া-১ এবং যশোর-৬ আসনের উপ-নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হবে। চট্টগ্রাম সিটির নির্বাচন পুরোটাই ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) সম্পন্ন করবে ইসি। ভোটগ্রহণ হবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।- বাংলানিউজ

জাতীয় পাতার আরো খবর