রবিবার, মার্চ ২৯, ২০২০
জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
অনলাইন ডেস্ক: জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। শনিবার সকালে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান তিনি। প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ও পরে আওয়ামী লীগের প্রধান হিসেবে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি। এ সময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমসহ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এরপর যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগসহ আওয়ামী লীগের সকল সহযোগী ও ভাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতারা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর সকাল আটটার দিকে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা বনানী কবরস্থানে ১৫ আগস্টের শহীদ ও জাতীয় নেতাদের কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী ও জাতীয় চার নেতা—সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এ এইচ এম কামারুজ্জামান ও ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলীকে। বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রিসভার সবচেয়ে ঘৃণিত বিশ্বাসঘাতক সদস্য হিসেবে পরিচিত এবং তৎকালীন স্বঘোষিত রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোস্তাক আহমদের প্ররোচণায় এক শ্রেণীর উচ্চাভিলাসী মধ্যম সারির জুনিয়র সেনা কর্মকর্তারা এ নির্মম হত্যাকাণ্ড চালায়। চার জাতীয় নেতাকে যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শনের মাধ্যমে দেশের ইতিহাসের অন্যতম বর্বরোচিত এই কালো অধ্যায়টিকে স্মরণ করছে জাতি। রাষ্ট্রীয়ভাবে এবং আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন দল সংগঠনের উদ্যোগে সারাদেশে পালিত হচ্ছে শোকাবহ এই দিবস।
জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
অনলাইন ডেস্ক: জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। শনিবার সকালে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান তিনি। প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ও পরে আওয়ামী লীগের প্রধান হিসেবে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি। এ সময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমসহ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এরপর যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগসহ আওয়ামী লীগের সকল সহযোগী ও ভাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতারা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর সকাল আটটার দিকে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা বনানী কবরস্থানে ১৫ আগস্টের শহীদ ও জাতীয় নেতাদের কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী ও জাতীয় চার নেতা—সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এ এইচ এম কামারুজ্জামান ও ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলীকে। বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রিসভার সবচেয়ে ঘৃণিত বিশ্বাসঘাতক সদস্য হিসেবে পরিচিত এবং তৎকালীন স্বঘোষিত রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোস্তাক আহমদের প্ররোচণায় এক শ্রেণীর উচ্চাভিলাসী মধ্যম সারির জুনিয়র সেনা কর্মকর্তারা এ নির্মম হত্যাকাণ্ড চালায়। চার জাতীয় নেতাকে যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শনের মাধ্যমে দেশের ইতিহাসের অন্যতম বর্বরোচিত এই কালো অধ্যায়টিকে স্মরণ করছে জাতি। রাষ্ট্রীয়ভাবে এবং আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন দল সংগঠনের উদ্যোগে সারাদেশে পালিত হচ্ছে শোকাবহ এই দিবস।
জেলহত্যা দিবসে নানা কর্মসূচি আ.লীগের
অনলাইন ডেস্ক: ৩ নভেম্বর বাঙালি জাতির জীবনে এক কলঙ্কময় দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আজীবন রাজনৈতিক সহচর ও মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হয়। তারা হলেন, স্বাধীন বাংলাদেশ প্রথম রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ, অর্থমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অব.) এম মুনসুর আলী, খাদ্য ও ত্রাণমন্ত্রী এ এইচ এম কামারুজ্জামান। বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রিসভার সবচেয়ে ঘৃণিত বিশ্বাসঘাতক সদস্য হিসেবে পরিচিত এবং তৎকালীন স্বঘোষিত রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোস্তাক আহমদের প্ররোচণায় এক শ্রেণীর উচ্চাভিলাসী মধ্যম সারির জুনিয়র সেনা কর্মকর্তারা এ নির্মম হত্যাকাণ্ড চালায়। জাতীয় এ চার নেতা মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে পাকিস্তানি সামরিক জান্তার হাতে আটক বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের নেতৃত্ব দেন। বঙ্গবন্ধুর আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণার পরপরই পাকিস্তানের সামরিক জান্তা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধুকে তার ঐতিহাসিক ধানমন্ডির বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করে। পরে দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন সময় সৈয়দ নজরুল ইসলাম বাংলাদেশ সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তাজউদ্দিন আহমেদ একটি স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় কোটি কোটি বাঙালির স্বাধীনতার স্বপ্ন পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বঙ্গবন্ধুর অপর ঘনিষ্ঠ সহযোগী এ এইচ এম কামারুজ্জামান ও ক্যাপ্টেন মনসুর আলী আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষেত্রে নীতি ও কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন। বিবৃতিতে তারা শহীদ জাতীয় চার নেতার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। জেলহত্যা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। কর্মসূচির মধ্যে শনিবার সকাল ছয়টায় বঙ্গবন্ধু ভবন ও দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ, কালো পতাকা উত্তোলন এবং কালো ব্যাজ ধারণ করবে দলটি। এছাড়া সকাল সাতটায় বঙ্গবন্ধু ভবনে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ। আটটায় বনানী কবরস্থানে ১৫ আগস্টের কালরাত্রিতে শহীদ ও কারাগারে নির্মমভাবে নিহত জাতীয় নেতাদের কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ মাহফিল ও মোনাজাত। একই সঙ্গে রাজশাহীতে জাতীয় নেতা শহীদ কামরুজ্জামানের কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ মাহফিল ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া বিকাল তিনটায় রাজধানীর কৃষিবিদ ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে স্মরণসভার আয়োজন করবে আওয়ামী লীগ। দলীয় সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সভায় নেতারা উপস্থিত থাকবেন।
গণভবনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রতিনিধি দল
অনলাইন ডেস্ক: আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সংলাপে বসতে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গণভবনে পৌঁছেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রতিনিধি দল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে গণভবনে পৌঁছেন তারা। এর আগে বিকালে রাজধানীর বেইলি রোডে ড. কামাল হোসেনের বাসা থেকে যাত্রা শুরু করেন ২১ সদস্যের প্রতিনিধি দলটি। রওনা হওয়ার আগে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। আজকের সংলাপে ঐক্যফ্রন্টের প্রতিনিধি দলে নতুন করে যোগ দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। এছাড়া গণফোরামের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোকাব্বির খান, জগলুল হায়দার আফ্রিক ও গণফোরামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ও ম শফিক উল্লাহর নাম রয়েছে তালিকায়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ করার অংশ হিসেবে গত রোববার সংলাপের আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনাকে চিঠি পাঠায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। পরদিনই সংলাপে রাজি হওয়ার কথা জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
৫৬ জেলায় ৩২১টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: ২০টি মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৫৬ জেলায় ৩২১টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এসব উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি। প্রকল্পগুলো উদ্বোধনের আগে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শত বাধা সত্ত্বেও সরকার উন্নয়ন কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তৃণমূলের প্রকৃত উন্নয়নে অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করতে আগামী জাতীয় নির্বাচনে পুনরায় আওয়ামী লীগ যেন ক্ষমতায় আসে সেজন্য নৌকায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, আজ কিছু প্রকল্পের উদ্বোধন করছি। জাতির পিতার স্বপ্ন ছিল নিপীড়িত মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করা। এই লক্ষ্যেই তিনি দেশকে স্বাধীন করার লড়াই করেছেন। এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমি সারা বাংলাদেশ ঘুরেছি। মানুষের ভাগ্য কীভাবে পরিবর্তন করা যায় তা ভেবেছি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, স্বাধীনতার চেতনা কীভাবে ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া যায় তা ভেবেছি। সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। বর্তমান এই প্রজন্মের জীবনটা যেন সুন্দর হয়, বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় যেন তারা টিকতে পারে, যেখানেই যাবে মাথা উঁচু করে চলবে সেটাই আমরা চাই। শেখ হাসিনা বলেন, ৯৬ থেকে ২০০১ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, নিরক্ষতা দূরীকরণ, মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবার মানোন্নয়নসহ মৌলিক চাহিদাগুলো বাস্তবায়নের কাজ শুরু করি। তবে এগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। ২০০১ থেকে ২০০৫ ছিল অন্ধকার যুগ। এসময় নানা ধরনের নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে বাংলাদেশের মানুষকে। আমাদের জাতীয় সম্পদগুলো ধ্বংস করা হয়েছে। ২০০৮ সালে আমরা আবার ক্ষমতায় ফিরি। এই অবস্থা মোকাবিলা করে, বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা মোকাবিলা করে আমরা দেশের অগ্রযাত্রা নিশ্চিত করেছি। উদ্বোধন করা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে দেশের কর্মসংস্থান বেড়ে বেকারত্বের হার কমবে বলে জানান সরকারপ্রধান। অনুষ্ঠানের শুরুতে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডের উপর ভিডিও চিত্র উপস্থাপন করা হয়।
সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত এলাকা ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
অনলাইন ডেস্ক: সুন্দরবনকে আনুষ্ঠানিকভাবে দস্যুমুক্ত এলাকা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের ৫৬টি জেলায় ৩২১টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা দেন তিনি। এ সময় প্রধানমন্ত্রী আত্মসমর্পণকারী দস্যুদের এক লাখ টাকা করে দেয়ার ঘোষণা দেন। শেখ হাসিনা বলেন, এখন থেকে সুন্দরবন দস্যুমুক্ত। আমাদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে দস্যুরা আত্মসমর্পণ করেছে। আমরা তাদের এক লাখ করে টাকা দিচ্ছি। তারা নিজ নিজ গ্রামে কাজ করে খেতে পারবে। পরিবার পরিজন নিয়ে বসবার করতে পারবে। দস্যুদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে কাজ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী র;্যাব, পুলিশ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান। পরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে সুন্দরবনের ছয়টি দস্যু বাহিনী বাগেরহাটের শেখ হেলাল উদ্দিন স্টেডিয়ামে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে অস্ত্র জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। সেখানে স্বারষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও র;্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদসহ স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী আত্মসমর্পণকারী দস্যুদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলেন। অনুষ্ঠানে আত্মসমর্পণ করা সাবেক জলদস্যুদের পুর্নবাসনের আর্থিক অনুদানের চেক হস্তান্তর করা হয়। সর্বশেষ ছয়টি জলদস্যু বাহিনীর প্রধানসহ ৫৪ সক্রিয় সদস্য ৫৮টি অস্ত্র ও ৩ হাজার ৩৫১টি গোলাবারুদ জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। র;্যাব জানায়, ইতোপূর্বে মোট ২৬টি বাহিনীর সর্বমোট ২৭৪ জন জলদস্যু, বনদস্যু আত্মসমর্পণ করেছেন। তারা ৪০৪টি অস্ত্র এবং ১৯ হাজার ১৫৩ রাউন্ড গুলি জমা দেয়।
সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সংলাপের যাত্রা আজ
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল-জোটের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সংলাপ শুরু হচ্ছে আজ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটায় গণভবনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে সংলাপে বসবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। গত ১৩ অক্টোবর গণফোরাম সভাপতি ড. কামালের নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে যোগ দিয়ে সাত দফা দাবি তুলে তা নিয়ে নতুন করে সংলাপের আহ্বান জানানো হয়। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সাত দফায় খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়ে সংসদ ভেঙে দিয়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের যে দাবি রয়েছে, যা সংবিধানসম্মন নয় বলে আওয়ামী লীগ নেতারা বলে আসছিল। এর মধ্যে গত রবিবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংলাপের আহ্বান জানিয়ে সাত দফা দাবি এবং ১১টি লক্ষ্য সংবলিত চিঠি দেয় জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। এরপর সোমবার সন্ধ্যায় ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানান, ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দেওয়া সংলাপ প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে আওয়ামী লীগ। কাদেরের বক্তব্যের পরদিন মঙ্গলবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে পাঠানো আমন্ত্রণপত্র ড. কামাল হোসেনের কাছে পৌঁছে দেন আ.লীগের দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ। চিঠিতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সংলাপে বসতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে চিঠি পেয়ে বিকালে সংলাপে বসতে ১৬ নেতার নাম চূড়ান্ত করে ঐক্যফ্রন্ট। এর নেতৃত্ব দেবেন ড. কামাল। তার ঐক্যফ্রন্টকে মোকাবেলায় ক্ষমতাসীন দলের পক্ষ থেকে সংলাপে অংশ নিতে ২১ জনকে নির্বাচিত করে আওয়ামী লীগ। দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সংলাপে ক্ষমতাসীন দলটির ১৭ জন ছাড়াও শরিক ১৪ দলের চার নেতা থাকবেন। গণমাধ্যমে পাঠানো তালিকা অনুযায়ী সংলাপে শেখ হাসিনা ছাড়াও আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে থাকবেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, উপদেষ্টা পরিষদের তোফায়েল আহমেদ, আমির হোসেন আমু, সভাপতিমণ্ডলীর মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মোহাম্মদ নাসিম, কাজী জাফরউল্লাহ, আব্দুর রাজ্জাক, রমেশ চন্দ্র সেন, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, দীপু মনি, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ, দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ এবং আইন বিষয়ক সম্পাদক শ ম রেজাউল করিম প্রমুখ। ১৪ দলের শরিক দলের নেতাদের মধ্যে থাকবেন ওয়ার্কার্স পার্টির রাশেদ খান মেনন, জাসদের একাংশের হসানুল হক ইনু ও অপর অংশের মঈনুদ্দিন খান বাদল এবং সাম্যবাদী দলের দিলীপ বড়ুয়া। অন্যদিকে গত মঙ্গলবার চূড়ান্ত করা তালিকা অনুযায়ী ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে কামাল হোসেন ছাড়াও থাকবেন বিএনপির মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ, জমিরউদ্দিন সরকার ও মির্জা আব্বাস; নাগরিক ঐক্য থেকে থাকবেন মাহমুদুর রহমান মান্না ও এসএম আকরাম; গণফোরাম থেকে মোস্তফা মহসিন মন্টু ও সুব্রত চৌধুরী; জেএসডি থেকে যাবেন আ স ম আব্দুর রব, আব্দুল মালেক রতন, তানিয়া রব; ঐক্য প্রক্রিয়া থেকে যাবেন সুলতান মোহাম্মদ মনসুর, আ ব ম মোস্তফা আমিন। পাশাপাশি যাবেন ব্যক্তি হিসেবে এই ঐক্যে যোগ দেয়া জাফরুল্লাহ চৌধুরীও। নির্বাচনের আগে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের সঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের এই সংলাপে দৃষ্টি রয়েছে পুরো জাতির। সংলাপের উদ্যোগকে বিভিন্ন মহল স্বাগত জানালেও সফলতা নিয়ে অনেকে রয়েছে সংশয়ে। আশা-নিরাশার দোলাচলেই অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সংলাপে ঐক্যফ্রন্ট সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের প্রত্যাশায় প্রধানমন্ত্রীর সাথে আলোচনায় বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ফ্রন্টের নেতারা বলেছেন, সংলাপ যদি লোক দেখানো হয়, তাহলে তারা নতুন সিদ্ধান্ত নিয়ে সামনে এগোবেন। অন্যদিকে, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে দেয়া সংলাপের দাওয়াতনামায় সংবিধানসম্মত সব বিষয়ে আলোচনার কথা বলা হয়েছে। এতে সরকারি দলের মনোভাবও ফুটে উঠেছে। তারা সংবিধানের বাইরে গিয়ে কোনো আলোচনায় আগ্রহী নন বলেই জানা গেছে। তারপরও বহু প্রত্যাশিত সংলাপের টেবিলে ভালো কিছু হতে পারে এমন আশায় ঐক্যফ্রন্ট নেতারা।
তল্লাশির সময় ভিডিও করার অধিকার কি পুলিশের আছে?
অনলাইন ডেস্ক: সম্প্রতি ঢাকায় পুলিশের একটি নিরাপত্তা চৌকিতে তল্লাশি চালানোর সময় এক নারীকে জিজ্ঞাসাবাদের ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ঐ ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে এবং তাদের সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে, পুলিশি অভিযানের সময় ভিডিও করে সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রকাশ করা হয়েছে। পুলিশের এই ধরণের আচরণ কতটা আইনসম্মত? আইনজীবিদের মতে, কোনো নারী পুলিশের অনুপস্থিতিতে একজন নারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তার অনুমতি ছাড়াই সেই ঘটনার ভিডিও প্রকাশ করে আইনগতভাবে অপরাধ সংঘটন করেছেন ঐ নিরাপত্তা চৌকির পুলিশ সদস্যরা। আইনজীবি তানজীব উল আলম বিবিসি বাংলাকে বলেন, ঐ নারীর সাথে তিনটি অন্যায় করেছে পুলিশ। কোনো নারী পুলিশ সদস্য ছাড়া তাঁকে তল্লাশি করা, তল্লাশির সময় ঘটনার ভিডিও করা এবং ঐ ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করা। আইনজীবি আলমের মতে, আইন অনুযায়ী এরকম ক্ষেত্রে একজন সাধারণ নাগরিককে হয়রানির দায় প্রতিষ্ঠান হিসেবে পুরো পুলিশ বাহিনীর ওপর বর্তায়। পুলিশের মিডিয়া শাখার অতিরিক্ত মহাপরিচালক সোহেল রানা জানান, এই ঘটনায় কোনো মামলা বা অভিযোগ দায়ের করা হয়নি, তবে ঘটনার সাথে জড়িত পুলিশ সদস্যদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ তদন্ত চলছে। বাংলাদেশে সম্প্রতি বেশ কয়েকটি ঘটনার ক্ষেত্রে পুলিশি তদন্ত, জিজ্ঞাসাবাদ বা অভিযান চলার সময় সেই ঘটনার ভিডিও করে সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করেছে পুলিশ বাহিনীর সদস্যরাই। কিন্তু তদন্ত বা জিজ্ঞাসাবাদের সময় পুলিশ কেন সেসবে ঘটনার ভিডিও করছে? পুলিশের মিডিয়া শাখার অতিরিক্ত মহাপরিচালক সোহেল রানা জানান, বিশেষ অভিযানের ক্ষেত্রে প্রমাণ হিসেবে পুলিশ ঘটনার ভিডিও করে থাকে। অস্ত্র উদ্ধার, মাদক উদ্ধারের মত গুরুত্বপূর্ণ অভিযানের ক্ষেত্রে পুলিশ সাধারণত ঘটনার ভিডিও করে যা পরবর্তীতে শক্তিশালী প্রমাণ হিসেবে কাজ করতে পারে। তবে সম্প্রতি আলোচনায় আসা ঘটনাটির ক্ষেত্রে পুলিশের তদন্তকারী দল ভিডিও করার যৌক্তিকতা খুঁজে পাননি বলে নিশ্চিত করেন মি. রানা। তবে আইনজীবিদের মত পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারাও বলছেন, প্রমাণ রাখার স্বার্থে পুলিশের ভিডিও করার এখতিয়ার থাকলেও, অনুমতি ছাড়া সেগুলো সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করা সন্দেহাতীতভাবে বে আইনি একটি কাজ। সূত্র: শীর্ষ নিউজ
মানুষ পুড়িয়ে আন্দোলন হোক, আর চাই না: প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, মানুষ পুড়িয়ে কোনো আন্দোলন হোক, আর চাই না। অতীতে জনগণ তাদের প্রতিরোধ করেছে, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী প্রতিরোধ করেছে। ভবিষ্যতেও সরকার যা যা পদক্ষেপ নেওয়ার নেবে। কেউ যেন ভবিষ্যতে জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করতে না পারে। বুধবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে ‘শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট’ উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট এ প্রতিষ্ঠানটিকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট বলছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করছি আমরা। এরই অংশ হিসেবে এই বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট করা হয়েছে। এখান থেকে বিশ্বমানের চিকিৎসা দেওয়া হবে। এছাড়া ভবিষ্যতেও প্রতিটি জেলা হাসপাতালে বার্ন ইউনিট গড়ে তোলা হবে প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষাখাতে তার সরকারের নানা কর্মসূচি তুলে ধরার পাশাপাশি বলেন, ভবিষ্যতে প্রতিটি বিভাগে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা হবে। তিনি পুড়ে যাওয়া মানুষের চিকিৎসায় ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরে বলেন, ২০১৪ সালে নির্বাচন ঠেকানোর নামে এবং ২০১৫ সালে সরকার উৎখাতের নামে হাজার হাজার মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে, পেট্রোল বোমা মারা হয়েছে গাড়িতে। আগুন দিয়ে রেল পুড়িয়েছে, লঞ্চ পুড়িয়েছে, ৫৮২টি স্কুল পুড়িয়েছে। এখনো সেই পোড়া ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছে মানুষ। তিনি বলেন, আমরা গড়ে তুলি, বিএনপি-জামায়াত ধ্বংস করে। তাদের অগ্নিসন্ত্রাসে সেসময় পোড়া মানুষগুলোকে চিকিৎসা দিতে হয়েছে। আগুনে পুড়ে ৫০০ মানুষ মৃত্যুবরণ করেছে। যারা গাড়ি-ব্যবসা হারিয়েছে, তাদের সাধ্যমতো সাহায্য করেছি। আহতদের অনেককে বিদেশ থেকেও চিকিৎসা করিয়ে এনেছি। প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, মানুষ পুড়িয়ে কোনো আন্দোলন হোক, আর চাই না। অতীতে জনগণ তাদের প্রতিরোধ করেছে, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী প্রতিরোধ করেছে। ভবিষ্যতেও সরকার যা যা পদক্ষেপ নেওয়ার নেবে। কেউ যেন ভবিষ্যতে জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করতে না পারে। প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, জনগণ নৌকায় ভোট দিয়ে আমাদের সুযোগ দিয়েছে, আমরা উন্নয়ন করছি। স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তীর্ণ হয়েছি। আগামীতেও তারা যদি নৌকায় ভোট দিয়ে কাজের সুযোগ দেন, যে উন্নয়ন কাজ আমরা শুরু করেছি, সেসব সম্পন্ন করতে পারবো। ২০২০ সালের মধ্যে আমরা গড়ে তুলবো ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ।

জাতীয় পাতার আরো খবর