বিবিসিকে যা বললেন তথ্যমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: আলোকচিত্রী শহীদুল আলমের মুক্তির দাবি জানিয়েছেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। ভারতীয় একটি ম্যাগাজিন আউটলুক ইন্ডিয়া বলছে, অমর্ত্য সেন বলেছেন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা গণতন্ত্রের জন্যে গুরুত্বপূর্ণ এবং শহিদুল আলম এই কাজটাই বহু বছর ধরে দক্ষতা ও সাহসের সাথে করে আসছেন। বাংলাদেশে নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনের সময় মিথ্যা তথ্য দিয়ে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে তাকে আটক করা হয়েছে। এর আগেও আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাত বহু শিল্পী, বুদ্ধিজীবী, শিক্ষাবিদ, রাজনীতিক এবং নোবেল বিজয়ী ব্যক্তিত্বরা তার মুক্তির দাবিতে বিবৃতি দিয়েছেন। এসব দাবিকে সরকার কতটা গুরুত্ব দেয়? এ প্রসঙ্গে বিবিসি বাংলাকে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, শহিদুল আলম সম্পর্কে আন্তর্জাতিক নামকরা যেসব ব্যক্তি বিবৃতি দিয়েছেন, তারা বাংলাদেশের বাস্তবতা সম্পর্কে সঠিকভাবে অবহিত হননি। শহিদুল আলম গণমাধ্যমের একজন কর্মী এবং নামকরা চিত্রগ্রাহক। যারা বিবৃতি দিচ্ছেন তারা সঠিক অবস্থা জানলে হয়তো দ্বিতীয়বার চিন্তা করতেন বিবৃতি দিবেন কিনা। জনাব শহিদুল আলম তিনবার প্রকাশ্যে সরাসরি টেলিভিশনে এসে এবং ফেসবুকে লাইভে এসে উনি মিথ্যা তথ্য দিয়ে উস্কানি প্রদান করেছেন এবং উত্তেজনাকর কথাবার্তা বলেছেন, যা দেশের আইনের পরিপন্থী। শুধু শহিদুল আলমের বিষয়ে নয়, বাংলাদেশের নানা বিষয় নিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান এবং খ্যাতনামা ব্যক্তিরা যখন কোনো বিবৃতি দেয়, তখন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার কোনো চাপের মধ্যে পড়ে কিনা? এমন প্রশ্নে তথ্যমন্ত্রী বলেন, শুধু বিদেশিদের বিষয় নয়, দেশের অভ্যন্তরে যদি কোনো বুদ্ধিজীবী এবং গণমাধ্যম কর্মীরা কোন রিপোর্ট উত্থাপন করে তাহলে সরকার সেগুলো গ্রাহ্য করার চেষ্টা করে, কোনো চাপের মধ্যে পড়ে না। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার যখন হচ্ছে, সাজা হচ্ছে, তখনো বহু দেশের রাষ্ট্রপতি ফোন করে আমাদের অনুরোধ করেছে সাজা না দেবার জন্য।.... তারা একেবারে জঘন্য যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে ওকালতি করেছেন। এতে মনে হয়েছে বহু সময় বিদেশিরা আমাদের দেশের বাস্তব আইনও জানেন না এবং যার সম্পর্কে বিবৃতি দিচ্ছেন তার অবস্থানও জানেন না। কিছু বিদেশি সংস্থা প্রায়ই বাংলাদেশ সম্পর্কে বিবৃতি দেয়, একথা উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের কড়া সমালোচনা করেন। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বাংলাদেশের 'বাস্তব অবস্থার তোয়াক্কা করে না' বলে তিনি মন্তব্য করেন। বছরের পর বছর একই বিবৃতি দিয়ে যাচ্ছেন, কাটিং এন্ড পেস্টিং-এর মতো। বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নেই বলে বিভিন্ন পক্ষ থেকে যেসব অভিযোগ তোলা হচ্ছে সেগুলো খারিজ করে দিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে ৩ হাজারের বেশি খবরের কাগজ প্রকাশিত হয় এবং ৪১টি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে লাইসেন্স দেয়া হয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলার সুযোগ নেই বলে মনে করেন তথ্যমন্ত্রী। হাসানুল হক ইনু উল্লেখ করেন, ছাত্র বিক্ষোভের সময় শহিদুল আলম 'মিথ্যা তথ্য' দিয়েছেন। ছাত্র বিক্ষোভ সম্পর্কে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্টের প্রসঙ্গ টেনে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সে সময় নারী লাঞ্ছনা এবং হত্যাকাণ্ডের কোনো ঘটনা ঘটেনি। মিথ্যা তথ্য দিলে তার বিরুদ্ধে যদি কোনো আইনগত ব্যবস্থা কেউ নিয়ে থাকে, তাহলে সেটা মত প্রকাশের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নয়, বলছিলেন তথ্যমন্ত্রী। শীর্ষনিউজ
সাম্প্রদায়িক বিষবৃক্ষ উৎপাটন করবো: কাদের
অনলাইন ডেস্ক: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন,আমাদের জাতীয় কবি অসাম্প্রদায়িক মানবতাবাদী চেতনায় সমৃদ্ধ ছিলেন। বিদ্রোহী কবিকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। তার মৃত্যুবার্ষিকীতে আমরা শপথ নিব- বাংলাদেশে যে সাম্প্রদায়িকতা বিষবৃক্ষ এখন ডালপালা বিস্তার করে আছে। দেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে নজরুলের চেতনায় এই সাম্প্রদায়িকতার বিষবৃক্ষকে আমরা উৎপাটন করব। সোমবার জাতীয় কবির ৪২তম মৃত্যবার্ষিকীতে তার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন,কবি নজরুলের সব লেখনী, গান, কবিতা সব কিছুতেই অসাম্প্রদায়িক মানবতাবাদী চেতনা সুদৃঢ় রয়েছে। আজকে জাতীয় কবির মহাপ্রয়াণ দিবসে আমাদের অঙ্গীকার হোক অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে বিনির্মাণের। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব তাকে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে এসেছেন। না আনলে হয়তো পশ্চিমবঙ্গে তার মৃত্যু হতো। বাংলার কবি বাংলাদেশে তার মৃত্যু হয়েছে এবং বাংলার মাটিতে তিনি শুয়ে আছেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনি, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, দফতর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, উপ-দফতর সম্পাদক ব্যরিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া ও সদস্য মারুফা আক্তার পপি।
আজ জাতীয় কবির ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী
অনলাইন ডেস্ক: বাংলা সাহিত্য ও শিল্পের ভুবনে তিনি এসেছিলেন আশীর্বাদ হয়ে। কাব্যময়তায় ছড়িয়েছেন বিদ্রোহের দাবানল, অন্যদিকে রোমান্টিকতা। লিখেছিলেন,মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণতুর্য। সঙ্গীতে সৃষ্টি করেছিলেন নিজস্ব ধারা। দিয়েছিলেন নিত্যনতুন রাগ-রাগিণী আর শব্দের ব্যঞ্জনা। উপন্যাসে যেমন জীবনকে তুলে এনেছেন, তেমনি তীক্ষ্ম দৃষ্টিতে সমাজের ক্ষয়ে যাওয়াকে স্পষ্ট করেছেন। শুধু কলমে নয়, দেশমাতৃকার জন্য অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছেন। সব লেখনীতে ছড়িয়ে দিয়েছেন অসাম্প্রদায়িকতার বাণী। আজ সেই সৃষ্টি সুখের উল্লাসে মাতা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৩তম প্রয়াণ দিবস। ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র (১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট) ঢাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (তৎকালীন পিজি হাসপাতাল) চিকিৎসাধীন অবস্থায় কবি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। জাতীয় কবির প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ। কবি কাজী নজরুল ইসলাম আজীবন ছিলেন আপসহীন। সত্যকে সত্য বলেছেন, মিথ্যাকে মিথ্যা। দৃঢ় কণ্ঠে অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছেন। কাজী নজরুল ইসলামের সৃষ্টি বিদ্রোহী কবিতার কথা সবারই জানা। ব্রিটিশ সরকারকে উৎখাতের আন্দোলনে এ কবিতা দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে মুখে মুখে। এক সময় কবিকে গ্রেফতার করা হয়। ১৯২৩ সালের ৭ জানুয়ারি নজরুল বিচারাধীন বন্দি হিসেবে আত্মপক্ষ সমর্থন করে এক জবানবন্দি প্রদান করেন। চিফ প্রেসিডেন্সি ম্যাজিস্ট্রেট সুইনহোর আদালতে দেয়া ওই জবানবন্দি বাংলা সাহিত্যে রাজবন্দির জবানবন্দি নামে বিশেষ সাহিত্যিক মর্যাদা লাভ করেছে। সেই জবানবন্দিতে নজরুল বলেছেন- আমার ওপর অভিযোগ, আমি রাজবিদ্রোহী। তাই আমি আজ রাজকারাগারে বন্দি এবং রাজদ্বারে অভিযুক্ত। ... আমি কবি, আমি অপ্রকাশ সত্যকে প্রকাশ করার জন্য, অমূর্ত সৃষ্টিকে মূর্তিদানের জন্য ভগবান কর্তৃক প্রেরিত। কবির কণ্ঠে ভগবান সাড়া দেন, আমার বাণী সত্যের প্রকাশিকা ভগবানের বাণী। সে বাণী রাজবিচারে রাজদ্রোহী হতে পারে, কিন্তু ন্যায়বিচারে সে বাণী ন্যায়দ্রোহী নয়, সত্যাদ্রোহী নয়। সত্যের প্রকাশ নিরুদ্ধ হবে না। আমার হাতের ধূমকেতু এবার ভগবানের হাতের অগ্নি-মশাল হয়ে অন্যায় অত্যাচার দগ্ধ করবে...। ১৬ জানুয়ারি বিচারের পর নজরুলকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। তাকে আলিপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। নজরুল যখন এখানে বন্দি ছিলেন তখন (১৯২৩ সালের ২২ জানুয়ারি) বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ তার বসন্ত গীতিনাট্য গ্রন্থটি নজরুলকে উৎসর্গ করেন। এ আনন্দে জেলে বসে নজরুল ‘আজ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে’ কবিতাটি রচনা করেন। তাই এ সৃষ্টির উল্লাস চলে অসুস্থ হওয়ার আগ পর্যন্ত। কবির জীবনকাল ৭৭ বছরের। ১৯৪২ সালে অসুস্থ হয়ে বাকশক্তি হারানোর আগ পর্যন্ত তিনি সৃষ্টিশীল ছিলেন। এ সময়ের মধ্যে কবি শিল্প-সাহিত্যকে যা দিয়েছেন, তা বাংলা তথা বিশ্ব পরিমণ্ডলে অমূল্য এক সম্পদ। তাই কাজী নজরুল ইসলাম এখনও প্রাসঙ্গিক। নজরুল ইসলাম ছিলেন একাধারে কবি, সাহিত্যিক, সঙ্গীতজ্ঞ, সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ এবং সৈনিক। দারিদ্র্যের কারণে মাত্র ১০ বছর বয়সেই পরিবারের ভার বহন করতে হয়েছে তাকে। ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কিছুদিন কাজ করার পর তিনি পেশা হিসেবে বেছে নেন সাংবাদিকতা। সাম্রাজ্যবাদবিরোধী কবি তৎকালীন ভারতবর্ষে ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে সোচ্চার ভূমিকা রাখেন। কারাবন্দি থাকা অবস্থায় তিনি রচনা করেন রাজবন্দীর জবানবন্দী। বন্দিদশায় তার হাতে সৃষ্টি হয়েছে গান, কবিতা, প্রবন্ধ, গল্প, উপন্যাস, ছোটগল্পসহ অসংখ্য রচনা। ১৯২১ সালের ডিসেম্বরে কুমিল্লা থেকে ফেরার পথে নজরুল দুটি বৈপ্লবিক সাহিত্যকর্ম সৃষ্টি করেন- একটি বিদ্রোহী কবিতা ও অপরটি ভাঙ্গার গান যা বাংলা পদ্য ও গণসঙ্গীতের ধারাকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছিল। ১৯২২ সালে তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা প্রকাশিত হয়। এর মাধ্যমে বাংলাকাব্য জগতে নতুন দিনের সূচনা হয়। এ কাব্যগ্রন্থের প্রলয়োল্লাস বিদ্রোহী কামাল পাশা শাত-ইল-আরব আগমনী খেয়াপারের তরণী সহ প্রতিটি কবিতাই বাংলা কাব্যে নতুন বাঁক সৃষ্টি করেছিল। সঙ্গীত রচনায় নজরুল অসাধারণ প্রতিভার স্বাক্ষর রাখেন। তিনি প্রায় চার হাজার গান রচনা ও সুর করেছেন। পল্লীগান পদ্মার ঢেউরে যেমন সৃষ্টি করেছেন, তেমনিভাবে সৃষ্টি করেছেন এত জল ও কাজল চোখে বা শাওনও রাতে যদির মতো অসম্ভব রোমান্টিক গান। অসাম্প্রদায়িকতার মূর্ত প্রতীক একদিকে যেমন শ্যামা সঙ্গীত সৃষ্টি করেছেন অন্যদিকে সৃষ্টি করেছেন গজল বা ইসলামী সঙ্গীত। ছোটদের জন্য লিখেছেন প্রচুর। তার লেখা ভোর হলো দোর খোলো বা কাঠবিড়ালি কাঠবিড়ালি পেয়ারা তুমি খাও এখন শিশুদের শিক্ষাজীবনের শুরুর কবিতা। ১৯৭২ সালের ২৪ মে স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উদ্যোগে ভারত সরকারের অনুমতি নিয়ে কবি নজরুলকে সপরিবারে বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়। তাকে দেয়া হয় জাতীয় কবির মর্যাদা। বাংলা সাহিত্যে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কবিকে সম্মানসূচক ডি. লিট উপাধি প্রদান করে। ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ সরকার কবিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেয়। একই বছরের ২১ ফেব্রয়ারি একুশে পদকে ভূষিত করা হয় কবিকে। কর্মসূচি : জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৩তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে আজ ভোরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশে কবির সমাধিতে ফুলেল শ্রদ্ধা জানাবেন কবির ভক্ত ও অনুরাগীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন। সকালে কবির সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ছাড়াও থাকছে, ফাতেহা পাঠ, আলোচনা। বাংলাদেশ বেতার, টেলিভিশন ও বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আজ উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করবে। বাংলা একাডেমিতে আজ শুরু হচ্ছে ২ দিনের কর্মসূচি। সকাল ৭টায় কবির সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে শুরু হবে ২ দিনের এ আয়োজন। এরপর ৩০ আগস্ট বিকালে একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত হবে একক বক্তৃতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে সভাপতিত্ব করবেন জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম। আজ নজরুল ইন্সটিটিউট কুমিল্লা কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে নানা আয়োজন। চেতনায় নজরুল স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, হামদ-নাত, আলোচনা, দোয়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দিয়ে সাজানো এ অনুষ্ঠানের যৌথ আয়োজক কুমিল্লা জেলা প্রশাসন ও নজরুল পরিষদ কুমিল্লা। আলোচনা সভা ও নজরুল পুরস্কার-২০১৭ প্রদান ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে জাতীয় কবির ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করবে নজরুল ইন্সটিটিউট। আজ বিকালে জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে এ আয়োজনে প্রধান অতিথি থাকবেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। এছাড়া আওয়ামী লীগের উদ্যোগে সকাল ৮টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে কবির সমাধি সৌধে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, ফাতেহা পাঠ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি জাতীয় কবির প্রয়াণ দিবস যথাযথ মর্যাদায় পালনের জন্য দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ, উপদেষ্টা পরিষদ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
আলোচনায় বিতর্কিত ইভিএম-নির্বাচনী আইন সংশোধনে ইসির বৈঠক আজ
অনলাইন ডেস্ক: নির্বাচনী আইন সংশোধন বিষয়ে আজ রোববার বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) খান মো. নুরুল হুদার সভাপতিত্বে সকাল ১০টায় কমিশনের ৩৫তম এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। আদেশ (আরপিও) ১৯৭২ সংশোধন ও ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বডিস অব সাউথ এশিয়া সম্মেলনের সার্বিক প্রস্তুতির বিষয়টি বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে রাখা হয়েছে। কমিশন সচিবালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, আরপিও সংশোধন বিষয়ে ইতোপূর্বে কমিশন বৈঠকে যেসব প্রস্তাব এসেছে, এগুলোর বিষয়ে আজ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এখানে ইভিএমসহ আরো অন্যান্য কিছু বিষয় থাকতে পারে। এ ছাড়া আগামী ৫ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠেয় সম্মেলনের প্রস্তুতি নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হবে। তবে বিতর্কিত ইভিএম-কে গুরুত্ব দিয়ে কমিশন আগামী জাতীয় নির্বাচনে এর ব্যবহার করতে চায় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এতে বর্তমান ইসির অধীনে সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন নিয়ে ফের জটিলতা সৃষ্টির আশঙ্কা করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, বিতর্কিত পথে ইসি হাঁটার চেষ্টা করলে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হতে পারে।
সবার সহযোগিতা চাই নিজ দেশে ফিরতে: রোহিঙ্গা নেতারা
অনলাইন ডেস্ক: নিরাপদ প্রত্যাবাসনের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন রোহিঙ্গারা। কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং ও বালুখালিসহ বিভিন্ন ক্যাম্পে বিক্ষোভ করেন তারা। শনিবার সকাল ৯টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত রোহিঙ্গারা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন। এ সময় রোহিঙ্গা নেতারা বক্তব্য রাখেন। রোহিঙ্গা নেতারা বলেন, আমরা নিজ দেশে ফিরে যেতে চাই। আন্তর্জাতিক মহলসহ সবার সহযোগিতা চাই। নির্মম গণহত্যার জন্য দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হলে আমাদের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব হবে। নেতারা আরও বলেন, রোহিঙ্গা নির্যাতনের এক বছর পেরিয়ে গেছে। কিন্তু আমাদের ভাগ্যের কোনো উন্নয়ন হয়নি। কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কের উখিয়ার কুতুপালং বাজারের সামনের প্রধান সড়কেও মাথায় লাল ফিতা বেধে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন তারা। তাদের দাবি একটাই- সম্মানের সাথে তাদের ফিরিয়ে নিয়ে তাদের অধিকার বুঝিয়ে দিতে হবে। মিয়ানমারে নির্যাতনের শিকার রোহিঙ্গারা তাদের নির্যাতনের বিচার চায়। রাখাইনে তারা সহায় সম্বল নিয়ে বাঁচতে চায়। অধিকার ছাড়া তারা মিয়ানমারে ফিরে যাবে না। কুতুপালং ক্যাম্পের ব্লক-৩ এ আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে রোহিঙ্গা নেতারা বলেন, বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ আমাদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য। কিন্তু আমরা কতো দিন এ দেশে থাকবো? আমরা ফিরে যেতে চাই স্বদেশে। আন্তর্জাতিক মহলকে অনুরোধ, মিয়ানমারের উপর চাপ প্রয়োগ করুন, যাতে সরকার দ্রুত আমাদের নিয়ে যায়। নিরাপদ প্রত্যাবাসন বিলম্ব করতে মিয়ানমারের সামরিক জান্তা টালবাহানা শুরু করেছে। উখিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নিকারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, শনিবার সকালে রোহিঙ্গারা নিরাপদ প্রত্যাবাসন, মিয়ানমারে নাগরিকত্ব প্রদান ও মিয়ানমার সরকার এবং সেনাবাহিনী, (বিজিপি) পুলিশ, ও রাখাইন যুবকরা যে গণহত্যা চালিয়েছিল তার বিচারের দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে।
রোহিঙ্গাদের সমাবেশ স্বদেশে ফেরার দাবি
অনলাইন ডেস্ক: গত বছরের এইদিনে নিজ দেশের সেনাবাহিনীর নির্মম নির্যাতনে প্রাণ হারান অসংখ্য রোহিঙ্গা নারী, পুরুষ ও শিশু। জীবন বাঁচাতে সেদিন থেকে বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে শুরু করে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গারা। আর সেই দিনকে তাদের জীবনের কালোদিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে বাস্তুচ্যুত এই জনগোষ্ঠী। সেদিনের ঘটনার বিচার চেয়ে ও নিরাপদে নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার দাবি জানিয়ে কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কের উখিয়ার কুতুপালং বাজারের সামনের প্রধান সড়কে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে রোহিঙ্গারা। শনিবার (২৫ আগস্ট) বেলা ১০টায় দু’হাজারের মতো রোহিঙ্গা ওই মিছিলে অংশ নেয়। একই সময়ে কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বিভিন্ন ব্লকে মিছিলের পাশাপাশি সমাবেশ চলছে বলে জানা গেছে। মিছিলে নাগরিক অধিকার ফিরিয়ে দিয়ে নিরাপদ প্রত্যাবাসনের দাবি জানানো হয়। এছাড়া মিয়ানমারের সামরিক জান্তা সরকারের আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারের মুখোমুখি করার আহ্বানও জানানো হয়। ওই মিছিলে অংশ নেওয়া হোসেন নামের এক রোহিঙ্গা শরণার্থী বলেন, ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমার সেনার গুলিতে প্রাণ হারিয়েছে আমার বাবা। আমার বোনকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে। আমার মা এদেশের পালিয়ে আসার পথে মারা গেছে। সব হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছি। তারপরও আমি আমার দেশে ফিরে যেতে চাই। এই কারণে আমি বিক্ষোভে অংশ নিয়েছি। বিক্ষোভটি কারা আয়োজন করেছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নায্য অধিকার আদায়ের জন্য কোনো কিছুই আয়োজন করতে হয় না। এখানে সবাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে এসেছে। বিক্ষোভ মিছিলে থাকা শাহ আলম নামের আরেক রোহিঙ্গা বলেন, আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্যই আমরা আজকের এই বিক্ষোভ করেছি। আমরা কি চাই তাই জানানোর জন্যই আমাদের এই প্রয়াস। তিনি আরও বলেন, আমরা যুদ্ধ চাই না, শান্তি চাই। নিজ দেশে ফিরে যেতে চাই। আর সেজন্য আন্তর্জাতিক মহলের সহযোগিতা চাই। আমরা সেদিন ঘটনার জন্য দোষীদের বিচার চাই। এদিকে কালোদিবস উপলক্ষে কুতুপালং ক্যাম্পের ব্লক-৩ এ আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে রোহিঙ্গা নেতারা বলেন, বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ আমাদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য। কিন্তু আমরা কতদিন এদেশে থাকবো? আমরা দিনে দিনে এদেশের বোঝাতে পরিণত হচ্ছি। তাই আমরা স্বদেশে ফিরে যেতে চাই। আন্তর্জাতিক মহলকে অনুরোধ জানিয়ে নেতারা আরো বলেন, মিয়ানমারের উপর চাপ প্রয়োগ করুন যাতে সরকার দ্রুত আমাদের নিয়ে যায়। নিরাপদ প্রত্যাবাসন বিলম্ব করতে মিয়ানমার সামরিক জান্তা টালবাহানা শুরু করেছে। বিশ্বমোড়লরা কেন মিয়ানমার সরকার ও সেনাবাহিনীর বিষয়ে নিশ্চুপ এটি আমাদের মাথায় ঢুকছে না।
রাজধানী ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছে কর্মজীবী মানুষ
অনলাইন ডেস্ক: প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ উদযাপন শেষে রাজধানী ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবী মানুষ। ঈদের ছুটি কাটিয়ে রাজধানীবাসী কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করলেও এখনো যাত্রীদের কর্মস্থলে ফেরার সেই বাড়তি চাপ শুরু হয়নি। এদিকে আজও অনেককে বাড়ি যেতে দেখা গেছে। ভোর থেকে সদরঘাটে পৌঁছেছে প্রায় অর্ধ শতাধিক লঞ্চ। এর মধ্যে বরিশাল থেকে ১৩টি লঞ্চ এসেছে। কিন্তু ফিরতি যাত্রায় যাত্রীর পরিমাণ কম ছিল বলে জানান কির্তনখোলা ২ লঞ্চের সুপারভাইজার শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, রোটেশন অনুযায়ী বরিশাল থেকে ১৩টি লঞ্চ ছেড়ে আসলেও তেমন যাত্রী হয়নি। আমাদের লঞ্চে আজ প্রায় ৮০০ লোক এসেছে কিন্তু এই চাপ যখন বাড়বে তখন এর তিনগুণ যাত্রী হবে। আশা করা যাচ্ছে আজ ও আগামীকাল এই চাপ হবে। মা ও ছোট ভাইকে সঙ্গে নিয়ে ঈদের ছুটি কাটিয়ে বরিশাল থেকে ঢাকা ফিরেছেন শাহজাহান। তিনি বলেন, যাওয়ার সময় ভিড় ছিল। আসার সময় ভিড় নাই। অনেক সময় লঞ্চে যাত্রীর কারণে হাঁটার জায়গাও থাকে না। কিন্তু আজ তেমন ভিড় ছিল না। যে যার মতো জায়গা নিয়ে শুয়ে-বসে ঢাকায় ফিরেছে। আরেক যাত্রী গোলাম মোস্তফা সপরিবারে ঢাকায় ফিরেছেন পটুয়াখালী থেকে। তিনি বলেন, যে রকম ভিড় হবে ভেবেছিলাম, তা ছিল না। পটুয়াখালী থেকেও বেশি লোক ওঠেনি। আমাদের অনেকেই বাড়ি থেকে আসেনি। অনেকে বেশি ছুটি নিয়ে গেছে। আবার ঢাকায় যারা দিন মজুরের কাজ করে এমন লোকেরা আসবে আরো কয়েকদিন পরে। কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার তাড়াহুড়ো যাদের ছিল, তারা আগেই ঢাকায় পৌঁছেছেন বলেও মন্তব্য করেন মোস্তফা।
আইভি রহমান ছিলেন দলের জন্য একজন নিবেদন প্রাণ: দীপু মনি
অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ডাঃ দীপু মনি, এমপি বলেছেন, আইভি রহমান ছিলেন দলের জন্য একজন নিবেদন প্রাণ। তিনি একজন অসাধারণ গুণের মানুষও ছিলেন। তিনি আমাদের সকলের হৃদয়ের মাঝে আছেন। তিনি সব সময় নারীদের জন্য কাজ করেছেন এবং নারীদের জন্য রক্ত দিয়েছেন। শুক্রবার (২৪ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টায় চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত আইভি রহমানের ১৪তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দীপু মনি আরো বলেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় আমাদের অনেকেই আহত হয়েছেন। তারা এখনো ওই যন্ত্রণা ভোগ করছেন। এটি ছিল বিএনপি-জামায়াতের ষড়যন্ত্র। বিএনপি, জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি কোনো রাজনীতিই নয়। তারা এখনো নানাভাবে ষড়যন্ত্র করছে। তারা বিগত দিনে আন্দোলনের নামে মানুষ হত্যা করেছে, মানুষকে পুড়িয়ে মেরেছে। তাদের কোনো ষড়যন্ত্রেই কাজ হবে না। আবারও শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হবেন। ক্ষমতাসীন দলের এই নেত্রী আরো বলেন, আজকের এই দিনে আমরা পরম শ্রদ্ধার সাথে আইভি রহমানকে স্মরণ করছি। তার রুহের মাহফেরাত কামনা করছি। চাঁদপুর জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপিকা মাসুদা নুর খানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুর রশিদ সর্দার, সাংগঠনিক সম্পাদক তাফাজ্জল হোসেন এসডু পাটওয়ারী, জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক মাহফুজুর রহমান টুটুল ও জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আতাউর রহমান পারভেজ।
একদিনে ১২ জনসহ বাংলাদেশি ৮৩ হাজীর মৃত্যু
অনলাইন ডেস্ক: পবিত্র হজ পালনকালে একদিনে (২৪ আগস্ট) ১২ হাজীর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে বাংলাদেশি মৃত হাজীর সংখ্যা দাঁড়ালো ৮৩ জনে। বাংলাদেশ হজ ম্যানেজমেন্ট পোর্টালের নিয়মিত হজ বুলেটিনের ২৩ আগস্ট সংখ্যায় বলা হয়, ওইদিন পর্যন্ত ৭১ হাজির মৃত্যু হয়েছে। সে হিসাবে শুধু ২৪ আগস্ট মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের। বাংলাদেশ হজ মেডিকেল টিমের প্রধান ডা মো. জাকির হোসেন এ তথ্যের সত্যতা স্বীকার করে জানান, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে এদের অধিকাংশেরই মৃত্যু হয়েছে। তবে তাদের মধ্য কতজন পুরুষ আর কতজন নারী তা নিশ্চিতভাবে জানাতে পারেননি ডা মো. জাকির হোসেন। ডা. মো. জাকির হোসেন খান বলেন, মৃতদের অধিকাংশ বয়োবৃদ্ধ ও বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। উল্লেখ্য, এ বছর বাংলাদেশ থেকে এক লাখ ২৭ হাজার ৭৯৮ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে যান। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় সাত হাজার ১৯৮ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এক লাখ ২০ হাজার জন। হজযাত্রীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে ২৭ আগস্ট ও শেষ ফিরতি ফ্লাইটটি দেশে পৌঁছাবে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর।

জাতীয় পাতার আরো খবর