তালিকা হচ্ছে রাজাকারদের
২৬মে,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: একাত্তরে খুন, ধর্ষণ, নির্যাতন, লুণ্ঠনে যে সব বাঙালি পাকিস্তানি বাহিনীকে সহযোগিতা করেছিল, তাদের তালিকা সংগ্রহ করে তা রক্ষণাবেক্ষণে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিতে যাচ্ছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইন সংশোধন করারও কাজ চলছে। রোববার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। এর আগের বৈঠকে সংসদীয় কমিটি এ বিষয়ে সুপারিশ করেছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে আজ মন্ত্রণালয় এই তথ্য জানিয়েছে। বৈঠক শেষে কমিটির সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ সাংবাদিকদের বলেন, আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসকের কাছে সংরক্ষিত স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকারদের তালিকা সংগ্রহ করতে বলেছি। বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানায়, মুক্তিযুদ্ধের সময় যেসব রাজাকার, আলবদর, আল শামস থানা ও জেলা-মহকুমা পর্যায়ে সরকারি ভাতা নিয়েছিলেন তাদের তালিকা সংরক্ষণ করতে জেলা প্রশাসকদের গোপন বার্তা পাঠানো হবে। এ জন্য মন্ত্রণালয়ে নথি উপস্থাপন করা হয়েছে। এ ছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক অনুবিভাগে সংরক্ষিত রাজাকার, আল বদর, আল শামস ও স্বাধীনতা বিরোধীদের তালিকা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডিও লেটার দেয়া হবে। এ জন্যও নথি উপস্থাপন করা হয়েছে। এ ছাড়া ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিজয়ী পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ ও ও পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদে আওয়ামী লীগের নির্বাচিত সদস্যদের দেশদ্রোহী আখ্যা দিয়ে আসনগুলো অবৈধ ভাবে শূন্য ঘোষণা করা হয়েছিল। নির্বাচিতদের বাদ দিয়ে যাদের সদস্য করা হয়েছিল তাদের নাম স্বাধীনতা বিরোধীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে বলেছিল সংসদীয় কমিটি। স্বাধীনতা বিরোধীদের তালিকা প্রস্তুত ও সংরক্ষণে আইন সংশোধনসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ৫ সদস্যদের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। শাজাহান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম ও কাজী ফিরোজ রশীদ অংশ নেন। সংসদীয় কমিটির সূত্র জানায়, এর আগে গত ২৮ এপ্রিল কমিটির বৈঠকেও স্বাধীনতা বিরোধীদের তালিকা করার বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইনে শুধু মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা করার কথা উল্লেখ থাকায় রাজাকার, আল বদর, আল শামস বা স্বাধীনতা বিরোধীদের তালিকা করার আইনগত ভিত্তি নেই। আইনে স্বাধীনতা বিরোধীদের তালিকা করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আইনটি সংশোধনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এক মাসের মধ্যে খসড়া চূড়ান্ত করা সম্ভব হবে। -আলোকিত বাংলাদেশ
বাসের ছাদে যাত্রী উঠতে দেয়া যাবে না: আইজিপি
২৬মে,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: কোনোভাবেই বাসের ছাদে যাত্রী উঠতে দেয়া যাবে না বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী। তিনি বলেন, এবারের ঈদ উপলক্ষে টার্মিনাল থেকে বাস ছাড়ার আগেই চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স, অন্যান্য কাগজপত্র ও পরিবহনের ফিটনেস পরীক্ষা করতে হবে। ঈদুল ফিতর সামনে রেখে রোববার দুপুরে পুলিশ সদর দফতর থেকে সব মহানগর ও রেঞ্জের পুলিশ কর্মকর্তাদের ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন তিনি। ভিডিও কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন- মহানগর সদর দফতরের উপ-পুলিশ কমিশনার ও তদূর্ধ্ব কর্মকর্তারা এবং রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে রেঞ্জের অধীন জেলা পুলিশ সুপার ও তদূর্ধ্ব কর্মকর্তারা। সড়ক ও মহাসড়কে চাঁদাবাজি বন্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের নির্দেশ দিয়ে আইজিপি বলেন, মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সিসিটিভি স্থাপন, ট্রাক, পিকআপ, পণ্যবাহী ট্রাকে যাত্রী পরিবহন রোধ ও সুনির্দিষ্ট তথ্য ছাড়া মহাসড়কে যানবাহন থামানো যাবে না। রেলপথে নাশকতা রোধে নিরাপত্তার বিষয়ে আইজিপি বলেন, চলন্ত ট্রেনে পাথর মারা রোধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে, যেন কোনোভাবে এ ধরনের দুঃখজনক ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে। নৌযানে অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন রোধ ও নৌপথে অন্য কোনো স্থান থেকে নৌকা দিয়ে যাত্রী উঠানো বন্ধ করতে হবে। জাতীয় ঈদগাহ, কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া, দিনাজপুরের গোর এ শহীদ বড় ময়দান ঈদগাহসহ বিভাগ ও জেলার কেন্দ্রীয় ঈদ জামাতস্থলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করারও নির্দেশ দেন আইজিপি। ঈদের ছুটিতে আবাসিক এলাকা, ব্যাংক ও অর্থ লগ্নিকারী প্রতিষ্ঠান, স্বর্ণের দোকান ইত্যাদির নিরাপত্তা নিশ্চিত করারও নির্দেশ দেন তিনি। আইজিপি বলেন, জঙ্গি সংগঠনের কার্যক্রমের ওপর গোয়েন্দা নজরদারি বাড়াতে হবে। জঙ্গিরা যাতে ভাড়া বাসাকে আস্তানা হিসেবে ব্যবহার করতে না পারে সেজন্য নিয়মিত ভাড়াটিয়া তথ্য সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। গুরুত্বপূর্ণ মেগা প্রজেক্ট যেমন- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, পদ্মা সেতু, পায়রা সমুদ্র বন্দর, মাতারবাড়ি তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র, বিদেশি কূটনৈতিক মিশন ও স্থাপনা এবং বিদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা বাড়ানোর নির্দেশ দেন তিনি। আইজিপি বলেন, দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেকোনো সময়ের চেয়ে সন্তোষজনক। এ অবস্থা ধরে রাখার জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
স্থানীয় সরকারে হেলালুদ্দীন,শিক্ষার আলমগীর ইসিতে
২৬মে,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: নির্বাচন কমিশনে (ইসি) নতুন সচিব হিসেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলমগীরকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদকে স্থানীয় সরকার বিভাগে বদলি করা হয়েছে। রোববার (২৬ মে) পৃথক আদেশ জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এছাড়া এ ছাড়া সচিব পদে আরও রদবদল করা হয়েছে। পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) সুবীর কিশোর চৌধুরীকে বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিলের চেয়ারম্যান করা হয়েছে। বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিলের চেয়ারম্যান (সচিব) বেগম শাহীন আহমেদ চৌধুরীকে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য করা হয়েছে। ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত সচিব) মুনশী শাহাবুদ্দীন আহমেদকে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব করা হয়েছে। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব উম্মুল হাসনাকে ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান নিযুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা বিভাগের কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) কেএম আলী আজমকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব করা হয়েছে। আরেক আদেশে জাতীয় মহিলা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) বেগম জাহানারা পারভীনকে গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং পরিকল্পনা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব বেগম কাজল ইসলামকে জাতীয় মহিলা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক করা হয়েছে। খুলনা বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) সুভাষ চন্দ্র সাহাকে জাতীয় সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের (কক্সবাজার) মহাপরিচালক করা হয়েছে। পৃথক আরেক আদেশে সেতু বিভাগের অতিরিক্ত সচিব গৌরাঙ্গ চন্দ্র মোহন্তকে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে বদলি করা হয়েছে। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সুলতান মাহমুদকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব করা হয়েছে। বিএফআইডিসি চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) বেগম সীমা সাহাকে পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব করা হয়েছে। আর অর্থনৈতিক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. আনোয়ার হোসেনকে সেতু বিভাগের অতিরিক্ত সচিব করা হয়েছে। এছাড়া পৃথক আরেক আদেশে স্থানীয় সরকার শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের উপপরিচালক (উপসচিব) এজেডএম শারজিল হাসানকে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উপসচিব) মো. হারুন-অর-রশিদকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে।
ঈদযাত্রা বিগত সময়ের চেয়ে সহজ ও স্বস্তিদায়ক হবে: সেতু মন্ত্রী
২৬মে,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন ঈদযাত্রা বিগত সময়ের চেয়ে অনেক সহজ ও স্বস্তিদায়ক হবে বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। রোববার (২৬ মে) মতিঝিলে বিআরটিসির সভাকক্ষে তাদের ঈদ স্পেশাল সার্ভিস পর্যালোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, সড়ক পথে স্বস্তিদায়ক যাত্রার নিশ্চয়তা দিতে পারবো- এমন একটা অবস্থানে আমরা পৌঁছেছি। ঈদের আগেই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দ্বিতীয় মেঘনা ও গোমতী সেতু খুলে দেওয়া হয়েছে। এখন ঢাকা থেকে চার ঘণ্টায় চট্টগ্রাম পৌঁছে যাওয়া যাবে বলেই আশা করছি। তিনি বলেন, এছাড়া ঈদের সময় বিআরটিসির ১১৪২টি বাস আন্তঃজেলায় যাত্রী পরিবহনে নিয়োজিত থাকবে। এর মধ্যে ২৫৩টি নতুন বাস যুক্ত করা হয়েছে। ঈদের সময় গণপরিবহনের সংকট নিরসনে বিআরটিসি সহায়ক ভুমিকা পালন করবে। সড়ক পরিবহন করপোরেশনের কর্মকর্তাদের হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, বিআরটিসি দেউলিয়া হলে আপনারাও দেউলিয়া হবেন। রমজান মাস সংযমের মাস। এ মাসে ইনকামটা একটু কম করলে কি হয়। বিআরটিসি যেন আগের মতো সুনামের ধারায় ফিরে আসে, সেদিক বিবেচনা করে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করুন। সৎ ও পরিচ্ছন্নভাবে বিআরটিসিকে পরিচালনা করলে জনগণের সামনে সুনাম অক্ষুন্ন থাকবে। বর্তমানে বিআরটিসির আগের সেই সুনাম আছে বলে আমি মনে করিনা। এবার বিআরটিসির আগের বাসগুলোর সঙ্গে নতুন ২৫৩টি বাস যুক্ত হয়েছে। আপনারাও বিআরটিসিকে আকর্ষণীয় করতে নতুন করে শপথ করুন। এদিকে টঙ্গী-গাজীপুর সড়কের যানজটের ব্যাপারে ওবায়দুল কাদের বলেন, কাচপুর-মেঘনা-গোমতী সেতু খুলে দেওয়ায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কোনো যানজট থাকবে না। উত্তরবঙ্গগামী টাঙ্গাইল সড়কের দু’টি ফ্লাইওভার ও চারটি আন্ডারপাস খুলে দেওয়ায় সেখানেও কোনো যানজট থাকবে না। তবে টঙ্গী থেকে গাজীপুর পর্যন্ত রাস্তায় কিছুটা সমস্যা হতে পারে। এ সমস্যা নিরসনে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রীকে সভাপতি করে একটি কমিটি করেছি। এ কমিটি যানজট নিরসন করতে পারবে বলে আশা করছি। এছাড়া সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে টঙ্গী থেকে গাজীপুর পর্যন্ত সড়কে ৩শ স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত থাকবে। টঙ্গী-গাজীপুর সড়কের যানজট নিরসন কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন- গাজীপুরের মেয়র জাহাঙ্গীর, স্থানীয় সংসদ সদস্য জাহিদ আহসান রাসেল, গাজীপুর মেট্রোলিটনের পুলিশ কমিশনার, বিআরটিএ কর্মকর্তা ও রুট ট্রানজিটের প্রকল্পের পরিচালক।
১৯৫ ফেসবুক অ্যাকাউন্টের তথ্য চেয়েছে সরকার
২৬মে,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের কাছে ১৯৫টি অ্যাকাউন্টের তথ্য চেয়েছে বাংলাদেশ সরকার। ২০১৮ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এই ছয় মাসের ফেসবুক ব্যবহারকারীর তথ্য চাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে জরুরি অনুরোধে ১৩০টি এবং আইনি প্রক্রিয়ায় ১৯টি অ্যাকাউন্টের তথ্য চাওয়া হয়েছে। তবে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ ৪৪ শতাংশ তথ্য সরকারকে সরবরাহ করেছে। বৃহস্পতিবার ফেসবুক প্রকাশিত ট্রান্সপারেন্সি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। সরকারের জরুরি অনুরোধের ক্ষেত্রে ৪৮ শতাংশ তথ্য এবং আইনি অনুরোধে ১৬ শতাংশ তথ্য সরবরাহ করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বাংলাদেশ থেকে এবার একটি কনট্যান্ট বন্ধ করার অনুরোধও পেয়েছেন তারা। অবৈধ ছদ্মবেশের অভিযোগে ওই ভিডিও নিয়ে অভিযোগ ওঠায় তা বাংলাদেশে দেখানো নিষিদ্ধ করা হয়। জুলাই থেকে ডিসেম্বর মাসের মধ্যে বাংলাদেশে ২২ ঘণ্টা ফেসবুক বন্ধ করা হয়েছিল। এ ছাড়া ৯ দেশে ৫৬ বার ফেসবুক বন্ধ করার ঘটনা ঘটেছে। বছরের প্রথমভাগে আটটি দেশে ৪৮ বার ইন্টারনেট বন্ধের ঘটনা ঘটেছিল। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৬ সালের এপ্রিল মাসে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ব্যবহারকারীর তথ্য চেয়ে করা অনুরোধে সাড়া দেয় ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। ২০১৫ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত তথ্য নিয়ে ওই বছরের ২৮ এপ্রিল ফেসবুক প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে। এর পর থেকে প্রতি ছয় মাস পরপর ট্রান্সপারেন্সি প্রতিবেদন প্রকাশ করে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে গত বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ১৫২টি অনুরোধ করা হয় ফেসবুকে। এর মধ্যে ছিল ১৩৪টি জরুরি অনুরোধ আর ১৮টি আইনি অনুরোধ। এতে ২০৫ জন ব্যবহারকারী বা ফেসবুক অ্যাকাউন্ট–সম্পর্কিত তথ্য জানতে চাওয়া হয়। ফেসবুকের মধ্যে ৫৭ শতাংশ ক্ষেত্রে তথ্য সরবরাহ করে। পরের ছয় মাসে এ অনুরোধ কমে ১৪৯টি হয়েছে। তবে ব্যবহারকারীর তথ্য চেয়ে করা অনুরোধের দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে এবং তার পরের অবস্থানে ভারত আছে বলে ফেসবুকের শীর্ষ এক নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত, প্রতি ছয় মাস পরপর ট্রান্সপারেন্সি প্রতিবেদন প্রকাশ করে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। প্রতিবেদনে কোন দেশের সরকার ফেসবুকের কাছে কী ধরনের অনুরোধ জানায়, তা তুলে ধরা হয়। তবে কোন অ্যাকাউন্টের তথ্য চাওয়া হয়, তা উল্লেখ করা হয় না এতে।
তিতুমীর কলেজের ছাত্র রাজীবের মৃত্যুতে ক্ষতিপূরণের রায় পেছাল
২৩মে,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীতে দুই বাসের রেষারেষিতে তিতুমীর কলেজের ছাত্র রাজীব হাসানের হাত হারানো ও পরে মৃত্যুর ঘটনায় কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে করা রিটের রায় পিছিয়েছে। আদালত আগামী ২০ জুন রায়ের নতুন দিন ধার্য করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ মে) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ নতুন এই তারিখ ধার্য করেন। এর আগে ক্ষতিপূরণ প্রশ্নে রুলসহ কয়েকটি বিষয়ে রুলের শুনানি শেষে ১৯ মে হাইকোর্ট ২৩ মে রায়ের জন্য দিন ধার্য করেছিলেন। এর ধারাবাহিকতায় আজ বিষয়টি রায়ের জন্য কার্যতালিকায় ওঠে। কোনো ব্যক্তি দুর্ঘটনায় আহত বা নিহত হলে সংশ্লিষ্ট যানের ইনস্যুরেন্সকারী কোম্পানি কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে, বিষয়টি নিয়ে আদালতে শুনানি হয়। ইনস্যুরেন্স–সংক্রান্ত এই বিষয় সামনে আসার প্রেক্ষাপটে আদালত শুনানি নিয়ে রায়ের ওই দিন ধার্য করেন। আজ আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আবেদনকারী আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস। বিআরটিসির পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ রাফিউল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে অংশ নেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাতার হোসেন। গতবছর ৩ এপ্রিল দুই বাসের চাপে হাত কাটা পড়ে রাজিবের। এ ঘটনায় পরদিন ৪ এপ্রিল রিট আবেদন করেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। এদিন রাজিবের পরিবারকে কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়ে রুল জারি করেন আদালত। কিন্তু রাজিব ওই বছরের ১৬ এপ্রিল দিবাগত রাতে মারা যান। রাজিবের মৃত্যুর খবর জানানোর পর আদালত গতবছর ৮ মে এক আদেশে রাজিবের দুই ভাইকে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দেন। আপিল বিভাগ একই বছরের ২২ মে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করে দেন। একইসঙ্গে হাইকোর্টকে কমিটি করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। এরপর হাইকোর্ট গতবছর ৩০ মে এক আদেশে একটি কমিটি গঠন করে দেন। এই কমিটির দেওয়া প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই বাসের চালকের (বিআরটিসি ও স্বজন পরিবহন) বড় গাড়ি চালানোর লাইসেন্স ছিল না। তাদের হালকা যানবাহন চালানোর লাইসেন্স ছিল। ওই প্রতিবেদনে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে মোট ১৮ দফা সুপারিশ করা হয়। এই প্রতিবেদন গতবছর ১৫ অক্টোবর আদালতে উপস্থাপন করা হয়। এরপর রুলের ওপর গত ৩ এপ্রিল চূড়ান্ত শুনানি শুরু হয়। এই রুলের ওপর শুনানি শেষে রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন আদালত।
রাজধানীতে ছিনতাই ও মলম পার্টির দৌরাত্ম্য কমেছে: ডিএমপি কমিশনার
২৩মে,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীতে ছিনতাই ও মলম পার্টির দৌরাত্ম্য কমে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। তিনি আরো বলেন, ঢাকা শহরে কোনো ধরনের মাদকের ব্যবসা করতে দেওয়া হবে না। আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর বনানী মডেল স্কুলমাঠে অসহায় দরিদ্রদের মধ্যে ঈদবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন আছাদুজ্জামান মিয়া। আসন্ন ঈদুল ফিতরে ফাঁকা ঢাকার নিরাপত্তা দিতে পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার জানান, রাজধানীতে ছিনতাই ও মলম পার্টির দৌরাত্ম্য কমে এসেছে। ছিনতাই মোকাবিলায় পুলিশ সব সময় কাজ করছে জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঈদকে ঘিরে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে সক্রিয় রয়েছে পুলিশ বাহিনী। আছাদুজ্জামান মিয়া আরো বলেন, ঈদ সামনে রেখে আপনাদের নিরাপত্তার জন্য, জনগণের নিরাপত্তার জন্য আমরা সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, রাহাজানি, চাঁদাবাজি, অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টি যেই হোক, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে আমরা বদ্ধপরিকর। ডিএমপি কমিশনার জানান, রাজধানীর যেখানে মাদকের আস্তানা পাওয়া যাবে, সেই আস্তানা গুঁড়িয়ে দেবে পুলিশ। এ ছাড়া মাদকের আস্তানার কোনো সন্ধান পেলে তা পুলিশকে জানাতে সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। সন্ধানদাতাদের পরিচয় গোপন রাখা হবে বলেও জানিয়েছেন আছাদুজ্জামান। যারাই মাদকের সঙ্গে যুক্ত, তাদের কারো রেহাই হবে না জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান বলেন, যেই মাদকের সঙ্গে যুক্ত হোক, তাকে কিন্তু আইনের আওতায় নিয়ে আসব, তাকে গ্রেপ্তার করব। এবং যারা মাদকের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়, অর্থায়ন করে, তাদের বিরুদ্ধে আমরা কঠোরভাবে ব্যবস্থা নেব।
২০২৩ সালে কক্সবাজারে যাবে ট্রেন, এডিবি দিলো ৪০ কোটি ডলার
২৩মে,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ২০২৩ সাল নাগাদ কক্সবাজার যাওয়া যাবে ট্রেনে করে। এ লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। এ প্রকল্পের জন্য আরও ৪০ কোটি ডলার সহায়তা দিয়েছে দাতা সংস্থা এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীতে বাংলাদেশ ও এডিবির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে চুক্তি সই হয়। এই রেলপথ নির্মিত হলে তা দেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও পর্যটন উন্নয়নকে আরও একধাপ এগিয়ে নিবে বলে আশা করা হচ্ছে। চুক্তিতে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মনোয়ার আহমেদ ও এডিবি'র কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ সই করেন। এটি কক্সবাজার রেলওয়ে প্রকল্পের এডিবির দেড়শো কোটি ডলার সহায়তার দ্বিতীয় অংশ। ১০২ কিলোমিটার রেলপথ অবকাঠামোর যে পরিমাণ ব্যয় হচ্ছে তার প্রায় ২৭ শতাংশই ঋণ হিসেবে যোগান দিচ্ছে সংস্থাটি। এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ বলেন, বাংলাদেশের রেলখাতের বিকাশে এডিবি সহায়তা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রকল্পটি সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার অধীনে একটি অগ্রাধিকার বিনিয়োগ।
শুক্রবার বসছে পদ্মা সেতুর ১৩তম স্প্যান
২৩মে,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: কয়েকদফা পিছিয়ে অবশেষে পদ্মা সেতুতে বসতে যাচ্ছে ১৩তম স্প্যান। ১৪ ও ১৫ নম্বর পিলারের ওপর এ স্প্যানটি বসানো হবে। আর এই স্প্যান বসানোর মাধ্যমে দৃশ্যমান হতে যাবে ১৯৫০ মিটার বা প্রায় দুই কিলোমিটার সেতু। গত ১৬ মে এই স্প্যানটি বসানোর কথা ছিল। কিন্তু কয়েকদফা তা পিছিয়ে যায়। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন,নদীর মাওয়া প্রান্তে আগে বসানো দশম স্প্যানের পাশে ১৩তম স্প্যানটি বসানো হবে। আর দুইটি স্প্যান পাশাপাশি বসাতে হলে যে লিফটিং ক্রেন ব্যবহার করা হয়, সেটিতে যান্ত্রিক জটিলতা দেখা দেয়ায় স্প্যান বসাতে দেরি হয়। এর আগে গত ৬ মে মাওয়া ও জাজিরা প্রান্তের মাঝামাঝি স্থানে ২০ ও ২১ নম্বর খুঁটির ওপর বসানো হয়েছে ১২তম স্প্যান। সেতু প্রকল্পের সহকারী প্রকৌশলী হুমায়ুন কবীর জানান, ৪২টি খুঁটির ওপর ৪১টি স্প্যান বসানো হবে। এরপরই মাথা তুলবে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের স্বপ্নের পদ্মা সেতু। চলতি মাসের শেষদিকে জাজিরা প্রান্তে আরও একটি স্প্যান (১৪তম) বসানোর কথা রয়েছে।

জাতীয় পাতার আরো খবর