রেড জোনগুলো লকডাউন করার প্রক্রিয়া শুরু
৭ জুন, রোববার, নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা সংক্রমণ রোধে রাজধানীর রেড জোনগুলো লকডাউন করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শুরুতে ওয়ারি ও রাজাবাজার এলাকা পরীক্ষামূলক লকডাউন করার প্রস্তুতির তথ্য জানিয়েছে পুলিশ। রাজাবাজার এলাকায় গতকাল পুলিশের পক্ষ থেকে সতর্কতামূলক মাইকিং করা হয়। টানা দুই মাসেরও বেশি সরকারি ছুটির পাশাপাশি সামাজিক দূরত্ব বজার রাখার কর্মসূচি চললেও করোনা সংক্রমণ থামানো যায়নি। এ অবস্থায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে কঠোর লকডাউন দেয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। এমন পরামর্শের ভিত্তিতে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যার ভিত্তিতে সারা দেশে রেড, ইয়োলো ও গ্রিন জোন হিসেবে চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। রেড জোনগুলোকে প্রথমে লকডাউনের মধ্যে আনা হচ্ছে। এর প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে শুক্রবার দেশের প্রথম রেডজোন হিসেবে চিহ্নিত কক্সবাজার শহরের ১০ টি ওয়ার্ড লকডাউন করা হয়। এসব ওয়ার্ডে গতকাল থেকেই প্রশাসন কড়া নজরদারি শুরু করেছে। লকডাউন করে দেয়া এলাকায় কেউ ঘর থেকে বের হতে পারবে না। প্রয়োজনীয় পণ্য সহজে এলাকায় পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে। প্রথম লকডাউন করা কক্সবাজার পৌর এলাকায় সপ্তাহে দুই দিন ব্যাংক খোলা রাখা হবে প্রয়োজনীয় লেনদেনের জন্য। অন্যদিকে কাঁচাবাজার ও দোকান খোলা রাখা হবে সপ্তাহে দুই দিন। এছাড়া জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হতে পারবে না। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানায়, কোনো এলাকায় প্রতি এক লাখ বাসিন্দার মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ থেকে ৪০ জন হলে সেই জায়গা রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করে অবরুদ্ধ করা হবে। চলতি সপ্তাহেই জোন ভাগের কাজ শেষের পর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে। এর আগে পাইলটিং হিসেবে কিছু এলাকা লকডাউন করা হবে। এসব এলাকায় প্রয়োজনে লোকজনকে প্রয়োজনীয় খাদ্য সরবরাহ করা হবে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, জোন ভাগের খসড়া সম্পন্ন হয়েছে। স্বাস্থ্য ও আইসিটি মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, সিটি করপোরেশনসহ আরো কয়েকটি সরকারি সংস্থা এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত। জোন ভাগ হবে যেভাবে: কোনো এলাকার বাসিন্দাদের প্রতি লাখে অন্তত ৩০-৪০ জন করোনা আক্রান্ত হলেই রেড জোন ঘোষণা করা হবে। রোগীর সংখ্যা এর কম থাকলে তা ইয়েলো জোন হিসেবে বিবেচিত হবে। দীর্ঘমেয়াদে ইয়েলো জোনকেও লকডাউনের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে রেড জোনের চেয়ে ইয়োলো জোনে কড়াকড়ি কম থাকবে। জোন ভাগের ক্ষেত্রে করোনা আক্রান্তদের ফোন নম্বরের অবস্থান বিশেষ কাজে আসবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম এর (এমআইএস) পরিচালক ডা. হাবিবুর রহমান জানান, একটি ওয়ার্ড বা প্রয়োজনে তারও ছোট এলাকা লকডাউন হতে পারে। কারা লকডাউন ঘোষণা করবে: গত ১লা জুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সভাপতিত্বে আন্ত:মন্ত্রণালয়ের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজটি নতুন এই প্রক্রিয়াটি শুরু হয়েছে। আইসিটি মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষজ্ঞরা মিলে প্রাথমিক প্রতিবেদন তৈরি করছেন। লকডাউন ঘোষণার কাজ সংশ্লিষ্ট এই তিন মন্ত্রণালয়ের যে কেউ ঘোষণা করতে পারে। সারা দেশে এই প্রক্রিয়া শুরু হলে স্থানীয় প্রশাসনও লকডাউন ঘোষণা করতে পারবে। যেসব কড়াকড়ি থাকবে: লকডাউন থাকা এলাকার জনসাধারণের প্রবেশ ও বহির্গমন বন্ধ থাকবে। এক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেয়া হবে না। চিহ্নিত এলাকার নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সরকারি সহায়তা কার্যক্রম জোরদার করা হবে। এছাড়া সাধারণ মানুষ যাতে সহজে প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে পারে সে ব্যবস্থা করা হবে। এসব এলাকায় করোনা আক্রান্তদের বাসায় আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দেয়া হবে। তাদের আত্মীয়-স্বজনদের পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। কারও অবস্থা খারাপ হলে তাদের হাসপাতালে নেয়ার ব্যবস্থা করা হবে। এ বিষয়ে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) ও করোনা সংক্রান্ত মিডিয?া সেলের আহ্বায়ক মো. হাবিবুর রহমান খান বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণের মাত্রার ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন এলাকা রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোনে ভাগ করার জন্য অ্যাপ করা হয়েছে। আগামী দু-একদিনের মধ্যে ঢাকা শহরের কোন একটি ছোট এলাকা বা ওয়ার্ডে রেড জোনে লকডাউনের মাধ্যমে পাইলটিং শুরু হবে। পাইলটিংয়ের ফলাফল দেখে সারা দেশে জোনিং করে আগামী সপ্তাহ কাজ শুরু হবে। তিনি বলেন, যে এলাকাকে রেড জোন ঘোষণা করা হবে, সেই এলাকা সম্পূর্ণ ব্লক রাখা হবে। সেই এলাকায় কেউ ঢুকবেও না, কেউ বেরও হবে না। ওই এলাকার নিত্যপ্রয়োজনীয় যেসব জিনিসের দরকার হবে তা পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হবে। উল্লেখ্য, গত ৮ই মার্চ প্রথম কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়। এরপর সরকার ২৬শে মার্চ থেকে সারা দেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে। দীর্ঘ ৬৬ দিনের এই ছুটি শেষে আবারও সরকারি-আধা সরকারি অফিস খুলে দেয়া হয়েছে। চালু হয়েছে ট্রেন, লঞ্চসহ গণপরিবহন। উচ্চ সংক্রমণের মধ্যেই সবকিছু খুলে দেয়ায় পরিস্থিতি আরো অবনতি হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন। এই অবস্থায় কঠোর লকডাউন বা কারফিউ দেয়ার পরামর্শ দিয়ে আসছেন বিশেষজ্ঞরা।
প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউসের বড় ভাই আহমেদ খালেদ আর নেই
৬জুন,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস ও নাট্যজন আহমেদ ইকবাল হায়দারের ভাই কবি আহমেদ খালেদ কায়সার ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শনিবার (৬ জুন) বেলা ১১টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ইন্টেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। নাট্যজন আহমেদ ইকবাল হায়দার নিউজ একাত্তরকে জানান, ৩১ মে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপসহ নানা রোগে আক্রান্ত ছিলেন। তিনি আরও জানান, চমেক হাসপাতালে ভর্তির পর আহমেদ খালেদ কায়সারের দুই দফা নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদনে দুই বারই করোনা ভাইরাস নেগেটিভ এসেছে। ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে গ্রামের বাড়ি পটিয়ার পারিবারিক কবরস্থানে আহমেদ খালেদ কায়সারের মরদেহ দাফন করা হবে বলে জানান আহমেদ ইকবাল হায়দার। তথ্যমন্ত্রীর শোক: প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউসের বড় ভাই আহমেদ খালেদ কায়সারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখপ্রকাশ করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। তথ্যমন্ত্রী ও চট্টগ্রাম ৭ আসনের সংসদ সদস্য ড. হাছান মাহমুদ শোকবার্তায় দেশের সাহিত্য ও কাব্যচর্চায় প্রয়াত খালেদ কায়সারের ভূমিকার কথা স্মরণ করে মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন ও শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। মেয়র নাছিরের শোক: পৃথক বিবৃতিতে গভীর শোক জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। এক শোক বার্তায় মেয়র মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউসের বড় ভাই আহমেদ খালেদ কায়সারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখপ্রকাশ করেছেন নিউজ একাত্তরের সম্পাদক, সাংবাদের কাগজের সম্পাদক এবং জাতীয় দৈনিক আজকের বিজনেস বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রদান সাংবাদিক মো.নাছির উদ্দিন চৌধুরী।
রোগী ফেরত দেয়া মানবতাবিরোধী, চিকিৎসাদানকারীদের অভিনন্দন : তথ্যমন্ত্রী
৬জুন,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনার এ সময়ে সুযোগসুবিধা থাকা সত্ত্বেও হাসপাতাল থেকে রোগী ফেরত দেয়া মানবতাবিরোধী আচরণ উল্লেখ করে এসময়ে যারা চিকিৎসা দিচ্ছেন, তাদেরকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং চট্টগ্রাম ৭ আসনের এমপি ড. হাছান মাহমুদ। তিনি আজ দুপুরে রাজধানীর সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে করোনা ইউনিট উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। ভূমিমন্ত্রী ও চট্টগ্রাম ১৩ আসনের এমপি সাইফুজ্জামান চৌধুরী, শিক্ষা উপমন্ত্রী ও চট্টগ্রাম ৯ আসনের এমপি ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এবং চট্টগ্রাম সিটি মেয়র আ জ ম নাসির উদ্দিন বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দেন। ড. হাছান মাহমুদ চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে অত্যন্ত দ্রুততার সাথে ৫০ বেডের কোভিড ইউনিট স্থাপনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন,আজ মা ও শিশু হাসপাতাল যেভাবে এগিয়ে এসেছে, তা অন্যদের জন্য উদাহরণ তৈরি করেছে। তিনি বলেন আজকের পত্রিকায়ও আমরা দেখছি, হাসপাতালের দ্বারে দ্বারে ঘুরে ভর্তি হতে না পেরে স্ত্রীর সামনে অসহায়ভাবে স্বামীর মৃত্যু ঘটেছে। এধরণের মর্মান্তিক ঘটনা অত্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত। কোনো হাসপাতাল থেকে রুগীকে এভাবে ফেরত দেয়া মানবতাবিরোধী কাজ এবং যেসব হাসপাতাল এটি করছে, তারা চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের কাছ থেকে শিক্ষা নেবে বলে আশা প্রকাশ করেন তথ্যমন্ত্রী। সেইসাথে তিনি জানান, সরকার এগুলো পর্যবেক্ষণ করছে এবং সময়মতো কঠোর ব্যবস্থা নেবে। ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদেরকে করোনার সম্মুখযোদ্ধা হিসেবে উল্লেখ করে তাদের এসময় কাজে আসতে না চাওয়াটা কোনোভাবে সমীচীন নয়। তিনি বলেন, তারা মানুষকে চিকিৎসা ও সেবাদানের জন্যই লেখাপড়া করেছেন। তাদের হাত গুটিয়ে নেয়া যুদ্ধের ময়দান থেকে সৈন্য পলায়নের মতো। এসময় পুলিশবাহিনীর উদাহরণ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, মৃত ব্যক্তির পরিবার যেখানে এগিয়ে আসেনি, পুলিশ ও প্রশাসন সেখানে সৎকারের ব্যবস্থা করেছে। তথ্যমন্ত্রী এ মহামারি পরিস্থিতিতে গুজব ও আতংক ছড়ানো প্রতিরোধে গণমাধ্যমকর্মীদের অব্যাহত ভূমিকার প্রশংসা করেন ও সবাইকে অহেতুক সমালোচনা পরিহার করে মানুষের কল্যাণে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান। চট্টগ্রামে অন্যান্য হাসপাতালও মা ও শিশু হাসপাতালের মতো দ্রুত এগিয়ে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী যেসব ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মী এসময় কাজে আসতে অপারগতা জানিয়েছেন তাদের তালিকা তৈরি করতে বলেন। শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, এই ইউনিট চালুর ফলে চট্টগ্রামে করোনা চিকিৎসা একধাপ এগিয়ে গেলো। চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল পরিচালনা পরিষদের ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম মোর্শেদ হোসেনের সভাপতিত্বে এতে চট্টগ্রামের করোনা পরিস্থিতির সমন্বয়ক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দীন, পরিষদ সদস্য ও করোনা ইউনিট উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জাবেদ আবছার চৌধুরী এবং ট্রেজারার রেজাউল করিম আজাদও বক্তব্য রাখেন।
ইউনাইটেডে চিকিৎসাধীন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন
৬জুন,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম; আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলির সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন বেশ কিছুদিন ধরে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। জ্বর, অ্যালার্জিসহ বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে অসুস্থ অবস্থায় কয়েক দিন আগে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন বলে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। শনিবার (৬ জুন) আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, বর্তমানে সাহারা খাতুনের শারীরিক অবস্থা মোটামুটি ভালো। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার খোঁজ-খবর নিয়েছেন। তাকে আরও কয়েক দিন হাসপাতালে থাকতে হতে পারে। দলের ত্যাগী প্রবীণ এ নেতার জন্য আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস
৬জুন,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম; ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঝড়-বৃষ্টি বয়ে যেতে পারে। ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গেবৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। আজ শনিবার আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে এ তথ্য জানা যায়। এদিকে সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস কাল
৬জুন,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামীকাল ৭ জুন ঐতিহাসিক ছয়-দফা দিবস। ১৯৬৬ সালের এ দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ৬-দফা দাবির পক্ষে দেশব্যাপী তীব্র গণআন্দোলনের সূচনা হয়। এই দিনে আওয়ামী লীগের ডাকা হরতালে টঙ্গি, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে তৎকালীন পুলিশ ও ইপিআর গু লিতে মনু মিয়া, শফিক ও শামসুল হকসহ ১০ জন বাঙালি শহীদ হন। এরপর থেকেই বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আপোষহীন সংগ্রামের ধারায় ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের দিকে এগিয়ে যায় পরাধীন বাঙালি জাতি। প্রতিবছর বিভিন্ন কমূসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হয়ে আসলেও করোনা ভাইরাসজনিত পরিস্থিতির কারণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে জনসমাগম পরিহার করে ডিজিটাল পদ্ধতিতে এ বছর দিবসটি উদ্যাপন করা হবে আওয়ামী লীগ ৭ জুন -ঐতিহাসিক ৬-দফা দিবস- যথাযথ মর্যাদার সাথে পালন করে । তবে এবছর বৈশি^ক মহামারি করোনার কারণে সৃষ্ট সংকটে দলের সভাপতি শেখ হাসিনার নির্দেশে সব ধরনের জনসমাগমপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি পরিহার করে আসছে। স্বাস্থ্য বিধি মেনে সীমিত পরিসরে দেশবাসীকে ঐতিহাসিক ৭ জুনের সকল বীর শহীদ ও মহান মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লক্ষ শহীদ এবং বাঙালি জাতির স্বাধীনতা, মুক্তি, গণতন্ত্র ও প্রগতি প্রতিষ্ঠায় আত্মদানকারী শহীদ সন্তানদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে পরম করুণাময়ের নিকট এ দিনটিতে প্রার্থনা করার আহ্বান জানিয়েছে দলটি । আগামীকাল ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস উদযাপন উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির পক্ষ থেকে একটি অনলাইন আলোচনা সভা এবং তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করার উদ্দেশে অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনলাইন আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করতে সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন বলে জানিয়েছেন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী । বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি তাসখন্দ চুক্তিকে কেন্দ্র করে লাহোরে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের সাবজেক্ট কমিটিতে ৬-দফা উত্থাপন করেন এবং পরের দিন সম্মেলনের আলোচ্য সূচিতে যাতে এটি স্থান পায় সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেন। কিন্তু এই সম্মেলনে বঙ্গবন্ধুর এ দাবির প্রতি আয়োজক পক্ষ গুরুত্ব প্রদান করেনি। তারা এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে। প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু সম্মেলনে যোগ না দিয়ে লাহোরে অবস্থানকালেই ৬-দফা উত্থাপন করেন। এ নিয়ে পশ্চিম পাকিস্তানের বিভিন্ন খবরের কাগজে বঙ্গবন্ধুকে বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা বলে চিহ্নিত করা হয়। পরে ঢাকায় ফিরে বঙ্গবন্ধু ১৩ মার্চ ৬-দফা এবং এ ব্যাপারে দলের অন্যান্য বিস্তারিত কর্মসূচি আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদে পাস করিয়ে নেন। ৬-দফার মূল বক্তব্য ছিল- প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র বিষয় ছাড়া সকল ক্ষমতা প্রাদেশিক সরকারের হাতে থাকবে। পূর্ববাংলা ও পশ্চিম পাকিস্তানে দু;টি পৃথক ও সহজ বিনিময়যোগ্য মুদ্রা থাকবে। সরকারের কর, শুল্ক ধার্য ও আদায় করার দায়িত্ব প্রাদেশিক সরকারের হাতে থাকাসহ দুই অঞ্চলের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার আলাদা হিসাব থাকবে এবং পূর্ববাংলার প্রতিরক্ষা ঝুঁকি কমানোর জন্য এখানে আধা-সামরিক বাহিনী গঠন ও নৌবাহিনীর সদর দফতর স্থাপন। বঙ্গবন্ধু ঘোষিত ৬-দফা দাবির মুখে পাকিস্তানের তৎকালীন সামরিক শাসক আইয়ুব খান বিচলিত হয়ে পড়েন। তিনি হুমকি দিয়ে বলেন, ৬-দফা নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে অস্ত্রের ভাষায় উত্তর দেয়া হবে। এদিকে ৬-দফা কর্মসূচি জনগণের মাঝে পৌঁছে দেয়ার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ সমগ্র পূর্ববাংলা সফর করেন এবং ৬-দফাকে বাঙালির বাঁচার দাবি হিসেবে অভিহিত করেন। ফলে শাসকগোষ্ঠী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ অন্যান্য নেতাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে। যশোর, ময়মনসিংহ ও সিলেটসহ অন্যান্য কয়েকটি স্থানে ৬ দফার পক্ষে প্রচারকালে বঙ্গবন্ধু গ্রেফতার হন। পরবর্তী সময়ে ঐতিহাসিক ৬-দফাভিত্তিক নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনই ধাপে ধাপে বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামে পরিণত হয়। এ দাবির সপক্ষে বাঙালি জাতির সর্বাত্মক রায় ঘোষিত হয় ১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক সাধারণ নির্বাচনের মধ্যদিয়ে। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বাঙালিরা বিজয়ী করে। অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধুর দলকে জনগণ বিজয়ী করলেও স্বৈরাচারী পাক শাসকরা বিজয়ী দলকে সরকার গঠন করতে না দিলে আবারো বঙ্গবন্ধু জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে স্বাধীনতার পক্ষে আন্দোলন শুরু করেন। এরই ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ. আ. ম. স আরেফীন সিদ্দিক বলেন, ৬ দফাই এনে দিয়েছে আমাদের তথা বাংলাদেশের স্বাধীনতা। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর দূর দৃষ্টি, অন্তঃদৃষ্টি ও রাজনৈতিক বিচক্ষণতা এতই প্রখর ছিল যে, তিনি ৬ দফাকে এক দফার দাবিতে পরিণত করে বাংলার স্বাধীনতার আন্দোলনের ডাক দেন। অওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেন, ছয় দফার সময়ে এটা কেবল স্বায়ত্তশাসনের দাবি, অর্থনৈতিক মুক্তির দাবি না- এমন বিতর্ক ছিল। তিনি বলেন, ৭০-এর নির্বাচন ছিল ৬-দফার প্রশ্নে ম্যান্ডেট। রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব ও লেখক নূহ-উল আলম লেনিন বলেন, পাকিস্তান সৃষ্টির আগেই স্বাধীন বাংলাদেশের বিষয়টি বঙ্গবন্ধুর মাথায় ছিল। তাই ছয় দফা হঠাৎ কোন ব্যাপার ছিল না। বঙ্গবন্ধুর দীর্ঘ রাজনীতির লক্ষ্যই ছিল স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা। ছয় দফার ভেতর দিয়েই প্রকৃত অর্থে স্বাধীনতা এসেছে। সিপিবি সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, ছয় দফা মুক্তির সনদ না হলেও এটা ছিল মুক্তিযুদ্ধের একটা মাইল ফলক, যা অতিক্রম করার মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ সফল হয়েছিল।
দেশজুড়ে করোনায় আরো ৩৫ জনের প্রাণহানি, শনাক্ত ২৬৩৫
৬জুন,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আরো ৩৫ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা ৮৪৬ জন। একই সময়ে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৬৩৫ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৬৩ হাজার ২৬জন। আজ শনিবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে এ তথ্য জানান সংস্থাটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। তিনি জানান, ৫০টি ল্যাবে ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১২ হাজার ৯০৯টি। এর মধ্যে পরীক্ষা করা হয়েছে ১২ হাজার ৪৮৬টি। পরীক্ষা করা নমুনার মধ্যে ২ হাজার ৬৩৫ জনের দেহে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পাওয়া যায়।
যুগ্ম সচিব হলেন ১২৩ কর্মকর্তা
৬জুন,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জনপ্রশাসনের ১২৩ কর্মকর্তাকে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। উপসচিব থেকে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতির দিয়ে শুক্রবার (৫ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে আদেশ জারি করা হয়েছে। উপসচিব থেকে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে এ কর্মকর্তাদের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। পদোন্নতিপ্রাপ্ত যুগ্ম সচিবদের পদায়ন করা হয়নি। পদোন্নতি পাওয়াদের মধ্যে ১১৭ জন বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও অন্যান্য সরকারি দফতরে কর্মরত আছেন। আর বাকি ৬ জন বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাস ও হাইকমিশনে কর্মরত আছেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, পদোন্নতির পর যুগ্ম-সচিবের মোট সংখ্যা হল ৭৩৯ জন। যুগ্ম-সচিবের নিয়মিত পদের সংখ্যা ৪১১টি। সর্বশেষ ২০১৯ সালের ১৬ জুন ১৩৬ কর্মকর্তাকে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি দেয়া হয়েছিল।
মোহাম্মদ নাসিমের অবস্থা অত্যন্ত সংঙ্কটাপন্ন
৬জুন,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের অবস্থা অত্যন্ত সংঙ্কটাপন্ন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) ভেন্টিলেশনে রয়েছেন। তার জ্ঞান এখনো ফেরেনি। ৭২ ঘণ্টা পার হলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। আজ শনিবার বিষয়টি জানিয়েছেন মোহাম্মদ নাসিমের ছেলে সাবেক সংসদ সদস্য তানভির শাকিল জয়। এর আগে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হলে গতকাল শুক্রবার জরুরি ভিত্তিতে মোহাম্মদ নাসিমের অস্ত্রোপচার করা হয়। তানভির শাকিল জয় জানান, তার বাবা মোহাম্মদ নাসিমের অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটাপন্ন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) ভেন্টিলেশনে রয়েছেন। ৭২ ঘণ্টা পার হলে চিকিৎসকরা পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন। রক্তচাপজনিত সমস্যা নিয়ে গত ১ জুন রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন মোহাম্মদ নাসিম। ওইদিনই তার করেনা ভাইরাস শনাক্ত হয়। এরপর তার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হলে শুক্রবার জরুরি ভিত্তিতে অস্ত্রোপচার করতে হয়। এ অস্ত্রোপচার সফল হয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎকরা। উল্লেখ্য, মোহাম্মদ নাসিম আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের মুখপাত্রও তিনি। ২০১৪ সালের সংসদ নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান মোহাম্মদ নাসিম। এর আগে ১৯৯৬- ২০০১ সালের আওয়ামী লীগ সরকারের সময় একাধিক মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।