রবিবার, জুলাই ১৫, ২০১৮
নির্বাচনের বছরে হেভিওয়েট নেতাদের ঈদে হেভি আয়োজন
ঈদকে সামনে রেখে চট্টগ্রামের শীর্ষ রাজনীতিকরা নিজ নিজ কর্মী-সমর্থকদের জন্যে প্রতিবছর বিশেষ আয়োজন করেন। তবে নির্বাচনের বছর হওয়ায় এবার সেই আয়োজনে লেগেছে বাড়তি হাওয়া। আওয়ামী লীগ কিংবা বিএনপি- প্রতিটি দলের ‘হেভিওয়েট’নেতাদের বাসায় এবার ঈদে কর্মী-সমর্থকদের জন্য থাকছে ‘হেভি’ আয়োজন। আওয়ামী রাজনীতিকদের মধ্যে দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, নগর সহ-সভাপতি এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি, ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, নগর সাধারণ সম্পাদক এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, সাবেক মন্ত্রী এবং সংসদ সদস্য ডা. আফছারুল আমীন, সাবেক মন্ত্রী এবং সংসদ সদস্য ড. হাছান মাহমুদ, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল সবাই নিজ নিজ এলাকায় ঈদ করবেন। এর মধ্যে মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি নগরের খুলশি’র নিজ বাসভবনে বাহারি পদের খাবারের আয়োজন করেছেন। সেখানেই দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় এবং তাদের আপ্যায়িত করবেন তিনি। আন্দরকিল্লায় নিজ বাসভবনে নেতাকর্মীদের জন্য বিশেষ খাবারের ব্যবস্থাসহ নানা আয়োজন করছেন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন। নিজ বাসভবনেই দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় এবং তাদের আপ্যায়িত করবেন তিনি। প্রয়াত মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর চশমা হিলের বাসায় নেতাকর্মীদের জন্য ঈদের দিন মেজবানির আয়োজন করেছেন তার ছেলে সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। ঈদের পরদিন সেমাই দিয়েও তাদের আপ্যায়ন করা হবে বলে জানান তিনি। গ্রামের বাড়ি আনোয়ারার পাশাপাশি নগরের সার্সন রোডের বাসায় নেতাকর্মীদের জন্য আয়োজন করছেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ। প্রতি বছরের মতো ডা.আফসারুল আমীনের বাসায়ও থাকছে বিশেষ আয়োজন। অন্যদিকে, বিএনপি রাজনীতিকদের মধ্যে সাবেক মন্ত্রী এবং দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সাবেক মন্ত্রী এবং ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, সাবেক মন্ত্রী এবং ভাইস চেয়ারম্যান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম, নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান সবাই নিজ নিজ এলাকায় ঈদ করবেন। নির্বাচনকে সামনে রেখে এলাকায় ঈদ উদযাপন করবেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ফলে অন্যান্য বছরের চেয়ে এবার আয়োজনের পরিধি বাড়ছে বলে জানা গেছে। প্রায় ১০ হাজার নেতাকর্মী আপ্যায়নের ব্যবস্থা করছেন তিনি। নগর সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন আয়োজন করছেন রীমা কমিউনিটি সেন্টারে। প্রতিবছর ঈদের পরদিন নেতাকর্মীদের জন্য মেজবানির আয়োজন করলেও বিএনপি চেয়ারপরসন বেগম খালেদা জিয়া কারাবন্দি থাকায় এবার কোনো আয়োজন করছেন না বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান। তবে নগরের চান্দগাঁও এলাকায় নিজ বাসায় নেতাকর্মীদের জন্য বিশেষ আয়োজন করেছেন নগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান। বাংলানিউজ
রমজানের ওই রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ
মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী : রমজানের ওই রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ/আপনাকে তুই বিলিয়ে দে, শোন আসমানি তাগিদ/তোর সোনা-দানা, বালাখানা সব রাহে লিলস্নাহ দে জাকাত/মুর্দা মুসলিমের আজ ভাঙাইতে নিদ/ও মন রমজানের ওই রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ/আজ পড়বি ঈদের নামাজ রে মন সেই সে ঈদগাহে/যে ময়দানে সব গাজী মুসলিম হয়েছে শহীদ/রমযানের ওই রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ ...।' কাল ঈদ। শনিবার সারাদেশে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল ফিতর। পবিত্র কোরআন নাজিলের মাস রমজান শেষে ঈদের চাঁদ দেখামাত্র ছোট-বড়, ধনী-গরিব প্রত্যেক মুসলমানের হৃদয়ে বইবে আনন্দের ঝরণাধারা। ধ্বনিত হবে 'ঈদ মোবারক' আর কাজী নজরম্নল ইসলামের জনপ্রিয় ঈদের গান- 'ও মন রমজানের ওই রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ'। ঈদের দিন সকালে ধনী-গরিব নির্বিশেষে সব মুসলমান এক কাতারে ঈদের নামাজ আদায় শেষে কোলাকুলি ও শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। প্রিয় নবী হজরত মোহাম্মদ (সা.)-এর মদিনায় হিজরতের অব্যবহিত পরই সংযম আর আনন্দের প্রতীক পবিত্র মাহে রমজান ও ঈদুল ফিতর উৎসব শুরম্ন হয়। সৃষ্টি হয় সংযম আর সম্প্রীতির বৈষম্যমুক্ত এক নতুন মূল্যবোধের। প্রিয় নবী হজরত মোহাম্মদ (সা.) বলেছেন, 'চাঁদ দেখে রোজা পালন এবং চাঁদ দেখে ঈদ উদযাপন করবে। চন্দ্র মাস ২৯ দিনে হয়, আবার ৩০ দিনেও হয়। রাসুল করিমের সে নির্দেশনা অনুযায়ীই চলে আসছে রোজা ও ঈদের সুমহান ঐতিহ্য পালন। ঈদের আনন্দে শামিল সারাদেশ এখন উৎসুক। সব প্রস্তুতিও সম্পন্ন। আলাদা আলাদা বাণীতে দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদ। ঈদ উপলক্ষে বাংলাদেশ টেলিভিশন-বেতারসহ বেসরকারি টেলিভিশন ও রেডিও স্টেশনগুলো ৫ থেকে ৭ দিনের বিশেষ অনুষ্ঠানমালা সম্প্রচার করবে। দেশের জাতীয় দৈনিক ও সাময়িক পত্রিকাগুলো ইতিমধ্যে ঈদ সংখ্যা প্রকাশ করেছে। নগরীর প্রধান প্রধান সড়কদ্বীপে শোভা পাচ্ছে বাংলা ও আরবিতে 'ঈদ মোবারক' খচিত পতাকা। সরকারি ও গুরম্নত্বপূর্ণ ভবনগুলো আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হবে। এতিমখানা, ভবঘুরে কেন্দ্র্র, হাসপাতাল ও কারাগারে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। রাষ্ট্রপতির বঙ্গভবনে ও প্রধানমন্ত্রীর গণভবনে সকাল থেকেই গণ্যমান্য ব্যক্তি, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। সাপ্তাহিক সংবাদের কাগজ , নিউজ একাত্তর ডট কম এর পক্ষ থেকে দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন উক্ত পত্রিকার সম্পাদক / প্রকাশক মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী ।
চট্টগ্রামে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা,জমিয়তুল ফালাহ ময়দানে প্রধান ঈদের জামাত সকাল ৮ টায়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) তত্ত্বাবধানে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রথম ও প্রধান জামাত সকাল ৮ টায় জাতীয় মসজিদ জমিয়তুল ফালাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে। একই স্থানে দ্বিতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৯ টায়। এছাড়াও নগরের ৪১ ওয়ার্ডের ১৬৬টি স্থানে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে, শুক্রবার (১৫ জুন) সকালে জমিয়তুল ফালাহ ময়দান পরিদর্শন করেছেন চসিক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। এসময় সিটি মেয়র বলেন, পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় মসজিদ জমিয়তুল ফালাহ ময়দানে। ইতিমধ্যে চসিকের পক্ষ থেকে সকল ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মুসল্লীরা যাতে স্বাচ্ছন্দে ও নিরাপদে জামাতে অংশ নিতে পারেন সেই লক্ষে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মাঠের পাশাপাশি বাইরের রাস্তায় ব্যাপকভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঈদের জামাতে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। চসিকের অধীনে ৪১ ওয়ার্ডের ১৬৬টি স্থানে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানান তিনি। চসিক সূত্রে জানা যায়, জমিয়তুল ফালাহ ময়দানে প্রথম ও প্রধান জামাতে ইমামতি করবেন জামেয়া আহমদিয়া ছুন্নীয়া আলেয়া মাদ্রাসা চট্টগ্রামের মুহাদ্দিছ আল্লামা সৈয়দ আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দিন আল কাদেরী এবং দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করবেন জাতীয় মসজিদ জমিয়তুল ফালাহ্’র হাফেজ মাওলানা আহমদুল হক। বাকলিয়ার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন স্টেডিয়ামে প্রথম ঈদ জামাত হবে সকাল ৮টায়, লালদীঘি সিটি কর্পোরেশন শাহী জামে মসজিদে ঈদ জামাত হবে সকাল সাড়ে ৮টায়। জালালাবাদ আরেফিন নগর সিটি কর্পোরেশন কেন্দ্রীয় কবরস্থান জামে মসজিদের ঈদ জামাত হবে সকাল সোয়া ৮টায়। এছাড়াও নগরের চসিকের তত্ত্বাবধানে-হযরত শেখ ফরিদ (র.) চশমা ঈদগাহ ময়দান, চকবাজার সিটি কর্পোরেশন জামে মসজিদ, মা আয়েশা সিদ্দিকী চসিক জামে মসজিদ (সাগরিকা জহুর আহমদ চৌধুরী স্টেডিয়াম সংলগ্ন)। এছাড়া নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলরগণের তত্ত্বাবধানে ১টি করে প্রধান ঈদ জামাত অনুষ্টিত হবে।
আজ জুমাতুল বিদা ,মসজিদে মুসল্লিদের ঢল
আজ পালিত হয়েছে পবিত্র রমজানের শেষ শুক্রবার বা ‘জুমাতুল বিদা’। দিনটির ধর্মীয় গুরুত্ব থাকায় এ উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের মসজিদগুলো ঢল নেমেছে মুসল্লিদের। রমজানের অন্যান্য শুক্রবারের চেয়ে আজ মসজিদগুলো মুসল্লির সংখ্যা বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আজ পালিত হচ্ছে ২৯ রমজান। সন্ধ্যায় পবিত্র শাওয়ালের চাঁদ দেখার সম্ভাবনা রয়েছে। আজ চাঁদ দেখা গেলে আগামীকাল পালিত হবে পবিত্র ঈদুল ফিতর। রমজানের শেষ দিন হিসেবেও মসজিদগুলো ভিন্ন আমেজ লক্ষ্য করা গেছে। জুমাতুল বিদার স্বতন্ত্র মর্যাদা ও তাৎপর্য সম্পর্কে হাদিসে তেমন কিছু উল্লেখ নেই। তবে এ দিনটি রোজাদারকে স্মরণ করিয়ে দেয়, রমজানের শেষলগ্নে এবার এর চেয়ে ভালো কোনোদিন আর পাওয়া যাবে না। তবে জুমার দিনের স্বতন্ত্র ফজিলত অনেক বেশি। শুক্রবারকে মুসলমানদের সাপ্তাহিক ঈদ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। রমজানের প্রতিটি জুমা ফজিলত ও তাৎপর্যের দিক থেকে অনন্য। আর বিদায়ী জুমা হিসেবে এর মর্যাদা ও ফজিলত আরও বেশি। জুমাতুল বিদা উপলক্ষে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ রাজধানীর প্রায় সব মসজিদেই মুসল্লিদের বাড়তি চাপ রয়েছে। প্রতিটি মসজিদে এই দিনের তাৎপর্য, রমজানের শিক্ষা এবং ঈদুল ফিতরের ফজিলত সম্পর্কে আজ খুতবা দেয়া হবে।
কোথাও কোনো যানজট হয়নি,মানুষ খুশি
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘আজ মানুষ খুশি। স্বস্তিতে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই অনেকে বাড়ি ফিরে গেছে। উল্লেখযোগ্য কোনো যানজট, প্রলম্বিত কোনো যানজট কোথাও হয়নি।’ আজ শুক্রবার ফেনীর ফতেপুরে রেলওয়ে ওভারপাস নির্মাণকাজ পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এবারের ঈদযাত্রা নিয়ে যে আশঙ্কা একেবারেই অমূলক বলে প্রমাণিত হয়েছে। আল্লাহর রহমতে আমরা সফল হয়েছি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সার্বক্ষণিকভাবে মনিটরিং করেছেন, খোঁজ-খবর নিয়েছেন। তৃণমূলে আমরা সমন্বিত কয়েকটি বৈঠক করেছিলাম, বৈঠকগুলোর সুফল আমরা পেয়েছি।’ তিনি আরো বলেন, ‘এজন্য আমি সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’ সেতুমন্ত্রী আরো বলেন, ‘ঝড় বৃষ্টির মতো এত দুর্যোগের মধ্যে যখন যাওয়াটা স্বস্তিতে হয়েছে, ফিরবেও খুব ভালো ভাবে। কষ্ট হচ্ছে সিলেটসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে বহু মানুষ পানিবন্দি। পাহাড়ে যেসব সড়ক করা হয়েছিল তা নষ্ট হয়ে গেছে। সেখানে যোগাযোগ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ফেনীতেও বহুমানুষ বন্যাকবলিত।’ নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সেনাবাহিনী মোতায়েনের বিরুদ্ধে আমরা নই। সেনাবাহিনী মোতায়েন হবে সংবিধান অনুযায়ী। যদি প্রয়োজন হয়। প্রয়োজন না হলে সেনাবাহিনী কেন মোতায়েন হবে? কেন সেনাবাহিনীকে আমরা বিতর্কিত করব। সেনাবাহিনী মোতায়েন প্রয়োজন হলে নির্বাচন কমিশন সরকারকে বলবে। সেনা মোতায়েন কিন্তু নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ারে নেই।’ ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সেনাবাহিনী একটা স্বতন্ত্র আলাদা বিষয়।’ তিনি আরো বলেন, ‘সেনা মোতায়েনের বিষয়টি পরিস্থিতি বলে দেবে।’ সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন যদি অনুরোধ করে তার যৌক্তিকতা বাস্তবতা সেটা বুঝেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনীর ৩৪ ইসিবির পরিচালক কর্নেল জাকারিয়া হোসাইন, জেলা প্রসাশক মনোজ কুমার রায়, পুলিশ সুপার এস এম জাহাঙ্গীর আলম সরকার, ফেনী পৌরসভার প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়াজী।
শোলাকিয়া ঈদ জামাতের নিরাপত্তা সম্পন্ন
কিশোরগঞ্জের শহরের উপকণ্ঠে নরসুন্ধা নদীর তীরে অবস্থিত উপমহাদেশের প্রাচীন ও সর্ববৃহৎ শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ১০টায়। জামাতে ঈমামতি করবেন বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ মাওলানা ফরিদ উদ্দিন মাসউদ। পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, ২০১৬ সালে জঙ্গি হামলার ঘটনাটিকে মাথায় রেখে মাঠ ও মাঠের আশপাশের এলাকাজুড়ে গড়ে তোলা হচ্ছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাবলয়। আর এ নিরাপত্তাব্যবস্থার গভীর পর্যবেক্ষণে এবার থাকছে ড্রোন ক্যামেরা। মুসল্লিরা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এ নিরাপত্তা ব্যবস্থায়। এ ছাড়া দূরের মুসল্লিদের জন্য থাকছে শোলাকিয়া স্পেশাল নামে দুটি বিশেষ ট্রেন সার্ভিস। দীর্ঘ এক মাসের সিয়াম সাধনা শেষে মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা তাদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর উৎযাপন করে থাকেন। এরই ধারাবাহিকতায় প্রতি বছরের মতো এবারও কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ১৯১তম ঈদুল ফিতরের জামাত। লাখো মুসল্লিদের সঙ্গে নামাজ আদায়ে অধিক সওয়াবের আশায় এ মাঠে অনুষ্ঠিত ঈদুল ফিতরের জামাতে প্রতি বছর দেশ-বিদেশের তিন লাখেরও বেশি মুসল্লির সমাগম ঘটে থাকে। এবারের ১৯১তম ঈদুল ফিতরের জামাত উপলক্ষে মাঠের চারপাশের দেয়ালে পরেছে নতুন রঙের প্রলেপ। মাঠের ভেতরের খানাখন্দ বালি দিয়ে ভরাট করে ইতিমধ্যে লাইনকাটা সম্পন্ন হয়েছে। মুসল্লিদের নিরাপত্তায় সিসি ক্যামেরা বসানো, ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ, আলোকসজ্জা, ভূগর্ভস্থ মাইক্রোফোন সংযোগ পরীক্ষাকরণ ইত্যাদির কাজ চলছে। জামাত উপলক্ষে ঢাকা ও ময়মনসিংহ থেকে দুটি বিশেষ ট্রেন চলাচল করবে।
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে দেশের দুই শতাধিক গ্রামে আজ ঈদ
নিজস্ব প্রতিবেদক : সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে দেশের সাত জেলার দুই শতাধিক গ্রামে আজ ঈদুল ফিতর পালিত হবে। চট্টগ্রামের ছয় উপজেলা, শরীয়তপুরের চার উপজেলা, চাঁদপুরের চার উপজেলা, মাদারীপুরের চার উপজেলা, পটুয়াখালীর দুই উপজেলা, পিরোজপুর ও বরিশালের কয়েকটি স্থানে সকালে ঈদের নামাজ আদায় করা হবে। সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) : দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়া, চন্দনাইশ, পটিয়া, লোহাগাড়া, বাঁশখালী, আনোয়ারা উপজেলার ৪০টি গ্রামের মির্জাখিল দরবার শরিফের অনুসারীরা আজ ঈদ উদযাপন করবে। সাতকানিয়া উপজেলার মির্জাখিল, সোনাকানিয়া, গারাঙ্গিয়া, বাজালিয়া, কাঞ্চনা, আমিলাইশ, খাগরিয়া ও গাটিয়াডাঙ্গা, লোহাগাড়া উপজেলার কলাউজান, বড়হাতিয়া, পুটিবিলা, চুনতি ও চরম্বা, বাঁশখালী উপজেলার জালিয়াপাড়া, ছনুয়া, মক্ষিরচর, চাম্বল, শেখেরখিল, ডোংরা, তৈলারদ্বীপ ও কালিপুর, পটিয়া উপজেলার হাইদগাঁও, বাহুলী ও ভেলাপাড়াসহ ৪০ গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ ঈদ উদযাপন করবেন। এ ব্যাপারে মির্জাখিল দরবার শরিফের পরিচালনা কমিটির সচিব মাস্টার বজলুর রহমান জানান, সৌদি আরবের দিনক্ষণ আমরা অনুসরণ করি, সে অনুযায়ী রোজা ও ঈদ একই নিয়মে পালন করে আসছি। শরীয়তপুর : সুরেশ্বর পীরের অনুসারীরা আজ চার উপজেলার ৩০টি গ্রামে ঈদ পালন করবেন। শত বছর ধরে বাংলাদেশের একদিন আগে চাঁদ দেখার দিন সুরেশ্বর পীরের সব ভক্ত ও তাদের মুরিদানেরা একই নিয়মে ঈদ উৎসব পালন করে আসছেন। নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর, চণ্ডিপুর, ইছাপাশা, থিরাপাড়া, ঘড়িষার, কদমতলী, নিথিরা, মানাখানা, নশাসন, ভুমখারা, ভোজেশ্বর, জাজিরা উপজেলার কালাইখার কান্দি, মাদবর কান্দি, শরীয়তপুর সদর উপজেলার বাঘিয়া, কোটাপাড়া, বালাখানা, প্রেমতলা, ডোমসার, শৌলপাড়া, ভেদরগঞ্জ উপজেলার লাকার্তা, প্রেমতলা, পাপরাইল ও চরাঞ্চলের ১০টি গ্রামসহ প্রায় ৩০টি গ্রামের ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ ঈদের নামাজ আদায় করবেন। সকাল সাড়ে ১০টায় ঈদুল ফিতরের প্রধান ঈদের জামাত সুরেশ্বর দরবার শরিফে অনুষ্ঠিত হবে। ঈদ জামাতে ইমামতি করবেন সুরেশ্বর দরবার শরিফের গদিনীশীন মোতাওয়াল্লি সৈয়দ মো. বেলাল নূরী। চাঁদপুর ও ফরিদগঞ্জ : চাঁদপুরের মতলব উত্তর, ফরিদগঞ্জ, হাজীগঞ্জ ও কচুয়া উপজেলার প্রায় ৪০টি গ্রামে ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হবে। হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা দরবার শরিফের অনুসারীরা ৮৯ বছর ধরে একদিন আগে ঈদ পালন করে আসছেন। জেলার যেসব গ্রামে একদিন আগে ঈদ উদযাপিত হবে সেগুলো হল- হাজীগঞ্জ উপজেলার বলাখাল, শ্রীপুর, মনিহার, বরকুল, অলীপুর, বেলচোঁ, রাজারগাঁও, জাকনি, কালচোঁ, মেনাপুর, ফরিদগঞ্জ উপজেলার শাচনমেঘ, খিলা, উভারামপুর, পাইকপাড়া, বিঘা, উটতলী, বালিথুবা, শোল্লা, রূপসা, গোবিন্দপুর, লক্ষ্মীপুর, মূলপাড়া, বদরপুর, কড়ৈতলী, নয়ারহাট, মতলবের মহনপুর, এখলাসপুর, দশানী, নায়েরগাঁও, বেলতলীসহ বেশ কয়েকটি গ্রাম। টেকেরহাট ও কালকিনি (মাদারীপুর) : ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সুরেশ্বরীর ভক্ত-অনুসারীরা মাদারীপুরের ৫০ গ্রামের অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ আজ ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন। সুরেশ্বর দায়রা শরিফের প্রধান গদিনশিন পীর খাজা শাহ সুফি সৈয়দ নূরে আক্তার হোসাইন জানান, বৃহস্পতিবার মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শাওয়াল মাসের নতুন চাঁদ দেখা যাওয়ায় আজ সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ ঈদুল ফিতর উদযাপন করছে। মাদারীপুর সদর উপজেলার পাঁচখোলা, জাজিরা, মহিষেরচর, জাফরাবাদ, চরকালিকাপুর, তাল্লুক, বাহেরচরকাতলা, চরগোবিন্দপুর, আউলিয়াপুর, ছিলারচর, কুনিয়া, মস্তফাপুর, কালকিনির সাহেবরামপুর, আন্ডারচর, আলীনগর, বাঁশগাড়ী, খাসেরহাট, আউলিয়াপুর, রামারপোল, ছবিপুর, ছিলিমপুর, ক্রোকিরচর, সিডিখান, কয়ারিয়া, রমজানপুর, বাটামারা, রাজারচর, শিবচরের পাচ্চর, স্বর্ণকারপট্টিসহ মাদারীপুর জেলার চারটি উপজেলার ৫০ গ্রামের অর্ধলক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মুসলমান উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে আজ ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন। মাদারীপুর সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নের চরকালিকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ ও কালকিনির আন্ডারচর খানকায় শরিফ মাঠে সকাল ১০টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। চরকালিকাপুর ঈদের জামাতে ইমামতি করবেন মৌলভি আবুল হাসেম মাস্টার ও আন্ডারচর খানকা শরিফ মাঠের ঈদের জামাতে ইমামতি করবেন হাফেজ মাওলানা দেলোয়ার হোসেন। এসব গ্রামের মানুষের মধ্যে বিরাজ করছে ঈদের আনন্দ। রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) : রাঙ্গাবালী উপজেলার ৬ গ্রামে ঈদুল ফিতর উৎসব উদযাপন করা হবে। প্রতিবছরের মতো এবারও কাদেরিয়া-চিশতিয়া তরিকার নির্দিষ্ট সংখ্যক অনুসারীরা ওইসব গ্রামে ঈদের নামাজ আদায় করবেন। স্থানীয়রা জানান, উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যে রাঙ্গাবালী ইউনিয়নের পশুরবুনিয়া, নিজ হাওলা, সেনের হাওলা, চর যমুনা, ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের ফুলখালী ও কোড়ালিয়া গ্রামের পাঁচ হাজার মানুষ ঈদের নামাজ আদায় করবেন। তারা কাদেরিয়া-চিশতিয়া তরিকার চট্টগ্রাম চন্দনাইশ জাগিরিয়া শাহ সুফি মমতাজিয়া দরবার শরিফের অনুসারী। কাদেরিয়া-চিশতিয়া তরিকার অনুসারী রাঙ্গাবালী জাগিরিয়া শাহ সুফি মমতাজিয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার (ভারপ্রাপ্ত) আনোয়ার হোসেন শাহিন বলেন, বিশ্বের যে কোনো প্রান্তে চাঁদ দেখা গেলেই আমরা ওইদিন ঈদ উদযাপন করি। সকাল ৮-৯টার মধ্যে উপজেলার নির্ধারিত স্থানগুলোয় ঈদের নামাজ আদায় করা হবে। কলাপাড়া (পটুয়াখালী) : কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের পাঁচজুনিয়া ও চালিতাবুনিয়া, লালুয়া ইউনিয়নের উত্তর লালুয়া, মাঝিবাড়ি ও নিশানবাড়িয়া, মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের তেগাছিয়া, আরামগঞ্জ ও সাফাখালী, টিয়াখালী ইউনিয়নের ইটবাড়িয়া গ্রামের এবং কলাপাড়া পৌর শহরের নাইয়াপট্রি, স্লুইজ ঘাট ও বাদুরতলী এলাকার ১০ হাজার মানুষ ঈদ উদযাপন করবে। স্থানীয়ভাবে তারা ‘চানটুপির’ লোক হিসেবে পরিচিত। কলাপাড়া শহরের নাইয়াপট্রি এলাকার বাসিন্দা মো. রুস্তুম আলী জানান, কাদেরিয়া তরিকার অনুসারীরা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে প্রতিবছর রোজা ও ঈদ পালন করেন। অন্য মুসলমানদের চেয়ে আমরা একদিন আগে রোজা রেখেছি। সে হিসেবে একদিন আগে ঈদ উদযাপন করব। উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের উত্তর নিশানবাড়িয়া জাহাগিরিয়া শাহসুফি মমতাজিয়া দরবার প্রাঙ্গণে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের জামাতে ইমামতি করবেন মাওলানা মো. হাফেজ আরিফুর রহমান। এছাড়া তেগাছিয়া, লালুয়া ইউনিয়নের উত্তর লালুয়া গ্রামের মাঝিবাড়ি খানকা, কলাপাড়া পৌর শহরের নাইয়াপট্টি জামে মসজিদ ও ধানখালী ইউনিয়নের চালিতাবুনিয়া গ্রামে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) : উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়নের ভাইজোড়া, কচুবাড়িয়া, সাপলেজা, ঝাটিবুনিয়া ও খেতাছিড়া গ্রামে সুরেশ্বর পীরের অনুসারী ছয় শতাধিক পরিবারের সদস্যরা শুক্রবার ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করবে। ভাইজোড়া গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য মো. ফরহাদ হোসেন জানান, সুরেশ্বর পীরের অনুসারীরা প্রতিবছর সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রমজান ও দুই ঈদ পালন করে থাকে। বরিশাল : বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এলাকায় আজ তিনটি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ২৩নং ওয়ার্ডে ‘তাজকাঠি জাহাগিরিয়া শাহ্সুফি মমতাজিয়া জামে মসজিদ’ প্রাঙ্গণে সকাল সাড়ে ৯টায় প্রধান ও বৃহত্তম জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এতে ইমামতি করবেন মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল আলীম। এছাড়া পৌর এলাকার ২৩নং ওয়ার্ডের উত্তর সাগরদী মৃধাবাড়ি শাহ্সুফি মমতাজিয়া জামে মসজিদ, ২৬নং ওয়ার্ডে হরিনাফুলিয়া চৌধুরী বাড়ি শাহ্সুফি মমতাজিয়া জামে মসজিদ এবং ২২নং ওয়ার্ডে জিয়া সড়ক শাহ্সুফি মমতাজিয়া জামে মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। এসব জামাতে কয়েক হাজার ধর্মপ্রাণ মুসলমান ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করবেন। এছাড়াও বরিশাল সদর উপজেলার চরকিউট্টা গ্রামে হাফেজ লোকমান শাহ্সুফি মমতাজিয়া জামে মসজিদ, বন্দর থানা সাহেবের হাটের পতাং গ্রামে পতাং শাহ্সুফি মমতাজিয়া মসজিদ প্রাঙ্গণ, মেহেন্দিগঞ্জের তালুকদারচর গ্রামে তালুকদারচর শাহ্সুফি মমতাজিয়া জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৯টায় জামাত অনুষ্ঠিত হবে। বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের ওলানকাঠি গ্রামের সরোয়ার খলিফা বাড়ি, খানপুরা জাহাঙ্গীর শিকদারের বাড়ি, মাধবপাশা ইউনিয়নের সাদেক দুয়ারী বাড়ি, কেদারপুর ইউনিয়নে আবদুল মন্নান হাওলাদারের বাড়িতে ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও ভোলা জেলার কয়েকটি স্থানে একদিন আগে ঈদ উদযাপন করা হবে। যুগান্তর