সোমবার, এপ্রিল ১২, ২০২১
আবরার হত্যা: পলাতক চার আসামির সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ
০৩ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ রাব্বী (২২) হত্যা মামলায় পলাতক চার আসামির সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া আগামী ৫ জানুয়ারি পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। মঙ্গলবার ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মূখ্য মহানগর হাকিম মো. কায়সারুল ইসলাম এ আদেশ দেন। সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হেমায়েত উদ্দিন খান হিরণ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গত ১৮ নভেম্বর আদালত ওই আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। গ্রেপ্তার এড়াতে আসামিরা পলাতক রয়েছেন মর্মে মঙ্গলবার পুলিশ আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। এরপর আদালত পলাতকদের সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন। এছাড়া আজ মামলাটিতে স্বীকারোক্তিকারী আসামি মো. মেফতাহুল ইসলাম জিয়নের পক্ষে আইনজীবী গোলাম নূর-ই-আজমতার কাজল স্বীকারোক্তি প্রত্যাহারের আবেদন করেন। যা আদালত আসামির স্বাক্ষর করিয়ে নথিভুক্তের আদেশ দিয়েছেন। মামলাটিতে কারাগারে থাকা ২১ আসামিকে সকালে কারাগার থেকে সিএমএম আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। তবে নিরাপত্তা জনিত কারণে তাদের আদালতে ওঠানো হয়নি। যাদের সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দেওয়া হয়েছে তারা হলেন- রংপুর জেলার কোতয়ালি থানার পাকপাড়ার বাসিন্দা ডা. মো. আব্দুল জলিল মন্ডলের ছেলে বুয়েটের ইলেকট্রিক এন্ড ইলেকট্রনিক্স বিভাগের ১৭তম ব্যাচের ছাত্র মুহাম্মাদ মোর্শেদ-উজ-জামান মন্ডল ওরফে জিসান (২২), নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর থানার নেয়ামতপুর মুন্সিপাড়ার আবু মো. কাউছার ওরফে পিন্টুর ছেলে বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারং বিভাগের ১৭তম ব্যাচের ছাত্র এহতেশামুল রাব্বি ওরফে তানিম (২০), চাঁপাইনাবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর থানার কাজী গ্রামের মো. রবিউল ইসলামের ছেলে বুয়েটের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারং বিভাগের ১৭তম ব্যাচের ছাত্র মোর্শেদ অমত্য ইসলাম (২২) এবং দিনাজপুর জেলার কোতয়ালি থানার উত্তর বালু বাড়ির ছায়েদুল হকের ছেলে বুয়েটের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৬তম ব্যাচের ছাত্র মুজতবা রাফিদ (২১)। এর আগে গত ১৩ নভেম্বর মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. ওয়াহিদুজ্জামান আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছেন। কারাগারে থাকা আসামিরা হলেন, বুয়েট ছাত্রলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মো. অনিক সরকার, উপ-সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক ইফতি মোশাররেফ সকাল, ক্রীড়া সম্পাদক মো. মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিন, মো. মনিরুজ্জামান মনির, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভীর, শিক্ষার্থী মো. মুজাহিদুর রহমান ও এএসএম নাজমুস সাদাত, বুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল, আইন বিষয়ক উপ-সম্পাদক অমিত সাহা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহতামিম ফুয়াদ, আইন বিষয়ক উপ-সম্পাদক অমিত সাহা, কর্মী মুনতাসির আল জেমি, গ্রন্থ ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ইসাতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, শিক্ষার্থী আবরারের রুমমেট মিজানুর রহমান, শিক্ষার্থী শাসছুল আরেফিন রাফাত, আকাশ হোসেন, মো. মাজেদুর রহমান মাজেদ, শামীম বিল্লাহ, মুয়াজ ওরফে আবু হুরায়রা ও এস এম মাহমুদ সেতু। যাদের মধ্যে প্রথম ৮ জন আদালতে স্বীকারোক্তি করেছেন। উল্লেখ্য, আবরার বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের (১৭তম ব্যাচ) ছাত্র ছিলেন। তিনি থাকতেন বুয়েটের শেরেবাংলা হলের নিচতলার ১০১১ নম্বর কক্ষে। গত ৬ অক্টোবর একই হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে তাঁকে নির্যাতন করে তাকে হত্যা করা হয়। রাত তিনটার দিকে হল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের পর তার বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে ১৯ জনকে আসামি করে গত ৭ অক্টোবর সন্ধ্যার পর চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে তারা ক্ষমা করবে না: প্রধানমন্ত্রী
০২ডিসেম্বর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় এখন থেকেই কাজ শুরু করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা যদি আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হই, তাহলে তারা ক্ষমা করবে না। প্রতি মুহূর্তে আমাদের নিষ্ক্রিয়তা পৃথিবীর প্রতিটি জীবিত মানুষকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। এখনই সময় কাজ করার। সোমবার স্পেনের ফেরিয়া দা মাদ্রিদে (আইএফইএমএ) অ্যাকশন ফর সারফাইভাল: ভালনারেবল নেশনস কপ-২৫ লিডার্স সামিট এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সিভিএফ এবং ভি -২০ দক্ষিণ-দক্ষিণ এবং ত্রিমুখী সহযোগিতার অসাধারণ উদাহরণ এবং আমরা বর্তমান সাফল্যকে আরও এগিয়ে নিতে চাই। শেখ হাসিনা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন বিশ্বের জন্য একটি কঠিন বাস্তবতা। এটি এখন মানুষের জীবন ও পরিবেশ, বাস্তুশাস্ত্র এবং প্রাকৃতিক সম্পদের অপূরণীয় ক্ষতি করেছে। ১৯৯২ সালে আর্থ সামিটের পর থেকে আমরা গ্রিনহাউস গ্যাস হ্রাসে খুব বেশি অগ্রগতি অর্জন করতে পারিনি, এর নির্গমণ এখনও বেড়ে চলেছে। এই প্রবণতা পৃথিবীকে অস্থিতিশীল করে তুলছে। তিনি বলেন, ঝুঁকিতে থাকা আমাদের মতো দেশগুলো, এই পরিস্থিতি মোকাবেলা সীমিত ক্ষমতা এবং নির্দিষ্ট ভৌগলিক বৈশিষ্ট্যের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হই। ক্ষয়ক্ষতির জন্য তুচ্ছ বা কোনো অবদান না রাখলেও ক্ষতির ধাক্কাটা আমাদেরকেই সামলাতে হচ্ছে। এটি একটি অবিচার এবং অবশ্যই বিশ্ব সম্প্রদায়কে বিষয়টি স্বীকার করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনের ২৫তম বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিতে তিন দিনের সফরে রবিবার স্পেন পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
নুসরাত হত্যা: অধ্যক্ষ সিরাজসহ চার আসামির আপিল
০২ডিসেম্বর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত ১৬ আসামির মধ্যে চারজন সাজা থেকে খালাস চেয়ে আপিল করেছেন। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আসামিপক্ষে আপিল করেন জামিউল হক ফয়সাল। চার আসামি হলেন- মাদ্রাসা অধ্যক্ষ এস এম সিরাজউদ্দৌলা, নুর উদ্দিন, উম্মে সুলতানা পপি ও জাবেদ হোসেন। চাঞ্চল্যকর নুসরাত হত্যা মামলায় ১৬ আসামির সবাইকে গত ২৪ অক্টোবর মৃত্যুদণ্ড দিয়ে রায় ঘোষণা করে ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। চলতি বছরের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। এ ঘটনায় তার মা শিরিনা আক্তার বাদী হয়ে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা করার পর অধ্যক্ষকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার প্রশাসনিক ভবনের ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয় বোরকা পরা পাঁচ দুর্বৃত্ত। ১০ এপ্রিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় নুসরাত। অগ্নিসন্ত্রাসের এই ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়। গত ২৮ মে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তদন্ত শেষে মাদ্রাসার অধ্যক্ষসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে ৮৬৯ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্র দাখিল করে। মাত্র ৬১ কার্যদিবসে মামলার কার্যক্রম শেষ হয়। আর মামলার তদন্ত কার্যক্রম শেষ করতে পিবিআইয়ের লাগে ৩৩ কার্যদিবস। আলোচিত এই মামলার রায়ে ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত ১৬ আসামি হলেন সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা, সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি রুহুল আমিন, সোনাগাজী পৌরসভার কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম, মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ আবদুল কাদের, প্রভাষক আফসার উদ্দিন, মাদ্রাসার ছাত্র নুর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম, সাইফুর রহমান মোহাম্মদ যোবায়ের, জাবেদ হোসেন ওরফে সাখাওয়াত হোসেন জাবেদ, কামরুন নাহার মনি, উম্মে সুলতানা পপি ওরফে তুহিন, আবদুর রহিম শরিফ, ইফতেখার উদ্দিন রানা, ইমরান হোসেন মামুন, মোহাম্মদ শামীম ও মহি উদ্দিন শাকিল।
ফুলবাড়ীতে বিজিবি কর্তৃক ৫ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস
০২ডিসেম্বর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে চারকোটি ৯২ লাখ ৯ হাজার টাকা মূল্যের জব্দকৃত মাদক ধ্বংস করেছে ফুলবাড়ী ২৯ বডার গার্ড ব্যাটলিয়ন। সোমবার সকাল ১১ টায়, ফুলবাড়ী ২৯ বডার গার্ড ব্যাটলিয়নের সদর দপ্তরে এক সুধী সমাবেশে এই মাদক ধ্বংস করা হয়। মাদক ধ্বংস করণ ও সুধি সমাবেশে ফুলবাড়ী ২৯ বডার গার্ড ব্যাটলিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মো. শরিফুল্ল্যাহ আবেদ এর সভাপতিতে,প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর-৫ এর জাতীয় সংসদ সদস্য, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি, সাবেক মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বডার গার্ড (বিজিবি) এর দিনাজপুর সেক্টর কমান্ডার কর্নেল সোহরাব হোসেন পিবিজিএম পিএসসি জিপ্লাস, দিনাজপুর ৪২ বিজিবির অধিনায়ক লেঃ কর্নেল গাজী নাহিদুজ্জামান পিএসসি, দিনাজপুর জেলা প্রশাসক মাহমুদুল আলম, দিনাজপুর পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন, ৪২ বিজিবির অতিরিক্ত পরিচালক মেজর সামসুজ্জামান মোহাম্মদ আরিফ-উল-ইসলাম, Rab- ১৩ এর অধিনায়ক কমান্ডার রেজা আহম্মেদ ফেরদৌস, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিঞা আশিষ বীন হাছান, জুটিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট লিমেন্ট রায়, ফুলবাড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মিল্টন, মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর দিনাজপুর এর সহকারী পরিচালক রাজিউর রহমান, ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুস সালাম চৌধুরী ও বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদুর রহমান প্রমুখ। ফুলবাড়ী ২৯ বিজিবির অধিনায়ক লেঃ কর্নেল শরিফুল্ল্যাহ আবেদ বলেন, গত ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারী থেকে ২০১৯ সালের ৩১ আগষ্ট প্রর্যন্ত ফুলবাড়ী ২৯ বিজিবির সৈনিকগণ সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে মাদক বিরোধী অভিযানে জব্দকৃত ৪০ হাজার ৩০৭ বোতল ফেনসিডিল, ১৭ লিটার তরল ফেনসিডিল, ১৯০ বোতল বিদাশী মদ, ১১৬ প্যাকেট বিদাশী মদ, ৪২ লিটার দেশি মদ, এক হাজার ১৩১টি নেশা জাতীয় ইনজেকশন, এক লাখ ৫৮ হাজার ৯৮০টি যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট, ২৯ হাজার ৩০৯ বোতল যৌন উত্তেজক সিরাপ, ২১ দশমিক ৩৫ কেজি গাঁজা, ১৯ কেজি ভাং, ৯২৫টি ইয়াবা ট্যাবলেট সাড়ে ৫ কেজি মদ তৈরির বড়ি। দিনাজপুর ৪২ বডার গার্ড ব্যাটলিয়নের সৈনিক কতৃক গত ২০১৮ সালের ২২ আগষ্ট থেকে ২০১৯ সালের ২০ নভেম্বর প্রর্যন্ত জব্দকৃত ৯৫৩ বোতল ফেনসিডিল, ১০০ বোতল ও ৬০ প্যাকেট বিদাশী মদ, সাড়ে তিন কেজি গাঁজা, ১৩৪ টি নেশা জাতীয় ইনজেকশন। যা একত্রে মোট মূল্য চার কোটি ৯২ লাক ৯ হাজার টাকা । মাদক দ্রব্য ধ্বংস পুর্বক আলোচনা সভায দিনাজপুর জেলা প্রশাসক মাহমুদুল আলম বলেন, মাদক মুক্ত দিনাজপুর গড়ার জন্য দিনাজপুর জেলা প্রশাসনসহ সকল আইন শৃংখলা বাহিনী একত্রে কাজ করে যাচ্ছে ।
অনলাইন পোর্টালের নিবন্ধন শুরু আগামী সপ্তাহে
০২ডিসেম্বর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী সপ্তাহ থেকে সরকার অনলাইন নিউজ পোর্টালের নিবন্ধন দেয়া শুরু করবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। সোমবার সচিবালয়ে সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপাকালে তিনি এ কথা জানান। একই সঙ্গে সংবাদপত্র ও টেলিভিশন চ্যানেলগুলোকে অনলাইন পরিচালনার জন্য অনুমোদন নিতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। হাছান মাহমুদ বলেন, দেশের অনলাইনগুলোকে নিবন্ধনের আওতায় আনার জন্য দরখাস্ত আহ্বান করেছিলাম। ইতোমধ্যে ৩ হাজার ৫৯৭টি দরখাস্ত জমা পড়েছে। সেগুলো তদন্ত করার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে পাঠিয়েছিলাম। পরবর্তী সময়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়, আইসিসি মন্ত্রণালয়সহ একটি সভা করেছিলাম। তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানিয়েছিলাম যত দ্রুত সম্ভব অনলাইনগুলোর ব্যাপারে তদন্ত শেষ করে আমাদের কাছে জানানোর জন্য, যাতে আমরা নিবন্ধনের কাজটি শুরু করতে পারি। ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। আজ বা কালকের মধ্যে তারা তদন্ত শেষ করে কয়েকশ অনলাইনের তথ্য আমাদের কাছে পাঠিয়ে দেবে। তিনি বলেন, আগামী সপ্তাহ থেকে অনলাইনের নিবন্ধন দেয়া শুরু হবে। ৩ হাজার ৬০০ অনলাইনের তদন্ত শেষ করা সহজ কাজ নয় এবং কয়েকটি সংস্থা তদন্ত করছে। তাই একটু সময় লাগবে।-সূত্র: আলোকিত বাংলাদেশ
পেট্রলপাম্পের ধর্মঘট স্থগিত
০২ডিসেম্বর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের তিন বিভাগের ২৬ জেলায় চলা পেট্রল পাম্পের ধর্মঘট স্থগিত করেছেন আন্দোলনকারীরা। আগামী ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ ধর্মঘট স্থগিত করা হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সঙ্গে পেট্রোল পাম্প মালিকদের এক আলোচনায় ধর্মঘট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত হয় ৷ দেশের তিন বিভাগে ধর্মঘটে থাকা পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসেসিয়েশনের নেতাদের সঙ্গে জ্বালানি তেল আমদানি ও সরবরাহকারী রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন-বিপিসির সমঝোতা বৈঠকের পর ধর্মঘট স্থগিতের এই ঘোষণা আসে। এর আগে আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় কারওয়ানবাজারে বিপিসির লিয়াজোঁ কার্যালয়ে কোম্পানির পরিচালক (বিপণন) সৈয়দ মেহদী হাসানের সভাপতিত্বে এই বৈঠক হয়। এর আগে বাংলাদেশ পেট্রলপাম্প ও ট্যাংক-লরি মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদ ১৫ দফা দাবিতে এ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিলেন। ধর্মঘটের কারণে স্বল্প ও দূরপাল্লার যানবাহন নিয়ে বেকায়দায় পড়েন চালকরা। এই তিন বিভাগে প্রায় এক হাজার ৩০০ পেট্রলপাম্প একযোগে বন্ধ রাখা হয়েছিল। সেইসঙ্গে ডিপো থেকে তেল উত্তোলনও বন্ধ ছিল। তাদের ১৫ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- জ্বালানি তেল বিক্রিতে কমপক্ষে সাড়ে ৭ শতাংশ কমিশন দেওয়া, জ্বালানি তেল ব্যবসায়ীরা কমিশন এজেন্ট নাকি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান- বিষয়টি সুনির্দিষ্ট করা, প্রিমিয়াম পরিশোধ সাপেক্ষে ট্যাংকলরি শ্রমিকদের জন্য ৫ লাখ টাকার দুর্ঘটনা বীমা, ট্যাংকলরির ভাড়া বৃদ্ধি, পেট্রোল পাম্পের জন্য কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের লাইসেন্স গ্রহণের নিয়ম বাতিল, পেট্রোল পাম্পের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের লাইসেন্স নেওয়ার নিয়ম বাতিল, পেট্রোল পাম্পে অতিরিক্ত পাবলিক টয়লেট করা, জেনারেল স্টোর ও ক্লিনার নিয়োগের বিধান বাতিল করা, সড়ক ও জনপথ বিভাগ কর্তৃক পেট্রোল পাম্পের প্রবেশ দ্বারের ভূমির জন্য ইজারা নেওয়ার নিয়ম বাতিল, ট্রেড লাইসেন্স ও বিস্ফোরক লাইসেন্স ছাড়া অন্য দপ্তর বা প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স নেওয়ার নিয়ম বাতিল, আন্ডারগ্রাউন্ড ট্যাংক ৫ বছর অন্তর বাধ্যতামূলকভাবে ক্যালিব্রেশনের নিয়ম বাতিল করা। এছাড়া ট্যাংকলরি চলাচলে পুলিশি হয়রানি বন্ধ করা, সুনির্দিষ্ট দপ্তর ছাড়া ডিলার বা এজেন্টদের অযথা হয়রানি বন্ধ করা, নতুন কোনো পেট্রোল পাম্প নির্মাণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় জ্বালানী তেল মালিক সমিতির ছাড়পত্রের বিধান চালু করা, পেট্রোল পাম্পের পাশে যে কোনো স্থাপনা নির্মাণের আগে জেলা প্রশাসকের অনাপত্তিপত্র গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা এবং বিভিন্ন জেলায় ট্যাংকলরি থেকে চাঁদা গ্রহণ বন্ধ করার দাবি করা হয়।
অসৎ পথে বিরিয়ানির চেয়ে সৎ পথে নুন-ভাত ভালো: প্রধানমন্ত্রী
০২ডিসেম্বর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ, মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে তার সরকারের চলমান অভিযান অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেছেন যে, সমাজের এই অসুস্থতা নির্মূল করা হবে। স্পেন সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোববার (১ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় হোটেল ভিলা ম্যাগনায় প্রবাসী বাংলাদেশীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর ২১ বছর ধরে দেশ শাসনকারীদের অপকর্মের কারণে অনেক ময়লা ও আবর্জনা জমে গেছে এবং মানুষের চরিত্রে ভাঙন ধরেছে। স্পেনে ও ইউরোপের অন্যান্য দেশে বসবাসকারী প্রবাসী বাংলাদেশিসহ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। নিজেকে বাংলাদেশের জনগণের সার্বক্ষণিক কর্মী হিসেবে অভিহিত করে শেখ হাসিনা বলেন, তিনি জনসাধারণের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটানোর জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, আমি বাংলাদেশের জনগণের একজন সার্বক্ষণিক কর্মী। আমি বিরামহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছি যাতে শহর ও গ্রাম উভয় এলাকার মানুষ আমাদের কাজের সুফল পেতে পারে। শেখ হাসিনা আরও বলেন, এক শ্রেণির মানুষ ঘুষ-দুর্নীতিতে লিপ্ত হয়ে সন্ত্রাস করে, লোকজনের সম্পদ ছিনিয়ে নিয়ে বিলাসী জীবন-যাপন করতে চায় এবং তারা বলতে চায় যে মুই কি হনুরে। তিনি বলেন, কিন্তু আমরা চাই জনগণের মধ্যে এই ধরণের মানসিকতা থাকবে না এবং সমাজের এই অসুস্থতা নির্মূল করতে হবে। শেখ হাসিনা বলেন, অসৎ পথে থেকে বিরিয়ানি খাওয়ার চেয়ে সৎ পথে থেকে নুন-ভাত খাওয়া অনেক ভাল। আমরা জাতির জনকের কাছ থেকে এই শিক্ষা পেয়েছি। আমাদের নতুন প্রজন্মকে এই শিক্ষা দিতে হবে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী অর্থনীতি থেকে খেলাধুলা সকল ক্ষেত্রে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের নাম শুনলে অন্যান্য দেশের মানুষ এখন বাংলাদেশকে সম্মান করে। কিন্তু তারা আগে জানতো যে বাংলাদেশ হচ্ছে বন্যা, খরা, দুর্ভিক্ষ ও দুর্নীতির দেশ। তিনি আরও বলেন, আমরা সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ, মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছি। দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি-জামাত সরকারের সময় বাংলাদেশ পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। কিন্তু এখন সে দুর্নাম ঘুচে গেছে। প্রধানমন্ত্রী দেশের অদম্য অগ্রগতি অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন যাতে বাংলাদেশকে আর কখনও পিছনে ফিরে তাকাতে না হয়। তিনি বলেন, আমরা পরিকল্পনা মাফিক কাজ করে যাচ্ছি যাতে আগামী প্রজন্ম একটি সুন্দর জীবন লাভ করে।সূত্র: বাসস
রাজিব-দিয়া মামলা: চালকসহ তিন জনের যাবজ্জীবন
০১ডিসেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাসচাপায় রাজধানীর শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী রাজিব-দিয়ার মৃত্যুর মামলায় দুই চালক মাসুম বিল্লাহ ও জুবায়ের সুমনসহ হেলপার কাজী আসাদকে যাতজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে ঢাকার মহানগর সিনিয়র দায়রা জজ আদালত। হেলপার কাজী আসাদ পলাতক রয়েছে। এ মামলা থেকে খালাশ পেয়েছেন বাসের মালিক ও অপর এক হেলপার। প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ২৫শে অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করা হয়। এর আগে গত ৬ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে গোয়েন্দা পুলিশ। ২০১৮ সালের ২৯শে জুলাই জাবালে নূর পরিবহনের দুইটি গাড়ি বেপরোয়া ভাবে চালিয়ে একটি বাস রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের কয়েকজন ছাত্র ছাত্রীর উপর তুলে দিলে দিয়া খানম মিম ও আব্দুল করিম রাজীব নিহত হয়। এর প্রতিবাদে নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনে নামে সারাদেশের শিক্ষার্থীরা। স্থবির হয়ে পড়ে রাজধানীর যান চলাচল।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় লজিস্টিক সাপোর্ট দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ
০১ডিসেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় জনবল ও লজিস্টিক সাপোর্ট দিতে স্বরাষ্ট্র সচিবকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। হাইকোর্টের তলব আদেশে Rabর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম হাজির হলে আজ রোববার বিচারপতি বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন। এর আগে গত ১৮ নভেম্বর সারোয়ার আলমকে তলব করেন হাইকোর্ট। ভ্রাম্যমাণ আদালত এক ব্যক্তিকে সাজা দেওয়ার পর চার মাস পার হলেও আদেশের কপি না দেওয়ার ব্যাখ্যা দিতে তাকে তলব করা হয়। আজ সকালে তলব আদেশে হাজির হয়ে সারোয়ার আলম আদালতের কাছে নি:শর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করে ভবিষ্যতে আর এমনটি হবে বলে জানান। একই সঙ্গে ওই রায়ের কপি দিতে বিলম্বের কারণ হিসেবে নবল ও লজিস্টিক সাপোর্টের অভাবের বিষয়টি আদালতের কাছে তুলে ধরেন। তিনি আদালতে বলেন, একদিনে বিভিন্ন জায়গায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। পরে ঢাকায় ফিরে এসে রায় লিখতে হয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে আদালত জনবল ও লজিস্টিক সাপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দেন। আদালতে মো. সারোয়ার আলমের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মাসুদ হাসান চৌধুরী পরাগ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার। জানা যায়, চলতি বছরের ১৮ জুলাই অভিযান চালিয়ে Rabর ভ্রাম্যমাণ আদালত মিজান মিয়াকে এক বছরের কারাদণ্ড দেন। নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের তপু এন্টারপ্রাইজ নামে একটি পশুখাদ্য প্রস্তুতকরণ কারখানার ব্যবস্থাপক মিজান। পরে ওই সাজার আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার জন্য আদেশের কপি চান। কিন্তু সাজা দেওয়ার চার মাস পরও আদেশের কপি দেওয়ার ক্ষেত্রে নিষ্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ করে মো. মিজান মিয়া গত ১৭ নভেম্বর রিটটি করেন।-আলোকিত বাংলাদেশ

জাতীয় পাতার আরো খবর