ইতিহাসকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়া যায় না :প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
জাতির পিতাকে হত্যার পর মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ইতিহাসকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়া যায় না। ইতিহাস প্রতিশোধ নেয়। ঐতিহাসিক ৭ মার্চ (বুধবার) উদযাপনে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, গ্রেফতার হওয়ার আগে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে ইপিআর ওয়ারলেসের মাধ্যমে শেষ শত্রুকে দেশ থেকে বিতাড়িত করা পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন জাতির পিতা। দেশকে স্বাধীন করতে জাতির পিতার নির্দেশে জনগণ ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তুলে যার যা যা ছিল তা নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েছিল বলে জানান তিনি। আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, তবে ওই সময় একটি দল পাকিস্তানি বাহিনীকে গ্রামের পর গ্রামে নিয়ে গিয়েছিল। আমার মা-বোনদের পাক হানাদারদের হাতে তুলে দিয়েছিল। তারা গণহত্যা চালিয়েছিল। গ্রামে গ্রামে আগুন দিয়েছিল। তিনি বলেন, জাতির পিতা এদের বিচার শুরু করে করেছিলেন। কিন্তু পঁচাত্তরে জাতির পিতাকে সপরিবারের হত্যার পর তাদেরকে কারাগার থেকে মুক্তি দিয়ে মন্ত্রী-উপদেষ্টা করা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, পঁচাত্তরের পর বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। কেউ এটা বাজালে জেল-জুলুম করা হতো। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি করা হয়েছিল। কিন্তু ইতিহাস নিশ্চিহ্ন করে দেয়া যায় না। ইতিহাস প্রতিশোধ নেয়। বুধবার বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে জনসভায় ভাষণ দেয়া শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। এরআগে বিকেল ৩টার দিকে তিনি জনসভাস্থলে পৌঁছেন। বেলা আড়াইটার দিকে পবিত্র কোরআন, গীতা, ত্রিপিটক ও বাইবেল পাঠের মধ্যদিয়ে জনসভার কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রীর আগে মঞ্চে আসন গ্রহণ করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, যুগ্ম-সাধারণ জাহাঙ্গীর কবির নানক, দীপু মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ হোসেন প্রমুখ। জনসভা শুরু হওয়ার আগেই সকাল থেকে বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতাকর্মীরা আসতে থাকেন। দুপুরের আগেই জনসভাস্থল কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। মৎস ভবন, শাহবাগ, নীলক্ষেত, দোয়েল চত্বরসহ বিভিন্ন পথে জনস্রোত নামে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানমুখে। প্রায় প্রতিটি নেতাকর্মীর হাতে শোভা পাচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার ছেলে সজিব ওয়াজেদ জয়ের ছবি ও স্লোগান সম্বলিত নানান রঙয়ের ব্যানার, ফেস্টুন এবং প্লাকার্ড। এছাড়া বাস, ছোট পিকআপ, মোটরসাইকেল করে সমাবেশস্থলে আসছেন নেতাকর্মীরা। অনেককে পায়ে হেটেও জনসভায় যোগ দিতে দেখা যাচ্ছে। জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এবারের ৭ মার্চ উপলক্ষে আয়োজিত জনসভাকে ব্যাপক গুরুত্ব দিচ্ছে আওয়ামী লীগ।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয় ছিনিয়ে আনতে হবে :সেতুমন্ত্রী
মৌলবাদী শক্তিকে পরাজিত করে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয় ছিনিয়ে আনতে হবে বলে মনে করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এজন্য আমাদের শপথ নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি। বুধবার ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় সূচনা বক্তব্যে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। এ সময় তিনি আরও বলেন, যারা ৭ মার্চ পালন করে না তারা স্বাধীনতা বিশ্বাস করে না। জনসভা পরিচালনা করেছেন দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড হাছান মাহমুদ ও উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম। দুপুর আড়াইটায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, গীতা, বাইবেল ও ত্রিপেটক পাঠের মাধ্যমে জনসভা শুরু হয়। এর আগে জনসভা মঞ্চে সকাল থেকেই বঙ্গবন্ধুর ভাষণ, দেশাত্ববোধক গান বাজানো হয়। জনসভা শুরুর আগে দলের সাংসদ মমতাজ গান পরিবেশন করেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন। আগামী ৮ থেকে ১২ মার্চ রাষ্ট্রপতি ভারত সফর করবেন। আর ১১ থেকে ১৪ মার্চ সিঙ্গাপুর সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী।বুধবার এ বিষয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী এ তথ্য জানান। পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ইন্টারন্যাশনাল সোলার অ্যালায়েন্সে যোগ দিতে দিল্লি যাবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। এ অনুষ্ঠানে ২৩টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান এবং সরকার প্রধানরা অংশ নেবেন। এছাড়া রাষ্ট্রপতি ভারতের আসাম ও মেঘালয় রাজ্যে মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে তার স্মৃতিবিজরিত বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করবেন। এ এইচ মাহমুদ আলী আরও জানান, সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লি শিয়েন লুং এর আমন্ত্রণে আগামী ১১ থেকে ১৪ মার্চ সিঙ্গাপুর সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সফরে ছয়টি চুক্তি এবং সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সম্ভাবনা আছে। সফরের সময় আসিয়ানের বর্তমান চেয়ারম্যান সিঙ্গাপুরের কাছে রোহিঙ্গা ইস্যুতে সমর্থন চাইবেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী সিঙ্গাপুরের নির্বাচিত প্রথম মহিলা মুসলিম রাষ্ট্রপতি হালিমা ইয়াকুব এর সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
আজ বুধবার ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের দিন । এ উপলক্ষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন তাঁর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সকাল ৭টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান তিনি। পুস্পস্তবক অর্পণ শেষে জাতির জনকের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সেখানে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন তিনি। প্রথমে প্রধানমন্ত্রী ও পরে আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে দলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলে যাওয়ার পরে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ, মহিলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, যুব মহিলা লীগ, ছাত্রলীগসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্টকে রাষ্ট্রপতির লাল গালিচা সংবর্ধনা
ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট ত্রান দাই কুয়াং আজ তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকায় পৌঁছলে তাঁকে লালগালিচা সংবর্ধনা দেয়া হয়। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের আমন্ত্রণে অর্থনীতি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কৃষি, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের লক্ষ্যে ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশে সফরে এসেছেন। ভিয়েতনামের নেতা এবং তাঁর পত্নী নগুয়েন থাই হিয়েন হযরত শাহজালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছলে ২১ বার তোপধ্বনির মধ্যদিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, তাঁর পত্নী রাশিদা খানম ও কয়েকজন সিনিয়র মন্ত্রী তাদের স্বাগত জানান। তাদের বহনকারী এয়ার ক্রাফটটি বিকেল ৩ট ৫২ মিনিটে বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ভিয়েতনাম এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ এয়ার ক্রাফট থেকে প্রেসিডেন্ট কুয়াং, তার পত্নী ও সফরসঙ্গীরা নেমে আসার পর দুই শিশু তাদেরকে ফুলের শুভেচ্ছা জানায়। ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানানোর সময় অর্থমন্ত্রী আবুল মান আবদুল মুহিত, শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, পররাষ্ট্র মন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী ও আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক রাষ্ট্রপতি হামিদের সঙ্গে ছিলেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, কূটনীতিক মিশনের প্রধানগণ, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), পররাষ্ট্র সচিব, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সচিবগণ এবং উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্টকে একটি অস্থায়ীভাবে নির্মিত ডায়াসের দিকে নিয়ে যান। এ সময় সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর একটি যৌথ কন্টিনজেন্ট তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে দু’দেশের জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয়। কর্মকর্তারা জানান, অভ্যর্থনা অনুষ্ঠান শেষে ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ের উদ্দেশে বিমানবন্দর ত্যাগ করেন। সফরকালে কুয়াং এ হোটেলেই থাকবেন। ২০০৪ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ত্রাণ দাক লুয়ংয়ের সফরের পর এটি গত ১৪ বছরে কোনো উচ্চপদস্থ ভিয়েতনামী প্রেসিডেন্টের এটাই প্রথম বাংলাদেশ সফর। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশকে প্রথম দিকে স্বীকৃতি দানকারী দেশগুলোর মধ্যে ভিয়েতনাম অন্যতম। সন্ধ্যায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের থেকে ভিয়েতনামী প্রেসিডেন্টের সফরের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে। সোমবার সকাল ৮টার দিকে ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। সেখানে তিনি একটি গাছের চারা রোপণ করবেন এবং দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করবেন। সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে তিনি সাড়ে নয়টায় ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করবেন। একইদিন সকাল ১০টায় তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন বিষয়ে বৈঠক করবেন। বৈঠকে কয়েকটি সমঝোতা স্মারক বা চুক্তি স্বাক্ষর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কার্যসূচি অনুযায়ী, কুয়াংয়ের বেলা ৩টা ৪০ মিনিটে জাতীয় সংসদ কমপ্লেক্স পরিদর্শন করবেন। সেখানে স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী তাঁর সঙ্গে একটি বৈঠক করবেন। এর আগে বেলা আড়াইটায় হোটের সোনারগাঁওয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। বাংলাদেশ চেম্বারস অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (এফবিসিসিআই) সভাপতি মো. শফিউল ইসলাম বিকেল তিটায় ভিয়েতনামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। সেখানে তাঁর সম্মানে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। ৬ মার্চ ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট সকাল সাড়ে নয়টায় বাংলাদেশ-ভিয়েতনাম চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ প্রধানের সঙ্গে একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। তিনি ভিয়েতনাম-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের একটি একটি বৈঠকে যোগ দেবেন এবং পরে তিনি ‘ভিয়েতনাম কালচারাল ডেজ ইন বাংলাদেশ’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট মঙ্গলবার ঢাকা ছেড়ে যাবেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদ আলী বিমানবন্দরে তাঁকে বিদায় জানাবেন।
আজ ঢাকায় আসছেন ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট
ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট ত্রান দাই কুয়াং আজ রোববার তিনদিনের সফরে বাংলাদেশে আসছেন। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের আমন্ত্রণে অর্থনীতি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কৃষি, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের লক্ষ্যে তিনি বাংলাদেশ সফরে আসছেন। গত ১৪ বছরে এটি হবে ভিয়েতনামের কোনো প্রেসিডেন্টর প্রথম বাংলাদেশ সফর। ২০০৪ সালে দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ত্রান দাক লুয়ং সর্বশেষ বাংলাদেশ সফর করেন। ভিয়েতনাম ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশকে প্রথমদিকে স্বীকৃতিদানকারী দেশগুলোর অন্যতম। তিনি জানান, রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ২০১৫ সালের আগস্টে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর ও জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরি ২০১৭ সালের জুলাইতে ভিয়েতনাম সফর করেন। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বিকেল ৪টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানাবেন। বিমানবন্দর থেকে ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট হোটেল প্যান-প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে আসবেন। সফরসূচি অনুযায়ী বাংলাদেশে অবস্থানকালে তিনি সেখানেই থাকবেন। একই দিন বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলীর সঙ্গে সাক্ষাতের মধ্যদিয়ে ভিয়েতনামী প্রেসিডেন্ট কুয়াংয়ের বাংলাদেশ সফরের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে। সোমবার সকাল ৮টার দিকে ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। সেখানে তিনি একটি গাছের চারা রোপণ করবেন এবং দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করবেন। সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে তিনি সাড়ে নয়টায় ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করবেন। একইদিন সকাল ১০টায় তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন বিষয়ে বৈঠক করবেন। বৈঠকে কয়েকটি সমঝোতা স্মারক বা চুক্তি স্বাক্ষর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। একটি যৌথ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বৈঠকের ফলাফল জানানো হতে পারে। কার্যসূচি অনুযায়ী কুয়াংয়ের বেলা ৩টা ৪০ মিনিটে জাতীয় সংসদ কমপ্লেক্স পরিদর্শন করবেন। সেখানে স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী তাঁর সঙ্গে একটি বৈঠক করবেন। এর আগে বেলা আড়াইটায় হোটের সোনারগাঁওয়ে সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। বাংলাদেশ চেম্বারস অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (এফবিসিসিআই) সভাপতি মো. শফিউল ইসলাম বিকেল তিটায় ভিয়েতনামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। সেখানে তাঁর সম্মানে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। ৬ মার্চ ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট সকাল সাড়ে নয়টায় বাংলাদেশ-ভিয়েতনাম চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ প্রধানের সঙ্গে একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। তিনি ভিয়েতনাম-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের একটি একটি বৈঠকে যোগ দেবেন এবং পরে তিনি ভিয়েতনাম কালচারাল ডেজ ইন বাংলাদেশ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট মঙ্গলবার ঢাকা ছেড়ে যাবেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদ আলী বিমানবন্দরে তাঁকে বিদায় জানাবেন।
জাফর ইকবালের ওপর হামলায় প্রধানমন্ত্রীর নিন্দা
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে প্রকৃত দোষীদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। চিকিৎসাধীন মুহম্মদ জাফর ইকবালের তিনি নিয়মিত খোঁজখবর রাখছেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এদিকে আওয়ামী লীগের দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জাফর ইকবালের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, জাফর ইকবালের মতো সবার শ্রদ্ধাভাজন দেশবরেণ্য শিক্ষকের ওপর এই ধরনের হামলা দেশে অশুভ শক্তির অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির ইঙ্গিত বহন করে।
আহত ড. জাফর ইকবালকে (সিএমএইচ) নেয়া হয়েছে
ছুরিকাঘাতে আহত ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টার করে ঢাকা নিয়ে আসা হয়েছে। রোববার রাত ১২টার দিকে তিনি ঢাকায় পৌঁছেন। পরে ঢাকা সেনানিবাসস্থ সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেয়া হয়েছে। এর আগে শনিবার বিকেলে ৫টার দিকে সিলেটে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের ওপর হামলা করেন এক যুবক। ধারালো অস্ত্র দিয়ে পেছন দিক থেকে তার মাথায় আঘাত করেন। এতে অধ্যাপক জাফর ইকবালের প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। ঘটনার পর হামলাকারীকে আটক করেছে পুলিশ। তার নাম ফজলুল রহমান। বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে কুমারগাঁওয়ের বাসিন্দা, সে মাদ্রাসার ছাত্র। সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া বিভাগ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। হামলার পর জাফর ইকবালকে আহত অবস্থায় সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নেয়া হয়। সেখানে তাকে এক্সে ও সিটি স্ক্যান করা হয়। এরপরেই ড.জাফর ইকবালকে উন্নত চিকিৎসা দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় আনার সিদ্ধান্ত হয়। ড. জাফর ইকবালের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে প্রকৃত দোষীদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়া, আওয়ামী লীগ ও বিএনপির পক্ষ থেকেও নিন্দা জানানো হয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-এ- সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ-মিছিল করেছেন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা। সন্ধ্যায় রাজধানীর শাহবাগেও বিক্ষোভ সমাবেশ ও মশাল মিছিল করেন গণজাগরণ মঞ্চ। দেশের জনপ্রিয় শিশুসাহিত্যিক এবং কলাম-লেখক জাফর ইকবাল বর্তমানে শাবিপ্রবি’র কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক এবং তড়িৎ কৌশল বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
আগামী নির্বাচনে ইনশাল্লাহ আওয়ামী লীগ বিজয়ী হবে : প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে হলে আগামী নির্বাচনে নৌকায় ভোট দিতে হবে। বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতাসীন হলে দুর্নীতি, জঙ্গি ও সন্ত্রাসী তৈরি, পুড়িয়ে মানুষ হত্যা ছাড়া আর কিছু করতে পারে না। আওয়ামী লীগই দেশের উন্নয়ন করতে পারে। শনিবার খুলনা সার্কিট হাউজ ময়দানে খুলনা জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। তিনি বলেন, আমি আজ এখানে ৪৮টি প্রকল্প উদ্বোধন এবং ৫২টির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে দিয়েছি। এর ফলে এই অঞ্চলের সার্বিক উন্নতি হবে। আমরা বন্ধ কলকারখানা খুলে দিয়েছি। আমি ’৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে রূপসা ব্রিজ করে দিয়েছিলাম। এবার যশোর থেকে বাগেরহাট হয়ে মংলা পর্যন্ত রেললাইন যাবে। এর নির্মাণ শুরু করে দিয়েছি। তিনি বলেন, আমরা জনগণের কল্যাণের জন্য যা যা ওয়াদা করেছিলাম তা করেছি। আমরা বয়স্ক, বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্তাদের ভাতার ব্যবস্থা করেছি। ৬৮ লাখ মা-বোন ভাতা পাচ্ছেন। তিনি বলেন, আপনাদের ছেলেমেয়েরা পড়াশোনা করে। তাদের বই আপনাদের কিনতে হয় না। বইর দায়িত্ব আমি নিয়েছি। জানুয়ারি মাসের ১ তারিখে আমি প্রায় ৩৬ কোটি বই ছেলেমেয়ের হাতে তুলে দিয়েছি। প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত দুই কোটি তিন লাখ ছাত্রছাত্রীকে বৃত্তি দিচ্ছি। তিনি মানুষ যাতে বিনা খরচে স্বাস্থ্যসেবা পেতে পারে সেজন্য কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন, খুলনায় বিশেষায়িত হাসপাতাল স্থাপনসহ অন্যান্য পদক্ষেপ গ্রহণের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, দেশের একজন মানুষও যাতে গৃহহীন না থাকে সেজন্য ঘরবাড়ির ব্যবস্থা করে দিয়েছি। বাংলাদেশের মানুষ কেউ কুঁড়েঘরে বাস করবে না। প্রতিটি পরিবার পিছু একটি করে টিনের ঘর আমরা করে দেবো। তিনি কৃষকদের উন্নতির জন্য গৃহীত পদক্ষেপের বর্ণনা দিতে গিয়ে তার গৃহীত একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের কথা বলেন। সেই সাথে কৃষক তাদের উৎপাদিত কৃষি পণ্যের ন্যায্যমূল্য যাতে পায় তার ব্যবস্থা করেছি বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, আমরা সারের মূল্য বারবার কমিয়ে দেয়া, দুই কোটি কৃষককে কৃষি উপকরণ প্রদান করা এবং এক কোটি কৃষকের ব্যাংকে ১০ টাকায় অ্যাকাউন্ট খোলার ব্যবস্থা করে দিয়েছি। তিনি যুবকদের বিদেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে জানিয়ে বলেন, এখন আর বিদেশ যেতে জমি জায়গা বিক্রি করতে হবে না। কর্মসংস্থান ব্যাংক থেকে দুই লাখ যুবকের বিনা জামানতে ঋণ পাওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছি। তিনি বলেন, বাচ্চা স্কুলে পাঠালে এক লাখ ৩০ হাজার মা বোনকে টাকা দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাদের মোবাইলে টাকা চলে যাবে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার আগে মা-বোনেদের হাতে মোবাইল ফোন ছিল না। এখন সবার হাতে মোবাইল আছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। বিএনপির কাজ ছিল জঙ্গি, সন্ত্রাসী তৈরি আর আগুনে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করা। ২০০১ সালে তারা ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় খুলনায় হত্যাকাণ্ড শুরু করে। তারা সাংবাদিক মানিক সাহা, হুমায়ুন কবীর বালু ও হারুন, আওয়ামী লীগ নেতা মঞ্জুরুল ইমামসহ অনেক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে হত্যা করে। তিনি বলেন, এ সময় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ছিল সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য। আমরা ক্ষমতায় আসার পর এ অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠা করেছি। শিক্ষক-অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ছাত্ররা স্কুল-কলেজে যাচ্ছে কিনা, মাদকাসক্ত হচ্ছে কিনা সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। আপনারা সন্তানদের খোঁজখবর নিন যাতে তার জঙ্গিবাদের সাথে জড়িয়ে না পড়ে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা দেশের শান্তি, উন্নতি ও কল্যাণ চাই। আমরা দশ লাখ লোকের বিদেশে এবং দেশে দেড় কোটি লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছি। আমরা চার লাখ কোটি টাকার বাজেট দিয়েছি। আমরা যখন ক্ষমতায় এসেছিলাম তখন ১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হতো। এখন ১৬ হাজার মেগাওয়াট আমরা উৎপাদন করেছি। ২০০১ সালে আমরা ঘরে ঘরে আলো জ্বালব। তিনি বলেন, আমরা উন্নয়ন করতে চাই। বিএনপি-জামায়াত মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করে। খালেদা জিয়া অফিসে বসে বিরানী খান আর মানুষ পুড়িয়ে হত্যার হুকুম দেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনের সময় তারা গ্রামে বিদ্যুৎকেন্দ্র পুড়িয়ে প্রকৌশলীকে হত্যা করে। সে সময় খালেদা জিয়া পাঁচ শ মানুষকে হত্যা এবং সাড়ে তিন হাজার মানুষকে আহত করে। এখন খালেদা জিয়ার দুর্নীতি করে জেলে গেছে। এখানে আমাদের কিছু করার নেই। জনসভায় সভাপতিত্ব করেন খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হারুনুর রশিদ। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন দলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ, অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, ডা: দীপু মনি ও আবদুর রহমান এমপি, প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, আবু সাঈদ আল মামুন, সাবেক প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান, বিজিএমইএর সভাপতি সালাম মুর্শিদী, শেখ হেলালউদ্দিন এমপি, এস এম কামাল হোসেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি তালুকদার আবদুল খালেক, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান পপলু ও কামরুজ্জামান জামাল।

জাতীয় পাতার আরো খবর