এবার যাচাই করেই ভোট দেবে কোটা আন্দোলনকারীরা
অনলাইন ডেস্ক: আওয়ামী লীগ, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপিকে ৬ দফা ইশতেহার দিয়েছে কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতারা। তারা বেকারত্ব নিরসনে কর্মসংস্থান, চাকরির নিয়োগ ব্যবস্থা, শিক্ষা ও গবেষণা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান-শিক্ষক ও যুব অ্যাসেম্বলির আলোকে তারুণ্যের ইশতেহার ভাবনা শীর্ষক একটি প্রস্তাবনা তুলে ধরেছে। যা পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কাছে তুলে ধরবে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের প্ল্যাটফর্ম সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। কোটা আন্দোলনে আলোচনায় আসা এই সংগঠনটির নেতারা বলেছেন, এবার যাচাই করেই ভোট দেবে আন্দোলনকারীরা। সোমবার দুপুরে প্রথমে নিজেদের ইশতেহার ভাবনা নিয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় নয়াপল্টনে যান কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতারা। সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক ফারুক হাসানের নেতৃত্বে ১৮সদস্যদের প্রতিনিধি দল সেখানে যান। প্রস্তাবনাটি গ্রহণ করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। এছাড়াও ঐক্যফ্রন্ট নেতা মাহমুদুর রহমান মান্নার সাথেও দেখা করেন কোটা আন্দোলনের নেতারা। সেখান থেকে প্রতিনিধি দলটি ড. কামাল হোসেনের চেম্বার মতিঝিলে যান। পরে সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহব্বায়ক নুরুল হক নুরুর নেতৃত্বে ২৩ সদস্যের প্রতিনিধি দল আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে যান। সেখানে সরকারি দলের সাধারণ সম্পাদকের কাছে ইশতেহার ভাবনা প্রস্তাবনাটি তুলে ধরেন কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতারা। সাধারণ ছাত্র পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক নুরু সাধারণ ছাত্র পরিষদের নেতাদের নামে যেসব হয়রানি ও মিথ্যা মামলা আছে-সেগুলো প্রত্যাহারের অনুরোধ করেন। জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, দাবির বিষয়গুলো আমরা ভেবে চিন্তে দেখব। মিথ্যা মামলা থাকলে আমি সেটা দেখব। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলবো হয়রানি ও মিথ্যা মামলা থাকলে প্রত্যাহারের জন্য। তবে ভিসির বাড়ি ভাঙচুরে উপযুক্ত বিচার হবে। নুরু বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় আমাদের নামে যে মিথ্যা হয়রানিমূলক মামলা দিয়েছে, তার জন্য এখনো আমাদের অনেক বেগ পেতে হয়। এর আগে ফারুক হাসান বলেন, বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। আমরা চাই তারুণ্যের অধিকার প্রতিষ্ঠা হোক। সাংগঠনিকভাবে আমরা কোন রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করবো না। তবে সকলের ভোটের অধিকার যেহেতু রয়েছে, তাই আমরা যাচাই-বাছাই করেই ভোটাধিকার প্রয়োগ করবো। কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্য নেতারা বলেন, সত্যিকার অর্থে এ দেশের তরুণ, বিশেষ করে লাখ-লাখ শিক্ষিত বেকার কি চায়-আমাদের ইশতেহারে সেটিই উল্লেখ করা হয়েছে। আমরা চাই, সব রাজনৈতিক দল তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে তারুণ্যের জন্য আলাদা প্রতিশ্রতি দিক। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে তারুণ্যের ইশতেহার গ্রহণ করে আ ও ম শফিউল্লাহ বলেন, আমাদের যে ইশতেহার তৈরি হয়েছে, তাতে তরুণদের প্রায় সব ভাবনাই রয়েছে। শীর্ষ নিউজ
ইপিজেড শ্রমিকরা পাচ্ছেন ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার
অনলাইন ডেস্ক: ইপিজেড শ্রমিকদের ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার দিয়ে সরকার বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন নামে একটি নতুন আইন করতে যাচ্ছে। আজ সোমবার মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে আইনের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এটিই ছিলো বর্তমান সরকারের শেষ মন্ত্রিসভার বৈঠক। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, আজকের বৈঠকই ছিলো এ সরকারের শেষ মন্ত্রিসভার বৈঠক। ইপিজেড শ্রম আইনের খসড়ার বিষয়ে সচিব বলেন, বিদ্যমান শ্রম আইনের সঙ্গে সংগতি রেখেই এ আইনের খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। আইনটি শিগগিরই রাষ্ট্রপতির আদেশের মাধ্যমে প্রজ্ঞাপন আকারে জারি হবে। প্রস্তাবিত এ আইনে একজন শ্রমিক ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত কাজ করতে পারবেন। চাকরির বয়স ২৫ হলে তিনি পেনশন সুবিধা পাবেন। এই আইনে শ্রমিকদের শ্রমিক কল্যাণ সমিতি গঠন করে নিজেদের কল্যাণে কাজ করতে পারবেন। এটি ট্রেড ইউনিয়নের মতোই। তবে ইপিজেড শ্রমিকদের জন্য এ নামটি দেওয়া হয়েছে। এতে মালিক ও শ্রমিক উভয়পক্ষের সম্মতি রয়েছে বলেও জানান তিনি। মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, এ ছাড়াও আজকের মন্ত্রিসভার বৈঠকে বীমা করপোরেশন আইন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয় আইন এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট (সংশোধন) আইনের খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়। এছাড়াও আজকের মন্ত্রিসভার বৈঠকে নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড, ২০১৮ এর সুপারিশ পেশ করে তথ্য মন্ত্রণালয়। আলোচনা শেষে মজুরি বোর্ডের বিষয়ে চূড়ান্ত সুপারিশ করতে পাঁচ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়। এ কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী মজুরি বোর্ড গঠিত হবে বলে জানান সচিব।
তারুণ্যের ইশতেহার ভাবনা ২০১৮ নামে একটি প্রস্তাবনা হস্তান্তর আ.লীগ, বিএনপিসহ ৭ দলের কাছে
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তারুণ্যের ইশতেহার ভাবনা ২০১৮ নামে একটি প্রস্তাবনা আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ সাত দলের কাছে জমা দিয়েছে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা। আন্দোলনকারীদের সংগঠন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের কয়েকটি প্রতিনিধিদল আজ সোমবার বিকেল থেকে এই ইশতেহার হস্তান্তর করেন। প্রথমে বিকেল ৩টার পরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যায় বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হাসানের নেতৃত্বে ১৮ সদস্যের প্রতিনিধি দল। এ সময় বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর হাতে তাদের প্রত্যাশিত তারুণ্যের ইশতেহার ভাবনা ২০১৮ তুলে দেন। বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হাসান বলেন,তারুণ্যের ইশতেহার আমরা সব রাজনৈতিক দলের কাছে হস্তান্তর করব। বিএনপির কার্যালয়ে তারুণ্যের ইশতেহার দেওয়ার পর সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতাকর্মীরা পুরানা পল্টনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কার্যালয়ে গিয়ে তাদের ইশতেহার দেন। এদিকে সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খান ও নূরুল হক নূরের নেতৃত্বে ২৩ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল সন্ধ্যা ৬টার দিকে ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে যায়। তারা দলের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের হাতে তারুণ্যের ইশতেহার তুলে দেন। বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন বলেন, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ছাড়াও আমরা আজ জাতীয় পার্টি, গণফোরাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও নাগরিক ঐক্যের কাছে আমাদের ইশতেহার ভাবনা হস্তান্তর করেছি। অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর কাছেও আমাদের দাবি তুলে ধরব। ফারুক হাসান বলেন, বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক দলগুলো তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে না। আশা করি এবার তরুণদের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে। তারুণ্যের ইশতেহারে থাকা উল্লেখযোগ্য দাবিগুলো হলো : ১। তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির চাকরিতে কোটার যৌক্তিক সংস্কার আনতে হবে। ২। চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩৫ করতে হবে। সবার জন্য অভিন্ন বয়সসীমা করতে হবে। ৩। চাকরির আবেদনের ফি সম্পূর্ণ ফ্রি করতে হবে। ৪। শিক্ষায় জিডিপির ৫ ভাগ বা জাতীয় বার্ষিক বাজেটের ২০ ভাগ বরাদ্দ দিতে হিবে। ৫। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা নিতে হবে। ৬। প্রশ্ন ফাঁসবিরোধী সেল গঠন করতে হবে। ৭। বিশ্ববিদ্যালয়ে সান্ধ্যকালীন কোর্স বন্ধ করতে হবে। ৮। প্রতিবছর ছাত্র সংসদ নির্বাচন দিতে হবে। ৯। বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট বাজেটের ১০ ভাগ গবেষণায় দিতে হবে। যার ৬ ভাগ শিক্ষকদের জন্য এবং ৪ ভাগ হবে ছাত্রদের জন্য। ১০। শিক্ষক নিয়োগে ৮০ ভাগ নম্বর লিখিত পরীক্ষায় এবং ২০ ভাগ নম্বর মৌখিক পরীক্ষায় রাখতে হবে।
হাওলাদারের বিরুদ্ধে ওটা মনোনয়ন বাণিজ্যের অভিযোগ তদন্ত করা হবে: রাঙ্গা
অনলাইন ডেস্ক: জাতীয় পার্টির নবনিযুক্ত মহাসচিব প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেছেন, সদ্য সাবেক হওয় মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদারের বিরুদ্ধে ওটা মনোনয়ন বাণিজ্যের অভিযোগ তদন্ত করা হবে। রাঙ্গা বলেন, শুধু সাবেক মহাসচিবই নয়, মনোনয়ন বাণিজ্যের সঙ্গে অন্য কারও জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে পার্টির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। সোমবার (৩ ডিসম্বর) বিকেলে রাজধানীর বনানীতে দলের চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন মসিউর রহমান রাঙ্গা। জাপা মহাসচিব বলেন, দলের মনোনয়ন কেনার জন্য টাকা দিয়েছেন এমন ভুক্তভোগী পাওয়া গেলে, কিংবা এ ধরনের কারও অভিযোগ থাকলে জাতীয় পার্টির কাছে জানান। মনোনয়ন বাণিজ্যের ঘটনা তদন্তে প্রেসিডিয়াম সদস্যদের নিয়ে একটি কমিটি তৈরি করা হবে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এর আগে সোমবার সকালে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদারকে সরিয়ে মসিউর রহমান রাঙ্গাকে মহাসচিবের দায়িত্ব দেয়া হয়।
পরিবারের সবাইকে হারিয়ে দেশকে জেতানোর লড়াইয়ে আছেন প্রধানমন্ত্রী: সাকিব
অনলাইন ডেস্ক: পরিবারের সবাইকে হারিয়ে দেশকে জেতানোর লড়াইয়ে আছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তায় এমন কথা বলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের টেস্ট ও টি-২০ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশে থাকার জন্য তরুণদের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। ২ মিনিট ৪ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে সাকিব বলেন, ১৯৯৯ থেকে ২০০৪ সাল, আমরা ৭২টি ম্যাচের বেশির ভাগ ম্যাচই হেরেছিলাম। কিন্তু আমরা জিততে চেয়েছিলাম। কারণ এটা আমাদের কাছে কেবল খেলা নয়, কারণ এটা আমাদের দেশ। তাই আমরা ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছিলাম। আমি এখনও যখন ক্রিজে গিয়ে দাঁড়াই, আমার সঙ্গে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। আমি যখন শুরু করেছিলাম, আমার বয়স ছিল ১৯। আর আজ তোমরা যারা তরুণ, আমি নিশ্চিত জানি তাদের প্রত্যেকেরই নিজের মতো করে স্বপ্ন আছে। কিন্তু স্বপ্ন থাকলেই তো হয় না। ব্যক্তির স্বপ্নকে দেশের স্বপ্ন করতে হয়। এগিয়ে আসতে হয়, তৈরি করতে হয় নিজেকে। চিনে নিতে হয় সঠিক পথ। আমি কোনো সুপারম্যান নই। এ দেশেরই একজন সাধারণ সন্তান। তোমরা যারা এখানে আছো, আমি জানি সবাই যার যার মতো আলাদা। কিন্তু একটা বিষয় আমরা সবাই এক। সেটা হলো, আমাদের প্রাণের বাংলাদেশ। এ দেশকে আমরা মা বলি। কিন্তু নিজের মাকে নিয়ে যেভাবে ভাবি, এ দেশকে নিয়ে কি আমরা সেভাবে ভাবি? অথচ, দেশ আমাদের নিয়ে ভাবছে। নজর রাখছে ভালো-মন্দের। তার ভালো থাকায় আমাদেরও ভালো থাকা। আর সবার ভালো থাকা মানে দেশের ভালো থাকা। তাকে নিয়ে এবার ভাবার সময় এসেছে আমাদের। কারণ দেশ মানে আর কিছু নয়, তুমি-আমি-আমরা। এই আমরাই দেশ। সবাইকে ভালো রাখার এগিয়ে যাওয়ার এক দুর্বার যাত্রায় এখন আমরা আছি। বিদ্যুৎ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খাদ্য, নারীর ক্ষমতায়ন, সামাজিক ও মানব উন্নয়নে তো বটেই, অবকাঠামো, যোগাযোগ ও ডিজিটাল উন্নয়নে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের উদাহরণ হতে চলেছে। বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, পরিবারের সবাইকে হারিয়ে দেশকে জেতানোর লড়াইয়ে আছেন। বাংলাদেশ এখন তার পরিবার। সবাইকে নিয়ে সবার ভালো থাকার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে তরুণদের নিয়ে। সবক্ষেত্রে সমৃদ্ধ আগামী বাংলাদেশ গড়ার নীতি গ্রহণ করেছেন তিনি। সেখানে চাই তোমার সক্রিয় সমর্থন। এ অগ্রযাত্রা আরও এগিয়ে নিতে প্রয়োজন তোমাকে। আমার বিশ্বাস আমরা দাঁড়ালে হারবে না বাংলাদেশ। কারণ তরুণরাই আগামীর বাংলাদেশ। এবার তোমার পালা।
বাংলাদেশের মানুষ রাজাকারমুক্ত একটি সংসদ চায়: নৌমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: নৌপরিবাহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ রাজাকারমুক্ত একটি সংসদ চায়। কিন্তু বিএনপির ২৫ জনের মতো প্রার্থী করেছে যারা চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের সন্তান ও জামায়াত ইসলামীর সদস্য। এতেই প্রমাণিত হয়, বিএনপি জঙ্গি-সন্ত্রাসদের দ্বারা আবারো পাকিস্তানি ভাবনায় একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র বানাতে ষড়যন্ত্র করছে। সোমবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নৌমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বিএনপির নেতা নজরুল ইসলাম খানের বলা এক প্রশ্নের জবাবে শাজাহান খান আরো বলেন, নজরুল ইসলাম খান বলেছিলেন, তারা কোন যুদ্ধাপরাধী পরিবারের সদস্যকে ধানের শীষে প্রার্থী করবন না। কিন্তু মওলানা সাইদীর ছেলে সামীম সাইদী, জয়পুরহাটের আলীম সাহেবের ছেলে, চট্টগ্রামে সাকা চৌধুরীর ভাইসহ অনেকেই আছে যারা যুদ্ধাপরাধী পরিবারের সদস্য। সুতরাং বিএনপি সব সময় মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য মিথ্যে কথা বলে যায়। আসন্ন সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু হবে বলে উল্লেখ করে নৌমন্ত্রী বলেন, বিরোধী দল সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে নানা ধরনের অভিযোগ দিয়ে থাকে। তারা বলেছে, নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। কিন্তু তাদের এসব অভিযোগ সবটা সত্য নয়। যেটুকু সত্য হবে সেটুকু আইন অনুযায়ী রিটার্নিং অফিসার ব্যবস্থা নিবে। শাজাহান খান বলেন, বিএনপির রাজনীতি জন্ডিসের রাজনীতি। তারা যা দেখে সবই হলো খারাপ। সবই তারা হলুদ দেখে। নিরপেক্ষ নির্বাচন হয় বলেই সিলেট, কুমিল্লায় সিটি নির্বাচনসহ কয়েকটি নির্বাচনেই বিএনপি বিজয়ী জয়। তাহলে সেটা কি? নির্বাচনী আচারণবিধি নিয়ে নৌমন্ত্রী বলেন,প্রথমত আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে নির্বাচনী আচারণবিধি ভঙ্গ করার কোন সুযোগ নেই। আমার বিধি মেনেই প্রচারণা চালাব। দ্বিতীয়ত, কারো প্রতি জোর করে আমরা নির্বাচনের বিজয় ছিনিয়ে আনব না। শেখ হাসিনার উন্নয়ন দেখে বাংলাদেশের জনগণ যদি আওয়ামী লীগকে ভোট দেয় তবে আমরা আবার ক্ষমতায় আসব। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান মো. খলিলুর রহমান খান, সহকারী পুলিশ সুপার (অপারেশন) আনোয়ার হোসেন ভূইয়া, জজ কোর্টের পিপি এমরান লতিফ প্রমুখ।
দল ও জোটের চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম জানাতে হবে ৯ ডিসেম্বরের মধ্যে
অনলাইন ডেস্ক: দল ও জোটের একাধিক প্রার্থীর ক্ষেত্রে একজনকে চূড়ান্ত মনোনয়নের তথ্য ৯ ডিসেম্বরের মধ্যে জানাতে বলেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন কমিশন (ইসি) ৩৯টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলকে এ সংক্রান্ত চিঠি দিয়ে দল ও জোটের একাধিক প্রার্থীর ক্ষেত্রে একজনকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দিতে বলেছে। অন্যথায় কোনো এক দল অন্য দলের প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে পারবে না। ইসি সচিবালয়ের উপ-সচিব আব্দুল হালিম খান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদ ও ধারা অনুযায়ী, জোটের প্রার্থী বা দলের একাধিক প্রার্থী হলে তা একক করে ৯ ডিসেম্বর রিটার্নিং কর্মকর্তাকে চিঠি দিয়ে জানাতে হবে। নির্বাচন পরিচালনা শাখার যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান বলেন, যাদের দল ইসিতে নিবন্ধিত নয়, কিন্তু অন্য দলের প্রতীকে নির্বাচন করতে চান, তাদের সংশ্লিষ্ট নিবন্ধিত দলের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করতে হবে। ইতোমধ্যে ৩৯টি দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলে তিন হাজার ৬৫ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। রোববার বাছাই করে ৭৮৬টি মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছে রিটার্নিং কর্মকর্তা। তিনি বলেন, ৯ ডিসেম্বর প্রত্যাহারের শেষ সময় রয়েছে। ওইদিন যেসব দল বা জোট একাধিক প্রার্থী দিয়েছে, তাদের একজন প্রার্থীর নাম জানাতে হবে। অন্যগুলো বাতিল হয়ে যাবে। আর কোন প্রার্থীর নাম না জানালে জোটের বৈধ প্রার্থীরা সকলেই যার যার প্রতীকে ভোট করবেন। এক্ষেত্রে কোন দলের একাধিক প্রার্থী থেকে গেলে সংশ্লিষ্ট আসনে ওই দলে সবার মনোনয়নপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।
৯ ডিসেম্বরের মধ্যে জোটের চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম জানাতে হবে
অনলাইন ডেস্ক :দল ও জোটের একাধিক প্রার্থীর ক্ষেত্রে একজনকে চূড়ান্ত মনোনয়নের তথ্য ৯ ডিসেম্বরের মধ্যে জানাতে বলেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন কমিশন (ইসি) ৩৯টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলকে এ সংক্রান্ত চিঠি দিয়ে দল ও জোটের একাধিক প্রার্থীর ক্ষেত্রে একজনকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দিতে বলেছে। অন্যথায় কোনো এক দল অন্য দলের প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে পারবে না।ইসি সচিবালয়ের উপ-সচিব আব্দুল হালিম খান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদ ও ধারা অনুযায়ী, জোটের প্রার্থী বা দলের একাধিক প্রার্থী হলে তা একক করে ৯ ডিসেম্বর রিটার্নিং কর্মকর্তাকে চিঠি দিয়ে জানাতে হবে।নির্বাচন পরিচালনা শাখার যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান বাসসকে বলেন, যাদের দল ইসিতে নিবন্ধিত নয়, কিন্তু অন্য দলের প্রতীকে নির্বাচন করতে চান, তাদের সংশ্লিষ্ট নিবন্ধিত দলের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করতে হবে। ইতোমধ্যে ৩৯টি দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলে তিন হাজার ৬৫ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। রোববার বাছাই করে ৭৮৬টি মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছে রিটার্নিং কর্মকর্তা।তিনি বলেন, ৯ ডিসেম্বর প্রত্যাহারের শেষ সময় রয়েছে। ওইদিন যেসব দল বা জোট একাধিক প্রার্থী দিয়েছে, তাদের একজন প্রার্থীর নাম জানাতে হবে। অন্যগুলো বাতিল হয়ে যাবে। আর কোন প্রার্থীর নাম না জানালে জোটের বৈধ প্রার্থীরা সকলেই যার যার প্রতীকে ভোট করবেন। এক্ষেত্রে কোনো দলের একাধিক প্রার্থী থেকে গেলে সংশ্লিষ্ট আসনে ওই দলে সবার মনোনয়নপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।
চাকরিতে প্রতিবন্ধীসহ অন্যদের জন্য বিশেষ নীতিমালা
অনলাইন ডেস্ক: চাকরিতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, সংখ্যালঘু নৃগোষ্ঠীসহ অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার নীতিমালা প্রণয়ন করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, কোটার বিরুদ্ধে আন্দোলন হয়েছিল। কিছুদিন পর পরই এই আন্দোলন হয়। সেজন্য আমরা কোটা পদ্ধতি বাতিল করে দিয়েছি এটা ঠিক। তবে, একটা নীতিমালা আমরা তৈরি করছি। খবর বাসসর প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, প্রতিবন্ধী, সংখ্যালঘু নৃগোষ্ঠী বা অনগ্রসর জাতি- তারা যেন যথাযথভাবে চাকুরি পায় এবং চাকরিতে তাদের অধিকার নিশ্চিত হয় নীতিমালায় সেই ব্যবস্থাটা অবশ্যই করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ২৭তম আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস এবং ২০তম জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে একথা বলেন। ১৯৯৬ সালে সরকারে আসার পর থেকেই প্রতিবন্ধীদের অধিকার সুরক্ষায় তাঁর সরকার কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষ হিসেবে তাদের প্রাপ্য অধিকারটা আমরা যেন দিতে পারি এবং তাদের ভেতরে যে শক্তি আছে সেটাকে আমরা যেন কাজে লাগাতে পারি, সেটাই আমাদের লক্ষ্য। তিনি বলেন, প্রতিবন্ধীদের জন্য কল্যাণ ফাউন্ডেশন তৈরি এবং তাদের মধ্যে যারা খেলাধূলায় সম্পৃক্ত তাদেরকে বিশেষ অলিম্পিকে সম্পৃক্ত করাসহ আরো নানা ধরনের সুযোগ আওয়ামী লীগ সরকারই করে দিয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারাই আমাদের জন্য স্বর্ণ জয় করে আনছে, এর মাধ্যমেই বোঝা যায় তাদের সুপ্ত প্রতিভাটা। কাজেই আমাদের দেশের কাজেও তারা লাগতে পারে। সাম্য ও অভিন্ন যাত্রায় প্রতিবন্ধী মানুষের ক্ষমতায়ন শীর্ষক প্রতিপাদ্য দিয়ে সরকারের সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন সভাপতিত্ব করেন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন। সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব জিল্লার রহমান এবং জাতীয় প্রতিবন্ধী ফোরামের সভাপতি সায়েদুল হকও অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। সমাজ কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ এবং সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ডা. মোজাম্মেল হোসেন মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন, ২০১৩ এবং নিউরো ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্ট আইন, ২০১৩ নামে দুটি আইন পাশ করে। ইতোমধ্যে এর বিধিমালাও প্রণয়ন করা হয়েছে। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে আমাদের নির্দেশনা হচ্ছে যত স্থাপনা হবে প্রতিটি জায়গায় প্রতিবন্ধীদের যাতায়াতের এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা যেন থাকে। তিনি বলেন, বিশেষ টয়লেটের ব্যবস্থাসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য সকল স্থানে তাদের জন্য যেন সুযোগ-সুবিধা থাকে সেই নির্দেশনা দেয়া আছে। প্রধানমন্ত্রী এ সময় দুই ঈদ, বাংলা ও ইংরেজি নববর্ষ এবং বড় দিন উপলক্ষে যে শুভেচ্ছা কার্ড পাঠান তা এই প্রতিবন্ধীদের আঁকা ছবি দিয়েই করা হয় বলেও উল্লেখ করেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর