বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০
মানবদেহে যেভাবে কাজ করবে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন
২১,জুলাই,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তৈরি করোনার ভ্যাকসিন নিরাপদ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক। বিশ্বে প্রথম মানবদেহে ভ্যাকসিনের সফল প্রয়োগের পর সোমবার এ ফল প্রকাশ করে অক্সফোর্ড কর্তৃপক্ষ। বলা হয়, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তৈরি করোনার ভ্যাকসিন মানবদেহে পরীক্ষার প্রথম ধাপ সফল হয়েছে। করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এখন পর্যন্ত বিশ্বে কোনও ভ্যাকসিনের চূড়ান্ত পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়নি। অক্সফোর্ডের বিজ্ঞানীদের দাবি, তাদের তৈরি করোনা ভ্যাকসিন নিরাপদ এবং রোগ প্রতিরোধে সহায়ক। ১ হাজার ৭৭ জনের ওপর চালানো পরীক্ষামূলক প্রয়োগে দেখা গেছে তাদের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে। একইসঙ্গে শ্বেত কণিকা তৈরিতেও সহায়ক যা করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখে। তবে অক্সফোর্ড জানায়, করোনা প্রতিরোধে এ ভ্যাকসিন শতভাগ কার্যকর তা এখনই বলা যাচ্ছে না, আরও গবেষণা এবং প্রয়োগ করতে হবে। যেকোনো ভ্যাকসিন তৈরি এবং চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য বছরের পর বছর এমনকি কয়েক দশকও লেগে যায়। তবে অক্সফোর্ডের এ ভ্যাকসিন যদি সফল হয় তাহলে আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যেই মানুষের শরীরে প্রয়োগ শুরু করা যেতে পারে। অক্সফোর্ডের একটি সূত্র ব্রিটিশ দৈনিক দ্য টেলিগ্রাফকে জানিয়েছে, ভ্যাকসিন নেয়া স্বেচ্ছাসেবীদের দেহ থেকে রক্তের নমুনা সংগ্রহের পর পরীক্ষায় দেখা গেছে- এটি দেহে অ্যান্টিবডি তৈরিতে সক্ষম হয়েছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে ঠিক কীভাবে মানব দেহে কাজ করবে এ ভ্যাকসিন? কতগুলো ডোজ উৎপাদন করা হবে? কারা আগে পাবে? দাম কেমন পড়বে? যেভাবে কাজ করবে এ ভ্যাকসিন- অক্সফোর্ডের তৈরি ভ্যাকসিনটির নাম ChAdOx1 nCoV-19. অভূতপূর্ব গতিতে এটার উন্নতি সাধিত হয়েছে। এটি তৈরি করা হয়েছে শিম্পাঞ্জির ঠান্ডা লাগার জন্য যে মৌলিক বিষয়টি দায়ী সেটার জিন নিয়ে গবেষণা করে। গবেষণার মাধ্যমে প্রচুর পরিমার্জন ও পরিবর্ধন শেষে মানুষের শরীরে প্রয়োগযোগ্য করা হয়েছে এ ভ্যাকসিন। ফলে এটি মানুষের শরীরে কোনও সংক্রমণ ঘটাতে দেবে না এবং একই প্রক্রিয়ায় এটি করোনাভাইরাসকেও রুখে দিতে সক্ষম হবে। করোনাভাইরাসের যে স্পাইক প্রোটিন মানবদেহের কোষকে আক্রমণ করে সেটা নিয়ে গবেষণা করে এর ভিত্তিতে জেনেটিক নির্দেশনা অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছে এই ভ্যাকসিন। সুতরাং এটি করোনাভাইরাস রুখে দিতে পারবে এবং অ্যান্টিবডি তৈরি করতে সক্ষম হবে। আমাদের শরীরের ইমিউন সিস্টেমের মাধ্যমে যে প্রোটিন উৎপাদিত হয় (অ্যান্টিবডি) এবং যে প্রোটিনটি করোনাভাইরাসের উপরিভাগে থাকে সেটাকে নিষ্ক্রিয় করে দিতে সক্ষম এই ভ্যাকসিন। অ্যান্টিবডিকে নিষ্ক্রিয় করে দেওয়ার মাধ্যমে ভাইরাসটিকে অক্ষম করে দেয়া সম্ভব। পাশাপাশি আমাদের শরীরের যে টি-সেল রয়েছে (এক ধরনের লোহিত রক্ত কণিকা) যেটা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে সহায়তা করে এবং ভাইরাস/ব্যাকটেরিয়াকে প্রতিরোধ ও ধ্বংস করে সেটার সক্ষমতা বাড়াবে অক্সফোর্ডের এই ভ্যাকসিন।
বন্যার্তদের যেন ত্রাণের ঘাটতি না হয়, নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
২০,জুলাই,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলমান বন্যায় দেশের মানুষের যেন কোনো ক্ষতি না হয় সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার (২০ জুলাই) মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী বন্যায় ত্রাণসহ অন্য কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করে এই নির্দেশনা দিয়েছেন। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এ তথ্য জানান। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সচিবালয় প্রান্তে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভায় সভাপতিত্ব করেন। করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে অনলাইনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাংবাদিকের প্রশ্নে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আজ বন্যা নিয়ে একটু আলোচনা হয়েছে। বন্যাটা নিয়ে আমরা যেন একটু সবাই প্রস্তুত থাকি। মন্ত্রিসভায় অনানুষ্ঠানিক আলোচনা হয়েছে। রিলিফ, রেসকিউ অপারেশন- এগুলো কীভাবে হচ্ছে? উনি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, দেখা যাচ্ছে যমুনা ও পদ্মার পানি, মেঘনার পানি আসছে না। মেঘনার পানি যেটা ছিল সেটা ফ্লাশ ফ্লাডের পানি ছিল ৬/৭ দিন। যমুনা দিয়ে পানি বেশি আসছে। অলরেডি জেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড, স্বাস্থ্য বিভাগ- তারা এ বিষয়ে প্রস্তুত। আমরাও রেগুলার মনিটর করছি। প্রধানমন্ত্রী কোনো নির্দেশনা দিয়েছেন- প্রশ্নে তিনি বলেন, হ্যাঁ এটাই। যাতে কোনোভাবেই মানুষের কোনো ক্ষতি না হয় রিলিফের যেন কোনো ঘাটতি না হয়। বিশেষ করে মানুষ যারা চরে থাকে, এরাই বন্যার সময় বাঁধের দিকে চলে আসে। যে স্কুলগুলো আছে সেখানে চলে এসেছে। সেখানে যেন তাদের জীবন-জীবিকা বা খাওয়া-দাওয়া অসুবিধা না হয় এবং পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট যেন...। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সবাইকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, তারা হেডকোয়ার্টারে থাকবে এবং ইউনিয়ন লেভেলে যারা কাজ করে তারা যেন সব সময় এলাকায় থাকেন। তিনি বলেন, পদ্মায় ৬ দশমিক ৭ মিটার পানি হাই। নরমালি থাকে ১ মিটার। আর বিপৎসীমার ১৬ সেন্টিমিটার ওপরে রয়েছে পানি। পানির স্পিড বেশি, ৩ দশমিক ২ থেকে ৩ দশমিক ৩। ৩ দশমিক ৩ হলো, একটা জিনিস যদি রাখেন তাহলে এক সেকেন্ডে ২০ ফুট দূরে চলে যাবে। ওখানে শুধু পানি হলে প্রবলেম ছিল, না পানির সঙ্গে অনেক উপাদান রয়েছে। এভাবে যদি যায় তাহলে একদম সব ম্যাসাকার করে নিয়ে যাবে। শুধু পানি থাকলেও এটা কম থাকে যদি পানির সঙ্গে মাটি থাকে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আগে সেতু বিভাগের থাকার সময়ে পদ্মায় কাজ করার অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি বলেন, সে বিষয়ে আমার প্র্যাকটিক্যাল অভিজ্ঞতা রয়েছে।
করোনা ভ্যাকসিন বিনামূল্যে পাবে বাংলাদেশ
২০,জুলাই,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মাথাপিছু আয় চার হাজার ডলারের কম হওয়ায় বাংলাদেশের মানুষেরা বিনামূল্যে করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) ভ্যাকসিন পাবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. আব্দুল মান্নান। সোমবার (২০ জুলাই) কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত পরামর্শ কমিটির এক অনলাইন সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বিশ্বে করোনা ভ্যাকসিন আবিষ্কার হলে সবার আগে তা বাংলাদেশে আসবে জানিয়ে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব বলেন, যুক্তরাজ্য, চীনসহ অনেক দেশই ভ্যাকসিন আবিস্কারের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে। তথ্য মতে, বিশ্বের যেসব দেশের মাথাপিছু আয় চার হাজার ডলারের নিচে সেসব দেশ বিনামূল্যে এ ভ্যাকসিন পাবে। যেহেতু বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় দুই হাজার মার্কিন ডলারের কাছাকাছি সুতরাং বাংলাদেশে এ ভ্যাকসিন বিনামূল্যেই পেয়ে যাবে। ভ্যাকসিন দেশে এলে দেশের অন্তত ৮০ শতাংশ মানুষকে ক্রমান্বয়ে বিতরণের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। একই সঙ্গে ভ্যাকসিন আনার প্রক্রিয়া ও বিতরণের জন্যও সরকার যথার্থ পদক্ষেপ নেবে। স্বাস্থ্য সেবা সচিব বলেন, স্বাস্থ্যখাতের হাতে বর্তমানে প্রায় তিন লাখ কিট মজুদ রয়েছে। এরপরও আরও কিট আমদানি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। প্রতিদিন ১০ হাজার করে পরীক্ষা করতে থাকলে মজুদ করা কিট দিয়েই আরও অন্তত একমাস চালানো যাবে। এরমধ্যে নিশ্চয়ই আরও কিছু কিট আমরা আমদানি করতে সক্ষম হবো। সুতরাং দেশে করোনা পরীক্ষায় কোনো সংকট নেই। নিশ্চয়ই করোনা পরীক্ষা বৃদ্ধিতে আরো উদ্যোগ নেওয়া হবে। সভায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ ও স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) শেখ মুজিবর রহমানসহ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভার কার্যক্রম সঞ্চালনের দায়িত্বে ছিলেন জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ।- বাংলা নিউজ
অভিজ্ঞ পার্লামেন্টেরিয়ান হুইপ সামশুল হক চৌধুরীর ৬৩ তম জন্মদিন আজ
২০,জুলাই,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পটিয়ার মাটি ও মানুষের নেতা জাতীয় সংসদের সরকার দলীয় হুইপ কর্মবীর আলহাজ্ব সামশুল হক চৌধুরীর আজ ৬৩ তম জম্মদিন। জনদরদী, সদা হাস্যোজ্জ্বল,বর্ষীয়ান রাজনীতিক ও সমাজ সেবক সামশুল হক চৌধুরী ১৯৫৭ সালের ২০ জুলাইয়ের এদিনে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী রশিদাবাদ গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জম্ম গ্রহন করেন। পিতা মরহুম আলহাজ্ব নুরুল করিম চৌধুরী ও মাতা মরহুমা ছপুরা করিম চৌধুরীর জ্যেষ্ঠ সন্তান আলহাজ্ব সামশুল হক চৌধুরী বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের টিকেটে নৌকা প্রতীক নিয়ে ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে পর পর ৩বার বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সংসদীয় আসন-২৮৯, চট্টগ্রাম-১১/১২ সংসদীয় আসন থেকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন। পটিয়া আসন থেকে আওয়ামী লীগের হয়ে তাঁর হ্যাট্রিক বিজয় এক অনন্য ইতিহাস। গত নির্বাচনে সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেত্রী শেখ হাসিনা তাঁকে মন্ত্রী পদমর্যাদায় জাতীয় সংসদে হুইপ মনোনীত করেন। বর্নাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারি সামশুল হক চৌধুরী ছাত্রজীবনেই রাজনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে জড়িত হয়ে পড়েন। চট্টগ্রাম সরকারি কমার্স কলেজে পড়ার সময় তিনি ছাত্রসংসদের নির্বাচিত এজিএস ও কলেজ শাখার ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। একজন ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে তাঁর সুনাম ও সুখ্যাতি দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিদেশেও ছড়িয়ে আছে। তিনি ১৯৮৮ সালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন আলকরণ ওয়ার্ড থেকে কমিশনার নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালে তিনি দেশের আধুনিক ক্রীড়ার জনক হিসেবে পরিচিত শেখ কামাল প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রাম আবাহনী লিমিটেড এর মহাসচিব নির্বাচিত হন এছাড়া কেন্দ্রিয় শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রেরও তিনি অন্যতম প্রধান পৃষ্ঠপোষক। ১৯৮৯ সালে তিনি চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন আইন-শৃংখলা উন্নয়ন পরিষদের মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব, মা ও শিশু হাপাতালসহ বহু শিক্ষা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষক ও দাতা সদস্য। আশির দশকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে যে রাজনৈতিক জীবনের সূচনা করেছিলেন আজ সে সংগঠন থেকে নির্বাচিত পার্লামেন্টের একজন গর্বিত মেম্বার এবং একই সাথে সংসদীয় কমিটির প্রভাবশালী নীতি নির্ধারক । সরকার ও সংসদের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি একাধিকবার বিশ্বের বিভিন্ন দেশ সফর করেন। ২০০৯ সাল থেকে বিগত প্রায় ১১ বছর আলহাজ্ব সামশুল হক চৌধুরী পটিয়ার উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা পালন করেন। উপজেলায় এমন কোন শিক্ষা, সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নেই যেখানে তার অনুদান ও সহযোগিতায় উন্নয়ন হয়নি। একজন দানশীল ও উদার মনের মানুষ হিসেবে তিনি নিজ দলের কাছে যেমন জনপ্রিয় তেমনি তাঁর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরাও তাঁর চিন্তা-চেতনা ও কর্মের প্রশংসা এবং অনুসরণ-অনুকরণ করেন। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবার আগে তিনি যেমন পটিয়ার মানুষের সেবা করার লক্ষ্যে প্রতিটি অলি-গলি, পাড়া-মহল্লায় ঘুরে ঘুরে জনগনের দু:খ-দুর্দশার খবর নিতেন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবার পরও সে ধারা অব্যহত রেখেছেন । পটিয়ার মানুষের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, ক্রীড়া, বিদ্যুতায়ন, আশ্রয়ন ও কর্মসংস্থানসহ সার্বিক উন্নয়নের যে মডেল স্থাপন করেছেন তা দেশের অন্যান্য এলাকার জন্য অনুকরনীয় হয়ে থাকবে । সংসদ অধিবেশনের দিনগুলো ছাড়া বাকি সময় তিনি পটিয়ার মানুষের সাথেই কাটান। তিনি বলেন, মাছ যেমন পানি ছাড়া থাকতে পারেনা, তেমনি আমিও পটিয়ার মানুষ ছাড়া থাকতে পারিনা”। বর্ষিয়ান নেতা ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি,পটিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, পটিয়া পৌরসভার মেয়র অধ্যাপক হারুনুর রশিদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আকম সামশুজ্জামান চৌধুরী, তাঁর পিএস হাবিবুল হক চৌধুরী, তরুণ আওয়ামী লীগ নেতা, ঐতিহ্যবাহী আবদুস সোবহান রাহাত আলী উচ্চবিদ্যালয়ের সভাপতি সরোয়ার হায়দার, বিশিষ্ট সমাজ সেবক,তরুন রাজনীতিক মোজাফফরাবাদ স্কুলের সভাপতি গোলাম সারোয়ার চৌধুরী মুরাদ, পটিয়া পৌরসভার কাউন্সিলর গোফরান রানা, যুবলীগ নেতা নুর আলম সিদ্দিকীসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।- পটিয়া নিউজ
সাবরিনার জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ
২০,জুলাই,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে সাবরিনাকে হাজির করে পুলিশ। এ সময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশর পরিদর্শক লিয়াকত আলী মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অন্যদিকে, ডা. সাবরিনার জামিন প্রার্থণা করেন তার আইনজীবীরা। আদালত শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা না করেই রিপোর্ট ডেলিভারি দেওয়ার অভিযোগে ১২ জুলাই দুপুরে সাবরিনাকে তেজগাঁও বিভাগীয় উপ-পুলিশ (ডিসি) কার্যালয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তেজগাঁও থানায় দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখায় পুলিশ।
১৯ মিলিমিটার বর্ষণেই রাজধানীতে জলাবদ্ধতা
২০,জুলাই,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মৌসুমী বায়ু সক্রিয় থাকায় রোববার (১৯ জুলাই) থেকে দেশে বৃষ্টিপাত বেড়েছে। দেশের কোথাও কোথাও অতিভারী বর্ষণ হচ্ছে। রাজধানীতেও এর প্রভাব পড়ছে। ফলে ঢাকার বিভিন্নস্থানে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সোমবার (২০ জুলাই) সকাল পর্যন্ত রাজধানীতে ১৯ মিলিমিটার বর্ষণ হয়েছে। এ পরিমাণ বর্ষণকে হালকা বৃষ্টিপাত ধরা হয়। তবে এই বর্ষণেই রাজধানীর মিরপুর, কাজীপাড়া, কালশী, ধানমন্ডি, পল্টনসহ পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছে নগরবাসী। আবহাওয়া অধিদপ্তর পূর্বাভাসে জানিয়েছে, বর্তমানে মৌসুমী বায়ুর অক্ষ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, হিমালয়ের পাদদেশীয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় বিরাজ করছে। মঙ্গলবার সকাল নাগাদ রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণও হতে পারে। এ সময় সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা (১-৩) ডিগ্রি সেলসিয়াস হ্রাস পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। সোমবার সকাল ৯টা থেকে আগের ২৪ ঘণ্টায় দেশে সর্বোচ্চ বর্ষণ হয়েছে রংপুরে। ১৯৫ মিলিমিটার। অবশ্য আবহাওয়া অফিস দীর্ঘমেয়াদি আভাসের আগেই বলেছিল ২০ জুলাইয়ের দিকে বর্ষণ বাড়বে।
এপিএ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করুন: আইজিপি
১৯,জুলাই,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বিপিএম (বার) বাংলাদেশ পুলিশের রেঞ্জ ও বিশেষায়িত ৩৬টি ইউনিটের প্রধানদের সাথে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) স্বাক্ষর করেছেন। রোববার (১৯ জুলাই) দুপুরে পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি) সোহেল রানা এ তথ্য নিশ্চিত করেন। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষ শাপলায় ২০২০-২১ অর্থ বছরের এপিএ স্বাক্ষর হয়। আইজিপি বলেন, বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি, জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল ইত্যাদি আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার অন্যতম অনুষঙ্গ। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ ধরনের কর্মসূচি চালু করায় তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। পুলিশ প্রধান এপিএ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে পেশাদারিত্বের সাথে আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য সকল পুলিশ কর্মকর্তার প্রতি আহ্বান জানান। বিগত দুই বছর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের আওতাধীন দপ্তরসমূহের মধ্যে বাংলাদেশ পুলিশ প্রথম স্থান অর্জন করায় সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে আইজিপি বলেন, ভবিষ্যতেও সাফল্যের এ ধারা অব্যাহত রাখতে সচেষ্ট থাকতে হবে। অনুষ্ঠানে স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি), ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ (আইপি), ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি), টেলিকমিউনিকেশন অ্যান্ড ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট (টিএন্ডআইএম), এপিবিএন, পুলিশ স্টাফ কলেজ (পিএসসি), Rab, সিআইডি, এন্টি টেরোরিজম ইউনিট (এটিইউ), নৌ পুলিশ, পিবিআই, কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল (সিপিএইচ), ট্রাফিক ড্রাইভিং স্কুল (টিডিএস), ঢাকা রেঞ্জ, টুরিস্ট পুলিশ ইত্যাদি ইউনিটের সাথে এপিএ স্বাক্ষরিত হয়। বর্তমানে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর পুলিশের থানা পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। থানা জেলা পুলিশের সাথে, জেলা পুলিশ রেঞ্জ পুলিশের সাথে এ চুক্তি স্বাক্ষর করে। রেঞ্জ ও বিশেষায়িত ইউনিটসমূহ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সাথে এপিএ চুক্তি স্বাক্ষর করে। বাংলাদেশ পুলিশ এপিএ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের মাধ্যমে ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ৯৫ ভাগ ও ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে ৯৭ ভাগ নম্বর পেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের দপ্তরসমূহের মধ্যে পরপর দুইবার প্রথম স্থান অধিকার করে। উল্লেখ্য, সরকারি কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি, সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকারি কর্মসম্পাদন ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির আওতায় বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি প্রবর্তন করা হয়েছে।
মুজিববর্ষেই সারাদেশ শতভাগ বিদ্যুতায়নের আওতায় আসবে : নসরুল হামিদ
১৯,জুলাই,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ-সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন,মুজিববর্ষেই সারাদেশে শতভাগ বিদ্যুতায়ন করা হবে। ইতোমধ্যেই ৯৭ ভাগ বিদ্যুতায়ন সম্পন্ন হয়েছে উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন,বাকিটুকু চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হবে। প্রতিমন্ত্রী বরেন,এ অর্জন গ্রাহকসহ বিদ্যুৎ উৎপাদন, বিতরণ ও সঞ্চালন কার্যক্রমের সাথে জড়িত সকলের। নসরুল হামিদ আজ সচিবালয়ে তাঁর কার্যালয়ে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে বিদ্যুৎ বিভাগের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের ( জুলাই ২০১৯ থেকে জুন ২০২০ পর্যন্ত ) বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় বক্তৃতাকালে এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (আরএডিপি) বাস্তবায়নের হার ৯৪ দশমিক ৪০ ভাগ, যা অনেকটাই ভালো। তিনি বলেন,২০২০-২১ অর্থবছরে অবশ্যই যেন শতভাগ বাস্তবায়িত হয়,সে লক্ষ্যে নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুসারে সকলকে আরো আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। নসরুল হামিদ বলেন, ;গ্রাহক সন্তুষ্টিই আমাদের মূল লক্ষ্য। তাই গ্রাহকদের সাথে বিদ্যমান আস্থার সম্পর্ক আরো জোরদার করতে পরিকল্পনা মাফিক যোগাযোগ কার্যক্রম বাড়াতে হবে। এ পর্যালোচনা সভায় উল্লেখ করা হয়,২০১৯-২০ অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় ১০৪টি প্রকল্পের বিপরীতে বরাদ্দ ছিল ২৪ হাজার ৬ শ ২৬ দশমিক ৬৫৮ কোটি টাকা। বাস্তবায়ন হয়েছে ৯৪ দশমিক ৪০ ভাগ। ২০২০-২১ অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির ৮৭টি প্রকল্পের মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ের মানদন্ড অনুসারে ৩৪টি প্রকল্প উচ্চ অগ্রাধিক, ২৬টি প্রকল্প মধ্যম ও ২৭টি প্রকল্প নিম-অগ্রাধিকারের তালিকায় রাখা হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. সুলতান আহমেদ,বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের ( পিডিবি) চেয়ারম্যান মোঃ বেলায়েত হোসেন,পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মঈন উদ্দিন ও পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইনসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রধানরা অনলাইনে এ সভায় সংযুক্ত ছিলেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর