বনানীর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছেন প্রধানমন্ত্রী
২৮মার্চ,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বনানীর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিচ্ছেন। তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বিকেলে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন। এদিকে, বনানীর এফআর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এক শ্রীলঙ্কান নাগরিকসহ অন্তত পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও কমপক্ষে ৩০ জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের অধিকাংশকেই রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহত চার জনের মধ্যে তিনজনের মরদেহ রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে রাখা হয়েছে। ওই হাসপাতালেই আহত অবস্থায় ভর্তি হয়েছেন আরও ১৯ জন। ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি একজন মারা গেছেন, ৩ জন চিকিৎসাধীন, একজন চিকিৎসা শেষে চলে গেছেন। বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর বনানীর এফআর টাওয়ারের আট ও নয়তলায় আগুন লাগে। এতে ওই ভবনে আটকা পড়েন বহু মানুষ। ধারণা করে বলা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে এ আগুন লেগেছে।
বনানীর এফআর টাওয়ারে আগুন, আটকা পরেছেন বহু মানুষ
২৮মার্চ,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর বনানীর এফআর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এরই মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট কাজ শুরু করেছে। তাৎক্ষণিকভাবে এ ঘটনায় হতাহতের কোনো সংবাদ পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে টাওয়ারের ৯ তলা থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুমের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এনায়েত হোসেন। কিভাবে আগুন লেগেছে তাৎক্ষণিকভাবে সে সম্পর্কে কিছু জানাতে পারেননি তিনি। এদিকে, ভেতরে আটকা পড়েছেন অনেকে। এদিকে, ২৬ তলায় আটকে থাকা ইকো লাইন শিপিং করপোরেশনের অ্যাসিট্যান্ট ম্যানেজার দীপক কুমার দাসের ভাইয়ের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, ভেতরে অনেকেই আটকে আছে। বের হতে পারছে না। আমার ভাই একমাত্র বের হয়ে ছাদে যেতে পেরেছে। ধোঁয়ার কারণে কষ্ট হচ্ছে সকলের।
পলাতক ৫ যুদ্ধাপরাধীর মৃত্যুদণ্ডাদেশ
২৮মার্চ,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পলাতক নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার মাওলানা আবদুল মজিদসহ পাঁচ যুদ্ধাপরাধীর মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। নেত্রকোনার বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন। বুধবার বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন। এর আগে সোমবার ২৮ জানুয়ারি এ মামলার ওপর শুনানি শেষে সিএভি (মামলায় যে কোনো দিন রায়) ঘোষণা করেন আদালত। এই মামলার মোট সাত আসামির মধ্যে আবদুর রহমান ও আহাম্মদ আলী গ্রেফতারের পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মারা যান। বাকি পাঁচজন পলাতক ছিলেন। মামলার সাজাপ্রাপ্ত পাঁচ আসামি হলেন, শেখ মো. আবদুল মজিদ ওরফে মজিদ মাওলানা, মো. আবদুল খালেক তালুকদার, মো. কবির খান, আবদুস সালাম বেগ ও নুরউদ্দিন ওরফে নুরদ্দিন। এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে প্রসিকিউটর মোখলেসুর রহমান বাদল ও সাবিনা ইয়াসমিন খান মুন্নি। অপরদিকে আসামিদের পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রীয় খরচে ট্রাইব্যুনালের নিযুক্ত করা আইনজীবী গাজী এম এইচ তামিম। ২০১৬ সালের ২২ মে এ মামলায় সাতজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিলের মধ্য দিয়ে এ মামলার কার্যক্রম শুরু হয়। ১৬ মার্চ তাদের বিরুদ্ধে তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।
রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তরে সমস্যা হলে বাংলাদেশ তা করবে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
২৭মার্চ,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বুধবার বলেছেন, সংশ্লিষ্ট সকলেই যদি মনে করে যে, রোহিঙ্গাদের নোয়াখালী জেলার ভাসানচর দ্বীপে স্থানান্তর করা হলে তাদের জন্য সমস্যা হবে তাহলে বাংলাদেশ তা করবে না। বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গাদের জন্য ভাসানচরে বড় আয়োজন করেছে উল্লেখ করে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমরা মনে করি তারা (রোহিঙ্গা) সেখানে ভালোভাবে থাকতে পারবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সাথে যৌথভাবে বিশ্বের ৭৮টি বাংলাদেশ দূতাবাসে বাংলাদেশের টিভি চ্যানেল দেখার সেট-টপ বক্স প্রদান অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। মন্ত্রী মোমেন বলেন, আগামী এপ্রিল মাসে স্বেচ্ছায় প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে স্থানান্তর করার পরিকল্পনা সরকারের ছিল। তবে তিনি বলেন, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠনের নানা শর্তের কারণে এটা কখন বাস্তবায়ন সম্ভব হবে তা তারা জানেন না।দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় বিষয়টি দেখছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজার জেলায় প্রায় ১১ থেকে ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ। তিনি বলেন, আসন্ন বর্ষা মৌসুমে সেখানে ভূমি ধসের কারণে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এ কারণে আমরা ২৩ হাজার পরিবার অথবা এক লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে নেয়ার চেষ্টা করেছি।
উন্নয়ন কাজের সময় আবাদি জমি যাতে ধ্বংস না হয়: প্রধানমন্ত্রী
২৭মার্চ,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: উন্নয়ন প্রকল্পের কাজের জন্য আবাদি জমি যেনো ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে যাতে উন্নয়ন কাজের সময় আবাদি জমি ধ্বংস হয়ে না যায়। বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পঞ্চগড় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে তিনি এ নির্দেশনা দেন। চাহিদা ও প্রয়োজন অনুযায়ী জেলা ও উপজেলার উন্নয়ন করা হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী এ ক্ষেত্রে মাস্টারপ্লান তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তবে মাস্টারপ্লান তৈরি করার সময় পরিবেশকে বিবেচনায় নেয়ার নির্দেশ দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, পরিবেশকে রক্ষা করেই আমাদেরকে মিল ও কারখানাসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করেতে হবে। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের এসব কথা জানিয়েছেন। এর আগে পঞ্চগড় জেলা পরিষদের নবনির্বাচত চেয়ারম্যান মোহাম্মাদ আনোয়ার সাদাতকে শপথ পাঠ করান প্রধানমন্ত্রী। শপথ অনুশষ্ঠান পরিচালনা করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব এসএম গোলম ফারুক। এসময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি সাবেক চেয়ারম্যান মো. আমানুল্লাহ বাচ্চু মৃত্যুর পর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি উপনির্বাচনে পঞ্চগড় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে জয়লাভ করেন আনোয়ার সাদাত সম্রাট।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
২৬মার্চ,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর কিছু সময় তিনি সেখানে নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) সকালে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে তিনি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগ, মহিলা লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুব মহিলা লীগ, কৃষক লীগসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন এবং বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুলেল শ্রদ্ধা জানানো হয়। এর আগে সকালে জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রথমে প্রধানমন্ত্রী এবং পরে আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে তিনি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় আওয়ামী লীগ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
স্মৃতিসৌধে শহিদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
২৬মার্চ,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস আজ (মঙ্গলবার)। মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী শ্রেষ্ঠ সন্তানদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে বাঙালি জাতি। সর্বস্তরের জনতার পুষ্পাঞ্জলিতে ভরে উঠছে ঢাকার সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ। দেশের অন্যান্য এলাকায়ও স্মৃতিস্তম্ভে অর্পণ করা হচ্ছে শ্রদ্ধা। প্রথমেই জাতীয় স্মৃতিসৌধে সকাল ৫টা ৫৭ মিনিটে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ। এর পরই শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করেন। এ সময় বিউগলে বাজানো হয় করুণ সুর। গার্ড অব অনার দেয় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল। পরে দলের সভাপতি হিসেবে আওয়ামী লীগের নেতাদের নিয়ে আবারও স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর মহান মুক্তিযুদ্ধের বীরশহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া, সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা রওশন এরশাদ, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, ভাষাসৈনিক, বিভিন্ন বাহিনীর প্রধানরা। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিসৌধ এলাকা ছেড়ে গেলে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সর্বস্তরের মানুষের জন্য জাতীয় স্মৃতিসৌধ উন্মুক্ত করে দেয়া হয়।
আজ মহান স্বাধীনতা দিবস
২৬মার্চ,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার শপথ গ্রহণের মধ্যদিয়ে গর্বিত জাতি আজ ৪৯তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করছে। যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালন উপলক্ষ্যে এবার জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। আজ প্রত্যুষে রাজধানীতে একত্রিশ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির সূচনা হয়। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর নেতৃত্বে উপস্থিত বীরশ্রেষ্ঠ পরিবার, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশি কূটনীতিকবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের জনগণ পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এদিকে, স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। এসময় সারাদেশে একযোগে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশিত হয়। বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশন পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে সম্ভব হলে বাংলাদেশের সাথে একই সময়ে এবং অন্যান্যরা একই দিনে সুবিধাজনক সময়ে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন কর্মসূচি পালন করে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে বর্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বাঙালি জাতির কণ্ঠ চিরতরে স্তব্ধ করে দেয়ার লক্ষ্যে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে অপারেশন সার্চ লাইটের নামে নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলার মাধ্যমে বাঙালি জাতির জীবনে যে বিভীষিকাময় যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়েছিল দীর্ঘ নয় মাসে মরণপণ লড়াইয়ের মাধ্যমে বাংলার দামাল সন্তানেরা এক সাগর রক্তের বিনিময়ে সে যুদ্ধে বিজয় লাভ করে স্বাধীনতার লাল সূর্য ছিনিয়ে আনে। ১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে জয়লাভ করা সত্ত্বেও বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে পাকিস্তানি সামরিক জান্তা ক্ষমতা হস্তান্তর না করে পাকিস্তানি সেনারা বাঙালি বেসামরিক লোকজনের ওপর গণহত্যা শুরু করে। তাদের এ অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল আওয়ামী লীগসহ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রগতিশীল সকল রাজনৈতিক নেতা-কর্মী এবং সকল সচেতন নাগরিককে নির্বিচারে হত্যা করা। সেনা অভিযানের শুরুতেই হানাদার বাহিনী বঙ্গবন্ধুকে তাঁর ধানমন্ডির বাসভবন থেকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের আগে বঙ্গবন্ধু ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং যে কোন মূল্যে শত্রুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। মুহূর্তের মধ্যেই বঙ্গবন্ধুর এ ঘোষণা ওয়্যারলেসের মাধ্যমে দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে দেয়া হয়।
আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, যাবো: প্রধানমন্ত্রী
২৫মার্চ,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের মানুষের আওয়ামী লীগের ওপর ভরসা আছে এমন দাবি করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন,মানুষ আওয়ামী লীগ সরকারের ওপর আস্থা ও ভরসা রেখেছে। যার কারণে জনগণের ভোটে আমরা আবারো ক্ষমতায় এসেছি। আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, যাবো। বাংলাদেশকে কেউ কখনো দাবায়ে রাখতে পারেনি, পারবেও না। সোমবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এর আগে মানুষের কল্যাণে গৌরবময় ও অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৩ ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস। সারাদেশের মানুষ দিবসটি যেন সুষ্ঠুভাবে পালন করতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। স্বাধীনতার সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর লক্ষ্য ছিল। আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। তিনি বলেন, মাত্র ৯ মাসের মধ্যে সংবিধান উপহার দিয়েছিলেন জাতির পিতা। দেশকে সাবলম্বী করাই ছিল তার লক্ষ্য। তার লক্ষ্য ছিল জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলে দেশের অর্থনৈতিক দিক উন্নয়ন করা। বর্তমানে আওয়ামী লীগ সরকার সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। শেখ হাসিনা আরো বলেন,একসময় বাংলাদেশকে সম্মানের চোখে দেখা হতো না। বাংলাদেশকে দেখা হতো একটি দুর্ভিক্ষ দেশ হিসেবে। যে জাতি রক্তের বিনিময়ে এই দেশ স্বাধীন করেছে সেই দেশকে কেউ যদি অসম্মান করে তাহলে তা কষ্টের কারণ। সেই থেকে আমরা যাতে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে থাকতে পারি সেই লক্ষ্যে কাজ করছি। বর্তমানে স্বাধীন দেশ হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্বে একটি স্থান করে নিয়েছে। এখন আর বাংলাদেশকে কেউ দুর্ভিক্ষের চোখে দেখে না। আজ বাংলাদেশকে মানুষ সম্মানের চোখে দেখে। এটাই আমার সফলতা।

জাতীয় পাতার আরো খবর