প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মতো আলেম-ওলামাদের জন্য কেউ ভাবেন না : তথ্যমন্ত্রী
২০জুন,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার মতো দেশের আলেম-ওলামাদের জন্য কেউ ভাবেন না। আজ দুপুরে রাজধানীর মিন্টু রোডের সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে তথ্যমন্ত্রী তার নিজ নির্বাচনী এলাকার রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় পাঁচ শতাধিক মসজিদের ইমাম-ওলামাদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। মন্ত্রী ড. হাছান বলেন, বিএনপি-জামাত জোট ক্ষমতায় থাকাকালেও আলেম-ওলামাদের কথা ভাবেনি। কিন্তু নির্বাচনের সময় তারা ঠিকই ধর্মকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করেছে। অপরদিকে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা আলেম-ওলামাদের জন্য যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছেন উল্লেখ করেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে মসজিদ নির্মাণ, এক লাখ মসজিদে সাড়ে চার হাজার টাকা মাসিক ভাতায় একজন শিক্ষকসহ মক্তব স্থাপন, কওমী মাদ্রাসার সর্বোচ্চ পর্যায়ের শিক্ষাকে স্বীকৃতি প্রদান, ইসলামী আরবী বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, করোনা পরিস্থিতিতে দেশের প্রায় সব মসজিদের জন্য পাঁচ হাজার টাকা করে বরাদ্দ প্রদানের এসব মাইলফলক উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিক ভাবনারই ফসল। ড. হাছান মাহমুদ এসময় বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সাংবাদিক কামাল লোহানী ও তথ্য অধিদফতরের সাবেক উপ-প্রধান তথ্য কর্মকর্তা ও সাহিত্যিক জাফর আলমের সদ্যপ্রয়াণে গভীর শোক জানান ও তাদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন। রাঙ্গুনিয়া প্রান্তে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ফখরুল ইসলাম। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা ফিল্ড সুপারভাইজার মো. মোকাম্মেলের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন রাঙ্গুনিয়া উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শামসুল আলম তালুকদার, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক জসিম উদ্দিন তালুকদার। এ আয়োজনে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে রাঙ্গুনিয়ার ৫০৪টি মসজিদের প্রত্যেকটির ইমাম-ওলামাদের মাঝে করোনা পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার নগদ পাঁচ হাজার টাকা করে বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে সবাই দেশ ও বিশ্বের সবার নিরাপদ ও সুস্থ জীবনের জন্য প্রার্থনায় অংশ নেন।
করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৩৭ মৃত্যু, শনাক্ত ৩২৪০
২০জুন,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে এক হাজার ৪২৫ জনের। নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ২৪০ জন। এনিয়ে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৮ হাজার ৭৭৫ জন। শনাক্তের বিবেচনায় মৃত্যর হার ১ দশমিক ৩১ শতাংশ। শনিবার (২০ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (মহাপরিচালকের দায়িত্বপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টা নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১৩ হাজার ৭৭৯টি। আর নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৪ হাজার ৩১টি। মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫ লাখ ৯৬ হাজার ৫৭৯টি। যা নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে তাতে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ২৪০ জন। মোট শনাক্ত এক লাখ ৮ হাজার ৭৭৫ জন। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২৩ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ। তিনি আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৪৮ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৪৩ হাজার ৯৯৩ জন। শনাক্তের বিবেচনায় সুস্থতার হার ৪০ দশমিক ৪৪ শতাংশ। নাসিমা সুলতানা জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ৬২৮ জন। আর ছাড় পেয়েছেন ১৮৭ জন।
অসাম্প্রদায়িক চেতনার একজন যোদ্ধাকে হারালাম: প্রধানমন্ত্রী
২০জুন,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট সাংবাদিক ও মুক্তিযোদ্ধা কামাল লোহানীর মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (২০ জুন) এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, কামাল লোহানী বাঙালির ভাষা আন্দোলন, স্বাধিকার ও স্বাধীনতা সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন। একজন আদর্শবান ও গুণী মানুষ হিসেবে মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা প্রতিষ্ঠা এবং দেশের সংস্কৃতি বিকাশের আন্দোলনে পুরোধা ব্যক্তিত্ব ছিলেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, আমরা একজন প্রগতিশীল ব্যক্তিত্ব এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনার অসাধারণ যোদ্ধাকে হারালাম। প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। এর আগে সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর মহাখালীতে শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কামাল লোহানী শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
কামাল লোহানী আর নেই
২০জুন,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত দেশের প্রবীণ সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কামাল লোহানী আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শনিবার (২০ জুন) সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর মহাখালীতে শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৮৭ বছর। তিনি এক ছেলে, দুই মেয়েসহ বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। কামাল লোহানীর মৃত্যুর সংবাদ নিশ্চিত করে তার ছেলে সাগর লোহানী বলেন, বাবার ফুসফুস ও কিডনিতে সমস্যা অনেক দিন ধরে। গত ১৮ জুন তার করোনা পজেটিভ আসে। এর আগে গত ১৮ জুন শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে হেলথ অ্যান্ড হোপ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর আগে বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যার কারণে গত ১৭ মে সকালে তাকে একই হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। সাগর লোহানী জানান, করোনায় আক্রান্ত হওয়া ছাড়াও ফুসফুস-কিডনির জটিলতার সঙ্গে হৃদরোগ-ডায়াবেটিসের সমস্যাতেও ভুগছিলেন কামাল লোহানী। কামাল লোহানী হিসেবে পরিচিত হলেও, তার পুরো নাম আবু নঈম মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল খান লোহানী। ১৯৩৪ সালের ২৬ জুন সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া থানার খান সনতলা গ্রামে তার জন্ম। বাবা আবু ইউসুফ মোহাম্মদ মুসা খান লোহানী। মা রোকেয়া খান লোহানী। কর্মজীবনে কামাল লোহানী দৈনিক মিল্লাত পত্রিকা দিয়ে সাংবাদিকতার শুরু করেন। এরপর আজাদ, সংবাদ, পূর্বদেশ, দৈনিক বার্তায় গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন। ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। দুইবার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন এই বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। ছিলেন উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সভাপতি, ছায়ানটের সাধারণ সম্পাদক। তিনি ২০১৫ সালে সাংবাদিকতায় একুশে পদক লাভ করেন।
সুফিয়া কামালের লেখনী আজও পাঠককে আলোড়িত ও অনুপ্রাণিত করে : প্রধানমন্ত্রী
১৯জুন,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশ, প্রকৃতি, গণতন্ত্র, সমাজ-সংস্কার, নারীমুক্তি এবং শিশুতোষ রচনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বেগম সুফিয়া কামালের লেখনী আজও পাঠককে আলোড়িত ও অনুপ্রাণিত করে। তিনি বলেন, কবি বেগম সুফিয়া কামালের সৃজনশীলতা ছিল অবিস্মরণীয়। দেশ, প্রকৃতি, গণতন্ত্র, সমাজ-সংস্কার, নারীমুক্তি এবং শিশুতোষ রচনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর লেখনী আজও পাঠককে আলোড়িত ও অনুপ্রাণিত করে। আগামীকাল কবি বেগম সুফিয়া কামালের ১০৯তম জন্মদিন উপলক্ষে আজ শুক্রবার দেয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার চিন্তাধারা কবি সুফিয়া কামালের জীবনে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলে। তাঁর দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ছাত্রীনিবাসের নাম রোকেয়া হল রাখা হয়। ১৯৬১ সালে পাকিস্তান সরকার বেতারে রবীন্দ্রসংগীত প্রচার নিষিদ্ধ করলে এর প্রতিবাদে আন্দোলন গড়ে তোলেন। শিশু সংগঠন কচিকাঁচার মেলার তিনি প্রতিষ্ঠাতা। তিনি বলেন, ৫২র ভাষা আন্দোলন, ৬৯র গণঅভ্যুত্থান, ৭১র অসহযোগ আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশে বিভিন্ন গণতান্ত্রিক সংগ্রামসহ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে তাঁর প্রত্যক্ষ উপস্থিতি তাঁকে জনগণের জননী সাহসিকা উপাধিতে অভিষিক্ত করেছে। তাঁর স্মরণে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য বেগম সুফিয়া কামাল হল নির্মাণ করে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ৭৫র ১৫ই আগস্টে নির্মমভাবে হত্যা করে যখন এদেশের ইতিহাস বিকৃতির পালা শুরু হয়, তখনও তাঁর সোচ্চার ভূমিকা বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের গণতান্ত্রিক শক্তিকে নতুন প্রেরণা যুগিয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী গেণতান্ত্রিক এবং নারীমুক্তি আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ কবি বেগম সুফিয়া কামালের জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং কবির আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। কবি বেগম সুফিয়া কামাল ১৯১১ সালের ২০ শে জুন বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৯৯ সালের ২০শে নভেম্বর ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, তিনি একদিকে ছিলেন আবহমান বাঙালি নারীর প্রতিকৃতি, অন্যদিকে বাংলার প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে ছিল তাঁর আপসহীন এবং দৃপ্ত পদচারণা। বাণীতে তিনি সুফিয়া কামালের বহুদিন পরে মনে পড়ে আজি, পল্লী-মায়ের কোল ঝাউশাখে যেথা বনলতা বাঁধি, হরষে খেয়েছি দোল কুলের কাঁটার আঘাত সহিয়া, কাঁচা-পাকা কুল খেয়ে অমৃতের স্বাদ যেন লভিয়াছে, গাঁয়ের দুলালী মেয়ে কবিতার অংশ বিশেষ উল্লেখ করেন।
জনগণের জন্য কাজ করতে গিয়েই আওয়ামী নেতাকর্মীরা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন : তথ্যমন্ত্রী
১৯জুন,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, সংসদ সদস্য ও বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিরা জনগণের জন্য কাজ করতে গিয়েই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তিনি আজ বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সদ্যপ্রয়াত নেতৃবৃন্দের রুহের মাগফেরাত ও অসুস্থ নেতাকর্মীদের আশু আরোগ্য কামনায় প্রার্থনা ও দোয়া মাহফিল শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, করোনা প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার শুরু থেকেই আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, মন্ত্রিপরিষদ ও সংসদ সদস্যবৃন্দ ও বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিরা জনগণকে সুরক্ষা এবং সহায়তা করার জন্য ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। যে কারণে আমরা দেখতে পাচ্ছি, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ বহু নেতাকর্মী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। বিশেষ করে বরেণ্য নেতা মোহাম্মদ নাসিম, সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ আব্দুল্লাহ, সিলেটের সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান মৃত্যুবরণ করেছেন। এর মূল কারণ হচ্ছে, তারা জনগণের পাশে থেকে কাজ করছিলেন এবং তা করতে গিয়েই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, বলেন তথ্যমন্ত্রী। বিএনপি নেতাদের করোনায় আক্রান্তের খবর পাওয়া যাচ্ছে না- সাংবাদিকদের এমন মন্তব্যের প্রেক্ষিতে তথ্যমন্ত্রী বলেন, কেউ আক্রান্ত হোক, সেটি আমরা কখনো কামনা করি না। বিএনপি নেতারা সবাই সুস্থ থাকুন, আমরা এবং সব মানুষ যেন সুস্থ থাকে সেটিই আমরা কামনা করি। সেইসাথে এটিও সত্য যে, যারাই জনগণের পাশে থেকে কাজ করছেন, তারাই আক্রান্ত হচ্ছেন ও তাদেরই আক্রান্তের আশংকা বেশি। অপরদিকে বিএনপি নেতারা যারা হাতগুটিয়ে বসে আছেন, ঘরের মধ্যে থেকে প্রেস ব্রিফিং আর কিছু ফটোসেশনের মধ্যে কাজকর্ম সীমাবদ্ধ রেখেছেন, জনগণের পাশে দাঁড়াননি, তাদের আক্রান্ত হবার আশংকা কম। তবে, আমি সবসময় প্রার্থনা করি, বিএনপি নেতৃবৃন্দ সবাই সুস্থ থাকুন, বলেন তিনি। এসময় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদের দেশে স্বাস্থ্যসেবা ভেঙে পড়েছে মন্তব্যের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মন্ত্রী ড. হাছান বলেন, দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা যতটুকু আছে, সেই সামর্থকে কাজে লাগিয়ে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও প্রশাসনের প্রাণান্তকর চেষ্টায় এখনো বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে কম মৃত্যুহারের দেশগুলোর একটি। সেইসাথে স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নের সকল উদ্যোগ হাতে নেয়া হয়েছে। সুতরাং, অর্বাচীনের মতো কথা না বলে তাদের জনগণের পাশে দাঁড়াতে অনুরোধ জানাই। এর আগে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের প্রয়াত নেতা মোহাম্মদ নাসিম, সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ আব্দুল্লাহ, সিলেটের সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরানসহ দলের সদ্যপ্রয়াত নেতৃবৃন্দের আত্মার মাগফেরাত ও অসুস্থ নেতাকর্মীদের আরোগ্য কামনা করে প্রার্থনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, জাহাঙ্গীর কবির নানক, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সরাসরি উপস্থিত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, আ.ফ.ম বাহাউদ্দিন নাসিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, বি.এম মোজাম্মেল হক, এস.এম কামাল হোসেন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ এতে অংশ নেন। মাহফিল শেষে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দের দীর্ঘায়ু ও মঙ্গল কামনা এবং দেশ ও বিশ্বকে করোনা থেকে মুক্তির জন্য মুনাজাত করা হয়।
প্রয়াত নেতাকর্মীদের মাগফেরাত কামনায় আওয়ামী লীগের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
১৯জুন,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসে আক্রান্তসহ বিভিন্ন রোগে প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে আজ দলের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য এবং সাবেকমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, সিলেটের সাবেক মেয়র বদরুদ্দিন আহমেদ কামরান, সাবেক এমপি মকবুল হোসেনসহ প্রয়াত অন্যান্য নেতা-কর্মীদের রুহের মাগফেরাত কামনা এবং দেশবাসীর জন্য দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সাবেকমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনের সুস্থতা কামনায়ও দোয়া করা হয়। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এতে অংশ নেন। দোয়া মাহফিলে আওয়ামী লীগ সভাপতিমন্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, জাহাঙ্গীর কবির নানক, তথ্যমন্ত্রী ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, আফম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, এস এম কামাল হোসেন, সাখাওয়াত হোসেন শফিক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সবুর, উপ দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, কেন্দ্রীয় নেতা শাহাবুদ্দিন ফরাজি, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। জাহাঙ্গীর কবির নানক এসময় বলেন,, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী এবং মন্ত্রীরা দেশের অসহায় মানুষেরর মাঝে ত্রান বিতরণ অব্যাহত রেখেছেন। তিনি বলেন,বিএনপি এই দু:সময়ে মানুষের পাশে না দাঁডিয়ে সরকারের সমালোচনা করছে। এটি বিএনপির পুরনো অভ্যাস।

জাতীয় পাতার আরো খবর