মঙ্গলবার, আগস্ট ৪, ২০২০
৪৮তম বিজয় দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন
অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের ৪৮তম বিজয় দিবস উপলক্ষে আজ রোববার (১৬ ডিসেম্বর) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে নগরীর ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে রক্ষিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। এ সময় তিনি দেশের স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এরপর আওয়ামী সভাপতি শেখ হাসিনা দলীয় প্রধান হিসেবে দলের সিনিয়র নেতাদের নিয়ে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে আরেকটি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। জাতি আজ ৪৮তম বিজয় দিবস পালন করছে। এ দিনটি এদেশের মানুষের কাছে সবচেয়ে মূল্যবান। দীর্ঘ ৯ মাস স্বাধীনতা যুদ্ধের পর বাংলাদেশ এই দিনে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর কবল থেকে মুক্ত হয়। ৪৭ বছর আগে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে এবং ৩০ লাখ শহীদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ ও দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে জন্মলাভ করে।
আজ ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস
আজ ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস। বাঙালি জাতির হাজার বছরের শৌর্য-বীর্য এবং বীরত্বের এক অবিস্মরণীয় দিন। বিশ্বের দরবারে বীরের জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার দিন। পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন ভূখণ্ডে র নাম জানান দেয়ার দিন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ৯ মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের এই দিনে বিকেলে রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) হানাদার পাকিস্তানি বাহিনী যৌথবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে। বিশ্বের মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে নতুন রাষ্ট্র বাংলাদেশের। যে অস্ত্র দিয়ে বর্বর পাকবাহিনী দীর্ঘ ৯ মাস ৩০ লাখ বাঙালিকে হত্যা করেছে, দু’লাখ মা-বোনের সম্ভ্রম কেড়ে নিয়েছে, সেই অস্ত্র পায়ের কাছে নামিয়ে রেখে এক রাশ হতাশা এবং অপমানের গ্লানি নিয়ে লড়াকু বাঙালির কাছে পরাজয় মেনে নেয় তারা। সেই থেকে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস পালিত হয়ে আসছে। এবারের বিজয় দিবস পালিত হচ্ছে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে। জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সাম্প্রদায়িক শক্তির ধারক-বাহকদের প্রত্যাখ্যান করে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে বিজয়ী করার প্রত্যয়ে উজ্জীবিত জাতি দিবসটি পালন করছে ভিন্নভাবে। অন্যদিকে, অফুরন্ত আত্মত্যাগ এবং রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই মহান বিজয়ের ৪৭ বছর পূর্ণ হলো আজ। আজ ৪৮তম মহান দিবসে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে বীর শহীদদের শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে প্রথমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। এর পরপরই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এ সময় বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর। তিন বাহিনীর একটি সুসজ্জিত দল গার্ড অব অনার প্রদান করেন। এ সময় এক মিনিট নিরবতা পালন করে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে প্রধান বিচারপতি, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তারা স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানান। এরপরই সর্বস্তরের মানুষের জন্য জাতীয় স্মৃতিসৌধ উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। শুরু হয় স্মৃতিসৌধে জনতার ঢল। শহীদদের উদ্দেশে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে শুরু করে মানুষ। রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের সব প্রান্তের মানুষ আজ বিজয়ের আনন্দে আজ মাতোয়ারা। বঙ্গবন্ধুর বজ্রনিনাদ ভাষণ আর মুক্তিযুদ্ধের সময়ের জাগরণী গানে আকাশ-বাতাসে মুখরিত। যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস-২০১৮ উদযাপনের লক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। ১৬ ডিসেম্বর ঢাকায় প্রত্যুষে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির সূচনা হয়। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। এরপর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর নেতৃত্বে উপস্থিত বীরশ্রেষ্ঠ পরিবার, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশি কূটনীতিকবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের জনগণ পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। আজ সরকারি ছুটির দিন। সকল সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ ভবন ও স্থাপনাসমূহ আলোক সজ্জায় সজ্জিত করা হয়েছে। ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন শহরের প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপসমূহ জাতীয় পতাকা ও অন্যান্য পতাকায় সজ্জিত করা হয়েছে। ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিভিন্ন বাহিনীর বাদক দল বাদ্য বাজাচ্ছেন। দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আজ সংবাদপত্রসমূহ বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করেছে। এ উপলক্ষে ইলেকট্রনিক মিডিয়াসমূহ মাসব্যাপী মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালা প্রচার করছে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, বাংলা একাডেমি, জাতীয় জাদুঘর, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, বাংলাদেশ শিশু একাডেমিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আলোচনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শিশুদের চিত্রাঙ্কন, রচনা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনের আয়োজন করছে। এছাড়া, মহানগর, জেলা ও উপজেলায় বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেয়া হবে আজ। বাংলাদেশ ডাক বিভাগ স্মারক ডাক টিকিট প্রকাশ করেছে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসমূহে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও উপাসনার আয়োজন করা হয়েছে এবং এতিমখানা, বৃদ্ধাশ্রম, হাসপাতাল, জেলখানা, সরকারি শিশুসদনসহ অনুরূপ প্রতিষ্ঠানসমূহে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়। দেশের সকল শিশু পার্ক ও জাদুঘরসমূহ বিনা টিকিটে প্রবেশর জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসও দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে অনুরূপ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
১৬ ডিসেম্বরের জাতীয় স্মৃতিসৌধকেন্দ্রিক ট্রাফিক নির্দেশনা
অনলাইন ডেস্ক: আগামীকাল ১৬ ডিসেম্বর রোববার মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধকেন্দ্রিক চলাচলে ট্রাফিক নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। ডিএমপি জানিয়েছে, আগামীকাল রোববার মহান বিজয় দিবসের প্রত্যুষে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, মন্ত্রী পরিষদের সদস্যবৃন্দ, অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিদেশি কূটনৈতিকবৃন্দ ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন সাভার স্মৃতিসৌধে গমনাগমন করবেন। তাদের সুষ্ঠু গমনাগমন নিশ্চিত করতে এদিন ভোর সাড়ে ৩টা হতে সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত ঢাকা হতে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এজন্য বাস, মিনিবাস, ট্রাক ও লরিসহ বড় যানবাহনের চালক/ব্যবহারকারীকে বিকল্প সড়কে চলাচল করতে অনুরোধ করা হয়েছে। বিকল্প সড়কগুলো হচ্ছে- গাবতলী-আমিন বাজার ব্রিজ-সাভার-নবীনগর রোড পরিহার করে বিকল্প রাস্তা হিসেবে ঢাকা এয়ারপোর্ট রোড-আব্দুল্লাহপুর ক্রসিং-আশুলিয়া সড়ক হয়ে চলাচল করবে। আরিচা/পাটুরিয়া হতে সাভার-আমিনবাজার হয়ে ঢাকাগামী যানবাহনসমূহ নবীনগর বাজার হতে বাইপাইল-আশুলিয়া হয়ে ঢাকায় প্রবেশ করবে। টাঙ্গাইল হতে আশুলিয়া হয়ে ঢাকাগামী যানবাহনসমূহ কালিয়াকৈর-গাজীপুর চৌরাস্তা-টঙ্গী হয়ে ঢাকায় প্রবেশ করবে। ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবসে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ অনুষ্ঠান চলাকালীন যানবাহন চলাচলে শৃঙ্খলা রক্ষা ও যানজট এড়ানোর লক্ষ্যে নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ।
সরাসরি সম্প্রচার করা যাবে না ভোটকক্ষ থেকে: সিইসি
অনলাইন ডেস্ক: আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাংবাদিকরা সরাসরি সম্প্রচার (লাইভ) করতে পারবে না বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা। তিনি বলেন, তবে ভোটকক্ষ থেকে না পরলেও কক্ষ থেকে বেরিয়ে গিয়ে সরাসরি সম্প্রচার করতে পারবে। ভোটকক্ষের মধ্যে কেউ মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না বলেও এ সময় জানান সিইসি নূরুল হুদা। প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, নির্বাচনের সময় ভোটকক্ষে বিদেশি পর্যবেক্ষকরাও বেশিক্ষণ থাকতে পারবে না। শনিবার (১৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান সিইসি কেএম নূরুল হুদা। নির্বাচন চলাকালীন সময়ে সাংবাদিকরা অবাধে ভোটকক্ষে প্রবেশ করলে নির্বাচনে বিঘ্ন ঘটে উল্লেখ করে সিইসি বলেন, ভোট চলাকালীন সময়ে গণমাধ্যমকর্মীরা সীমিত আকারে প্রবেশ করতে পারবে। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে রাজধানীর মিরপুরে ড. কামালের গাড়িবহরে হামলার বিষয়ে কেএম নূরুল হুদা বলেন, তার গাড়িবহরে হামলার বিষয়টা দুঃখজনক। এ বিষয়ে আমরা ব্যবস্থা নেব। তিনি আরও বলেন, বিএনপির পক্ষ থেকে হামলার বিষয়ে আমাদের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে। এ বিষয়ে আমাদের নির্বাচনী তদন্ত কমিটি আছে, তাদের কাছে এ অভিযোগ পাঠানো হবে। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা বলেন, নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড রয়েছে, কোনো সমস্যা হচ্ছে না, সব দল প্রচারণা করতে পারছে।
সন্ত্রাস করলে সে যে দলেরই হোক, ছাড় দেওয়া হবে না: রফিকুল ইসলাম
অনলাইন ডেস্ক: সন্ত্রাস করলে সে যে দলেরই হোক, ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম। শনিবার সকালে ময়মনসিংহে তারেক স্মৃতি অডিটরিয়ামে সুশীল সমাজ, নির্বাচন কর্মকর্তা, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও গণমাধ্যম কর্মীদের নিয়ে এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। অ্যাওয়ারনেস রাইজিং অন ওমেনস পার্টিসিপেশন, সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি ইন ইলেকশন শীর্ষক এই সেমিনারে একথা বলেন তিনি। রফিকুল ইসলাম বলেন, শুধু সব দলই না, নির্বাচনে সব পর্যায়ের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার। নির্বাচনে নারীর অংশগ্রহণ বিষয়ে তিনি বলেন,সব দলের হলেই হবে না, সব ভোটারের অংশগ্রহণে পার্টিসিপেটরি ইলেকশন হতে হবে। এ জন্য দেশের প্রায় অর্ধেক নারী ভোটারকে ভোট দেওয়ার সুযোগ করে দিতে হবে। আঞ্চলিক কর্মকর্তা মো. আলিমুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন পুলিশের ডিআইজি নিবাস চন্দ্র মাঝি, বিভাগীয় কমিশনার মাহমুদ হাসান, নির্বাচন কমিশনের উপসচিব সাইফুল ইসলাম চৌধুরী, জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ড. সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাস, পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন প্রমুখ।
রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সাক্ষাৎ চেয়ে চিঠি ঐক্যফ্রন্টের
অনলাইন ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সাক্ষাৎ চেয়ে চিঠি দিয়েছে ঐক্যফ্রন্ট। বিএনপির চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান শনিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আগামী ১৭ ডিসেম্বর ড. কামাল হোসেন ও বিএনপির মহাসচিবর মির্জা ফখরুল ইসলামসহ ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে চান। জানা যায়, রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎ চেয়ে একটি চিঠি গত ১৩ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতিকে দেওয়া হয়েছে। বিএনপি চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার সাক্ষরিত ওই চিঠিতে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চেয়েছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিরোধী রাজনৈতিক জোটের প্রার্থী, নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা, মামলা ও হয়রানি বন্ধে অ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ চেয়েছেন বলে ঐক্যফ্রন্টের নেতারা জানিয়েছেন।
বিত্রনপি সম্প্রদায়িক শক্তির ধারক :কাদের
অনলাইন ডেস্ক :আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিত্রনপি সম্প্রদায়িক শক্তির ধারক। শুক্রবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।ওবায়দুল কাদের বলেন, বিজয়ের মাসে এই সাম্প্রদায়িক শক্তিকে প্রত্যাখ্যান করে দেশবাসী নৌকার বিজয় নিশ্চিত করবে। সাম্প্রদায়িকতার বিষবৃক্ষ আগামী নির্বাচনে পরাজিত হবে। সমূলে উৎপাটিত হবে। এটিই আজ আমাদের বিশ্বাস।তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ আজ বিভক্ত। একদিকে সাম্প্রদায়িক ধারা, যার নেতৃত্ব দিচ্ছে বিএনপি। আরেকদিকে অসাম্প্রাদায়িক, মানবতাবাদী চেতনার ধারা, যেই ধারার নেতৃত্ব দিচ্ছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা ও দেশরত্ন শেখ হাসিনা।
বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানালেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক :আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। এই দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মিরপুর বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। আজ শুক্রবার সকাল সাতটায় প্রথমে রাষ্ট্রপতি ও পরে প্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে কিছু সময় নিরবতা পালন করেন। এ সময় তোপধ্বনি ও বিউগলের করুণ সুর বেজে ওঠে। এর পরেপরেই সর্বস্তরের মানুষ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। শ্রদ্ধা জানান শহীদ বুদ্ধিজীবী ও মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের সদস্যরাও। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ছাড়াও রাজধানীর স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও আসেন শ্রদ্ধা জানাতে। ১৯৭১ সালে এই দিনে বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করতে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের একের পর এক হত্যা করে পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসর আলবদর রাজাকাররা। শিক্ষক, সাহিত্যিক, চিকিৎসক, সাংবাদিক বেছে বেছে জাতির মেধাবী সন্তানদের হত্যা করে বর্বর কায়দায়। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের তখন চূড়ান্ত পর্যায়। হানাদার পাকিস্তানি বাহিনী প্রায় পর্যুদস্ত। তখনই ১০ থেকে ১৪ই ডিসেম্বর পর্যন্ত পরিকল্পিতভাবে তালিকা ধরে বুদ্ধিজীবী হত্যার ঘৃণ্যতম অপকর্মটি করে ঘাতক চক্র। তাদের উদ্দেশ্য ছিল বিজয়ী বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করে দেয়া যাতে ভবিষ্যতে আর মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে। এ সময় সান্ধ্য আইনের মধ্যে রাতের আঁধারে তালিকাভুক্ত বুদ্ধিজীবীদের বাসা থেকে অপহরণ করে চোখ বেঁধে রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে নিয়ে হত্যা করা হয়। ১৪ই ডিসেম্বর চারদিকে যখন পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের রব, ঠিক তখনই পাকিস্তানি ঘাতকরা মুনীর চৌধুরী, জ্যোতির্ময় গুহ ঠাকুরতা, সন্তোষ ভট্টাচার্য, শহীদুল্লাহ কায়সার, সিরাজুদ্দিন হোসেন, আবুল খায়ের, গিয়াসউদ্দিন আহমেদ, মনিরুজ্জামান, আনোয়ার পাশা, নিজাম উদ্দিন আহমেদ, রশিদুল হাসান, সিরাজুল হক খান, ডা. আলীম উদ্দিন, ডা. ফজলে রাব্বি, নাজমুল হক, খন্দকার আবু তালেব, ডা. আমির উদ্দিন, সাইদুল হাসান প্রমুখ বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে। এ ছাড়া অনেক বুদ্ধিজীবীকে তুলে নিয়ে যায়। যাদের আজ পর্যন্ত কোনো খোঁজ মেলেনি। এরপর থেকেই প্রতি বছর ১৪ই ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করে আসছে দেশবাসী। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ পৃথক বাণী দিয়েছেন। বিকেল ৩টায় রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটশন মিলতনায়তনে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে আওয়ামী লীগ। এতে সভাপতিত্ব করবেন দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
২৪ ডিসেম্বর সেনা মোতায়েন,নির্বাচনে ৩ স্তরের নিরাপত্তা
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে নানা পরিকল্পনা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পুলিশ, র‌্যাব ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে একাদশ সংসদ নির্বাচনে বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে সংস্থাটি। ২৪ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে সেনাবাহিনী। প্রতি জেলায় ছোট আকারে সেনাবাহিনীর একটি টিম পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে কার্যপত্রে উল্লেখ করা হয়। দেশের ভৌগোলিক অবস্থা বিবেচনা করে, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিবেদন ও সার্বিক দিক লক্ষ্য রেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি। বৃহস্পতিবার জাতীয় নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে করে নির্বাচন কমিশন। বৈঠকের কার্যবিবরণী থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা, অন্য চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিব উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে জানানো হয়, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিবেদন অনুযায়ী ভোটের নিরাপত্তা পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হবে। এরপর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পরিপত্রের মাধ্যমে তা জানিয়ে দেবে। কার্যপত্রে উল্লেখ করা হয়, ভোটকেন্দ্রের বাইরে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে থাকবেন সেনা ও নৌবাহিনীর সদস্যরা। র‌্যাব, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে টহল দেবেন। তারা ভোটকেন্দ্রের ভেতরে বা ভোট গণনা কক্ষে ঢুকতে পারবেন না। অবশ্য রিটার্নিং বা প্রিসাইডিং কর্মকর্তা চাইলে স্ট্রাইকিং ও মোবাইল টিমের সদস্যরা প্রয়োজনে ভোটকেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করতে পারবেন। নির্বাচনের আগে ও পরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে, মেট্রোপলিটন এলাকা, মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে ও বিশেষ এলাকায় (পার্বত্য অঞ্চল, দ্বীপ এলাকা ও হাওর) পৃথক সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে। এছাড়া, গোয়েন্দা প্রতিবেদন অনুযায়ী সহিংসতাপ্রবণ এলাকাগুলোর জন্য থাকবে আলাদা সতর্কমূলক ব্যবস্থা। ইসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভোটকেন্দ্রের পাহারায় মেট্রোপলিটন এলাকার সাধারণ কেন্দ্রে পুলিশ, আনসার, গ্রাম পুলিশের মোট ১৬ জন সদস্য নিযুক্ত থাকবেন। এর মধ্যে অস্ত্রসহ পুলিশ ৩ থেকে ৫ জন, অঙ্গীভূত আনসার ১১ জন ও গ্রাম পুলিশের ১ জন সদস্য নিযুক্ত থাকবেন। এসব এলাকার গুরুত্বপূর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে মোট ১৭ জন ও অস্ত্রসহ ৪ থেকে ৬ সদস্য নিযুক্ত থাকবেন। এর মধ্যে অস্ত্রসহ পুলিশ থাকবেন ন্যূনতম ৪ জন। মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে পুলিশ, আনসার, গ্রাম পুলিশের মোট ১৪ জন সদস্য নিযুক্ত থাকবেন। এর মধ্যে অস্ত্রসহ পুলিশ ১ জন, অঙ্গীভূত আনসার ১২ জন ও গ্রাম পুলিশের ১ থেকে ২ জন সদস্য নিযুক্ত থাকবেন। এসব এলাকার গুরুত্বপূর্ন কেন্দ্রে মোট ১৫ জন ও অস্ত্রসহ ৩ থেকে ৪ সদস্য নিযুক্ত থাকবেন। এর মধ্যে অস্ত্রসহ পুলিশ থাকবেন ন্যূনতম ২ জন। অন্যদিকে, পার্বত্য এলাকা, হাওর, দ্বীপাঞ্চলকে বিশেষ এলাকা চিহ্নিত করে সেসব এলাকায় পুলিশ, আনসার, গ্রাম পুলিশের মোট ১৫ জন সদস্য নিযুক্ত থাকবেন। এর মধ্যে অস্ত্রসহ পুলিশ ২ জন, অঙ্গীভূত আনসার ১২ জন ও গ্রাম পুলিশের ১ থেকে ২ জন সদস্য নিযুক্ত থাকবেন। এসব এলাকার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে মোট ১৬ জন ও অস্ত্রসহ ৪ থেকে ৫ সদস্য নিযুক্ত থাকবেন এর মধ্যে অস্ত্রসহ পুলিশ থাকবেন ন্যূনতম ৩ জন। ভোটকেন্দ্রে নিয়োজিত পুলিশ সদস্যরা ভোট গ্রহণের দুই দিন আগে এবং ভোটের দিন ও ভোটের পরের দিনসহ চার দিন মাঠে থাকবেন। আনসার সদস্যরা ভোট গ্রহণের তিন দিন আগে মাঠে নেমে থাকবেন পরের দিন পর্যন্ত। আগামী ২৪ থেকে ২৬ ডিসেম্বরের মধ্যে যেকোনো দিন মাঠে নামবে সেনাবাহিনী। তবে এর আগে ১৫ ডিসেম্বর থেকে পরিস্থিতি অবলোকন (রেকি) করবেন তারা। সেনাবাহিনীর প্রতিটি টিমের সঙ্গে একজন করে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হবে। ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। বিজিবি, কোস্টগার্ড ও আর্মড পুলিশের সদস্যরা জেলা, উপজেলা ও থানাসমূহে মোবাইল স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবেন। তারা রিটার্নিং অফিসার ও প্রিজাইডিং অফিসারের চাহিদার ভিত্তিতে ভোটকেন্দ্রের অভ্যন্তরে কিংবা ভোট গণনাকক্ষের শান্তিশৃংখলা রক্ষার্থে থাকবেন। এছাড়া, ইভিএমের নিরাপত্তা বিধানের দায়িত্বে থাকবেন। অন্যদিকে, র‌্যাব স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে এবং নির্বাচনী এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করবে। নির্বাচনি সামগ্রী আনা-নেওয়া, নির্বাচন কার্যালয়সমূহের নিরাপত্তা, ভোট সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবে। ভোটারদের জন্য আস্থার পরিবেশ সৃষ্টির জন্য কাজ করবেন পুলিশ সদস্যরা। নির্বাচনে পুলিশের ১ লাখ ৮৪ হাজার ৬৫৭ জন মোতায়েন থাকবেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও আচরণবিধি প্রতিপালনে ১ হাজারের বেশি জুডিশিয়াল ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে থাকবেন। প্রার্থী ও সমর্থকদের আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করতে মাঠে থাকবেন ৬৫২ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও ৬৪০ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। সবমিলিয়ে ভোটের মাঠের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ৬ লাখের বেশি সদস্য মাঠে নামছেন। নির্বাচন কমিশনের একাধিক সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোট গ্রহণের আগে ও পরে সব মিলিয়ে মোট সাত দিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের জন্য প্রায় ৪১০ কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ৫০ শতাংশ টাকা নির্বাচনের আগে অগ্রিম দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

জাতীয় পাতার আরো খবর