ভারত ও বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক
অনলাইন ডেস্ক :দ্বিপাক্ষিক নানা বিষয় নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক চলছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় এ বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে নয় সদস্যের ভারতীয় প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। আর বাংলাদেশের ১৫ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে আছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, বৈঠকে নিরাপত্তা সহযোগিতা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, কনস্যুলার সেবা সংক্রান্ত বিষয় এবং জাল মুদ্রা, মাদক ও মানবপাচারের মতো অপরাধমূলক কর্মকান্ড কীভাবে দমন করা যায় সেসব বিষয় নিয়েও আলোচনা হবে। দুই দেশের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করতে দুই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে সংশোধিত ট্র্যাভেল এগ্রিমেন্ট ২০১৮ সই হওয়ার কথা রয়েছে। ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রোববার সকালে সচিবালয়ে পৌঁছালে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। পুলিশ প্রধান, কোস্টগার্ড প্রধান, র‌্যাব প্রধান, ডিএমপি কমিশনারসহ বিভিন্ন আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারাও উপস্থিত রয়েছেন এ বৈঠকে ।
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন
অনলাইন ডেস্ক :ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন ঢাকা সফররত ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। সেখানে তিনি জাতির জনকের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে তিনি বঙ্গবন্ধু জাদুঘর ঘুরে ঘুরে দেখেন এবং পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর করেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রোববার (১৫ জুলাই) সকাল ৯ টায় ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে যান রাজনাথ সিং। এরপর সকাল ১০ টায় বিশেষ প্রার্থণা অনুষ্ঠানে যোগদিতে রাজধানীর ঢাকেশ্বরি মন্দিরের উদ্দেশ্য যান তিনি। প্রার্থনা শেষে সকাল সাড়ে ১০ টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত দুই দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল এবং রাজনাথ সিং সচিবালয়ে আনুষ্ঠানিক বৈঠকে মিলিত হবেন। বৈঠক শেষে দুই দেশের মধ্যে ২০১৭ সালের মোটর গাড়ি (যাত্রী) চলাচলের চুক্তিটি নবায়ন করা হবে। আশা করা হচ্ছে এদিন দুপুর ৩ টায় নয়াদিল্লির উদেশ্য ঢাকা ত্যাগ করবেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের আমন্ত্রণে তিনদিনের সরকারি সফরে শুক্রবার সন্ধ্যায় একটি বিশেষ বিমানে ঢাকা আসেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। বাংলাদেশ-ভারতের মধ্য সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে সহযোগিতা জোরদারেই মূলত তিনি ঢাকা আসেন। রাজনাথের সফরসঙ্গী হিসেবে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সেক্রেটারি (বিএম) বারজ রাজ শর্মা, অতিরিক্ত সচিব এ কে মিসরা, যুগ্মসচিব সাতিনদিয়া গর্গসহ ১২ সদস্যর একটি প্রতিনিধি দল ঢাকা আসেন।
আইনমন্ত্রীর বড় বোনের ইন্তেকাল
অনলাইন ডেস্ক :আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হকের বড় বোন মিস সায়মা ইসলাম ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শনিবার (১৪ জুলাই) দিবাগত রাত ১টার দিনে রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধী অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর। সায়মা ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে কিডনি রোগে ভুগছিলেন। রোববার (১৫ জুলাই) সকালে আইন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম জানান, রোববার বিকেল ৫টার দিকে রাজধানীর গুলশান আজাদ মসজিদে তার নামাজে জানাযা শেষে বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। জানাযায় তার সব আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও শুভানুধ্যায়ীদের উপস্থিত থাকার জন্য আইনমন্ত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
পৌরসভার মেয়রকে হত্যাচেষ্টা
অনলাইন ডেস্ক :শনিবার (১৪ জুলাই) দিনগত রাত দেড়টার দিকে মাদারীপুর জেলার কালকিনি পৌরসভার মেয়র এনায়েত হোসেন হাওলাদারকে (৩৫) কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। স্থানীয়রা জানায়, রাত দেড়টার দিকে মুখোশ পরা ১০/১২ জনের একটি দল পেছনের গেট ভেঙে মেয়রের বাড়ি ঢোকে। এরপর তারা মেয়রের শোবার ঘরের জানালা ভেঙে রাম দা দিয়ে আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন। একপর্যায়ে আত্মরক্ষার্থে নিজের শর্টগান দিয়ে তিনি গুলি ছুড়লে দুর্বৃত্তরাও কয়েক রাউন্ড গুলি ছুড়ে এবং বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায়। পরে আহত মেয়রকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয়। মেয়র বলেন, আমাকে মেরে ফেলতেই এ হামলা চালানো হয়েছে। কালকিনি থানার ওসি কৃপা সিন্ধু বালা জানান, খবর পেয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। হামলাকারীদের ধরতে অভিযান চলছে।
কিছু মহল নানা ধরনের ভয়ভীতি সৃষ্টি করে
অনলাইন ডেস্ক :সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কিছু মহল নানা ধরনের ভয়ভীতি সৃষ্টি করে। ভয়ের কোনো কারণ নেই। আজ শনিবার (১৪ জুলাই) রূপপুরে নির্মাণাধীন দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের মূল নির্মাণকাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং রাশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী ইউরি ইভানোভিচ বোরিচভ দ্বিতীয় ইউনিটের প্রথম কংক্রিট ঢালাইয়ের অনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন প্রযুক্তি অনেক এগিয়ে গেছে, অনেক উন্নত হয়েছে। রাশিয়া তাদের সর্বশেষ ও সর্বাধুনিক প্রযুক্তি দিয়ে এটা নির্মাণ করছে। শেখ হাসিনা বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং নিরাপত্তার জন্য সব ধরনের প্রশিক্ষণ আমরা দিচ্ছি আমাদের লোকজনকে। আমাদের সেনাবাহিনীসহ সব বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে প্রশিক্ষিত আলাদা একটি ইউনিট গঠন করছি। এজন্য রাশিয়ায় যেমন প্রশিক্ষণ হচ্ছে, ভারতেও প্রশিক্ষণ চলছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বর্জ্যও নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব রাশিয়া নিয়েছে। কাজেই কারো কোনো আতঙ্কগ্রস্ত হওয়ার কিছু নেই। বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি শান্তির জন্য ব্যবহার করবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। রাশিয়ার সর্বাধুনিক প্রযুক্তি, আর্থিক সহায়তা ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংস্থা আণবিক শক্তি করপোরেশনের (রোসাটম) অঙ্গ প্রতিষ্ঠান এএসই গ্রুপ অব কোম্পানিজ এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের রিয়েক্টর ভবনের প্রথম কংক্রিট ঢালাইয়ের মাধ্যমে ইউনিটটির মূল নির্মাণকাজ শুরু হবে। পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুর ইউনিয়নে এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রায় ১২শ’ একর জমির উপর নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে সবচেয়ে বৃহৎ ও ব্যয়বহুল প্রকল্প। গত বছর ৩০ নভেম্বর এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের কংক্রিট ঢালাইয়ের উদ্বোধন করা হয়। প্রথম ইউনিটের এই কংক্রিট ঢালাইয়ের কাজ শুরুর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব পরমাণু ক্লাবে (নিউক্লিয়ার নেশন) যুক্ত হয়েছে। বাংলাদেশ বিশ্ব পরমাণু ক্লাবের ৩২তম সদস্য দেশ। বর্তমানে বিশ্বের ৩১টি দেশে ৪৫০টি পারমাণবিক বিদ্যুতের ইউনিট চালু আছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণকে বাংলাদেশের জন্য অনেক বড় অর্জন হিসেবে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এটা আমাদের জন্য অনেক বড় অর্জন। আমাদের এই অগ্রগতি অব্যাহত থাকুক, এটা আমরা চাই। আমরা এই অগ্রগতি অব্যাহত রাখবো। রাশিয়াকে সুসময়ের বন্ধু ও দুঃসময়ের বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, রাশিয়া বাংলাদেশকে শুধু মুক্তিযুদ্ধের সময় সহযোগিতাই করে নাই, যুদ্ধের পরে দেশ গড়ে তোলার ‍কাজেও সহযোগিতা করেছে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় চট্টগ্রাম বন্দরে পোতা মাইন স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে অপসারণ করতে গিয়ে রাশিয়ার কয়েকজন আত্মত্যাগ করেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেই রাশিয়া আজ আমাদের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে সহযোগিতা করছে। আমি ২০১৩ সালে রাশিয়া সফরে পুতিনের সঙ্গে কথা বলি। তখন তিনি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। উন্নত দেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে শেখ হাসিনা বলেন, ২০২১ সাল পর্যন্ত যেসব পরিকল্পনা ছিল সেগুলো বাস্তবায়ন করছি। ২০২১ থেকে ৪১ সাল পর্যন্ত কিভাবে দেশকে এগিয়ে নেবো তার একটা খসড়া পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। আমি সেটা একবার দেখেছি। আমরা পরিকল্পনা তৈরি করছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, এগিয়ে যাবো, কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না। ওই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- ইন্টারন্যাশনাল অ্যাটমিক এনার্জি অ্যাসোসিয়েশনের (আইএইএ) পরিচালক দহী হান, রাশিয়ার কৃষি উপমন্ত্রী ইলিয়া শেস্তাকফ, রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি সংস্থার (রোসাটম) ডেপুটি ডিরেক্টর আলেক্সান্ডার লাক্সি, ভারতের পরমাণু শক্তি কমিশনের প্রধান অভিলাস ভরদ্বাজ প্রমুখ৷ আরও উপস্থিত ছিলেন- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধিরী, ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরিফ, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম প্রমুখ।
বন্দুকযুদ্ধে নিহত ২
অনলাইন ডেস্ক :সাতক্ষীরায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আব্দুল কালাম আজাদ ও দেলোয়ার হোসেন নামে দুই মাদক বিক্রেতা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে তিন কেজি গাঁজা, ২০ বোতল ফেনসিডিল, একটি ওয়ান শুটার গান, এক রাউন্ড গুলি ও চারটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে সদর উপজেলার বাশদাহ ইউনিয়নের কয়ার বিল এলাকায় এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। নিহত কালাম জেলার কলারোয়া উপজেলার কেড়াগাছি ইউনিয়নে আবুল কাসেমের ছেলে ও কেড়াগাছি ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি এবং দেলোয়ার বাশদাহ গ্রামের বাসিন্দা। সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, শনিবার বিকালে বাশদাহ বাজার এলাকা থেকে দুই কেজি গাঁজা ও ২০ বোতল ফেনসিডিলসহ কালাম ও দেলোয়ারকে আটক করে ডিবি পুলিশের সদস্যরা। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করে রাতেই সীমান্ত দিয়ে মাদকের বড় একটি চালান দেশে প্রবেশ করছে। তাদের দেওয়া তথ্য মতে, তাদের সঙ্গে নিয়ে রাত সাড়ে ৩টায় সীমান্তবর্তী বাশদাহ ইউনিয়নের কয়ার বিলে অভিযানে যায় সদর থানা ও ডিবি পুলিশের একটি দল। সেখানে পৌঁছানো মাত্র পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি ছোড়ে মাদক চোরাকারবারীরা। পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। একপর্যায়ে কালাম ও দেলোয়ার দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় গোলাগুলির মধ্যে পড়ে যায়। এসময় মাদক চোরাকারবারীরা পিছু হটতে বাধ্য হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে কালাম ও দোলোয়ারকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। তাৎক্ষণিক উদ্ধার করে তাদের সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। অভিযানে সদর থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশের পাঁচ সদস্য সামান্য আহত হয়েছেন। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান ওসি মারুফ আহমেদ।
আলোচনার মাধ্যমে সমাধান চায় বাংলাদেশ
অনলাইন ডেস্ক: প্রতিবেশী দেশসমূহের সঙ্গে বাংলাদেশ সব সময় আলোচনার মাধ্যমে সকল সমস্যা সমাধান করতে চায় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ সফররত ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংহ শনিবার সকালে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে একথা বলেন তিনি। সাক্ষাতের পর প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। শেখ হাসিনা বলেন, ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষরিত স্থল সীমান্ত চুক্তিসহ বিভিন্ন চুক্তি বাস্তবায়ন দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমেই সম্ভব হয়েছে। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তাঁর সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ, তার ভূখন্ডকে ব্যবহার করে কখনোই কোনভাবেই কোন সন্ত্রাসী বা সন্ত্রাসবাদি গোষ্ঠীকে প্রতিবেশি দেশের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসি কার্যকলাপ পরিচালনা করতে দেবে না। বাংলাদেশের মাটি থেকে ভারতসহ কোন প্রতিবেশী দেশের বিরুদ্ধে কোন ধরনের সন্ত্রাসী ও উগ্রবাদী কার্যক্রম চালাতে দেয়া হবে না। ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সন্ত্রাসবাদ সমূলে উৎপাটনে দক্ষিণ এশিয়ার দেশ সমূহের মধ্যে আঞ্চলিক পর্যায়ে আলোচনার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, সকলে ঐক্যবদ্ধ থাকলে এ সামাজিক ব্যাধিকে মোবাবেলা করা সম্ভব। তবে তিনি বলেন, এ অঞ্চলের কোন কোন দেশের কারণে সেটা সম্ভব হচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করে রাজনাথ সিং বলেন, ৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভবত বিশ্বে সর্বোচ্চ এবং দ্রুত বর্ধনশীল জিডিপি। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বর্তমানে সর্বোচ্চ পর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক সুসম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত মে মাসে পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তার বৈঠকের কথা স্মরণ করে বলেন, সে বৈঠক ফলপ্রসু হয়েছিল। ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্পেশাল সেক্রেটারি বর্ডার ম্যানেজমেন্ট ব্রজরাজ শর্মা, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রীংলা এবং বাংলাদেশের পক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন, মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দীন এবং সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব ফরিদ উদ্দীন আহম্মদ চৌধুরী এবং পুলিশের আইজিপি ড.মোহাম্মদ জাভেদ পাটোয়ারি এ সময় উপস্থিত ছিলেন।-বাসস
সঠিক পথেই কোটা সমস্যার সমাধান: সেতুমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কোটা সমস্যার সমাধান সঠিক পথেই আছে। আজ শনিবার সেতু কর্তৃপক্ষের কার্যালয় সেতু ভবনে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা ব্লুম বার্নিকাটের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। কোটা সংস্কার আন্দোলন সমস্যার ইতিবাচক সমাধানের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন মন্ত্রী বলেন, কোটা সমস্যার সমাধানে সরকার এখন একেবারে রাইট ট্র্যাকে আছে। এখানে ফর্মালি একটা কমিটি গঠন করা হয়েছে কেবিনেট সেক্রেটারির নেতৃত্বে। এই কমিটি খোঁজ-খবর নিচ্ছে, অন্যান্য দেশেরও তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করছে। আমার মনে হয় বিষয়টা দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, আমি শুধু কোটা সংস্কার আন্দোলনে যারা আছে তাদের অনুরোধ করব ধৈর্য ধরার জন্য। প্রধানমন্ত্রী যে স্টেপ নিয়েছেন এই পদক্ষেপের প্রতি আস্থা রেখে আরেকটু ধৈর্য ধরতে অনুরোধ করব। তাছাড়া দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের বিভিন্ন বিষয় ছাড়াও আলোচনায় আসন্ন তিন সিটি নির্বাচন এবং জাতীয় নির্বাচনের বিষয়টিও উঠে আসে। বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রয়োজনীয়তার কথা যুক্তরাষ্ট্র বারবার বলবে বলে জানান রাষ্ট্রদূত বার্নিকাট। বিএনপি নেতাদের সাম্প্রতিক বক্তব্যের কথা তুলে ধরে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক কাদের বলেন, বিএনপি জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেবে। তবে বিএনপিকে নির্বাচনে নিয়ে আসতে আওয়ামী লীগ আগ বাড়িয়ে কোনো ব্যবস্থা নেবে না বলেও জানান তিনি।