গণপরিবহনে ভাড়া বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন স্থগিত চেয়ে আইনি নোটিশ
১জুন,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা প্রাদুর্ভাবের মধ্যে গণপরিবহনের ভাড়া ৬০ শতাংশ বৃদ্ধি করে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপন স্থগিত চেয়ে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় (সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ) সচিব ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চেয়ারম্যানকে নোটিশটি পাঠানো হয়েছে। সোমবার (১ জুন) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনিরুজ্জামান লিংকন জনস্বার্থে এ নোটিশটি পাঠিয়েছেন। নোটিশে বলা হয়েছে, করোনার কারণে মানুষের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। নিম্ন ও মধ্যম আয়ের অধিকাংশ মানুষ কর্মহীন হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। আর সরকার সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে অসহায় এবং দুস্থ মানুষের করোনাকালীন বিপর্যয় রোধের জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং এই লক্ষ্যে বিভিন্নভাবে খাদ্য সহায়তা এবং নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। কর্মহীন এবং বেকার নিম্ন-মধ্যম আয়ের মানুষ এবং অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল মানুষের জীবন ও জীবিকার বিষয়টি বিবেচনা করে এবং অর্থনীতিকে সচল রাখতে সরকার সীমিত পরিসরে সরকারি, বেসরকারি অফিস সাময়িকভাবে খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। অথচ সেই করোনা পরিস্থিতিতে এসে সরকারের জাতীয় সড়ক এবং মহাসড়ক বিভাগ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি বাস-মিনিবাসের ক্ষেত্রে ৬০ শতাংশ ভাড়া বৃদ্ধি করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। যা লোকজনকে আরও বেশি বিপর্যস্থ ও হতাশাগ্রস্থ করেছে। এতে আরও বলা হয়, যেহেতু বর্তমানে বিশ্ব বাজারে তেলের দাম সর্বনিম্ন সেহেতু অতিরিক্ত ভাড়া না বাড়িয়ে বিশ্ববাজারে থেকে কম মূল্যে তেল সংগ্রহ করে বিষয়টি সমন্বয় করতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে। নোটিশ পাওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গণপরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন স্থগিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। অন্যথায় জনস্বার্থে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রসঙ্গত,রোববার (৩১ মে) করোনাকালীন সময়ে গণপরিবহনের ভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ৮০ শতাংশ ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব করলেও তা কমিয়ে ৬০ শতাংশ করে মন্ত্রণালয়।
শুরু হয়েছে বাস চলাচল
১জুন,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনার প্রভাবে দীর্ঘদিন বন্ধ ছিলো গণপরিবহন। লকডাউন তুলে দেয়ায় আজ থেকে শুরু হয়েছে বাস চলাচল। ইতিমধ্যে সরকার ৬০ শতাংশ ভাড়া বৃদ্ধি করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। কিন্তু সরকার নির্ধারিত এ ভাড়াও মানছেন না কাউন্টারগুলো। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে রংপুর থেকে ঢাকায় বাসভাড়া ৫০০ টাকা। করোনা পরিস্থিতির কারণে সরকার নির্ধারিত অতিরিক্ত ৬০ শতাংশ ভাড়া বৃদ্ধি করলে বর্মান ভাড়া দাঁড়ায় ৮০০ টাকায়। কিন্তু তারা এ নিয়মও মানছেন না। জনপ্রতি ভাড়া রাখছেন ১০০০ হাজার টাকা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কাউন্টার থেকে দেয়া টিকিটে ৯০০ টাকা লেখা থাকলেও আরো ১০০ টাকা অতিরিক্ত নেয়া হচ্ছে। জানতে চাইলে কাউন্টারগুলো থেকে বলা হয়, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় ১০০ টাকা বেশি নিচ্ছেন তারা। এছাড়াও টিকিটের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে জটলা পাকিয়ে টিকিট সংগ্রহ করতে দেখা যায়। তবে নিয়ম অনুযায়ী একসিট পরপর যাত্রী নিচ্ছেন তারা।
চাল আত্মসাতের অভিযোগে আরো ২ জনপ্রতিনিধি বরখাস্ত
৩১মে,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ত্রাণ বিতরণে অনিয়ম ও চাল আত্মসাতের অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার ১২নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রফিকুল ইসলাম নেহার এবং শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার আরশীনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শামসুদ্দোহা (ড. রতন)-কে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়। রোববার (৩১ মে) স্থানীয় সরকার বিভাগ হতে এ সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হবার পর এ নিয়ে মোট ৭৪ জন জনপ্রতিনিধিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো। এদের মধ্যে ২৪ জন ইউপি চেয়ারম্যান, ৪৫ জন ইউপি সদস্য, ১ জন জেলা পরিষদ সদস্য, ৩ জন পৌর কাউন্সিলর এবং ১ জন উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার কাউন্সিলর রফিকুল ইসলাম নেহার এর বিরুদ্ধে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণের কারণে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে কর্মহীন হয়ে পড়া দরিদ্র-নিম্নআয়ের মানুষের মধ্যে বিশেষ ওএমএস কার্যক্রমের আওতায় ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিতরণে অনিয়ম করে নিজের পরিবারের স্বচ্ছল সদস্য ও আত্মীয়-স্বজনসহ ১৬ ব্যক্তির নাম ওএমএসের ভোক্তা তালিকায় অন্তর্ভুক্তকরণ এর অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। কাজেই স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯ এর ধারা ৩১(১) অনুযায়ী তাকে স্বীয় পদ থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো। পৃথক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার আরশীনগর ইউপি চেয়ারম্যান মো. শামসুদ্দোহা (ড. রতন) মৎস্যজীবীদের ভিজিএফের ৩৫ বস্তা চাল আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়ে জেলহাজতে রয়েছেন এবং শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক আইনানুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছেন। কাজেই স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ এর ৩৪(১) ধারা অনুযায়ী তাকে স্বীয় পদ থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো। একই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার আরশীনগর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম এর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শরীয়তপুর জেলা প্রশাসনকে অনুরোধ করা হয়েছে। এছাড়া করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পূর্বে এ বছরের ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় সাতক্ষীরা জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার মৌতলা ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ডের সদস্য মীর সালমান রহমান ডালিম এবং দিনাজপুর জেলার বিরল উপজেলাধীন ধর্মপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৮নং ওয়ার্ডের সদস্য মো. মতিউর রহমান (মতি)-কে সাময়িকভাবে বরখাস্তকরণের প্রজ্ঞাপনও আজ রোববার জারি করা হয়েছে।
খেটে খাওয়া মানুষের কথা ভাবে না বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী
৩১মে,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি খেটে খাওয়া মানুষের কথা ভাবেনা, সেজন্যই তারা সবকিছু বন্ধ করে দেয়ার মতো কথা বলতে পারে। রোববার (৩১ মে) দুপুরে রাজধানীতে বাংলাদেশ সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে লকডাউন খোলার বিরুদ্ধে বিএনপির বক্তব্য নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রতিদিন নানা কথা বলছেন। বিএনপির বক্তব্যে মনে হয়, তাদের চিন্তাধারা একপেশে। দেশের কোটি কোটি খেটে খাওয়া মানুষের কথা তারা মোটেও চিন্তা করে না। প্রতিদিনের আয়ের ওপরই যে কোটি কোটি মানুষের জীবন-জীবিকা চলে, তাদের মুখে আহার ওঠে, সেই কথাটা মোটেই তারা চিন্তা করে না। সেজন্যই তারা সবকিছু একেবারে বন্ধ করে দেয়ার মতো কথা বলতে পারে, কারফিউ দেয়ার কথাও মাঝেমধ্যে তারা বলে। আমাদের দেশ একটি খেটে খাওয়া মানুষের দেশ, এখানে কোটি কোটি মানুষ তাদের প্রতিদিনের উপার্জনের ওপর নির্ভর করে, তাদের কথা মাথায় রেখেই সরকার সঠিক পদক্ষেপ নিয়ে এগুচ্ছে,বলেন ড. হাছান। জীবনরক্ষার জন্য জীবিকাকেও রক্ষা করতে হয় এবং সরকারকে জীবন ও জীবিকা দুটিই রক্ষার জন্য কাজ করতে হয় উল্লেখ করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সেকারণেই পৃথিবীর উন্নত দেশগুলো অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু করেছে। যুক্তরাজ্যে মৃত্যুহার ১৪ শতাংশের বেশি, সেখানে বেশ আগেই সমস্ত কর্মকাণ্ড শুরু হয়েছে। বেলজিয়ামে মৃত্যুর হার ১৬ শতাংশের বেশি, সেখানে গত সপ্তাহে সবকিছু খুলে দেয়া হয়েছে। ইটালি, স্পেনে কি বিপর্যস্ত অবস্থা ছিল! সেখানেও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু হয়েছে। ইউরোপের অন্যান্য দেশেও তা শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, পাকিস্তানে বেশ কদিন আগে সবকিছু খুলে দেয়া হয়েছে। ভারতে দু সপ্তাহের বেশি সময় আগে ট্রেনসহ নানা গণপরিবহন চালু করা হয়েছে, বিভিন্ন রাজ্যে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু হয়েছে। আর আমাদের দেশে সরকারের সঠিক পদক্ষেপের ফলে মৃত্যুর হার ১.৩৬ শতাংশ যা ভারত, পাকিস্তান ও ইউরোপ-আমেরিকার চেয়ে অনেক কম। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, বাংলাদেশেও মানুষের জীবন-জীবিকা রক্ষার জন্যই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২৬ মার্চ থেকে ঘোষিত সাধারণ ছুটি আজকের পর আর প্রলম্বিত করেননি। কারণ আমাদের দেশ একটি খেটে খাওয়া মানুষের দেশ। এখানে মাসের পর মাস সবকিছু বন্ধ করে রাখা সম্ভব নয়। যেখানে ইউরোপের উন্নত দেশগুলো পারেনি, সেখানে প্রতিদিন এখনও বহুমানুষের মৃত্যু হচ্ছে, প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে, তারপরও তারা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু করেছে। একইসাথে সতর্কবার্তা উচ্চারণ করে ড. হাছান বলেন, তবে এই অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু করা কিম্বা ছুটি প্রলম্বিত না করার মানে এই নয় যে, আমরা করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার আগে যেভাবে চলতাম, সেভাবে চলবো। এখন অবশ্যই আমাদের স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে, সবাইকে মাস্ক পরতে হবে, জনসমাগম এড়িয়ে চলতে হবে, সব ধরণের শারীরিক দুরত্ব বজায় রাখতে হবে। আড্ডা থেকে শুরু করে সামাজিক মেলামেশা পরিহার করতে হবে। মনে রাখতে হবে, আমার সুরক্ষা আমার হাতে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, শুধুমাত্র প্রয়োজনেই আমরা ঘর থেকে বের হবো ও কাজ করবো, অপ্রয়োজনীয় কোনো কিছু করবো না, তাহলেই আমরা আমাদেরকে সুরক্ষা দিতে পারবো।
করোনায় দেশে সর্বোচ্চ ৪০ জনের মৃত্যু
৩১মে,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মহামারি আকার ধারণ করা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু ও নতুন শনাক্তের রেকর্ড গড়েছে। দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ আরও ৪০ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৬৫০ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হিসেবে একদিনে সর্বোচ্চ শনাক্ত হয়েছেন দুই হাজার ৫৪৫ জন। এতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা হয়েছে ৪৭ হাজার ১৫৩। রোববার (২৯ মে) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস বিষয়ক নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। বুলেটিন পড়েন অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (মহাপরিচালকের দায়িত্বপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। নতুন যুক্ত দুটিসহ মোট ৫২টি আরটি-পিসিআর ল্যাবরেটরিতে নমুনা পরীক্ষার তথ্য তুলে ধরে তিনি জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় ১২ হাজার ২২৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো তিন লাখ আট হাজার ৯৩০টি। নতুন নমুনা পরীক্ষায় করোনার উপস্থিতি পাওয়া গেছে আরও দুই হাজার ৫৪৫ জনের দেহে। এটি এ যাবতকালের সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড। ফলে দেশে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৪৭ হাজার ১৫৩ জন। ডা. নাসিমা জানান, আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে আরও ৪০ জনের। এটি এখন পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ প্রাণহানির রেকর্ড। ফলে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৬৫০ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও ৪০৬ জন। এ নিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল নয় হাজার ৭৮১ জনে। ডা. নাসিমা করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে সবাইকে স্বাস্থ্য অধিদফতর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ-নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানান বুলেটিনে। এদিকে আজ রোববার বাংলাদেশ সময় সকাল পর্যন্ত বিশ্বখ্যাত জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনার শিকার এখন পর্যন্ত ৬১ লাখ ৫০ হাজার ৪৮৩ জন মানুষ। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১ লাখ ২৩ হাজার ৭৪০ জন। নতুন করে প্রাণ গেছে ৪ হাজার ৮৪ জনের। এ নিয়ে করোনারাঘাতে পৃথিবী ছেড়েছেন বিশ্বের ৩ লাখ ৭০ হাজার ৫০৬ জন মানুষ। আর সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ২৭ লাখ ৩৪ হাজার ৭৭৭ জন। প্রসঙ্গত, গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে উৎপত্তি হওয়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৩টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। দেশে প্রথম কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হন ৮ মার্চ এবং এ রোগে আক্রান্ত প্রথম রোগীর মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ। গত ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারী ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় ধাপে ধাপে খোলা হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: প্রধানমন্ত্রী
৩১মে,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছন, আত্মবিশ্বাস নিয়ে মহামারি করোনাভাইরাস দুর্যোগ মোকাবিলা করতে হবে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় ধাপে ধাপে খোলা হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। রোববার (৩১ মে) সকাল ১১টায় গণবভনে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ফলের অনুলিপি তুলে দেয়া হয়। সেখানে ফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। সকাল ১১ টায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে শিক্ষাবোর্ডের সার্ভার থেকে এসএমএসের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ফল জানিয়ে দেয়া হচ্ছে। মোবাইলে ফল পেতে SSC লিখে একটি স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০২০ লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠিয়ে শিক্ষার্থীরা প্রি-রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন বলে জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে। আর এতে খরচ হবে ২ টাকা ৫৫ পয়সা। ফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে প্রি-রেজিস্ট্রেশন করা শিক্ষার্থীদের মোবাইল নম্বরে ফলাফল পৌঁছে যাচ্ছে। এছাড়া নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকেও ফল জানা যাবে। ফল প্রকাশের দিন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানগুলোর অফিস বন্ধ রাখতে বোর্ডগুলোর পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এ বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৯ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। গত কয়েক বছর ধরে পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে এসএসসি পরীক্ষার ফল ঘোষণা করা হলেও এবার করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে তা সম্ভব হয়নি। আর প্রতিবার ফলাফল নিয়ে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী। কিন্তু এবার তা হয় নি।
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৮২.৮৭
৩১মে,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ২০২০ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। এবার সম্মিলিত পাসের হার ৮২ দশমিক ৮৭। প্রকাশিত ফলাফলে যশোরে পাশের হার ৮৭.৩১%, ময়মনসিংহে ৮০.১৩%, বরিশালে ৭৯.৭০%, কুমিল্লা ৮৫.২২%, চট্টগ্রামে ৮৪.৭৫%, রাজশাহীতে ৯০.৩৭%, দিনাজপুরে ৮২.৭৩%। রোববার (৩১ মে) সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি জানান, আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে গড়ে ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। সবগুলো বোর্ডে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন মোট ২০ লাখ ৪০ হাজার ২৮ জন শিক্ষার্থী। যার মধ্যে ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৫২৩ জন শিক্ষার্থী পাস করেছে। এদিকে ভিডিও কনফারেন্সে এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রবিবার (৩১ মে) সকাল ১০টায় গণভবন থেকে এ ফল ঘোষণা করেন তিনি। এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ফল প্রকাশ করেছি। পরে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ফেসবুক লাইভে ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরেন। শিক্ষামন্ত্রী জানান, এসএমএস, প্রি-রেজিস্ট্রেশন এবং সংশ্লিষ্ট বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে ফল জানতে পারবে শিক্ষার্থীরা। এ বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় গত ৩ ফেব্রুয়ারি। লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২৭ ফেব্রুয়ারি। আর ব্যবহারিক পরীক্ষা ২৯ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে শেষ হয় ৫ মার্চ। নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষা শেষ হওয়ার দুই মাসের মধ্যে ফল ঘোষণা করার কথা। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে ফল প্রকাশে কিছুটা বিলম্ব হলো। উল্লেখ্য, এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৯ জন পরীক্ষার্থীর। এরমধ্যে ছাত্র ১০ লাখ ২৪ হাজার ৩৬৩ জন এবং ছাত্রী ১০ লাখ ২৩ হাজার ৪১৬ জন। ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৯ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে শুধু এসএসসি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৪ লাখ ২২ হাজার ১৬৮ জন। এরমধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৪ লাখ ১৬ হাজার ৭২১ জন।
করোনার বিস্তাররোধে আরো স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
৩০মে,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের নভেল করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে আরো বেশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে এ কাজে সম্পৃক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। তিনি দেশের করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে গঠিত জাতীয় কারিগরি উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে এ আহ্বান জানান। গণভবনে আজ বেলা ১১টা থেকে ২টা পর্যন্ত এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বৈঠকের বিষয়ে জানান, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের বিস্তার রোধ করার পাশাপাশি করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের মেডিকেল সেবা প্রদানের জন্য বিভিন্ন নির্দেশনা দেন। দেশে করোনা ভাইরাসের বিস্তার কমিয়ে আনা এবং করোনায় আক্রান্তদের সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে গৃহীত পদক্ষেপ সমূহও বৈঠকে পর্যালোচনা করা হয়, বলেন তিনি। কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মাদ শহীদুল্লাহ, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, পিএমও সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলাম এবং কমিটির অন্যান্য সদস্যরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। দেশে করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে সরকার গত ১৯ এপ্রিল ১৭ সদস্য বিশিষ্ট জাতীয় কারিগরি উপদেষ্টা কমিটি গঠন করে। বাংলাদেশ মেডিকেল এবং ডেন্টাল কাউন্সিলের সভাপতি এবং জেষ্ঠ্য শিশু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মাদ শহীদুল্লাহকে কমিটির সভাপতি এবং রোগত্বত্ত, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনষ্টিটিউট (আইইডিসিআর) এর পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরাকে মহাসচিব করা হয়।
দু দফা ক্ষমতায় থেকেও বিএনপি জিয়া হত্যার বিচার না করা রহস্যজনক
৩০মে,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বেগম খালেদা জিয়া দু'দফা ক্ষমতায় থেকেও জিয়া হত্যার বিচার না করা রহস্যজনক বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। শনিবার (৩০ মে) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে সংক্ষিপ্ত মত বিনিময়কালে জিয়ার মৃত্যুবার্ষিকীতে বিএনপি মাজারে যায়, কিন্তু জিয়া হত্যার বিচার চায় না' - এ বিষয়ে মন্তব্য চাইলে মন্ত্রী এ কথা বলেন। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, জিয়াউর রহমানের স্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দুই দফায় দশ বছর প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, আরো একবার বিতর্কিত নির্বাচনের মাধ্যমে এক মাসের বেশি ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রেখেছিলেন। এটি সত্যিই রহস্যজনক যে জিয়াউর রহমান হত্যার বিচার তিনি করলেন না। সে কারণে জনগণের মনেও এটি প্রশ্ন যে, জিয়া হত্যার বিচার করলে থলের বিড়াল বেরিয়ে যাবে, এজন্যই কি তিনি বিচার করেননি!' তিনি আরও বলেন, 'সরকারের সুদক্ষ ব্যবস্থাপনার কারণেই এখনো আশেপাশের দেশ ও ইউরোপ-আমেরিকার চেয়ে আমাদের দেশে করোনায় আক্রান্তদের মৃত্যুহার অনেক কম, কিন্তু রুহুল কবির রিজভী সাহেবসহ বিএনপি নেতারা যেভাবে কথাবার্তা বলছেন, তাতে মনে হয়, তারা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উপদেষ্টার দায়িত্ব পেয়েছেন।' বিএনপিকে আশেপাশের দেশসহ বিশ্বের দিকে তাকানোর অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, 'পাকিস্তানে করোনা সংক্রমণের হার আমাদের চেয়ে বেশি। ভারতে সংক্রমণ চীনকে ছাড়িয়ে গেছে। আর বেলজিয়ামে সংক্রমিতদের মৃত্যুহার ১৫ শতাংশ, ব্রিটেনে ১৪, যুক্তরাষ্ট্রে ৬, ভারতে ৩ দশমিক ২, পাকিস্তানে ২ এর বেশি আর আমাদের দেশে ১ দশমিক ৩৬ শতাংশ। আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা যদি ভালো না হতো, তাহলে মৃত্যুহার ভারত-পাকিস্তানের মতো বা তার চেয়ে বেশি হতো। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সার্বক্ষণিক মনিটরিং ও সংশ্লিষ্ট সকলের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলেই আমরা মৃত্যুহার কমিয়ে রাখতে সক্ষম হয়েছি। বিএনপিকে অনুরোধ জানাবো, মিথ্যাচার না করে জনগণের পাশে এসে দাঁড়ান, আর আমাদের দুয়ার খোলা আছে, প্রয়োজনে আমাদের সাথে আপনারা একযোগে জনগণকে সহায়তা করার জন্য কাজ করতে পারেন', বলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। ড. হাছান আরো বলেন, 'যাদের প্রয়োজন সেইসব মানুষকে খুঁজে খুঁজে ত্রাণ দেয়া হচ্ছে। কেউ চায়নি, কিন্তু মোবাইলে আড়াই হাজার টাকা করে পৌঁছে গেছে, দাবি না থাকা সত্ত্বেও কওমী মাদ্রাসা ও মসজিদগুলোতে সহায়তা পৌঁছেছে। সাংবাদিক, শিল্পীসহ বিভিন্ন পেশার অসহায় মানুষের জন্য প্রধানমন্ত্রী সহায়তা দিচ্ছেন। আমি বিএনপি'কে একটু চক্ষু মেলিয়া আশেপাশের দেশে কোথাও এমন ত্রাণ ও সহায়তা দেয়া হয়েছে কি না দেখতে অনুরোধ জানাই। করোনা মহামারি মোকাবিলায় উহানে করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দেবার সাথে সাথে দেশের মানুষের সুরক্ষার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গতিশীল নেতৃত্ব ও সময়োপযোগী বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত সব শঙ্কা-আশংকা মিথ্যে প্রমাণ করেছে। করোনা সুরক্ষায় সরকারি ছুটি ঘোষণার পর থেকে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশে ইতিহাসের বৃহত্তম ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেন। সে কারণে গত দু'মাসের বেশি প্রায় সব কাজ বন্ধ থাকার পরও পরম সৃষ্টিকর্তার অনুগ্রহ আর আমাদের চেষ্টায় একজন মানুষও অনাহারে মৃত্যুবরণ করেনি। আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ড. রোকেয়া সুলতানা, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন ও উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান এসময় উপস্থিত ছিলেন।