রবিবার, এপ্রিল ৫, ২০২০
করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
০৩ফেব্রুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসের প্রাদুভার্ব ঠেকাতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ ভাইরাস যেন কোনোভাবেই বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। সোমবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রী পরিষদের বৈঠক শেষে করোনাভাইরাস নিয়ে বিশেষ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশ দিয়েছেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। তিনি বলেন, ক্যাবিনেট বৈঠকের পর বিশেষভাবে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকের পর ২০-২৫ জন বসে আলোচনা হয়েছে। প্রথমত বলা হয়েছে যেভাবেই হোক করোনা আমাদের দেশে ঢুকতে দেয়া যাবে না। দ্বিতীয়ত উহান থেকে বাইরের দেশে যাওয়ার বিষয়ে চায়না অলরেডি ক্লোজ করে দিয়েছে। তারপরও ওখান থেকে কেউ আসলে তাদের বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে।
দায়িত্ব পেতে অপেক্ষা করতে হচ্ছে ঢাকার দুই নির্বাচিত মেয়রদের
০৩ফেব্রুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নির্বাচনী ডামাডোল শেষ করে জয়ী হলেও দায়িত্ব পেতে আরও দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে নির্বাচিত মেয়রদের। আওয়ামী লীগের আতিকুল ইসলাম ও শেখ ফজলে নূর তাপসকে আইন অনুযায়ী মে মাসের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল ঢাকা উত্তরে ভোট হওয়ার পর ১৪ মে প্রথম সভা হয়। সেই হিসাবে ২০২০ সালের ১৩ মে পর্যন্ত বহাল থাকবে আগের নির্বাচিতরা। আর ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল উত্তরের মতো ঢাকা দক্ষিণ সিটিতেও ভোট হয়েছিল, তাতে মেয়র হন সাঈদ খোকন। তার করপোরেশনের প্রথম সভা হয় ১৭ মে অর্থাৎ, তার মেয়াদ শেষ হবে ২০২০ সালের ১৬ মে। দুই সিটির নবনির্বাচিতদের নাম, ঠিকানাসহ ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশের ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সেরে ইসির অনুমোদনের জন্য চলতি সপ্তাহে পাঠানো হতে পারে। এরপর শপথ আয়োজনের বিষয়টি স্থানীয় সরকার বিভাগ দেখবে। আতিক উত্তরের মেয়র পদ আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে ছেড়ে নতুন নির্বাচনে অংশ নিয়ে পুনর্নিবাচিত হন। অন্যদিকে দক্ষিণে মেয়রের দায়িত্বে থাকা সাঈদ খোকনের এই নির্বাচনে অংশ নেয়া হয়নি। ফলে তিনি পদে রয়ে গেছেন। স্থানীয় সরকার বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ বলেন, দক্ষিণের নবনির্বাচিত মেয়রের দায়িত্বকাল কখন শুরু হবে, তা পরিষ্কার। বর্তমান মেয়র মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেই নতুন নির্বাচিত মেয়র দায়িত্ব নেবেন। সেক্ষেত্রে সাঈদ খোকনের মেয়াদ শেষে দায়িত্ব নেবেন শেখ ফজলে নূর তাপস। হেলালুদ্দীন বলেন, আমার মনে হয় সবাইকে মে মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এর আগে গেজেটের পর শপথ হয়ে থাকলেও অসুবিধা নেই। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আতিকুল ইসলাম। আর দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন ফজলে নূর তাপস। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সমর্থনে নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিপুল ভোটে দুই সিটির নগরপিতার দায়িত্ব পেয়েছেন আতিকুল-তাপস। ইভিএমের (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) মাধ্যমে ভোটগ্রহণে ডিএনসিসিতে নৌকা প্রতীকে আতিকুল ইসলাম পান ৪ লাখ ৪৭ হাজার ২১১ ভোট, আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী তাবিথ আউয়াল পান ২ লাখ ৬৪ হাজার ১৬১ ভোট। ডিএসসিসিতে নৌকা প্রতীকে তাপস পান ৪ লাখ ২৪ হাজার ৫৯৫ ভোট, আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন পান ২ লাখ ৩৬ হাজার ৫১২ ভোট।
প্রশ্নপত্র দেয়ার প্রলোভনে টাকা আদায়, ৪ প্রতারক Rab এর জালে
০৩ফেব্রুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের কথা বলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়া চক্রের চার সদস্যকে আটক করেছে Rab। রবিবার সন্ধ্যা থেকে রাতভর অভিযান চালিয়ে ভুয়া প্রশ্নফাঁস চক্রের চার সদস্যকে আটক করা হয়। আটক চারজন হলেন- রামপুরার আল মাহমুদ (১৮), গাজীপুরের আবু বক্কর সিদ্দিক (২৬), খুলনার সাইমন ইসলাম (২০) ও শাকিল মাহমুদ (২০)। আজ সোমবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে Rab এর সংশ্লিষ্ট সূত্র। Rapid Action Battalion (Rab) তিনটি পৃথক অভিযানে চক্রের চার সদস্যকে আটক করা হয়। অভিযানে Rab-1, Rab-3 ও Rab-6 অংশ নেয়। Rab জানিয়েছে, আটকরা কোনো প্রশ্ন ফাঁস করতে না পারলেও বিভিন্ন মেসেঞ্জার, ভাইবার এবং ইমু গ্রুপে প্রশ্নফাঁসের কথা বলে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। একেকজন দেড় থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নেওয়ার তথ্য রয়েছে। অভিযানে আটকদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যে তাদের সঙ্গে জড়িত বাকিদেরও আটক অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে Rab।
পরীক্ষার্থীদের জিম্মি করে কোনও প্রতিষ্ঠান চালতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী
০৩ফেব্রুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, পরীক্ষার্থীদের জিম্মি করে কোনও প্রতিষ্ঠান চালতে পারবে না। যেসব প্রতিষ্ঠান প্রবেশপত্র নিয়ে পরীক্ষার্থীদের ভোগান্তিতে ফেলেছে, সেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আজ সোমবার মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার শুরুতে তেজগাঁও সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পাবলিক পরীক্ষা চলাকালে কোনও দল যেন এমন কর্মসূচি না দেয়, যাতে শিক্ষার্থীরা সংকটে পড়ে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী বলেন, প্রশ্ন ফাঁসের বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো যথেষ্ট সতর্ক রয়েছে। কেউ যেন প্রশ্ন ফাঁস করতে না পারে সেজন্য এবার বহু সেট প্রশ্ন প্রণয়ন করা হয়েছে। তাই গুজবে কান না দিয়ে ভালো ফলাফলের জন্য প্রস্তুতি নিলেই সেটা হবে সঠিক সিদ্ধান্ত। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষা চলাকালীন কোনো দল যদি হরতাল দেয় তাতেও পরীক্ষার কোনো সমস্যা হবে না। পরীক্ষা নির্ধারিত সূচি অনুযায়ীই হবে। এসময় পরীক্ষার্থীদের দায়িত্ব নেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষাযর সময় রাজনৈতিক দলগুলোকে সহিংসতা ও হরতালের মতো কর্মসূচি থেকে বিরত থাকারও আহ্বান জানান মন্ত্রী। মন্ত্রী বলেন, একটি রাজনৈতিক দল হরতাল দিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার মাঝে এমন রাজনৈতিক আচরণ অনুচিত। এদের ব্যাপারে সরকার সতর্ক আছে, চলমান রাজনৈতিক পরিবেশের কোনো প্রভাব পড়বে না তাদের পরীক্ষায়। এর আগে সকাল ১০টায় দেশের ৩ হাজার ৫১২টি কেন্দ্রে এক যোগে শুরু হয়েছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। দেশের মোট ২৮ হাজার ৮৮৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এসব পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। ৯টি সাধারণ বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে এই পাবলিক পরীক্ষায় মোট ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৯ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে ছাত্র ১০ লাখ ২৪ হাজার ৩৬৩ জন, ছাত্রী ১০ লাখ ২৩ হাজার ৪১৬ জন।
প্রধানমন্ত্রী মঙ্গলবার ইতালি যাচ্ছেন, হতে পারে তিন চুক্তি
০৩ফেব্রুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইতালির প্রধানমন্ত্রী জিউসেপ কন্টির আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চারদিনের সফরে আগামীকাল মঙ্গলবার সকালে রোমের উদ্দেশে রওনা হবেন। প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইট ইতালির রাজধানী রোমের উদ্দেশে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করবে। ইতালির স্থানীয় সময় বিকেল সোয়া ৪ টায় ফ্লাইটটি রোমের ফিউমিসিনো বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে। এদিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরের সময় বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে তিনটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে। গতকাল রোববার পররাষ্ট্র দফতরে প্রধানমন্ত্রীর সফরের বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ইতালির হাতে তিনটি খসড়া চুক্তি রয়েছে। তারা যদি এই সময়ের মধ্যে এগুলো চূড়ান্ত করতে পারে তাহলে এ সফরকালে চুক্তিগুলো স্বাক্ষরিত হবে। মোমেন বলেন, প্রস্তাবিত চুক্তিগুলোর মধ্যে রয়েছে সাংস্কৃতিক বিনিময়, রাজনৈতিক আলোচনা এবং কূটনৈতিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ সফরকালে, ৫ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতালির প্রধানমন্ত্রী জিউসেপ কোঁতের সাথে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর একটি যৌথ ইশতেহার জারি করা হবে উল্লেখ করে মোমেন বলেন, যদি সফরের সময় প্রস্তাবিত চুক্তিগুলো স্বাক্ষর করা সম্ভব না হয়, তবে সেগুলো যৌথ বিবৃতিতে প্রতিফলিত হবে এবং পরে চুক্তিগুলো স্বাক্ষর করা হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ইতালি দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করছে। তবে উভয় দেশের মধ্যে এ বিষয়ে চুক্তির কোন সম্ভাবনা নেই। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ৫ ফেব্রুয়াারি অনুষ্ঠিতব্য দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সম্ভাব্য বিভিন্ন খাতে আরও বেশি ইতালিয়ান বিনিয়োগের আহ্বান জানবেন। তিনি বলেন, এছাড়াও দুই নেতা দ্বিপক্ষীয় ইস্যুর ব্যাপক পরিম-ল এবং পাশাপাশি পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে আলোচনা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। একই দিন কয়েকটি ইতালীয় বড় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর বাসস্থানের সভাকক্ষে সাক্ষাৎ করবেন। পররষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পর পর তৃতীয় বারের মতো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা গ্রহণের পর এটি হচ্ছে ইতালিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর প্রথম দ্বিপক্ষীয় সফর। মোমেন আশা প্রকাশ করেন যে, এই সফর বাংলাদেশের অর্থনীতি এবং চলমান উন্নয়নের জন্য সুফল বয়ে আনবে। তিনি বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সফরটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করছে। কারণ এ সফরে বাংলাদেশে ইতালীয় উদ্যোক্তাদের নতুন বিনিয়োগের সন্ধান, ইতালিতে আরও বিভিন্ন পণ্য রফতানি এবং দক্ষ জনশক্তি রফতানির ক্ষেত্র অনুসন্ধান করার প্রয়াস চালানো হবে। মোমেন বলেন, ইতালি এযাবৎ আমাদের অনেক নাগরিককে সেখানে বসবাসের সুযোগ দিয়েছে এবং আরও অনেকে সেখানে বসবাসের সুযোগ লাভের জন্য অপেক্ষা করছে। তাই এ সফরকালে জনশক্তি রফতানির বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে। ইতালি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম ব্যবসায়িক অংশীদার এবং সেখানে দুই লক্ষেরও বেশি বাংলাদেশি বসবাস করে। উল্লেখ্য, ইতালির স্থানীয় সময় বিকেল সোয়া ৪ টায় ফ্লাইটটি রোমের ফিউমিসিনো বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর বিমান অবতরণ করার কথা রয়েছে। এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবেন ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আবদুস সোবহান সিকদার। বিমানবন্দরে সংবর্ধনা শেষে, একটি আনুষ্ঠানিক মোটর শোভাযাত্রাসহকারে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে পার্কো দেই প্রিন্সিপি গ্র্যান্ড হোটেল অ্যান্ড স্পা-তে নিয়ে যাওয়া হবে। তিনি ইতালির রাজধানীতে সফরকালে এখানে অবস্থান করবেন। শেখ হাসিনা একই দিন সন্ধ্যায় পার্কো দেই প্রিন্সিপি গ্র্যান্ড হোটেল অ্যান্ড স্পা-তে একটি কমিউনিটি অনুষ্ঠানে যোগ দিবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিকেলে ইতালিয়ান প্রধানমন্ত্রীর সাথে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করার আগে সকালে ভিয়া ডেল আন্তারতিদ এলাকায় রোমে বাংলাদেশ দূতাবাসের চ্যান্সারি ভবনের উদ্বোধন করবেন। শেখ হাসিনা ৬ ফেব্রুয়ারি সকালে পোপ ফ্রান্সিসের সাথে সাক্ষাত করবেন। তারপরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুপুর ১২ টা ৫০মিনিটে ট্রেনে করে মিলান শহরের উদ্দেশে যাত্রা করবেন এবং স্থানীয় সময় বিকেল চারটায় সেখানে পৌঁছে যাবেন। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মিলান সফরের সময় তিনি এক্সেলসিয়র হোটেল গালিয়ায় অবস্থান করবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৭ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সময় দুপুর ১ টা ৪০ মিনিটে আমিরাতের ফ্লাইটে মিলান মালপেন্সা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। তিনি দুবাই হয়ে ৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা ১০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছবেন। সূত্র: বাসস
মুজিববর্ষে ৪৫০ কোটি ডলার দিচ্ছে উন্নয়ন সহযোগীরা
০২ফেব্রুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৮ হাজার ৭শ কোটি টাকা। যা আগে কখনও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ফোরামে (বিডিএফ) সরাসারি কোনো অর্থ দেইনি উন্নয়ন সহযোগীরা।রোববার রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে অর্থমন্ত্রীর দফতরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ তথ্য জানান জানান অর্থমন্ত্রী আ হ ম সুস্তফা কামাল। অর্থমন্ত্রী বলেন, সাধারণত এ ধরনের সম্মেলনে কেউ অর্থ সহায়তা দেয় না। তবে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর সম্মানে তারা এ প্রতিশ্রæতি দিয়েছে। তিনি বলেন, এছাড়া বিশ্বব্যাংক সম্প্রতি রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে অন্তর্ভুক্ত করে দুইটি চলমান প্রকল্পে অতিরিক্ত ও একটি নতুন প্রকল্পে ৩৫ কোটি ডলার অর্থ অনুদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এসব অর্থ বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আশপাশের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে ব্যয় করা হবে। অর্থমন্ত্রী জানান, ছয়টি প্রকল্প বাস্তবায়নে জাইকা ২৭০ কোটি ডলার ঋণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ফোরামে। আমরা ছয়টি প্রকল্প প্রস্তুত করে দিলেই জাইকা বাড়তি ঋণ দেবে। দেশের মানুষের কল্যাণে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে প্রকল্পগুলো প্রস্তত করবো। যাতে করে আমরা সবাই প্রকল্পগুলোর সুফলভোগী হতে পারি।
বিএনপিকে জনগণের কাছে ফিরে যাওয়ার আহ্বান
০২ফেব্রুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিএনপিকে অস্বাভাবিক রাজনীতি ছেড়ে জনগণের কাছে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগসহ ১৪ দলের সংসদ সদস্যরা। হরতালের সমালোচনা করে তারা বলেছেন, অগ্নিসন্ত্রাসী-গ্রেনেড হামলাকারী-সাম্প্রদায়িক জঙ্গিগোষ্ঠীর পৃষ্ঠপোষক বিএনপিকে দেশের জনগণ আবারও প্রত্যাখ্যান করেছে। বিএনপি-জামায়াতকে জনগণ কখনও মেনে নেবে না বলে সিটি নির্বাচনে প্রমাণিত হয়েছে। রোববার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাব নিয়ে সাধারণ আলোচনায় তারা এ সব কথা বলেন। স্পিকার ড.শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এই আলোচনায় অংশ নেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য লে.কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান, জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু, মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা, সরকারি দলের ইকবাল হোসেন অপু, সুবর্ণা মোস্তাফা, বেগম রত্না আহমেদ, বদরুদ্দোজা মো. ফরহাদ হোসেন, বেগম আদিবা আনজুম মিতা ও গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার। সাবেক মন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খান বলেন, ৭৫-এর খুনিরা মনে করেছিল বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে তার নাম বাঙালির হৃদয় থেকে মুছে ফেলবে। কিন্তু খুনিদের এই ষড়যন্ত্র যে কত ভুল ছিল এই মুজিববর্ষে প্রমাণ হয়েছে। কারণ বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ এক এবং অভিন্ন। তিনি বলেন, সব ষড়যন্ত্র ও রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে দেশকে দুর্বার গতিতে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন উন্নয়নের মহাসড়ক দিয়ে। পিতা দিয়েছেন স্বাধীনতা, কন্যা শেখ হাসিনা দিচ্ছেন দেশের অর্থনৈতিক মুক্তি। ফারুক খান আরও বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের ভয়াল অগ্নিসন্ত্রাস, নাশকতা, দেশকে জঙ্গি রাষ্ট্রে পরিণত করার অপচেষ্টা এবং পাঁচবার দুর্নীতিতে দেশকে চ্যাম্পিয়ন করার দুঃশাসন দেশের মানুষ কোনো দিন ভুলে যাবে না। বিএনপি একদিকে বলে অবৈধ সরকার, অন্যদিকে সংসদে বসে সব সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করছে। জনবিচ্ছিন্ন হয়ে বিদেশি দূতাবাসে গিয়ে বিএনপি দেশের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে। বিএনপির উচিত বিদেশিদের কাছে মিথ্যা নালিশ না করে অতীত কৃতকর্মের জন্য দুঃখপ্রকাশ করে জনগণের কাছে যাওয়া। সুবর্ণা মোস্তাফা বলেন, মুজিববর্ষে সংসদে বসে যারা বঙ্গবন্ধুকে খাটো করার দুঃসাহস দেখায়, তাদের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। সরকার নারীর ক্ষমতায়নে বিশ্বে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেও দেশে অনেক নারী এখনও নিরাপদ নয়। নারী ধর্ষণকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। মুজিবর্ষ হোক আমাদের সব গ্লানি মুছে ফেলার বছর।সূত্র: যুগান্তর
আমিরাতে জাফর, অস্ট্রিয়ায় মুহিত বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূত
০২ফেব্রুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অস্ট্রিয়ায় এতদিন রাষ্ট্রদূত হিসাবে দায়িত্ব পালনকারী মোহাম্মদ আবু জাফরকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। এছাড়া ডেনমার্কে দায়িত্বপালনরত রাষ্ট্রদূত মোহাম্মাদ আব্দুল মুহিতকে অস্ট্রিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞতি মতে, মোহাম্মাদ আবু জাফর ১৯৯১ সালে পেশাদার কূটনীতিক হিসাবে চাকরী জীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি নেদারল্যান্ডস, করাচি, লস এঞ্জেলেস, দুবাই ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক পাস এবং যুক্তরাষ্ট্রে প্রিসটন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ করেন। প্যারিসের ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব পাবলিক এডমিনিস্ট্রেশন থেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ওপরও উচ্চতর পড়াশোনা করেছেন তিনি। অন্যদিকে কূটনীতিক মোহাম্মাদ আব্দুল মুহিত ১৯৯৩ সালে ফরেন সার্ভিসে যোগ দেন। কূটনৈতিক জীবনে তিনি নিউ ইয়র্ক, ওয়াশিংটন, কুয়েত, রোম, দোহা, ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। ডেনমার্কে রাষ্ট্রদূত হিসাবে নিয়োগ পাওয়ার আগে যুক্তরাষ্ট্রে ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর পাস করা মুহিত বিবাহিত এবং দুই সন্তানে জনক।
ভোটার উপস্থিতি অনেক ভালো ছিল:তথ্যমন্ত্রী
০২ফেব্রুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ার জন্য বিএনপিকে দায়ী করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, বিএনপি শুরু থেকে নেতিবাচক প্রচারণা করেছে। শুরু থেকে তারা ইভিএম নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা চালিয়েছে। এজন্য ৮ থেকে ১০ শতাংশ ভোটার উপস্থিতি কম হয়েছে। তাছাড়া বিএনপি প্রথম থেকে বলে আসছে, তারা নির্বাচনকে আন্দোলনের অংশ হিসেবে নিয়েছে। জনগণের মধ্যে ধারণা জন্মেছে বিএনপি জয়লাভের জন্য নির্বাচন করছে না, নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে না। সে কারণে অনেক ভোটার ভোট দিতে উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছে, ভোটার উপস্থিতি কম হয়েছে। আজ সচিবালয়ে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে তিনি এসব কথা বলেন। ভোটার উপস্থিত কম হওয়ার পেছনে বেশ কয়েকটি কারণের মধ্যে টানা তিনদিন ছুটির বিষয়টিও উল্লেখ করেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, সে কারণে ঢাকার অনেক ভোটার গ্রামে চলে গেছে। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে অত্যন্ত ভালো নির্বাচন হয়েছে বলে মন্তব্য করে তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, সমস্ত বিচারে গতকালকে ঢাকা শহরের ইতিহাসে অত্যন্ত ভালো নির্বাচন হয়েছে। এজন্য সবাই প্রশংসার দাবি রাখে। এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, আমি দেখেছি কয়েকটি কাগজে লিখেছে যে গোপন কক্ষে উঁকি দেওয়া হয়েছে। কে কোথাও উঁকি দিল সেটি বড় বিষয় নয় বরং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতবড় একটি নির্বাচন, প্রায় আড়াই হাজার ভোটকেন্দ্র, ১৩ হাজারের বেশি বুথ। এখানে কয়েকটি গোপন কক্ষে কে উঁকি দিয়েছে এটি বড় বিষয়, বড় বিষয় হচ্ছে এতবড় একটি কর্মযজ্ঞ এত ভোটার, কোনো গন্ডগোল হয়নি, কোনো মারপিটের ঘটনা ঘটেনি, কেন্দ্র দখলের ঘটনা ঘটেনি। যুক্তরাষ্ট্রের উদাহারণ টেনে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে যারা ভোট দিতে যোগ্য তাদের ৯৯ দশমিক ৮ শতাংশ ভোটার হয় বা তার আরো বেশি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যারা ভোট দেওয়ার যোগ্য তাদের মধ্যে থেকে ৬০ শতাংশ ভোটার হয় আর সেই ৬০ শতাংশের মধ্যে থেকে ৪০-৫০ শতাংশ ভোট দিতে পারে। সে হিসাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভোটদানে যোগ্য যে ভোটার, তাদের তুলনায় গতকাল যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে সেখানে ভোটার উপস্থিতি অনেক ভালো ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।

জাতীয় পাতার আরো খবর