মানব পাচারে বিদেশী দুই এয়ারলাইনসের কর্মীরা জড়িত: সিআইডি প্রধান
০২নভেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মানব পাচারে জড়িত ছয় বাংলাদেশীর বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিস ইস্যু হওয়ার পর এ ঘটনায় বিদেশী দুই এয়ারলাইনসের কর্মীদের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়ার কথা জানাল পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এমনকি এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষও তাদের নিজস্ব তদন্তে বিষয়টি দেখতে পেয়েছে। সংস্থাটির প্রধান অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মাহবুবুর রহমান গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য তুলে ধরেন। ওই ঘটনা নিয়ে তদন্তে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, মানব পাচারের তদন্তে নেমে এর সঙ্গে দুটি এয়ারলাইনসের কর্মীদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। তদন্তে দেখা যায়, এ দুটি এয়ারলাইনস সিঙ্গেল টিকিটে লোক পাঠিয়েছেন, যা অন্যায়। কোনো সেমিনারে, চিকিৎসা নিতে, এমনকি ভ্রমণে গেলেও কখনো সিঙ্গেল টিকেটে যাওয়ার কথা নয়। ওই দুই এয়ারলাইনসের কয়েকজন কর্মকর্তাকে সিআইডি অফিসে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করার কথাও সাংবাদিকদের বলেন পুলিশের এ অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক। গত ২৮ মে লিবিয়ার মিজদাহ শহরে ২৬ বাংলাদেশীকে গুলি করে হত্যা করে একদল মানব পাচারকারী। ওই ঘটনায় দায়ের হওয়া ২৬টি মামলার মধ্যে ২৫টির তদন্ত করছে সিআইডি। এসব মামলায় ২৯৯ জনকে আসামি করা হয়েছে এবং গ্রেফতার হয়েছে ১৭১ জন। তাদের মধ্যে ৪২ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
ডিসেম্বরে শৈত্যপ্রবাহের আভাস
০২নভেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ডিসেম্বরের শেষের দিকে দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে ১ থেকে ২টি মৃদু (৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) বা মাঝারি (৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। বুধবার ডিসেম্বর মাসের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ মাসে বঙ্গোপসাগরে ১ থেকে ২টি নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে একটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। তবে এটি বাংলাদেশ উপকূলে আসবে না। এদিকে গত অক্টোবর ও নভেম্বরেও বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস ছিল। অক্টোবরে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হলেও তা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়নি। নভেম্বরে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিলেও তার প্রভাব বাংলাদেশের ওপর পড়েনি। কেবল তাই নয়, চলতি বছরের অধিকাংশ মাসের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস ছিল। ডিসেম্বরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, এ মাসে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে কমতে পারে। তবে গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকতে পারে। দেশের নদী অববাহিকায় ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত হালকা/মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। নদ-নদীগুলোতে স্বাভাবিক পরিস্থিতি বিরাজ করতে পারে। এ মাসে দেশে দৈনিক গড় সূর্য কিরণকাল ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা থাকতে পারে।
ঘরোয়া অনুষ্ঠানের কথাও পুলিশকে জানাতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
০১নভেম্বর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঘরোয়াভাবে অনুষ্ঠান করতে চাইলে যে কেউ করতে পারবে। তবে সেজন্য আগেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাতে হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, এছাড়া নিজেরা কিছু করতে চাইলে নিরাপত্তাবাহিনীকে জানিয়ে করতে হবে। আমরা সবাইকে অনুরোধ করবো, স্বাস্থ্যবিধি মেনে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয় দিবসটি পালন করতে। আজ সবার সঙ্গে আলোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (০১ ডিসেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মহান বিজয় দিবস ২০২০ যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক গৃহীত জাতীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নকল্পে যথাযথ নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় ভার্চ্যুয়াল সভায় তিনি এ কথা বলেন। সভায় জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন, পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব তপন কান্তি ঘোষ, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলামসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মহামারি কোভিড-১৯ এর কারণে সারা বিশ্ব আতঙ্কিত। তারপরও বাংলাদেশের জনগণ কোনো কিছু হলেই রাস্তায় বেরিয়ে আসে, এটা আমাদের স্বভাব। আমরা শত চেষ্টা করেও তাদের ঘরমুখি করতে পারছি না। সেজন্য আমাদের আশঙ্কা মহান বিজয় দিবসের দিন লোকজন ঘরে থাকবেন না। লোকজন বেরিয়ে আসবে। তখন তাদের কীভাবে নিরাপত্তা দেবো, সেটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে স্বাস্থ্যবিধি মেনে যারা ঘরোয়া অনুষ্ঠান করতে চান, তারা করতে পারবেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, তবে সে বিষয়ে আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আগেই জানাতে হবে। অনুষ্ঠানটি কারা, কোথায়, কীভাবে, কতজনকে নিয়ে করছে এবং কারা কারা সে অনুষ্ঠানে থাকবে এসব আগেই জানাতে হবে। অনুষ্ঠানগুলোতে যাতে কেউ কোনো ধরনের নাশকতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য সারাদেশে আমাদের গোয়েন্দারা সক্রিয় থাকবে, পাশাপাশি নিরাপত্তার জন্য আমাদের নিরাপত্তাবাহিনী কাজ করবে। বিজয় দিবস উপলক্ষে সরকারি-আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং ভবনে মন্ত্রিপরিষদের নির্দেশনা অনুযায়ী সঠিক মাপ ও নিয়ম অনুযায়ী জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে হবে। পতাকার রঙ, মাপটা যেন সঠিক হয়, সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে ঢাকাসহ দেশের সব জেলা-উপজেলায় তোপধ্বনি হবে নিয়ম অনুযায়ী। বিভিন্ন স্থাপনায় আলোকসজ্জা হবে, যে যেভাবে চায়, করতে পারবে। অনুষ্ঠান সফল করার জন্য ইউটিলিটি সহযোগিতাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ইউনিট আকারে সহযোগিতা করবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে জাতীয় স্মৃতিসৌধে যাতায়াত ও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর ক্ষেত্রে যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে। প্রতিবার যেভাবে নেওয়া হয়, সেভাবেই আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যবস্থা নেবে। এছাড়া বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের যারা যারা স্মৃতিসৌধে যাবেন, তাদের জন্য প্রতিবারের মতো এবারও যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যোগ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকায় নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত সিসি ক্যামেরা বসানোসহ আলোকসজ্জা থাকবে। ঢাকা থেকে সাভার যাওয়ার সব রাস্তায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি রাস্তাঘাট পরিষ্কার পরিছন্ন রাখার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সারাদেশের যে কোনো উপাসনালয় যেমন মন্দির, মসজিদ, গির্জা ও পেগোডাতে বিশেষ প্রার্থনা ও মোনাজাত হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মার শান্তি ও সমৃদ্ধি কমনা করা হবে। একই সঙ্গে বিজয় দিবস উপলক্ষে বৃদ্ধাশ্রম, এতিমখানা, কারাগার, হাসপাতালগুলোতে বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করা হবে।
ব্যান্ডউইথ কিনবে সৌদি-ভারত-নেপাল-ভুটান, প্রধানমন্ত্রীর উচ্ছ্বাস
০১নভেম্বর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ থেকে ব্যান্ডউইথ কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে সৌদি আরব, ভারত, নেপাল ও ভুটান। আনুষ্ঠানিকভাবে ভুটান ও ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য প্রস্তাব দিয়েছে, অনানুষ্ঠানিকভাবে আগ্রহ প্রকাশ করেছে সৌদি আরব ও নেপাল। বিষয়টি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় জানান ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। এতে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদনের সময় সৌদি আরব, ভারত, নেপাল ও ভুটানের ব্যান্ডউইথ কেনার বিষয়টি উঠে আসে একনেক সভায়। মঙ্গলবার (১ ডিসেম্বর) একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রকল্পটির অনুমোদন দেওয়া হয়। গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী-সচিবরা একনেক সভায় অংশ নেন। সভা শেষে পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) সদস্য সিনিয়র সচিব ড. শামসুল আলম সাংবাদিকদের সামনে প্রকল্পের বিস্তারিত তুলে ধরেন। বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। সিঙ্গাপুর থেকে ফ্রান্স পর্যন্ত সংযুক্ত SEA-ME-WE-6 সাবমেরিন ক্যাবলটি ভারত মহাসাগর, আরব সাগর, লোহিত সাগর হয়ে ভূ-মধ্যসাগর অবধি বিস্তৃত হবে। ক্যাবলটির কোর ল্যান্ডিং স্টেশন হবে সিঙ্গাপুর, ভারত, জিবুতি, মিশর ও ফ্রান্সে। বাংলাদেশের ব্রাঞ্চটি বঙ্গোপসাগর হয়ে কক্সবাজারস্থ ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন পর্যন্ত বিস্তৃত হবে বিধায় প্রকল্প এলাকা নির্বাচন করা হয়েছে। অক্টোবর ২০২০ থেকে জুন ২০২৪ পর্যন্ত প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে। ৬৯৩ কোটি ১৬ লাখ ৭১ হাজার টাকা ব্যয় হবে এ প্রকল্পে। প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন তুলে ধরে ড. শামসুল আলম বলেন, প্রকল্পটি নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী খুশি হয়েছেন। এ প্রকল্পের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হবে। সৌদি আরব কীভাবে ব্যান্ডউইথ নেবে বিষয়টি পরিষ্কারভাবে জানতে চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশকে থেকে সৌদি-ভারত-নেপাল-ভুটান ব্যান্ডউইথ কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করায় প্রধানমন্ত্রী উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। সিনিয়র সচিব আরও বলেন, প্রতিদিন দেশেও ব্যান্ডউইথের চাহিদা বাড়ছে। এছাড়া ২০২৫ সালে একটি সাবমেরিন ক্যাবল অকেজো হয়ে যাবে। এ জন্য সময়োপযোগী একটি প্রকল্প হাতে নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী খুশি হয়েছেন। প্রকল্পের আওতায় সাবমেরিন ক্যাবল ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জামাদি সংগ্রহ করে স্থাপন করা হবে। ১৩ হাজার ২৭৫ কিলোমিটার কোর সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনসহ ১,৮৫০ কি.মি. ব্রাঞ্চ সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন করা হবে। ৩ হাজার ৩১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ডিজিটাল সংযোগের জন্য টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক আধুনিকীকরণ (১ম সংশোধিত) অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) বাস্তবায়ন করবে। প্রকল্প প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন তুলে ধরে ড. শামসুল আলম বলেন, ইন্টারনেট সেবা রিমোট এলাকায় নিয়ে যেতে বিটিসিএল-কে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। শুধু নগরে নয়, হাওর-বাওড় ও পাহাড়ি এলাকায় ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দিতে বিটিসিএলকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
চট্টলবীর মহিউদ্দিনের জন্মদিন আজ
০১নভেম্বর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টলবীর এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর ৭৬তম জন্মদিন আজ। চলছে খতমে কোরআন, মিলাদ, কবর জেয়ারত, ফাতেহাসহ নানা আয়োজনও। নেতা-কর্মী আর অনুসারীদের শ্রদ্ধাঞ্জলির ফুলে ফুলে রঙিন হচ্ছে কবরটি। তাদের চোখে পানি, স্মৃতির পাতায় একেকটি সোনালি অধ্যায়। জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কয়েক দিন আগে থেকেই প্রিয় নেতার স্মরণীয় ছবি, সেলফি, শোকের পোস্টার, স্মৃতিচারণমূলক পোস্ট দিচ্ছেন অনেকে। ১৯৪৪ সালের ১ ডিসেম্বর রাউজানের গহিরা গ্রামে সম্ভ্রান্ত বক্স আলী চৌধুরী পরিবারে জন্ম নেন মহিউদ্দিন চৌধুরী। বাবা রেল কর্মকর্তা হোসেন আহমদ চৌধুরী এবং মা বেদুরা বেগম। ছাত্রাবস্থাতেই রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন মহিউদ্দিন চৌধুরী। ১৯৬২ সালে এসএসসি, ১৯৬৫ সালে এইচএসসি এবং ১৯৬৭ সালে ডিগ্রি পাস করেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে এবং পরে আইন কলেজে ভর্তি হলেও ছাত্র আন্দোলনে জড়িয়ে শেষ করতে পারেন নি লেখাপড়া। ১৯৬৮ ও ১৯৬৯ সালে নগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন মহিউদ্দিন চৌধুরী। ১৯৭১ সালে- জয় বাংলা বাহিনী গঠন করেন। সেই সময় পাকিস্তানি সেনাদের হাতে গ্রেফতার হন। পরে পাগলের অভিনয় করে কারাগার থেকে ছাড়া পেয়ে ভারতে পালিয়ে যান। সেখানে উত্তর প্রদেশের তান্ডুয়া সামরিক ক্যাম্পে প্রশিক্ষণরত মুক্তিযোদ্ধাদের একটি স্কোয়াডের কমান্ডার নিযুক্ত হন। মহিউদ্দিন চৌধুরী যুবলীগের নগর কমিটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন। এরপর শ্রমিক রাজনীতিতে যুক্ত হন। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিশোধ নিতে মৌলভী সৈয়দের নেতৃত্বে গঠন করেন- মুজিব বাহিনী। ওই সময় চট্টগ্রাম ষড়যন্ত্র মামলার আসামি করা হলে তিনি কলকাতায় চলে যান। ১৯৭৮ সালে দেশে ফেরেন। মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন প্রায় দুই যুগ। ২০০৬ সালের ২৭ জুন নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি হন। এ দায়িত্ব নিয়ে বহাল ছিলেন আমৃত্যু। একটানা ৩ বার প্রায় ১৭ বছর চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ছিলেন এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী। ১৯৯৪ সালে প্রথমবার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে প্রার্থী হয়েই বিজয়ী হন। ২০০০ সালে দ্বিতীয় দফায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এবং ২০০৫ সালে তৃতীয় দফায় মেয়র নির্বাচিত হন তিনি। মহিউদ্দিন চৌধুরীর বড় ছেলে ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে এখন দায়িত্ব পালন করছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে উত্থান-পতন ও নানান ঘটনাপ্রবাহে চট্টলবীরে পরিণত হওয়া মহিউদ্দিন চৌধুরী ২০১৭ সালের ১৫ ডিসেম্বর নগরের একটি ক্লিনিকে ইন্তেকাল করেন।
৯৯৯ নম্বরে ভুল তথ্য দেওয়ায় এক ব্যক্তি আটক
০১নভেম্বর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতীয় জরুরি সেবার ৯৯৯ নম্বরে কল করে ভুল তথ্য দিয়ে পুলিশকে বিভ্রান্ত করায় রেজাউল মোল্লা (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বরিশাল কাউনিয়া থানা পুলিশ। সোমবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে তাকে আটক করা হয়। রেজাউল পটুয়াখালী সদর উপজেলার উত্তর বাদুরা গ্রামের বাসিন্দা। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মো. খাইরুল আলম সংবাদ সম্মেলনে জানান, বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) তিন নম্বর ওয়ার্ডের মতাসার এলাকার বাসিন্দা ও কাউনিয়া মরোকখোলা পোল জান্নাতুল এন্টারপ্রাইজের স্বত্তাধিকারী মো. রিয়াজুল হক সরদার গত ২০১৯ সালের ৬ আগস্ট দুর্বৃত্তদের হাতে খুন হন। পরে লাকুটিয়া সড়ক তালতলার মোড়ের পাশের একটি ডোবা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে এয়ারপোর্ট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে পুলিশের তদন্তে ওই মামলার মূল রহস্যসহ ডাকাতির ঘটনা উদঘাটন করা হয়েছে। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। এদিকে পটুয়াখালী সদর উপজেলার উত্তর বাদুরা গ্রামের বাসিন্দা রেজাউল মোল্লা বরিশালের বিভিন্ন এলাকায় বালু ভরাটের কাজ করার সুবাদে এ ক্লু-লেস হত্যার কথা জানতে পেরে তার সঙ্গে পূর্ব শত্রুতার জেরে কাশীপুর ইছাকাঠী এলাকার বাসিন্দা হানিফ সিকদার ও গৌরনদীর বাটাজোর এলাকার বাসিন্দা জসিম সন্যামতকে উক্ত মামলার আসামি বানিয়ে পুলিশের কাছে ভুল তথ্য দেয়। এছাড়া তিনি ৯৯৯ নম্বরে কল করে ভুল তথ্য দিয়ে ওই আসামিদের আটকের জন্য পুলিশকে নানা ভাবে চাপ প্রয়োগ করেন। এক পর্যায়ে পুলিশ ওই দুই ব্যক্তিকে তার কথামত না ধরার কারণে এক পুলিশ কর্মকর্তাকেও মোবাইল ফোনে নানা হুমকি দিতে থাকেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ নতুন করে ওই মামলাটির তদন্তে নেমে কথিত দুই ব্যক্তির কোনো সংশ্লিস্টতা না পেয়ে পুলিশকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করার কারণে প্রতারক রেজাউলকে আটক করা হয়। আটক রেজাউলকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপ-পুলিশ কমিশনার খাইরুল আলম।
ভাস্কর্য নিয়ে উসকানি দিলে সরকার বসে থাকবে না: হাছান মাহমুদ
৩০নভেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভাস্কর্য নিয়ে উসকানিমূলক বক্তব্য অনবরত করতে থাকলে সরকার বসে থাকবে না বলে হুঁশিয়ারি করে দিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। সোমবার সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ে সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এ হুঁশিয়ারিন দেন তিনি। হাছান মাহমুদ বলেন, আমরা শুরু থেকেই বলে আসছি ভাস্কর্য আর মূর্তির মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। একটি মহল উদ্দেশ্যমূলকভাবে ভাস্কর্যকে মূর্তির সাথে তুলনা করে সমাজকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। ইরানে আয়াতুল্লা খুমিনির ভাস্কর্য আছে। ইরাকে রাস্তায় রাস্তায় ভাস্কর্য আছে। তুরস্কে এরদোগানের ভাস্কর্য আছে এবং পৃথিবীর অন্যান্য ইসলামিক দেশসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতেও রাস্তায় রাস্তায় ভাস্কর্য আছে, বলেন তিনি। আওয়ামী লীগ নেতা আরও বলেন, সৌদি আরবের জেদ্দাসহ বিভিন্ন শহরে ঘোড়া ও উটসহ সৌদি প্রশাসকদের ছবি সম্বলিত ভাস্কর্য আছে। এছাড়া জেদ্দায় পৃথিবীর বিখ্যাত ভাস্কর্য দিয়ে স্কাউচার মিউজিয়াম তৈরি করা হয়েছে সেখানে নারী-পুরুষ, জীবজন্তুর ভাস্কর্যসহ বহু কিছুর ভাস্কর্য এবং মাওলানা রুমিসহ বহু স্কলারের ভাস্কর্য আছে। ভাস্কর্য নিয়ে উস্কানিমূলক বক্তব্য অনবরত করতে থাকলে সরকার বসে থাকবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা এ সমস্ত কথা বলেছিল তারা টেলিভিশনে বক্তব্য দেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গেলে খুশি হন। আসলে এসব কথা বলে সমাজকে বিভ্রান্ত করতে চায়। তিনি বলেন, আমি আশা করব এ ধরনের বিভ্রান্তমূলক বক্তব্য ও উসকানিমূলক বক্তব্য তারা পরিহার করবে। এটি কখনো জনগণ মেনে নেয়নি। বাংলাদেশে কোনো মৌলবাদের, জঙ্গিবাদের স্থান নেই। তথ্যমন্ত্রী বলেন, ভাস্কর্য একটি দেশের ইতিহাস, কৃষ্টি কালচারের অংশ। এমনকি সৌদি আরবেও এ নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলেনি। যারা পাকিস্তানি ভাবধারার, তারা এ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। তাদের সেই স্বাদের পাকিস্তানেও কায়েদে আজম, লিয়াকত আলীসহ বহুজনের ভাস্কর্য আছে। সেখানেও কেউ প্রশ্ন তোলেনি। আমাদের দেশের বিভিন্ন সময়ে বহু ভাস্কর্য নির্মিত হয়েছে। তখন কিন্তু কেউ প্রশ্ন তুলেনি। এখন এটি নিয়ে প্রশ্ন তুলে জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে, বলেন তিনি।
৪২ ও ৪৩তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
৩০নভেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ৪২তম ও ৪৩তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। সোমবার (৩০ নভেম্বর) রাতে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) ওয়েবসাইটে এ দুই বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। পিএসসি সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। ৪২তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ৭ ডিসেম্বর থেকে অনলাইন আবেদন শুরু হবে। চলবে ২৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত। তবে প্রার্থীরা পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আবেদনের ফি জমা দিতে পারবেন। এই বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেয়া হবে। তবে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে ৪৩তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই বিসিএসে বিভিন্ন ক্যাডারে এক হাজার ৮১৪ জন কর্মকর্তা নেয়া হবে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, ৪৩তম সাধারণ বিসিএসের মাধ্যমে প্রশাসন ক্যাডারে ৩০০ জন, পুলিশ ক্যাডারে ১০০ জন, পররাষ্ট্র ক্যাডারে ২৫ জন, শিক্ষা ক্যাডারের জন্য ৮৪৩ জন, অডিটে ৩৫ জন, ট্যাক্সে ১৯ জন, কাস্টমসে ১৪ জন, সমবায়ে ২০ জন, ডেন্টাল সার্জন পদে ৭৫ জন এবং অন্যান্য ক্যাডারে ৩৮৩ জনকে নিয়োগের জন্য পিএসসিতে চাহিদা পাঠানো হয়েছে। এর আগে ৩৯তম বিসিএসে (বিশেষ) ২০০ নম্বরের এমসিকিউ এবং ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে পাঁচ হাজারের মতো চিকিৎসক নিয়োগ দেয়া হয়েছিল।
অক্সফোর্ডের ৩ কোটি ভ্যাকসিন বিনামূল্যে দেবে সরকার
৩০নভেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: যুক্তসরাষ্ট্রের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবিত করোনা ভাইরাসের তিন কোটি ডোজ ভ্যাকসিন ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের কাছ থেকে কিনে দেশের মানুষকে বিনামূল্যে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। প্রত্যেকের জন্য দুই ডোজ ভ্যাকসিন দরকার। তাহলে দেশের দেড় কোটি মানুষ বিনামূলে এই টিকা পাবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার (৩০ নভেম্বর) সচিবালয়ে ভার্চ্যুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠকে কোভিড-১৯ সেকেন্ড ওয়েভ মোকাবিলা ও ভ্যাকসিন সংগ্রহের সবশেষ অগ্রগতি সম্পর্কে মন্ত্রিসভাকে অবহিতকরণ শেষে এ তথ্য জানানো হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, গত ১৪ অক্টোবর ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট উৎপাদিত অক্সফোর্ডের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন বাংলাদেশ সরকারের কাছে তিন কোটি ডোজ বিক্রির প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দিয়েছেন। গত ৫ নভেম্বর স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সঙ্গে সিরাম ইনস্টিটিউট ও বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক সই হয়। এরপর ১৬ নভেম্বর অর্থ বিভাগ ভ্যাকসিন কেনার জন্য স্বাস্থ্যসেবা বিভাগকে ৭৩৫ কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। ভ্যাকসিন কেনার জন্য অর্থনৈতিক ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে প্রস্তাব পাঠাবে। এ প্রস্তাব চলে এসেছে। তিনি বলেন, মানুষকে এই ভ্যাকসিন বিনা পয়সায় দেওয়া হবে। টাকা সরকার পে করে দিচ্ছে। তিন কোটি ডোজ ভ্যাকসিন ফ্রি দেওয়া হবে। ভ্যাকসিন বিতরণ নিয়ে দুর্নীতি হলে ব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, মেজর করাপশন কেউ করলে আমাদের জানাবেন, আমরা তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেবো। ভ্যাকসিন কিনতে সরকারের খরচ কত হবে- প্রশ্নে তিনি বলেন, ক্রয়ের চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত বলা যাবে না। এই ভ্যাকসিন কারা পাবে- প্রশ্নে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটা গাইডলাইন আছে। প্রথম কারা পাবে, দ্বিতীয় ধাপে কারা পাবে সে অনুযায়ী তারা একটা প্রোগ্রাম ডেভেলপ করছে। ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কার- পুলিশ, প্রশাসনের লোক যারা মাঠে চাকরি করছে, তারপর বয়স্ক লোক, বাচ্চা- এরকম একটা প্রোটোকল আছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ১৪ অক্টোবর ভ্যাকসিন কেনার জন্য অনুমোদন দিয়েছেন। বুধবার অর্থনৈতিক সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে আসবে। অন্য ভ্যাকসিনের সবশেষ নিয়ে তিনি বলেন, আরও অনেকগুলো ভ্যাকসিনের বিষয়ে উপস্থাপন করা হয়েছে। তারা বলেছে যোগাযোগ রাখছে। এখনই বলা যাচ্ছে না কোনটা বেশি ইফেকটিভ হবে। আমাদের এক নম্বর কন্ডিশন হলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রটোকল মানতে হবে। যার সঙ্গে চুক্তি করবেন, যদি মেজর কোনো সমস্যা হয় তাহলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রটোকলের বাইরে গেলে ওই চুক্তির কোনো মূল্য থাকবে না। চীনের ভ্যাকসিন নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, রিজেক্ট করেনি। ওরা একটা টাকা চাচ্ছে। সরকার এখনও দেয়নি বা অ্যাগ্রি করেনি। আমরা ওটা এখনও বাতিলও করিনি। প্রথমে টাকা চায়নি, এখন টাকা চাচ্ছে।

জাতীয় পাতার আরো খবর