বসল ৩৮তম স্প্যান, দৃশ্যমান পদ্মা সেতুর ৫৭০০ মিটার
২১নভেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বসলো পদ্মা সেতুর ৩৮তম স্প্যান। শনিবার বেলা ৩টার দিকে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তের ১ ও ২ নম্বর খুঁটির ওপর স্প্যানটি সফলভাবে বসানো হয়। এর মধ্য দিয়ে পদ্মা সেতুর মূল অবকাঠামোর ৫ হাজার ৭০০ মিটার দৃশ্যমান হলো। চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি সূত্র জানিয়েছে, ৩৮তম স্প্যান বসানোর পর আর বাকি রইলো আর ৩টি স্প্যান। সেগুলো মাওয়া প্রান্তের খুঁটিগুলোতে বসবে। পদ্মা সেতুর ( মূল সেতু) নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান মো. আব্দুল কাদের বলেন, ১ এবং ২ নম্বর খুঁটির ওপর ৩৮তম স্প্যানটি বসানো হয়েছে। দুই খুঁটির একটি মাওয়া প্রান্তের তীর সংলগ্ন ডাঙায় ও অন্যটি পদ্মার পানিতে বসানো হয়েছে। তিনি জানান, চলতি মাসের ২৭ অথবা ২৮ তারিখে দিকে খুঁটির ওপর বসতে পারে ৩৯তম স্প্যান। বিজয়ের মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে পদ্মা সেতুর সর্বশেষ স্প্যানটি বসিয়ে দেওয়া হবে খুঁটির ওপর। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানায়, পদ্মা সেতুর স্প্যান বসানোর পর ওপর দিয়ে সড়কপথ আর নিচের অংশে রেলপথ নির্মাণের কাজ বাকি থাকবে, যা এরই মধ্যে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্ত থেকে শুরু হয়ে প্রায় দুই কিলোমিটার পাড়ি দিয়েছে। উল্লেখ্য, ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের দ্বিতল পদ্মা সেতুতে সব মিলিয়ে ৪২টি খুঁটি নির্মাণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে ৪০টি খুঁটি থাকবে পানিতে আর ২টি ডাঙায়। ডাঙায় থাকা দু’টি খুঁটি সংযোগ সড়কের সঙ্গে মূল সেতুকে যুক্ত করবে। ৬টি মডিউলে বিভক্ত থাকবে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তে এক হাজার ৪৭৮ মিটার ভায়াডাক্ট বা ঝুলন্ত পথ ও জাজিরা প্রান্তে থাকবে এক হাজার ৬৭০ মিটার। বর্তমান সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নিজস্ব অর্থায়নে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে দ্বিতল পদ্মা সেতুর পুরোটাই নির্মিত হবে স্টিল ও কংক্রিট স্ট্রাকচারে। সেতুর ওপরে থাকবে কংক্রিটিং ঢালাইয়ের চার লেনের মহাসড়ক, আর তার নিচ দিয়ে যাবে রেললাইন।
সেনাপ্রধানকে- সেনাবাহিনী পদক দিলেন প্রধানমন্ত্রী
২১নভেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদকে সেনাবাহিনী পদক দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেনাবাহিনীর উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে দৃষ্টান্তমূলক অবদানের জন্য সেনাপ্রধানকে এই পদক দেয়া হলো। শনিবার (২১ নভেম্বর) সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে গণভবনে সেনাবাহিনী প্রধানকে এই পদক দেন প্রধানমন্ত্রী। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতরের (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। সশস্ত্র বাহিনী দিবস-২০২০ উপলক্ষে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে সেনাবাহিনী প্রধানের হাতে এ পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল মোহাম্মদ শাহীন ইকবাল, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাহফুজুর রহমান।
আমাদের ঝুঁকি নিতে কোনো ভয় নেই: দুদক চেয়ারম্যান
২১নভেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দুদকের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, করোনাকালের এই মহাসংকটেও আমরা দায়িত্ব পালনে পিছপা হইনি, ভবিষ্যতেও পিছপা হবো না। শনিবার (২১ নভেম্বর) দুদকের ষোড়শ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় দুদকের চেয়ারম্যান এ মন্তব্য করেন। দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনাসভা আত্মজিজ্ঞাসা বা আত্মসমালোচনার একটি প্লাটফরম। এর মাধ্যমে দুদকের প্রতিটি কর্মীর নিজ নিজ দর্শনের প্রতি অঙ্গীকারাবদ্ধ হতে হবে। এমন সময় এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন হচ্ছে, যখন শুধু দুর্নীতি দমন কমিশন বা বাংলাদেশ নয় সারা বিশ্বই মহাসংকটকাল অতিক্রম করছে। এ মহাসংকটকালেও দেশের দুষ্টু চক্রের কালো হাত থেমে নেই। সে কারণেই মাস্ক কেলেঙ্কারি, করোনা টেস্ট জালিয়াতি, ত্রাণ-সামগ্রী আত্মসাৎ, চিকিৎসা জালিয়াতির মতো ঘটনা আমাদের সামনে এসেছে। আমরাও দায়িত্ব পালনে পিছপা হইনি। তাদের বিরুদ্ধে আইনি উদ্যোগ গ্রহণ করি। এই দায়িত্ব পালন করতে গিয়েই আমাদের ৭০ জনেরও বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারী করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তিনজন প্রতিশ্রুতিশীল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে হারিয়েছি। তারপরও দুর্নীতিপরায়নদের সুখকর সময় পার করতে দেওয়া হচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, আমাদের কাজটি ধন্যবাদহীন। এ কারণেই দুর্নীতির মূলোৎপাটনে দেশের সর্বস্তরের মানুষের সম্পৃক্ততার প্রয়োজন। তাই দুর্নীতির বিরুদ্ধে ছাত্র-শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, গণমাধ্যম, সুশীল সমাজ, রাজনীতিবিদসহ সকলের সমন্বিত সামাজিক আন্দোলন সৃষ্টি করতে হবে। চেয়ারম্যান বলেন, আমরা দায়িত্ব নিয়েই বলেছিলাম কমিশন সব সময় গঠনমূলক সমালোচনাকে স্বাগত জানায়। কারণ গঠনমূলক সমালোচনাই কর্ম প্রক্রিয়াকে শানিত করে। সঠিক পথ দেখায়। সবাই সবকিছু জানে না, তাই অন্য কেউ যদি ভালো পথ দেখায় তা গ্রহণ করতে আমাদের আপত্তি নাই। আমরা সমালোচনার প্রতি-উত্তর দেই না বরং তা গ্রহণ করি। নিজেদেরকে পরিশুদ্ধ করার চেষ্টা করি। তিনি বলেন, আমরা আইনি দায়িত্ব পালনে অঙ্গীকারাবদ্ধ, তাই আমাদের ঝুঁকি নিতে কোনো ভয় নেই। আমরা ঝুঁকি নিয়েছি। আমরা সবাই সমন্বিতভাবেই ঝুঁকি নিয়েছি। কোনো হুমকি-ধমকি আমাদেরকে আইনি দায়িত্ব পালনে নিবৃত করতে পারেনি। আমরা সবাই একই সমতলে থেকে দায়িত্ব পালন করেছি। তিনি আরও বলেন, আমরা দীর্ঘ কর্ম-জীবনে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজ করার সুযোগ হয়েছে। তাতে আমার মনে হয়েছে দুদক কর্মকর্তাদের যে প্রজ্ঞা রয়েছে তা আন্তর্জাতিক মানের। আপনাদের সকলের মননে যদি দুর্নীতিবিরোধী জাগরণ সৃষ্টি করতে পারেন, তা হলে তা দুর্নীতিবিরোধী গণজাগরণে রুপান্তরিত হবে। তাই আসুন, আমরা সবাই শপথ গ্রহণ করি, আমাদের সক্ষমতা, জ্ঞান, প্রজ্ঞা যা কিছু আছে তা দিয়ে জনগণের কল্যাণে তাদেরকে সাথে নিয়ে দুর্নীতিবিরোধী গণজাগরণ সৃষ্টি করি। ইকবাল মাহমুদ বলেন, আমি আজও বলবো দুর্নীতিমুক্ত মাইন্ডস্টে সম্পন্ন নাগরিক গড়তে হলে পরিবারের পরেই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষাস্তরে নৈতিক মূল্যবোধ বিকশিত হয় এমন শিক্ষার প্রয়োজন। একটি মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন জাতি গঠনে শিক্ষা বিশেষ করে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। ইকবাল মাহমুদ আরও বলেন, সমাজে কেউই দুর্নীতি চায় না। সমাজের কতিপয় ব্যক্তি দুর্নীতিগ্রস্ত। তাদের সংখ্যা সত্যিই নগণ্য। তাই সমাজের কাছে আমাদের অঙ্গীকার থাকতে হবে। আমাদের আর্থ-সামাজিক অবস্থাকে সব সময় বিবেচনায় রাখতে হবে। আমাদের সকলের প্রতি মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থাকতে হবে। মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি মানে অপরাধ বা অপরাধীর সাথে আপস নয়। সকল প্রকার ভয়-ভীতি, লোভ-লালসার ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করতে হবে। সবাই মিলে শেষ দিন পর্যন্ত জনগণের কল্যাণে দুর্নীতি প্রশমন, দমন, প্রতিরোধ নিয়ন্ত্রণে কাজ করবো, এটাই হবে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আমাদের দৃঢ় অঙ্গীকার। আলোচনা সভায় দুদক কমিশনার এ এফ এম আমিনুল ইসলাম বলেন, শিক্ষিত হয়েও যারা দুর্নীতি করছেন, তারা জঘন্য অমানবিক অপরাধ করছেন। তাদের মানবিক গুণাবলি নেই বরং পাশবিক গুণাবলি রয়েছে। সবাই সন্তানদের জজ-ব্যারিস্টার, ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার, সরকারি বড় কর্মকর্তা বানাতে চান। এটা ভালো কথা। তবে সন্তানদের মানবিক গুণাবলি সম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার কাজটিও একই সঙ্গে বাবা-মাকে করতে হবে। দুদক সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখত বলেন, লকডাউনকালে যখন সকল অফিস আদালত বন্ধ ছিল, তখনও দুদক মামলা করেছে, আসামি গ্রেফতার করেছে। সকল কার্যক্রম ডিজিটালি সম্পন্ন করা হয়েছে। তথ্য প্রযুক্তির কারণেই দুদকের ৯০ শতাংশেরও বেশি নথি ই-নথির মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হচ্ছে। দুদক চেয়ারম্যানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দুদকের বিশেষ অনুসন্ধান ও তদন্ত অনুবিভাগের মহাপরিচালক সাঈদ মাহবুব খান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ কে এম সোহেল, গোয়েন্দা অনুবিভাগের পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলী, ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মো. আক্তার হোসেন, যশোর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক নাজমুস সায়াদাত প্রমুখ। উল্লেখ্য, ভার্চুয়াল এ আলোচনাসভা দুদকের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় কার্যালয় ও সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।
ফায়ার সার্ভিসের ৪৪ জন পেলেন রাষ্ট্রীয় পদক
২১নভেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অগ্নি নির্বাপণ ও উদ্ধার কাজে বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ৪৪ জনকে রাষ্ট্রীয় পদক দেওয়া হয়েছে। শনিবার (২১ নভেম্বর) রাজধানীর কাজী আলাউদ্দিন রোডে ফায়ার সার্ভিসের সদর দপ্তরে ফায়ার সার্ভিস সপ্তাহের সমাপনী অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। অনুষ্ঠানে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ জানান, পদকপ্রাপ্ত ৪৪ জনের মধ্যে ১০ জন পেয়েছেন বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স পদক, ১৫ জন বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স (সেবা) পদক, ১০ জন পেয়েছেন প্রেসিডেন্ট ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স পদক এবং ৯ জন পেয়েছেন প্রেসিডেন্ট ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স (সেবা) পদক। প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা প্রস্তুতি দুর্যোগ মোকাবিলায় আনবে গতি- এই প্রতিপাদ্য নিয়ে গত ১৯ নভেম্বর থেকে দেশব্যাপী ফায়ার সপ্তাহ উদযাপিত হয়েছে। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব মো. শহিদুজ্জামান। পদক প্রদান শেষ করে তিনি পদকপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানান এবং তারা ভবিষ্যতে দায়িত্ব পালনে আরো মনোযোগী হবেন বলে আশা প্রকাশ করেন। ফায়ার সার্ভিস সপ্তাহ- ২০২০ পালনের মূল লক্ষ্য ছিল জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং ফায়ার সার্ভিসের কার্যক্রমে তাদের সম্পৃক্ত করা। এ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তিন দিনব্যাপী সারা দেশে নানা ধরনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে বলে জানান ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তারা। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথিকে অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মহোদয়ের ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মাধ্যমে সমাপনী অনুষ্ঠান শেষ হয়।
তিন বিশ্ব সংস্থার প্লাটফর্মের কো-চেয়ার হলেন শেখ হাসিনা
২১নভেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্বের বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষ নেতাদের সমন্বয়ে গঠিত- ওয়ান হেলথ গ্লোবাল লিডার্স গ্রুপ অন অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিসট্যান্সর কো-চেয়ার মনোনীত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতিসংঘের দুই সহযোগী প্রতিষ্ঠান খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও), বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এবং প্রাণীর রোগ প্রতিরোধে কাজ করা ওয়ার্ল্ড অর্গানাইজেশন ফর অ্যানিমেল হেলথের (ওআইই) যৌথ উদ্যোগে শুক্রবার (২০ নভেম্বর) প্লাটফর্মটির সূচনা হয়। রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুদের ওষুধ প্রতিরোধী হয়ে ওঠা ঠেকাতে জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ সব কার্যকর ওষুধের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে যাত্রা করা এ প্লাটফর্মের কো-চেয়ার হিসেবে শেখ হাসিনার পাশাপাশি দায়িত্ব পালন করবেন বার্বাডোসের প্রধানমন্ত্রী মিয়া মোত্তেলিও। এ ছাড়াও এ গ্রুপে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান ও মন্ত্রী এবং বেসরকারি খাত ও নাগরিক সমাজের শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিরা রয়েছেন। বিশ্বজুড়ে পরিচিত এসব ব্যক্তিত্ব নিজেদের নেতৃত্ব এবং প্রভাব কাজে লাগিয়ে জীবাণু ধ্বংসে সক্ষম ওষুধের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখবেন। একই সঙ্গে জীবাণুদের ওষুধ প্রতিরোধী হয়ে ওঠার মারাত্মক পরিণতির বিষয়ে বিশ্ববাসীর মনোযোগ আকর্ষণ করবেন। এর পাশাপাশি অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিসট্যান্স মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপ নিতে সহায়তাও দেবেন প্লাটফর্মটির সদস্যরা। বিশ্বজুড়ে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল সচেতনতা সপ্তাহ চলার মধ্যে যাত্রা শুরু করলো প্লাটফর্মটি। অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিসট্যান্স বিষয়ক আন্তঃসংস্থা সমন্বয় গ্রুপের পরামর্শে এবং জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের সমর্থনে প্লাটফর্মটি সৃষ্টি হয়।
যেখানেই দুর্নীতি সেখানেই অভিযান চলবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
২১নভেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শনিবার (২১ নভেম্বর) দুপুরে মগবাজার ওয়‍্যারলেস কলোনি সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এস টি এস) উদ্বোধনকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এ কথা বলেন। আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, আমাদের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাজ করছে বলেই সিরাজগঞ্জে জঙ্গি আস্তানার জঙ্গিরা আত্মসমর্পণ করেছে। Rab গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালায়। জঙ্গিরা বাধ্য হয়ে আত্মসমর্পণ করেছে। তারা (জঙ্গিরা) বুঝতে পেরেছে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, জঙ্গি আক্রমণ করে দেশকে আর অন্ধকারে নিয়ে যাওয়া যাবে না বলেই তারা আত্মসমর্পণ করেছেন। আমাদের নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা বাহিনীর সবসময় তৎপর আছে বলেই সেই নির্ভরতার জায়গাটিতে আমরা এসেছি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, করোনা ভাইরাস বিশ্বের মধ্যে যেভাবে আলোড়ন সৃষ্টি করে ফেলে ছিল কিন্তু বাংলাদেশে তেমনটা হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় আমরা কোভিডে যারা আক্রান্ত হয়েছিলো আমরা তাদের চিকিৎসাসেবা দিতে পেরেছি। করোনা ভাইরাস বিস্তাররোধে ও আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। করোনার মধ্যে যাদের অর্থনৈতিক বিপর্যয় হবে বিষয়টি মাথায় রেখে আমরা কৃষিক্ষেত্রে জোর দিয়েছি। সেটার সুফলও আমরা পেয়েছি। সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এস টি এস) নিয়ে তিনি বলেন, ঢাকা সিটি করপোরেশনের এই ধরনের ইমারত (এস টি এস) বহু জায়গায় নির্মিত হয়েছে। টিঅ্যান্ডটি স্কুলের সামনে ছিল একটি ময়লার ভাগাড়। নাকে রুমাল না দিয়ে কোনো মানুষ এখান দিয়ে যেতে পারতো না। ময়লার দুর্গন্ধের কারণে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী কমে গিয়েছিল। কেউ এখানে আসতে চাইতো না। স্টেশন স্থাপনের মাধ্যমে সেই অসহ্য যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেলো এই এলাকাবাসীরা। এসময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর তৈমুর রেজা খোকন, ৩৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোক্তার সরদার প্রমুখ।
অবৈধ অস্ত্র-মাদকসহ গোল্ডেন মনির গ্রেফতার
২১নভেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর মেরুল বাড্ডা থেকে অবৈধ অস্ত্র ও মাদকসহ ব্যবসায়ী মনিরুল ইসলাম ওরফে গোল্ডেন মনিরকে গ্রেফতার করেছে Rapid Action Battalion (Rab)। গাড়ি ও স্বর্ণের ব্যবসা রয়েছে মনিরের। শুক্রবার (২০ নভেম্বর) রাত ১০টা থেকে শুরু হয়ে অভিযান চলে রাতভর। শনিবার সকালে Rab সদর দপ্তর থেকে পাঠানো বার্তায় গোল্ডেন মনিরকে গ্রেফতারের বিষয়টি জানায় Rab। Rab সদর দফতরের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ নিউজ একাত্তরকে বলেন,শনিবার সকাল ১‌১টায় রাজধানীর মেরুল বাড্ডা ডিআইটি প্রজেক্টের ১১ নম্বর সড়কে গোল্ডেন মনিরের বাসার সামনে সংবাদ সম্মেলন করে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে। গোল্ডেন মনিরের বাসায় পরিচালিত অভিযানে নেতৃত্ব দেন Rab এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু। মনিরের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেও অভিযান চালানো হয়। Rab জানিয়েছে, অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে এ অভিযান চালানো হয়। তার ছয়তলা ভবনের বাসায় প্রতিটি ফ্লোরে তল্লাশি চালানো হয়।
আজ সশস্ত্র বাহিনী দিবস
২১নভেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ সশস্ত্র বাহিনী দিবস। যথাযথ মর্যাদা ও উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে উৎযাপিত হবে দিবসটি। শনিবার দেশের সকল সেনানিবাস, নৌ ঘাঁটি ও স্থাপনা এবং বিমান বাহিনী ঘাঁটির মসজিদসমুহে দেশের কল্যাণ ও সমৃদ্ধি এবং সশস্ত্র বাহিনীর উত্তরোত্তর উন্নতি ও অগ্রগতি কামনা করে ফজরের নামাজ শেষে বিশেষ মোনাজাতের মধ্যদিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক পৃথক বাণী প্রদান করবেন। সশস্ত্র বাহিনী দিবস-২০২০ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বক্তব্য আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বেসরকারি টেলিভিশন এবং রেডিও চ্যানেলে একযোগে প্রচার করা হবে। ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ হতে তাঁদের সামরিক সচিবগণ আজ সকালে ঢাকা সেনানিবাসের শিখা অনির্বাণে পুস্পস্তবক অর্পণ করবেন। এরপর সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল মোহাম্মদ শাহীন ইকবাল এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত নিজ নিজ বাহিনীর পক্ষ থেকে শিখা অনির্বাণে পুস্পস্তবক অর্পণ করবেন। তিন বাহিনী প্রধানগণ বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি এবং গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিক, আরসিডিএস, পিএসসি (অবঃ), তিন বাহিনী প্রধান ও প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ প্রধানমন্ত্রীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। বর্তমান করোনাভাইরাস জনিত উদ্ভুত পরিস্থিতির কারণে কিছু আনুষ্ঠানিকতা সীমিত আকারে করা হবে। এ বছর ঢাকা, খুলনা, চাঁদপুর, বরিশাল ও চট্টগ্রামে নৌবাহিনী জাহাজসমুহ সর্বসাধারণের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে না।
সশস্ত্র বাহিনী আজ জাতির আস্থার প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী
২০নভেম্বর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিটি সদস্য মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে দেশপ্রেম, পেশাদারিত্ব এবং নৈতিকতার আদর্শে স্ব স্ব দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে যাবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন। সশস্ত্র বাহিনী আজ জাতির আস্থার প্রতীক হিসেবে গড়ে উঠেছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী দুর্যোগ মোকাবিলা, অবকাঠামো নির্মাণ, আর্তমানবতার সেবা, বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা এবং জাতি গঠনমূলক বিভিন্ন কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করছে। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামীকাল সশস্ত্র বাহিনী দিবস ২০২০ উপলক্ষ্যে আজ দেয়া এক বাণীতে এসব কথা বলেন। সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষ্যে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সকল সদস্যকে তিনি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। এছাড়াও ঐতিহাসিক এ দিনে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের সকল বীর শহীদ এবং মাতৃভূমির জন্য জীবন উৎসর্গকারী সশস্ত্র বাহিনীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং দিবসটির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন। শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উদাত্ত আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাঙালি জাতি ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাঁর দূরদর্শী, সাহসী এবং ঐন্দ্রজালিক নেতৃত্বে বাঙালি জাতি পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙ্গে ছিনিয়ে আনে স্বাধীনতার রক্তিম সূর্য আর লাল সবুজের পতাকা। তিনি বলেন, আমাদের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসে ২১ নভেম্বর একটি বিশেষ গৌরবময় দিন। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৭১ সালের এ দিনে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর অকুতোভয় সদস্যরা সম্মিলিতভাবে দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে পাল্টা আক্রমণের সূচনা করেন। মুক্তিবাহিনী, বিভিন্ন আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যগণ ও দেশপ্রেমিক জনতা এই সমন্বিত আক্রমণে একতাবদ্ধ হন। দখলদার বাহিনী আত্মসমর্পণে বাধ্য হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, হানাদার পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাজিত করে ১৬ ডিসেম্বর আমরা চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করি। মহান মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি জাতির অগ্রযাত্রা ও বিজয়ের স্মারক হিসেবে প্রতি বছর ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালন করা হয়। স্বাধীনতার পর জাতির পিতা একটি আধুনিক ও চৌকস সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার কাজ শুরু করেন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, সেনা বাহিনীর জন্য তিনি মিলিটারি একাডেমি, কম্বাইন্ড আর্মড স্কুল ও প্রতিটি কোরের জন্য ট্রেনিং স্কুলসহ আরও অনেক সামরিক প্রতিষ্ঠান এবং ইউনিট গঠন করেন। তিনি চট্টগ্রামে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ঘাঁটি ঈসা খাঁ উদ্বোধন করেন। বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিগত উদ্যোগে তৎকালীন যুগোশ্লt;াভিয়া থেকে নৌ বাহিনীর জন্য দুটি জাহাজ সংগ্রহ করা হয়। বিমান বাহিনীর জন্য তিনি তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে সুপারসনিক মিগ-২১ জঙ্গি বিমানসহ হেলিকপ্টার, পরিবহন বিমান ও রাডার সংগ্রহ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে তার সরকার নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। সেনা, নৌ এবং বিমান বাহিনীকে দেশে ও বিদেশে উন্নততর প্রশিক্ষণ প্রদানসহ আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন সরঞ্জাম দিয়ে সজ্জিত করেছেন। জাতির পিতার নির্দেশে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্রের উপযোগী ১৯৭৪ সালে প্রণীত প্রতিরক্ষা নীতিমালার আলোকে ফোর্সেস গোল-২০৩০ প্রণয়ন করা হয়েছে এবং এর আওতায় তিন বাহিনীর পুনর্গঠন ও আধুনিকায়নের কার্যক্রমসমূহ পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

জাতীয় পাতার আরো খবর