বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০
করোনার সময়েও স্বাস্থ্যখাতে সকল স্তরে সমান স্বাস্থ্যসেবা অব্যাহত রাখতে হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
১১,জুলাই,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক এমপি বলেছেন, করোনা কালে দেশের প্রান্তিক অঞ্চল থেকে শুরু করে শহর, গ্রামে সবখানেই সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা সমানভাবে অব্যাহত রাখতে হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী আজ শনিবার অনলাইন জুম মিটিং এর মাধ্যমে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর কর্তৃক আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। জাহিদ মালেক বলেন, গোটা বিশ্বে করোনার তান্ডব চলছে। এর কোন ভ্যাক্সিন ও ঔষধ এখনো বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করতে সক্ষম হননি। কিন্তু তাই বলে করোনার বাইরেও মানুষের অন্যান্য রোগ-ব্যাধি তো থেমে থাকবে না। তিনি বলেন, কাজেই মহামারী যতই বৃহৎ আকারে থাকুক, মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় কোনরকম ঘাটতি রাখা যাবেনা। দেশের প্রান্তিক অঞ্চল থেকে শুরু করে শহর, গ্রামে সবখানেই এবং স্বাস্থ্যখাতের সকল স্তরে মানুষের স্বাস্থ্যসেবা সমানভাবে অব্যাহত রাখতে হবে। কোভিড-১৯ এর মহাদুর্যোগের সময়ে আজকের সকল আয়োজনকে মুজিব বর্ষের তাৎপর্যের উপর উৎসর্গ করে জাহিদ মালেক বলেন, আমাদের অনেক ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও করোনার কারনে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে উদযাপিত মুজিব বর্ষ ঠিকভাবে পালন করতে পারছি না। তাই আজকের জনসংখ্যা দিবসের সকল কর্মকান্ড মুজিব বর্ষের নামেই উৎসর্গ করছি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানের করোনা ক্রান্তিকালে দেশের প্রায় ১৮ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক ও হাসপাতালসমূহে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ে ৫২ হাজার কর্মী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি তাদের প্রত্যেককে সাধুবাদ জানান ও মানুষের সেবায় প্রত্যেককে আরো নিবেদিত হয়ে কাজ করে যাবার আহবান জানান। স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব আলী নূরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. আব্দুল মান্নান, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সাহান আরা বানু এনডিসি প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য রাখেন আইইএম শাখার পরিচালক ড. আশরাফুন্নেছা।
বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত সাহারা খাতুন
১১,জুলাই,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন। শনিবার (১১ জুলাই) বেলা পৌনে ১২টায় দ্বিতীয় দফা জানাজা শেষে তাকে বনানী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়। করোনাকালে সাহারা খাতুনকে শেষ বিদায় জানাতে সীমিত পরিসরে বনানী কবরস্থানে আসেন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। আওয়ামী লীগের এ সংগ্রামী নেতাকে বিদায় জানাতে বনানী কবরস্থানে আসেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক ও পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদসহ কেন্দ্রীয় নেতারা। সাহারা খাতুনের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয় রাজধানীর ফার্মগেট বায়তুশ শরফ জামে মসজিদে। সেখান থেকে বনানী কবরস্থানে দ্বিতীয় দফায় জানাজা শেষে তার মরদেহ দাফন করা হয়। সাহারা খাতুন দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ৬ জুলাই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে থাইল্যান্ডে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাত ১১টা ৪০ মিনিটে থাইল্যান্ডের ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাহারা খাতুন শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। পরে তার মরদেহ দেশে আনা হয়। শনিবার (১১ জুলাই) সকাল ১১টা ১০ মিনিটে বনানী কবরস্থানে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে সাহারা খাতুনের জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পরে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর ও আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি দেওয়া হয়। সাহারা খাতুন ২০০৮ সালে ঢাকা-১৭ আসন থেকে সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হন। এ আসনে তিনি পর পর তিন বার সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সরকার গঠন হলে তিনি দেশের প্রথম নারী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। এরপর ওই মন্ত্রিসভায় তার দপ্তর পরিবর্তন হলে তিনি ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।
রিজেন্ট হাসপাতালের অনিয়ম সরকারই উদঘাটন করেছে : তথ্যমন্ত্রী
১০জুলাই,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, রিজেন্ট হাসপাতালের অনিয়ম সরকারই উদঘাটন করেছে, অন্য কেউ নয়। বিএনপিও এ নিয়ে আগে কোনো প্রশ্ন তোলেনি। মন্ত্রী শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিচ্ছিলেন। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলের মন্তব্য সরকারের মদদে রিজেন্টের অনিয়ম&- এর জবাবে তিনি একথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারি সংস্থা নিজ উদ্যোগেই ঢাকায় রিজেন্ট হাসপাতালের দুটি শাখায় অভিযান চালিয়েছে ও মামলা করেছে, গণমাধ্যমের কোনো প্রতিবেদনের ভিত্তিতে নয়। এরপর এবিষয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য আমি গণমাধ্যমকে ধন্যবাদ জানাই। মন্ত্রী বলেন, পত্রপত্রিকার রিপোর্টে দেখা গেছে, সাহেদ করিম বিএনপি আমলে হাওয়া ভবনের সাথে যুক্ত ছিলেন, এরপর দু বছর জেলেও ছিলেন। রিপোর্ট অনুযায়ী কয়েক মাস আগেও যুবদলের নেতাকে সামনে রেখে সাহেদ যখন তারেক রহমানের সাথে স্কাইপেতে কথা বলেন, তখন সেটি কাদের মদদে ঘটে, মির্জা ফখরুলের কাছে প্রশ্ন রাখেন ড. হাছান। তিনি বলেন, সাহেদকে যারা টক শো তে সুযোগ দিয়েছিলেন তাদেরও দায় রয়েছে, কারণ সে টক শো কে প্রতারণার ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতো। তথ্যমন্ত্রী বলেন, সাহেদ প্রতারণার কাজে কখনো নিজেকে মেজর, কর্ণেল, আওয়ামী নেতা বা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা এমন নানা পরিচয় দিয়েছেন, এসব পরিচয় সত্য নয়। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরো জানান, আমরা তদন্ত করে দেখেছি, তিনি আওয়ামী লীগের কোনো কমিটিতে ছিলেন না। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলেছেন, দুর্নীতিবাজদের পরিচয়-বর্ণ যাই হোক, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। তারই অংশ হিসেবে সাহেদ ও এমন আরো প্রতারকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। ইটালি থেকে বাংলাদেশী যাত্রীদের ফেরত পাঠানোর বিষয়ে বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভীর মন্তব্য -বাংলাদেশের বিমানকে করোনা বোমা বলা হচ্ছে, এ প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, রিজভী সাহেবের এ বক্তব্য বাংলাদেশ ও দেশের মানুষের বিরুদ্ধে যায়। তিনি বলেন, সমগ্র বিশ্বের কোনো দেশেই করোনার কারণে বিমান চলাচল এখনো স্বাভাবিক হয়নি, বাংলাদেশও করোনা আক্রান্ত বলে মনে হওয়ায় বিদেশি যাত্রীদের ফেরত পাঠিয়েছে। তথ্যমন্ত্রী বিশ্ব পরিস্থিতির দিকে তাকিয়ে ও দেশের পক্ষে কথা বলার জন্য রিজভীর প্রতি আহবান জানান । তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান এসময় প্রবীণ রাজনীতিক সাহারা খাতুনের মৃত্যুকে দেশের রাজনীতির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য সর্বজন শ্রদ্ধেয় এডভোকেট সাহারা খাতুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অত্যন্ত বিশ্বস্ত সহকর্মী ছিলেন। ২০০৭ সালে শেখ হাসিনাকে কারাবন্দী করা হলে তার মুক্তির জন্য আইনী ও রাজনৈতিক লড়াইয়ে তিনি ওতোপ্রোতোভাবে ভূমিকা রাখেন। আওয়ামী লীগের সকল দু:সময়ে তিনি বিপদের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছেন, অনেকবার কারাবরণ করেছেন। তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং দেশের রাজনীতিতে বণিকায়ণ ও দুর্বৃত্তায়নের বিরুদ্ধে সোচ্চার নেতা সাহারা খাতুনের মৃত্যু আওয়ামী লীগ তথা দেশের রাজনীতিতে এক অপূরণীয় ক্ষতি।
আনন্দবাজারে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালো বিজিবি
১০জুলাই,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকায় অরক্ষিত জমিতে পা পড়ছে বাংলাদেশির- শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি। শুক্রবার (১০ জুলাই) বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, প্রকাশিত সংবাদটি ভিত্তিহীন, বানোয়াট এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। পত্রিকায় ঘটনাস্থল রানীনগর সীমান্তের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সেখানে কোনো ঘটনা ঘটেনি। উল্লিখিত এলাকাটি রাজশাহী বিজিবির দায়িত্বপূর্ণ এলাকা চারঘাট বিওপি থেকে শুরু করে তালাইমারি বিওপি পর্যন্ত বিস্তৃত এবং এখানে পদ্মা নদী বরাবর শূন্য লাইন অতিক্রম করেছে। এর উভয় পাশে বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সংবাদে বলা হয় সীমান্তের রানীনগর ১ ও ২ ব্লক এবং জলঙ্গি জুড়ে প্রায় ২২ হাজার একর অরক্ষিত জমিতে বাংলাদেশিরা অবাধে চাষাবাদ করছে। এই প্রসঙ্গে দেখা যায় বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। ভারতের অভ্যন্তরে গিয়ে চাষাবাদ করা তো দূরের কথা, বর্তমানে আন্তর্জাতিক সীমারেখা বরাবর চাষাবাদ করাই অসম্ভব একটি ব্যাপার। সেখানে প্রতিনিয়ত শূন্য লাইন বরাবর বিজিবি সদস্যরা রাত দিন টহল করে সীমান্ত রক্ষা করছে। দিন কয়েক আগে দুজন বাংলাদেশি সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের এলাকায় চলে গেলে বিএসএফ তাদের আটক করে এবং ফলশ্রুতিতে তার মুক্তিপণ স্বরূপ রানীনগর সীমান্তের গ্রাম থেকে দুইজন গ্রামবাসীকে তুলে নিয়েছে বাংলাদেশি দুস্কৃতিকারীরা। কিন্তু বাস্তবে আসল ঘটনা সম্পূর্ণ উল্টো এবং প্রকাশিত সংবাদটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এতে আরও বলা হয়, মূলত গত ২ জুলাই জলঙ্গি সীমান্তে দুটি ঘটনা ঘটে যা পত্রিকার মূল বক্তব্যের সম্পূর্ণ বিপরীত। সেদিন আনুমানিক সাড়ে এগারোটায় নয়ন শেখ এবং শহিদুল শেখ নামক দুইজন জলঙ্গি নিবাসী ভারতীয় চোরাকারবারি অবৈধভাবে জলঙ্গি সীমান্ত দিয়ে আন্তর্জাতিক সীমারেখা অতিক্রম করে এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ইউসুফপুর গ্রামে মাদক ব্যবসা এবং অর্থ লেনদেনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় লোকজনের ওপর চড়াও হয়। স্থানীয়রা ব্যাপারটিকে সহজভাবে না নিয়ে তাদের ঘেরাও করে ফেলে। পরে ইউসুফপুর বিজিবি ক্যাম্প খবর প্রাপ্তি সাপেক্ষে ভারতীয় দুজনের নিরাপত্তার কথা ভেবে নিজেদের হেফাজতে তাদের নিয়ে নেয়। অপরপক্ষে একই দিন ১২টায় বিএসএফ টহল দল অবৈধভাবে আন্তর্জাতিক সীমারেখা অতিক্রম করে ৩০০ মিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে (পিলার ৭২/৪-এস বরাবর) প্রবেশ করে ইউসুফপুর এলাকা থেকে তিনজন কৃষককে ধরে নিয়ে যায়। যারা চর এলাকায় শুধুমাত্র চাষাবাদ করে বাড়ি ফিরছিল। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, উভয় ঘটনার রেশ ধরে একই দিনে বিজিবি-বিএসএফ পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরে ৩ জুলাই শান্তিপূর্ণভাবে উভয় দেশের নাগরিক হস্তান্তর-গ্রহণের মাধ্যমে ব্যাপারটি সুষ্ঠুভাবে মীমাংসা হয়েছে। স্থানীয় মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় বিএসএফের সঙ্গে জনগণের বৈরি সম্পর্ক, স্থানীয় গরু চোরাকারবারী কর্তৃক এই মৌসুমে কোনো কাজ করতে না পারা, মাছ ধরার সময় বিএসএফ কর্তৃক স্থানীয় জেলেদের থেকে চাঁদা আদায় এবং সর্বোপরি স্থানীয় বিএসএফ ব্যাটালিয়নের ব্যর্থতাকে ঢাকার জন্য ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদটি স্থানীয় ভারতীয় জনগণ অথবা স্বার্থান্বেষীমহল কর্তৃক প্রদান করা হতে পারে বলে অনুমেয়।
সাহেদকে গ্রেফতার করে প্রমাণ করুন প্রভাবশালীরা ভাগ পাননি
১০জুলাই,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রিজেন্ট হাসপাতালের জালিয়াতি আর প্রতারণার তথ্য উদঘাটিত হওয়ার পর এই গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমকে গ্রেফতার করার আবেদন জানিয়ে আলোচিত আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বলেছেন, অতিদ্রুত তাকে গ্রেফতার করে প্রমাণ করুন যে তার কাছ থেকে প্রভাবশালীরা কোনো ভাগ পাননি। বৃহস্পতিবার ফেসবুক লাইভে এসে এমন মন্তব্য করেছেন সুমন। ব্যরিস্টার সুমন বলেন, এই সময়ে এসে করোনা ইস্যুতে বাংলাদেশটাকে প্রোডাক্ট বানিয়ে বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক দেশের কলঙ্ক শাহেদ। তিনি কেন এখনও আইনের আওতায় আসেননি? যেখানে বাংলাদেশের বড় বড় ক্রিমিনালরা দুই আড়াই ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার হয়, সেখানে সাহেদকে কেন এখনও গ্রেফতার করা হচ্ছে না, এমন প্রশ্ন রাখেন তিনি। ব্যারিস্টার সুমন বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় লোকে বলাবলি করছে যে, সাহেদ এখন কোনো মন্ত্রী অথবা কোনো ভিআইপির বাসায় এসে আত্মগোপন করে রয়েছেন অথবা তাকে আত্মগোপন করে রাখা হয়েছে। তাকে কেন গ্রেফতার করা হচ্ছে না এই কথার যদি জবাব দিতে না পারেন তাহলে এর দায় সরকারকেই নিতে হবে। তিনি বলেন, এমন কোনো ভিআইপি ব্যক্তি নেই যে তার সঙ্গে সাহেদের ছবি নেই। এখন যদি তাকে ধরা না হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ ভাববে কোনো ভিআইপি ব্যক্তির বাসায় তাকে আত্মগোপনে রাখা হয়েছে। এর জবাব সরকারকেই দিতে হবে। আওয়ামী লীগের সাথে সাহেদের সম্পর্কের বিষয়ে সুমন বলেন, এই সাহেদ দাবি করে যে সে আওয়ামী লীগের উপ-কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এবং তার একটি নাম আমি দেখেছিও। জানি না পুরোপুরি কতটা সত্য। কিন্তু আওয়ামী লীগের লোকজনের সাথে তার ওঠাবসা রয়েছে এটা প্রমাণিত। আর তার মতো সমস্ত লোকজনই ক্ষমতার আশপাশেই থাকে। তাই সঠিকভাবে তার বিচার না করলে আওয়ামী লীগকে এর দায় নিতে হবে। রিজেন্ট হাসপাতালের বিরুদ্ধে অনিয়ম এবং প্রতারণার অভিযোগে ৬ জুলাই Rapid Action BAttalion (Rab) একটি দল উত্তরায় অবস্থিত হাসপাতালের একটি শাখায় অভিযান চালায়। সেখানে করোনাভাইরাস পরীক্ষা না করেই ভুয়া সনদ দেয়াসহ নানা ধরনের অনিয়মের প্রমাণ পায় Rab। পরদিন অনিয়মের অভিযোগে হাসপাতালের উত্তরা শাখা সিলগালা করে দেয় Rab। একই দিন রিজেন্ট হাসপাতালের মিরপুর এবং উত্তরা দুটি শাখারই কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি ইস্যু করে স্বাস্থ্য অধিদফতর। এরই মধ্যে রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। তাকে গ্রেফতারে অভিযান চালায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। মো. সাহেদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টও (হিসাব) ফ্রিজ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সূত্র: জাগোনিউজ
সাহেদ যত ক্ষমতাবানই হোক আইনের আওতায় আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
১০জুলাই,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ যে কাজ করেছে শাস্তি তাকে পেতেই হবে। এতে সে যত ক্ষমতাবানই হোক না কেন তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। শুক্রবার রাজধানীতে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ সময় সাহেদকে গ্রেফতারের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী খুঁজছে তাকে। তবে তারও উচিত আত্মসমর্পণ করা। এছাড়া সাহেদের বিরুদ্ধে মামলাও করেছে Rab। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার পুলিশের পক্ষ থেকে ইমিগ্রেশন বিভাগকে এ সংক্রান্ত চিঠি দেয়া হয়। এর আগে, নানা অনিয়ম, প্রতারণা, সরকারের সঙ্গে চুক্তি ভঙ্গ ও করোনা পরীক্ষার ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগে রিজেন্ট হাসপাতালের প্রধান কার্যালয়, উত্তরা ও মিরপুর শাখা একে একে সিলগালা করে দেয় Rab।
সাহারা খাতুনের মৃত্যুতে শিক্ষা উপমন্ত্রীর শোক
১০জুলাই,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সংসদ সদস্য, সাবেক মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য ও শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে পাঠানো এক শোক বার্তায় শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, ১/১১ সময়ে আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা'র কারামুক্তির জন্য অ্যাডভোকেট সাহার খাতুন অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তিনি দলের দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের আইনী সহায়তা প্রদান করেছেন। তার মৃত্যুতে জাতি একজন দক্ষ ও সৎ নেত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এক পরীক্ষিত ও বিশ্বস্ত যোদ্ধা হারালো। বলেন ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। শিক্ষা উপমন্ত্রী সাহারা খাতুনের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা ৪০ মিনিটে ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন সাহারা খাতুন।

জাতীয় পাতার আরো খবর