রবিবার, নভেম্বর ১৮, ২০১৮
শিক্ষার্থীদের নয় দফা দাবি যৌক্তিক-ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার
অনলাইন ডেস্ক: বিমানবন্দর সড়কে বাসচাপায় দুই কলেজশিক্ষার্থী নিহত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে সড়ক অবরোধ করা শিক্ষার্থীদের নয় দফা দাবি যৌক্তিক বলে মনে করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল। তিনি বলেছেন, ছাত্রদের দাবিগুলো বাস্তবায়নে পর্যায়ক্রমে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে শিক্ষার্থীদের ঘরে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি। শিক্ষার্থীদের চলমান অবরোধের মধ্যে বুধবার (১ আগস্ট) সচিবালয়ে দুই মন্ত্রী, এক প্রতিমন্ত্রী, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তা, পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একথা জানান। সভায় নৌমন্ত্রী শাজাহান খান, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙ্গা, পুলিশ মহাপরিদর্শক জাবেদ পাটোয়ারী, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া উপস্থিত ছিলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দেশব্যাপী স্টার্টিং পয়েন্টে (বাস টার্মিনাল) গাড়ির ফিটনেস, রুট পারমিট, ড্রাইভারের লাইসেন্স পরীক্ষা করা হবে।’ সড়কে শিক্ষার্থীদের অবস্থান বেশিদিন দীর্ঘ হলে স্বার্থান্বেষী মহল সুযোগ নিতে পারে বলেও মন্তব্য করেছেন আসাদুজ্জামান খান।
নিরাপদ সড়কের দাবিতে আবার রাস্তায় শিক্ষার্থীরা
অনলাইন ডেস্ক: বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে টানা চতুর্থ দিনের মত রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে বিক্ষোভ শুরু করেছে বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা। বুধবার সকাল ১০টা মধ্যে রাজধানীর উত্তরাংশে উত্তরার হাউজ বিল্ডিং মোড়, দক্ষিণে যাত্রাবাড়ীর শনির আখড়া এবং নগরীর কেন্দ্রভাগে ফার্মগেইটে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ইউনিফর্মপরা শিক্ষার্থীদের জড়ো হওয়ার খবর এসেছে। উত্তরা পূর্ব থানার উপ পরিদর্শক মানিক মাহমুদ বলেন,বিভিন্ন স্কুল কলেজের ছেলেরা ১০টার দিকে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ শুরু করছে। ফলে যানবাহন চলতে পারছে না। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আছেন, তাদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন। এদিকে একই সময়ে যাত্রাবাড়ীর শনির আখড়ায় ধনিয়া কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ শুরু করে। মহানগর পুলিশের শ্যামপুর জোনের সহকারী কমিশনার ফয়সল মাহমুদ বলেন, শিক্ষার্থীরা রাস্তা আটকে রাখায় ঢাকায় ঢোকার বা বের হওয়ার পথ বন্ধ রয়েছে। তেজগাঁও কলেজ, সরকারি বিজ্ঞান কলেজসহ ফার্মগেইট এলাকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা আগের দিনের মতই সকাল ১০টার পর রাস্তায় নেমে আসে। শুরুতে তারা রাস্তা না আটকে গাড়ি থামিয়ে থামিয়ে লাইসেন্স দেখা শুরু করে। ফলে অফিস চলার সময়ে ব্যস্ত ওই দ্রুত যানজট তৈরি হয়ে যায়। পরে পুলিশ বিজয় সরণির মোড় থেকে ফার্মগেইটগামী যানবাহনকে বিজয় সরণি দিয়ে সংসদ ভবনের দিকে পাঠিয়ে দেয়। তেজগাঁও থানার উপ পরিদর্শক মো. মাসুদ বলেন,শিক্ষার্থীরা রাস্তায় বিক্ষোভ করলে। যানচলাচল করতে পারছে না। ফার্মগেইট এলাকার দোকানি আরমানবলেন,কালকেও ছেলেরা অনেকক্ষণ রাস্তা বন্ধ করে রেখেছিল। আজকেও শুরু হয়েছে।
আজ বুধবার শোকাবহ আগস্টের প্রথম দিন
অনলাইন ডেস্ক: বছর ঘুরে আবার এসেছে বাঙালি জাতির ইতিহাসের শোকাবহ ক্ষণ। আজ বুধবার আগস্টের প্রথম দিন। বাংলাদেশের শোকের মাস শুরু। এ মাস নতুন করে ভাবতে শেখায়। শোকের মাসে প্রত্যয় ও শপথে শোককে শক্তিতে পরিণত করার অভয়মন্ত্রে আবার উদ্দীপিত হবে বাঙালি জাতি। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নৃশংসভাবে পরিবারের সদস্য ও নিকটাত্মীয়সহ হত্যা করা হয়েছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। শুধু বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় বেঁচে যান। ১৫ আগস্ট কালোরাতে বঙ্গবন্ধুর সাথে হত্যা করা হয় বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল, শিশুপুত্র শেখ রাসেলসহ পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজি জামালকে। জঘন্যতম এই হত্যাকাণ্ডে নিহত হন বঙ্গবন্ধুর ভাই শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, ভাগ্নে যুবনেতা ও সাংবাদিক শেখ ফজলুল হক মণি, কর্নেল জামিলসহ ১৬ জন সদস্য ও আত্মীয়স্বজন। সেই হত্যাকাণ্ডের বিয়োগান্ত অধ্যায় সূত্রে জাতি আগস্ট মাস জুড়ে গভীর শোক ও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ১৫ আগস্টের শহীদদের। পুরো আগস্ট মাস জুড়ে গভীর শোক ও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হবে এই মহানায়ককে। শোকাবহ পরিবেশে মাসব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে আওয়ামী লীগসহ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সব সংগঠন। বুধবার রাতের প্রথম প্রহরে ১২টা ১ মিনিটে যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের উদ্যোগে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন, আলোক শিখা প্রজ্বলন, মিছিল ও শপথ গ্রহণের মাধ্যমে শোকের মাস আগস্টের মাসব্যাপী কর্মসূচি শুরু হয়। আগস্ট মাস বঙ্গবন্ধুর দল আওয়ামী লীগসহ পুরো জাতি পালন করে শোকের মাস হিসেবে। ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন উপলক্ষে প্রতিবারের মতো এবারও কেন্দ্রীয়ভাবে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। আগস্টের প্রথম দিনের কর্মসূচি : আজ বুধবার বিকাল ৩টায় কৃষক লীগের আয়োজনে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি রযেছে। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে এ কর্মসূচি পালিত হবে। বিকাল সাড়ে ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে বঙ্গবন্ধু সমাজ কল্যাণ পরিষদ আলোচনা সভা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। এদিকে, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মাসব্যাপী বঙ্গবন্ধু ভ্রাম্যমাণ বইমেলার আয়োজন করা হয়েছে। আজ আগস্টের প্রথম দিন এ মেলা শুরু হবে। শেষ হবে ৩১ আগস্ট। এ আয়োজনের উদ্যোক্তা শ্রাবণ প্রকাশনী ও বই নিউজ। বঙ্গবন্ধু ভ্রাম্যমাণ বইমেলার পিকআপ ভ্যানটি ১ আগস্ট থেকে পর্যায়ক্রমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ আশপাশের জেলার স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে পর্যায়ক্রমে অবস্থান করবে। মেলায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর লেখা অসমাপ্ত আত্মজীবনী ও কারাগারের রোজনামচা সহ বঙ্গবন্ধুর ওপর খ্যাতিমান লেখকদের ১০০টি সেরা বই প্রদর্শিত এবং বিক্রি করা হবে। বঙ্গবন্ধুর ওপর শ্রাবণ প্রকাশনীর বই এতে থাকবে। মেলায় ক্রেতারা ২৫ শতাংশ কমিশনে বই কিনতে পারবেন। মেলার পিকআপ ভ্যান ঢাকা শহর ছাড়াও নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, গাজীপুর ও মানিকগঞ্জের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে অবস্থান করবে।
শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার ঘটনায় বিচারের প্রতিশ্রুতি জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীতে বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার ঘটনায় উপযুক্ত বিচারের প্রতিশ্রুতি জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন,নৌমন্ত্রী শাজাহান খানের বাধা দেওয়ার যে প্রসঙ্গটা এসেছে সেই বাধায় কোনো কাজ হবে না। মঙ্গলবার (৩১ জুলাই) রাজধানীর মহাখালীতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিহত ছাত্রী দিয়া খানম মীমের বাড়িতে যান। এ সময় তিনি নিহতের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। পরে সাংবাদিকদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন,তার (চালক) লাইসেন্স আছে কি না। সবকিছুই আমরা দেখব। কারণ এখানে প্রশ্ন আসছে, যে এরা শুধু অদক্ষ না, লাইসেন্সবিহীনও, এরা চালাচ্ছে। এই সব আমরা দেখব এবং এটার উপযুক্ত বিচার অবশ্যই হবে। উপযুক্ত বিচার এবং উপযুক্ত শাস্তি তারা পাবে। মাননীয় মন্ত্রী শাজাহান খান সাহেব, তিনিও আমাদের সরকারের একটা পার্ট। তিনি বাধা দেবেন বলে যে প্রসঙ্গটা আসছে, কথাটা আসছে, সেগুলো আমার মনে হয়, এই বাধায় কোনো কাজ হবে না। কিংবা এই ইসের মধ্যে কোনো কাজ হবে না। উপযুক্ত বিচার হবেই। গত ২৯ জুলাই রাজধানীর কুর্মিটোলার এয়ারপোর্ট রোডে বাসের চাপায় দুই কলেজ শিক্ষার্থী নিহত হয়। এ ছাড়া আহত হয়েছে আরো চারজন। নিহত শিক্ষার্থীরা হলো শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের একাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী দিয়া খানম মীম ও দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আবদুল করিম। ঘটনার পরে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা বাসে আগুন ধরিয়ে দেয় শতাধিক বাস ভাঙচুর করে। এরপর গত তিন দিন টানা অবরোধ করে যাচ্ছে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষার্থী। এ ছাড়া এই বিচারের দাবিতে অবরোধ কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছে অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও। এরই ধারাবাহিকতায় আজ সকালে রাজধানীর ফার্মগেটের রাস্তায় অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেছে কয়েকটি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা অভিযুক্ত চালকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে। এতে প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে যান চলাচল বন্ধ থাকে। এর পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে শান্তিপূর্ণভাবে সড়ক থেকে চলে যায় শিক্ষার্থীরা। তবে একই ঘটনার প্রতিবাদে শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা রাস্তা অবরোধ করতে চাইলে পুলিশের বাধায় তা পণ্ড হয়ে যায়। এদিকে, দুপুরে কাকরাইল মোড়েও প্রায় দুই ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে রাখে উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা। এ সময় সেখানেও বেশ কিছু সময় সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে প্রকৃত দোষীদের শাস্তির দাবি জানায় শিক্ষার্থীরা। লিখিত বক্তব্যে এক শিক্ষার্থী বলে, সে শুধু হেসেই থেমে যায় নাই। অন্য একটা দেশের উদাহরণ দিয়ে এড়িয়ে যায়। বিচার শুরু হলে হয়তো সেই নেতার কথায় বাস মালিকরাও ধর্মঘট করবে। তাদের সাজাও কমানো হবে। হে মমত্বময়ী মা, এটা যেন আমাদের সঙ্গে না হয় একটু খেয়াল রাখবেন।
আমরা আধুনিক দেশ হিসেবে গড়ে উঠছি: সজীব ওয়াজেদ জয়
অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন,৭৫-এর পর অনেকেই বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র করেছে। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর নাম এখন মহাকাশে, কেউ চাইলেও এই নাম মুছে ফেলতে পারবে না। মঙ্গলবার (৩১ জুলাই) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপন উদযাপন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ ছাড়াও ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, বিটিআরসির চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ প্রমুখ। সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, আমাদের লক্ষ্য ছিল ২০১৮ সালের মধ্যে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করার। আমরা সেটি করতে পেরেছি। তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে আমার লক্ষ্য ছিল সমগ্র বাংলাদেশে আমরা ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পৌঁছাব। কিন্তু বাংলাদেশের অনেক জায়গায় ফাইবার অপটিক দেওয়া সম্ভব নয়। সেখানে আমরা স্যাটেলাইট দিয়ে ইন্টারনেট পৌঁছে দেব। দ্বীপাঞ্চলগুলোতে আমরা ইন্টারনেট দেব। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে সেটি সম্ভব। স্যাটেলাইটের সুবিধা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার সময় দুটো সরকারি গণমাধ্যম ছিল। আওয়ামী লীগ আসার পর দুই তিনটা বেসরকারি চ্যানেল দেয়। ২০০৯ সালে এটি উন্মুক্ত করে দিই। কতটি টেলিভিশন চ্যানেল আছে জানা নেই, কারণ প্রতিবছর নতুন নতুন চ্যানেল হচ্ছে। তিনি বলেন, আমরা আধুনিক দেশ হিসেবে গড়ে উঠছি। আমরা এখন আর দারিদ্র্য দেশ নয়। আমাদের স্যাটেলাইটের উদ্দেশ্য ছিল টেলিভিশনগুলো এর সুবিধা পাবে। আমি চাই শুধু দেশীয় চ্যানেল নয়, বিদেশি চ্যানেলগুলোও যেন আমাদের মানুষ, গ্রামের মানুষ দেখতে পারে। শহর এগিয়ে যাবে, গ্রাম পিছিয়ে থাকবে সেটি আমরা চাই না। আরও অনেক কিছুই আছে যা স্যাটেলাইটের মাধ্যমে আমরা লাভবান হবো। জয় বলেন, বিদেশি স্যাটেলাইট ভাড়ার জন্য প্রত্যেক বছর কোটি কোটি টাকা সার্ভিসের জন্য দিতে হয়। এখন সকল সার্ভিস আমরা স্যাটেলাইটের মাধ্যমে দিতে পারব। এতে আমাদের ব্যালেন্স অব রিজার্ভের ওপর চাপ কমবে। স্যাটেলাইটের খরচ এই ভাড়া থেকেই উঠে আসবে। এই স্যাটেলাইট প্রফিট করবে। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আশা প্রকাশ করে বলেন, স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ হওয়ায় বিষয়টি তরুণ প্রজন্মের নজরে এসেছে। এখন নজর স্পেসের দিকে গেছে। এটার ওপর তরুণ প্রজন্ম ডিগ্রি নেবে। স্যাটেলাইট পরিচালনার জন্য তরুণ প্রজন্মের প্রয়োজন হবে। আমাদের দেশে স্যাটেলাইট টেকনোলজির চর্চা হবে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় থাকালে দুর্নীতিতে দেশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদে দেশ ছেয়ে গিয়েছিল। বাংলাদেশকে বলা হতো আরেক পাকিস্তান। জয় বলেন, শেষমেষ হচ্ছে আমরা গর্ব করতে পারছি। সারাবিশ্বের সামনে মাথা উচু করে দাঁড়াতে পারছি। বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় অন্যতম উদীয়মান দেশ। আমরা বিশ্বের ৫৭ তম দেশ হিসেবে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করলাম।
ভারত সফরে যাচ্ছেন বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ
অনলাইন ডেস্ক: ভারত সফরে যাচ্ছেন বাংলাদেশ সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ (বিজিবিএম, পিবিজিএম, বিজিবিএমএস, পিএসসি)। সেনাপ্রধানের দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তার প্রথম বিদেশ সফর। এ তথ্য জানিয়ে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন বলেন, ৩১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত সফরে বাংলাদেশ সেনাপ্রধান ভারতে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন এবং আগ্রা, লখনৌ এবং দেওলালিতে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা পরিদর্শন করবেন। দেওলালিতে তার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্কুল অব আর্টিলারি পরিদর্শন করবেন তিনি। ১৯৯২-১৯৯৩ সাল পর্যন্ত এই প্রতিষ্ঠানে তিনি লং গানারি স্টাফ কোর্স সম্পন্ন করেন। গত ২৯ জুলাই ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা সেনাবাহিনী সদরদপ্তরে সেনাপ্রধানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সেনাপ্রধানের ভারত সফর দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রে পারস্পরিক বিশ্বাসকে শক্তিশালী করবে। অালোকিত বাংলাদেশ
দুই শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায়, মর্মাহত প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও মর্মাহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিজ কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা বলেন। তিনি বলেন,ঘটনাটি দুঃখজনক, আমরা মর্মাহত। প্রধানমন্ত্রীও দুঃখ পেয়েছেন, কষ্ট পেয়েছেন। সে কারণে তিনি আমাকে পরিবারটির খোঁজ-খবর নেওয়ার জন্য পাঠিয়েছিলেন। এ বিষয়ে তিনি খুবই কঠোর। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার (৩১ জুলাই) মহাখালীতে বাসচাপায় নিহত দিয়া খানম মীমের বাসায় গিয়েছিলেন তার পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা জানাতে। তিনি বলেন,গতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারা বা পাল্লাপাল্লি করা, যে কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটুক তা খুঁজে বের করা হবো। যে কারণে বা যার কারণে ঘটনা ঘটেছে তাদের শাস্তি পেতে হবে। এই নৈরাজ্যের প্রতিকার হওয়া উচিত। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন,মীমের বাবা জাহাঙ্গীর আলম যে এলাকায় থাকেন এটি আমার নির্বাচনী এলাকা। তাই সেখানে গিয়েছিলাম। প্রধানমন্ত্রীও আমাকে যেতে বলেছিলেন। আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন,ঘটনা যারা ঘটিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন। ইতোমধ্যে গাড়ি জব্দ করা হয়েছে। গাড়ির চালক হেলপারদের গ্রেফতার করা হয়েছে। যার গাফিলতিতেই এই দুর্ঘটনা ঘটলো, তাকে শাস্তি পেতে হবে। জাহাঙ্গীরের সঙ্গে আমি কথা বলেছি। তিনি আমাকে বলেছেন, এটি অদক্ষ ড্রাইভারের কাজ। তাই আমি আবারও বলছি, অদক্ষ চালক হোক, ফিটনেসবিহীন গাড়ি হোক অথবা ট্রাফিক আইন অমান্য করে হোক, যে কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবো। এজন্য দায়ীদের শাস্তি পেতেই হবে। রাস্তায় ছাত্রদের বিক্ষোভ প্রসঙ্গে তিনি বলেন,ছাত্ররা বিক্ষোভ করছে, এটি তারা করতেই পারে। কারণ, তারা তাদের সহপাঠীকে হারিয়েছে, বন্ধুকে হারিয়েছে। তাদের আবেগ আছে তাই তারা বিক্ষোভ করছে। আমি ছাত্রদের এই বিক্ষোভকে সমর্থন করি। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন যেন ত্বরিতগতিতে এই দুর্ঘটনার বিচার হয়। তাই ছাত্রদের অনুরোধ করবো যেন তারা বাসায় ফিরে যায়। দুর্ঘটনার মামলা ৩০২ ধারায় করা হয় না কেন এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন,আমি আইন বিষয়ে ভালো জানি না। তবে ইচ্ছা করে হত্যা করলে তো ৩০২ ধারায় মামলা হয়। বাসের প্রতিযোগিতা বন্ধের নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন,আমার স্বীকার করতে বাধা নেই এটি রাস্তায় হয়। ক্যানসার ও কিডনি রোগে বছরে যত মানুষ মারা যায়, দুর্ঘটনায় তারচেয়ে বেশি মানুষ মারা যায়। ঢাকা শহরের এই দুর্ঘটনা বন্ধ করতে সেইফ ঢাকা নামে একটি প্রজেক্ট হাতে নিয়েছি। ঢাকা শহরের সড়ক ব্যবস্থাপনায় নতুন নতুন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এগুলো বাস্তবায়ন হলে যানজট কমে যাবে। যানজট কমে গেলে সড়ক দুর্ঘটনাও অনেকাংশে কমে যাবে। চালকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তারা আন্দোলন করে। এক্ষেত্রে এমন হলে কী করবেন এ প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবো। আসামে বাঙালি নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন,স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ থেকে খুব বেশি মানুষ মাইগ্রেন্ট হয়নি বলেই আমি জানি। কাজেই চিন্তার কিছু নেই। তবে বিষয়টি নিয়ে আমি অত বেশি ক্লিয়ার নই। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এটি দেখছে।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের শান্ত হওয়ার আহ্বান সেতুমন্ত্রীর
অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের শান্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন,জড়িত দোষীদের বিচার হবে, শাস্তিও হবে। কোমলমতি ছাত্রছাত্রীদের কাছে আমি অনুরোধ করব প্লিজ তোমরা শান্ত হও, ক্লাসে যাও। রোববার (২৯ জুলাই) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে জাবালে নূর পরিবহনের একটি বাসের চাপায় শহীদ রমিজউদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। এর প্রতিবাদে গত দুদিন ধরেই রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ চালিয়ে আসছে। আজ সকাল থেকে বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ-ভাঙচুরের কারণে ঢাকার সড়ক যোগাযোগ বিপর্যস্ত অবস্থায় পড়েছে। এ পরিস্থিতির মধ্যে দুপুরে ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে তিন সিটির নির্বাচন নিয়ে দলীয় অবস্থান তুলে ধরতে সংবাদ সম্মেলনে আসেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ওবায়দুল কাদের বলেন,সড়কে দুটি কচি প্রাণ ঝরে গেছে। এ ঘটনায় আমরা মর্মাহত। আমাদের সরকার চুপ করে বসে নেই। তিনি বলেন,দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে সরকার কঠোর অবস্থানে আছে। ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। গাড়ি জব্দ করা হয়েছে।
জনগণের ভোট ও খাদ্যের অধিকার নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য
অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি এবং জনগণের ভোট ও খাদ্যের অধিকার নিশ্চিত করার মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রতিষ্ঠা করা। মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর সফল উৎক্ষেপণ এবং সজীব ওয়াজেদের নামে স্যাটেলাইটটির ল্যান্ডিং স্টেশন উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন,আমরা দেশে একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি করতে চাই, যাতে জনগণের ভোটাধিকার এবং খাদ্যের অধিকার নিশ্চিত হয়। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্বীকৃত। সরকার দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য কর্মসূচি গ্রহণ করছে। এই মর্যাদা অক্ষুণ্ন রেখে আমরা দেশটিকে এগিয়ে নিতে চাই। শেখ হাসিনা বলেন,বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ থেকে দেশের মানুষ শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও আবহাওয়া পূর্বাভাসের মতো বিভিন্ন সেবা পাবেন। আমি বিশ্বাস করি, এই স্যাটেলাইট দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে অনেক অবদান রাখবে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় জানান, দেশের প্রত্যেক কোণায় ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেয়া স্বপ্ন তার। যেসব জায়গায় ফাইবার অপটিক সংযোগ দেয়া সম্ভব নয়, সেখানে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর মাধ্যমে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সরবরাহ করার কথাও জানান তিনি। সজীব ওয়াজেদ বলেন,স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণের পর দেশের তরুণরা মহাকাশ এবং মহাকাশ প্রযুক্তিতে আগ্রহ দেখাচ্ছে। আমি আশা করছি, এদেশের শিক্ষার্থীরা এ বিষয়ে বিদেশে উচ্চতর শিক্ষা অর্জন করবে। তারা দেশে ফিরে নিজেদের স্যাটেলাইট পরিচালনায় যুক্ত হবে। তিনি আরও বলেন,৭৫-এর পর অনেকেই বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র করেছে। এখন আর কেউ এই নাম মুছে ফেলতে পারবে না। আমরা বঙ্গবন্ধুর নাম মহাকাশে পাঠিয়ে দিয়েছি। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তফা জব্বারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার, বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের (বিসিএসসিএল) চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ এবং গাজীপুর ও বেতুবুনিয়াতে গ্রাউন্ড স্টেশন উদ্বোধন উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট চালু করেন। পরে শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গাজীপুর ও বেতবুনিয়া গ্রাউন্ড স্টেশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর