রিফাত হত্যায় মিন্নি জড়িত: পুলিশ
১৭জুলাই২০১৯,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বরগুনায় প্রকাশ্যে খুন হওয়া রিফাত শরীফের স্ত্রী মিন্নিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আজ দিনে তাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর রাতে গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সকালে বরগুনার বাসা থেকে মিন্নি ও তার বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। পরে জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় রাতে মিন্নিকে গ্রেফতার দেখানো হয়। শনিবার বরগুনায় চাঞ্চল্যকর রিফাত শরীফ হত্যা মামলার বাদি নিহত রিফাত শরীফের বাবা দুলাল শরীফ সংবাদ সম্মেলন করে মিন্নির দিকে অভিযোগের আঙ্গুল তুলেন এবং তাকে গ্রেফতারের দাবি জানান। পরে মিন্নিকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী। এর পরদিন সাংবাদিকদের ডেকে সব অভিযোগ অস্বীকার করে মিন্নি দাবি করেন তার শ্বশুরের কথার কোনো ঠিক নাই। তিনি অসুস্থ। এর আগে, হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি বন্দুকযদ্ধে নিহত নয়ন বন্ডের মা শাহিদা বেগমও মিন্নিকে জড়িয়ে বিবৃতি দেন। এদিকে গ্রেফতারের পর জেলা পুলিশ সুপার (এসবি) একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি গণমাধ্যমে পাঠান। বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশ জানায়, গত ২৬ জুন রিফাত শরীফকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার পর এখন পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত ৭ আসামিকে গ্রেফতার করে। এর মধ্যে নয়ন বন্ড বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়। এছাড়া আরো ৭ জনকে সন্দেভাজন হিসেবে গ্রেফতার করা হয়। মামলার মূল রহস্য উদঘাটন ও সুষ্ঠু তদন্তের জন্য এ মামলার ১ নং সাক্ষী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি (২০)কে ডেকে এনে মামলার ঘটনা সংক্রান্তে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তদন্তকারী কর্মকর্তা কর্তৃক প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ও সুদীর্ঘ সময় যাবৎ প্রাপ্ত তথ্যাদি পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ পূর্বক হত্যাকাণ্ডের সাথে তাদের সংশ্লিষ্টতা প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হওয়ায় মামলার মূল রহস্য উদঘাটন এবং সুষ্ঠু তদন্তের নিমিত্তে আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি রাত ৯টায় গ্রেফতার করা হয়।
সহিংস উগ্রবাদ রুখে দিতে পারলে, দেশে জঙ্গিবাদ হবে না- মনিরুল ইসলাম
১৬জুলাই২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ একদিনে হয়ে ওঠেনি। দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তারা এ সহিংস উগ্রবাদের পথে এসেছে বিধায় একদিনেই বা দ্রুত সময়ে এটা দমন করা সম্ভব না। সহিংস উগ্রবাদ রুখে দিতে পারলে, বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ হবে না বলে জানান ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সিটিটিসির প্রধান মোঃ মনিরুল ইসলাম বিপিএম (বার), পিপিএম(বার)। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সকাল ১১টায় লালমাটিয়া মহিলা কলেজ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত জঙ্গিবাদ বিরোধী শপথ বাক্য পাঠ ও সহিংস উগ্রবাদ বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী দলসমূহের সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি। ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির আয়োজনে উক্ত অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। লালমাটিয়া মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোঃ রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।ডিএমপি নিউজ । অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে জঙ্গিবাদ বিরোধী শপথ বাক্য পাঠ করান ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির আয়োজনে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় এ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় আটশত শিক্ষক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। ডিবেট ফর ডেমোক্রেসিকে ধন্যবাদ জানিয়ে সিটিটিসি প্রধান বলেন, আমরা গবেষণা করে দেখেছি ১৫-৩০ বছর বয়সের তরুণ-তরুণী উগ্রবাদের সাথে যুক্ত হচ্ছে। উগ্রবাদ শুধুমাত্র ধর্মের কারণে হয় না। ধর্মের প্রকৃত শিক্ষা দিয়ে সহিংস উগ্রবাদ রুখে দেয়ার জন্য মননশীল মানুষ তৈরি করতে হবে। স্কুল কলেজে পর্যাপ্ত খেলাধুলার ব্যবস্থা করতে হবে। যুক্তি মনস্ক মানুষ হিসেবে শিক্ষার্থীরা যাতে গড়ে উঠতে পারে সেজন্য বিতর্ক অনুষ্ঠানসহ অন্যান্য সাংস্কৃতিক কার্যক্রম আরো বেশি বেশি করে করতে হবে। যার মধ্যে যুক্তিবাদী মন আছে, সহমর্মিতা ও সহিষ্ণুতা আছে এবং অপরকে ভালোবাসতে জানে সেইতো মানুষ। সোশ্যাল মিডিয়া পুরোপুরি নিরপেক্ষ। এটা ভালো ও খারাপ দুই কাজেই ব্যবহার করা যায়। এটা নির্ভর করে ব্যবহারকারীর উপর। অন্য ধর্ম-বর্ণের মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। মনে রাখতে হবে ইসলাম কখনো হত্যা বা সহিংসতাকে সমর্থন করে না। আমাদেরকে প্রিয় নবীর মত সহনশীল ও পরমত সহিষ্ণু হতে হবে। ধর্মের প্রকৃত শিক্ষা সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে। তিনি আরো বলেন, সহিংস উগ্রবাদ প্রতিরোধে সমাজে এন্টিবডি তৈরি করতে হবে। এন্টিবডি বলতে ধর্মীয় সঠিক জ্ঞান সকলের মাঝে ছড়িয়ে দেয়া, প্রথমত পরিবার থেকে শিক্ষা নেয়া, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক শুধু পাঠদান করেন না, তিনি মানুষ গড়া কারিগর। উগ্রবাদ সম্পর্কিত সংবাদ প্রচারে মিডিয়াকে দায়িত্বশীল ও সচেতন হতে হবে, সিভিল সোসাইটি ও কমিউনিটির রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। প্রকৃত ইসলামের শিক্ষা দিয়ে সকলের মাঝে এন্টিবডি তৈরিতে মসজিদের ঈমামের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা খেলাধুলা ও সংস্কৃতি চর্চা মাধ্যমে সহিংস উগ্রবাদ বিরোধী এন্টিবডি তৈরি করতে পারি। সহিংস উগ্রবাদ বিরোধী প্রধান এন্টিবডি হতে পারে ডিবেট বা বিতর্ক। যুক্তিতর্ক দিয়ে যেকোন বিষয়ের খারাপ ও ভালো দিকের বিচার করা সম্ভব। তরুণদের উদ্দেশ্যে সিটিটিসি প্রধান বলেন, এই বিতর্ক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তোমাদের মধ্যে যে এন্টিবডি তৈরি হলো তা শুধু তোমরা নিজেরাই অনুসরণ করবে তা নয়, অন্যদেরও পথ দেখাতে হবে। আমি বিশ্বাস করি তরুণরাই আমাদের পথ দেখাবে। প্রধান বক্তার বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ বিস্তারে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র থাকলেও তা মোকাবেলায় আমাদের আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বদা সচেষ্ট রয়েছে। এখানেই সব ধর্মের-বর্ণের মানুষের এক অপূর্ব মিল-বন্ধন রয়েছে। বিচ্ছিন্ন দু-একটি ঘটনা ছাড়া মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রীস্টান প্রত্যেকেই যার যার ধর্ম শান্তিপূর্ণভাবে পালন করছে। তবে যখন আমরা দেখি নিউজিল্যান্ডে মসজিদে নামাজরত অবস্থায় মুসলমানদের উপর হামলা করে মানুষ হত্যার করা হয় এবং এর কিছুদিন পর শ্রীলংকায় গীর্জায় প্রার্থনারত অবস্থায় খ্রীস্টান সম্প্রদায়ের উপর হামলা করে মানুষ মারা হয় তখনই আমরা শংকিত হই। এ কারনে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। তিনি দুঃখ করে বলেন, কোথাও কোন উগ্রবাদী মুসলমান কাউকে হামলা করলে ফলাও করে ইসলামিক টেরোরিস্ট হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। কিন্তু যখন মুসলমানদের উপর কেহ হামলা করে তখন কোন বিশ্ব নেতৃবৃন্দকে বলতে শুনিনা কোন শ্বেতাঙ্গ টেরোরিস্ট সেখানে হামলা করেছে। এখানে উল্লেখ্য দেশে প্রথমবারের মতো আয়োজিত সহিংস উগ্রবাদ বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয় লালমাটিয়া মহিলা কলেজ, রানারআপ হয় তামীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা, যাত্রাবাড়ি ও তৃতীয় স্থান অধিকার করে সরকারি বাঙলা কলেজ মিরপুর। প্রতিযোগিতায় বিজয়ী দলসমূহকে ট্রফি ও সনদ প্রদান সহ ফুলের মালা পরিয়ে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানের আহবায়ক ড. তাজুল ইসলাম চৌধুরী তুহিন, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. মনিরুজ্জামান মুকুল ও লালমাটিয়া মহিলা কলেজ ডিবেটিং ক্লাবের মডারেটর ড. ফেরদৌস আরা খানম।
একনেকে ৮ প্রকল্পের অনুমোদন
১৬জুলাই২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:৫ হাজার ১৪২ কোটি ৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ৮টি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় প্রকল্পগুলোর অনুমোদন দেওয়া হয়। একনেক সভা শেষে প্রকল্পগুলো নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পরিকল্পনা বিভাগের সচিব মো নূরুল আমিন। পরিকল্পনা সচিব জানান, এই ৮ টি (নতুন ও সংশোধীত) প্রকল্পে সরকারি অর্থায়ন করা হবে ৪ হাজার ১২৯ কোটি ৮১ লাখ টাকা, এবং প্রকল্প সাহায্য ১ হাজার ১২ কোটি ২৫ লাখ টাকা।
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ
১৬জুলাই২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত যাতে সারাবছর বাজার মনিটরিং করে সে বিষয়ে খেয়াল রাখতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষে ডিসি সম্মেলনের তৃতীয় অধিবেশনে যোগদান শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। এ সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রী পরিষদ মোহাম্মদ শফিউল আলম। ভেজাল ও নকল প্রতিরোধে ডিসিদের কি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, সরকার ভেজাল ও নকল নিয়ন্ত্রণে জিরো টলারেন্স নীতিতে এগুচ্ছে। সে জন্যই নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত যাতে সারাবছর চলে এবং বাজার মনিটরিং করা হয় সে বিষয়ে খেয়াল রাখতে ডিসিদের নির্দেশ দিয়েছি। এছাড়াও খাদ্যপণ্যের সরবরাহ কম দেখিয়ে কোন ব্যবসায়ী যেন অতিরিক্ত মুনাফা করতে না পারে সে বিষয়টি তদারকি করতে ডিসিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
বিচারকদের নিরাপত্তা চেয়ে হাইকোর্টে রিট
১৬জুলাই২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:কুমিল্লা জেলা জজ আদালতের এজলাসে বিচারকের সামনে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় নিরাপত্তা চেয়ে আদালতে রিট দায়ের করেছেন একজন আইনজীবী। রিটে দেশের সকল আদালত অঙ্গন ও বিচারকদের যথাযথ নিরাপত্তা দেয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এক বিচারকের স্ত্রী ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান এ রিট দায়ের করেন। রিটের বিবাদীরা হলেন, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিবসহ সংশ্লিষ্টরা। জানা গেছে, আগামীকাল বুধবার হাইকোর্টের বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে রিট আবেদনটির শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এ বিষয়ে আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, গত সোমবার আদালতকক্ষে বিচারকের সামনে একটি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। একজন বিচারকের স্ত্রী হিসেবে এ ঘটনায় আমিও উদ্বিগ্ন। তাই দেশের সকল আদালত অঙ্গন ও বিচারকদের যথাযথ নিরাপত্তা প্রদানের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছেন তিনি। প্রসঙ্গত, গত সোমবার কুমিল্লা আদালতে হত্যা মামলার এক আসামি অপর আসামিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে। কুমিল্লার তৃতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফাতেমা ফেরদৌসের আদালতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত যুবক ফারুক হোসেন (২৭) কুমিল্লা জেলার লাকসামের ঘোষপাড়ার অহিদ উল্লাহর ছেলে। তিনি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি ছিলেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আবুল হাসানকে (২৫) তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
সিদ্ধান্ত পরিবর্তন,এরশাদের দাফন রংপুরেই হচ্ছে
১৬জুলাই২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:নেতাকর্মীদের চাপের মুখে জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের লাশ দাফনের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত এরশাদের লাশ দাফন করা হচ্ছে রংপুরেই। স্থানীয় নেতাকর্মীদের এক দফা দাবির প্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিকভাবে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন জাতীয় পার্টির ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারী খন্দকার দেলোয়ার জালালী। স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবির সঙ্গে সম্মতি জানান জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের, এরশাদের স্ত্রী রওশন ও পার্টির মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গাসহ নেতৃবৃন্দ। তার আগে কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে চতুর্থ নামাযে জানাজা শেষে কেন্দ্রীয় নেতাদের বাধা উপেক্ষা করেই লাশবাহী গাড়িটি চারদিক থেকে ঘিরে নিয়ে যাওয়া হয় পল্লী নিবাসে। এসময় এরশাদের দাফন হবে, রংপুরে-রংপুরে বলে স্লোগান দিতে থাকেন তারা। পাশাপাশি প্লেকার্ড প্রদর্শন করেন। এরশাদকে ঢাকায় দাফনের সিদ্ধান্তে শুরু থেকেই ক্ষুব্ধ ছিলেন রংপুরের নেতাকর্মীরা। বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের বুঝাতে ব্যর্থ হন পার্টির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। পল্লী নিবাসের লিচু বাগানে গতাকালই কবর খুড়ে রাখা হয়েছে। ওই কবরেই প্রিয়নেতাকে সমাহিত করা হবে। বেলা ২টা ২৮মিনিটে রংপুর কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে এরশাদের চতুর্থ জানাজা শেষ হয়। তার আগ থেকেই এরশাদের দাফন নিয়ে চরম উত্তেজনা দেখা দেয় নেতাকর্মী ও এরশাদের ভক্ত-সমর্থকদের মধ্যে। তার আগে সকাল ১১ টায় বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টারযোগে রংপুরে পৌঁছে এরশাদের লাশ। এরশাদের লাশ বহনকারী হেলিকপ্টারটি রংপুর সেনানিবাসের হ্যালিপ্যাডে অবতরণ করা হয়। এসময় বিপুল নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সেখান থেকে তার লাশ নিয়ে যাওয়া রংপুর কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে। সেখানে সামাজিক, রাজনৈতিক বিভিন্ন সংগঠনসহ সর্বস্তরের মানুষ তার কফিনে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তাকে শেষ দর্শন করেন। এসময় সাবেক এই প্রেসিডেন্টকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য, রোববার সকাল পৌনে ৮টায় রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন মারা যান সাবেক প্রেসিডেন্ট ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। তিনি রক্তে সংক্রমণসহ লিভার জটিলতায় ভুগছিলেন।
আদালতে হত্যা একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা
১৬জুলাই২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:কুমিল্লার আদালতে এক আসামি কর্তৃক অপর আসামি খুন হওয়ার ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ। তিনি এ ঘটনায় সরকারকে পদত্যাগ করতে বিএনপির দাবিরও সমালোচনা করেন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত গণতন্ত্রের মানসকন্যা বিশ্ব শান্তির অগ্রদূত দেশরত্ন শেখ হাসিনার কারান্তরীণ ও গণতন্ত্র অবরুদ্ধ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। হানিফ বলেন, আদালতে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। আজ বিএনপির এক নেতা ব্রিফিং করেছেন। তিনি সরকারের পদত্যাগ দাবি করেছেন। আমি বলি, তারা মামাতো-ফুফাতে ভাই। আবেগের বশে একটা দুর্ঘটনা হয়ে গেছে। কিন্তু বিএনপি নেতারা কোন মুখে সরকারের ব্যর্থতার কথা বলেন। কথা বলার আগে আয়নায় নিজেদের চেহারা দেখেন। অতীত দেখার চেষ্টা করেন। তিনি আরো বলেন, বিএনপির লজ্জা হওয়া উচিত। ২০০৮ সালের নির্বাচনে জনগণ আপনাদের আঁস্তাকুড়ে নিক্ষেপ করেছে। তাতেও আপনাদের শিক্ষা হয়নি। দেশের জনগণকে আপনারা বারবার আঘাত করেছেন। ২০০৩ সালে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচাল করার জন্য আপনারা আবার জনগণের উপর আঘাত করেছেন। আন্দোলনের নামে তাণ্ডবলীলা চালিয়েছেন। হানিফ বলেন, দেশে যখন আপনারা ক্ষমতায় ছিলেন, ঝালকাঠিতে দুইজন বিচারককে বোমা হামলা চালিয়ে হত্যা করেছেন। গাজীপুরেও ১২ আইনজীবীকে বোমা মেরে হত্যা করেছেন। একজন বিদেশি রাষ্ট্রদূতকেও আপনারা নিরাপত্তা দিতে পারেননি। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের পর তাকে বিদায় নিতে হয়েছে। তার বিদায় নেয়াটা স্বাভাবিকভাবে হয়নি, মন্তব্য হানিফের। তিনি বলেন, ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সালে ক্ষমতায় ছিল বিএনপি। সময় শেষ হলে তখন তারা চক্রান্ত শুরু করেন। ক্ষমতা ছাড়তে চাননি তারা। আজকে তারা কথায় কথায় দাবি তুলেন আমরা নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন চাই। সেই সুযোগ তো বানচাল করেছেন তারাই। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী আবুল হাসনাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক খাদ্যমন্ত্রী অ্যাড. কামরুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নূরুল আমীন, শাহে আলম মুরাদ প্রমুখ।
মিজান-বাছিরের বিরুদ্ধে ঘুষের মামলা অনুমোদন
১৬জুলাই২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:বরখাস্তকৃত ডিআইজি মিজানুর রহমান ও দুদকের পরিচালক এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে ঘুষের মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ফরেনসিক পরীক্ষায় ঘুষ লেনদেন নিয়ে কথোপকথনের সত্যতা পাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার দুদকের একটি সূত্র যুগান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সূত্রে জানা গেছে, ফরেনসিক পরীক্ষায় কথোপকথন, পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি ও প্রমাণাদি দুই কর্মকর্তার ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এসবের ভিত্তিতেই কারারুদ্ধ ডিআইজি মিজান ও দুদক পরিচালক এনামুল বাছিরকে আসামি করে মামলা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দুদক পরিচালক এনামুল বাছির ঘুষ গ্রহণ করেছেন, এটা অডিও রেকর্ডে প্রমাণ আছে। অন্যদিকে ডিআইজি মিজান নিজেই ঘুষ দেয়ার কথা প্রকাশ্যে বলেছেন। দুদক মনে করছে, এর মাধ্যমে ডিআইজি মিজান নিজের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিজেই প্রতিষ্ঠিত করেছেন। দুজনই ঘুষ লেনদেনে জড়িয়েছেন, যা দণ্ডবিধির ১৬১, ১৬৫(১), ১০৯ ধারা ও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) (ক্ষমতার অপব্যবহার) ধারায় অজামিন ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। মিজান দুদকের মামলায় বর্তমানে কারাগারে আছেন। ঘুষ লেনদেন মামলায় এবার সাময়িক বরখাস্ত এনামুল বাছিরকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হতে পারে। এদিকে ঘুষ লেনদেনের বিষয়ে ডিআইজি মিজান এবং দুদকের পরিচালক বাছিরকে আলাদাভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। দুদক মিজানকে কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সম্মেলন কক্ষে এবং বাছিরকে পুলিশ সদর দফতরে ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মিজান বলেছেন, মামলা হলে ফেঁসে যাবেন। তাই আত্মরক্ষার জন্য তিনি বাছিরকে ম্যানেজ করতে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ দেন। অন্যদিকে পুলিশের কাছে বাছির কী বলেছেন তা প্রকাশ করেননি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। সোমবার দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্ল্যার নেতৃত্বে তিন সদস্যের অনুসন্ধান টিম ডিআইজি মিজানকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। অপরদিকে পুলিশের অতিরিক্ত আইজি (অর্থ ও উন্নয়ন) মো. শাহাব উদ্দীন কোরেশীর নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত টিম দুদক পরিচালক এনামুল বাছিরকে বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসা করে। এদিকে তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে ডিআইজি মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান প্রতিবেদন তৈরি করছে দুদকের অনুসন্ধান টিম। জানা গেছে, সোমবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ডিআইজি মিজানকে কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সম্মেলন কক্ষে নানা বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। দুদকের অনুসন্ধান টিমের প্রশ্নের উত্তরে ডিআইজি মিজান স্বীকার করেছেন, তিনি দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে দুই দফায় ৪০ লাখ টাকা ঘুষ দিয়েছেন। প্রথম দফায় ১৫ জানুয়ারি ২৫ লাখ এবং দ্বিতীয় দফায় ২৫ ফেব্রয়ারি দেন ১৫ লাখ টাকা। দুবারই রমনা পার্কে গিয়ে এনামুল বাছিরের হাতে টাকা দেন। লেনদেনের বিষয়টি তার গাড়িচালক ও বডিগার্ডও জানত। বেলা ১১টা থেকে ডিআইজি মিজানকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। এ সময় দুদক টিমের হাতে ছিল জেরাসংক্রান্ত প্রশ্নমালা। জিজ্ঞাসাবাদের সময় কারা কর্তৃপক্ষের কয়েকজন কর্মকর্তাও উপস্থিত ছিলেন। দুদকের কর্মকর্তারা ডিআইজি মিজানের কাছে জানতে চান, কেন তিনি ঘুষ দিলেন? এনামুল বাছির তাকে কি ঘুষ দিতে বাধ্য করেছিলেন? এ প্রশ্নের সরাসরি কোনো উত্তর দেননি তিনি। বাধ্য না হলে কেন ঘুষ দিলেন- এ প্রশ্নেও নীরব ছিলেন ডিআইজি মিজান। তার কাছে জানতে চাওয়া হয়, এনামুল বাছিরকে ঘুষ দেয়ার আগে কমিশনকে বিষয়টি কেন জানাননি। কেন আপনি নিজেই অসততার আশ্রয় নিলেন। নিজেই বলেছেন, দুদক কর্মকর্তাকে ফাঁদে ফেলে দেখিয়ে দিতে চেয়েছেন দুদক কতটা ভালো কাজ করে। এসব প্রশ্নে ডিআইজি মিজান নিজের অবস্থান স্পষ্ট করতে পারেননি। শুধু বলেছেন, তার মনে হয়েছে মামলা হলে ফেঁসে যাবেন। এমনকি দুদক তার বিরুদ্ধে মামলা করতে যাচ্ছে, সেই মামলায় তিনি হয়রানির শিকার হতে পারেন তাই তিনি দুদকের পরিচালক বাছিরকে ম্যানেজ করতে চেয়েছেন। তিনি সহজেই ম্যানেজ হবে বুঝতে পারেননি। বিষয়টি এতদূর গড়াবে তাও তিনি ধারণা করতে পারেননি বলে জানান। এদিকে, পুলিশের অতিরিক্ত আইজি (অর্থ ও উন্নয়ন) মো. শাহাব উদ্দীন কোরেশীর নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত টিম সোমবার দুদক পরিচালক এনামুল বাছিরকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। এ সময় এনামুল বাছির কি বলেছেন, জানতে চাইলে তদন্ত টিমের প্রধান মো. শাহাব উদ্দীন কোরেশী যুগান্তরকে বলেন, বিষয়টি তদন্ত পর্যায়ে আছে। এনামুল বাছিরকে প্রায় ১ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ডিআইজি মিজানকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে কিনা এ সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, তদন্তের প্রয়োজন হলে হবে। জানা গেছে, দুদক টিম দুজনের ঘুষ লেনদেনসংক্রান্ত কথোপকথন ও এ সংক্রান্ত ফরেনসিক পরীক্ষার রিপোর্টের সূত্র ধরে ডিআইজি মিজানকে আরও বেশ কিছু প্রশ্ন করে। তবে অনেক প্রশ্নেরই উত্তর মেলেনি। দুদকের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, অনুসন্ধানে দুজনের ঘুষের প্রমাণ মিলেছে। ডিআইজি মিজানকে জিজ্ঞাসাবাদের মধ্য দিয়ে তার সত্যতা আরও নিশ্চিত হল। তিনি দুই দফায় ৪০ লাখ টাকা ঘুষ দেয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তবে দুদক পরিচালক এনামুল বাছির ঘুষ নেয়ার কথা অস্বীকার করেন। তিনি দুদকের ডাকে হাজির না হলেও পুলিশ সদর দফতরের নোটিশ পেয়ে সোমবার বক্তব্য দিয়ে এসেছেন। ১০ জুলাই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার কথা ছিল দুদকের। তিনি দুদকে হাজির হবেন বলেও অনুসন্ধান টিমকে নিশ্চিত করেন। কিন্তু ওই দিন তিনি নিজে হাজির না হয়ে একজন আইনজীবীর মাধ্যমে লিখিত বক্তব্যের একটি কপি পৌঁছে দেন। তাতে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করার পাশাপাশি তার কণ্ঠ নকল করার অভিযোগ করেন। অপরদিকে ডিআইজি মিজান এখনও বলছেন, তিনি ঘুষ দিয়েছেন। বাছির সেই ঘুষ নিয়েছেন। ঘুষ লেনদেন সংক্রান্ত অডিও ক্লিপের ফরেনসিক পরীক্ষা করেও দুজনের কণ্ঠের সত্যতা মিলেছে। অথচ বাছির বলেন, বাংলাদেশে কণ্ঠস্বর পরীক্ষার কোনো পদ্ধতিই নেই। এমন কি বিশ্বের কোথাও এ ধরনের পদ্ধতি আছে কিনা তার জানা নেই। দুদক মনে করে, এনামুল বাছির সরাসরি দুদকে হাজির হয়ে বক্তব্য না দিয়ে দূর থেকে যেসব কথা বলছেন, তার কোনো ভিত্তি নেই। দুজনের বিরুদ্ধেই ঘুষ নেয়া-দেয়ার প্রমাণ সব দিক থেকে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
আদালতে আসামিকে ছুরি দিয়েছে কারা, জানতে চান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
১৬জুলাই২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কুমিল্লা জেলা জজ আদালতের এজলাসে বিচারকের সামনেই এক আসামিকে অপর আসামির ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনাকে অনাকাঙ্ক্ষিত বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। তিনি বলেন, আদালতে আসামির কাছে ছুরি কীভাবে পৌঁছাল সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত করছে। আজ মঙ্গলবার সকালে বিজিবি সদস্যদের বীরত্বপূর্ণ ও কৃতিত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পদক প্রদান অনুষ্ঠানে মন্ত্রী একথা বলেন। আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, সে (আসামি) কীভাবে সেখানে ছুরি পেল সেটা আমাদের তদন্তের ব্যাপার। কারা তাকে ছুরি দিয়েছে কিংবা কীভাবে সহযোগিতা করেছে সেটা তদন্ত করলে বের হয়ে আসবে। কোর্টের ভিতরে যে ঘটনাটি ঘটেছে সেটা অনাকাঙ্ক্ষিত। আমরা মনে করি, এই ধরনের ঘটনা যাতে আর না ঘটে সেজন্য ভবিষ্যতে কোর্ট কর্তৃপক্ষ এবং আমরা সতর্ক থাকব।’ পুলিশ নিয়োগে ঘুষ বাণিজ্যকারী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তদন্তে প্রমাণ পেলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এ সময় কোর্টের নিরাপত্তা বাড়াতে স্ক্যানার ও সিসিটিভি স্থাপনের পরামর্শ দেন মন্ত্রী।-আলোকিত বাংলাদেশ

জাতীয় পাতার আরো খবর